Trikatu - Natural Shop
When You Look For Quality Food. Ours Come First.
22/09/2025
**প্রস্রাবের জ্বালা, বারবার ইনফেকশন? – কাবাব চিনি নিয়ে জানুন বৈজ্ঞানিক দিক**
প্রায়শই প্রস্রাবের সময় জ্বালা, ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ, তলপেটে অস্বস্তি—এসবই ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI)-এর চেনা উপসর্গ। যাঁরা এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তাঁরা জানেন এই যন্ত্রণার অস্বস্তি কতটা। ঠিক এই জায়গাতেই প্রাচীন আয়ুর্বেদে পরিচিত একটি প্রাকৃতিক ভেষজ কাবাব চিনি (Cubeb pepper) অনেকে ব্যবহার করে আসছেন।
@কাবাব চিনির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ@
**প্রাকৃতিক অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ**
কাবাব চিনিতে আছে ভোলাটাইল অয়েল ও পিপেরিন জাতীয় যৌগ, যা ই.কোলাই ও অন্য ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে কমাতে সাহায্য করতে পারে—যা UTI-এর প্রধান কারণ।
**ডায়ুরেটিক প্রভাব**
এটি হালকা মূত্রবর্ধক, ফলে প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে মূত্রনালীর ব্যাকটেরিয়া ধুয়ে বের করতে সহায়তা করে।
**প্রদাহ কমাতে সহায়ক** এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান মূত্রনালীর প্রদাহজনিত ব্যথা ও জ্বালা কিছুটা প্রশমিত করতে পারে।
**ব্যবহারের ধরন**
প্রাচীন গ্রন্থে কাবাব চিনি গুঁড়ো বা ক্বাথ (ডেকোশন) আকারে ব্যবহারের উল্লেখ আছে। তবে ডোজ ও সময়সীমা ব্যক্তিভেদে আলাদা, তাই ডাক্তার বা রেজিস্টার্ড আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত সেবন করবেন না।
**কিছু অতিরিক্ত টিপস**
#প্রচুর পানি পান করুন, যাতে মূত্রনালী পরিষ্কার থাকে।
#অতিরিক্ত চিনি ও প্রসেসড খাবার কমান।
#ইনফেকশন বারবার হলে অবশ্যই ইউরিন কালচার করে সঠিক #অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন আছে কি না পরীক্ষা করান।
**যারা UTI-এর জ্বালা আর অসহ্য অস্বস্তির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য কাবাব চিনি প্রাকৃতিক এক সাপোর্ট হতে পারে। তবে মনে রাখবেন, এটি কোনো ম্যাজিক কিউর নয়—ডাক্তারি চিকিৎসার পাশাপাশি সঠিক পরিমাণে এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ব্যবহারের মাধ্যমেই এর উপকার পাওয়া সম্ভব। আপনার শরীরের সিগন্যালকে অবহেলা করবেন না, সময়মতো চিকিৎসা নিন এবং নিজের যত্ন নিন।**
11/06/2025
আপনার শরীর নিজে থেকে সুস্থ হওয়ার এক অলৌকিক ব্যবস্থা। একে পুষ্টি দিন, বিশ্রাম দিন, সম্মান দিন। আপনি প্রতিদিনই নিজেকে নতুন করে গড়ছেন।
আপনার শরীরের লুকানো আছে সুপার পাওয়ার। একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শরীর তার অঙ্গ গুলো পুনরুজ্জীবিত করে।
নিম্নে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অঙ্গের পুনরুজ্জীবনের সময় দেওয়া হলো:-
⚛আন্ত্রিক আস্তরণ (Intestinal Lining) প্রতি ৩–৫ দিনে নবায়ন হয় হ্যাঁ, আপনার অন্ত্র প্রায় প্রতি সপ্তাহেই একেবারে নতুন হয়ে যায়!
⚛চামড়া (ত্বক) প্রতি ২৮ দিনে পুনরুজ্জীবন আপনারh সবচেয়ে বড় অঙ্গ সব সময়ই নিজেকে নবায়ন করছে—গ্লো-আপ প্রস্তুত!
⚛মাংসপেশি টিস্যু মেরামত হয় ৪–৮ সপ্তাহে জিমের ব্যথা হোক বা চোট, মাংসপেশির রয়েছে চমৎকার আরোগ্য ক্ষমতা।
⚛হাড় মেরামত হতে ৬–৮ সপ্তাহ ভাঙা হাড়? চিন্তা নেই। যত্ন নিলে আপনার হাড় নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যায়।
⚛অগ্ন্যাশয় (Pancreas) প্রতি ৬–১২ সপ্তাহে পুনরুজ্জীবন রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—ভাগ্য ভালো, এটিও নিজেকে পুনরায় তৈরি করতে পারে।
⚛থাইরয়েড পুনরুজ্জীবনে সময় লাগে ৩–৬ মাস এই ছোট গ্রন্থিটি আশানুরূপভাবে দ্রুত পুনরুজ্জীবিত হয়—বিশেষ করে পুষ্টিকর খাবারে সহায়তা পেলে।
⚛কিডনি ও অ্যাডরিনাল গ্রন্থি সময় লাগে ৬–৮ মাস ধীরে হলেও, এই ডিটক্স জুটি সময় ও যত্ন পেলে পুনরুজ্জীবিত হয়।
⚛লিভার (যকৃত) পুরোপুরি পুনরুজ্জীবন হয় ৩৬৫ দিনে একমাত্র অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি যা পুরোপুরি আবার গজাতে পারে। একে ভালবাসতেই হয়!
⚛হৃদয় প্রতি ৪.৫–৫ বছরে পুনরুজ্জীবন হৃদয় কোষ ধীরে ধীরে হলেও নিজেকে পুনর্গঠন করে—আপনার হৃদয়েও রয়েছে নিরাময়ের শক্তি!
⚛মস্তিষ্ক/নার্ভ টিস্যু সময় লাগে ১–১২ বছর সবচেয়ে ধীরে পুনরুজ্জীবিত হয়, কিন্তু হ্যাঁ, এটা ঘটে—বিশেষ করে হিপোক্যাম্পাসে!
18/10/2024
ঘি বাঙালিদের জন্য একটি সুপার ফুড। ভোজন রসিক বাঙালির এই ঐতিহ্যবাহী পণ্য খাবারের পুষ্টিগুণ ও স্বাদ বাড়াতে অপরিসীম।
এছাড়া রান্নায় খাবেন সরিষার তেল। তবে তা যেনো হয় অবশ্যই ভেজাল মুক্ত।
ত্রিকটূ আপনাদের দিচ্ছে ঘরে বানানো গাওয়া ঘী এবং ঘানি ভাজ্ঞানো সরিষার তেল।
Online order👉http://hishabee.market/shop/httpswwwfacebookcomprofilephpid61564625793561mibextidzbwkwl
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ করুন অথবা কল করুন 01732983706
নাস্তা হক যখন তখন!!!
হরেক রকম খাবার নিয়ে তৈরি হক আমাদের খাবার টেবিল।
এখানে পাবেন খুচরা ও পাইকারি মূল্যে সব রকমের ফ্রোজেন পণ্য।
দোকান/শপের জন্য পাইকারি দেওয়া হয়।
হোম ডেলিভারি চার্জ ৮০ টাকা।
অর্ডার করতে মোবাইল নাম্বার অথবা ইনবক্সে মেসেজ করুন।
01860-950919
15/11/2023
ভেজাল মুক্ত ও পিওর সজিনা পাতা গুড়া পেতে আমাদের পেজ মেসেজ অথবা কল করুন- 01732983706
সজিনা ৮০ গ্রাম - ১৮০/-
সজিনা ৩০০ গ্রাম- ৪১৫/-
সজিনা ৬০০ গ্রাম - ৮০০/-
24/10/2023
30/08/2023
👉যে ছয়টি কারনে সুপারফুড চিয়া সীড খাবেন?
১। ভরপুর এন্টিঅক্সিডেন্টঃ চিয়া বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমানে এন্টি অক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহের অভ্যন্তরীণ কোষ ও ত্বকের রক্ষনাবেক্ষন করে থাকে। এন্টি অক্সিডেন্ট আমাদের মুখে বয়সের ছাপ রোধ করবে।
.
২। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়ঃ চিয়া বীজে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, প্রোটিন এবং ওমেগা-৩ যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সক্ষম।
৩। উচ্চমানের প্রোটিনঃ এতে রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন। ওজন অনুসারে চিয়া বীজে প্রায় 14% প্রোটিন থাকে যা বেশিরভাগ উদ্ভিদের তুলনায় অনেক বেশি।
.
৪। হাঁড়ের সুরক্ষায়ঃ প্রতি ১০০ গ্রাম চিয়া বীজে প্রায় ৬৩১ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। যারা দুধ বা দুগ্ধ জাত খাবার খেতে পারেন না তাদের জন্য খুব ভালো একটি ক্যালসিয়াম এর উৎস চিয়া সীড।
৫। ওজন কমাতেঃ ওজন কমাতে চিয়া বীজের ভালোই খ্যাতি বিশ্বজুড়ে। এতে বিদ্যমান হাই-প্রোটিন ক্ষুধা কমায়, তাই ওজন কমাতে সহায়ক।
৬। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডঃ চিয়া সীড এ খুব ভালো পরিমান ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড রয়েছে যা পরিমানে সামুদ্রিক মাছ স্যালমন থেকেও বেশি।
04/07/2023
করোসল (Corossol), ক্যান্সার প্রতিরোধক। বাংলায় 'টক আতা ফল' নামে অভিহিত করতে পারি অনায়াসে। করসল সম্মন্ধ্যে কিছুটা ধারনা দেয়ার জন্য আমার আজকের আয়োজন।
করোসল (Corossol) ফলের ফলের অনেকগুলো নাম রয়েছে। সেগুলো হলো- গ্র্যাভিওলা, (Graviola), সোরসপ, গুয়ানাভা ও ব্রাজিলিয়ান পাও পাও। এই ফলের জন্য গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চল বেশ উপযোগী। চায়না, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, ব্রাজিল, মেক্সিকো প্রভৃতি দেশে এই ফল খুব ভালো জন্মে। এ ফল শীতপ্রধান অঞ্চলে বাঁচতে পারে না।
করোসলের Common Names: “soursop”, “prickly custard apple” এবং Scientific Name: Annona muricata । করোসল ফলের গাছটি ২৫-৩০ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট এবং স্বল্প শাখা-প্রশাখাযুক্ত হয়ে থাকে। এর ফলটি দেখতে ক্রিকেট খেলার স্টেডিয়ামের মতো ওভাল আকৃতির হয়ে থাকে। গায়ে বৃন্তযুক্ত, হলদেটে সবুজ রঙের ফলটির ভক্ষণযোগ্য অংশটি জ্যুসি। এই ফলটি আতা ফলের মতো খাওয়া ছাড়াও পানীয় এবং শরবত হিসেবে গ্রহণ করা যায়। গ্রাভিওলা আম্লিক ফল হিসেবেও পরিচিত। তাই এটিকে বাংলায় 'টক আতা ফল' নামে অভিহিত করতে পারি অনায়াসে।
করোসল ফলের ঔষধি গুনাগুণঃ
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ফল ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। এই ফল খেলে ক্যান্সাররোগীর কেমোথেরাপির প্রয়োজন হয় না। এ ফল ক্যান্সার সেলের মৃত্যু ঘটাতে কেমোথেরাপির চেয়ে এটি ১০ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী।
করোসল গাছে রয়েছে অ্যানোনাসিয়াস অ্যাস্টোজেনিন নামে এক ধরনের যৌগ। এই যৌগ ক্যান্সারের কোষের বৃদ্ধি রুখে দেয়, যা কেমোথেরাপি করে। ফলে ক্যান্সার কোষ আর বাড়তে পারে না। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার, ফুসফুস ক্যান্সার, প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, প্রসটেট ক্যান্সারে এটি বেশি কার্যকর।
এছাড়া নিয়মিত এই ফল খেতে পারলে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটা বেড়ে যায়। শরীরও চাঙ্গা থাকে এবং দুর্বল ভাব আসে না। রক্তকে শোধিত করতেও এই ফলের গুণ অনস্বীকার্য। শুধু ফলই নয়, এই গাছের ছাল ও পাতায় লিভার সমস্যা, আর্থরাইটিস ও প্রস্টেটের সমস্যায়ও নিরাময় হয়ে যায়।
মাটিঃ
করোসল ফলের জন্যে ৫-৬.৫ pH মাত্রার মাটি সবচেয়ে উপযোগী। মাটিতে নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো থাকতে হবে। বেলে মাটি এই ফলের জন্যে উপযুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বীজসংগ্রহ ও চারা উৎপাদনঃ
করোসল (Corossol) মাঝ বরাবর কেটে বীজ সংগ্রহ করতে হয়। একটি ফলে মোটামুটি ১২-২০ টি বীজ থাকে। এরপর ঘরের অভ্যন্তরে ছায়াযুক্ত স্থান নির্বাচন করে অঙ্কুরোদগম হওয়ার জন্যে সুযোগ দেওয়া হয়। কুসুম গরম পানিতে বীজকে ২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হয়। পরদিন একটি ট্রেতে কোকোডাস্ট, ভার্মিকুলাইট মিশিয়ে পিট তৈরি করে বীজ বপন করতে হয়। ২-৪ সপ্তাহ পর বীজের ট্রেটিকে আলোর সংস্পর্শে নিয়ে আসতে হবে। প্রতিদিন ৪-৬ ঘন্টা সূর্যের আলোর সংস্পর্শে রাখা বাঞ্ছনীয়। করোসলের বীজ ১৫-৩০ দিনের মধ্যেই অঙ্কুরিত চারা টবে রোপণের উপযুক্ত হয়ে যায়।
অঙ্কুরিত বীজটিকে এবার টব বা প্লাস্টিকের পাত্রে স্থান্তরিত করতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে পাত্রটি যেন গাছের চেয়ে বড় হয়। পাত্রের নিচে ছিদ্র থাকতে হবে। মোটামুটি ১ মাসে মধ্যেই চারাগাছ টবে লাগানোর উপযুক্ত হয়ে যায়। টব বা প্লাস্টিকে পাত্রটি পটিংমিক্স দ্বারা পরিপূর্ণ থাকতে হবে। ট্রে থেকে খুব সতর্কতার সাথে চারা তুলে নিতে হবে যেন শিকড় ক্ষতিগ্রস্থ না হয়। শেকড় ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া করোসলের জন্যে বেশ ঝুকিপূর্ণ। এভাবে ৬ মাস বাড়তে দিতে হবে চারাকে।
চারা লাগানোর সময়ঃ
ফাল্গুন মাসের শুরুতে বা বসন্তে করোসলের চারা লাগানোর উপযুক্ত সময়।
চারা রোপনের নিয়মঃ
অঙ্কুরিত বীজটি বাগানে লাগানোর পূর্বে এর পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এমন একটি জায়গা নির্বাচন করতে হবে যেটি দক্ষিণমুখী, সূর্যের আলোযুক্ত স্থান। স্থানটি বাতাস সুরক্ষিত হওয়া অবশ্য জরুরী। করোসল গাছের শাখা-প্রশাখা বেশ ছোট হয়, ঝাপটা বাতাসে এর কান্ড ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্যে গাছ রোপণের জন্যে এমন স্থান নির্বাচন করা জরুরী যেখানে পেছনে দেওয়াল বা কোনো ভিত্তি আছে। যাতে বাতাস বেরিয়ে যাবার পথ না থাকে।
বীজ লাগানোর পূর্বে মাটি ঝরঝুরে করে নিতে র্যাকার চালাতে হবে, ২ ইঞ্চি পুরু করে কম্পোস্ট সার দিয়ে মাটি তৈরি করে নিতে হবে। ১২ ইঞ্চি চারাটি রোপণের ক্ষেত্রে একটি গাছ থেকে অপর গাছেত দূরত্ব হতে হবে ১২ ইঞ্চি। নইলে গাছ উপযুক্ত পুষ্টির অভাবে বেড়ে উঠতে পারবে না। গর্ত বড় করে করতে হবে যেন মূল গভীর পর্যন্ত যেতে পারে। মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়ার পর ৩ ইঞ্চি পুরু করে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে আর্দ্রতা ধরে রাখতে।
সেচঃ
করোসল (Corossol ) ফলের গাছটি নিজেই নিজের আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারলেও গ্রীষ্মকালে একে আলাদা সেচ দিতে হয়। শীতকালে অতিরিক্ত সেচ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। করোসল গাছ খরা সহিষ্ণু। তবে মাটি আর্দ্র থাকার ফলে পোকামাকড়ের সংক্রমণ বেশি দেখা দেয়।
সার প্রয়োগঃ
করোসল গাছে নাইট্রোজেনঃ ফসফরাসঃ পটাসিয়াম = ১:১:১ অনুপাতে ৩ কিস্তিতে সার প্রয়োগ করতে হয়। প্রথম বছর একটি গাছের জন্যে হাফ পাউন্ড ( অর্থাৎ ২২৭ গ্রাম ) পরিমাণ সার সমান ৩ ভাগে বিভক্ত করে ৪ মাস পর পর প্রয়োগ করতে হয়।
দ্বিতীয় বছর ১ পাউন্ড ( অর্থাৎ ৪৫৪ গ্রাম ) সার একই ভাবে প্রয়োগ করতে হয়। তৃতীয় বছর থেকে প্রতিবছর ৩ পাউন্ড ( অর্থাৎ ১৩৬২ গ্রাম ) সার প্রয়োগ করতে হয়।
করোসল গাছের যত্নঃ
দ্বিতীয় বছরে গাছের কেন্দ্রীয় অগ্রপ্রান্ত ৩ ভাগের ১ ভাগ অংশ কেটে ফেলতে হবে।
এরপর কাটা অংশের নিচ হতে নতুন শাখা গজানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এটি দ্বিতীয় লম্বালম্বি শাখা তৈরি করতে সহায়তা করবে। এতে সংখ্যায় ফল বেশি পাওয়া যাবে একটি গাছ থেকে।
৩-৫ বছরের মধ্যে গাছে ফুল ধরা শুরু করবে। করোসল অনেক ধীর প্রজাতির উদ্ভিদ। ধৈর্য্য ধরতে হবে এর আকাশচুম্বী মূল্য ও ঔষধিগুণের জন্যে হলেও। এটি ফুল ধরা শুরু করলে প্রতিবছর ফল দিবে নিশ্চিন্তে।
ফল সংগ্রহঃ তিন-পাঁচ বছরের মধ্যেই গাছে করোসল ধরে। একেকটি করোসল গাছে ২৫০ গ্রাম-২.৫ কেজি আকৃতির ফল পর্যন্ত ধরে। করোসল হলদে সবুজ হওয়ার সাথে সাথেই সংগ্রহ করে নেওয়া শ্রেয়। একে গাছে নরম হতে দেওয়া উচিত না। এতে ফল বাজারজাতের সময় ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। ফল সংগ্রহের ৫-৬ দিনের মধ্যেই খেয়ে ফেলা শ্রেয়। এরপর এটিতে পচন ধরা শুরু করে। অনেক দিন প্রিজার্ভের জন্যে জ্যুস, পালপ তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে।
সম্ভাবনাঃ
দেশের প্রতিটি নাগরিককে ফলজ বৃক্ষের পাশাপাশি ঔষধি গাছ লাগানোর জন্য সরকারিভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। ঠিক সেই সময়, নীলফামারীর ডিমলায় খড়িবাড়ী ইউনিয়নের বন্দর খড়িবাড়ী গ্রামে সেনাবাহিনী কর্নেল আলমাস রাইসুল গনি (অব.) এর বাগানে শতাধিক ঔষধি গাছের মধ্যে এবার ধরেছে করোসল ফল। কর্নেল আলমাস রাইসুল গনি (অব.) তার বাড়িতে প্রায় ২ একর জমিতে নিজ উদ্যোগে লাগিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সংগ্রহ করা মানব দেহের উপকারী শতাধিক ঔষধি ফলজ গাছ। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বেলে-দোঁআশ মাটিতে বাণিজ্যিকভাবে করোসল চাষে ভালো ফল আসতে পারে। তাঁর এই বাগানটি উত্তরাঞ্চলের মডেল বাগান হিসেবে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
আয়ুর্বেদিক ফিজিশিয়ান
লিটন দে ( সংগৃহিত )۔
11/08/2022
আজওয়া খেজুরের উপকারিতা
শুকনো খেজুরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পুষ্টিসমৃদ্ধ ও উপকারী ভাবা হয় আজয়া খেজুরকে। এর নানা উপকারী গুণের জন্য মানুষের কাছে এটি খুবই জনপ্রিয়। রমজান মাসে রোজা রেখে দিনের শেষে এই খেজুর খেলে অনেক উপকার হয় শরীরের।
আজওয়া খেজুর রাসুল (সা.)-এর প্রিয় ফল। আজওয়ার পুষ্টিগত উপকারিতা ও গুরুত্ব অপরিসীম। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালবেলা সাতটি আজওয়া (উৎকৃষ্ট) খেজুর খাবে, সেদিন কোনো বিষ ও জাদু তার ক্ষতি করবে না।’ (বুখারি, হাদিস : ৫৪৪৫)
এই খেজুরে রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি. সি. কে ইত্যাদির মতো নানা উপকারী উপাদান। এ সকল উপাদান দেহের অনেক উপকার করে। এবার মরিয়ম খেজুরের উপকারিতা জেনে নিই।
পেশী গঠনে সাহায্য করে।
• এতে থাকা ভিটামিন-এ ও ভিটামিন-সি চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।
রক্তশূন্যতা দূর করে।
হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখে।
• যাদের হৃৎপিণ্ড দুর্বল তারা এ খেজুর খেলে উপকার পাবেন।
• ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
• দেহের ক্লান্তি দূর করে।
08/08/2022
❤ সু-স্বাদু মধুময় বাদাম বা হানিনাট'স❤
বিভিন্ন রকমের হেলদি বাদাম, মধু ও ড্রাই ফ্রুটের সমন্বয়ে তৈরি করা মধুময় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক সুস্বাদু একটি খাবার । মধুময় বাদামের প্রতিটি উপাদানই প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুনে ও ভিটামিনে ভরপুর। শরীরকে সতেজ ও ফিট রাখতে মধুময় বাদাম বেশ কার্যকরী।
#মধুময়_বাদামের উপাদান সমূহ
১.মধু ২. কাজুবাদাম ৩. কিসমিস ৪. পেস্তাবাদাম ৫. কাঠবাদাম ৬. ত্বীন ফল ইত্যাদি ۔
মধুময় বাদামের কিছু উপকারিতা জানা যাক ۔۔۔۔
*ওজন কমতে সাহায্য করে۔
*হৃদরোগ প্রতিরোধ করে۔
*পুরুষের শারিরীক শক্তি বৃদ্ধি করে۔
*ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে۔
*ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে
*স্মৃতিশক্তি প্রখর করে۔
*ওজন কমাতে সাহায্য করে۔
*রক্ত শুণ্যতা দূর করে۔
*গর্ভবতী মায়েদের জন্য উৎকৃষ্ট খাবার ۔
৪৪০ গ্রাম ৫৫০ টাকা۔
২৪০ গ্রাম ২৯০ টাকা ۔
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka
1219
