publicvoice24.com

publicvoice24.com

Share

Media & Online News Portal

17/04/2026
17/04/2026

২২ হাজার টাকার জাল নোটসহ ঈশ্বরগঞ্জে যুবক আটক, নারী সহযোগী পলাতক

16/04/2026

দুটো জিনিস দেখার খুব শখ। যদি কোনদিন সম্ভব হয় তাহলে রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রে একটা ক্রেনে করে আনু মোহাম্মদকে ঝুলিয়ে রেখে জনগণের জন্য প্রদর্শন করা। দ্বিতীয়টি, পদ্মাসেতুর উপর একটা ক্রেনে ডক্টর ইনুসকে ঝুলিয়ে গুণে গুণে তিনবার চুবিয়ে উঠে ফেলা!

বিবিসি আজকে নিউজ করেছে ঢাকার বাইরে ৭ থেকে ১০ ঘন্টা রোজ বিদ্যুত থাকে না। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে মতিউর রহমান বা মাহফুজ আানামের দোকানগুলোর সাটার বন্ধ। কাওরান বাজারের উপ-সম্পাদকরা এখন নানা রকমের মিষ্টি নিয়ে পোস্ট দিচ্ছে। আনিসুল হক লোকটার জীবনে আর কি পাওয়ার এখনো বাকী আছে? দেশে বিদ্যুত, জ্বালানি, হাম নিয়ে দুর্যোগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে অথচ মিডিয়া পুরোপুরি ব্ল্যাক আউট!

জ্বালানির অভাবে ও মেশিন নষ্ট হওয়ার জন্য একের পর এক বিদ্যুত কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। এখন যাদের বয়স ১৭, তারা লোডশেডিং কি জিনিস জানতো না। বিশ্ব বাটপার ইনুসের দেড় বছরের চুরি দেশের এই সেক্টরগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। ইরান যুদ্ধ জ্বালানি সংকট এতে আরো ঘি ঢেলেছে। পারমানবিক বিদ্যুত হচ্ছে পৃথিবীর শেষ সমাধান। বাংলাদেশের মত দেশে তেল কিনে বিদ্যুত বানানো, বা বিদেশ থেকে বিদ্যুত কিনে চলা যে ভবিষ্যত নয় সেটি শেখ হাসিনা বুঝেছিলেন। আগামী ডিসেম্বরে সেই রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুত যোগ হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সেই কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এটি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে বিদ্যুতের অন্যতম নিশ্চিত যোগানের কেন্দ্র। বামপন্থীরা এই প্রকল্প বন্ধ করতে দিনের পর দিন আন্দোলনই করেনি, আনু মোহাম্মদ কলাম লিখে, সভা করে প্রচার চালিয়েছে রূপপুর ও রামপালের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুত কেন্দ্র বাংলাদেশের পরিবেশ ধ্বংস করে ফেলবে। রামপাল কেন্দ্র নাকি করা হয়েছে ভারতের স্বার্থ দেখার জন্য। এইসব বলে বলে এখন বাস্তবতা হচ্ছে রূপপুর হচ্ছে বাংলাদেশের বর্তমান সংকটে মেটানো ক্ষেত্রে একটি ভরসা। তাহলে এই বামদের কি করা উচিত? পশ্চিমবঙ্গের বামরা কম্পিউটারের বিরোধীতা করে বলেছিল এটি সাম্রাজ্যবাদীদের একটি ষড়যন্ত্র। আনু মোহাম্মদ ইনুসের আমলে আবারো রূপপুর ও রামপাল প্রকল্প বন্ধ করার জন্য ক্যাম্পেইন চালায়। বামদের একটি নাট্যদল তীরন্দাজ রেপার্টরি। জামাত শিবিরের যেমন গুপ্ত বুদ্ধিজীবী সংগঠন প্রতিষ্ঠান থাকে বামেদেরও থাকে। সুযোগ বুঝে সেই প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের বাম বলে স্বীকার করে না। যাই হোক, আনু মোহাম্মদকে নিয়ে তীরন্দাজ রেপার্টরির প্রধান দীপন সুমন একটি বিতর্ক আয়োজন করে থিয়েটার স্টাইলে। সেখানে দীপন সুমন যোগ্য স্বৈরাচার (শেখ হাসিনা) সমর্থক সেজে আনু মোহম্মদকে প্রশ্ন করে স্ক্রিপ্টটেড নাটক মঞ্চস্থ করে। যেখানে দীপন সুমন যুক্তিতে বেকায়দায় পড়ে যাবেন আনু মোহাম্মদের মার্কসবাদী রাষ্ট্রচিন্তার কাছে! সেই বাহাসের নাটকে শেখ হাসিনা সরকারের পদ্মা সেতু, ব্রিজ, রাস্তাঘাট বানানোর বিরোধীতা করা হয়। বিডি নিউজ ২৪ ডটকম থেকে সেই বাম বাহান নাটকের অংশ বিশেষ তুলে দিচ্ছি-

“তীরন্দাজ রেপার্টরি নামে একটি উদ্যোগে ‘বাকবিতণ্ডা’ শিরোনামে থিয়েট্রিক্যাল বাহাসের আয়োজন করে। ব্যতিক্রমী এই বাহাসের বিষয় ছিল 'যোগ্য স্বৈরাচারকে বিরোধিতার বদলে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা সুগম হয়'।

এই বিষয়ের পক্ষে বক্তব্য দেন নাট্যকর্মী দীপন সুমন। বিরোধিতা করেন আনু মুহাম্মদ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তেল-গ্যাস-খনিজ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।

দীপক সুমন বলেন, “আপনারা উন্নয়নবিরোধী, উন্নয়নের অগ্রযাত্রা দেখতে পান না।”

ঘরে ঘরে ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন পৌঁছে দেওয়ার মধ্যদিয়ে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে ডিজিটাল বাংলাদেশের যে উন্নয়ন যাত্রা হয়েছে, তার পক্ষে বলেন দীপক সুমন।

জবাবে আনু মুহাম্মদ বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশ ব্যাপারটাই তো ‘হাস্যকর’। পৃথিবীর সব দেশেই প্রযুক্তির উন্নয়ন হচ্ছে। যেসব দেশে প্রযুক্তির বিকাশ আরও বেশি হয়েছে, তারাও নিজেদের ডিজিটাল দেশ দাবি করে না।”

আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে অপরিকল্পিতভাবে সেতু, সড়ক নির্মাণ হয়েছে এবং অতিরিক্ত ব্যয় করার অভিযোগও করেন আনু মুহাম্মদ। বলেন, “"অনেক জায়গায় সেতু আছে, রাস্তা নাই। ভবন আছে, কিন্তু ভবনের কোনো কার্যকারিতা নাই। পদ্মা সেতু বা মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে করতে গিয়ে ‘অত্যধিক ব্যয়’ করা হয়েছে।”

নেত্রকোণায় ২০১৮ সালে করা শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০ কোটি টাকা খরচ হয়ে গেছে দাবি করে তিনি বলেন, “অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো কিছুই হয়নি।”

দেশে বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়নের উদাহরণ তুলে ধরেন দীপক সুমন। জবাবে আনু মুহাম্মদ দাবি করেন, বিদ্যুৎ খাতে যে পরিমাণ ‘লুটপাট’ হয়েছে, তা অকল্পনীয়।

‘স্বৈরাচারী কাঠামোর মধ্য দিয়েই’ উন্নয়ন হয় উল্লেখ করে দীপক সুমন বলেন, “অনেক সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তারা এখনও এমন একজন শাসক চান যিনি অনেক শক্তিশালী এবং সহজে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। অর্থাৎ তারা একজন ‘যোগ্য স্বৈরাচার’ চান।

আনু মুহাম্মদ বলেন, “এ কথা সত্য অনেক মানুষের এমন সরল চিন্তা রয়েছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরও অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গেছে। সেখানে যে ‘যোগ্য স্বৈরাচারীই এসেছে সে মানুষের বিরুদ্ধেই শেষ পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে।”

উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “জনপ্রিয়তার বিচার করলে শেখ মুজিবুর রহমানের কথা বলতে হয়। তার বিপুল জনপ্রিয়তা ছিল। তারপরও তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করার পর মানুষ তার পক্ষে পথে নামেনি। এরপর আরেক জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন। তাকেও মেরে ফেলা হয়। এরপর আসেন স্বৈরাচার এরশাদ। রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তাকে নামানো হয়।”
-বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

ডিসেম্বরে রূপপুরের বিদ্যুত জাতীয় গ্রিডে যোগ হলে সেই অনুষ্ঠানে আনু মোহাম্মদকে তো নিমন্ত্রণ করা উচিত, তাই না? সঙ্গে একটা ক্রেণ রাখতে হবে। জনগণ যেন বুঝতে পারে বামরা চিন্তাভাবনায় একশো বছর পিছিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশের ইসলামী মৌলবাদ ও বাম মৌলবাদ একটা সমস্যা- এটি জাতীয়ভাবে একদিন তুলে ধরা উচিত। আসবে কি সেই সুযোগ?

© সুষুপ্ত পাঠক

15/04/2026

কলঙ্কিনী নদী: অলৌকিকতার আড়ালে লুকানো সত্য

14/04/2026

বিস্তারিত কমেন্টে

14/04/2026

মিয়া সুলেমান, নিজস্ব প্রতিবেদক।

11/04/2026

নেত্রকোনার বারহাট্টার সিংগুয়ার বিলের ফসল রক্ষা বাঁধ উন্মুক্ত করেছেন নেত্রকোনা-২ আসনের এমপি ডাঃ আনোয়ারুল হক।
রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা;

বিস্তারিত কমেন্টে......

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address

Hatirpool
Dhaka
1000