It's Beautiful
Assalamualaikum, I'm Tasnia. I'll be sharing with you some skin care n health care tips and tricks!
10/01/2026
Most people aren’t tired because they’re lazy.
They’re tired because their nervous system never truly switches off.
Here’s how to actually regulate it 👇
1. Start your morning with 2 minutes of nasal breathing
Inhale through the nose, slow the exhale. This immediately lowers baseline stress and sets your nervous system for the day.
2. Move your joints before you load them
Spend 3–5 minutes on gentle spinal, hip, and shoulder mobility. Slow, controlled movement tells the body it’s safe to relax tension.
3. Break up sitting every 30–60 minutes
Stand up, walk, or do 30–60 seconds of easy movement. Long, static positions keep the nervous system alert and tight.
4. Train hard, but not constantly
Daily high intensity keeps you stuck in stress mode. Balance hard sessions with low-intensity mobility or zone-2 movement.
5. Use breathing to downshift at night
Before bed, 3–5 slow exhales longer than your inhales. This helps shift your body out of fight-or-flight and into recovery.
6. Be consistent, not extreme
The nervous system responds to repetition, not punishment. Small daily inputs beat occasional big efforts.
This is why mobility, breathing, and simple routines work so well for energy, recovery, and stress.
They don’t just change how you move.
They change how your nervous system behaves.
©️
09/01/2026
থাইরয়েড রোগীদের (বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েড) জন্য সকালটা ঠিকভাবে শুরু করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সকালে শরীরের মেটাবলিজমকে “জাগিয়ে তোলা” প্রয়োজন। নিচে কিছু সকালের হেলথি অভ্যাস দেওয়া হলো, যা নিয়মিত মেনে চললে অনেক উপকার পাবেন 👇
থাইরয়েড রোগীদের (বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েড) জন্য সকালটা ঠিকভাবে শুরু করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সকালে শরীরের মেটাবলিজমকে “জাগিয়ে তোলা” প্রয়োজন। নিচে কিছু সকালের হেলথি অভ্যাস দেওয়া হলো, যা নিয়মিত মেনে চললে অনেক উপকার পাবেন 👇
🌅 ১. ঘুম থেকে ওঠার পর পানি পান
সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ১ গ্লাস গরম পানি বা লেবু-মিশ্রিত গরম পানি পান করুন।
➤ এটি লিভারকে সক্রিয় করে, টক্সিন বের করে এবং হজমে সাহায্য করে।
💊 ২. ওষুধ ঠিকভাবে খাওয়া
▪️যদি আপনি থাইরয়েডের ওষুধ (যেমন Thyroxine) খান, তাহলে:
▪️ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ওষুধটি খান।
▪️ওষুধ খাওয়ার ৩০–৪৫ মিনিট পর কিছু খান বা চা/কফি পান করুন।
▪️ক্যালসিয়াম, আয়রন বা দুধজাত খাবার এই সময়ে এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো ওষুধের শোষণ কমায়।
🧘♀️ ৩. হালকা ব্যায়াম বা যোগব্যায়াম
▪️থাইরয়েডের জন্য বিশেষভাবে উপকারী যোগাসন:
▪️সার্ভাঙ্গাসন (Shoulder Stand)
▪️মৎস্যাসন (Fish Pose)
▪️ভুজঙ্গাসন (Cobra Pose)
ব্রিদিং এক্সারসাইজ (প্রাণায়াম) – বিশেষ করে অনুলোম-বিলোম, কপালভাতি।
➤ প্রতিদিন ২০–৩০ মিনিট হালকা হাঁটা বা যোগব্যায়াম করুন।
🕖 ৪. স্বাস্থ্যকর নাস্তা
▪️নাস্তা যেন পুষ্টিকর এবং হালকা হয়।
ভালো অপশনসমূহ:
▪️ওটস / ডালিয়া / সবজি উপমা
▪️সিদ্ধ ডিম বা চিড়া-দই
▪️সবুজ স্মুদি (তুলসি, পুদিনা, আপেল, শসা ইত্যাদি দিয়ে)
▪️চিয়া সিড ভেজানো পানি বা স্মুদি
⚠️ পরিহার করুন: চিনি, অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট, এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার।
☀️ ৫. সূর্যালোক গ্রহণ
সকালে ১৫–২০ মিনিট সূর্যের আলোতে হাঁটুন।
➤ এটি Vitamin D সরবরাহ করে, যা থাইরয়েড ফাংশন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
🧠 ৬. মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখা
সকালে ৫–১০ মিনিট ধ্যান বা মেডিটেশন করুন।
➤ থাইরয়েড রোগীরা স্ট্রেসে সংবেদনশীল, তাই মানসিক প্রশান্তি খুব জরুরি।
The weird story of girl who was addicted to skincare 🫨🧖🏻♀️💅🏻
22/10/2025
থাইরয়েড হরমোনের ইমব্যালেন্স সমস্যা মানেই মৃত্যু বা জীবনভর কষ্ট — এটা একেবারেই ভুল ধারণা। বর্তমানে লাখ লাখ মানুষ এই ইমব্যালেন্স নিয়েই সফলভাবে চাকরি, সংসার ও মা-বাবা হওয়া—সব কিছুই করছেন।
হাইপোথাইরয়েডিজম (Hypothyroidism) ও হাইপারথাইরয়েডিজম (Hyperthyroidism) — দুটোই থাইরয়েড গ্রন্থি ইমব্যালেন্স সংক্রান্ত সমস্যা, তবে একেবারেই বিপরীত ধরনের।
🔷 Hypothyroidism (হাইপোথাইরয়েডিজম)
অর্থ:
থাইরয়েড হরমোন যথেষ্ট পরিমাণে তৈরি না হলে এই অবস্থাকে বলা হয় হাইপোথাইরয়েডিজম।
কারণ:
১.অটোইমিউন রোগ (Hashimoto’s thyroiditis)।
২.থাইরয়েড অপারেশন বা রেডিওথেরাপি।
৩.দীর্ঘদিন আয়োডিন ঘাটতি।
লক্ষণ:
১.শরীরচর্চা স্বত্ত্বেও ওজন বেড়ে যাওয়া।
২.ঘন ঘন ঠাণ্ডা লাগা।
৩.ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া।
৪.কোষ্ঠকাঠিন্য।
৫.মন খারাপ বা বিষণ্ণতা।
৬.মাসিক অনিয়ম বা বন্ধ হয়ে যাওয়া।
৭.চুল পড়া ও পাতলা হয়ে যাওয়া।
৮.ঘুম ঘুম ভাব।
চিকিৎসা:
১.প্রতিদিন একটি থাইরয়েড হরমোন ট্যাবলেট।
২.নিয়মিত TSH পরীক্ষা।
৩.আয়োডিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ।
📛 Hyperthyroidism (হাইপারথাইরয়েডিজম)
অর্থ:
থাইরয়েড গ্রন্থি অতিরিক্ত হরমোন তৈরি করলে তাকে হাইপারথাইরয়েডিজম বলে।
কারণ:
১.Graves’ disease (অটোইমিউন)।
২.থাইরয়েড নোডিউল।
৩.অতিরিক্ত আয়োডিন গ্রহণ।
৪.ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
লক্ষণ:
১.দ্রুত ওজন কমে যাওয়া।
২.বুক ধড়ফড় করা (হার্টবিট বেড়ে যাওয়া)।
৩.অতিরিক্ত ঘাম হওয়া।
৪.নার্ভাসনেস বা উদ্বেগ।
৫.ঘুমের সমস্যা।
৬.হাত কাঁপা।
৬.মাসিক অনিয়ম।
চিকিৎসা:
১.Anti-thyroid ওষুধ।
২.Radioactive iodine therapy।
৪.শারীরিক বিশ্রাম ও মেডিটেশন।
৫.কোনো ক্ষেত্রে সার্জারি প্রয়োজন হতে পারে।
🔶 যারা এই রোগে ভুগছেন বা রিপোর্ট পেয়ে ভীত হয়ে পড়েছেন, তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা:
1. এই রোগগুলো “Manageable”, “Curable না হলেও Control-যোগ্য” — অর্থাৎ ঠিকমতো চিকিৎসা নিলে আপনি পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন।
2. প্রতিদিন ওষুধ খেতে হতে পারে, কিন্তু এতে কোনো লজ্জার কিছু নেই। অনেকেই ডায়াবেটিস, হাই প্রেসার বা অন্য রোগে নিয়মিত ওষুধ খান — এটিও তেমনই।
3. পিরিয়ড সমস্যা, গর্ভধারণে জটিলতা, হজমে সমস্যা ইত্যাদি হলে তা থাইরয়েড থেকেই হতে পারে — তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জীবনকে সহজ করে তুলুন।
4. জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন খুব উপকারী:
✅ঘুম ঠিকমতো।
✅নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম।
✅সঠিক ডায়েট (কম প্রসেসড ফুড, আয়োডিনযুক্ত। ✅লবণ, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক যুক্ত খাবার)।
✅মানসিক চাপ কমানো।
06/09/2025
Boosting immune system💪🏻
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ২০ টি উপায় :
১. ব্যায়াম (Exercise ):দিনে কমপক্ষে ৩০ মি ব্যায়াম করুন। কিছু ফুসফুসের ব্যায়াম (Breathing exercise )করুন।
২.পর্যাপ্ত ঘুম (Adequate sleep):, রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো, অধিক রাত না জাগা। ৮থেকে ৯ ঘণ্টা পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো উচিত। 🛌🏻
৩. ভিটামিন ডি (Vit-D)☀️:দৈনিক ১৫ মি সূর্যের আলোতে থাকুন। শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব হলে প্রয়োজনে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন।
৪.ভিটামিন সি (Vit-C)🍋: লেবু, কমলা, আঙ্গুর, আমলকি, আমড়া। ডাক্তারের পরামর্শে প্রয়োজনে ট্যাবলেট ভিটামিন সি সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন ।
৫. ভিটামিন এ (Vit-A)🥕: গাঁজর,আম, পেঁপে, মাছ, ডিম, দুধ, লিভার,হলুদ ও সবুজ শাকসবজি।
৬. ভিটামিন ই (Vit-E)🎃:কুমড়া, কাজুবাদাম,চিনাবাদাম, টমেটো, সূর্যুমুখী তেল।
৭. জিঙ্ক (Zinc):রসুন, আদা, বাদাম, চিয়া সীড। Tab. Zinc খেতে পারেন।
৮. মধু (Honey) 🍯।
৯. কালো জিরা (Black seed) ।
১০. আদা (Ginger )।
১১. টকদই 🥡(Yogurt )।
১২. গ্রীন টি 🍵(Green tea )।
১৩.সবুজ ফলমুল, শাকসবজি। 🍋🟩🍈🍐🫛🥬🫑🍏🥝🥑
১৪.এড়িয়ে চলুন 🙅♀️🚫- লবন, চিনি, ফাস্ট ফুড, তৈলাক্ত খাবার, প্রসেসিং খাবার।
১৫.পরিমান মত পানি পান করুন।🥛
১৬. দুশ্চিন্তা করবেন না, মানসিক শক্তি বাড়ান, হতাশ হবেন না। 👩🏻🏫
১৭. ধূমপান ছাড়ুন। 🚭
১৮. এলকোহল ছাড়ুন।🍷🍾🚫
১৯. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
২০. ক্রনিক রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন -ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেসার, লিভার রোগ, হার্ট এর সমস্যা। 🫀🫁🧠
29/08/2025
🧴ডাবল ক্লিনজিং
⚪ত্বকের যত্নের প্রথম ও প্রধান ধাপ হলো ত্বক পরিষ্কার রাখা। ত্বকের মধ্যে জমে থাকা তেল, ময়লা, জীবাণু দূর করতে নিয়মিত মুখ পরিষ্কার করা খুবই জরুরি। তবে শুধু পানি আর ফেসওয়াশ বা সাবান দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললেই ত্বক পরিচ্ছন্ন হয়ে গেল, এমন ধারণা ঠিক নয়।
🟡ত্বকের যত্নে ময়েশ্চারাইজার ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যেমন জরুরি, ঠিক তেমনই জরুরি ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার করা। আর সেজন্যই ডাবল ক্লিনজিং গুরুত্বপূর্ণ।
ডাবল ক্লিনজিং কী?
🤎কিছুদিন আগেও ডাবল ক্লিনজিং নিয়ে মানুষের মধ্যে তেমন সচেতনতা ছিল না। ডাবল ক্লিনজিংয়ের ধারণা প্রথম মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় করে তোলেন কোরিয়ানরা। ধারণা করা হয়, কোরিয়ানদের চেহারার তারুণ্য ও সতেজতা ধরে রাখার অন্যতম রহস্য এই ডাবল ক্লিনজিং।
অনেকেই মনে করেন, ফেসওয়াশ দিয়ে ২ বার মুখ ধোয়াকে ডাবল ক্লিনজিং বলা হয়।ডাবল ক্লিনজিংয়ে একবার অয়েল বেজড ক্লিনজার অথবা মাইসেলার ওয়াটার দিয়ে মুখের ওপর জমে থাকা ময়লা তুলে ফেলা হয়। তারপর ওয়াটার বেজড বা ফোম বেজড ফেসওয়াশ দিয়ে ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করা হয়।
কেন করবেন?
ত্বকের ভেতর জমে থাকা তৈলাক্ত ভাব ও ময়লা দূর করতে এবং ত্বক থেকে নিখুঁতভাবে মেকআপ ও অন্যান্য প্রসাধনী দূর করতে ডাবল ক্লিনজিং খুবই কার্যকরী। সানস্ক্রিন, মেকআপ লাগানোর পর শুধু ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে এগুলো ত্বক থেকে উঠে না। উল্টো ত্বকের লোমকূপ বন্ধ করে দেয়। এতে ত্বকের ভেতর জমে থাকা তেল, ময়লা আটকে যায় ও ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। ডাবল ক্লিনজিং করলে ত্বক গভীরভাবে পরিষ্কার হয়। ত্বকে ব্রণ হওয়ার ঝুঁকিও কমে যায় অনেকাংশে।
কীভাবে করবেন?
● প্রথমে ত্বকে ওয়েল বেজড ক্লিনজার বা মাইসেলার ওয়াটার ম্যাসাজ করতে তুলার প্যাড বা নরম কাপড় ব্যবহার করুন। এটি মুখের সারফেস লেভেলের মেকআপ, সিবাম ও সানস্ক্রিন তুলে ফেলতে সাহায্য করে। আগে চোখের মেকআপ, তারপর ঠোঁটের লিপস্টিক তুলুন। তারপর আস্তে আস্তে পুরো মুখ তুলা দিয়ে আলতো ঘষে পরিষ্কার করুন।
● তারপর পানি দিয়ে মুখ ভিজিয়ে নিন।
● এবারে দ্বিতীয় ক্লিনজার বা আপনার ত্বকের জন্য মানানসই ফেসওয়াশ বা ক্লিনজার দিয়ে সাধারণ নিয়মে মুখ পরিষ্কার করে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
● ক্লিনজিংয়ের পর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে ভুলবেন না।
Healing is fun until you realize 90% of your personality was just unprocessed trauma and coping mechanisms. 🫠
16/03/2025
🌛 ✨রমজান মাসে যেহেতু সারাদিন পানি ও খাবার খাওয়া হয় না, সেহেতু শরীরে পানির অভাব দেখা দিতে পারে। আর পানি কম খাওয়ার কারণে ত্বকে মলিনতা আসতে পারে। তাই এ সময় ত্বকের প্রয়োজন বাড়তি যত্ন।
✅তবে ত্বক ভালো রাখতে হলে মূল যত্ন নিতে হবে ভেতর থেকে। সেজন্য ইফতার এবং সেহরিতে স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। ভাজাপোড়া ও চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। ফল, শাকসবজি রাখুন ইফতারে। ইফতার থেকে সেহরির মধ্যে পর্যাপ্ত পানি খান।
চলুন জেনে নেই, এই রমজানে ত্বককে সতেজ রাখার সহজ কিছু উপায়।
🟢ক্লিনজিং
ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনার জন্য নিয়মিত ক্লিনজিং খুবই জরুরি। তবে ত্বকের ধরন অনুযায়ী সঠিক ক্লিনজার বেছে নিতে হবে।
মেকআপ করুন আর নাই করুন, সকালে এবং রাতে মুখ অবশ্যই পরিষ্কার করতে হবে। বিশেষ করে রমজান মাসে রোজা রাখার কারণে শুষ্ক ত্বক এড়াতে একটি রিফ্রেশিং এবং ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার বেছে নেয়া খুবই ভালো সিদ্ধান্ত হবে।
🟢ময়েশ্চারাইজিং
ক্লিনজিংয়ের পর কোনোভাবেই ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে ভুলবেন না। কারণ রোজার সময় ত্বক সহজেই আর্দ্রতা হারায়। তাই মুখ ধোয়ার পর আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী একটি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
🟢সানস্ক্রিন
শুধু রোজায় না, যেকোনো সময়ই দিনের বেলা সবসময় ২ ঘণ্টা পরপর সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।
🟢এক্সফোলিয়েটিং
এক্সফোলিয়েটিং বন্ধ লোমকূপ পরিষ্কার করে, ত্বককে মসৃণ এবং আরও উজ্জ্বল করে। নিয়মিত এক্সফোলিয়েট করলে ত্বকের রক্ত চলাচল ভালো হয়। সপ্তাহে একবার বা দুইবার এক্সফোলিয়েটিং জেল ব্যবহার করার পরামর্শ দেন ডার্মাটোলজিস্টরা।
04/02/2025
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Suronjona Pal, Farjana Afroz, Jannatul Mim, Nusrat Jahan, Sabina Yesmenn Sabina
29/09/2024
ব্রণ নিরাময়ে অ্যাজেলেইক অ্যাসিড 🧴
🟢এটি মাইল্ড অ্যাসিড হলেও ত্বক এক্সফলিয়েট করে ব্রণের সমস্যা কমাতে খুব ভালো কাজ করে।
🟢“অ্যাজেলেইক অ্যাসিড অন্যান্য ব্রণরোধী উপাদানের তুলনায় মৃদু। কারণ এর আণবিক আকার বড় এবং এটি ত্বকে ধীরগতিতে প্রবেশ করে।”
তিনি আরও বলেন, “তাই এটি খুব বেশি জ্বালা এবং লালভাব সৃষ্টি করে না। এর প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য থাকায় ব্রণের জন্য খুবই ভালো কাজ করে।”
🟢এটা গম, বার্লি এবং চালের মতো উপাদান থেকে তৈরি করা হয়। 🌾
🟢অ্যাজেলেইক অ্যাসিডের উপকারিতা
লোমকূপ উন্মুক্ত ও পরিষ্কার রাখে: এক্সফলিয়েটিং উপাদান থাকার কারণে লোমকূপ উন্মুক্ত করে ও পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে।
🟢লোমকূপ পরিষ্কার না থাকলে তা ত্বকে ব্ল্যাক হেডস, হোয়াইট হেডস এমনকি ব্রণ সৃষ্টিকারী বাড়তি সিবাম উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।
🟢জ্বলুনি কমায়: অ্যাজেলেইক অ্যাসিডে আছে প্রদাহরোধী উপাদান যা ত্বকের জ্বলুনি কমায় ও লালচেভাব দূর করে যা মূলত ব্রণের কারণে হয়ে থাকে। তাছাড়া এটা সেনসিটিভ ত্বকের জন্য বেশ উপযোগী।
🟢দাগছোপ কমায়: এই অ্যাসিডের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাকারিতা হল দাগছোপ কমাতে পারে। নিয়মিত ব্যবহারে তা দাগছোপ কমায়, ব্রণের দাগ ও কালচেভাব কমাতে সহায়তা করে।
🟩ত্বকের যত্নে অ্যাজেলেইক অ্যাসিডে যোগ করার উপায়ঃ
বাজারে অ্যাজেলেইক অ্যাসিড সমৃদ্ধ নানান রকমের ক্রিম, জেল ও সেরাম পাওয়া যায়, যা ব্যবহারে ত্বকের উপকার মেলে।
🟢প্রথমে ১০ %পারসেন্ট অ্যাজেলেইক অ্যাসিড ব্যবহার শুরু করে পরে তা ধীরে ধীরে ২০%পারসেন্ট নেওয়া যেতে পারে।
🟡ত্বকের যত্নে এই অ্যাসিড সমৃদ্ধ পণ্য ব্যবহারে দিনে সানব্লক ও ময়েশ্চারাইজারের ব্যবহার সম্পর্কে সতেচন থাকতে হবে। নয়তো ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
🟠অ্যাজেলেইক অ্যাসিড নায়াসিনামাইড, হ্যায়ালুরেনিক অ্যাসিডের সঙ্গে ভালো কাজ করে।
🟥ত্বকের সমস্যা এড়াতে অ্যাজেলেইক অ্যাসিডের সঙ্গে রেটিনল, এএইচএ, বিএইচএ যোগ না করার পরামর্শ দেন ত্বক বিশেষজ্ঞরা।
🟩অ্যাজেলেইক অ্যাসিড গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের ব্যবহারের জন্যও নিরাপদ।
10/06/2024
✅বয়স ধরে রাখতে যে দশটি খাবার সাহায্য করেঃ
✅বয়স বেড়ে গেলে ত্বকেই সবচেয়ে আগে এর ছাপ পড়ে।
এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে মানুষের শরীরে বয়সের ছাপ পড়ার প্রবণতা কমে। এজন্য বয়স ৩০ এর পর থেকে শরীরের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে হবে সবারই।
✅অ্যান্টি-এজিং খাবারগুলো ত্বকের বিভিন্ন ক্ষতিকর ফ্রি র্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। দেহে কোলাজেন মেরামত করতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
🟩 গ্রিন টি 🍵
গ্রিন টি’তে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফাইটোকেমিকেল আছে। যা দেহের প্রদাহ হ্রাস করে।
গ্রিন টি’তে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফ্রি র্যাডিকেলের সঙ্গে লড়াই করে। যা কোষের ক্ষতি ঠেকাতে পারে। নিয়মিত গ্রিন টি খেলে বয়স বাড়লেও কমবে ত্বকের বয়স।
🟩 ফ্ল্যাক্সিড বা তিসি 🫘
ফ্ল্যাক্সিড ত্বক কুঁচকানোর হাত থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত তিসি খেলে ত্বকে আর্দ্রতা বজায় থাকে। এর ফলে ত্বক হয় কোমল এবং তারুণ্যময়। সেইসঙ্গে এর তেল ত্বক ও চুলে ব্যবহারের মাধ্যমেও উপকার মিলবে।
এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ফ্ল্যাক্সিডের তেল যারা ১২ সপ্তাহ নিয়মিত ত্বকে ব্যবহার করেছেন; তাদের ত্বকে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়েছে ৩৯ শতাংশ। এই অ্যান্টি-এজিং খাবারটি খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখতে পারেন।
🟩 স্যামন (Salmon) 🐟
সামুদ্রিক মাছ স্যামনে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এই মাছে যে ধরণের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায়; সেটিতে থাকে ডিএইচএ (অর্থাৎ ডকোসাহেক্সেনইওিক এসিড)। যা মস্তিষ্ক, হার্ট এবং চোখকে বার্ধক্যের হাত থেকে রক্ষা করে।
🟩 মাশরুম 🍄
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে মাশরুমে। যা সাধারণ হাড়ের গঠন এবং রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রতিদিনের খাবারে অল্প পরিমাণে হলেও মাশরুম রাখতে ভুলবেন না।
🟩 দুধ 🥛
৪০ পেরিয়ে গেলেও ডায়েটে রাখুন দুধ। এতে আছে উচ্চ পরিমাণ প্রোটিন, ক্যালসিয়াম। যা শরীরের পেশিতে শক্তি বাড়ায় ও হাড়ের ক্ষয় থেকে মুক্তি মেলে। এ ছাড়াও দুধে থাকা ইলেক্ট্রলাইটস শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখে।
🟩 ডার্ক চকোলেট 🍫
ডার্ক চকোলেটের একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। এটি খেতেও যেমন মজাদার; ঠিক তেমনিই এতে আছে বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ পুষ্টিগুণ- ক্যাফেইন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ইত্যাদি। এসব উপাদানসমূহ যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে।
🟩 লেবু 🍋
সকালে এক গ্লাস উষ্ণ গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়ার হাজারো উপকারিতা আছে। এই সাইট্রাস ফলটি ভিটামিন সি’তে ভরা। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যে নারীরা নিয়মিত ভিটামিন সি গ্রহণ করে; তাদের ত্বকে কম বলিরেখা পড়ে এবং ত্বক থাকে টানটান।
🟩 আনারস 🍍
অ্যান্টি-এজিং খাবারের মধ্যে আছে আনারাস। এটিও ভিটামিন সি এর দুর্দান্ত উৎস। যা কোলাজেন তৈরির জন্য বিশেষভাবে কাজ করে।
🟩 হলুদ 🫚
রান্নাঘরের এই মশালায় থাকে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। চেহারা থেকে বার্ধক্যের ছাপ মুছে ফেলতে পারে এই খাবারটি। এ ছাড়াও হলুদ বিভিন্ন প্রদাহ হ্রাস করতেও ব্যবহৃত হয়।
🟩 ওটস 🌾
৩০ পার হলেই কার্বস কম খাওয়া উচিত। এজন্য ভাতের বদলে নাস্তায় ওটস রাখতে পারেন। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। শরীরের শক্তি জোগাতেও সাহায্য করে ওটস। ফাইবার হজম শক্তি বাড়ায়। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, ওটস তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
