Hm Emon Al Hasan
বিভিন্ন ধরনের গল্প এবং খেলাধুলার লাইভ দেখানো হবে ��
02/05/2026
বৃষ্টির কারণে, ১৫ ও বাড়ে খেলা,
৪.৩ পর্যন্ত পাওয়ার পেলে
30/04/2026
ডিজাইনার অপূর্ব 😊
কেমন হয়েছে জানাবেন।
প্লিজ ফলো দা পেইজ, 💝💝
বিশেষ সতর্কবার্তা:-
জরুরী বিজ্ঞপ্তিঃ
আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে ১২ মে এবং ২৫ মে থেকে ৪ জুন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কোনও ব্যক্তি (খোলা আকাশের নীচে) বাইরে বের হবেন না। কারণ, আবহাওয়া অধিদফতর বলেছে যে, তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে, তাই ঘরে কেউ যদি দম বন্ধ বোধ করেন তাহলে দ্রুত ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। দরজা খুলে রাখুন। যাতে বাতাস চলাচলে সুবিধা হয়। মোবাইলের ব্যবহার কম করুন, মোবাইল ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকুন এবং মানুষকে জানান। যতটা সম্ভব ঠান্ডা পানীয়, যেমন দই, বাটার মিল্ক, আপেলের জুস ইত্যাদি ব্যবহার করুন।
ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল ডিফেন্স নাগরিক এবং বাসিন্দাদের নিম্নলিখিত বিষয়ে সতর্ক করছে:
৪৭ থেকে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং আগামী দিনগুলিতে কিউমুলাস মেঘের উপস্থিতির কারণে বেশিরভাগ এলাকায় শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের জন্য কিছু সতর্কতা রয়েছে।
✪নিম্নলিখিত দ্রব্যাদি গাড়ি থেকে সরানো উচিত:
১। গ্যাস সামগ্রী
২। লাইটার
৩। কার্বনেটেড বেভারেজ
৪। সাধারণ পারফিউম এবং অ্যাপ্লায়েন্স ব্যাটারি
৫। গাড়ির জানালা সামান্য খোলা থাকা উচিত (বাতাস চলাচলে জন্য)
৬। গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্ক সম্পূর্ণভাবে ভরাট করবেন না
৭। সন্ধ্যায় গাড়িতে জ্বালানি নিন
৮। গাড়িতে ভ্রমণ করা এড়িয়ে চলুন, বিশেষ করে সকালের দিকে।
বিচ্ছু এবং সাপ থেকে সাবধান থাকুন কারণ তারা তাদের গর্ত থেকে বেরিয়ে এসে শীতল জায়গার সন্ধানে পার্কে কিংবা বাড়িতে প্রবেশ করতে পারে।
প্রচুর পানি এবং তরল পানীয় পান করুন, গ্যাস সিলিন্ডার রোদে না রাখা নিশ্চিত করুন, বিদ্যুতের মিটার ওভারলোড না করা নিশ্চিত করুন এবং এয়ার কন্ডিশনার শুধুমাত্র বাড়ির দখলকৃত জায়গায় ব্যবহার করুন, বিশেষ করে গরমের সময়। এবং দুই থেকে তিন ঘন্টা পর পর ৩০ মিনিট বিশ্রাম দিন। বাইরে ৪৫°-৪৭° হলে বাড়িতে ২৪°-২৫°এ এসি রাখুন, আপনার স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। সূর্যালোকের সরাসরি সংস্পর্শে আসা এড়িয়ে চলুন, বিশেষ করে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে।
পরিশেষে: অনুগ্রহ করে এই তথ্যটি শেয়ার করুন, কারণ অন্যরা হয়তো জানেন না এবং এটি প্রথমবার পড়ছেন।
শুভেচ্ছা,
ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল ডিফেন্স।
পোস্ট কপি
18/04/2026
ডিজাইনার অপূর্ব,,,❤️❤️
কেমন হয়েছে জানাবেন 💙💙
আল্লাহর সিগন্যাল কি ধরতে পারছেন ☝️⚠️
তার আগে চলেন উদাহরণ টানি । তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে
একটা সৈনিক তৈরি করার জন্য সরকার কি করে জানেন ? বুদ্ধিমান, শক্তিমান, ভালো ফিটনেস দেখে বাছাই করে ।
ভোর বেলা প্রার্থনার পর ৫-১০ কিলোমিটার দৌড়াতে দেয় । এরপর বুক ডন, বিভিন্ন এক্সারসাইজ করায় । উঁচু থেকে লাফ দেয়ায়, দড়ি ধরে ঝুলতে হয়, পাহাড়-পর্বত মাড়িয়ে কঠোর জীবনে অভ্যস্ত করিয়ে তারপর বন্দুকের অনুশীলনে দক্ষ বানিয়ে তারপর যুদ্ধে পাঠানো হয় ।
এতে সেই সৈনিক সবরকম প্রতিকুল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে । নিজেকে বাঁচাতে পারে । অন্যদের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করতে পারে ।
ভাবুন তো আপনার হাতে যদি একটা রাইফেল বা পিস্তল ধরিয়ে যুদ্ধে নামিয়ে দেয়া হয় আপনি কতক্ষণ টিকবেন ? এক মিনিট ? খুব বেশী বলে ফেললাম কারণ যিনি রাইফেল বা পিস্তল চালাতে পারে না সে শত্রুকে কতক্ষন আটকে রাখতে পারে ?
এখন আসুন আল্লাহর সিগন্যালে আসি ।
মধ্যপ্রাচ্যের কন্ডিশন, বিশ্ব ব্যবস্থা, অর্থনীতি, অত্যাচার-নির্যাতন ইত্যাদি আমাদের শেষ সময়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে ।
আর হাদিসে শেষ সময় সম্পর্কে কি কি আছে ?
মুদ্রা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়বে, মহামারি, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, অনাবৃষ্টি, খরা ইত্যাদি আসবে যা মুমিনদের ঈমানের পরীক্ষা নিবে ।
কালকে যদি বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়, দুর্ভিক্ষ শুরু হয়, বাংলাদেশের উপর বোমা এসে পড়ে, আপনি কয়দিন বেঁচে থাকবেন ? সর্বোচ্চ ৩ দিন । এরপর মাটিতে মিশে যাবেন । কারণ আপনার উপর যেসব প্রকৃতিগত জীবাণু আক্রমণ করবে সেগুলির জন্য আপনার শরীর প্রস্তুত না ।
আমরা ৪-৫ বছর আগেই একটা মহামারি অতিক্রম করলাম । আমাদের ইমিউন সিস্টেম টিকার কারণে উন্নতি লাভ করেছে । কিংবা শারীরিকভাবে পরিশ্রমি, শক্তিশালীরা টিকে গেছে । যারা একেবারেই দুর্বল তারা মারা গেছে ।
এবার আসছে আরেকটু কঠিন পরীক্ষা । জ্বালানী সমস্যা শুরু হয়ে গেছে । শীঘ্রই হয়ত কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে । বিদ্যুৎ ঘাটতি হবে । আমরা যারা গরম সহ্য করতে পারি না, তারা এবার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী গরমে অভ্যস্ত হবো । আরেকদিকে কৃষিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবো । আমাদের ভাত, সবজি, তরকারি এসব আমরাই উৎপাদন করতে শিখে যাবো এবারের পরীক্ষায় ।
এই পরীক্ষাতেও অনেক মানুষ মারা যাবে । বেঁচে থাকবে তারাই যারা প্রকৃতিকে জয় করতে পারবে । তার মানে আপনার শরীর জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া থেকে নিজেকে সুসংহত ইতিমধ্যে করে ফেলেছে । এবার আপনি প্রকৃতিকে বিজয় করে বেঁচে থাকবেন । আপনি একই সাথে ভয়াবহ ভ্যাপসা গরমে টিকে থাকতে শিখবেন, প্রকৃতিকে ব্যবহার করে নিজেকে রক্ষা করা শিখে ফেলবেন ।
আমাদের সামনে দুইটা গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা শেষ হবে ।
যদিও আমি বিশ্বাস করতে চাই না কিন্তু ভাবনার এক কোণে মনে হয় পরমাণু যুদ্ধ খুব কাছে । ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা শেখার কারণে জীবাণু অস্ত্রের কারণে একটা শ্রেণী মারা গেলেও যারা হেলদি রুটিন অনুসরণ করে জীবন-যাপন করে তাদের ইমিউন সিস্টেমের কারণে তারা অনেকেই বেঁচে যাবে । তারপর তেজস্ক্রিয়তার কারণে ফুড চেইন ধ্বংস হলেও কৃষির মাধ্যমে নিজেকে রক্ষা করা লোকেরা এই সমস্যাও কাটিয়ে উঠবে । কারণ কৃষিতে অভ্যস্ত লোকেরা পরের মৌসুমের জন্য ফসলের বীজ সংরক্ষণ করে রাখবে । বেঁচে থাকা লোকেরা এইসব বীজ ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন করে টিকে থাকবে ।
যারা করোনা থেকে রক্ষা পেয়েছে কিন্তু দুর্বল ফিটনেস তাদের বড় একটা অংশ এবার ধ্বংস হয়ে যেতে পারে আমি অনুমান করছি কারণ এসিতে থেকে অভ্যাসের কারণে হঠাৎ গরম এদের শরীর সহ্য করতে পারবে না, ফ্যানের নিচে থাকা, আরাম আয়েশে জীবন কাটানো লোকেরা এই সমস্যা ফেইস করবে ।
প্রবাদ আছে, কঠিন সময় কঠিন মানুষ তৈরি করে ।
আমাদের সামনে কঠিন সময়, যে কারণে প্রকৃতি আমাদের কৃষিতে সরিয়ে নিচ্ছে । আমাদের গবাদি পশু পালনের দিকে আকৃষ্ট করে দিচ্ছে । এগুলি কোন স্বাভাবিক বা হঠাৎ জেকে বসা কিছু নয় ।
আল্লাহ চাচ্ছেন মাহদি আঃ এর সময়ে কঠিন পরিবেশে টিকে থাকা লোকেরা বেঁচে থাকবে । দাজ্জালের সময় প্রথম বছর অর্ধেক বৃষ্টি হবে না, দ্বিতীয় বছর একেবারেই বৃষ্টি হবে না । তার মানে কৃষি ধ্বংস হয়ে যাবে । সেই সময়ে দুর্বল লোকেরা দাজ্জালের অনুসারী হয়ে যাবে । কিন্তু যারা কৃষি শিখে ফেলবে তারা বীজ সংরক্ষণ, খাদ্য-শস্য সংরক্ষণ, করে রাখবে এবং আধাপেট খেয়ে নিজের জীবন ও ঈমান রক্ষা করবে ।
মাহদি ও দাজ্জাল হুট করে এসে পড়া কোন গল্প না । এই গল্পের চিত্রনাট্য প্রস্তুত হচ্ছে এবং আমরা তার চরিত্র । এই চরিত্রগুলি টিকে থাকবে মহামারি, দুর্ভিক্ষ, খরাকে বিজয় করে । এবং সংখ্যাটা অল্প সংখ্যক ।
এসব প্রাকৃতিক সমস্যাকে নিছক দুর্ঘটনা ভাবতে আমি রাজি না । হাদিসে যেভাবে বলা তার অনেক কিছু মিলে যাচ্ছে । সব জানার পরেও বসে থাকলে আমাদের ধ্বংস কেউ রুখতে পারবে না ।
হাদিসে বলছে, ফিতনা আরবের ঘরগুলিতে ছড়িয়ে পড়বে । একদিকে আগুন নিভ্লে অন্যদিকে জ্বলে উঠবে ।
এই কথা দ্বারা কি আপনি বুঝতে পারেন এটা এই সময়কে নির্দেশ করছে । গোটা আরবকে একটা এলাকা বিবেচনা করুন । প্রতিটা দেশ একেকটা ঘর । ইরাকের যুদ্ধ শেষ হতেই সিরিয়া, ইয়েমেনে শুরু হলো । এদিকে শেষ হতেই সৌদি, আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত যুদ্ধে জড়িয়ে গেলো ।
আমি কেবল একটা হাদিস টেনে আনলাম । এরকম কয়েক ডজন হাদিস রয়েছে যা আপনাকে শেষ সময়ের ফিতনাকে সংকেত দিচ্ছে ।
আপনি যদি আল্লাহর এই সিগন্যাল প্ল্যানে টিকে থাকতে চান তাহলে এই কথাগুলি অনুসরণ করতে পারেন ।
প্রথমত আমরা গায়েব জানি না । এই জ্বালানী সংকট আমাদের কোনদিকে নিয়ে যাচ্ছে আমরা জানি না । এই সমস্যা শেষ হলে তো বেঁচেই গেলাম কিন্তু বিশ্বব্যাপি বড় বড় নেতারা যখন বলছে পরিস্থতি ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে তাহলে বিশ্বাস করতে হবে ভালো দিন শেষ হয়ে গেছে ।
আমার মতে কৃষিকে টার্গেট করুন । ফসল উৎপাদন শিখুন । বীজ তৈরি ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া শিখুন । সময় ক্রমশ ভয়ংকর অবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে ।
আমার মতে খারাপ সময়ে টিকে থাকার ট্রায়াল শুরু হয়ে গেছে । যে বাঁচতে চায় সে যেন হাদিসের সতর্কতা অনুসরণ করে জীবনযাপন পদ্ধতি পরিবর্তন করে । এটাই আল্লাহর সিগন্যা! এই সিগন্যাল বুঝতে পারবে অল্প লোকেরা ও বাঁচবেও কম লোকেরা । যারা হাসাহাসি করবে তারা প্রত্যেকে অপদস্থ হবে মৃত্যুর আগে ও পরে!
13/04/2026
ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার,
প্রধান শাখা কচুক্ষেত ক্যান্টনমেন্ট,!
06/04/2026
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে এল"স্পিন
বোলিং মেশিন", বল দেখেই ভাড়কে গেলেন শামীম পাটোয়ারী.!😍
বরিশাল গৌরনদী উপজেলার বাটাজোড় এলাকায় ঢাকা-থেকে বরগুনা গামী গ্রিনভিউ পরিবহন (বরগুনা -ব-১১-০০২৬) ভোররাত আনুমানিক ৫ ঘটিকার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে খাদে পরে গিয়ে নারী পুরুষ সহ গুরুতর আহত তিন জন । খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার স্টেশন এর স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান এর নেতৃত্ব ০২টি ইউনিট দ্রুত ঘটনা স্থলে পৌঁছে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে । আপনারা সবাই তাদের জন্য দোয়া করুন,তারা যেন সুস্থ হয়ে সহিসালামতে তাদের মা বাবার কাছে ফিরে যেতে পারে।😥😥😥
Asia Post
ফুয়েল কার্ড’ নিতে এসে ভিড়ে অসুস্থ হয়ে একজনের মৃত্যু
রাজীব হাসান কচিরাজীব হাসান কচি ২:৩২ অপরাহ্ন ৩১, মার্চ ২০২৬
A A
চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গায় ‘ফুয়েল কার্ড’ নিতে এসে আর বাড়ি ফেরা হলো না ভেদামারি গ্রামের বখতিয়ার হোসেনের (৫৫)। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা মাঠে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে আলমডাঙ্গা ফাতেম ক্লিনিকে নিলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই ফুয়েল কার্ড নেওয়ার জন্য উপজেলার মাঠে মানুষের ভিড় ছিল। সেই ভিড়ের মধ্যেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বখতিয়ার হোসেন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে সহায়তার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত আর বাঁচানো যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল সোমবার থেকে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু হলে আজ শেষদিন হওয়ায় সকাল সকাল ফুয়েল কার্ড নিতে এসেছিলেন তিনি।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আকতার জানান, মৃত ব্যক্তি আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। উপজেলা মাঠে তীব্র গরমে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে স্ট্রোক করে তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন,আল্লাহ তাআলা তাকে যেন জান্নাতুল ফেরদৌস দান করে আমিন। 🥹🥹🥹
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
36280
