Islami Bank Diabetic Foot and Wound Care.

Islami Bank Diabetic Foot and Wound Care.

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islami Bank Diabetic Foot and Wound Care., Health/Beauty, Islami Bank Hospital Motijheel, Dhaka.

Photos from Islami Bank Diabetic Foot and Wound Care.'s post 08/01/2026

যে কোনো ধরণের টিউমারের লাইপোমা চিকিসা করা হয়।

অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ
এমবিবিএস, ডিটিএম, পিইএচডি (প্লাস্টিক সার্জারী, জাপান)। অধ্যাপক ও সাবেক বিভাগীয় প্রধান- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।
বার্ন এবং প্লাস্টিক সার্জন

সিরিয়ালের জননো যোগাযোগ,,
01620-997370 📞📞📞

Photos from Islami Bank Diabetic Foot and Wound Care.'s post 21/12/2025

যে কোনো ধরণের বার্ণের চিকিসা করা হয়।

অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ
এমবিবিএস, ডিটিএম, পিইএচডি (প্লাস্টিক সার্জারী, জাপান)। অধ্যাপক ও সাবেক বিভাগীয় প্রধান- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।
বার্ন এবং প্লাস্টিক সার্জন

সিরিয়ালের জননো যোগাযোগ,,
01620-997370 📞📞📞

Photos from Islami Bank Diabetic Foot and Wound Care.'s post 14/12/2025

ডায়াবেটিক ফুটে আর নয় পা হারানোর ভয়,
সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে পুনরায় স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সম্ভব।

অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ
এমবিবিএস, ডিটিএম, পিইএচডি (প্লাস্টিক সার্জারী, জাপান)। অধ্যাপক ও সাবেক বিভাগীয় প্রধান- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।
বার্ন এবং প্লাস্টিক সার্জন

সিরিয়ালের জননো যোগাযোগ,,
01620-997370 📞📞📞

Photos from Islami Bank Diabetic Foot and Wound Care.'s post 12/12/2025

সাধারণত আমাদের পায়ে পাঁচটি আঙ্গুল থাকে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এর বাইরেও বাড়তি আঙ্গুল হতে দেখা যায়। অনেক সময় এটি সমস্যা করে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে সমস্যা করে না। এর চিকিৎসা সার্জারি।

অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ
এমবিবিএস, ডিটিএম, পিইএচডি (প্লাস্টিক সার্জারী, জাপান)। অধ্যাপক ও সাবেক বিভাগীয় প্রধান- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।
বার্ন এবং প্লাস্টিক সার্জন

সিরিয়ালের জননো যোগাযোগ,,
01620-997370 📞📞📞

Photos from Islami Bank Diabetic Foot and Wound Care.'s post 07/12/2025

সাধারণত আমাদের হাতে পাঁচটি আঙ্গুল থাকে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এর বাইরেও বাড়তি আঙ্গুল হতে দেখা যায়। অনেক সময় এটি সমস্যা করে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে সমস্যা করে না। এর চিকিৎসা সার্জারি।

অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ
এমবিবিএস, ডিটিএম, পিইএচডি (প্লাস্টিক সার্জারী, জাপান)। অধ্যাপক ও সাবেক বিভাগীয় প্রধান- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।
বার্ন এবং প্লাস্টিক সার্জন

সিরিয়ালের জননো যোগাযোগ,,
01620-997370 📞📞📞

03/11/2025

আপনি "অঙ্গহানি প্রতিরোধ করি" বলে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। অঙ্গহানি বিভিন্ন কারণে হতে পারে এবং এর প্রতিরোধেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
​এটি প্রধানত কয়েকটি দিক থেকে দেখা যেতে পারে:

​১. 🛡️ শারীরিক অঙ্গহানি বা আঘাত প্রতিরোধ (যেমন দুর্ঘটনাজনিত):
​কর্মক্ষেত্রে: কাজের জায়গায় সুরক্ষা নির্দেশিকা মেনে চলা, ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম (PPE) ব্যবহার করা, এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত থাকা।
​রাস্তা ও বাড়িতে: ট্র্যাফিকের নিয়ম মেনে চলা, সাবধানে চলাচল করা, শিশুদের নিরাপদ স্থানে রাখা, এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সাবধানে ব্যবহার করা।
​চিকিৎসা সংক্রান্ত: রক্তনালীর ব্লক বা গুরুতর রোগের কারণে অঙ্গহানি হতে পারে। এই ক্ষেত্রে, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা এবং ডাক্তারের পরামর্শ মেনে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

​২. ⚖️ আইনগত ও সামাজিক সুরক্ষা (শিশুদের অঙ্গহানি):
​কিছু ক্ষেত্রে ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে শিশুদের অঙ্গহানি করা হয়, যা একটি গুরুতর অপরাধ।
​প্রতিরোধের উপায়:
​এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করা। (যেমন: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী কঠোর শাস্তির বিধান আছে)।
​শিশুদের পাচার ও শোষণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
​সহায়তার জন্য শিশু সহায়তা হেল্পলাইন (যেমন: বাংলাদেশে ১০৯৮) বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানো।

​৩. 🧠 মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্ম-ক্ষতি প্রতিরোধ (Self-Harm/Self-Mutilation):
​কিছু মানসিক স্বাস্থ্যগত কারণে ব্যক্তি নিজের শরীরে ক্ষতি করতে পারে।
​প্রতিরোধের উপায়:
​মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগলে পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের (থেরাপিস্ট বা সাইকিয়াট্রিস্ট) পরামর্শ নেওয়া।
​পরিবার ও বন্ধুদের সহানুভূতি ও সহযোগিতা প্রদান করা।
​প্রয়োজনে সংকটকালীন হেল্পলাইন বা হটলাইনে যোগাযোগ করা।

সিরিয়ালের জননো যোগাযোগ
01620997370📞📞

03/11/2025

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়! ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ের যত্ন নেওয়া অত্যাবশ্যক, কারণ অসতর্কতা গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
​ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ের যত্নে প্রতিদিন মনে রাখার মতো ৫টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস নিচে দেওয়া হলো:
​👣 ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ের যত্নে ৫টি টিপস

​১. প্রতিদিন পা পরীক্ষা করুন:
* প্রতিদিন একবার আপনার পা ভালোভাবে পরীক্ষা করুন। দেখতে অসুবিধা হলে আয়না ব্যবহার করুন অথবা পরিবারের কারও সাহায্য নিন।
* বিশেষ করে পায়ের তলা, আঙুলের ফাঁক, গোড়ালি এবং নখের আশেপাশে কোনো কাটা, ক্ষত, ফোসকা, লালচে ভাব, ফোলা, বা চামড়া ফাটা আছে কিনা দেখুন।
* ক্ষত বা কোনো পরিবর্তন নজরে এলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

​২. পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন:
* প্রতিদিন কুসুম গরম পানি ও হালকা সাবান দিয়ে পা পরিষ্কার করুন। কখনোই গরম পানি ব্যবহার করবেন না।
* পা ধোয়ার পরে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন, বিশেষ করে আঙুলের ফাঁকগুলো ভালোভাবে শুকনো রাখুন। আঙুলের ফাঁকে যেন ভেজা না থাকে, কারণ সেখানে ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে।

​৩. আর্দ্রতা বজায় রাখুন, আঙুলের ফাঁক বাদে:
* পা শুষ্ক লাগলে ময়েশ্চারাইজিং লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করুন।
* তবে, পায়ের আঙুলের ফাঁকে লোশন বা ক্রিম লাগানো থেকে বিরত থাকুন, কারণ এতে আর্দ্রতা জমে সংক্রমণ হতে পারে।

​৪. সঠিক জুতো ও মোজা ব্যবহার করুন, খালি পায়ে নয়:
* ঘরের ভেতরে বা বাইরে কখনোই খালি পায়ে হাঁটবেন না।
* সবসময় আরামদায়ক, ফিট এবং পর্যাপ্ত জায়গা আছে এমন জুতো (সাধারণত সামনের দিকটা চওড়া) পরিধান করুন।
* জুতা পরার আগে ভেতরে কোনো নুড়ি, পাথর বা ধারালো বস্তু আছে কিনা দেখে নিন।
* পরিষ্কার সুতির মোজা পরুন এবং প্রতিদিন মোজা পরিবর্তন করুন। শক্ত বা আঁটসাঁট মোজা পরা এড়িয়ে চলুন।

​৫. নখের যত্ন নিন এবং আঘাত এড়ান:
* নখ সাবধানে সোজাভাবে (স্কোয়ার আকৃতিতে) কাটুন, কোণা গোল করে কাটবেন না, এতে ভেতরের দিকে নখ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।
* নখ কাটতে অসুবিধা হলে বা পায়ে কড়া পড়লে (calluses) নিজে কিছু না করে একজন বিশেষজ্ঞের (পডিয়াট্রিস্ট) পরামর্শ নিন।
* পায়ে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করুন এবং এক পায়ের উপর অন্য পা তুলে বসবেন না।

সিরিয়ালের জননো যোগাযোগ
01620997370📞📞

03/11/2025

ডায়াবেটিক ফুট বা ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের সমস্যা হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:

​স্নায়ু ক্ষতি (নিউরোপ্যাথি):
​ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
​এর ফলে ব্যথা, তাপ বা ঠান্ডার অনুভূতি কমে যায়।
​রোগী আঘাত বা ক্ষত লাগলেও সহজে বুঝতে পারেন না, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তোলে।

​রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়া:
​ডায়াবেটিসের কারণে রক্তনালী সংকুচিত হয়ে যায়, ফলে পায়ে রক্ত চলাচল কমে যায়।
​কম রক্ত সঞ্চালনের কারণে ক্ষত শুকাতে বেশি সময় লাগে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।

​সংক্রমণের ঝুঁকি:
​রক্তে শর্করার উচ্চ মাত্রা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
​ক্ষত সহজে না সারার কারণে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পায়।

​পায়ের বিকৃতি:
​নিউরোপ্যাথির কারণে পায়ের আঙ্গুলের আকৃতি বিকৃত হতে পারে (যেমন: ডায়াবেটিক চারকোট ফুট), যা পায়ের নির্দিষ্ট কিছু অংশে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে এবং ঘা বা আলসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

সিরিয়ালের জননো যোগাযোগ
01620997370📞📞📞

03/11/2025

ব্রেস্ট ক্যান্সারের সম্ভাব্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ নিচে উল্লেখ করা হলো। এই লক্ষণগুলোর মধ্যে কোনো একটি বা একাধিক দেখা গেলে
অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত:

​স্তনে বা বগলে পিণ্ড বা চাকা: স্তনে বা বগলের নিচে একটি নতুন পিণ্ড বা শক্ত অংশ অনুভব করা, যা চারপাশের টিস্যু থেকে আলাদা মনে হয়। স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এটি একটি সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ। যদিও সব পিণ্ড ক্যান্সার নাও হতে পারে, তবুও পরীক্ষা করানো জরুরি।

​স্তনের আকার বা আকৃতির পরিবর্তন: স্তনের আকার, আকৃতি বা চেহারায় হঠাৎ কোনো পরিবর্তন দেখা যাওয়া।

​স্তনের ত্বকের পরিবর্তন:
​স্তনের ত্বকে টোল পড়া বা ডিম্পলিং হওয়া (কমলার খোসার মতো)।
​স্তনের ত্বকের লালচে হওয়া, ফুসকুড়ি বা আঁশ ওঠা।
​দীর্ঘস্থায়ী ঘা বা চুলকানি।

​স্তনবৃন্তের (Ni**le) পরিবর্তন:
​স্তনবৃন্ত ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া (যা আগে এমন ছিল না)।
​স্তনবৃন্ত থেকে অস্বাভাবিক স্রাব বা রক্তপাত হওয়া (গর্ভধারণ বা মাসিক ছাড়া)।
​স্তনবৃন্ত বা তার চারপাশের অংশে (Ar**la) লালচে ভাব বা ক্ষয় দেখা দেওয়া।

​স্তনে বা স্তনবৃন্তে ব্যথা:
স্তনে বা স্তনবৃন্তে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হওয়া।

সিরিয়ালের জননো যোগাযোগ
01620997370📞📞

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Islami Bank Hospital Motijheel
Dhaka