Ladies Square
All kinds of ladies health, beauty, fashions & accessories Ladies-
1. Fashions
2. Wears
3. Cosmetics
4. Ornaments
5. Home appliances
6. Home decorators
7. Others etc.
Daily needs
8. Accessories
9.
26/02/2019
নীলক্ষেত থেকে নিউমার্কেট জায়গাটাতে যে বিষয়ে খুব সতর্ক থাকা জরুরি নীলক্ষেত থেকে নিউমার্কেট জায়গাটাতে যে বিষয়ে খুব সতর্ক থাকা জরুরি
04/10/2018
01/08/2017
সেলফি নামে নতুন এক রোগের আবির্ভাব :
-----------------------------------------------------------
সেলফি জ্বরে আক্রান্ত গোটা দুনিয়া। আর এই সেলফি নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাও কম নয়। প্রায় রোজই জন্ম নিচ্ছে কোনো না কোনো ঘটনা। এমনকি সেলফি তুলতে গিয়ে মুত্যুও হচ্ছে। ভাই তার ছোট বোনকে কবরে রেখে তুলছে সেলফি, ছেলে তার জন্মদাতা বাবার লাশ কাঁধে নিয়েও ইদানিং তোলা হচ্ছে সেলফি। দাদার মৃত্যুর পর মন খারাপ হওয়ার পরিবর্তে একগাল হেসে লাশের সঙ্গে তোলা হচ্ছে সেলফি। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে যে কত কি চোখে পড়ে!
কিছুদিন আগে এক ছেলে নিজের বাবার লাশ কাঁধে নিয়ে কবরের দিকে যাচ্ছেন। সেই ছবি ফেসবুকে আপলোড দিয়েছেন লাশ কাঁধে রেখেই। আর সেই ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন- ‘আমি এবং আমার কাঁধে বাবার লাশ, কবরের দিকে যাচ্ছি। সবাই দোয়া করবেন।’
গত রমজানেই দেখা গেল তারাবির নামাজে সেজদারত এক মেয়ের সেলফি। আপনিই ভাবুন কতটা সেলফি রোগে আক্রান্ত হলে বা অসুস্থ হলে এমন কাজ করা যায়!
কিছুদিন আগেই এক ছেলে তার মায়ের জন্য খোড়া কবরের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছে! হাসিমুখ। তার বন্ধুরা তখন কবর খুঁড়ছিলেন। তারাও তখন শোক ভুলে ক্যামেরার ফ্রেমে হাসি মুখে পোজ দিয়েছেন।
হজ্ব করতে গিয়ে কাবা ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলে আপলোড দিয়েছেন এক ব্যক্তি। আর ক্যাপশনে লিখেছেন- ‘it's imagine, I'm LOL’
নাতি তার দাদার লাশের সাথে নিচ্ছে সেলফি এবং ক্যাপশনে লিখছেন আমার দাদা এই মাত্র পরকালে চলে গেলেন! লাশের পাশে বসে কি সুন্দর করে হাসি মুখে সেলফি নিচ্ছেন!
সম্প্রতি ফেসবুকে এক ব্যক্তি ফেসবুকে তার মৃত বোনের কবর দেয়ার সময় তোলা সেলফি পোস্ট করে অনেক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। কবর দেয়া অবস্থা সবার সাথে সেলফি তুলে ফেসবুকে আপলোড দিয়ে আবার দোয়া চেয়েছেন নিজের বোনের জন্য।
গেল বছরের শেষদিকে মৃত ব্যক্তির সাথে সেলফি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে তিন কিশোর। ছবিতে দেখা যায়, মৃত নানা শুয়ে আছেন হাসপাতালের ট্রলিতে, তাকে ঘিরেই তার তিন নাতি সেলফি তুলছেন। সেই ছবি তারা আপলোড করে ফেসবুকে। ছবির ক্যাপশনে তারা লিখেছে, ‘যাকে নিয়ে এত মজা করতাম, যাকে ঘিরে ছিল আমাদের হাসিখুশি, যার সাথে কথা না বলে থাকতাম না; সে হল আমার নানা। তিনি আর নেই। চলে গেছেন না ফেরার দেশে। আমরা তোমায় ভুলবো না। Miss u so much Nana bhai.’
(সংগৃহীত)
13/05/2017
তিনি খোলা মেলা জানালেন তাকে যেভাবে ধর্ষণ করা হলো আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত
তিনি খোলা মেলা জানালেন তাকে যেভাবে ধর্ষণ করা হলো আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত
12/05/2017
আপনার মেয়ে শিশুকে রক্ষা করুন!
কিছু পদক্ষেপের তালিকা দেওয়া হলো আপনার শিশুকে শিক্ষা দিতে পারেনঃ
১. আপনার শিশুকে কারো কোলে বসতে দিবেন না।
২. সন্তানের বয়স দু’বছরের বেশী হলেই তার সামনে আর আপনি কাপড়চোপড় পাল্টাবেন না।
৩. প্রাপ্ত বয়স্ক কেউ আপনার শিশুকে উদ্দেশ্য করে বলছে: ‘আমার বৌ’, ‘আমার স্বামী’- এটা অ্যালাউ করবেন না।
৪. আপনার শিশু যখন বলছে সে খেলতে যাচ্ছে, কোন্ ধরণের খেলা সে খেলছে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন, উঠতি বয়সি বাচ্চাদের মধ্যে অ্যাবিউজিং প্রবণতা পাওয়া যাচ্ছে।
৫. স্বাচ্ছন্দবোধ করছে না এমন কারো সাথে কোথাও যেতে আপনার শিশুকে জোরাজুরি করবেন না। পাশাপাশি লক্ষ্য রাখুন, আপনার শিশু বিশেষ কোন প্রাপ্ত বয়স্কের ভক্ত হয়ে উঠেছে কিনা।
৬. দারুণ প্রাণচ্ছল কোন শিশু হঠাৎ নির্জিব হয়ে গেলে, তাকে প্রশ্ন করুণ। তার মনের অবস্থাটা পড়তে চেষ্টা করুণ।
৭. বয়:সন্ধি পেরোচ্ছে এমন বাচ্চাকে যৌনমূল্যবোধ সম্পর্কে শিক্ষা দিন। আপনি যদি এ কাজ না করেন, তবে সমাজ তাকে ভুল টা শিখিয়ে দেবে।
৮. কোন ছবি, কার্টুন ইত্যাদি বাচ্চাদের জন্য আনলে আগে তা নিজে দেখুন। কোন বই সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তবেই তা কোমলমতি সন্তানের হাতে দিন।
৯. আপনি নিশ্চিত হন যে আপনি প্যারেন্টাল কন্ট্রোল অপশন অ্যাক্টিভেট করে রেখেছেন কেবল নেটওয়ার্কে, বিশেষ করে সেই সমস্ত নেটওয়ার্কে যেখানে আপনার শিশু প্রায়শই ভিজিট করে।
১০. তিন বছর বয়স হয়েছে এমন সন্তানকে তাদের ব্যক্তিগত গোপন স্থানসমূহ কিভাবে পরিস্কারপরিচ্ছন্ন রাখতে হয় তা শেখান। সতর্ক করে দিন যেন সেসব এলাকা কেউ স্পর্শ করতে না পারে- নিষিদ্ধদের মধ্যে আপনিও আছেন (মনে রাখবেন চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম এ্যান্ড উইথ ইউ)।
১১. কালো তালিকাভুক্ত করুণ সেই সব বই, গান, মুভি, পরিবার বা ব্যক্তিকে- আপনি মনে করেন যে বা যা আপনার শিশুর মনের সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারে।
১২. আপনার শিশুকে ভিড়ের বাইরে গিয়ে দাড়ানোর মূল্যবোধ শেখান।
১৩. আপনার শিশু যদি কারো সম্পর্কে অভিযোগ করে তবে দয়া করে বিষয়টি নিয়ে মুখ বুজে থাকবেন না।
মনে রাখবেন আপনি হয় বাবা মা হবেন দু’দিন বাদে, যে কোন ব্যথা কিন্তু সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয়...
আপনার সচেতনতা আপনার পরিবারের নিরাপত্তা।
11/05/2017
PU Leather Bag
Made in China
Price: Tk. 2,350
Delivery Charges: Applicable
For Wholesale Inbox. MQ 12pcs per design
26/04/2017
আসুন সময় থাকতেই ভাল হই আর নতুন কিছু শিখি!!
দ্বিতীয় বাসর!
আজকে আমার বাসর রাত তবে এটি আমার প্রথম বাসর না এর আগেও আরেকটা বাসর আমার হয়েছে অর্থাৎ এটি আমার দ্বিতীয় বিয়ে। আমার বর্তমান স্বামীর ও এটি ২য় বিয়ে। তার আগের ঘরের দুইটা বাচ্চা আছে। ওদের বয়স ২ দুই আর ৪ বছর।
আমার বিয়ের ৬ বৎসরের মাথায় ডিভোর্স হয়ে যায় তখন আমার বাচ্চার বয়স চার বছর। এর পরে বাবার বাড়ি ছিলাম দুই বছর এখন আবার স্বামীর বাড়ি উঠলাম। বাসর ঘরটা সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। কোন কিছুর কমতি নেই।
আমার যখন প্রথম বিয়ে হয় তখন বাসর ঘরে বেসে চিন্তা করছিলাম আমার স্বামী মানুষটা ক্যামন হবে? আর আজকে চিন্তা করছি আমার সন্তানের কথা সময় বড়ই অদ্ভুত।
আমার প্রথম বিয়ের পরে সময়টা খুব আনন্দের ছিল ভাল সময় যাচ্ছিল। এর পরে এশা এলো আমার কোল জুড়ে। আনন্দ অনেক বেড়ে গেল। আমার মেয়ে কে নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন। দেখতে দেখতে এশার বয়স তিন বছর, ঠিক সেই সময় থেকে এশার বাবা বদলে যেতে শুরু করল। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম অফিসের আরেকটা মেয়ের প্রেমে পরেছে। এটি নিয়ে আমাদের মাঝে প্রতিদিন ঝগড়া চলত।
এক পর্যায় আমি ডিভোর্স চেয়ে বসলাম, এই ভাবে আর পারছিলাম না। এশার বাবা খুশি মনেই ডিভোর্স দিয়ে দিল। সমস্যা হল এশা কে নিয়ে। এশাকে কি করব?? আইন আদালতে গেলে হয়ত আমি এশাকে আনতে পারতাম কিন্তু আমার বাবার সেই আর্থিক অবস্থা ছিলনা যে তার ডিভোর্স প্রাপ্ত মেয়ে আর নাতনীকে পালবে।
অনেকটা নীরবেই এশাকে রেখে চলে আসলাম। একজন মা তার সন্তানকে রেখে একা থাকা যে কত কষ্টের সেটা কোন মা ছাড়া কেউ কোন দিন বুঝবে না। তাই আমি আর সে গুলো কাউকে বললাম না। শুধু এই টুকু বলি, এমন কোন রাত নেই যে এশার কথা ভেবে বালিশ ভেজাইনি। এই যেমন এখন বাসর ঘরে বসে ও মেয়েটার কথা ভাবছি।
মাঝে মাঝে এশার সাথে দেখা করতে যেতাম, ওরা সব সময় দেখা করতে দিত না। বাসার রাস্তার পাশে বসে কান্না করতাম রাস্তার মানুষ অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকত, অনেক জিজ্ঞেস করত কি হয়েছে কিছুই বলতে পারতাম না। এক দিন এক পুলিশ আমাকে কান্না করতে দেখে থানায় নিয়ে যায়। এর পরে তারা সব শুনে কয়েক জন পুলিশ পাঠিয়ে এশাকে এক দিনের জন্য এনে দেয় আমার কাছে। আর বলে দেয় আবার আসলে যেন সারাসরি থানায় চলে আসি তারা ব্যবস্থা করে দিবে। এর পরে কয়েকবার এশার সাথে এই ভাবে দেখা করি। একবার এশা বলে মা তুমি আর আমাকে দেখতে এস না তুমি দেখতে আসলে ওরা আমাকে মারে। এর পরে আর এশাকে দেখতে যাইনি।
এর পরে আমার এক অ্যান্টির মাধ্যমে এই লোকের সাথে আমার বিয়ে হয়। তার স্ত্রী এক এক্সিডেন্টে মারা গেছে। বিয়ে বলতে আসলে আমার মূল কাজ বাচ্চাদের দেখা শুনা কারা আর তার চাহিদা পূর্ণ করা। নয়ত দুই বাচ্চার বাপ আমার মত ডিভোর্সি মেয়ে কে তো প্রেম করার জন্য বিয়ে করবে না। বাবার দিকে তাকিয়ে সব মেনে নেই। এখন অপেক্ষা করছি নতুন স্বামীর জন্য।
বাসর রাতে আমার স্বামী শুধু একটা কথাই বলছে, "আমার সন্তাদের নিজের সন্তান মনে করবে আর আমার বাবা মাকে নিজের বাবা মা মনে করবে। আর আমাদের এইটা জয়েন্ট ফ্যামিলি, তাই সবার সাথে মিলে মিশে থাকবে।"
বিয়ের কয়েক মাস পরে বুঝতে পারলাম আমার স্বামী খুবিই কম কথা বলে। বিশেষ দরকার ছাড়া কোন কথা বলে না কিছু জিজ্ঞেস করলে হু হা বা মাথা ঝুলিয়ে উত্তর দেয়। তবে বাসার সবাই তাকে অসম্ভব ভয় পায় তার অনুমতি ছাড়া বাসার বাজার ও হয় না। এমন কি আমিও খুব ভয় পাই। আমার আগের স্বামীকে আমি 'তুমি' করে বলতাম আর তাকে 'আপনি' করে বলি।
তবে এই বাসার সবচেয়ে বেশি যেটা ভাল লেগেছে সেটা হল তারা কেউ আমার অতীত নিয়ে কোন ধরণের প্রশ্ন তুলে নাই। আমি এই বিষয়টা নিয়ে খুব আতংকে ছিলাম। লোকে যখন জিজ্ঞেস করবে আমার ডিভোর্স কেন হয়েছে আমি কি বলব? কিন্তু বাসার কেউ এই প্রশ্ন করেনি আমাকে।
একদিন শুধু আমার শাশুড়ী আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল তাঁকে সব খুলে বলছিলাম। এর পরে এটি নিয়ে আর কোন কথা হয়নি। ওর সন্তানদের আমি নিজের সন্তানের মতই আদর করি। ওরা আমাকে মা বলে ডাকে ওরা যতবার মা বলে ডাকে আমার ততবার এশার কথা মনে পড়ে। জানিনা এশা কেমন আছে?
দেখতে দেখতে আমার নতুন বিয়ের প্রথম বছর পার হয়ে গেল। আজকে আমার ২য় বিয়ের প্রথম বিবাহ বার্ষিকী। প্রথম বিয়ের সময় এই দিনটি নিয়ে অনেক এক্সাইটেড ছিলাম কিন্তু আজকে নেই। তবে সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে আমার স্বামী কে দেখলাম না। এরকম কোন সময় হয় না। সব সময় আমি ঘুম থেকে উঠে ওকে জাগাই। নাস্তার টেবিলেও ওকে দেখলাম না। এর ভিতরে আমার ননদ আমাকে প্রশ্ন করে বসল ভাবি ভাইয়া কোথায়? আমি বললাম জানি না তখন আমার শাশুড়ী জবাব দিল সে নাকি আমার জন্য গিফট আনতে গেছে।
আমি বেশ অবাক হলাম এই রকম একটা রাগি লোক আবার আমার জন্য গিফট আনবে? সারাদিন ওর অপেক্ষা করলাম -এল না ভীতরে ভীতরে কেমন অশান্তি লাগছে। ফোন দিলাম সেটাও ধরল না। ঠিক রাত ৮ টার দিকে ও আসল খালি হাতে। আমার ননদ বলল ভাইয়া ভাবির গিফট কোথায়? ও মুচকি হেসে বলল আছে আগে তোর ভাবিকে চোখ বন্ধ করতে বল। আমার অপেক্ষা না করে আমার ননদ আমার চোখ ধরল পিছন থেকে।
চোখ খোলার পরে যা দেখলাম তাতে মনে হয় আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলব। এটা কি করে সম্ভব আমার চোখের সামনে আমার মেয়ে এশা দাড়িয়ে আছে!!!!!!
আমি কথা বলতে পারছিলাম না আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ছিল শুধু। আমি আমার মেয়েকে জড়িয়ে ধরে রেখে শুধু কান্না করছিলাম। তখন আমার স্বামী তার বাচ্চাদের ডাক দিয়ে বলল, এ হচ্ছে এশা তোমাদের বড় আপু এখন থেকে তোমাদের সাথেই থাকবে। যাও এশাকে তার রুম দেখিয়ে দেও। বাচ্চারা এশার হাত ধরে খুশি মনে নিয়ে গেল।
আসল ঘটনা হল আমার স্বামী আমার শাশুড়ীর মুখ থেকে আমার আগের ঘরের সন্তানের সব কথা শুনে। তারা তখনই সিদ্ধান্ত নেয় এশাকে এখানে নিয়ে আসবে। পরে তারা এশার বাবার সাথে যোগাযোগ করে। এশার বাবা ও ব্যাপারটা বুঝতে পারে যে এশার নতুন মা মানে তার নতুন স্ত্রী এশাকে মেনে নিতে পারছে না। তাই তারা আর আপত্তি করে নি, কোন রকমে ঝামেলা বিদায় করতে পারলেই বাঁচে। তাই আমার বর্তমান স্বামী গিয়ে এশাকে নিয়ে এসে আমাকে চমকে দেয়।
আর এটি ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় উপহার। এই ফ্যামিলিতে এশাকে কেউ কোন দিন কোন কিছুতে বঞ্চিত করেনি। অন্য বাচ্চাদের মতই আদর করছে। আমিও কোন দিন আমার স্বামীর আগের ঘরের সন্তানদের কে পর মনে করিনি। নিজের সন্তান মনে করে পেলেছি। এর পরে আমার আরেকটা সন্তান হয় এই নিয়ে আমারা মোটামুটি সুখেই আছি।
তবে এশার আসল বাবা তার ভুল বুঝতে পেরেছে। তার নতুন স্ত্রী'র সাথেও সে সুখে নেই। শুনেছি ডিভোর্স হয়ে যেতে পারে। তবে এশার বাবা মাঝে মাঝে এশাকে দেখতে আসে। আমার বর্তমান স্বামী তাকে কোন দিন অসম্মান করেনি। খুবি সম্মান করে বাসায় বসিয়ে কথা বলছে এমন কি এশাকে এক দুই দিনের জন্য তার কাছে দিয়েছে তার কাছে রাখার জন্য। তবে কোন দিন আমার সাথে দেখা করতে দেয়নি।
তার একটাই কথা তুমি বর্তমানে আমার স্ত্রী তার না। আমিও আমার স্বামীর কথা মেনে নিয়েছি।
(সংগৃহিত)
লেখক- জাকির হোসাইন। লেখা-মৌচাকের ডিল।
বাসর বিষয় সম্পর্কীয় অক্টোবর মাসের, এই ঘটনা চট্টগ্রাম বন্দরটিলা নামক এলাকার।
আইটেম কালেকশনে কীভাবে অর্ডার করবেন?
১। প্রোডাক্ট পছন্দ করার জন্য শপ সেকশন দেখুন। আমাদের সব প্রোডাক্টেরই বিবরণ সেখানে দেয়া আছে।
শপ সেকশনের লিংক- https:
২। প্রোডাক্ট পছন্দ হওয়ার পর আমাদেরকে ইনবক্সে নক করতে হবে। প্রোডাক্টের নাম, কালার, মেজারমেন্ট (হাইট আর চেস্ট), ডিটেইল ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার দিতে হবে।
৩) যেকোন অর্ডারের ক্ষেত্রে ৫১০ টাকা বিকাশ করলে অর্ডার কনফার্ম হবে, বিকাশ না করলে অর্ডার কনফার্ম হবেনা। ভরসা করে এডভান্স না করতে পারলে অর্ডার করার প্রয়োজন নেই।
৪) আমরা প্রি অর্ডার বেইজ আবায়া রেডি করে থাকি। তাই যেদিন অর্ডার কনফার্ম করবেন সেদিন থেকে আবায়া রেডি করতে ২-৩ সপ্তাহ লাগবে, খিমার বা অন্যান্য রেডিমেড প্রোডাক্টগুলো স্টকে থাকলে আরো আগে ডেলিভারি দেয়া হয়।
৫) ঢাকায় ক্যাশ অন ডেলিভারি প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। তাই ঢাকাবাসীরা বাকী টাকা ক্যাশ অনে দিবেন। ঢাকার বাইরে ক্যাশ অন ডেলিভারি সার্ভিস চালু নেই। তাই ঢাকার বাইরে থেকে যারা অর্ডার করবেন তাদেরকে পুরো টাকাই এডভান্স করতে হবে বিকাশে বা ব্যাংক একাউন্টে। ঢাকার মধ্যে ডেলিভারি চার্জ ৮০ টাকা।
ঢাকার বাইরে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ডেলিভারি দেয়া হয়, চার্জ ১০০ টাকা।
৬) আমাদের প্রাইস ফিক্সড, তাই দামাদামি করে আমাদের বিব্রত না করার অনুরোধ।
৭) আপনাদের দেয়া মেজারমেন্ট অনুযায়ীই আমরা প্রোডাক্ট রেডি করব, তাই প্রোডাক্ট এক্সচেঞ্জ বা রিটার্ন অপশন নেই। শুধুমাত্র ছেঁড়াফুটো থাকলেই তা পরিবর্তন করে দেয়া হবে।
৮) আমাদের পন্যগুলো আমরা নিজেরাই দক্ষ কারিগর দ্বারা প্রস্তুত করে থাকি। তাই বাজারের দাম, প্রোডাক্ট কোয়ালিটির সাথে আমাদের দাম, প্রোডাক্ট কোয়ালিটির তুলনা করতে যাওয়া একটি বড় ভুল।
আমরা প্রাউডলিই বলে থাকি আমাদের প্রোডাক্ট Made in Bangladesh :) বাইরের দেশগুলোতেও আমরা বোনদের প্রোডাক্ট সাপ্লাই দিয়ে থাকি আলহামদুলিল্লাহ।
৮) এটি একটি অনলাইন বেইজড শপ। আমাদের কোন শোরুম নেই। তাই প্রোডাক্ট ধরে, নেড়েচেড়ে দেখার সুযোগ নেই। যদি অর্ডার করেন অনলাইনের ছবি দেখেই অর্ডার করতে হবে। বলে রাখা ভাল আমাদের প্রায় সকল ছবিই নিজেদের তোলা। তাই এখানে ফেইক পিক বলে কিছু নেই। সকল পিকই এখানে রিয়েল :)
৯) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানেরই নিজস্ব কিছু নীতিমালা থাকে। তাই সবাইকে এক পাল্লায় মাপতে আসা ঠিক নয়।
আমাদের প্রোডাক্ট কোয়ালিটি, সার্ভিস, সবকিছু কাস্টমারদের মুখ থেকে জানতে ভিজিট করুন রিভিউ সেকশনে, লিংক- https:/
পুরোপুরি নির্ভরযোগ্য মনে হলেই অর্ডার করুন।
কেন এডভান্স করতে হবে? "x", "y", "z" পেইজে তো এডভান্স নেয়না, আপনারা কেন এডভান্স নিচ্ছেন?
এসব প্রশ্ন আমাদের না করাই ভাল। আমাদের স্বতন্ত্রতা নিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে চাই ইন শা আল্লাহ।
ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য জাযাকুমুল্লাহ খাইরান। শুরু থেকেই ক্লায়েন্টদের সহযোগিতা আর ইন্সপিরেশন আমাদের সাথে ছিল। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালার পক্ষ থেকে বারাকাহ, আপনাদের সহযোগিতা, উৎসাহ প্রদানের জন্যই আজ আন-নিসাস কালেকশন এই অবস্থানে। আমাদের জন্য দু'আ করবেন। জাযাকুমুল্লাহ খাইরান আমাদের সাথে থাকার জন্য।
আসসালামু আলাইকুম।
09/03/2017
ফ্রিজে রাখা মাছের স্বাদ ফেরাবেন যেভাবে!
যারা মাসের বাজার একবারে করেন তাদের অনেক সময়ই ডীপ ফ্রিজে কাঁচা মাছ রাখতে হয়। যার ফলাফল কিছুদিন ফ্রিজে মাছ রেখে দিলেই মাছের স্বাদ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। খেতে শুকনো লাগে এবং গন্ধ বেশি লাগে। বেশীদিন রেখে দিলে মাছ খাওয়াই যায় না, ফেলে দিতে হয়। কিন্তু এই সমস্যার রয়েছে খুবই সহজ ছোট্ট একটি সমাধান। আপনি চাইলেই মাছের তাজা ভাব ফিরিয়ে আনতে পারেন খুব সহজে। জানতে চান কীভাবে?
মাছের তাজা স্বাদ পুনরায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে দুধ। প্রথমে ফ্রিজ থেকে মাছ বের করে ঠাণ্ডা ছাড়িয়ে নিন।
এরপর মাছের পিসগুলো একটি বড় বাটিতে দুধ মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন প্রায় ৩০ মিনিট। তারপর স্বাভাবিক ভাবে ধুয়ে রান্না করুন।
দেখবেন মাছের তাজা স্বাদ ফিরে এসেছে এবং আঁশটে গন্ধও নেই একেবারেই।
16/02/2017
স্ত্রীর কারনে হার্ট অ্যাটাক বেশি হয় পুরুষদের আজকের কম্পিটিশনের দুনিয়ায় স্ট্রেস একটি দৈনন্দিন সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর তাই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সমস্যাও ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বাড়ছে মৃত্যুর ঝুঁকিও। আর এই স্ট্রেসকে দূরে সরিয়ে রাখতে বিজ্ঞানীরা এবার নতুন এক উপায় বের করেছেন। তবে, তা বেশিভাবে প্রজোয্য পুরুষদের ক্ষেত্রেই। তাঁদের এই নতুন পন্থা ইতিমধ্...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
3000
