LL.B & Advocacy
জীবন হয়ে উঠুক ভালোবাসাময়
21/09/2022
উকিল বিষয়ক জোকস:
কলেজ ছাত্রদের এক গ্রুপ এক উকিল সাহেবকে জিজ্ঞেস করল, "স্যার, ওকালতি শব্দের অর্থ কী?"
উকিল সাহেব বললেন, "এজন্য একটা উদাহরণ দেই: ধর, দুজন লোক আমার কাছে এলো। একজন খুব সাফসুতরা অন্যজন বেজায় নোংরা। আমি ওদের দুজনকে পরামর্শ দিলাম গোসল করে সাফসুতরো হতে। এখন তোমরা বল, দুজনের মধ্যে কে গোসল করবে?"
এক ছাত্র বলল, "যে নোংরা সেই গোসল করবে।"
উকিল: "উঁহু, কেবল পরিষ্কার লোকটিই এমন করবে... কেননা তার গোসলের অভ্যাস আছে। নোংরা লোকটার তো সাফাই এর গুরুত্বই জানা নেই! এখন বল কে গোসল করবে?"
আরেক ছাত্র বলল, "পরিষ্কার লোকটি।"
উকিল: "না, নোংরা লোকটা গোসল করবে। কেন না তার সাফ-সাফাই দরকার। এখন বল দেখি কে গোসল করবে?"
দুজন ছাত্র একসাথে বলে উঠল, "যে নোংরা সে!"
উকিল: "না না, দু'জনেই গোসল করবে। সাফ লোকটার অভ্যাস গোসল করা আর নোংরা লোকটার প্রয়োজন গোসল করা। এখন বল কে গোসল করবে?"
তিন ছাত্র মিলে বলল, "জী, দুইজনেই করবে তাহলে।"
উকিল: "ভুল, কেউ করবে না। কেন না, নোংরা লোকটার তো গোসলের অভ্যাস নেই আর পরিষ্কার ব্যক্তির গোসল করার দরকার নেই। এখন বল, কে গোসল করবে?"
এক ছাত্র সবিনয়ে বলল, "স্যার, আপনি প্রত্যেক বার ভিন্ন ভিন্ন জবাব দিচ্ছেন আর আমাদের কাছে সব জবাবই ঠিক মনে হচ্ছে। সঠিক উত্তর আমরা কি করে বুঝব?"
উকিল: "বাস্ এটাই তো ওকালতি... বাস্তব কি এটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ হল তুমি নিজের বক্তব্য সঠিক প্রমাণ করার জন্য কতগুলো সম্ভাব্য যুক্তি উপস্থাপন করতে পারো সেটা।"
কি বুঝলে?
বোঝনি?
এটাই ওকালতি!
(পরিমার্জিত)
🌀জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনাঃ
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ একর
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা।
( লিখিত পরীক্ষার্থীদের জন্য )
ফৌজদারি মামলার ধাপসমূহ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা
★( ধাপ -1). মামলা দায়ের
ফৌজদারি মামলা দুইভাবে দায়ের করা যায়।
**এজাহারের মাধ্যমে।
**নালিশ এর মাধ্যমে।
# এজাহারের মাধ্যমে দায়েরকৃত মামলা
(পুলিশ অভিযোগ পেলে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।)
** প্রাথমিক সংবাদঃ
*ধার ১৫৪(GR cases)
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ পেলে সরকার নির্দেশিত বি পি ফম 27 এতে অন্তর্ভুক্ত করবে।
* ধারা ১৫৫( নন-জিআর)
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা 155 ধারায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ পেলে এজাহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করে সাধারণ ডায়েরি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতা কে ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট প্রেরণ করবে।
** আমলযোগ্য অপরাধের তদন্তঃ
*ধারা ১৫৬ অধীন পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি ছাড়া করতে পারবে।
*ধারা ১৫৭ অধীন পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত সন্দেহের ভিক্তিতে করতে পারবে যদিও এজাহার দায়ের না হয় যেমন কোন চিঠির মাধ্যমে সংবাদ পেলে।
** আমল অযোগ্য অপরাধের তদন্ত।
* ধারা ১৫৫(২) অধীন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে আমল অযোগ্য অপরাধ এর তদন্ত করতে পারবে।
** আদালতে প্রেরণ।
61 ধারার অধীন পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারকৃত কে 24 ঘন্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে
**সাক্ষী তলব
160 ধারার অধীন পুলিশ মামলার সাথে সম্পর্কিত সাক্ষীদের তলব করতে পারবেন।
**সাক্ষী পরীক্ষা
161 ধারার অধীন পুলিশ মামলার সাক্ষীদের মৌখিক ভাবে পরীক্ষা করে লিখিত আকারে তা লিপিবদ্ধ কবে
**তল্লাশি
165 ধারার অধীন পুলিশ তদন্তের সময় প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো স্থানে তল্লাশি করতে পারবে
** কেস ডায়েরী
172 ধারার অধীন পুলিশ প্রতিদিনের তদন্তের বিষয়ে এবং মামলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তদন্ত সকল বিষয় উত্ত ডায়েরিতে অন্তর্ভুক্ত করবে।
** পুলিশ রিপোর্ট
173 ধারার অধীন পুলিশ তদন্ত করে আদালতে রিপোর্ট জমা দিবে। যদি অপরাধের সত্যতা না পাওয়া যায় তাহলে ফাইনাল রিপোর্ট দিবে এবং যদি অপরাধ এর সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে চার্জশিট দিবে।
#নালিশি মামলা
( নালিশি পেলে ম্যাজিস্ট্রেট কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে)
**মামলা আমলে নিবে
*190 ধারা অধীন তিন ভাবে নালিশি মামলা ম্যাজিস্ট্রেট আমলে নিতে পারে
১.১৯০(১)ক অপরাধ সম্পর্কে নালিশ কারীর আবেদনে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিবে।
2.১৯০(১)খ পুলিশি রিপোর্ট এর মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিবে।
3.১৯০(১)গ অন্য কোনভাবে বা ম্যাজিস্ট্রেট এর নিজ জ্ঞান অপরাধ আমলে নিবে।
** জবানবন্দি গ্রহণ
যদি কোন নালিশ মৌখিক ভাবে করা হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট 200 ধারার অধীন শপথ পূর্ব অভিযোগকারী বা সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে।
** নালিশ ফেরত।
যদি এখতিয়ার বিহীন আদালতে নালিশ দায়ের করে তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট 201 ধারার অধীন নালিশ ফেরত দিবে এখতিয়ার সম্পূর্ণ আদালতে দাখিলের জন্য
** পরোয়ানা স্থগিত।
নালিশ আমলে নেওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি নালিশ এর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ করে তাহলে 202 ধারার অধীন পরোয়ানা স্থগিত করবে।
** অনুসন্ধান।
ম্যাজিস্ট্রেট 202 ধারার অধীন পরোয়ানা স্থগিত করে নালিশের সত্যতার নির্ধারণের জন্য অধীনস্থ ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশকে নির্দেশ দিতে পারে তদন্তের জন্য
** নালিশ খারিজ।
203 ধারার অধীন তিনটি কারনে নালিশ খারিজ হতে পারে।
ক নালিশ বিশ্বাসযোগ্য না হলে
খ 202 ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট বাদীপক্ষে আসলে
গ জবানবন্দি বিশ্বাসযোগ্য না হলে
**পরোয়ানা ইস্যু।
ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করে 204 ধারার অধীন পরোয়ানা এবং সমন ইস্যু করতে পারে কিন্তু প্রসেস ফি না দিলে নালিশ খারিজ করে দিবে
** বিচারের জন্য প্রেরন।
ম্যাজিস্ট্রেট যদি নালিশ আমলে নেওয়ার পর দেখতে পাই যে উক্ত অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার দায়রা আদালতের তখন ম্যাজিস্ট্রেট 205গ ধারার অধীন বিচারের জন্য দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন।
★( ধাপ-২) সমন >ধারা ৬৮ থেকে ৭৪
শর্ত
* আসামী দের বিরুদ্ধে আদালত স্বাক্ষরিত সমন ইস্যু করা হয়। যেখানে আদালতে
হাজির হবার জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ থাকে
* সমন প্রাপ্তি স্বীকার পূর্বক স্বাক্ষরিত হবে
*যার বরাবর সমন জারি করা হয়েছে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ব্যক্তির নিকট দেওয়া যাবে
*সমনে তলবকারি ব্যক্তি কে খুঁজে পাওয়া না বা সমন নিতে অস্বীকার করলে। বাড়ির সামনে অথবা প্রকাশ্য জায়গায় ঝুলিয়ে সমন জারী করা যাবে
★(ধাপ-৩) ওয়ারেন্ট >ধারা ৭৫ থেকে ৮৬<
শর্ত
* সমনে উল্লেখিত তারিখে আসামী হাজির না হলে আদালত তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন।
* আসামি গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত পরোয়ানা বলবত থাকবে
*এক বা একাধিক পুলিশ অফিসার ওয়ারেন্ট বলবত করবে
* পরোয়ানা মাধ্যমে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে উপস্থিত করতে হবে
★(ধাপ-৪) হুলিয়া জারি ধারা ৮৭
শর্ত
*কোন পলাতক আসামি কে নির্দিষ্ট কোন তারিখে নির্দিষ্ট স্থান হাজির হওয়ার জন্য 30 দিনে কম নয় এমন সময় দিয়ে বিচারক হুলিয়া জারি করবে
*হুলিয়া প্রকাশ্য স্থানে পড়ে শোনাবে বা হুলিয়া নকল টাঙ্গিয়ে দিবে
* হুলিয়া ঘোষণাকৃত আসামিকে বেসরকারি ব্যক্তি কর্তৃক গ্রেপ্তার করতে পারবে
★(ধাপ-৫) সম্পত্তি ক্রোক ধারা ৮৮
শর্ত
* হুলিয়া জারি করে আদালত যেকোনো সময় উক্ত ব্যক্তির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক আদেশ দিতে পারে
* ক্রোকৃত সম্পত্তি পচনশীল হলে তা বিক্রি করে দিতে পারবে
* ক্রোকৃত সম্পত্তিতে অন্য কোনো ব্যক্তির স্বার্থ থাকলে তা ৬ মাসের মধ্যে উত্থাপন করতে হবে
*উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ অগ্রহণীয় হলে তিনি ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে
* ৬ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ক্রোকৃত সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবে না
* ক্রোক হওয়ার দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে কৃত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য আবেদন করতে পারবে
* ক্রোক মুক্তির আবেদন অগ্রাহলে ধারা ৪০৫ অনুসারে আপিল দায়ের করা যায়
★(ধাপ-৬) পত্রিকা বিজ্ঞপ্তি : WP & A এতে উল্লেখিত তারিখে আসামীকে হাজির করা না গেলে বা আসামী পলাতক থাকলে এবং আদালত তার বিরুদ্ধে দুটি বহুল প্রচলিত বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের আদেশ দেন।
★(ধাপ-৭) অনুপস্থিতিতে বিচার ধারা - ৩৩৯খ : পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের পরও উল্লেখিত তারিখে আসামী হাজির না হলে বা আসামী পলাতক থাকলে তার অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু হয়। একে আইনের ভাষায় (Trial In Absentia) বলে।
৷৷৷৷ বিচার।।।।
★(ধাপ-৮) আসামি অব্যাহতি
*ধারা-২৪১(ক). ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পুলিশের রিপোর্ট এবং অপরাধ এর সত্যতা পাওয়া না গেলে চার্জ গঠনের পূর্বে আসামিকে অব্যাহতি দেবে
*ধারা-২৬৫(গ). দায়রা আদালত পুলিশের রিপোর্ট এবং অপরাধ এর সত্যতা পাওয়া না গেলে চার্জ গঠনের পূর্বে আসামিকে অব্যাহতি দেবে
★(ধাপ-৯)চার্জগঠন
*ধারা-২৪২. অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চার্জ গঠন করবে
* ধারা -২৬৫ঘ. অনুসারে দায়রা আদালত চার্জ গঠন করবে
★(ধাপ-১০)স্বীকারোক্তিমূলক দন্ড
*ধারা-২৪৩. অনুসারে আসামি দোষ স্বীকার করলে ম্যাজিস্ট্রেট দন্ড দিতে পারে
*ধারা-২৬৫(ঙ). অনুসারে আসামি দোষ স্বীকার করলে দায়রা আদালত দন্ড দিতে পারে
★(ধাপ-১১) সাক্ষ্যগ্রহণ
*ধারা-২৪৪. অনুসারে আসামী যদি দোষ স্বীকার না করে তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে বিচার শুরু করবে
**ধারা-২৬৫(চ)&২৬৫(ছ).অনুসারে আসামী যদি দোষ স্বীকার না করে তাহলে দায়রা আদালত সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণ করতে
★(ধাপ-১২)রায় প্রদান :
**ধারা-২৪৫. অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সাক্ষীদের সাক্ষ্য, নথিস্থ কাগজাত ও অনান্য পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিশ্লেষন করে আদালতের নিকট সন্দেহাতীত ভাবে আসামীদেরে বিরূদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুসারে শাস্তি প্রদান করেন কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত না হলে খালাস প্রদান করেন
**ধারা-২৬৫(জ)&২৬৫(ট) অনুসারে দায়রা আদালত সাক্ষীদের সাক্ষ্য, নথিস্থ কাগজাত ও অনান্য পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিশ্লেষন করে আদালতের নিকট সন্দেহাতীত ভাবে আসামীদেরে বিরূদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুসারে শাস্তি প্রদান করেন কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত না হলে খালাস প্রদান করেন
★(ধাপ-১৩) আপীল ধারা ৪০৪থেকে ৪৩১ : কোন পক্ষ আদালতের প্রদত্ত রায়ে সন্তুষ্ট না হলে এখতিয়ার সম্পন্ন উচ্চ আদালতে আপীল করতে পারেন।
★(ধাপ-১৪)রিভিশন
*ধারা-৪৩৯. অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগে ৬০ দিনের মধ্যে রিভিশন দায়ের করা যাবে
*ধারা ৪৩৯(ক) অনুসারে ৩০ দিনের মধ্যে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়রা করা যাবে।
*ধারা-৪৪২(ক) অনুসারে 90 দিনের মধ্যে রিভিশন নিষ্পত্তি করতে হবে
(Collected)
16/06/2022
বার কাউন্সিল পরীক্ষার সিট প্লান
30/05/2022
বার কাউন্সিল নির্বাচন ২০২২ এর ফলাফল
26/05/2022
(Bar Council MCQ পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট)
গতকাল বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে ১৪টি পদে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে সাধারণ পদে (দেশজুড়ে) সাতজন ও সাতটি অঞ্চলভিত্তিক আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্য থেকে একজন করে আরও সাতজন ৩ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ১৪ সদস্যের ভোটে নির্বাচিত হন বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান।
অ্যাটর্নি জেনারেল Ex- officio বা পদাধিকারবলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। চেয়ারম্যান সহ বার কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।
এবারের নির্বাচনে সাধারণ পদে ৩৫ জন ও অঞ্চলভিত্তিক সাতটি পদের বিপরীতে ২৩ জন প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে প্যানেল হিসেবে প্রার্থী দিয়েছে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ–সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ (সাদা প্যানেল হিসেবে পরিচিত) ও বিএনপি-সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল হিসেবে পরিচিত)।
এবার, ১৪ টি পদের মধ্যে সাদা প্যানেল থেকে ১০ জন বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ থেকে নির্বাচিত হয়। গতকাল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জেলা আদালত সমুহে বাংলাদেশের এটর্ণী জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের কর্তৃক নির্ধারিত জুডিসিয়াল অফিসারকে প্রিসাইডিং অফিসার করে বার কাউন্সিল নির্বাচন,২০২২ অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা বার এসোসিয়েশনের অধীনে প্রায় ১৫,৮৬৪ ভোটার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের গেজেটে রয়েছে। উল্লেখ্য বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য বৃন্দ প্রথমত জেলা বার এসোসিয়েশনের সদস্য। তাই সুপ্রিম কোর্টের আঙিনায় বার কাউন্সিলের ভোট কেন্দ্রের প্রয়োজন হয় নি। তাদের অধিকাংশই গতকাল নিজ উদ্যোগেই পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন।
এর আগে ২০১৮ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১৪টি পদের বিপরীতে ১২টিতে জয় পান বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ মনোনীত প্রার্থীরা। সাধারণ পদে একটি, অঞ্চলভিত্তিক পদে একটিসহ মোট দুটিতে জয় পান বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।
The election of the bar council conducted by the Attorney-General as Chairman of Bar Council with assigned Judicial Officers as directed by the Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs
বার কাউন্সিলে ৩ ধরনের সংগঠন থাকবে, এই কারণে একে যৌথ প্রতিষ্ঠান বলে ।
যথা:-
১) বার কাউন্সিল (সমগ্র বাংলাদেশে ১টি)
২) বার এসোসিয়েশন (সমগ্র বাংলাদেশে ৮১টি)
৩) বার কাউন্সিল ট্রইবুন্যাল বার কাউন্সিল ( ১ বা একাধিক গঠন করা যায় পূর্বে ৩টি বেশী গঠন করা যেত না)
বার কাউন্সিল ১৯৭২ সনের ১৭ই মে, সর্বপ্রথম প্রকাশিত বা প্রতিষ্ঠিত বা প্রণীত বা পাশ হয় ।
৪৬ নং প্রেসিডেন্ট অর্ডার বা অধ্যাদেশের মাধ্যমে পাশ হয় ।
বার কাউন্সিল কার্যকর হয় বা বলবৎ হয় ১৯৭১ সনের ২৬ শে মার্চ ।
বার কাউন্সিলে অনুচ্ছেদ ৪৬টি, বিধি আছে মোট ১০১টি ।
পেশাগত আচরন বিধি নিয়ে অধ্যায় আছে ৪টি ।
বার কাউন্সিল বা সংস্থার নির্বাচন হয় ৩ বছর পর পর । আর বার এসোসিয়েসন বা সমিতির নির্বাচন হয় ১ বছর পর পর ।
অনুচ্ছেদ ২(ক) : এ্যাডভোকেট :
যিনি বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত ব্যক্তি, তিনিই এ্যাডভোকেট ।
একজন এ্যাডভোকেট বাংলাদেশের সকল বিচারিক আদালত ও ট্রাইব্যুনাল – এ মামলা পরিচালনা করার ক্ষমতা রাখেন ।
– অনুচ্ছেদ ১৯ ।
অনুচ্ছেদ ২(কক) :
এ্যাটর্নি জেনারেল : এ্যাটর্নি জেনারেল ৩ ধরনের হবে –
১) ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল
২) এ্যাসিটেন্ট এ্যাটর্নি জেনারেল
৩) এ্যাটর্নি জেনারেল।
আগামী ২৯ শে মে অ্যাটর্ণী জেনারেল নির্বাচিত সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করবেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
