Km Business Network
Export, Import and Supplier
23/10/2022
যে কারণে খেতেই হবে অর্গানিক ফুড:
প্রথমত, খাদ্যে বিষক্রিয়া থেকে নিজেদের ও সন্তানদের বাঁচাতে হবে। দ্বিতীয়ত, আমাদের শরীরযন্ত্র চলে আদি নিয়মে, তাই খাবারও হতে হবে আদিম রুলসে উৎপাদিত। এজন্য আমাদের সচেতন হওয়ার এখনই সময়।
শুরুতে বিশ্বের নানা প্রান্তে অর্গানিক ফুড কথাটার বিরোধিতা করা হয়েছিল। বিজ্ঞানীরাও দ্বিধান্বিত ছিলেন এর উপকারিতা নিয়ে। তবে ২০১৪ সালে নিউ ক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক প্রমাণ করেন অর্গানিক ফুডের উপকারিতা। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণ সার মিশ্রিত ফসলের চেয়ে অর্গানিক ফসলে কীটনাশকের পরিমাণ এক চতুর্থাংশের চেয়েও কম। বিষাক্ত ধাতব উপাদানও কম। তাই এতে ক্যান্সার প্রতিরোধী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অনেক বেশি মাত্রায় থাকে। লাভ করা যায় দীর্ঘায়ু। এছাড়া রাসায়নিক ব্যবহার না করার কারণে জমির উর্বরতা বজায় থাকে। ফলে ফলন বেশি দিন পাওয়া যায়।
অর্গানিক ফুডকে জিএম ফুডের বিপরীত ফুড বলা হয়। জিএম ফুড হলো জেনেটিক্যালি মডিফাইড ফুড। সাধারণভাবে আমাদের কাছে যা হাইব্রিড নামে পরিচিত। বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও ক্রমহ্রাসমান ফসলি জমির দরুন কিছুদিন আগে এ ফুডকে বিজ্ঞানের কল্যাণে প্রাপ্ত নিয়ামত ভাবা হলেও এখন তা হচ্ছে না। বর্তমানে প্রায় সব বিজ্ঞানীই এ ব্যাপারে একমত, জিএম ফুডে খরচের চেয়ে লাভ বেশি হলেও শারীরিক ক্ষতি ঢের। তাই এর জায়গা দখল করছে অর্গানিক ফুড। এ ফুডের আওতায় ধান, গম, আলু, পটল ও শাকসবজিসহ অন্যান্য কৃষিজাতদ্রব্য ও গবাদিপশু রয়েছে।
আমাদের দেশে অর্গানিক ফুড কথাটি গত কয়েক বছর ধরে শোনা গেলেও এখন অবধি অনেকেই জানেন না, এটি আসলে কী? দু’এক বছর আগেও গ্রামাঞ্চলে তো নয়ই, শহুরে শ্রেণিতেও খুব অল্প সংখ্যক মানুষ অর্গানিক ফুডের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। তবে, ইদানীং অবস্থা পাল্টাচ্ছে। সুপারশপগুলো ঘুরে দেখা যায়, লোকজন এ ফুডের ব্যাপারে আগ্রহী। অর্থাৎ, বাজারে অর্গানিক ফুডের চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে, হচ্ছে।
চাহিদা থাকা সত্তে¡ও সেভাবে তা উৎপাদিত হচ্ছে না। অনেক কৃষক জানেন না অর্গানিক ফুড কী? বিএডিসির (বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন) কৃষি কর্মকর্তা হাসনে মাহজাবীন জানান, অর্গানিক ফুড অবশ্যই ভালো। তবে, দরিদ্র কৃষকদের সেটি বোঝানো খুব মুশকিল। তারা চায় কম খরচে বেশি লাভ। তাই এখনো তেমনভাবে গ্রামাঞ্চলে এর প্রসার ঘটছে না। সরকারি পর্যায়ে অর্গানিক ফুডের উৎপাদন খরচ কমানো যায় কি না সেটির গবেষণা চলছে।
বাংলাদেশে অর্গানিক ফুডের প্রথম প্রচলনকারী হলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ফরহাদ মাজহার। কয়েক দশক ধরে তিনি নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ ফুডের বাজার সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন। তার নয়া কৃষি আন্দোলন মূলত অর্গানিক ফুড বা নিরাপদ আহার আন্দোলনেরই প্রতিরূপ।
এখন অনেকেই এ ফুডের দিকে ঝুঁকছেন। কেউ কেউ ব্যবসায়ও শুরু করেছেন। বাইরে থেকে আমদানিও হচ্ছে এ ধরনের খাদ্যদ্রব্য। ফসলের পাশাপাশি অনেকে গবাদি পশুও উৎপাদন করছেন অর্গানিক পদ্ধতিতে।
প্রচারণা, সচেতনতা: অর্গানিক ফুডের প্রসারে মানুষকে সচেতন করতে হবে। এক্ষেত্রে অগ্রণী ভ’মিকা রাখতে পারে গণমাধ্যম। এ নিয়ে নানা অনুষ্ঠান ও পাবলিকেশন প্রচার ও প্রকাশের মাধ্যমে উৎপাদক পর্যায়ে এর উপকারিতা বোঝাতে হবে। সরকারকেও এগিয়ে আসতে হবে। বেসরকারিভাবে উদ্যোগের ফলে দাম একটু বেশি হয়ে যায়। তাই এটাকে কৃষকপর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। কৃষক শুরুতেই আগ্রহী হবেন না। তবে, সরকারিভাবে উদ্যোগ নিয়ে অন্তত প্রথম কয়েকটি বছর ভর্তুকির মাত্রা বাড়িয়ে চাষের উদ্যোগ নিলে তাদের সচেতন করা সম্ভব। বিশ্বকে সুস্থ সুন্দর রাখতে অর্গানিক ফুড অপরিহার্য।
সীমাবদ্ধতা: বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে অর্গানিক ফুডের উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্নও উঠছে। বর্তমানে অর্গানিক ফুড সোনার হরিণ। যা বেশিরভাগ সাধারণ মানুষের আয়ত্তের বাইরে। সাধারণ খাবার কিনতেই যেখানে নিম্নবিত্তদের নাভিশ্বাস উঠছে, সেখানে চড়া দামে খাদ্যদ্রব্য কিনে খাওয়া দুঃসাধ্য বটে। তবু খেতে হবে অর্গানিক ফুড।
বিডিলাইভটোয়েন্টিফোর, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৪
27/02/2022
Sakura Plum/ সাকুরা বরই
থাইল্যান্ড সহ পৃথিবীর অনেক দেশেই এই ফল পাওয়া যায়। দেশীয় শুকনা বরই এর মত থাইল্যান্ডের এই বরইকে শুকিয়ে প্রসেস করা হয়।
উপকারিতা সমূহঃ
শরীরে শক্তি যোগায়,কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে,কোষ্ঠ পরিস্কার করে,ক্লান্তি দূর করে,মুখে রুচি আনে হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
আর খেতেও সুস্বাদু।
শরীর থেকে বিষাক্ততা দূর করে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,ভিটামিন সি প্রচুর পরিমানে থাকে তাই ত্বকের জন্যও ভাল।
18/02/2022
নিয়মিত কাজু বাদাম খাওয়ার যত উপকার
দানাদার খাবারের মধ্যে কাজু বাদামের জুড়ি নেই। কাজু বাদাম গাছের আদিনিবাস ব্রাজিলে হলেও সারাবিশ্বের উষ্ণ আবহাওয়ার দেশগুলোতে এটি চাষ হয়ে থাকে।
কাজু বাদাম চিবিয়ে ও রান্না করেও খাওয়া যায়। এটি রান্নায় স্বাদ বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে ফিরনি, সেমাইয়ে অনন্য স্বাদ যোগ করে।
আপনি জেনে অবাক হবেন যে, কাজু বাদামে এত পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়, যা প্রায় রান্না করা মাংশে পাওয়া প্রোটিনের সমান। এ ছাড়া এতে অনেক বেশি পরিমাণে ফাইবার থাকে এবং শর্করার পরিমাণ কম থাকে।
সুস্বাদু কাজু বাদাম প্রচুর পরিমাণে প্রোটিনসহ পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ একটি বীজ। এতসব পুষ্টি উপাদানের কারণে এটির স্বাস্থ্য উপকারিতাও অনেক। হাড়ের জন্য অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ওজন কমাতে, হার্টকে ভালো রাখতে এবং ডায়বেটিস রোগের উপকারেও সহায়তা করে কাজু বাদাম। আসুন জেনে নিই কাজু বাদামের কিছু অসাধারণ উপকারি সম্পর্কে—
১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
কাজু বাদামকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পাওয়ার হাউস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগ, চোখের বিভিন্ন রোগ ও স্মৃতিশক্তিজনিত যে কোনো সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। এ ছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ফলে ত্বকের সৌন্দর্য বজায় থাকে এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।
২. ওজন কমায়
অন্যান্য বাদামে বেশি পরিমাণে ক্যালোরি এবং ফ্যাট থাকে বলে সেগুলো ওজন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে যে, কাজু বাদামে যে পরিমাণ ক্যালোরি থাকে, তার ৮৪ শতাংশই হজম করতে এবং শুষে নিতে পারে মানব দেহ। এ ছাড়া এটি প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় ক্ষুধা কমাতে এবং পেটভরা রাখতে সহায়তা করে বলে ওজন কমার সম্ভাবনা থাকে অনেক।
৩. হার্টের জন্য উপকারী
স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে উপকারী হিসেবে কাজ করে কাজু বাদাম। এ ছাড়া একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, কাজু বাদাম নিয়মিত খেলে রক্তচাপ ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমিয়ে হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সহায়তা করে।
৪. ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে
ডায়াবেটিস রোগের জন্যও উপকারী হিসেবে কাজ করে কাজু বাদাম। এতে থাকা ফাইবার রক্তের শর্করার স্পাইক প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং এতে শর্করার পরিমাণও অনেক কম থাকে। আর এ কারণে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
৫. হাড়ের জন্য উপকারী
কাজু বাদামে ম্যাগনেসিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজ থাকার কারণে এটি হাড়ের জন্য অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া মানব দেহের জন্য প্রয়োজনীয় কপারের অভাব পূরণ করে এটি। আর কপারের অভাবে বিভিন্ন হাড়ের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই কাজু বাদাম হাড়ের জন্য উপকারী হিসেবে কাজ করে।
কিন্তু পুরো বিশ্বেই কাজু বাদাম সাধারণত কাঁচা অবস্থাতেই বেশি বিক্রি হয়ে থাকে। তবে এটি কাঁচা অবস্থায় না খাওয়াই নিরাপদ। কারণ কাঁচা অবস্থায় এতে উরুশিওল নামে একটি বিষাক্ত পদার্থ থাকে এবং এটি মানুষের ত্বকে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
আমরা সারাদেশে কুরিয়ারের মাদ্ধমে পার্সেল ডেলিভারি করে থাকি।
অর্ডার কনফার্ম করতে ডেলিভারি চার্জ আগে পেমেন্ট করতে হবে।
ঢাকা সিটিতে ডেলিভারি চার্জ ৬০ টাকা , ঢাকার বাইরে ১৫০ টাকা।
আমাদের যেকোনো পণ্য পেতে নিচের নাম্বারে কল করুন।
০১৬১৮-১১৮৬৫৭
অথবা কমেন্ট বক্সে আপনার পূর্ণ ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দিন।
18/02/2022
BSTI থেকে অনুমোদন পাওয়ার জন্য কি কি কাগজপত্র থাকতে হবেঃ
* প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্সের কপি
* ট্রেড মার্ক রেজিস্ট্রেশনের কপি
* TIN সার্টিফিকেটের কপি
* পন্য উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির তালিকা
* পন্য উৎপাদনের প্রসেস ফ্লো চার্ট
* কারখানার লেয়াউট
* পন্যের মোরক/ লেবেলে থাকা সকল তথ্যবলী
* পন্য উৎপাদনের উপাদানগুলোর বিবরন
এছাড়া প্রয়োজন মাপিক আরো কাগজপত্র লাগতে পারে।
উপরোক্ত কাগজপত্রগুলো প্রস্তুত করে এবার আপনাকে জেতে হবে তেজগাঁও শিল্প এলাকার BSTI এর অফিসে । সেখান থেকে BSTI লাইসেন্সের আবেদন ফরম নিতে হবে ।
17/02/2022
প্রতিদিন কেন এক চামচ ঘি খাবেন:
১. ত্বকের শুষ্কতা দূর করে তা আর্দ্র রাখে।
২. ভিটামিন এ থাকায় এটি চোখের জন্য ভালো। এটি চোখের চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. ঘি খেলে যে হরমোন নিঃসরণ হয়, এতে শরীরের সন্ধিগুলো ঠিক থাকে।
৪. এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ বলে অন্য খাবার থেকে ভিটামিন ও খনিজ শোষণ করে শরীরকে রোগ প্রতিরোধে সক্ষম করে তোলে।
৫. পোড়া ক্ষত সারাতে কাজ করে ঘি। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে আছে ঘি খেলে মস্তিষ্কের ধার বাড়ে ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে।
অর্ডার করার জন্য, আমাদের মোবাইলের ইনবক্সে মেসেজ সেন্ড করুনঃ
১. আপনার নাম ও ঠিকানা (বিস্তারিত)
২. আপনার ফোন নম্বর
৩. প্রোডাক্ট এর নাম ,কোড অথবা ছবি ও পরিমান
[মেসেজ পাঠানোর পর আমরা আপনার সাথে যোগাযোগ করবো]
ঢাকা সিটিতে পণ্য হাতে পেয়ে টাকা পরিশোধ করবেন । মানে ক্যাশ অন ডেলিভারী I Cash on Delivery
ঘি এর মূল্য : প্রতি লিটার ঘি : ১,৬০০/- টাকা. ৫০০ মিলি ৮০০/- টাকা ।
কুরিয়ারে দেশের যে কোন স্থানে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানো হয়। কুরিয়ারে পণ্য পেতে কুরিয়ার চার্জসহ পণ্যমূল্য অগ্রিম পাঠাতে হবে।
The Wish Granter
The Wish Granter
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Hatirpool
Dhaka
1205
