Faruk on the go
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Faruk on the go, Health/Beauty, nikunja-2, khilkhet, Dhaka, Dhaka.
আমি অন্যান্য সব মানুষের মত তবে খুবই সাধারণ প্রকৃতির একজন মানুষ, বেশি প্যারা ভালো লাগেনা, ঘুরতে অনেক পছন্দ করি, সবার সাথে মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করি। সবাইকে অনেক ভালবাসি, কিন্তু সবাই নিজের স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত থাকে।
15/11/2025
আমি ও আমার দুই বন্ধু মজনু হোসেন এবং মিলন খান।
08/11/2025
আমি ও আমার মেয়ে, কয়েক বছর আগের তোলা ছবি। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
১. বন্ধুদের সঙ্গে রাতের রাস্তা (Emotional/Classic)
"আলো ঝলমলে রাতের হাইওয়ে আর পাঁচ বন্ধুর জমাটি আড্ডা। তিনশ ফিট রোডের এই মুহূর্তগুলো ফ্রেমে বন্দী হয়ে থাকলো। ফ্রেন্ডশিপ গোলস! 🛣️👬"
#৩০০ফিটরোড #বন্ধুরা #রাতজাগা #স্মৃতি
২. ছোট্ট কিন্তু শক্তিশালী (Short & Punchy)
"রাতের আলোয় পাঁচজন। তিনশ ফিট রোডের একটা দারুণ রাত! এই বন্ধুত্ব অমর। 💙"
৩. গভীর রাতের চিন্তা (Thoughtful/Reflective)
"শহরের কোলাহল থেকে দূরে, এই বিশাল রাস্তায় আমরা পাঁচজন। রাতের নীরবতা আর বন্ধুত্বের কোলাহলে মিশে গেল সব ক্লান্তি। এই রাতটা শুধু আমাদের। 🌙"
#বন্ধুত্বেরটানে
৪. ছবির রেফারেন্স সহ (Focus on the Picture)
"রাস্তার দেওয়ালে হেলান দিয়ে একটা পারফেক্ট গ্রুপ পিকচার! তিনশ ফিট রোডে আমাদের পাঁচজনের একটা অসাধারণ সন্ধ্যা। তোমরা কারা যারা আমার সাথে এমন আড্ডা দিতে চাও? 👇"
কোন ক্যাপশনটি আপনার ছবির সাথে সবচেয়ে মানানসই মনে হচ্ছে? অথবা, আপনি কি চান আমি আরও মজার (Funny) বা ছোট (Very Short) ক্যাপশন তৈরি করে দেই?
07/11/2025
🛣️ তিনশ ফিট রোডে পাঁচ বন্ধুর রাত জাগা
সেদিন ছিল এক শুক্রবার রাত। শহরের ব্যস্ততা থিতিয়ে এলেও, পাঁচ বন্ধুর উচ্ছ্বাস তখনো তুঙ্গে। আমরা পাঁচজন—আরিফ, শারিফ, আলামিন, রাসেল আর আমি ওমর ফারুক—সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, অন্যদিনের মতো আড্ডা নয়, আজ রাতে যাবো তিনশ ফিট রোডে (Purbachal 300 Feet Road)।
গাড়ি করে যেতে যেতেই শুরু হয়ে গেল গান আর হাসি-ঠাট্টা। গন্তব্যে পৌঁছানোর পর, রাস্তার আলো ঝলমলে দৃশ্যটা দেখে যেন মন ভরে গেল। বিশাল হাইওয়ে, দু'পাশে সারি সারি স্ট্রিট ল্যাম্প, আর দূরে আলোর রেখা ফেলে ছুটে চলা গাড়িগুলো... একটা অদ্ভুত শান্তি আর মুক্তির অনুভূতি।
আমরা ঠিক করলাম, রাস্তার পাশের নিচু কংক্রিটের দেওয়ালে একটু হেলান দিয়ে ছবি তুলব। সেটাই হলো এই ছবিটা।
রাসেল (বাঁ দিক থেকে প্রথম, সাদা টি-শার্টে) ছিল সবচেয়ে শান্তশিষ্ট, কিন্তু মজার মজার কথা বলে মুহূর্তটাকে জমিয়ে রাখত।
আলামিন (পাশে, গোল্ডেন পোলো টি-শার্টে, দাড়িতে) স্বভাবগতভাবেই একটু দার্শনিক, সে মুগ্ধ হয়ে দেখছিল রাস্তার নীরবতা আর শহরের আলো।
মাঝখানে থাকা আমি (বেইজ রঙের টি-শার্টে) ছিল গ্রুপের উদ্যোক্তা, তারই প্রস্তাবে এই যাত্রা। তার চোখে-মুখে ছিল আজকের অভিযানের আনন্দ।
শরিফ (ডান দিক থেকে দ্বিতীয়, অলিভ টি-শার্টে) একটু চিন্তিত ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকলেও, সে অপেক্ষা করছিল কখন আমরা রাস্তার ধারের ফাস্টফুডের দোকানগুলো থেকে কিছু একটা খাব।
আর সবার ডানে, চেকের শার্টে থাকা আরিফ ছিল আমাদের ফটোগ্রাফার। সে ক্যামেরা হাতে নিয়েও ফ্রেমের মধ্যে আসার জন্য তৈরি ছিল!
ছবিটা তোলার পর, আমরা হেঁটে চলে গেলাম রাস্তার ধারে থাকা ছোট একটা চায়ের দোকানে। গরম চায়ে চুমুক দিতে দিতে চলল পুরনো দিনের গল্প, ভবিষ্যতে কী করার স্বপ্ন, আর হাসি-মজা। সেই রাতের আলো ঝলমলে রাস্তা, পাঁচ বন্ধুর কাঁধে হাত রেখে হেঁটে চলা, আর গভীর রাতের আড্ডা—সবকিছু মিলে একটা অবিস্মরণীয় স্মৃতি তৈরি হলো। এই ছবিটা শুধু একটা ফ্রেম নয়, এটা আমাদের পাঁচ বন্ধুর অটুট বন্ধুত্বের প্রতীক।
04/11/2025
অবশ্যই! এখানে ডিপিসি কুকুর নিয়ে একটি হৃদয়গ্রাহী গল্প দিলাম:
---
শিরোনাম: ডিপিসির রূপকথা
সোনালি রোদে ভরা একটি দিনে ছোট্ট শহর কুষ্টিয়ার এক কোণে, একটি পরিত্যক্ত ইটের ঘরে একা বসে ছিল ডিপিসি। সে ছিল একটি মিশ্র প্রজাতির কুকুরছানা, যার চোখ দুটো ছিল কালো মুক্তোর মতো উজ্জ্বল আর কান দুটো একদম সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকত। তার নাম ডিপিসি রাখা হয়েছিল কারণ সে সবসময় খুব ডিটারমাইন্ড, প্যাশনেট অ্যান্ড কারিং অর্থাৎ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, উৎসাহী এবং যত্নশীল ছিল।
কিন্তু ডিপিসির জীবনটা মোটেও সহজ ছিল না। মানুষদের কাছ থেকে সে শুধুই ঠাণ্ডা ব্যবহার আর দূরত্ব পেত। লোকজন তাকে দেখলে “ছিঃ ছিঃ” করে তাড়িয়ে দিত। ডিপিসি বুঝতে পারত না, সে তো কাউকে কখনও কষ্ট দেয়নি। তারও তো একজন মানুষের স্নেহ, একটি ঘর, একটু আদর পাওয়ার অধিকার আছে।
একদিন ভয়ানক শীতের রাত। ঝড়ো বাতাস আর বৃষ্টিতে কাঁপছিল ডিপিসি। সে লুকোতে একটি খোলা গ্যারেজে ঢুকে পড়ল। সেখানে এক জনুকা মেয়ে, নাম তার ঋতিকা, গাড়িতে কিছু জিনিস রাখছিল। ডিপিসি ভয়ে কাঁপছিল, কিন্তু ঋতিকা তাকে তাড়িয়ে না দিয়ে, আস্তে আস্তে কাছে এলে একটি শুকনো কাপড় দিয়ে তার ভিজে লোমগুলো মুছে দিল। আর এক বাটি গরম দুধ এনে দিল।
এরপরের দিনগুলোতে ডিপিসির জীবনে আসে এক অনন্য পরিবর্তন। ঋতিকা তাকে প্রতিদিন খাবার দিত, তার সাথে খেলত। ডিপিসিও তার বিনিময়ে দিয়েছিল অফুরান ভক্তি। সে ঋতিকার বাসার সামনে পাহারা দিত, তাকে স্টেশনে পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসত আর বিকেলে ফিরে আসার সময় অপেক্ষা করে থাকত দূর থেকেই লেজ নাড়িয়ে।
একদিন ঋতিকা খুব অসুস্থ হয়ে পড়ল। জ্বর এতই বেশি যে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে ডাক্তার ডাকতে পারছিল না। ডিপিসি দরজার বাইরে বসে অস্বস্তি বোধ করছিল। সে বুঝতে পারছিল তার বন্ধু বিপদে। হঠাৎ করেই সে দৌড়ে গিয়ে ঋতিকার প্রতিবেশীর দরজায় জোরে জোরে আওয়াজ করতে লাগল আর অস্বাভাবিকভাবে চেঁচাতে লাগল। প্রতিবেশী বের হয়ে এসে ডিপিসির অস্থিরতা দেখে ঋতিকার বাসায় গিয়ে তাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পায় এবং তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়।
ঋতিকা সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে জানতে পারে, এই কুকুরটিই তার জীবন বাঁচিয়েছে। সেদিন সে ডিপিসিকে শুধু খাবারই দেয়নি, তাকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল, “তুমি আমার পরিবার, ডিপিসি। আজ থেকে তুমি আমারই।”
সেই থেকে ডিপিসি শুধু একটি রাস্তার কুকুর ছিল না। সে হয়ে গেল ঋতিকার পরিবারের একজন পূর্ণ সদস্য। তার দৃঢ়তা তাকে সেই ঘরে পৌঁছাতে সাহায্য করেছিল, তার উৎসাহ ঋতিকার মন জয় করেছিল এবং তার যত্নশীলতা একটি জীবন বাঁচিয়েছিল।
ডিপিসির গল্পটি আমাদের শেখায়, কুকুররা শুধু প্রাণী নয়, তারা হল নিঃশর্ত ভালোবাসা এবং বিশ্বস্ততার জীবন্ত উদাহরণ। তাদেরও একটি নিরাপদ ঘর এবং একটু স্নেহের দরকার হয়। আর তারা তার বিনিময়ে দিয়ে যায় একটি পূর্ণ জীবন।
04/11/2025
চাঁদপুর গিয়েছিলাম ত্রিমোহনার পারে এসে বন্ধুদের সাথে হালকা একটু আড্ডা মিষ্টি পান খাওয়া আর কিছু সময় ধরে ঘোরাঘুরি।
03/11/2025
Good evening everybody....
I got over 50 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉
natural view
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1229
