Antara Zaman

Antara Zaman

Share

Dreamer..

14/05/2026

২০২৫-২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, বলিউডের সবচেয়ে ধনী ৬ জন অভিনেত্রীর তালিকা..

1. Juhi Chawla — প্রায় ₹৪,৬০০–₹৭,৭৯০ কোটি
অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যবসা, বিশেষ করে শেয়ারহোল্ডিং ও বিনিয়োগ থেকে তার বড় সম্পদ এসেছে।

2. Aishwarya Rai Bachchan — প্রায় ₹৮০০–₹৯০০ কোটি। সিনেমা, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এন্ডোর্সমেন্ট এবং ব্যক্তিগত বিনিয়োগ তার আয়ের মূল উৎস।

3. Priyanka Chopra Jonas — প্রায় ₹৮৫০ কোটি
বলিউড, হলিউড, প্রযোজনা এবং গ্লোবাল ব্র্যান্ড চুক্তি মিলিয়ে বিশাল সম্পদ গড়েছেন।

4. Deepika Padukone — প্রায় ₹৫০০ কোটি
চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক বিনিয়োগ থেকে আয়।

5. Kareena Kapoor Khan — প্রায় ₹৪৪০ কোটি
দীর্ঘ ক্যারিয়ার, OTT কাজ ও বিজ্ঞাপন তাকে তালিকার ওপরের দিকে রেখেছে।

6. Alia Bhatt — প্রায় ₹২৩০–₹৪০০ কোটি
অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের ব্র্যান্ড ও প্রযোজনা উদ্যোগ থেকে সম্পদ বেড়েছে।

14/05/2026

কানসে দাঁড়িয়ে থেকেও যদি পাপারাজ্জিদের চোখ না পড়ে, তখন ফ্যানদের জন্য ব্যাপারটা একটু হার্টব্রেকিংই বটে।

বলিউড এক্ট্রেস Alia Bhatt এর এটা সেকেন্ড কানস অ্যাপিয়ারেন্স হলেও এবার যেটা দেখা গেল, সেটা অনেকের কাছেই একটু অওকওয়ার্ড লাগছে। পাপারাজ্জি অ্যাটেনশন খুবই লিমিটেড, আর ক্রাউড রিঅ্যাকশনও নেই তাকে নিয়ে।

তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ফ্যান এটা নিয়ে কিছুটা ক্ষুব্ধ আর ইনসাল্ট ফিল করলেও, এটা আসলে কোনো অপমান না। এটা একটা ক্লিয়ার রিমাইন্ডার যে গ্লোবাল স্টেজে শুধু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির নাম থাকলেই হয় না, রিয়েল রিকগনিশন আর অরা নিজে থেকে তৈরি করতে হয়। Cannes এমন একটা জায়গা যেখানে হলিউড লেজেন্ড থেকে শুরু করে ওয়ার্ল্ড সিনেমার আইকনরা পর্যন্ত থাকে। সেখানে স্ট্রং গ্লোবাল অরা বিল্ড করতে সময় লাগে, কনসিস্টেন্ট ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্ক লাগে।

ফ্যানরা যেভাবে এক্সপেক্ট করে, বাস্তবটা সবসময় সেভাবে রেসপন্ড করে না। আর সেই গ্যাপটাই এখানে সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে। বলিউড স্টারদের নিয়ে ফ্যানিদের এক্সপেকটেশন একটু বেশি থাকে বলেই হয়তো ছোট ছোট মোমেন্টও অনলাইনে অওকওয়ার্ড লাগতে শুরু করে।

বাট এট দ্য এন্ড অব দ্য ডে, Alia এখনও গ্লোবাল স্টেজে কেবল নিজের জায়গা তৈরি করার জার্নিতে আছে। Cannes এর মত জায়গায় প্রোপার রেসপন্স পেতে আরও অনেক সময় লাগবে।

14/05/2026

ফেসবুক টুইটার ইন্সটাতে আলিয়া ভাটকে নিয়ে এই ধরনের আলোচনা ছড়াচ্ছে যারা তারা মূলত এশিয়ানরাই, অনেকে বলছে পাপ্পারাজিরা তাকে চেনেনাই, ডাকেনা ক্যামেরা তার দিকে নেই, ভাই রে ভাই সে একজন জাতীয় চলচিত্র পুরুষ্কার প্রাপ্ত তারকা, তার সাতটি ফিল্মফেয়ার আছে বাফটায় গেছে অতিথি হয়ে মেট গালায় গেছে দুইবার যারা এই ধরনের কথা ছড়ায় তারা মূলত কান ইভেন্টের ধারেকাছে যাবার সুযোগ পাবেনা আর আলিয়া তে গেছে স্টার হিসেবে, কাউকে অসম্মান করবেন না, আলিয়া কিন্তু বাজে অভিনেত্রী বা শোপিস তারকা নয় কারিনার মতো।

11/05/2026

- Proud Mother 🤍

11/05/2026

এই ড্রেস পড়ে ওয়াশরুমে যায় কেমনে?

11/05/2026

মহানায়ক মান্না'র সিনেমাগুলো ছিল সত্যিই অসাধারণ ও বৈচিত্র্যময়। সমাজের নানা বাস্তবতা, মানুষের সুখ-দুঃখ, অন্যায়-অবিচার এবং জীবনসংগ্রামের গল্প তাঁর প্রতিটি সিনেমায় অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।

মান্না’র প্রতিটি ছবি, প্রতিটি সংলাপ এবং প্রতিটি বার্তা বাস্তব জীবনের সঙ্গে যেন হুবহু মিলে যায়। তাঁর সিনেমা শুধু বিনোদনের জন্য ছিল না; বরং ছিল সমাজের বাস্তব চিত্রের এক শক্তিশালী প্রতিফলন।

আজ চারপাশে যা ঘটছে, তা দেখলেই বোঝা যায় মহানায়ক মান্না তাঁর সিনেমার মাধ্যমে অনেক আগেই এসব বাস্তবতা তুলে ধরেছিলেন। এ কারণেই তিনি শুধু একজন নায়ক নন, তিনি বাংলা সিনেমার ইতিহাসে এক অনন্য কিংবদন্তি। 🙏❤️

#মহানায়ক_মান্না #বাংলা_সিনেমা #নব্বইয়ের_সুপারস্টার
copy

11/05/2026

অনুরাগ বসুর সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা সবসময়ই আলাদা 🔥

বলিউডে এমন অনেক পরিচালক আছেন, যারা বড় গল্প বলেন। আবার এমনও কেউ কেউ আছেন, যারা ছোট ছোট মুহূর্ত দিয়ে মানুষের ভেতর ঢুকে যান। অনুরাগ বসু ঠিক দ্বিতীয় দলের মানুষ। তার সিনেমা দেখতে বসলে মনে হয়, কেউ যেন খুব ধীরে ধীরে একটা গল্প শোনাচ্ছে।

সেখানে জীবন আছে, বিষণ্নতা আছে, ভালোবাসা আছে, আবার অদ্ভুত এক জাদুও আছে। বাস্তব আর কল্পনার মাঝামাঝি কোথাও দাঁড়িয়ে তিনি সিনেমা বানান। আর সেই কারণেই অনুরাগ বসুর সিনেমা অন্যদের থেকে এত আলাদা লাগে।

তার কাজ নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রথমেই চোখে পড়ে ভিজ্যুয়াল সেন্স। প্রতিটা ফ্রেম যেন যত্ন করে আঁকা কোনো ছবি। এর পেছনে কারণও আছে। অনুরাগ বসুর বেড়ে ওঠা একটা থিয়েটার পরিবারে। ছোটবেলা থেকেই গল্প, মঞ্চ আর অভিনয়ের পরিবেশের মধ্যে ছিলেন। আর তার নিজের স্বপ্ন ছিল সিনেমাটোগ্রাফার হওয়ার।

সেই স্বপ্নটা হয়তো পুরোপুরি বদলে গেছে, কিন্তু ক্যামেরার প্রতি ভালোবাসাটা রয়ে গেছে প্রতিটা কাজে। তাই তার সিনেমা শুধু গল্প বলে না, দেখতেও সুন্দর লাগে। অনেক সময় মনে হয়, দৃশ্যগুলো শুধু পর্দায় চলছে না, বরং নি:শব্দে একটা অনুভূতিও তৈরি করছে।

অনুরাগ বসুর গল্প বলার ধরনটা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে ‘লাইফ ইন আ মেট্রো’ কিংবা ‘লুডু’-র মতো সিনেমায়। এতগুলো চরিত্র, সবার আলাদা জীবন, আলাদা কষ্ট, আলাদা সম্পর্ক— কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব গল্পই এসে একটা জায়গায় মিশে যায়। এই মাল্টিপল স্টোরিলাইন সামলানো খুব সহজ কাজ নয়। একটু এদিক-ওদিক হলেই গল্প ভেঙে যায়। কিন্তু অনুরাগ বসু সেই জটিলতাকে খুব সহজ করে ফেলেন। দর্শক কখন যে একটা চরিত্র থেকে আরেকটা চরিত্রের জীবনে ঢুকে পড়ে, সেটা টেরই পায় না।

তার সিনেমায় গানও খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। বলিউডে অনেক সিনেমায় গান থাকে শুধু বিরতির জন্য, কিন্তু অনুরাগ বসুর সিনেমায় গান গল্পের অংশ হয়ে ওঠে। চরিত্রের না বলা কথাগুলোও অনেক সময় গান বলে দেয়।

আবার উল্টোভাবে, ‘বারফি!’-র মতো সিনেমায় তিনি দেখিয়েছেন, কথা না বলেও কত কিছু বলা যায়। শুধু এক্সপ্রেশন, শরীরী ভাষা আর নীরবতা দিয়েও দর্শককে হাসানো যায়, কাঁদানো যায়। ‘বারফি!’ দেখার পর অনেকেরই মনে হয়েছিল, ভালোবাসা আসলে ভাষার চেয়ে অনেক বড় কিছু।

‘বারফি!’ অনুরাগ বসুর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে প্রিয় কাজগুলোর একটি হয়ে আছে বহু দর্শকের কাছে। রণবীর কাপুর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া আর পাহাড়ি শহরের সেই নরম আবহ— সব মিলিয়ে সিনেমাটা

Photos from Antara Zaman's post 11/05/2026

এই ড্রেসে প্রিয়াঙ্কাকে কি যে সুন্দরী লাগতেছে, অস্পরা বুঝি এমনই হয়, গতকালের গোল্ডগালা থেকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, এখানে তাকে বিশ্বতারকা হিসেবে গ্লোবাল ভ্যানগার্ড অনার সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বলিউডের সেই দেশি গার্ল এখন হলিউডের টপ তারকাদের একজন। সর্বশেষ দুটি হলিউড সিনেমা হেড অব স্টেড এবং ব্লাফ দুটি সিনেমাই ছিলো ব্যাবসা সফল ব্লকবাস্টার। বর্তমানে রাজামৌলির ভারানাসির জন্য আবার এন্টার্কটিকায় ব্যাক করেছে পিসি।

Photos from Antara Zaman's post 10/05/2026

লেটেস্ট gold gala থেকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, এখানে তাকে একমাত্র ভারতীয় তারকা হিসেবে Global vanguard honour সম্মান প্রদর্শন করা হবে ।

09/05/2026

ঝুঁকি নিতে না পারলে কিসের শিল্পী! 🔥

ঝুঁকি! সেটা কে না নেয়। মানবজীবন থেকে শুরু করে বলিউড পর্যন্তও ঝুকি নেন বিভিন্ন কাস্টিং ডিরেক্টররা। একেবারে আলাদা জনরার একজন অভিনেতাকে দিয়ে ভিন্ন ধরণের চরিত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়, যা কেউ ভাবতেই পারেনি। ঠিক তেমনি কয়েকটা ঝুঁকিপূর্ণ কাস্টিং নিয়ে বলবো।

বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তিত্ব হেলেন কেলার; যিনি একইসাথে অন্ধ, বধির ও বাকক্ষমতা হীন ছিলেন, তারই অটো-বায়োগ্রাফি ‘দ্য স্টোরি অফ মাই লাইফ’ এর হিন্দি অ্যাডাপ্টেশন এই সিনেমা ‘ব্ল্যাক’। ২০০৫ সালে মুক্তি পায়।

তখন অবশ্য রোমান্টিক চরিত্রের জন্য জনপ্রিয় ছিলেন রানী মুখার্জী। যেমন – চালতে চালতে, হাম তুম, বীর জারা। কিন্তু, হঠাৎ করে একজন অন্ধ, বধির আর বাকক্ষমতা হীন মেয়ের রোলে যে তিনি শতভাগ দিতে পারবেন তা কেও ভাবতেও পারে নি। কাস্টিং ডিরেক্টরের এই ঝুঁকিকে ‘টুপিখোলা সম্মান’ জানাতেই হয়।

বিশাল ভরদ্বাজের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা একটা ছবি। প্রতিটা কাস্টের শতভাগ পারফরমেন্স মুভিটাকে একটা ‘মাস্ট ওয়াচ’-এ পরিণত করেছে। মুভিতে ডাবল রোলে দেখা যায় শহীদ কাপুরকে। একটা চরিত্রের নাম ‘গুড্ডু’, আরেকটার ‘চার্লি’। সহজ সরল গুড্ডু’র ঠিক বিপরীতমূখী চরিত্র ছিল ‘চার্লি’র। চকলেট হিরোর তকমা ভেঙে শহীদ যে কাজটা করতে পারবেন সেটা কেই বা ভেবেছিল।

কোরিয়ান ‘আই স দ্য ডেভিল’-এর হিন্দি রিমেক ‘এক ভিলেন’। ঋতেশ দেশমুখকে একজন সাইকোটিক কিলার ‘রাকেশ মাহাটকার’-এর রোলে দেখা যায়। ঋতেশ সেই একজন মানুষ যাকে আমরা এতদিন কমেডি সিনেমায় দেখেছি, দুই-একবার দেখেছি রোমান্টিক চরিত্রেও। কিন্তু এই ধরনের সাইকোটিক রোলে যে ঋতেশ এত ভালো অভিনয় করার ক্ষমতা রাখেন তা হয়তো কেউ ভাবেই নি।

শেক্সপিয়রের উপন্যাস ‘ওথেলো’র হিন্দি অ্যাডাপ্টেশন ‘ওমকারা’। নেতিবাচক চরিত্র ‘ঈশ্বর লাংড়া ত্যাগী’র ভূমিকা নিয়ে ভাবলে হয়ত মনে অনেক অভিনেতার নাম আসতে পারে। কিন্তু সাইফ আলী খান এর নাম মনে হয় না কখনোই আসতো!

তিনি এতদিন ‘দিল চাহতা হ্যায়’, ‘কাল হো না হো’, ‘সালাম নামাস্তে’, ‘হামতুম’ এর মত মুভিতে চকোলেট হিরোর জন্য জনপ্রিয় ছিলেন। তাকে হঠাৎ করে নেগেটিভ রোলে নেওয়াটা আসলে অনেক ঝুকিপূর্ণ ছিল। আর তারপর মুভি রিলিজ হলে সাইফের অভিনয় সবার মন কেড়ে নেয়।

‘উড়তা পাঞ্জাব’ সিনেমাটির আগ পর্যন্ত আমরা আলিয়া ভাটের সৌন্দর্য্য নিয়ে অনেক আলোচনা চলতো। ‘টু স্টেটস’, ‘হাম্পটি শর্মা কি দুলহানিয়া’ এবং ‘হাইওয়ে’-তে তাঁর অভিনয়ও

08/05/2026

লিস্টে সবচেয়ে দূর্বল অভিনেত্রী কারিনা কাপুর।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Sherpur
Dhaka