MD BIPUL ISLAM

MD BIPUL ISLAM

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MD BIPUL ISLAM, Dhaka.

05/11/2025

লেখাটা একজন পুরুষের অথচ প্রতিটা লাইন, প্রতিটা শব্দ মেয়েদের উৎসর্গ করে লেখা।
একটা ঘর ভর্তি কিছু মার্বেল ছড়িয়ে দিন আর একটা কোনায় রাখুন কয়েকটা ভারী কার্টন।
এবার একজন একজন করে কয়েক জন পুরুষ এনে বলেন তুমি যে কোন একটা কাজ করবা।
হয় একটা একটা করে মার্বেল কুড়াও না হয় পড়ে থাকা তিনটা ভারী কার্টন সরাও।
আমি একজন পুরুষ হিসাবে বলছি। একটা একটা মার্বেল কুড়ানোর চেয়ে ভারী কার্টন সরানো আমার জন্য সহজ কাজ।
না আমরা শুধু সহানুভুতি থেকে মেয়েদের জন্য ঘর ঠিক করে দেইনি l বরং আমরা জানি আমাদের ধৈর্য কম শক্তি বেশি।
আমার না পারা কাজটা যে মেয়েটা করে দেয় তার কাজের গুরুত্ব আমার কাছে কতটুকু?
পুরুষ শাষিত এ সমাজে মেয়েটা নিজেও মাথা নিচু করে বলে সে নাকি কিছুই করে না। রাত ১২টার পরেও মশারি গুজতে গুজতে মেয়েটা ভাবে সে একটা গৃহিনী।
ঘুম থেকে উঠে সাজানো ডাইনিং দেখে চোখ দুটো চক চক করলেও দৃশ্যের আড়ালে থেকে যায় তার গরম চুলার ভাপ।
লবন কম অথবা ঝাল বেশি আমাদের দৃষ্টি না এড়ালেও গরম তেলে ফোস্কাটা পড়াটা ঠিকই থাকে দৃষ্টির আড়ালে।
যে নারী কিছুই করেনা সে নারীর সন্তানের দায়িত্বটা শুধু আপনাকে দেওয়া হোক। আপনি তখন কার্টনও সরাবেন মার্বেলও কুড়াবেন তবু বাচ্চার চিৎকার শুনতে ঘরে বসে থাকবেন না।
আমরা পুরুষ বেছে নিয়েছি আমাদের কাজ। আর দিন ভর যে নারী মার্বেল কুড়ায় সে নারীকে বলি অকর্মা !
যে নারীর স্বামী নাই আমি দেখেছি সে নারীকে মাটি কাটতে কিন্তু যে স্বামীর বউ নাই তাকে দেখি নাই ঘর বাড়ি সামলাতে।
ঘর বাচ্চা সামলানোর চেয়ে আরেকটা বিয়ে করা যে সহজ।
কারো এটো বাসন ধুতে শুধু শক্তি না, মমতাও লাগে। আপনি খাটলে বেতন পান সে খাটলে ভালবাসা পায় তো?

এরকম আরও বাস্তব জীবনের গল্প পড়তে নীল লেখায় চাপ দিয়ে পেজটি ফলো করুন 👉 MD BIPUL ISLAM

আমার পার্সোনাল আইডিতে এড হতে চাইলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে নক করুন 👉 Md Bipul Islam

05/11/2025

মানুষ কতটা খারাপ হলে এই কাজটা করতে পারে কতটা নিকৃষ্ট হলে এই কাজটা করতে পারে নিজের গোডাউনে নিজেই আগুন লাগিয়ে দিয়ে আরো দশ জনের ক্ষতি করে আমি এই মেসেজটাই দিতে চাই যে নিজের ক্ষতি করে অন্যজনের আরো দশজনের ক্ষতি করার চেষ্টা করে তার থেকে আমরা সবাই দূরত্ব থাকি আশেপাশে যদি এরকম মানুষ থাকে তাহলে আমরা সবাই মিলে তাকে প্রশাসনের হাতে দেয়ার চেষ্টা করি

#গাজীপুরের_ঘট্না

05/11/2025

মিষ্টি : হ্যালো ..??

রাকিব : হুম বল 🙂

মিষ্টি : বাবা রাজি হলো না রে।🥺

রাকিব: এখন।😅

মিষ্টি : অন্য আরেকজনের এর সাথে আমার বিয়ে ঠিক করে ফেলেছে। 🥲

রাকিব : কবে বিয়ে। 💔

মিষ্টি: এই সপ্তাহতেই।😑

রাকিব : ওও আচ্ছা 🙂

মিষ্টি : চল আমরা পালিয়ে যাই।😇

রাকিব: না কখনোই না,,,,আমি চাই না পরিবারের বিরোধী হয়ে কিছু করতে,,,,কাকু যা বলে তাই কর।💔😒

মিষ্টি:,,,,,,,,,,,,,,,, 😔

রাকিব: ছেলে দেখতে কেমন??,,আমার থেকেও সুন্দর বুঝি?

মিষ্টি: উফ চুপ কর। এসব শুনতে ভালো লাগে না।

রাকিব: চুপ করার তো সময় এখন চলে এসেছে।

মিষ্টি: আচ্ছা বিয়ের পর তুই আমার সাথে যোগাযোগ রাখবি তো???

রাকিব: কখনোই না,,,তোর বিয়ের পর আমি যদি তোর সাথে কথা বলি তাহলে সেটা হবে পরকিয়া,,,আর তুই কি চাস আমাদের এতো পবিত্র ভালোবাসা পরকিয়া তে পরিনত হোক???

মিষ্টি: না কখনোই না,,, আচ্ছা আমার বিয়ের পর তোর আমার সাথে দেখা হয় তাহলে কথা বলবি তো,,,

রাকিব: বলবো,,কিন্তু তখন পরিস্থিতি ভিন্ন হবে,,

মিষ্টি: কেনো???

রাকিব: তখন তোর সাথে তোর বর থাকবে রে পাগলি

মিষ্টি: 😭😭😭😭😭😭

রাকিব: একদম কাঁদবি না। আচ্ছা বিয়ের দিন তোর কিছু ছবি দিস,,,শেষ বারের মতো তোকে চোখ ভোরে দেখবো।

মিষ্টি:,,,,,,,,,,,,,,

রাকিব: আচ্ছা বাই

কল কেটে দেওয়ার পর পাগলের মতো কান্না করতে থাকে রাকিব,,মিষ্টি ও বিয়ে বাড়ির ভিড়ের মধ্যে বসে চোখের জল ফেলতে থাকে,,,,,
বিয়ের আগের দিন রাতে রাকিব মিষ্টি কে আবার কল দেয়,,,,,,,
রাকিব : হ্যালো

মিষ্টি: হুম বল,,

রাকিব: আজ রাত ১২ টায় বাড়ির সামনের পোড়াবাড়িতে একটু আসিস,,,,,যেখানে আমরা সব সময় দেখা করতাম,,,,,

মিষ্টি: বাড়ি ভর্তি এতো লোক,,, কিভাবে আসবো?

রাকিব: বেশি সময় না,, শুধু ১৫ মিনিট এর জন্য,,,আমার শেষ ইচ্ছে,,, একবার আসিস,,,

এই বলে রাকিব কল কেটে দিলো

রাত ১২-০৫ মিনিট রাকিব সেই পোড়াবাড়ির সামনে বসে আছে,,,,এমন সময় মিষ্টি আসলো,,,,রাকিব একটা কেক নিয়ে মিষ্টি সামনে বললো শুভো জন্মদিন।

মিষ্টি: আমার জন্মদিন তোর মনে আছে।

রাকিব : আমি নিজেকে ভুলে যেতে পারি তোকে কোনোদিনও না।

মিষ্টি: 😭😭😭😭😭😭

এভাবে কান্না করবি নাকি কেক টাও কাটবি

এবার রাকিব ও মিষ্টি কেক কেটে একজন আরেক জনকে খাইয়ে দিলো,,,খাওয়া শেষে মিষ্টি রাকিবকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে শুরু করে দিলো রাকিব কি যেন ভেবে জড়িয়ে ধরতে গিয়েও আবার হাত সরিয়ে নিলো,,,
রাকিব মিষ্টি কাছ থেকে ছাড়িয়ে বললো,,,

রাকিব: যা এবার,,, বাড়িতে যা,,,নয়তো সবাই চিন্তা করবে,,,আর কালকে হাসি মুখে বিয়ে করবি,,,সারাজীবন সুখে থাকবি তুই,,,যা এবার,,,আর শোন,,,কখনো কাঁদবি না,,,কারণ আমি তোর চোখের কাজল,,, তুই কাঁদলে আমি শেষ হয়ে যাবোরে

মিষ্টি কাঁদতে কাঁদতে সেখান থেকে চলে গেল,,,,

পরের দিন সবাই ওই পোড়াবাড়ির সামনে থেকে রাকিবের লা ** শ উদ্ধার করলো,,, রাকিব সেখানে দাড়িয়ে আ *ত্ম *হ * ত্যা করেছিলো
মিষ্টি রাকিবের মৃ* ত্যু* র খবর জানতেই পারলো না,,, কারণ সেখান থেকে বাড়ি ফিরে,,, মিষ্টি ও আ* ত্ম* হ* ত্যা করেছিলো,,,

হায়রে ভালোবাসা 😭😭
দোয়া করি পৃথিবীর সকল ভালোবাসা যেনো পূর্ণতা পায়,
ভালো থাকুক ভালোবাসা🙂 💙

এরকম আরও বাস্তব জীবনের গল্প পড়তে নীল লেখায় চাপ দিয়ে পেজটি ফলো করুন 👉 MD BIPUL ISLAM

আমার পার্সোনাল আইডিতে এড হতে চাইলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে নক করুন 👉 Md Bipul Islam

05/11/2025

যখন আপনার মেয়েকে বিয়ে দিবেন...

♦️ তাকে শেখান, তার ঘরের গোপনীয়তা শুধু তার এবং তার স্বামীর মধ্যেই থাকবে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর সঙ্গে কথায় জেদ না করতে, কারণ জেদ তাকেই প্রথমে ধ্বংস করবে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর পরিবারের প্রতি যত্নশীল হতে এবং তাদের সম্মান করতে।

♦️ তাকে শেখান, উচ্চস্বরে হাসি বা চিৎকার তার নারীত্ব নষ্ট করে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর কাছে একবারও মিথ্যা বললে তার প্রতি স্বামীর আস্থা চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।

♦️ তাকে শেখান, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং ঘরের পরিচ্ছন্নতা স্বামীকে ইতিবাচক আচরণে উৎসাহিত করে এবং ঘরের প্রতি ভালোবাসা বাড়ায়।

♦️ তাকে শেখান, গীবতকারী না হতে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর সামনেও লজ্জাশীল থাকতে।

♦️ তাকে শেখান, নারীত্ব এবং পৌরষ দুটো ভূমিকাই না নিতে; সে নারী, নারীই থাকবে এবং লজ্জাশীল নারী হিসেবে তার ভূমিকা পালন করবে, পুরুষের মতো নয়।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর ঈর্ষা ভালোবাসা, সন্দেহ নয়; এবং তার সমস্যার পেছনে আপনারা দাঁড়াবেন না।

♦️ তাকে শেখান, বাবার বাড়ি ভুলে যেতে; বাবার বাড়ি শুধু স্নেহ ও সাক্ষাতের জন্য, কিন্তু তার আসল বাড়ি হলো স্বামীর ঘর।

♦️ তাকে শেখান, তার স্বামী ছাড়া কেউ তাকে সহ্য করবে না।

♦️ তাকে শেখান, চিৎকার না করতে এবং সবসময় নরম কণ্ঠে কথা বলতে।

♦️ তাকে শেখান, আল্লাহর নির্দেশে স্বামীর উপর কর্তৃত্ব; নিজের মতামত বা কথা জোর করে চাপিয়ে না দিতে।

♦️ তাকে শেখান, প্রতিটি ঝগড়ায় “তালাক” শব্দটি মুখে না আনতে।

♦️ তাকে শেখান, যত বড় ঝগড়াই হোক, স্বামীর শয্যা ত্যাগ না করতে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর মুখোমুখি হাসিমুখে থাকতে এবং বিরক্ত না করতে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামী কাজ থেকে ফিরলে চুমু, এক গ্লাস পানি এবং হাসি দিয়ে স্বাগত জানাতে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর অসুস্থতা বা বিপদের সময় তাকে ছেড়ে না যেতে।

♦️ তাকে শেখান, আপনারা সবসময় তার পাশে আছেন, কিন্তু প্রতিটি ঝগড়ায় রাগ করে স্বামীর ঘর ছেড়ে যাওয়া যাবে না।

♦️ তাকে শেখান, তার নারীত্ব দিয়ে সে একটি হিংস্র সিংহকেও বশ করতে পারে, কিন্তু জেদ করে নিজেকেই ভাঙবে।

♦️ তাকে শেখান, কথিত নারীমুক্তি শয়তানের ফাঁদ, এবং রাস্তায় সাজগোজ করে বের হওয়া তাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।

✅ তাকে শেখান, সে যেন নারী হয়, তার ঘরের রানী হয়, পরিবার পরিচালনা করে, তাদের মধ্যে ভালোবাসা, স্নেহ এবং দয়া বপন করে।
ভালোবাসি তোমাকে

এরকম আরও বাস্তব জীবনের গল্প পড়তে নীল লেখায় চাপ দিয়ে পেজটি ফলো করুন 👉 MD BIPUL ISLAM

আমার পার্সোনাল আইডিতে এড হতে চাইলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে নক করুন 👉 Md Bipul Islam

05/11/2025

▪️সুখ
শ্বশুর মশাই নিজের বাটি থেকে টুক করে একটা মাংসের টুকরো বৌমার পাতে দিয়ে দিলেন। বৌমা অপ্রস্তুত অবস্থায় পড়ে বলে, 'এ কি করলেন বাবা? আপনিই খান। সারাদিন আপনার যা পরিশ্রম'! মাংসের টুকরোটি ফেরত দেওয়ার জন্য সে জেদাজেদি করতে থাকে।
শ্বশুর মশাই অর্ধেন্দু বিশ্বাস তৃপ্ত মনে বৌমাকে বলেন, 'মা, আজ আমি খুব খুশি হয়েছি'।
বৌমা লিপা কৌতুহলী হয়ে জানতে চায়, 'কেন বাবা? কি হয়েছে'?'
অর্ধেন্দু বাবুর একটি বই বাঁধাইয়ের দোকান রয়েছে। বই বাঁধাইয়ে খুব নাম-ডাক তাঁর। অঢেল কাজ। বাড়ির সঙ্গেই দোকান। বাড়ির মধ্যেই রয়েছে আরও দুটি রুম। সংকীর্ণ জায়গা। বাড়ির চতুর্দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ডাঁই করা বই। একটি রুমে থাকেন লিপার শ্বশুর ও শাশুড়ী। আরেকটি রুমে লিপা ও তাঁর স্বামী। এছাড়াও রয়েছে এক অবিবাহিত ননদ। ননদটি কখনো বাবা মায়ের রুমে, কখনো সিঁড়ির নিচে থাকে। রাস্তার ধারের রুমটায় সারাদিন বই বাঁধাইয়ের কাজ করেন অর্ধেন্দু বাবু। ছেলেও হাত লাগান কাজে। লিপার বয়স অল্প। উচ্চ মাধ্যমিক পাশের পর সদ্য বিয়ে হয়েছে। শ্বশুর মশাইয়ের অনুপ্রেরণায় পড়াশোনা চালিয়ে যায় লিপা। কলেজে ভর্তি হয়েছে ম্যাথেমেটিক্স অনার্স নিয়ে। পড়াশোনা সেরে লিপা আজ শ্বশুর মশাইয়ের বই সেলাইয়ের কাজে হাত লাগিয়েছিল। কাজের ফাঁকে ফাঁকে পছন্দের বই গুলো একটু একটু করে পড়েও নিচ্ছিল। সেই দেখে শ্বশুর মশাই আজ খুব খুশি। সেই সূত্র ধরে শ্বশুর মশাই বৌমার প্রশ্নের জবাবে বলেন, 'আজ আমি খুব খুশি। নতুন বিয়ে হয়েছে। এইটুকু একটা মেয়ে! সব জড়তা ছেড়ে আজ তুমি বই বাঁধাইয়ের কাজ করলে। তোমারই সংসার। এইভাবেই সংসারটাকে আগলে রেখো মা'।
এতক্ষণ শাশুড়ী মা চুপ করে ছিল। তিনি এবার অভিমানী সুরে বললেন, 'আমি কেউ নই বুঝি! এতো বছর রেঁধে বেড়ে খাওয়ালাম যে!'
শ্বশুর মশাই খুনসুটি করে বললেন, 'হুম, তাই উনি শুধু রান্না ঘরটাই চেনেন, বই বাঁধাই ঘরটা চিনতেই পারলেন না'!
সবাই হা হা করে হেসে উঠলো। খাওয়া শেষে সকলের বিছানা রেডি করে দিয়ে লিপা গেল ননদের কাছে। তাঁর কয়েকটা ম্যাথের প্রবলেম সলভ করে দিয়ে লিপা বললো, 'চল, এখন একটু লুডো খেলি'।
ননদ তো আনন্দে এক পায়ে খাড়া। লুডোর আসরে একে একে যোগ দিল লিপার শ্বশুর ও স্বামী। ওদিকে লিপার শাশুড়ী এক কোনে বসে ঘনঘন হাই তুলছে।
লিপার শ্বশুর মশাই শাশুড়ীকে বললেন, 'ওগো শুনছো! ঘুমিয়ে পড়ো যাও! আগামীকাল ভোর ভোর উঠতে হবে'।
লিপা কৌতুহলী হয়ে জানতে চায়, 'কেন? ভোরে উঠবে কেন'?
শশুর মশাই বললেন, 'একটা সারপ্রাইজ আছে'।
সবাই চুপ। সবাই ভাবছে, কি সারপ্রাইজ! লিপা জিদ ধরলো, 'আর টেনশন নিতে পারছি না। বলেই দাও না বাবা'।
শশুর মশাই বললেন, 'আগামীকাল সকাল সকাল আমরা সবাই মিলে মহিষাদল রথের মেলা যাবো'।
আনন্দে নেচে উঠলো লিপা। ননদ গিয়ে জড়িয়ে ধরলো বৌদিকে। লিপা আনন্দে বললো, 'বাবা, আমি ফুচকা খাবো'।
শ্বশুর মশাই আবেগ প্রবন হয়ে বললেন, 'আচ্ছা, আচ্ছা মা! যা খাবে তাই খাওয়াবো'।
এরপর প্রত্যেকেই দ্রুত বিছানায় চলে গেলো।

এরপর মাঝে কেটে গেল দশটা বছর। শ্বশুর মশাই মারা গেছেন ইতিমধ্যে। যুগের পরিবর্তনে ডিজিটাল মিডিয়ার আগ্রাসনে ছাপা বইয়ের জনপ্রিয়তাও কমেছে। ফলে বই বাঁধাইয়ের দোকানটাও বন্ধ হয়ে গেল। বছর পাঁচেক হল লিপা একটি হাইস্কুলে চাকরি পেয়েছে। লিপার একটি সন্তানও হয়েছে। স্বামী একটা ছোট কোম্পানিতে কাজ করে এখন। ননদ বিয়ে করে চলে গেছে। শাশুড়ী মাতা আধ্যাত্মিক জগতে নিজেকে বন্দী করেছেন। সেই ছোট্ট একতলা বাড়িটা আজ আরও আধুনিক হয়েছে। সেটি এখন তিনতলা। ফ্লোরে মার্বেল দেওয়া। বাথরুম, কিচেন সবই আধুনিক।
এক গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় লিপা বাড়ির তিনতলায় একটি ঘরে এ সি চালিয়ে একাকী বসে আছে। এমনিতেই সময় কাটছে না লিপার। তার উপর একটু আগেই একটা ছোট বিষয় নিয়ে স্বামীর সাথে প্রবল ঝগড়া হয়েছে। স্বামী রাগ করে বেরিয়ে গেছেন বাজারে। ছেলে এক তলার একটি রুমে পড়াশোনা করছে। শাশুড়ী মাতা একটি অন্ধকার ঘরে ধ্যান করছেন। লিপার হঠাৎ চোখ পড়লো দেওয়ালে টাঙানো শ্বশুর মশাইয়ের ফটোটার দিকে। পরম যত্নে ফটোটা নামালেন লিপা। তাঁর চোখে জল। ফটোটা ভালো করে মুছে বিড়বিড় করে রুদ্ধ কন্ঠে লিপা বললো, 'বাবা, আগে ছোট ঘর ছিল। অনেক মানুষ ছিল। থাকার জায়গা ছিল না। কিন্ত অনেক আনন্দ ছিল। জীবনে সুখ ছিল। আর আজ অনেক বড় ঘর হয়েছে। মানুষের সংখ্যা কমে গেছে। থাকার জায়গারও অভাব নেই। কিন্তু আজ আর আনন্দ নেই। জীবনে সুখ নেই'

এরকম আরও বাস্তব জীবনের গল্প পড়তে নীল লেখায় চাপ দিয়ে পেজটি ফলো করুন 👉 MD BIPUL ISLAM

আমার পার্সোনাল আইডিতে এড হতে চাইলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে নক করুন 👉 Md Bipul Islam

05/11/2025

অতিরিক্ত টেনশন করার লোকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট....!!

প্রতিদিনের অতিরিক্ত টেনশন আসলে এক ধরণের বিষ। এটা আপনাকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিচ্ছে, কেড়ে নিচ্ছে মানসিক শান্তি, নষ্ট করছে আপনার শরীর আর সম্পর্ক। একটি ভুলের কারণে পৃথিবী ভেঙে পড়বে না, কিন্তু আপনি যদি টেনশনের কাছে হার মানেন তবে আপনার ভেতরের শক্তি ধ্বংস হয়ে যাবে।

আপনি হয়তো ভেবেছেন চিন্তা করলেই সমাধান আসবে, কিন্তু আসলে তা শুধু আপনার হাসি কেড়ে নেয়। আপনার এই দুশ্চিন্তা কেবল আপনাকে নয়, আশেপাশের মানুষকেও অন্ধকারে ঠেলে দেয়। তাই এখনই থামুন, কারণ "এই খাঁচা বাইরের নয়, এটা আপনার ভেতরে।" আর চাবিটা রয়েছে কেবল আপনার হাতেই।

দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির ৫টি শক্তিশালী পথ....

১) সবকিছু নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা ছেড়ে দিন আপনি ভবিষ্যৎ, মানুষ বা পরিস্থিতি সব নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। যেগুলো আপনার হাতে নেই, সেগুলো মেনে নিন। দেখবেন অর্ধেক দুশ্চিন্তা উধাও হয়ে গেছে।

২) টেনশন এক মরীচিকা এটা আপনাকে দোলায়, কিন্তু কোথাও নিয়ে যায় না। টেনশন শক্তি খায়, শান্তি নষ্ট করে। তাই হাসুন, গান শুনুন, বন্ধুদের সাথে সময় কাটান এটাই আসল ওষুধ।

৩) ধৈর্যের শক্তি গ্রহণ করুন জীবন কোনো সিনেমা নয় যেখানে এক মুহূর্তে সব বদলে যাবে। সময় লাগবে, কিন্তু একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে। রাত যত অন্ধকার হয়, সকাল তত কাছে আসে।

৪) নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন, অন্যকে ক্ষমা করেন, কিন্তু নিজেকে নয় কেন?
নিজেকে ভালোবাসুন, সময় দিন, ভুল করলে আবার উঠে দাঁড়ান। আপনার সবচেয়ে বড় সহায়ক আপনি নিজেই।

৫) নিজের প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করুন পৃথিবীকে আপনি বদলাতে পারবেন না, তবে পারবেন নিজের প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে। প্রতিদিন নিজেকে বলুন: “আমি শান্ত থাকব। আমি ইতিবাচক থাকব। আমি পারব।” এই বিশ্বাসই আপনার ভেতরের দুশ্চিন্তাকে শিকল পরিয়ে দেবে।

এরকম বাস্তব জীবনের গল্প পড়তে নীল লেখায় চাপ দিয়ে পেজটি ফলো করুন 👉 MD BIPUL ISLAM

আমার পার্সোনাল আইডিতে এড হতে চাইলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে নক করুন 👉 Md Bipul Islam

05/11/2025

— বলছি না এখানে আমি আগে বসেছিলাম, তাড়াতাড়ি ওঠ।
— উঠবো না তুই ঘুরতে গিয়েছিলি কেনো ?
— ঘুরতে যাইনি জল আনতে গিয়েছিলাম।
— যাইহোক আমি উঠছি না।
— ও মাআআআআ ।

বিরক্তি তে কপাল কুঁচকে উঠলো অমৃতার, মেয়ের মা বলে চেঁচানোর পর কয়েক জোড়া চোখ এদিকেই ঘুরেছে। এই মুহূর্তে তার ইচ্ছে করছে ছেলেমেয়ের মাথা দুটো একে ওপরের সাথে ঠুকে দিতে। তার থেকেও বেশি রাগ হচ্ছে ওদের বাবা আদিত্যর ওপর কেনো যে ও না এসে এই বিচ্ছু দুটোর সাথে ওকে একা একা পাঠিয়ে দিলো। ঠাকুমার শরীরটা হঠাৎ খারাপ হওয়াতেই সে বাড়ি যাচ্ছে। আশেপাশের লোকেদের দিকে একবার তাকিয়ে মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললো,
— কি হয়েছে ?
— দেখোনা আমি জল আনতে গিয়েছিলাম সেই সুযোগে পুলু জানালার ধারের সিটে বসে পড়েছে আর উঠছেনা।
— অ্যাই পুলু উঠে পড় দিদি আগে বসেছিল ওখানে।

যেনো কিছু হয়নি ভাবখানা এমন করে ও বললো,
—যে আগে বসবে সিট তার মা, ও উঠেছে আমি বসেছি সিম্পল।

অমৃতা মেয়েকে বললো,
—ঝগড়া করিসনা সোনা ও তো ছোটো বল।

মায়ের কথায় মুখটা কালো হয়ে গেলো তিতলির চুপচাপ ভাইয়ের পাশে বসে পড়লো সে। ট্রেন চলতে আরম্ভ করলো আর পুলু মোবাইল বের করে ছবি তুলতে লাগলো।

— ঝালমুড়ি..... ঝালমুড়ি.....।

হঠাৎ চক চক করে উঠলো দু ভাইবোনের মুখ ঝালমুড়ি তাদের ভারী প্রিয় একটি খাবার।
—মা টাকা দাওনা ঝালমুড়ি নিয়ে আসি।

পুলু দেখলো দিদি শুধু নিজের জন্যই টাকা নিল সেও বললো,
—মা আমাকেও টাকা দাও।
ঠিক এই সুযোগটার জন্যই অপেক্ষা করছিল তিতলি পুলু তখনও ঝালমুড়ি কিনছিলো তিতলি দৌড়ে এলো জানালার ধারের সিটটা নেবে বলে আর এসেই অবাক হলো, পুলুও বুঝতে পেরে ঝালমুড়ি নিয়ে দৌড় লাগালো। তারা এসে দেখলো যে সিটের জন্য ওরা ঝগড়া করছিল তাতে একটা তাদের বয়সি মেয়ে বসে আছে ।
— বেশ হয়েছে, আয় দুজনে আমার পাশটায় বস চুপচাপ।
অগত্যা মুখ কাঁচুমাঁচু করে দুজনে মায়ের পাশে বসে ঝালমুড়ি খেতে লাগলো চুপচাপ।

এরকম আরও গল্প পড়তে নীল লেখায় চাপ দিয়ে পেজটি ফলো করুন 👉 MD BIPUL ISLAM

আমার পার্সোনাল আইডিতে এড হতে চাইলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে নক করুন 👉 Md Bipul Islam

05/11/2025

গল্প: "শেষ পর্যন্ত আপন"

বনের পাশে একটা ছোট্ট গ্রামে থাকত এক গরিব কিশোর, নাম তার মিরাজ। তার পরিবারে কেউ ছিল না, শুধু এক পোষা গাধা — নাম ছিল মিঠু। মিঠু তার একমাত্র সাথী ছিল। ছোটবেলা থেকে মিরাজ আর মিঠু একসঙ্গে বড় হয়েছে, একসঙ্গে দুঃখ-সুখ ভাগ করে নিয়েছে।

মিরাজ বাজারে মালামাল পৌঁছে দিত, আর বিনিময়ে যা পেত, তাই দিয়ে চলত। মিঠু ক্লান্ত হলেও কখনো অভিযোগ করত না। মিরাজও মিঠুকে নিজের ভাইয়ের মতো ভালোবাসত।

কিন্তু সময় বদলে গেল। মানুষ বাজারে ঘোড়া আর ভ্যান ব্যবহার করতে শুরু করল। গাধাকে কেউ আর গুরুত্ব দিত না। মিরাজের কাজ কমে গেল। গ্রামের লোকেরা তাকে হাসাহাসি করত — "এখনো পুরনো গাধা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে!" মিরাজের মন ভেঙে যাচ্ছিল।

একদিন, অভিমানে মিরাজ ঠিক করল — মিঠুকে ছেড়ে দেবে। জঙ্গলের দিকে হাঁটল। মিঠু কিছু বুঝতে না পেরে তার পেছনে পেছনে হাঁটছিল।

একটা নির্জন জায়গায় এসে মিরাজ বলল, "তুই মুক্ত, মিঠু! এবার তুই যা, আমাকে আর ফিরে দেখিস না!" বলে চোখের জল লুকিয়ে দ্রুত পেছন ফিরে হাঁটতে লাগল।

কিন্তু মিঠু তার পেছনে পেছনে দৌঁড়ে এল। সে মিরাজকে ছাড়তে চায়নি। তখন মিরাজ রাগ করে একখানা লাঠি তুলে ফেলল, যেন ভয় দেখায়। মিঠু ভয়ে একটু পিছিয়ে গেল, কিন্তু পুরোপুরি ফিরে গেল না।

মিরাজ জঙ্গলের পাশের এক খাদের কাছে এল। হঠাৎ পা পিছলে সে নিচে পড়ে যেতে লাগল। ঠিক সেই মুহূর্তে মিঠু ঝাঁপ দিয়ে তার জামার ভাজ কামড়ে ধরল! নিজের সব শক্তি দিয়ে টেনে মিরাজকে খাদের কিনারা থেকে বাঁচিয়ে আনল।

মিরাজ মাটিতে পড়ে কাঁপতে লাগল। চোখের পানি থামছিল না। জড়িয়ে ধরল মিঠুকে। কাঁদতে কাঁদতে বলল,
"ক্ষমা করে দে বন্ধু... আমি তোর উপকারের বদলে তোর সাথে অন্যায় করেছিলাম। আজ তুই আমাকে আবার জীবন দিলি।"

সেদিন মিরাজ বুঝল, প্রকৃত ভালোবাসা কখনো পুরনো হয় না, যেমন পুরনো সাথী কখনো মূল্যহীন হয় না।

তারপর থেকে মিরাজ আর মিঠু একসঙ্গে থাকল। লোকের হাসাহাসির পরোয়া না করে মিরাজ মিঠুকে সাথে নিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করল।

মিঠু আর মিরাজ — তারা ছিল একে অপরের কাছে সবচেয়ে বড় শক্তি।

গল্পের শিক্ষা:

যারা আমাদের সত্যিকারের সঙ্গী, তারা চিরকাল পাশে থাকে। দুঃসময়ে তাদের চেনা যায়, আর তাদের ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ।

এরকম আরও গল্প পড়তে নীল লেখায় চাপ দিয়ে পেজটি ফলো করুন 👉 MD BIPUL ISLAM

আমার পার্সোনাল আইডিতে এড হতে চাইলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে নক করুন 👉 Md Bipul Islam

04/11/2025

যেটা ভাবছেন সেটা না 🤗 (কমেন্টে বলুন কি)

04/11/2025

- কি গো মা, তুমি এখনো বসে বসে মুখের মেকআপ তুলছ? আমি কিন্তু রেডি, তাড়াতাড়ি রওনা দিতে হবে এবার।
- এই তো হয়েই এসেছে, আর একটু বাকি...যা লাউড মেকআপ করিয়ে দিয়েছিল। কিচ্ছু বাদ দেয়নি। তার ওপর আবার ডার্ক ব্লু কালারের ডবল পোচ। তুলতেই তো সারাদিন লেগে যাচ্ছে। ভাগ্যিস লেকমির ক্লিন্সিং মিল্কটা আগেই লক্ষ্মী অনলাইনে আনিয়ে রেখেছিল। খুব ভালো প্রডাক্ট।
- যাই বলো মা, এই পুরো মাসটা জুড়েই ভীষণ ব্যস্ত তুমি। নানান রকম রূপে যেতে হচ্ছে মর্ত্যবাসীদের আব্দার মেটাতে। তার ওপর আবার নানাজনের নানা বায়নাক্কা। আমি তো হিমশিম খাচ্ছি খাতা মেন্টেন করতে।
- কি যে বলিস সিংগি, তার ঠিক নেই। ট্রলি ব্যাগে সব দেখে নিয়েছিস তো ঠিক করে?ভিসা, পাসপোর্ট...
- তুমি কি দিন দিন সব ভুলে যাচ্ছ মা? আরে,আমরা কি বিদেশ ভ্রমণে যাচ্ছি নাকি? যাচ্ছি তো পশ্চিমবঙ্গে। তুমি যখন ওয়ার্ল্ড ট্যুরে বেরোবে তখন ওগুলো লাগবে।
- হুমম। আমি অবশ্য কিছুদিন আগেই দীপাবলির সময় দুবাই, সিঙ্গাপুর, মালায়েসিয়া, শ্রীলঙ্কা, মরিশাস ঘুরে এসেছি। যা কড়া চেকিং। অস্ত্র নিয়ে এয়ারপোর্টে ঢুকতেই দিচ্ছিল না। এদিকে অস্ত্র না হলে অসুর বধ করাও যাবে না। যা ঝামেলা হলো।শেষে মহাদেব ওপরমহলে ফোন করে করে প্রবলেম সর্ট আউট করল।
- এখন কোন চাপ নেই মা। এবারে আমরা শুধু পশ্চিমবঙ্গেই যাব।
- হ্যাঁ,ঠিক বলেছিস। হাতিসুর রেডি হয়েছে কিনা দেখ তো!
- হাতিসুর?
- করিন্দ্রাসুর।
- উফঃ। তুমিও না...দেখছি গো মা। ওর যা কুম্ভকর্ণের মতো ঘুম! বেশ করেছ ওর মতো অসুরকে বধ করে। ওর উচিত শিক্ষা হয়েছে। হুগলী জেলার চন্দননগরে যা ভীড় হয়, তাতে চিড়েচেপটা না হয়ে যায় হাতি! ওর নড়তে চড়তেই দশ ঘন্টা।সেফটি এ্যান্ড সিকিউরিটির জন্য তাই স্পিকার নিয়ে যাব। আমার গর্জন রেকর্ড করে রেখেছি।বাবার আদেশ। বেশী ভীড় দেখলেই আমি ওই হালুম আওয়াজটা চালিয়ে দেব, আর সবাই হুড়মুড়িয়ে পালাবে।
- তোদের বাবা পারেও বটে।কতো ঢং!
- পারাই উচিত। আর এটা ঢং নয়, ভালোবাসা। তুমি বাবার নয়নের মনি। তোমায় ছাড়া বাবা অন্ধ।
- ফাজলামি রাখ। অসুরটা রেডি হয়েছে কিনা দেখ?আমার মেকআপ কমপ্লিট। শাড়িটা প্লিট করলেই হয়ে যাবে।
- আজ্ঞে হ্যাঁ মা। যাই দেখি, তোমার হাতিসুরের কতোদূর। কানের কাছে হুইসেল দিতে হবে।
- ওলাটাও বুক করে ফেল। আরো লেট হলে রেট বাড়বে। তখন আবার তোদের বাবা চেঁচাবে। আমিও কিছু বলতে পারব না। কারন আমার এই রূপ শান্ত,করুণাময়ী। তাই চাইলেও উগ্ৰ হতে পারব না।যা,আর দেরী করিস না।
- যাই মা আজ্ঞে...

এরকম আরও গল্প পড়তে নীল লেখায় চাপ দিয়ে পেজটি ফলো করুন 👉 MD BIPUL ISLAM

আমার পার্সোনাল আইডিতে এড হতে চাইলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে নক করুন 👉 Md Bipul Islam

04/11/2025

💔 Breakup 💔
মেয়েঃ হ্যালো.....
ছেলেঃ হুম বল.......❗
মেয়েঃ তোমার সাথে আমার কিছু জরুরী কথা আছে.......!!!!
ছেলেঃ হুম বল পাগলী আমি শুনছি.....❗
মেয়েঃ তোমার কথায় কথায় আমাকে সন্দেহ করা.....❗
আমার ফোন Waiting এ পেলে আমাকে বকা ঝকা কর......❗
আমার এটা করা বারণ ঐটা করা বারণ ......❗
আমি আর এসব নিতে পারছি না.....❗

আমি আর তোমার সাথে রিলেশনটা কন্টিনিউ করতে চাই না.....! So breakup....💔

ছেলেঃ তোমার কথা শেষ.....❓
মেয়েঃ হুম আমার কথা শেষ....❗
ছেলেঃ তাহলে এবার আমি কিছু বলি.......❓
মেয়েঃ হুম বল......❗
ছেলেঃ হে আমি তোমাকে সন্দেহ করি কেন জান....❓ কারণ আমি তোমাকে মন থেকে ভালোবাসি.....❤❤ হে আমি তোমাকে সন্দেহ করি কারণ সবসময় তোমাকে হারানোর ভয়টা আমার মনের ভিতরে কাজ করে....❗
আর আমি তোমাকে কখনো হারাতে চাই না....
তাই আমি তোমাকে সন্দেহ করি....❗
আর হে কি বললে তোমার ফোন waiting পেলে বকা ঝকা করি.....❗
কিন্তু কেন জান....
কারণ আমি এই পৃথিবীর সব কিছুর ভাগ সবাইকে দিতে পারলেও তোমার ভাগটা কাউকে দিতে পারবো না.....❗
হে আমি তোমাকে অনেক কাজ করতে বারণ করি কারণ আমি তোমাকে আমার পাশে ছাড়া অন্য কারো পাশে কখনো সহ্য করতে পারবোনা....❗

তাই আমি তোমাকে অনেক কাজ করতে বারণ করি.....❗

আর হুম কি বললে ব্রেকআপ.....!!!! 💔💔💔
খুব সহজেই বলে ফেললে তাই না....?

কিন্তু আমি কি পারবো তোমাকে খুব সহজে ভুলে যেতে.......❓❓❓

জানি.... চাইলেও পারবো না....

হয়তো তোমাকে ভুলে থাকার জন্য চলে যাবো নিকোটিন এর অন্ধকার জগতে.....❗

হয়তো কোনো এক বন্ধ রুমের কোনো এক কোনায় ত খুঁজে নিবো তোমায় নিকোটিন এর ধোয়ায়......❗
তবুও তুমি যদি আমার সাথে ব্রেকআপ করতে চাও আমি তোমাকে আটকাবো না....❗
কারণ ভালোবাসা কখনো জোর করে হয় না......

সব শেষে একটা কথাই বলবো আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি.....
আর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ভালোবাসবো.....❗

মেয়েঃ............ ( কান্না করতেছে)
ছেলেঃ কি হলো কথা বল না কেন .....❓( কান্না জড়িত কন্ঠে 😰)
মেয়েঃ এমনি....... 😢
ছেলেঃ আচ্ছা তাহলে রাখি ভালো থেকো.....❗
মেয়েঃ শুন.....❗

ছেলেঃ হুম বল....

মেয়েঃ Sorry...... আমি বুঝতে পারিনি...❗

ছেলেঃ I Love you পাগলী.....❤

মেয়েঃ I Love You..... Too পাগল..

-বেঁচে থাকুক এমন হাজারো ভালোবাসা 🙂

লেখাটি ভালো লাগলে অবশ্যই একটি শেয়ার করে যাবেন।

এরকম আরও বাস্তব জীবনের গল্প পড়তে নীল লেখায় চাপ দিয়ে পেজটি ফলো করুন 👉 MD BIPUL ISLAM

04/11/2025

প্রেগন্যান্সির চার মাস পার হতেই আমার নাফিজা কেমন যেন একদম অন্যরকম হয়ে গেল।
দিনের পর দিন বমি, মাথা ঘোরা, শরীর দুর্বল — তবুও মুখে হাসি।
আমি পাশে বসে ওর হাত ধরে থাকতাম, আর ও বলতো,
“তুমি থাকলে আমি কষ্ট পাই না।”

আমরা জানতাম, ওর পেটে দুইটা ছোট্ট প্রাণ বেড়ে উঠছে।
ডাক্তার বলেছিল, “টুইন প্রেগন্যান্সি মানেই ঝুঁকি।”
কিন্তু আমরা ভয় পাইনি।
আমরা শুধু স্বপ্ন দেখেছিলাম —
একসাথে চারজনের একটা ঘর, জানালায় রোদ, আর হাসির আওয়াজে ভরা সকাল।

আমাদের বিয়েটা সহজ ছিল না।
আমি যখন কিছুই ছিলাম না — তখনই ও আমার হাত ধরেছিল।
পরিবারের অমতে পালিয়ে বিয়ে করেছিলাম।
ও বলেছিল, “আমি তোমার সাথে থাকবো, ফলাফল যাই হোক না কেন।”
আর সেই দিন থেকেই আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম —
এই মেয়েটার চোখে কখনো জল দেখবো না।

এখন আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করি।
সকাল থেকে রাত অবধি ব্যস্ততা,
তবু প্রতিদিন বাড়ি ফিরে আমি প্রথমেই ওর পেটের কাছে মুখ রাখি।
চুমু খেয়ে আস্তে বলি,
“বাবুরা কেমন আছে আজ?”
নাফিজা হাসে, বলে —
“ওরা শুধু তোমার গলায় আওয়াজ পেলেই নড়াচড়া করে।”
এই কথাটাই ছিল আমার প্রতিদিনের আনন্দ।

কিন্তু সুখের দিনগুলো বেশি দিন স্থায়ী হয়নি।
ওর শরীর খারাপ হতে শুরু করলো হঠাৎই।
ডাক্তার বললো, “নাফিজার অবস্থা জটিল। হয়তো সি-সেকশন করতে হবে আগেভাগেই।”
সেই মুহূর্তে পৃথিবীটা কেমন যেন থেমে গেল।
আমি ওর সামনে কিছুই বলিনি, কিন্তু ভিতরে ভিতরে ভেঙে পড়েছিলাম।

ওকে আর একা রাখিনি আমি।
ওয়ার্ক ফ্রম হোম শুরু করলাম, সব নিজেই সামলাতাম।
ওর খাবার, ওষুধ, এমনকি গোসল — সব।
নাফিজা মাঝে মাঝে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলতো,
“তুমি কষ্ট পাও না?”
আমি শুধু হেসে বলতাম,
“ভালোবাসা মানে কষ্ট না, নাফিজা — ভালোবাসা মানে একসাথে লড়াই।”

ওর চোখে তখন জল আসতো,
আর আমি মনে মনে ভাবতাম —
এই মেয়েটাকে হারালে আমি আর বাঁচবো না।

সেই রাতটা আমি কখনো ভুলবো না।
মাঝ রাতে হঠাৎ কান্নার শব্দে ঘুম ভাঙলো আমার।
পাশে তাকিয়ে দেখি, খাটে নাফিজা নেই।
ওর হুইলচেয়ারটা ফাঁকা।
উঠে দেখি — ঘরের কোণে জায়নামাজে বসে কাঁদছে ও, দু’হাত তুলে নামাজ পড়ছে।
আমি ছুটে গেলাম।

ওর চোখে তখন আতঙ্ক, তবুও মুখে হাসি।
বলল,
“রিহান, আমি যদি না থাকি, তুমি রাগ করো না।
আমাদের বাচ্চাদের এমনভাবে বড় কোরো যেন তারা জানে —
তাদের মা দুনিয়া ছেড়ে যায়নি, বরং তাদের বাঁচিয়ে রেখে গেছে।”

আমি ভয়ে চিৎকার করে উঠেছিলাম,
“না নাফিজা! তুমি কিছু বলবে না এমন! আমি আছি, তুমি কিছু হবে না!”

ও শুধু মৃদু হেসে আমার মুখে হাত রাখলো,
“তুমি যদি কাঁদো, তাহলে আমি কষ্ট পাবো।”
তারপর আস্তে করে চোখ বন্ধ করলো।
আমি ওর কপালে চুমু খেয়ে বলেছিলাম,
“আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, তোমাকে হারাব না।”

পরদিন সকালেই ওকে হাসপাতালে নেওয়া হলো।
অপারেশন থিয়েটারের দরজার সামনে আমি কাঁপছিলাম।
ডাক্তার এসে বললেন,
“একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে, রিহান… হয় মা, না হয় বাচ্চা।”

আমি নির্বাক।
আমার মুখ থেকে শব্দ বের হলো না।
শুধু মাথা নিচু করে বললাম,
“আমার স্ত্রী যা চেয়েছিল, তাই করুন।”

দুই ঘণ্টা পর দরজা খুললো।
একজন নার্স দৌড়ে এসে বলল,
“অভিনন্দন, আপনি দুই সন্তানের বাবা।”
আমি হোঁচট খেয়ে সামনে এগোলাম, বললাম, “আর নাফিজা?”

নার্স চুপ করে ছিল কিছুক্ষণ।
তারপর আস্তে বলল,
“তিনি আর নেই…”

শব্দটা শুনে আমি থমকে গেলাম।
কান দিয়ে কিছু শুনতে পাচ্ছিলাম না।
দেহটা হিম হয়ে গেল।
আমি শুধু ভাবছিলাম —
নাফিজা তো বলেছিল ও ফিরে আসবে…
ও তো প্রতিজ্ঞা করেছিল, ও আমায় ছেড়ে যাবে না…

আমি দরজার পাশে বসে পড়েছিলাম,
হাতের তালুতে তখনো ওর শেষ ছোঁয়ার উষ্ণতা লেগে ছিল।
মনে হচ্ছিল, যদি আল্লাহ এখন আমাকে ডেকে নেন, তবুও শান্তি পাবো।

---
দুইটা ছোট্ট শিশু এখন আমার পৃথিবী।
একটা মেয়ে — নাফিজার মতো চোখ,
একটা ছেলে — হাসিটা পুরো ওর মতো।

নাফিজা চলে যাওয়ার পর আমি আর দ্বিতীয় বিয়ে করিনি,, দ্বিতীয়বার আর কাউকে ভালোও লাগেনি, মাঝে মাঝে আমার সন্তানদের মুখের দিকে তাকালে আমার খুব কষ্ট হয়, তারা এখনো মা কি জিনিস সেটা জানেই না, মায়ের ভালোবাসা কেমন বলতেই পারে না

এরকম আরও গল্প পড়তে নীল লেখায় চাপ দিয়ে পেজটি ফলো করুন 👉 MD BIPUL ISLAM

আমার পার্সোনাল আইডিতে এড হতে চাইলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে নক করুন 👉 Md Bipul Islam

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Culinary Team

Attire

Telephone

Address

Dhaka