TAJ BioCare
An authentic brand for genuine Healthcare and skincare products.
30/05/2024
কাশি ভালো করে: এটি তরল আকারে কফ বের করে দেয় এবং খুসখুসে কাশির তাৎক্ষণিক উপশম করতে পারে। এ ছাড়া ব্রঙ্কাইটিস, টনসিলের সমস্যা ও কণ্ঠনালীর প্রদাহ দূর করে। শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন প্রশমিত করে। ত্বক ভালো রাখে: যষ্টিমধু ত্বকের অ্যাকজিমা, সোরিয়াসিস, প্রদাহ, সানবার্নের সমস্যা নিরাময় করে।
28/05/2024
মনজিস্টা
যেকোন কালো দাগ, দাগ এবং পিগমেন্টেশন অনিয়ম কমাতে সাহায্য করতে পারে। ভেষজটি মেলানিন উৎপাদনে বাধা দেয়, যা ত্বক কালো করার জন্য দায়ী রঙ্গক, যার ফলে একটি উজ্জ্বল এবং আরও বেশি রঙ হয়
26/05/2024
অর্জুন গাছ চিরহরিৎ বৃক্ষ। প্রধান ঔষধি গাছের মধ্যে একটি অন্যতম গাছ হল অর্জুন গাছ। এটি প্রাচীন কাল থেকে হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়েছে। অর্জুনের গাছের ছাল পাউডার, ডিকোশন, স্কুর ইত্যাদি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। অতএব আমাদের অর্জুন গাছের ছালের সুবিধা ও অসুবিধাগুলি কী কী তা জানা দরকার।
অর্জুনের ছাল উচ্চ রক্তচাপ কমায়ঃ
অর্জুন গাছের ছাল বেশ উপকারী বলে প্রমাণিত হয়েছে। আসলে তার বাকল, লিপিড ট্রাইগ্লিসারাইড স্তর হ্রাস করার মাধ্যমে কোলেস্টেরল হ্রাস করে। এই ছালের সেবন রক্ত প্রবাহের বাধা দূর করে। এর জন্য, অর্জুন গাছের ছালের এক চামচ পাউডার, দুই গ্লাস জলে অর্ধেক রয়ে যাওয়া পর্যন্ত গরম ক'রে সকালে ও সন্ধ্যায় পান করা উচিত। এই ভাবে বন্ধ ধমনী খুলবে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পাবে।
উন্নত চুলের জন্যঃ
চুলের বৃদ্ধির জন্য আমরা অর্জুন গাছের ছাল ব্যবহার করতে পারি। মাথার চুলের মধ্যে অর্জুনের গাছের ছাল এবং হেনার মিশ্রণ চুলে লাগানোর ফলে চুল সাদা থেকে কালো হয়। একই সাথে এটা চুল শক্তিশালী করে।
কাশির উপশমেঃ
শুকনো অর্জুনের গাছের ছালের পাউডার, তাজা সবুজ ছোট পাতার রসের সাথে মিশিয়ে দিয়ে আবার শুকিয়ে নিন। এভাবেই সাত বার মেশানোর পর যা অবশিষ্ট থাকে তা দিয়ে চূর্ণ প্রস্তুত করা হয়। এর সাথে মধু দিয়ে রোগীকে সেবন করালে তিনি আরাম অনুভব করেন।
মেদ দূর করতেঃ
অতিরিক্ত মেদ নিয়ে সমস্যায় ভোগা মানুষ প্রত্যহ সকাল, সন্ধ্যায় অর্জুনের গাছের ছালের মিশ্রণ পান করলে তাঁদের সমস্যা কমে যেতে পারে অনেকটাই। এটি এত দ্রুত কাজ করে যে মাত্র এক মাসের মধ্যেই আপনি আপনার মেদের উপর এর প্রভাব অনুভব করতে পারবেন।
মধুমেহের (সুগার) উপশমেঃ
মধুমেহ রোগীরা অর্জুন গাছের ছাল দিয়ে তাদের সমস্যাও শেষ করতে পারে। এর জন্য অর্জুন গাছের ছালের পাউডার, দেশী জাম বীজের চূর্ণ সমান পরিমাণে মিশিয়ে ঘুমের আগে উষ্ণ জল সহযোগে পান করুন। দ্বিতীয় বিকল্প হল অর্জুনের গাছের ছাল, কদম গাছের ছাল, জামুন গাছের ছাল ও পার্সলে এক সমান পরিমাণে মিশিয়ে এবং ভাল করে গুঁড়িয়ে পাউডার বানিয়ে নিন। ডিকোকেশনের জন্য অর্ধ লিটার জল যোগ করুন এবং সকালে 3 সপ্তাহ ধরে এই মিশ্রণটি ধারাবাহিকভাবে ব্যবহার করুন। এটি আপনাকে মধুমেহ থেকে পরিত্রাণ করতে পারে।
ত্বকের জন্যঃ
অর্জুন গাছের ছালের প্রভাব অনেক ত্বকের সমস্যা দূর করতে কার্যকর। অর্জুন গাছের ছাল, বাদাম, হলুদ এবং কর্পূর সমান পরিমাণ মিশিয়ে, পিষ্ট করে, ত্বকের উপর প্রয়োগ করলে, মুখের সমস্ত বলিরেখা দূর হয় এবং মুখের ত্বক উজ্জ্বল হয়ে।
মুখের ফোস্কার চিকিৎসায়ঃ
মুখের ফোস্কার দ্বারা বিরক্ত ব্যক্তি অর্জুনের ছাল ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য, নারকেল তেলের সাথে অর্জুনের ছালের চূর্ণ যোগ করে তা আপনার মুখের ফোস্কার উপর প্রলেপ রূপে লাগালে আপনি কষ্ট থেকে অবশ্যই উপশম পাবেন। শুধু তাই নয়, এই মিশ্রণ অল্প গুড় সহযোগে সেবন করলে জ্বরের থেকেও ত্রাণ পাওয়া যায়।
প্রস্রাবের বাধা দূর করতেঃ
অর্জুন গাছের ছাল দিয়ে তৈরি পানীয়, প্রস্রাবের বাধা দূর করে। এ জন্য, অর্জুনের গাছের ছাল পিষ্ট করুন এবং দুই কাপ জলে ফোটান। যখন পানি অর্ধেক হয়ে আসবে, তখন তা ঠান্ডা করতে দিন। এরপর ঠান্ডা হওয়ার পরে রোগীকে পান করান। দিনে একবার খাওয়ানো হলে, এটি প্রস্রাবের বাধা দূর করে।
প্রদাহ হ্রাস করাঃ
অর্জুন গাছের বাকলও কিন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রেখে থাকে। এর জন্য, অর্জুনের গাছের ছাল পিষ্ট করে তার মিহি গুঁড়ো খরিপাক পদ্ধতিতে ৫ থেকে ১০ গ্রাম পরিমাণে রোগীকে খাওয়ানো হলে, কার্ডিওভাসকুলার রোগের পাশাপাশি হৃদরোগের ঘটনা হ্রাস পায়। এ ছাড়া, প্রায় ১ থেকে ৩ গ্রাম পরিমাণ পাউডার খেলে প্রদাহ হ্রাস পায় এবং তার সাথে সম্পর্কিত সমস্যাও চলে যায়।
হৃদয়ের ব্যাধির নিরাময়েঃ
অর্জুন গাছের ছাল অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, প্রদাহ ইত্যাদির মতো হৃদরোগ সংক্রান্ত সমস্ত সমস্যা দূর করতে সহায়ক। এটি স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে। অর্জুন গাছের ছালের সাথে বন্য পেঁয়াজ একই পরিমাণ মিশিয়ে চূর্ণ বানান এবং এই চূর্ণের অর্ধেক চা চামচ হার্টের রোগীকে দৈনন্দিন দুধ সহযোগে পান করানো হলে রোগীর হৃদয়ের পেশি শক্তিশালী হবে। এটা হার্ট ব্লকেজের প্রতিরোধের জন্যও উপকারী। খাবার খাওয়ার পর প্রায় দুই চা চামচ বা প্রায় ২০ মিমি অর্জুনারিষ্ট অর্ধেক কাপ জলে মিশিয়ে দুই তিন মাস পান করলে প্রায় সব রকমের শারীরীক সমস্যার থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
অর্জুন গাছের ছালের অপকারিতাঃ
অর্জুন গাছের ছাল গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষতি করে, তাই তাঁদের এই ছাল ব্যবহারে ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার।
সুগার রোগীদেরও অর্জুন গাছের ছাল যথেষ্ট সাবধানে ব্যবহার করা উচিত।
একমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শের পরেই যতটা সম্ভব অর্জুন গাছের ছাল ব্যবহার করুন।
25/05/2024
মুলতানি মাটি হলো বিশেষ একধরণের কাদা মাটি যা পৃথিবীর সব জায়গায় পাওয়া যায় না। কিছু কিছু জায়গায় প্রাকৃতিক ভাবেই সৃষ্টি হয় এই মাটি। বৈজ্ঞানিকভাবে মুলতানি মাটি ক্যালসিয়াম বেনটোনাইট নামে পরিচিত। এর উৎপত্তি স্থল পাকিস্তানের মুলতান অঞ্চলে। তাই এর নামকরণ করা হয়েছে মুলতানি মাটি। এটি কোনো সাধারণ মাটি নয় এটিতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রন এর মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান। এই খনিজ গুলোর উপস্থিতির কারণেই এটি মূল্যবান পদার্থ হিসেবে পরিচিত লাভ করে। এর ব্যবহারে মিলবে অনেক উপকারিতা তাই আপনাকে জানতে হবে এর সঠিক ব্যবহার। আমরা এখন আলোচনা করবো এর উপকারিতা এবং ব্যবহার বিধি নিয়ে।
মুলতানি মাটির উপকারিতা
রোদে পোড়া ভাব দূর করতে মুলতানি মাটি ম্যাজিকের মতো কাজ করে এছাড়াও ব্রণ হওয়ার পর ত্বকে ছোট ছোট গর্ত দেখা দেয় তা রিমুভ করতে কার্যকরী এটি।
ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর করতে মুলতানি মাটি দারুণ কাজ করে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে, ত্বককে টান টান রাখতে এবং ত্বকের বলিরেখা দূর করতে ব্যবহার করুন মুলতানি মাটি।
মুলতানি মাটি ত্বকের রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে ত্বককে রাখে সুস্থ।
তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ সহ অনেক সমস্যা দেখা দেয় তাই ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে ব্যবহার করুন মুলতানি মাটি।
মুলতানি মাটি ত্বকের মৃতকোষ পরিষ্কার করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখে।
মুলতানি মাটি সবথেকে বেশি কার্যকরী ত্বককে পরিষ্কার রাখতে, ফলে ত্বকে ফিরে আসে স্বাভাবিকের থেকে বেশি উজ্জ্বলতা।
চুল পরিষ্কার এবং ঝলমলে রাখতে অনেক উপকারী মুলতানি মাটি।
ব্যবহারের কিছু নিয়ম
ব্ল্যাক হেডস ও হোয়াইট হেডস দূর করতে কাজুবাদাম বাটা ও গ্লিসারিন এর সাথে মুলতানি মাটি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখের ত্বকে স্ক্রাব করতে পারেন।
25/05/2024
তালমিছরি প্রাকৃতিকভাবে তৈরি মিষ্টি। এটি চিনির বিকল্প হিসেবেও খাওয়া যায়।এর উপাদানগুলো মস্তিষ্ক ঠিক রাখতে সহায়তা করে। তালমিছরিতে থাকে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল।
এতে আছে পটাসিয়াম, আয়রন, জিংক, ফসফরাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এছাড়া এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ১২।তালমিছরিতে খুব কম পরিমাণে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) থাকায় রক্তের সুগারের ওপর খুব কম প্রভাব পড়ে। ডায়াবেটিস সমস্যায় যাদের চিনি খাওয়ায় সমস্যা আছে, তারা এটি খেতে পারে।
তালমিছরি খেলে কি উপকার হয় চলুন দেখে নিই-
রক্তস্বল্পতায়: তালমিছরি রক্তস্বল্পতা সমস্যা থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে। কারণ তালমিছরিতে থাকে আয়রন, যেটি রক্তের হিমোগ্লোবিন লেভেল ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান।
ঠাণ্ডা সমস্যায়: বহুদিন আগে থেকে সর্দি-কাশির ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয় তালমিছরি। তবে শুধু সর্দি-কাশিই নয়, অন্যান্য ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায়ও এটি কার্যকর।
হাড়ের সমস্যায়: তালমিছরিতে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও পটাসিয়াম। যেটি হাড়কে মজবুত রাখে ও হাড়ক্ষয় হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
মুখের আলসার: শিশুদের মুখের আলসার হলে এলাচ গুড়া ও তালমিছরি মিশে মুখে লাগালে আরাম পাওয়া যায়।
পেটে ব্যথা: নিমপাতার রসের সঙ্গে তালমিছরি মিশিয়ে খেলে পেটে ব্যথা কমে।
25/05/2024
অশ্বগন্ধা এমন একটি ভেষজ যা নানা রোগের ওষুধের কাজ করে। এর ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। অশ্বগন্ধা মূলত ক্লান্তি, নানা ধরণের ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। অশ্বগন্ধার আরেক নাম এডাপ্টোজেন, এটি মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে।
18/05/2024
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
7 Larmini Street Wari
Dhaka
1203
