Bangladesh71

Bangladesh71

Share

সর্বক্ষেত্রে পার্বত্য বাঙ্গালী মুসলিমদের সমধিকার দিতে হবে।

06/04/2024

পড়ার অনুরোধ করছি পার্বত্য চট্টগ্রাম কে নিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রেক্ষাপট ও সমাধানের আহবান।
পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ফেইসবুক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও পত্রিকায় সহ টিভি মিডিয়ার মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা বলে আসছিলাম। কিন্ত কোন সরকারই টেকসই স্থায়ী সমস্যা সমাধানের পথ না খুজে সাময়িক শান্ত রাখার জন্য বিভিন্ন ব্যাক্তি ও সংস্থাকে কাজে লাগিয়ে নামে মাত্র কিছু কাজ করেছেন। আসলে মুঘলদের শাসন আমলে ধর্মীয় মতবাদের কারণে তৎকালীন প্রভাবশালী দেশ বার্মা থেকে চাকমা ও বার্মিজ মগ ও আরো ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠী কিছু অংশ পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রবেশ করে।মুগল সরকার চট্টগ্রামে তাদের বসবাসের অনুমতি দেন। পরক্ষনে তারা আস্তে আস্তে সমস্ত জনগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রাম চলে আসে। বৌদ্ধ ধর্ম থেরাবাদ মতবাদী সবাই এক হওয়া তারা ধর্মকে ব্যাবহার করে এক হয়ে বসবাস করতে থাকে। মুঘল সরকার পরিবর্তন হলে তারা ইংরেজদের মানতে না পেরে সংঘবদ্ধ বিভিন্ন বাহিনী গড়ে তোলে এবং তারা পাশ্ববর্তী ভারতের ও বার্মায় তাদের জাত ভাইদের সহায়তা চান তারা অস্ত্র গোলাবারুদ দিয়ে সহায়তা করেন। ইংরেজ সরকারকে কর সহ যাবতীয় সব কিছু বন্ধ করে দেন। তখন ইংরেজ সরকার তাদের সাথে চুক্তি সহ নানা বিধিমালা করে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টায় করেন। ১৯৩৭ সালে ভারত সংবিধানে কোন জাতি বা উপজাতির কথা উল্লেখ না করে বিশেষ অঞ্চল উল্লেখ করেন। পাকিস্তান সরকার এসে পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জাতি গোষ্ঠীর বর্ননা দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামকে উপজাতি অঞ্চল উল্লেখ করে ১৯৫৬ সালে সংবিধান প্রনয়ন করেন। এত চাকমা ত্রিপুরা মগ সহ সকলে জাতি গোষ্ঠী খুশি হন।১৯৬১ সালে কাপ্তাই নদীতে বাধ দিয়ে ড্যাম সৃষ্টি করার ফলে তৎকালীন ১৩ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হন। পাকিস্তান সরকার তাদের ক্ষতিপুরুন ও পুর্নবাসন করেন। বেশির ভাগ খাগড়াছড়ি বিভিন্ন উপজেলা তৎকালীন রামগড় মহকুমা তাদের কে পুর্ণবাসিত করেন। বেশির ভাগই চাকমা পরিবার ডিবি নামে উপজাতিরা ক্ষতিগ্রস্ত হন।১৯৬৫ সালের শেষের দিকে মানবেন্দ্র লারমা সহ কয়েকজন মিলে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের কে একত্রিত ও সংগঠিত করে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ গঠন করেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মানবেন্দ্র লারমা নির্বাচন করেন এবং বিজয়ী হন। ১৯৭১ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি সার্কেল এর প্রধান চাকমা রাঙ্গামাটি পাকিস্তানের পক্ষে থাকেন সরকারকে সহায়তা করেন। খাগড়াছড়ি সার্কেল ভারতের পক্ষে থাকেন। বান্দরবানের সার্কেল বার্মার পক্ষে থাকেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ১ নং সার্কেলের অধিনে তিন পার্বত্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে চাকমা পাকিস্তানের পক্ষে থাকলেও অনেকে লুকিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ত্রিপুরা রাজ্য সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলেন। মগ ও বান্দারবানের বার্মার পক্ষে থেকে নিরপেক্ষ ভুমিকা পালন করেছেন। ১৯৭১ সালে এডভোকেট মানবেন্দ্র লারমা ও অন্যন্য যারা ছিলেন তারা পাকিস্তান থেকে প্রাপ্ত অস্ত্র গোলাবারুদ জমা না দিয়ে নিজেদের কাছে রেখে দেন। তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার প্রধান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুরের নিকট ৫ দফা দাবি উপস্থাপন করেন। জাতির জনক তাদের পরামর্শ দিয়ে তা বাতিল করে দেন। তারা রাঙ্গামাটি ফিরে গিয়ে উপজাতি সবাই কে সংগঠিত করেন। ১৯৭৩ সালে জনসংহতি সমতির অধিনে শান্তিবাহিনী নাম দিয়ে একটি সস্ত্রবাহিনী গড়ে তোলেন।১৯৭৫ সালে মানবেন্দ্র লারমা বাকশালের রাঙ্গামাটি জেলা সদস্য হন।১৯৭৫ সালের পরে তারা আরো জোরালো ভুমিকা রাখেন।১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সংবিধানে উপজাতি অঞ্চল বিলুপ্ত করে এক বাংলাদেশ এক ভাষা একজাতি বাঙ্গালী জাতি এইসব কারণে উপজাতিরা সংক্ষুব্ধ হয়ে ভারতের ৭ টি অঙ্গরাজ্যের বিচ্ছিন্নবাদীদের সাথে যোগাযোগ করে সসস্ত্র আক্রমন করে আলাদা রাজ্য করার জন্য স্থানীয় মানুষদের অপহরণ চাদা হত্যা লুন্ঠন করতে শুরু করলেন। ১৯৪৫ সালে ইংরেজ সরকার ১৯০০ সালের বিধি পরিবর্তন ও ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার বিধি পরিবর্তন করে সেখানে কিছু বাঙ্গালী মুসলিম পরিবারকে বসবাসের অনুমতি দেন। এছাড়াও কয়েক হাজার পরিবার নোয়াখালী কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বসবাসের জন্য যান।তারই ধারাহিকতা ১৯৭৯ ও ৮০ সালে তৎকালীন সরকার প্রায় ৫৬ হাজার পরিবার কে পুর্নবার্সন করেন। যার ফলে শান্তিবাহিনী তাদের আচরণ পরিবর্তন করে হত্যা ও লুন্ঠন শুরু করেন। ১৯৮৪ সালে প্রায় তিন জেলা ২৬ হাজার উপজাতি সেনাবাহিনীর অত্যাচার ও নির্যাতন করছেন এবং তাদের বাড়ি ঘরের জায়গা দখল করছেন বলে তারা রাতের অন্ধকারে ভারতে পালিয়ে যান।তৎকালীন সরকার তাদেরকে ভারত ফেরত এনে তাদের ভিবিন্ন সরকারি সুযোগ সুবিধা দিয়ে শান্তরাখার চেষ্টায় করেন। কিন্তু শান্তিবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ না করে তাদের সাথে সমঝোতা করতে থাকেন এবং সরকারি কোষাগার থেকে অর্থের সহায়তা করেন।১৯৮৯ সালে তৎকালীন সরকার ভারতে সহায়তা শান্তিবাহীর একটি অংশকে এনে স্থানিয় সরকার আইন পাস করে নির্বাচনের মাধ্যমে তিনজেলা তিনটি স্থানীয় সরকার গঠন করেন।সেখানে তিন জেলা তিনটি উপজাতিকে প্রাধান্য দিয়ে গঠন করা হয়। যেমন ত্রিপুরা খাগড়াছড়ি চেয়াম্যান হবেন ত্রিপুরা, রাঙ্গামাটি চেয়ারম্যান হবেন চাকমা, বান্দকবান মগ এবং ২১ সদস্য নির্বাচন মাধ্যমে হয়েছে।১৯৮৯ সালের পরে প্রায় ৩০ বছর কোন নির্বাচন হচ্ছে না। শান্তিবাহিনী বড় একটি অংশ তারা বিরোধীতা করতে থাকেন এবং হত্যা অপহরণ সহ নানা সন্ত্রার্সী কর্মকান্ড করতে থাকেন। ১৯৯৩ সালে বিএনপি সরকার এদের সাথে আলোচনা করার জন্য কর্ণেল অলি আহম্মেদ এর নেতৃত্বে ৫ সদস্য কমিটি করেন। সেই কমিটি তাদের সাথে শান্তির পক্ষে নানা ধরনের সুবিধা দিয়ে যুদ্ধ ো গোলযোগ বন্ধ রাখার জন্য প্রক্রিয়া করতে থাকেন। ১৯৯৬ সালে সরকার পরিবর্তন হলে তৎকালীন সরকার ১৯৯৭ সালের ২ রা ডিসেম্বর একটি চুক্তি করেন। ১৯০০ সালে৷ বিধিতে বাঙ্গালী মুসলিমদে অপাহাড়ী আর এই চুক্তিতে অউপজাতি নাম দিয়ে সংবিধানের সাথে অনেক ধারার সাংঘর্ষিক রেখে চুক্তি সম্পুন্ন করেন। চুক্তির পর শান্তিবাহীনির প্রধান সন্তু লারমাকে আঞ্চলিক পরিষদ নাম দিয়ে তার চেয়ারম্যান করা হয়। যা হাইকোর্ট কতৃক অবৈধ হয়ে আছে। আপিল করছে সরকার।এরপর পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রনালয় গঠন করা হয়েছে তিনজেলা পরিষদ ও পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ড নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন।বান্দরবান জেলা মগ ছাড়াও আরও বম সহ আরো কয়েকটি জাতি গোষ্ঠী আছেন।আজকের লাথাম মম এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থাকায় কালীন ২০১০-১২ সালে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ এর সভাপতি চিলেন মানবেন্দ্র লারমার প্রতিকৃতি লাথান তৈরী করেন।সন্তু লারমার একান্তবাধ্যগত একজন কর্মী হয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে জাতিসংঘের অধিনস্ত কয়েকটি এনজিও আছেন যারা উপজাতিদের কৃষ্টিকালচার ধরে রাখার নাম করে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে আন্তর্জাতিক দাতা গোষ্ঠী থেকে। সেই দাতা গোষ্ঠীর একটি এনজিও মালিক ছিলেন লাথান। আমরা তাদের সম্পর্কে রাষ্ট্রকে জানোর পরও কোন কর্নপাত করেনি। পার্বত্য চট্টগ্রাম সকল উপজাতি সংগঠনগুলো ভারতে মিজোরাম গিয়ে একত্রিত হন। তাদের সকল অপকর্ম শেয়ার করেন। আর বিদেশি এনজিও গুলি নিয়ন্ত্রণ করেন সাবেক সচিব সাবেক সেনাকর্তা সহ মানবিক কিছু মানুষ। উপজাতিদের কৃষ্টিকালচাকে টিকানে নাম করে উপজাতি মেয়ে রঙ্গ নাচ উপভোগ করাই তাদের কাজ আর উপজাতি যুবকদের তাদের অধিকার আদায় করার নাম করে এদের হাতে অস্ত্রের যোগান দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক দাতা গোষ্ঠী ও জাতিসংঘের পিছিয়ে পরার জনগোষ্ঠীর জন্য ভিবিন্ন খাত থেকে অর্থ সংগ্রহ করে দেওয়ায় তাদের মুল কাজ।১৯৮৬ সালে পাহাড়ি ভিডিপি নাম দিয়ে সেনাবাহিনী তাদের ট্রেনিং দিয়ে গাদাবন্দুক দেন। তাদের সাহসের কারনে পার্বত্য অঞ্চলে হত্যার লুন্ঠন বন্ধ হয়েছিল। কিন্তু ২০০২ সালে তা বন্ধ করে দেন। তার পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঙ্গালী মুসলিমদের নিয়ে ১৯৭৯ সাল থেকে বিভিন্ন নাম দিয়ে সংগঠন গড়ে উঠে কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রশাসন কোন সংগঠন শক্তিশালী হওয়ার আগে আরেক সংগঠন করে তাদের আশ্রয় প্রশয় দেন। যার ফলে পার্বত্য চট্টগ্রাম কোন শক্তিশালী সংগঠন গড়ে উঠছে না। আবার যারা জাতীয় দল করেন তারাও চাননা। সেখানে কোন আঞ্চলিক সংগঠন শক্তিশালী হোক।তাই পার্বত্য চট্টগ্রাম সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী ঐক্য পরিষদ হয়ে রাষ্ট্রকে পাহাড়ের সমস্যা সমাধানে ভিবিন্ন পরামর্শ মুলক দাবি উপস্থাপন করছি।যা কিছু বান্তবায়ন করছে রাষ্ট্র। পার্বত্য চট্টগ্রাম কে রক্ষা করতে হলে অবশ্য দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যমত হতে হবে। উপজাতি ছেলে মেয়ে দেশপ্রেম বাড়াতে কাজ করতে হবে। তারা যেন দেশের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে না নেন। তার জন্য রাষ্ট্র কে উদ্যোগ নিতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম উপজাতিদের মধ্যে অনেকেরই দেশপ্রমের ঘাটতি আছে। কমপক্ষে ২৫ বছরের একটি প্রজেক্ট নিতে হবে। যেন কেউ উপজাতি সন্ত্রার্সী গোষ্ঠীর সদস্য না হন। সেনাবাহিনীর ও পুলিশ বাহিনীর ও বিজিপি আনসার নেওয়ার সময় তাদের খোজ খবর নিয়ে নিয়োগ দেওয়া। এরা কে কি করে তার কোজ নেওয়া অবসর হওয়ার পর কি করে তার খোজ রাখা।স্কুলে ভর্তি হলে তার বায়োডাটা নিয়ে রাখা পরিবারের সদস্যরা কতজন কে কি করে তা জানা ও একটি সংস্থাকে তা করার বাধ্যতা মুলক করে দায়িত্ব দেওয়া। সবাইকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া।না হয় জাতির সামনে বড় ধরনের বিপদের আশংকা আছে।

মোহাম্মদ আলম খান
এডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
মহাসচিব পার্বত্য চট্টগ্রাম সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী ঐক্য পরিষদ।

06/01/2024

গতকাল আমার জন্মদিনে যারা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতার সহিত আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। বাংলা পৌষমাস আরবী রমজান মাসের ২৯ রোজা ফজর নামাজের পর দুনিয়ায় আসিয়াছি। জীবনে কারো ক্ষতি করি নাই। মানুষের উপকার করতে সৎ ও সঠিক পরামর্শ দিয়ে থাকি। আমার বন্ধু বান্ধব, পাড়া পরশী, পরিবার সহ সবার সাথে মিলেমিশে থাকতে পছন্দ করি। আগামীদিন গুলিতে আনন্দ নিয়ে বিষাদ গুলি দুরে ঠেলে দিয়ে সবার সাথে মিলেমিশে থাকতে পারি।সেই কামনা।

28/12/2023

ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে চেম্বারে। জরুরী মামলার কাজে। রুম নং ৮০১৩ এনেক্স-২ ঢাকা।

01/12/2023

পৃথিবীর যত দানশীল ব্যাক্তি আছেন সবাই নিজের ইনকাম করে কেউই দানশীল না। বর্তমান যারা কোটি কোটি টাকা মালিক ও নির্বাচন সহ দান খয়রাত দেন সবই রাষ্ট্রের টাকা।লুট করছে বা দুনীতির মাধ্যমে উপার্জন করেছেন।দানশীল মহসিন তার বোনের সম্পদ দান করেছেন আর হাতেমতাই তার মামার থেকে প্রাপ্য সস্পদ দান করেছেন। সত্যিকার টাকা উপার্জন করে নিজের সংসার পরিচালনা করাই কঠিন।যে সব সরকারী কর্মকর্তা নির্বাচন করছেন ৯৯.৯% দুনীর্তির টাকা। কেউ জায়গা জমি বাড়ী ঘর বন্ধক দিয়ে নির্বাচনে খরচ করছেন না।রাষ্ট্রের টাকা দিয়ে আপনার সামনে গিয়ে দানশীল ও ভাল মানুষ সাজসেন।সত্যি কেউ বলেন না। ভাল সৎ মানুষ কেউ জিততে পারবেন না। কারণ তাদের টাকার অভাব বাড়ি বা জায়গায় বিক্রি করেও দুই নম্বর মানুষের সাথে পেরে উঠবেন না। দুনীর্তির টাকা খরচ করতে কোন সংকোচ করবেন না। ইংরেজ আমলে গনতান্ত্রিক নিয়ম চালু হয়। মুঘল ও সুলতানী ও হিন্দু আমলে রাজতন্ত্র ছিল। ইংরেজ আমলে জমিদারি প্রথা চালু করে কমপক্ষে কয়েক হাজার লোককে কোটিপতি করেন।২০০ বছরে আরো ১০ হাজার কোটিপতি যোগ হয়েছে।তবে জমিদারদের বাধ্য করতো স্কুল কলেজ দান করতে। সেটা অতিরিক্ত কর নির্ধারণ করে জনগন থেকে আদায় করে দিতেন। আগে স্কুলের শিক্ষক, কলেজ শিক্ষক সমাজের জ্ঞানী গুনি মানুষ মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতেন ইউপি নির্বাচনে তারা প্রতিন্দিতা করতেন কিন্তু বর্তমান দলীয় মনোনয়ন হওয়া তারা টাকার দাফটদের কাছে হেরে যাচ্ছেন।জাতীয় নির্বাচনে এডভোকেট গন আসতেন কিন্তু বর্তমান মনোনয়ন কোটি টাকা খরচ হওয়ায় অনেক আইনজীবীর ইচ্ছা থাকায় সত্বেও টাকার দাফটদের কাছে হেরে গিয়ে চুপসে যান।নির্বাচন কমিশন এইসব দেখেও দেখে না। তাদের নির্দেশনায় অনেকে মানছে না।দ্রুত এইসব পরিবর্তন জরুরী তাহলে রাষ্ট্র পরিচালনা ভাল জ্ঞানী গুনি মানুষরা মানবসেবায় এগিয়ে আসবে।

24/11/2023
07/10/2023

প্রধান বিচারপতি নামের তালিকা ও জীবনবৃত্তান্ত
বিচার ব্যবস্থার প্রধান ব্যক্তি। অন্যভাবে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের প্রধান ও সর্ব্বোচ্চ বিচারপতি। বাংলাদশের বিভিন্ন সঙ্কটজনক সময়ে তিনি প্রধান নির্বাহী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করে থাকেন। সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। সংবিধানের ৯৬ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি সহ সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা ৬৭ বছর পর্যন্ত পদে থাকতে পারেন। বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। ১৯৭২ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ২৩ জনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নিচে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতিবৃন্দের তালিকা দেয়া হলো-

বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম: আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ এবং প্রথম প্রধান বিচারপতি। তিনি বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ রাষ্ট্রপতি হিসাবে ১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর থেকে ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বিচাপতি সায়েমকে ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ তে দেশের প্রথম প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর এর সামরিক অভ্যুত্থানের পর খালেদ মোশাররফ, শাফায়াত জামিল এবং অভ্যুত্থানকারী কতিপয় সেনা অফিসারের অনুরোধে ৬ নভেম্বর বিচারপতি সায়েমকে দেশের ৬ষ্ঠ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পরই তিনি সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদ ভেঙ্গে দিয়ে সারাদেশে সামরিক আইন জারি করেন এবং নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ঘোষণা করেন। ১৯৭৬ সালের ২৯ নভেম্বর তিনি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিয়োগ করেন। ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল তিনি সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের হাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দিয়ে অবসর গ্রহণ করেন।

সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন: বাংলাদেশের প্রখ্যাত আইনবিদ সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন ছিলেন দেশের দ্বিতীয় প্রধান বিচারপতি। বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান বিচারপতি হিসাবে সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেনকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ১৯৭৫ সালের ১৮ নভেম্বর তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ১৯৭৮ সালের ৩১ জানুয়ারি তারিখে উক্ত পদ হতে অবসর গ্রহণ করেন।

কামালউদ্দিন হোসেন: বাংলাদেশের প্রখ্যাত আইনবিদ কামালউদ্দিন হোসেন ছিলেন দেশের তৃতীয় প্রধান বিচারপতি। তিনি বাংলাদেশ আইন সংস্কার কমিটির প্রথম চেয়ারম্যান হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালের ৩১ জানুয়ারি তারিখে বিচারপতি সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেনের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ৩য় প্রধান বিচারপতি হিসাবে কামালউদ্দিন হোসেনকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ১৯৭৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন। ১৯৮২ সালের ১১ এপ্রিল তারিখে তৎকালীন সামরিক সরকার তাকে প্রধান বিচারপতির পদ হতে জোর পূর্বক অপসারণ করে।

ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম: ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম ছিলেন বাংলাদেশের ৪র্থ প্রধান বিচারপতি। তিনি সংক্ষেপে এফ. কে. এম. এ. মুনিম নামেই অধিক পরিচিত ছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিচারপতি মুনিম হাইকোর্টে বিচারক হিসাবে নিয়োগ পান। সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭৩ সালের ২০ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধসমূহ (ট্রাইব্যুনালস) আইন-১৯৭৩ পাস হয়, যা প্রণয়নের জন্য ১৯৭২ সালে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে একটি সেল গঠন করেন যার অন্যতম সদস্য ছিলেন বিচারপতি এফ. কে. এম. এ. মুনিম। ১৯৮২ সালের ১১ এপ্রিল তারিখে বিচারপতি কামালউদ্দিন হোসেনের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ৫ম প্রধান বিচারপতি হিসাবে ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিমকে নিয়োগ প্রদান করলে তিনি ১৯৮২ সালের ১২ এপ্রিল তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ১৯৮৯ সালের ৩০ নভেম্বর তারিখে ঐ পদ হতে অবসর গ্রহণ করেন। বিচারপতি এফ. কে. এম. এ. মুনিম ছিলেন বাংলাদেশ আইন কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান। তিনি ১৯৯৬ সালের ৬ আগস্ট চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত হন; তবে ১৯৯৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করেন।

বদরুল হায়দার চৌধুরী: বদরুল হায়দার চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ এবং ৫ম প্রধান বিচারপতি। বদরুল হায়দার চৌধুরী ১৯৫৬ সালে ঢাকা হাইকোর্টে আইনজীবী হিসাবে কাজ শুরু করেন এবং ১৯৭১ সালের এপ্রিলে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে ও পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে আপিল বিভাগে বিচারক হিসাবে নিয়োগ লাভ করেন। ১৯৮৯ সালের ৩০ নভেম্বর তারিখে বিচারপতি এফ. কে. এম. এ মুনিমের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ৫ম প্রধান বিচারপতি হিসাবে বদরুল হায়দার চৌধুরীকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ১৯৮৯ সালের ১ ডিসেম্বর তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ১৯৮৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরে অবসর গ্রহণ করেন।

শাহাবুদ্দিন আহমেদ: বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রধান বিচারপতি এবং দু'বার দায়িত্বপালনকারী রাষ্ট্রপতি। তিনি প্রথমে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর হতে ১৯৯১ সালের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতি হিসাবে এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতায় থাকা-কালীন ১৯৯৬ সালের ২৩ জুলাই থেকে ২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। শাহাবুদ্দিন আহমেদের কর্মজীবনের সূচনা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে। এরপর তিনি গোপালগঞ্জ ও নাটোরের মহকুমা কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।পরবর্তীতে তিনি সহকারী জেলা প্রশাসক হিসাবে পদোন্নতি পান। এর পর ১৯৬০ সালে তিনি প্রশাসন হতে বিচার বিভাগে বদলি হন। তিনি ঢাকা ও বরিশালের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হিসাবে এবং কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে তাকে ঢাকা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ১৯৭২ সনের ২০ জানুয়ারি হাইকোর্টের বেঞ্চে তাকে বিচারক হিসেবে উন্নীত করা হয়। ১৯৭৩-১৯৭৪ সাল পর্যন্ত তিনি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারপর তাকে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে ফিরিয়ে আনা হয়। ১৯৮০ সনের ৭ ফেব্রুয়ারি তাকে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান: মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের সপ্তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে পর্যন্ত তিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন। ১৯৮৫ সালে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর আপিল বিভাগে নিয়োগ লাভ করেন। তিনি ১৯৯৫ পর্যন্ত আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।। ১৯৯০-৯১ মেয়াদে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রধান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলে হাবিবুর রহমান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর ভারপ্রাপ্ত বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দে বিচারপতি হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।

এ. টি. এম. আফজাল: এ. টি. এম. আফজাল বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ এবং অষ্টম প্রধান বিচারপতি। ১৯৬০ সালে আইনজীবী হিসেবে ঢাকা হাইকোর্টে যোগ দেয়া এ. টি. এম. আফজাল ১৯৭৭ সালে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন এবং ১৯৮৫ সালে আপীল বিভাগের বিচারপতি নিযুক্ত হন। ১৯৯৫ সালের ৩০ এপ্রিল তারিখে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ৮তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে এ. টি. এম. আফজালকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ১৯৯৫ সালের ১ মে তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ১৯৯৯ সালের ৩১ মে তারিখে ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসর গ্রহণ করেন। প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি বাংলাদেশ আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন।

মোস্তফা কামাল: মোস্তফা কামাল ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ এবং ৯ম প্রধান বিচারপতি। বিচারপতি মোস্তফা কামাল বার এ্যাট ল' ডিগ্রি লাভ করে আইনজীবী হিসাবে বাংলাদেশ হাইকোর্টে যোগদান করেন। তিনি হাইকোর্টে বিচারপতি নিযুক্ত হন। সর্বশেষ প্রধান বিচারপতির দায়িত্বপালন শেষে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালে হাইকোর্টের এবং ১৯৮৯ আপীল বিভাগের বিচারপতি নিযুক্ত হন। দশবছর পর ১৯৯৯ সালের জুন মাসে প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন। ২০০০ সালের পয়লা জানুয়ারি অবসর গ্রহণ করেন। তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন।

লতিফুর রহমান: লতিফুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের দশম প্রধান বিচারপতি ও ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। পেশাজীবনের শুরুতে লতিফুর রহমান কায়েদে আজম কলেজ (বর্তমান শহিদ সোহরাওয়ার্দি কলেজ)ও জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) প্রভাষক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬০ সাল থেকে তিনি ঢাকা হাই কোর্টে আইন পেশা শুরু করেন। তিনি শুরুতেই এম.এইচ. খন্দকারের নিকট শিক্ষানবিশ ছিলেন। জনাব খন্দকার বাংলাদেশের প্রথম এটর্নি জেনারেল ছিলেন। ১৯৭৯ সালে লতিফুর রহমান সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। ১৯৮১ সালে তার বিচারকের চাকুরি স্থায়ী হয়। ১৫ জানুয়ারি ১৯৯১ তিনি সুপৃম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি তিনি দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন অবসর গ্রহণ করেন।

মাহমুদুল আমিন চৌধুরী: মাহমুদুল আমিন চৌধুরী বাংলাদেশের একাদশ প্রধান বিচারপতি ছিলেন। ১৯৮৭ থেকে ২০০২ পর্যন্ত দীর্ঘ কাল তিনি বাংলাদেশের উচ্চ আদলতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তৎপূর্বে তিনি ১৯৬৩ থেকে ১৯৮৭ পর্যন্ত তিনি আইনপেশায় নিযুক্ত ছিলেন। ২০০১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তারিখে বিচারপতি লতিফুর রহমানের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ১১-তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে মাহমুদুল আমিন চৌধুরীকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ২০০১ সালের ১ মার্চ তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ২০০২ সালের ১৭ জুনে অবসর গ্রহণ করেন।

মাইনুর রেজা চৌধুরী: মাইনুর রেজা চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের ১২-তম প্রধান বিচারপতি। মাইনুর রেজা ১৯৭৩ সালে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসাবে কাজ শুরু করেন এবং ১৯৯০ সালে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে এবং ২০০০ সালে আপীল বিভাগে নিয়োগ পান। ২০০২ সালের ১৭ জুন তারিখে বিচারপতি মাহমুদুল আমিন চৌধুরীর অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ১২-তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে মাইনুর রেজা চৌধুরীকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ২০০২ সালের ১৮ জুন তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ২০০৩ সালের ২২ জুনে অবসর গ্রহণ করেন।

কে. এম. হাসান: বিচারপতি কে. এম. হাসান ছিলেন বাংলাদেশের ১৩-তম প্রধান বিচারপতি। ২০০৩ সালের ২২ জুন তারিখে বিচারপতি মাইনুর রেজা চৌধুরীর অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ১৩-তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে কে. এম. হাসানকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ২০০৩ সালের ২৩ জুন তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ২০০৪ সালের ২ জানুয়ারিতে অবসর গ্রহণ করেন।

সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন: বিচারপতি সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন ছিলেন বাংলাদেশের ১৪-তম প্রধান বিচারপতি। ২০০৪ সালের ২৬ জানুয়ারি তারিখে বিচারপতি কে. এম. হাসানের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ১৪-তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেনকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ২০০৪ সালের ২৭ জানুয়ারি তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারিতে অবসর গ্রহণ করেন তিনি।

রুহুল আমিন: মোঃ রুহুল আমিন ছিলেন বাংলাদেশের ১৫-তম প্রধান বিচারপতি। ২০০৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তারিখে বিচারপতি সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেনের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ১৫-তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে মোঃ রুহুল আমিনকে নিয়োগ প্রদান করেন ও তিনি ২০০৭ সালের ১ মার্চ তারিখে শপথ গ্রহণ করেন এবং ২০০৮ সালের ৩১ মে মাসে অবসর গ্রহণ করেন।

এম. এম. রুহুল আমিন: এম. এম. রুহুল আমিন ছিলেন বাংলাদেশের ১৬-তম প্রধান বিচারপতি। ২০০৮ সালের ৩১ মে তারিখে বিচারপতি মোঃ রুহুল আমিনের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ১৬-তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে এম. এম. রুহুল আমিনকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ২০০৮ সালের ১ জুন তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ২০০৯ সালের ২২ ডিসেম্বরে অবসর গ্রহণ করেন।

তাফাজ্জাল ইসলাম: মোঃ তাফাজ্জাল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ এবং ১৭-তম প্রধান বিচারপতি। মোঃ তাফাজ্জাল ইসলাম ১৯৬৯ সালে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসাবে কাজ শুরু করেন এবং ১৯৯৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে এবং ২০০৩ সালের আগস্টে আপীল বিভাগে নিয়োগ পান। ২০০৯ সালের ২২ ডিসেম্বর তারিখে বিচারপতি এম. এম. রুহুল আমিনের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ১৭-তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে মোঃ তাফাজ্জাল ইসলামকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ২০০৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ২০১০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি অবসর গ্রহণ করেন।

মোহাম্মদ ফজলুল করীম: মোহাম্মদ ফজলুল করীম ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ এবং ১৮-তম প্রধান বিচারপতি। ফজলুল করীম ১৯৭০ সালে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসাবে কাজ শুরু করেন এবং ১৯৯২ সালের নভেম্বরে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে বিচারপতি মোঃ তাফাজ্জাল ইসলামের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ১৮-তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে মোহাম্মদ ফজলুল করীমকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ২০১০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বরে অবসর গ্রহণ করেন।

এ. বি. এম. খায়রুল হক: এ. বি. এম. খায়রুল হক ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ এবং ১৯-তম প্রধান বিচারপতি। তিনি বাংলা ভাষায় রায় প্রদান করে উচ্চ আদালতে বাংলা প্রচলনে ভূমিকা রাখার জন্য প্রশংসিত হয়েছেন। ১৯৭০ সালে জেলা জজ আদালতে আইন পেশায় যুক্ত হওয়া খায়রুল হক হাইকোর্টে আইনজীবী হিসাবে কাজ শুরু করেন ১৯৭৬ সালে এবং ১৯৯৮ সালের এপ্রিলে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান, যার পরবর্তীকালে তিনি ২০১০ সালে আপিল বিভাগে নিযুক্তি লাভ করেন। ২০১০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখে বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করীমের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ১৯-তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে এ. বি. এম. খায়রুল হককে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ২০১১ সালের ১৭ মে অবসর গ্রহণ করেন।

মোঃ মোজাম্মেল হোসেন: মোঃ মোজাম্মেল হোসেন ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ এবং ২০তম প্রধান বিচারপতি। ১৯৭১ সালে জেলা জজ আদালতে আইন পেশায় যুক্ত হওয়া মোজাম্মেল হোসেন হাইকোর্টে আইনজীবী হিসাবে কাজ শুরু করেন ১৯৭৮ সালে এবং ১৯৯৮ সালের এপ্রিলে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ, যার পরবর্তীকালে তিনি ২০০৯ সালে আপিল বিভাগে নিযুক্তি লাভ করেন। ২০১১ সালের ১৭ মে তারিখে বিচারপতি এ. বি. এম. খায়রুল হকের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ২০তম প্রধান বিচারপতি হিসাবে মোঃ মোজাম্মেল হোসেনকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তিনি ২০১১ সালের ১৮ মে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।

সুরেন্দ্র কুমার সিনহা: বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ছিলেন বাংলাদেশের ২১-তম প্রধান বিচারপতি। রাজনৈতিক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে গত ২০১৭ সালের ১০ নভেম্বর তারিখে বিদেশে ছুটিতে থাকা অবস্থায় তিনি পদত্যাগ করেন। সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ছুটি ও পদত্যাগের কারণে মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে ১২ নভেম্বর, ২০১৭ হতে ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন: সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ছিলেন ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বর অবসরে যান। তিনি অবসরে যাওয়ায় বাংলাদেশের ২৩ তম প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পান হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। তিনি দুই বছর প্রধান বিচারপতির আসনে অধিষ্ঠিত থাকছেন।

16/09/2023

একজন আইনজীবীর পেশাগত সফলতার জন্য চেম্বার গুরুত্বপুর্ন। চেম্বার একজন আইনজীবী দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে। চেম্বার থাকালে দায়িত্বপালনের গুরুত্ব বেড়ে যায়। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রাজনীতি, সামাজিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেকে দায়িত্বশীল করে গড়ে এই বর্তমান সমাজে কঠিন বলে মনে করি। আইন পেশা একটি প্রাচিনতম পেশা এই পেশার মানুষরা পৃথিবীর বেশীর ভাগ দেশেই ‍গুরুত্বপুর্ন দায়িত্ব পালন করে আসছে। ১৯৯৬১ সালে এক জড়িপে দেখ গেছে যে পৃথিবীর বেশীর ভাগ দেশে রাজনীতি করছেন আইনজীবীরা । পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের সেবা করা যায় এমন পেশা হল আইনপেশা। বাংলাদেশে ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত রাজনীতি নিয়ন্ত্রন করতেন আইনজীবী। বর্তমান নিয়ন্ত্রন করেন ব্যবসায়ীরা।

04/05/2023

দিঘিনালা উপজেলা বাঙ্গালি হত্যা, তদন্ত করে দোষী কে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দিতে হবে।

আইসিসির উদ্ভট নিয়মে যেভাবে বোল্ড হয়েও রান নিতে পারবেন || PCNEWS24.COM.BD 25/10/2022

https://www.youtube.com/watch?v=HjJP6101s6w

আইসিসির উদ্ভট নিয়মে যেভাবে বোল্ড হয়েও রান নিতে পারবেন || PCNEWS24.COM.BD যেকোনো সংবাদ মুহুর্তের মধ্যে পেতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট www.p news24.com.bd আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচার করতে য.....

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address

Dhaka