Fiza'smom vlog

Fiza'smom vlog

Share

As salamu alaikum myself Fiza's mom, it's my page,pls keep supporting me and bless me

28/05/2026

শেষ কবে তেঁতুল গাছ দেখেছেন ?

আমরা প্রতি বছর কুরবানির জন্য তেঁতুল কাঠের খাটিয়া কিনি, মাত্র একদিন ব্যবহার করি, তারপর অনেকেই ফেলে দিই।

অথচ একটা পূর্ণ বয়স্ক তেঁতুল গাছ হতে লাগে প্রায় ১৫–২০ বছর !

এ দেশে লাখো কোটি মুসলিম প্রতি বছর কুরবানি দেন। ফলে প্রতি বছর কাটা পড়ছে অসংখ্য তেঁতুল গাছ, এই একদিনের ব্যবহারের জন্য। তাই গ্রাম বাংলায় আজ পুরোনো বড় তেঁতুল গাছের দেখা পাওয়াটা বিরল।

আমরা যদি এ বছরের খাটিয়া ঠিকভাবে সংরক্ষণ করে অন্তত ৫/৭ বছর ব্যবহার করি, তাহলে এ গাছ নিধনের হার অনেকাংশে কমে যাবে।

সেই সঙ্গে লাখ টাকার কোরবানির পাশাপাশি আরও ৫০–১০০ টাকা যোগ করে অন্তত একটি তেঁতুল বা অন্য কোনো গাছ রোপণ করি।

#

27/05/2026

সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা। এই বিশেষ দিনটি আপনাদের জীবনকে আনন্দ, শান্তি এবং অগণিত আশীর্বাদে ভরিয়ে দিক। ঈদ মোবারক।

26/05/2026

আজ ফজরের নামাজ থেকে তাকবির পরা শুরু।

26/05/2026
26/05/2026

হত্যা করে গরু কুরবানী করছেন না তো ?
""একটি ছোট্ট ভুল এবং বাতিল হয়ে যাওয়া কুরবানী।""
♦সকল কুরবানী দাতাদের জন্য অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়।

১০-১৫ মিনিট সময় বাঁচাতে গিয়ে আমাদের করা, ছোট্ট একটি ভুলের কারনে সম্পূর্নরুপে বাতিল হয়ে যেতে পারে আমাদের অত্যন্ত যত্নের সাথে আদায়কৃত আল্লাহর মহান হুকুম কুরবানী।

★পশু জবেহ সম্পন্ন হবার পর, একটি ছোট তীক্ষ্ণ ছুড়ি দ্বারা জবেহের স্থানে খোঁচা দেয়ার একটা সিস্টেমের সাথে আমরা কমবেশি প্রায় সবাই পরিচিত, আমাদের অনেকেরই ধারনা এই কাজটার মাধ্যমে পশু দ্রুত মারা যায় এবং কষ্ট কম পায়।
এই ছোট্ট একটা ভুলই আমাদের কুরবানী বরবাদ করে দেবার জন্য যথেষ্ট।

★পশু জবেহ সহীহ হবার শর্ত হলো:-
পশুর অন্তত মূল তিনটি রগ কেটে দেয়া। আর মূল তিনটি রগ কেটে দিলে, রক্তক্ষরনের স্বাভাবিক ফলস্বরুপ পশুটি খুব দ্রুত মারা যায়।

★আমরা একটু অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে, পশুটার মেরুদন্ডের ভেতর তীক্ষ্ণ ছুড়ি ঢুকিয়ে "মেরুরজ্জু বা স্পাইনাল কর্ড" বিচ্ছিন্ন করে দ্রুত মেরে ফেলার চেষ্টা করি। স্পাইনাল কর্ড বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে পশুর মস্তিষ্ক, দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় আর এর ফলে পশুটি হার্ট এটাক করে এবং মারা যায়।
অনেক সময় এভাবে দ্রুত পশুটিকে শান্ত করতে গিয়ে, কুরবানীর উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং পশুটি জবেহ না হয়ে, হত্যা হিসেবে পরিগনিত হয়।

★চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও এই পন্থা অত্যন্ত গর্হিত এবং বিপদজনক। স্পাইনাল কর্ড কেঁটে গেলে পশুর দেহের মাংশপেশিতেই রক্ত জমাট বেঁধে যায় এবং ফলশ্রুতিতে গোশত দূষিত হয়ে পরে। এই গোশত ভক্ষনে ক্যান্সার, এইচবিএএস, সহ অন্তত ১৮ প্রকার জটিল রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

অতএব,
কুরবানী দাতা সকলের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে, ১০-১৫ মিনিট সময় বাঁচাতে গিয়ে, দয়া করে আপনার কুরবানী কে বরবাদ হয়ে যাবার সুযোগ দিবেন না।

পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে সতর্ক করুন।

25/05/2026

“আল্লাহুম্মা ফাক্কিহু ফিদ্দীন, ওয়া আল্লিমহুত্তা’ওয়ীল” — এটি মূলত রাসূলুল্লাহ ﷺ কর্তৃক আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর জন্য করা একটি দোয়ার অংশ।
অর্থ:
“হে আল্লাহ! তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করুন এবং (কুরআনের) ব্যাখ্যা-বুঝ দান করুন।”
আপনি যে “ওয়া আল্লি মুত্তাকিন” লিখেছেন, সম্ভবত তা “ওয়া আল্লিমহুত্তা’ওয়ীল” বা অনুরূপ কোনো উচ্চারণগত রূপ হতে পারে।
এই দোয়ার ফজিলত ও গুরুত্ব অত্যন্ত গভীর—
১. দ্বীনের গভীর জ্ঞান লাভের দোয়া
এ দোয়ায় আল্লাহর কাছে শুধু সাধারণ জ্ঞান নয়, বরং দ্বীনের গভীর উপলব্ধি (ফিকহ) চাওয়া হয়েছে।
রাসূল ﷺ যাদের জন্য এমন দোয়া করেছেন, তারা উম্মাহর জন্য জ্ঞানের বাতিঘর হয়েছেন।
২. কুরআন বোঝার তাওফিক
“তা’ওয়ীল” অর্থ ব্যাখ্যা ও গভীর অর্থ অনুধাবন।
অর্থাৎ শুধু তিলাওয়াত নয়, কুরআনের শিক্ষা বুঝে জীবনে বাস্তবায়নের শক্তি লাভ করা।
৩. জ্ঞান ও তাকওয়া একসাথে অর্জনের শিক্ষা
দ্বীনি জ্ঞান তখনই কল্যাণকর হয়, যখন তা তাকওয়া ও আমলের সাথে যুক্ত হয়।
এই দোয়ার মাধ্যমে একজন মানুষ আল্লাহভীরু, প্রজ্ঞাবান ও হিকমতসম্পন্ন হওয়ার কামনা করে।
৪. আলেম ও জ্ঞান অন্বেষীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দোয়া
ছাত্র, শিক্ষক, আলেম, খতিব কিংবা ইসলাম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী—সবার জন্য এ দোয়া খুবই উপকারী।
বিশেষ করে পড়াশোনা শুরু, কুরআন অধ্যয়ন বা দ্বীনি কাজের আগে পড়া উত্তম।
আরবি দোয়াটি
اللَّهُمَّ فَقِّهْهُ فِي الدِّينِ وَعَلِّمْهُ التَّأْوِيلَ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ফাক্কিহহু ফিদ্দীন, ওয়া আল্লিমহুত্তা’ওয়ীল।
সংক্ষিপ্ত ফজিলত
দ্বীনের সঠিক বুঝ লাভ
কুরআনের গভীর অর্থ অনুধাবন
হিকমত ও প্রজ্ঞা অর্জন
আমল ও তাকওয়া বৃদ্ধি
জ্ঞানকে মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করার তাওফিক
রাসূল ﷺ-এর এই দোয়ার বরকতেই আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) পরে “তারজুমানুল কুরআন” (কুরআনের ব্যাখ্যাকার) নামে পরিচিত

25/05/2026

জিলহজের ৯ তারিখ (আরাফার দিন) ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত তাকবির পড়া বাধ্যতামূলক. এই দিনগুলোকে 'আইয়ামে তাশরিক' বলা হয়.

প্রাপ্তবয়স্ক প্রত্যেক পুরুষ ও নারীর জন্য প্রতিটি ফরজ নামাজের পর অন্তত একবার এই তাকবির পড়া ওয়াজিব। জামাতে নামাজ পড়লে ইমাম-মুক্তাদি সবাই এবং একাকী নামাজ পড়লেও এই তাকবির আদায় করতে হয়।

اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلَٰهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
অর্থ: আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

25/05/2026

আরাফার দিন — দু'আর দিন, ক্ষমা লাভের দিন, রবের নিকটবর্তী হওয়ার দিন

আরাফার দিন বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনটি আবার আসতে প্রায় ৩৫৯/৩৬০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। তাই এই মহামূল্যবান দিনটিকে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়।

রাসূল ﷺ বলেছেন:

“আরাফার দিনের চেয়ে এমন কোনো দিন নেই, যেদিন আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে বেশি বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন।”
— সহিহ মুসলিম

এই দিন বেশি বেশি দোয়া করুন, ইস্তিগফার করুন, তাওবা করুন। চোখের পানি ফেলে আল্লাহর কাছে চান। চোখে পানি না এলে অন্তত ভাঙা হৃদয়ে, বিনয়ের সাথে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করুন।

🌷 আরাফার দিনের সর্বোত্তম দোয়া

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণ:
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া 'আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

অর্থ:
“আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই। সমস্ত রাজত্ব তাঁর, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।”

রাসূল ﷺ বলেছেন:

“আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবীগণ আরাফার দিনে যে দোয়া সবচেয়ে বেশি করেছি, তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো এই দোয়া।”
— জামে আত-তিরমিযি

এই দোয়াটি অর্থসহ মুখস্থ করে নিন এবং বারবার পড়ুন।

📖 কুরআনের নির্দেশ

আল্লাহ তাআলা বলেন:

ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ

“তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।”
— সূরা গাফির: ৬০

আল্লাহ তাআলা আরও বলেন:

“আমার বান্দারা যখন আমার সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞেস করে, তখন আমি তো নিকটেই আছি। আহ্বানকারী যখন আমাকে ডাকে, আমি তার ডাকে সাড়া দিই।”
— সূরা আল-বাকারাহ: ১৮৬

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address

Dhaka