Mohammad Shahed
My intention is to share experiences with fellow friends to build a fair path for best results.
25/09/2025
#ফটোগ্রাফি এর ইতিহাস 💕🥰✍️
দুটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি আবিষ্কারের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল: প্রথমটি হল ক্যামেরা অস্পষ্ট ইমেজ প্রজেকশন, দ্বিতীয়টি হল আবিষ্কার যে কিছু পদার্থ আলোর এক্সপোজার দ্বারা দৃশ্যমানভাবে পরিবর্তিত হয়[২]। 18 তম শতাব্দীর আগে হালকা সংবেদনশীল উপকরণ দিয়ে ছবি তোলার কোন প্রচেষ্টা নির্দেশ করে এমন কোন শিল্পকর্ম বা বর্ণনা নেই।
লে গ্রাস ১৮২৬ বা ১৮২৭ এ জানালা থেকে দেখা দৃশ্য, মনে করা হয় যে এটি সবচেয়ে আগে বেঁচে থাকা ক্যামেরার ছবি। [১] আসল (বামে) এবং রঙিন পুনর্নবীকরণ (ডান)।
১৭১৭ সালের দিকে, জোহান হেইনরিচ শুলজ একটি বোতলের উপর কাটা-আউট অক্ষরগুলির ছবি তুলতে হালকা সংবেদনশীল স্লারি ব্যবহার করেছিলেন। তবে এই ফলাফলগুলো স্থায়ী করার চেষ্টা করেননি তিনি। 1800 এর কাছাকাছি, থমাস ওয়েডগউড প্রথম নির্ভরযোগ্যভাবে নথিভুক্ত করেছেন, যদিও স্থায়ী রূপে ক্যামেরার ছবি তোলার ব্যর্থ প্রচেষ্টা ছিল। তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিস্তারিত আলোকচিত্র তৈরি করেছিল, কিন্তু ওয়েডগউড এবং তার সহযোগী হামফ্রি ডেভি এই ছবিগুলিকে ঠিক করার কোন উপায় খুঁজে পাননি।
1826 সালে, Nicephore Niépce প্রথম একটি ছবি ঠিক করতে সক্ষম হয়েছিল যা একটি ক্যামেরা দিয়ে ধরা হয়েছিল, কিন্তু কমপক্ষে আট ঘন্টা বা এমনকি কয়েক দিন ক্যামেরার এক্সপোজার প্রয়োজন ছিল এবং প্রাথমিক ফলাফলগুলি খুব অপরিশোধিত ছিল। নিপেসের সহযোগী লুই ড্যাগেরেরে ড্যাগেররিওটাইপ প্রক্রিয়া বিকশিত করতে শুরু করেছেন, প্রথম প্রকাশ্যে ঘোষিত এবং বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর ফটোগ্রাফিক প্রক্রিয়া। ড্যাগেররিওটাইপের ক্যামেরায় শুধুমাত্র কয়েক মিনিট এক্সপোজার প্রয়োজন, এবং পরিষ্কার, সূক্ষ্মভাবে বিস্তারিত ফলাফল তৈরি। ২ আগস্ট, ১৮৩৯ তারিখে ড্যাগেরে প্যারিসে চেম্বার অফ পিয়ারস-এ প্রক্রিয়াটির বিবরণ প্রদর্শন করেন। ১৯ আগস্ট ইনস্টিটিউট প্যালেস এ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স এবং অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস এর একটি সভায় কারিগরি বিবরণ প্রকাশ করা হয়। (জনসাধারণকে আবিষ্কারের অধিকার প্রদানের জন্য, ড্যাগেররে এবং নিপেসেকে জীবনের জন্য উদার বার্ষিকী প্রদান করা হয়। )[3][4][5] যখন মেটাল ভিত্তিক ড্যাগেররিওটাইপ প্রক্রিয়া জনসাধারণের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শিত হয়েছিল, তখন কাগজ-ভিত্তিক ক্যালোটাইপ নেতিবাচক এবং লবণ প্রাই এর প্রতিযোগী পদ্ধতি
আলহ
13/09/2025
চুকাই বা মেস্তা (Hibiscus sabdariffa) এক ধরণের উপগুল্ম _ (subshrub) জাতীয় উদ্ভিদের ফল।ফলটি টক স্বাদযুক্ত; রঙ গাঢ় লাল। এর ইংরেজি নাম রোসেলা বা সরেল (Rosella, Sorrel)। পৃথিবীর অনেক দেশেই এই গাছের বানিজ্যিক চাষ করা হয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশেও এই ফল পাওয়া যায়। বাংলাদেশের সর্বত্রই ফলটি জন্মে, তবে বানিজ্যিক চাষ হয় না। ক্রান্তীয় আফ্রিকা চুকাই গাছের আদি নিবাস বলে ধারণা করা হয়।
চুকাইঃ এটি অপ্রকৃত ফল। বৃতি এর ভক্ষণ যোগ্য অংশ, যা খুবই পাতলা এবং পরিমাণে অল্প; গর্ভাশয় বড় এবং ছোট ছোট হুলযুক্ত। ভক্ষণ যোগ্য অংশটি গর্ভাশয়কে ঘিরে থাকে। পরিপক্ক গর্ভাশয়ে অনেকগুলো বীজ থাকে। এটি বিদারী ফল, অর্থাৎ পাকলে এটি ফেটে যায় এবং বীজ ছড়িয়ে যায়।
পরিচিত নাম সমূহঃ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে ফলটি পরিচিত। যেমন: রাজশাহীতে চুকাই, খুলনায় ও সাতক্ষীরাতে অম্ল মধু বা অম্বল মধু, ধামরাই এবং মানিকগঞ্জে চুকুল, সিলেটে হইলফা, কুমিল্লায় মেডশ, মেট্টস বা মেষ্টা ইত্যাদি। এছাড়া চুকুর, চুকুরি, চুপুরি, চুকোর, চুপড়, চুকা, চুক্কি, চুই, মেস্তা, খিইরুপ ইত্যাদি নামও প্রচলিত আছে। এটি ভারতের আসামে টেঙ্গামোরা , কেরালায় লালচাটনি, ইরানে চায়ে-তরশ, আরব দেশগুলোতে কারকাদি, ক্যারিবিয় ও ল্যাটিন আমেরিকায় সরেল, ইন্দোনেশিয়ায় রোসেলা, আফ্রিকার অনেকগুলো দেশে বিসাপ নামে পরিচিত।
ব্যবহারঃ বাংলাদেশে এটি একটি অপ্রচলিত ফল। টক স্বাদের কারণে জ্যাম, জেলি বা আচার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এটি। এছাড়া এদেশে টক বা খাট্টা রান্না করেও খাওয়া হয়। এর মধ্যে 'পেকটিন' আছে বলে শুধুমাত্র চিনি ও চুকাই দিয়ে সহজেই জ্যাম তৈরি করা যায়, আলাদাভাবে পেকটিন মেশাতে হয় না। অস্ট্রেলিয়া, বার্মা এবং ত্রিনিদাদে এই ফলটি জ্যাম তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের অনেক জায়গায় এই জ্যাম লালভর্তা নামে পরিচিত। ইংরেজিতে যাকে সরেল জেলি নামে ডাকা হয়।
চুকাই অনেক দেশে সস্তা সবজি হিসেবে ব্যাপক ব্যবহৃত হয়। সম্ভবতঃ এটি মায়ানমারের সবচে জনপ্রিয় সবজি। চুকাই পাতা রসুন, কাঁচামরিচ ও চিংড়ি মাছ বা অন্য মাছ সহযোগে ভাজি করে অথবা তরকারি রান্না করে খাওয়া হয়। চুকাই পাতা ও চিংড়ি শুটকি দিয়ে টক বা খাট্টা রান্না করেও খাওয়া হয় এবং এটি মায়ানমারে বেশ জনপ্রিয়।
ইতালি, আফ্রিকা ও থাইল্যান্ডে চুকাই পাতা দিয়ে ভেষজ চা বানিয়ে খাওয়া হয়। ত্রিনিদাদে বিয়ারের সাথে এই চা মিশিয়ে খাওয়ার রেওয়াজ আছে।
চুকাই বীজে স্নেহ-দ্রবনীয় (lipid soluble) এন্টি অক্সিডেন্ট আছে, বিশেষতঃ গামা-টোকো ফেরল।
চুকাই গাছ রক্তচাপ কমানোর ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা যায় বলে ধারনা করা হয়। এই গাছের কান্ড থেকে ভাল মানের আঁশ পাওয়া যায়; তাই অনেক দেশে পাটের বিকল্প হিসেবে চুকাই গাছ চাষ করা হয়। এক সময় চুকাই গাছ কবিরাজী ওষুধ হিসেবে মূত্রবর্ধক, মৃদু কোষ্ঠ-নরমকারী, হৃদরোগ, ক্যান্সার এবং স্নায়ুরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হতো।
তবে রক্তচাপ কমানোর ক্ষেত্রে চুকাই গাছের ক্ষমতা সম্পর্কে যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রমান নেই। রক্তের চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রনেও এর ভূমিকা প্রমানিত নয়। এ ব্যাপারে কিছু গবেষণা হয়েছে, তবে সেগুলোর ফলাফল সম্পর্কে মতভেদ আছে।
31/07/2025
বয়স যখন ষাটোর্ধ্ব
বার্ধক্যে পুষ্টিবার্ধক্যে কায়িক শ্রম কমে যায়, কমে যায় খাবারে দৈনিক ক্যালরি চাহিদাও। কিন্তু সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজের প্রয়োজনীয়তা বজায় থাকে। আবার খাবারে রুচি কমে যাওয়া বা নানা ওষুধের প্রতিক্রিয়া অনেক সময়ই বৃদ্ধ ব্যক্তিদের দুর্বলতা, অবসাদ বা ক্লান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় তাঁরা নিজের প্রয়োজন বা চাহিদার কথা ভালো করে বুঝিয়ে বলতেও পারেন না। গবেষণা বলছে, বয়স্ক ব্যক্তিরা প্রয়োজনের তুলনায় ৪০ শতাংশ খাবার কম খেয়ে থাকেন। তাই বাড়ির ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিটির পুষ্টি ও খাদ্যাভ্যাসের দিকে সবারই বিশেষ নজর দেওয়া দরকার।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দেয় ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হূদেরাগ, কিডনি জটিলতাসহ নানা সমস্যা। সে অনুযায়ী গড়ে তুলতে হবে খাদ্যাভ্যাস। যেমন: পাতে লবণ ছেড়ে দেওয়ার মতো বিষয়গুলোকে নতুন করে হলেও রপ্ত করতে হবে। দীর্ঘদিনের পুরোনো অভ্যাস যেমন জর্দা-পানকে হঠাৎ করে বিদায় দিতে হয়তো চাইবেন না তাঁরা, কিন্তু বিষয়টির গুরুত্ব বুঝিয়ে বলতে হবে।
দাঁত পড়ে যাওয়া বা নড়বড়ে হওয়ার কারণে শক্ত খাবার চিবিয়ে খাওয়া সম্ভব হয় না অনেকের পক্ষে। সে ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে, শুধু তরল বা আধা শক্ত খাবারে যেন সুষম খাদ্যের সবটুকু উপাদানই বজায় থাকে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে হজমশক্তিও হ্রাস পায়, পরিপাকে বিঘ্ন ঘটে। তাই এ সময় সহজপাচ্য খাবারই বেছে নেওয়া ভালো। গুরুপাক, বেশি তেল ও মসলাযুক্ত খাবার, কেনা ও ভাজাপোড়া খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো। আলু, মাছ, ডিম ইত্যাদি সহজপাচ্য খাদ্য। আবার কোষ্ঠকাঠিন্যও একটি সাধারণ সমস্যা। এটি এড়াতে আঁশযুক্ত খাবার, পর্যাপ্ত পানি ও রোজ ইসবগুলের ভুসির শরবত দেওয়া যায়।
বয়স্ক ব্যক্তিদের একাকিত্ববোধ, হতাশা, বিষণ্নতা ইত্যাদি মানসিক সমস্যার ঝুঁকি বেশি। এসব কারণে প্রায়ই দেখা দেয় খাবারে অনীহা। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এসব মানসিক সমস্যার সমাধান করতে হবে।
প্রতি কেজি ওজন অনুযায়ী দশমিক ৯ গ্রাম আমিষ দরকার হয়। মাছ-মাংস বেশি খেতে না পারলে এই আমিষের চাহিদা পূরণের জন্য মুরগির স্যুপ, ডিম, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া উচিত। কাঁচা শাকসবজি বা ফলমূল হজম না হলে সবজির স্যুপ ও ফলের রস করে দেওয়া যায়। ক্যালসিয়ামের উৎস হিসেবে দুধ বা দই প্রতিদিনের তালিকায় রাখা উচিত।
বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য উপযোগী কিছু খাবার হলো নরম খিচুড়ি, দুধ বা দই দিয়ে চিড়া, স্যুপ, দুধ-রুটি বা দুধ-সাগু ইত্যাদি। নাশতা হিসেবে ফলের রস, পুডিং, সবজির যেমন: গাজরের হালুয়া, ফলমিশ্রিত কাস্টার্ড ইত্যাদি। একই খাবারে বিরক্তি বোধ করলে খাবারে বৈচিত্র্য আনতে হবে। তথ্য সূত্র ইন্টারনেট।
ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী
এমবিবিএস, এফসিপিএস জেনারেল সার্জারি।
এমএস ইউরোলজি। এপয়নটমেনট নিতে ফোন করুন 01613141540 এই নম্বরে।
20/07/2025
প্রতিদিন ১% উন্নতির ১৫টি মাইক্রো হ্যাবিট
(স্কুল শেখাবে না, কিন্তু ভবিষ্যত গড়তে এগুলো বেশ কাজে লাগবে)
১/ প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট মেডিটেশন করুন।
এতে মন শান্ত হবে, ফোকাস বাড়বে।
২/ প্রতিদিন ২ পৃষ্ঠা হলেও বই পড়ুন।
বছরে ৩-৪ টা বই ইজিলি শেষ হবে!
৩/ দিনের শুরুতে সেদিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো লিখে ফেলুন। টু-ডু লিস্ট ইউজ করুন।
৪/ ঘুম থেকে উঠে প্রথম ৩০ মিনিট ফোন না ধরার অভ্যাস করুন।
৫/ ঘুম থেকে উঠেই ১ গ্লাস পানি খান।
হাইড্রেটেড থাকা মানেই শক্তি পাওয়া।
৬/ নিজের বিছানাটা গুছিয়ে রাখুন। দিনটা খারাপ গেলেও বাসায় ফিরে অন্তত একটা গোছানো বিছানা পাবেন।
৭/ দিনে অন্তত ১০ মিনিট হলেও হাঁটুন।
৮/ রাতে ১ মিনিট নিজের দিনটা রিভিউ করুন।
আজ কী শিখলেন? কী ঠিক হলো, কী ঠিক হলো না?
৯/ দিনে অন্তত ১ ঘণ্টা 'নো স্ক্রিন' টাইম রাখুন।
সব ডিজিটাল ডিভাইস থেকে সেই ১ ঘন্টা দূরে থাকুন।
১০/ প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও কাউকে 'ধন্যবাদ' বলুন। কৃতজ্ঞতা মাইন্ডসেট বদলে দেয়।
১১/ নিজের চিন্তাভাবনা লিখুন (জার্নালিং)।
১২/ প্রতিদিন ১টা অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলুন।
১৩/ প্রতিদিন ১টি ভালো পডকাস্ট/ভিডিও দেখুন শেখার জন্য।
১৪/ নিজের ভুল স্বীকার করে নেওয়ার অভ্যাস করুন।
১৫/ নিজের সাথে ১টা ছোট প্রতিজ্ঞা করুন, এবং সেটা রক্ষা করুন। এতে আপনার কনফিডেন্স বাড়বে।
19/07/2025
মাংসে অরুচি ঝটপট তৈরি করুন সুস্বাদু ফিশ টিক্কা:
অধিকাংশ মায়ের অভিযোগ বাচ্চা মাছ খেতে চায় না। মাছ খেতে না চাইলে মাছ দিয়ে তৈরি করে ফেলতে পারেন মুখরোচক ফিশ টিক্কা। মাছ দিয়ে টিক্কা তৈরি করে খেলেও পুষ্টিগুণ থাকবে অটুট। ঘরেই বানিয়ে ফেলুন জিভে জল আনা ফিশ টিক্কা। যা লাগবে কাঁটা ছাড়িয়ে টুকরো করে রাখা মাছ ১ কেজি, মাখন ১০০ গ্রাম, পিঁয়াজকুচি ৪ টেবিল চামচ, রসুন কুচি ৩ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ধনেগুঁড়া ২ টেবিল চামচ, জিরাগুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা চামচ, টকদই ১০০ গ্রাম, বাস্টিংয়ের জন্য মাখন। যেভাবে তৈরি করবেন একটি কড়াইয়ে মাখন দিয়ে পিঁয়াজ বাদামী করে ভেজে নিন। ভাজা পিঁয়াজ তুলে অতিরিক্ত মাখন ঝরিয়ে পিঁয়াজ ভাজাগুলি ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করে নিন। একইভাবে রসুন ভেজে পেস্ট তৈরি করুন। পিঁয়াজ ও রসুনের পেস্টের সঙ্গে মাখনসহ সব উপকরণ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে, মাছের সঙ্গে মিশিয়ে ২ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর মাছের টুকরোগুলি শিকে গেঁথে ওভেনে ১০ মিনিট গ্রিল করে নিন। এবার ওভেন থেকে বের করে মাখন দিয়ে বেস্ট করে আরও ৫ মিনিট গ্রিল করে নিন। মাছগুলো শিক থেকে বের করে গরম গরম পরিবেশন করুন। যাদের বাসায় ওভেন নেই তারা চুলায় লালচে করে ভেজে গরম গরম পরিবেশন করুন।এই লেখাটার বিষয়বস্তু আর ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহিত
30/06/2025
একটি স্টর্টআপ কোম্পানি শুরু থেকে দাঁড়িয়ে থাকে কি ভাবে এবং কোথায় যাবে এ বিষয়ে নিজের সামান্য কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করছিঃ
একটি বিজনেস আইডিয়া থেকে স্টার্টআপ দাঁড় করানোর জন্য একটি সুচিন্তিত রোডম্যাপ প্রয়োজন। নিচে ধাপে ধাপে একটি রোডম্যাপ দেওয়া হলো, যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য হতে পারে। আপনি যদি শুরু করতে চান, তাহলে প্রশ্ন করবেন না: “আমি কীভাবে শুরু করব? প্রশ্ন করবেন: “আমার প্রথম দিনের প্ল্যান কোথায়?”
এখানে বিস্তারিত বর্ননা থাকে, প্রতিদিন কী করবেন, কোথায় বাজেট লাগবে, কে কাজ করবে, কতদিনে আপনি প্রথম ইনকাম পাবেন। এটি এক ধরনের স্টার্টআপ জ্যামিতি। যেটা আপনি না বুঝলে পথ হারাতে পারেন।
আইডিয়া যাচাই ও গবেষণাঃ
মার্কেট রিসার্চঃ আপনার আইডিয়াটি কোন কোন সমস্যার সমাধান করছে তা চিহ্নিত করুন। টার্গেট গ্রাহক কারা, তাদের চাহিদা কী, এবং বাজারে প্রতিযোগিতা কেমন তা বিশ্লেষণ করুন।
* সম্ভাব্য গ্রাহক, বিশেষজ্ঞ বা বন্ধুদের কাছ থেকে আইডিয়া সম্পর্কে মতামত নিন।
* আইডিয়াটি বাস্তবায়নযোগ্য কিনা, প্রয়োজনীয় সম্পদ (অর্থ, দক্ষতা, প্রযুক্তি) আছে কিনা তা যাচাই করুন।
* একটি সরল প্রোটোটাইপ তৈরি করে প্রথম দিকে পরীক্ষা করুন।
বিজনেস প্ল্যান তৈরিঃ
* স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য ঠিক করুন।
* কীভাবে আয় করবেন (যেমন: পণ্য বিক্রি, সাবস্ক্রিপশন, ফ্রিমিয়াম) তা ঠিক করুন।
* প্রাথমিক বিনিয়োগ, খরচ, এবং রাজস্ব প্রক্ষেপণ তৈরি করুন।
* প্রয়োজনীয় দক্ষতার অধিকারী টিম সদস্য নির্বাচন করুন।
আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামোঃ
* ব্যবসার ধরন যেমন একক মালিকানা, পার্টনারশিপ, বা লিমিটেড কোম্পানি কোনটি হবে তা ঠিক করুন।
* বাংলাদেশে RJSC (Registrar of Joint Stock Companies) এর মাধ্যমে ব্যবসা নিবন্ধন করুন।
*ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন, ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি সংগ্রহ করুন।
* প্রয়োজনে ট্রেডমার্ক, পেটেন্ট, বা কপিরাইট নিশ্চিত করুন।
# অর্থের যোগানঃ
* ব্যক্তিগত সঞ্চয় বা পরিবারের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ।
* অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বা স্টার্টআপ ইনকিউবেটরের (যেমন: বাংলাদেশে YY Ventures, Startup Bangladesh) কাছ থেকে ফান্ডিং।
* ব্যাংক বা মাইক্রোফাইন্যান্স ইনস্টিটিউট থেকে ঋণ নেওয়ার বিষয়ে খোঁজ নিন।
* Kickstarter বা Indiegogo-এর মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।
# প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস ডেভেলপমেন্টঃ
* গ্রাহকের ফিডব্যাকের ভিত্তিতে উন্নত পণ্য/সেবা তৈরি করুন।
* প্রয়োজনে ওয়েবসাইট, অ্যাপ, বা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করুন।
* সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে বিটা টেস্টিং করুন।
# মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিংঃ
* লোগো, স্লোগান, এবং ব্র্যান্ড গাইডলাইন তৈরি করুন।
* সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম), গুগল অ্যাডস, এবং SEO ব্যবহার করুন।
* লোকাল মার্কেটি যেমন লোকাল ইভেন্ট, বা ওয়ার্ড ওফ মাউথ প্রচার কার্যকর হতে পারে।
* ডিসকাউন্ট, লয়ালটি প্রোগ্রাম, বা রেফারেল প্রোগ্রাম চালু করুন।
# প্রডাক্ট বা সার্ভিস লঞ্চ ও অপারেশনঃ
* প্রি-লঞ্চ প্রচার সোশ্যাল মিডিয়া বা ইভেন্টের মাধ্যমে হাইপ তৈরি করুন।
* অফিসিয়াল লঞ্চ একটি ইভেন্ট বা ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করুন।
* সাপ্লাই চেইন, ডেলিভারি, এবং কাস্টমার সাপোর্ট সিস্টেম তৈরি করুন।
* প্রাথমিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে দ্রুত সমস্যা সমাধান করুন।
# ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ
* হরাইজেন্টাল ও ভারটিক্যেল বৃদ্ধি
* ক্রমাগত ফিডব্যাক নিয়ে পণ্য/সেবা উন্নত করুন।
* নতুন এলাকা বা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের পরিকল্পনা করুন।
* প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন কর্মী নিয়োগ করুন।
* অটোমেশন বা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করুন।
# ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা (Risk Management)
* নিয়মিত বাজেট পর্যালোচনা করুন এবং জরুরি তহবিল রাখুন।
* সব আইনি নিয়ম মেনে চলুন এবং প্রয়োজনে আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
* প্রতিযোগিতা এবং বাজারের পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলুন।
# মূল্যায়ন ও উন্নয়নঃ
* মূল পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর (যেমন: রাজস্ব, গ্রাহক সংখ্যা) পর্যবেক্ষণ করুন।
* যদি কোনো কৌশল কাজ না করে, তবে নতুন কৌশল বা ব্যবসায়িক মডেল বিবেচনা করুন।
* নিজেকে এবং টিমকে নতুন দক্ষতা শেখানোর মাধ্যমে আপডেট রাখুন।
# বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত সাবধানতাঃ
* স্থানীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম (যেমন: Bangladesh Angels, Startup Dhaka) এর সাথে যুক্ত হোন।
* বাংলাদেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারী বাড়ছে, তাই মোবাইল অ্যাপ বা এসএমএস-ভিত্তিক সেবার উপর ফোকাস করুন।
* বিকাশ, রকেট, বা নগদের মতো মোবাইল পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন ব্যবহার করুন।
* প্রাথমিকভাবে খরচের লাগাম টেনে খরচ কমিয়ে ছোট থেকে শুরু করুন।
একটি স্টার্টআপের প্রথম ১০০ দিন হলো তার ভবিষ্যতের ব্লুপ্রিন্ট।
আপনি যদি প্রথম ১০০ দিনের প্রতিদিনের কাজ, বাজেট ও টাইমিং ঠিকভাবে জানেন, তবে আপনি সাকসেস থেকে আর মাত্র এক স্ক্রিপ্ট দূরে।
প্রতিদিন থাকবে ৩টা বিষয়। একটি একশন, একটি বাজেট, একটি লক্ষ্য।
এই ১০০ দিনের প্রাথমিক করনীয়ঃ
১.নাম ও ব্র্যান্ডিং
২. মার্কেট রিসার্চ
৩. বিজনেস মডেল ফিক্স
৪. কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন
৫. ডিজিটাল সেটআপ (ওয়েবসাইট, হোস্টিং, পেমেন্ট)
৬. টিম বিল্ডিং
৭. ক্লায়েন্ট অ্যাকুইজিশন
৮. প্রডাক্ট ডেভেলপমেন্ট
৯. মার্কেটিং ক্যাম্পেইন
১০. অফিস/ওয়ার্কস্পেস ব্যবস্থাপনা
১১. অ্যাকাউন্টিং সেটআপ
১২. কাস্টমার সার্ভিস সিস্টেম
১৩. প্রথম রেভিনিউ
১৪. অটোমেশন
১৫. এবং সর্বশেষে স্কেলআপ স্ট্র্যাটেজি।
এই রোডম্যাপ অনুসরণ করে আপনি একটি সফল স্টার্টআপ গড়ে তুলতে পারেন। আপনার নির্দিষ্ট আইডিয়া বা শিল্প সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানালে, আমি আরও নির্দিষ্ট পরামর্শ দিতে পারি!
14/06/2025
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের লন্ডন সফর (৯-১৪ জুন, ২০২৫) বাংলাদেশের জন্য কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক, এবং রাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। সফরের সম্ভাব্য ফলাফল এবং পাচারকৃত অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে নিচে বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:
সফরের সম্ভাব্য ফলাফল
১. কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি:
ড. ইউনূস ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং ‘কিংস চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেছেন। এটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে পারে।
যুক্তরাজ্যের নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউসে বক্তৃতা এবং কমনওয়েলথ ও আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার (আইএমও) মহাসচিবদের সাথে বৈঠক বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ইমেজ উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে।
২. রাজনৈতিক সমর্থন আদায়:
সফরের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, সংস্কার, এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের সমর্থন পাওয়া। যদিও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সাথে বৈঠক হয়নি, অন্যান্য নীতিনির্ধারকদের সাথে আলোচনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সমর্থন বাড়াতে পারে।
৩. অর্থনৈতিক সহযোগিতা:
বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সাথে বৈঠক বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ভূমিকা রাখতে পারে।
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের সহায়তা চাওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের জন্য অর্থনৈতিক ও মানবিক সহযোগিতা বাড়াতে পারে।
৪. পাচারকৃত অর্থ ফেরতের উদ্যোগ:
সফরের একটি প্রধান এজেন্ডা ছিল সাবেক সরকারের আমলে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার জন্য যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাওয়া। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য।
পাচারকৃত অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা
১. ইতিবাচক দিক:
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠদের মালিকানাধীন লন্ডনে কোটি পাউন্ডের দুটি বাড়ি জব্দ করেছে, যা অর্থ পাচারের তদন্তে অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয়।
ড. ইউনূস ফিনান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, যুক্তরাজ্যের “আইনি ও নৈতিক” দায়িত্ব রয়েছে বাংলাদেশকে পাচারকৃত অর্থ ফেরত দিতে সহায়তা করার। এই বিবৃতি আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বাংলাদেশের দুদক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে যাওয়া নথিপত্র এবং প্রমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগকে শক্তিশালী করতে পারে।
২. চ্যালেঞ্জ:
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সাথে বৈঠক না হওয়া একটি বড় ধাক্কা। এটি যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক পর্যায়ে পূর্ণ সমর্থন পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কিছু সূত্র মনে করে, এটি যুক্তরাজ্যের জন্য রাজনৈতিকভাবে বিব্রতকর হতে পারে।
পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা একটি জটিল ও দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এটি আন্তর্জাতিক আইন, প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা, এবং দুই দেশের সহযোগিতার ওপর নির্ভর করে।
শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, টিউলিপ সিদ্দিক, এবং অন্যদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে, কিন্তু এই অভিযোগগুলো যুক্তরাজ্যের আদালতে প্রমাণ করা কঠিন হতে পারে। টিউলিপ সিদ্দিক ইতিমধ্যে অভিযোগগুলোকে “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে দাবি করেছেন।
৩. সম্ভাবনার মাত্রা:
স্বল্পমেয়াদে পাচারকৃত অর্থের বড় অংশ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম, কারণ আইনি প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ। তবে, যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা পাওয়া গেলে তদন্তে গতি আসতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদে, যদি বাংলাদেশ শক্তিশালী প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারে এবং যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা ও আর্থিক সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় বাড়াতে পারে, তবে কিছু অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা মাঝারি থেকে উচ্চ।
সফরটি অর্থ ফেরতের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সচেতনতা বাড়িয়েছে, যা ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের সাথে সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করতে পারে।
উপসংহার
ড. ইউনূসের লন্ডন সফর কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন আদায়ে সফল হলেও, পাচারকৃত অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ফলাফলের চেয়ে দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ার সূচনা করেছে। যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা এবং আইনি প্রক্রিয়ার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে অর্থ ফেরতের সম্ভাবনা মাঝারি, তবে এটি সময় এবং শক্তিশালী প্রমাণের ওপর নির্ভরশীল। সফরটি বাংলাদেশের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরেছে, যা অর্থনীতি ও জনগণের আস্থা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
28/12/2024
মনোচিকিৎসক ও চিকিৎসা সমাজকর্মীর পার্থক্য
মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় মনোচিকিৎসক (সাইকিয়াট্রিস্ট) ও চিকিৎসা সমাজকর্মী (ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার) দুজনেরই ভূমিকা রয়েছে। তবে সেটি সত্ত্বেও দুজের কর্মপরিধির জায়গাটা একটু আলাদা।
সাইকিয়াট্রিস্টদের থেকে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের মধ্যে কার্যক্রম এর
অবশ্যই সাইকিয়াট্রিস্ট এবং ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের অনেক পার্থক্য আছে। কারণ, সাইকিয়াট্রিস্টরা হচ্ছেন চিকিৎসক। ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কাররা চিকিৎসক নন। যেকোনো মানুষ যখন ক্রাইসিসে পড়ছে, মানসিক চাপে পড়ছে, ট্রমাটিক হচ্ছে, তাদের ভেতর নিরাপত্তাহীনতা, চাপ এই জায়গাগুলোতে তারা কোথায় আসলে যাবে। সেটা বোঝা যে তাদের কি সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যেতে হবে, কাউন্সেলিং লাগবে, বা তাদের সেই ক্ষেত্রে কী সাহায্যটা দরকার, প্রাথমিক সাহায্যটা কি দরকার, সেই অ্যাসাসমেন্টের জন্য ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আমাদের একটি ধারণা, মানসিকভাবে বা শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ার পরে চিকিৎসকের কাছে যাব, যেটা খুব ভুল ধারণা। আমাদের আসলে অসুস্থ হওয়ার আগে প্রতিরোধটা অনেক বেশি দরকার। সেটিই বেশি জরুরি। অসুস্থ হয়ে গেলে কিছু ক্ষতি করার পর, আমরা এর উত্তরণ ঘটানোর চাইতে বা চিকিৎসা নেওয়ার চাইতে, আমরা যাতে অসুস্থ না হই বা আমরা অল্পতেই যেন, মোকাবিলা করতে পারি, সে কাজগুলো করার ক্ষেত্রে চিকিৎসা সমাজকর্মী বা ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কাররা অনেক বড় ভূমিকা রাখে। কারণ এখানে আমরা দেখেছি, সাইকোএডুকেশন বা সাইকোথেরাপি, কমিউনিটি এডুকেশন এই কাজগুলো আসলে সোশ্যাল ওয়ার্কারদের কাজ। এখানে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কাররা মেন্টাল হেলথ বিষয়টি, ট্রমার বিষয়গুলো, চাপের বিষয়গুলো মোকাবিলা করার জন্য এ বিষয়ে পেশাদার বা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, তাদের জন্য এই কাজ করা অনেক সুবিধার।
সাইকোএডুকেশন বলতে আমরা যে জিনিসগুলো বোঝাতে চেয়েছি, কোনো মানুষের যে মানসিক সমস্যা হয় বা কী হতে পারে, এ সম্পর্কে যে ধারণা দেওয়া এবং এ সম্পর্কে তাদের আগে থেকে সচেতনতা দেওয়ার জন্য সাইকোএডুকেশন দেওয়া হয়। এডুকেশন এই অর্থে বলা হয়, গ্রামে অনেক সময় দেখেছি আমরা সবুজ ছাতা, সূর্যের হাসি, এই জিনিসগুলো কেন? এখানেও সাইকোএডুকেশন আছে।
একজন রোগীর যদি সিজার করতে হয়, সে মুহূর্তে রোগীর ক্রাইসিস তৈরি হচ্ছে, এক ধরনের ট্রমা হচ্ছে, তখন সাইকোএডুকেশন উপকারী হতে পারে। স্বল্পকালীন বিষয়গুলোকে ব্যবস্থাপনা করার জন্য শিক্ষাগুলো দিতে হয়। আমাদের জানা উচিত, কোন ধরনের সমস্যাগুলোতে কোন সমস্যা হতে পারে।
প্রশ্ন হলো, এ জন্য আমাদের কী প্রস্তুতি আছে? প্রস্তুতির জন্য হচ্ছে সাইকোএডুকেশন। ব্যবস্থাপনা কীভাবে করব? এখন দুর্যোগ হতেই পারে। তার আগে যদি আমাদের কিছু সমস্যা হয়, তিন নম্বর বিপদ সংকেত বা মহাবিপদ সংকেত। তেমনি মানসিক স্বাস্থ্যের কোন পর্যায়ে আমরা বিপদে আছি, সে সম্পর্কে যে সতর্কবাণী দেওয়া বা সেটাকে ব্যবস্থাপনা করার জন্যই ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কাররা কাজ করে। তথ্য সূত্র ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
20/12/2024
বিক্ষিপ্ত কিছু চিন্তাভাবনা
রাগ এবং অভিমান থেকে পরিত্রাণের উপায়। রাগ দমন বিষয়ে আল্লাহ রাসূলের এমন একটি হাদিসে এইভাবে এই ভাবে বলা হয়েছে, "যখন তোমার খুব রাগ হবে যদি দাঁড়ানো অবস্থায় থাকো তাহলে বসে পড়ো। আর যদি বসা অবস্থায় থাকো তখন শুয়ে পড়ো। তারপরেও যদি রাগ হয় তখন অজু করো তারপরেও যদি হয় তাহলে নামাজে দাঁড়িয়ে যাও। আসুন আমরা এই একটা বিব্রতকর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য থেকে কিভাবে নিজেকে হেফাজত করতে পারি সে বিষয়ে কিছু ভাবনা গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করি। প্রচলিত কথায় আছে রাগ করলেন তো আপনি হেরে গেলেন। তাই আমাদের এই অস্বস্তিকর অভ্যাস থেকে বের হয়ে কিভাবে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় রাগ দমন করার কৌশল রপ্ত করতে পারি এখন সে দিকে কিছু দৃষ্টিপাত করবো।
১) কেনো যখন তখন রাগ বা অভিমান হয় সে তথ্য গুলো শুরুতে যাচাই করুন রাগ বা অভিমানের কারণগুলি চিনহিত করুন। বাস্তব জীবনের ্যদৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যাগুলি বিশ্লেষণ করুন।
২) অতি নিকটজন আর চারপাশের মানুষের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে আপনার অনুভূতিগুলি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করুন। সম্পর্কের মানুষের সাথে কথা বললে ভুল বুঝাবুঝি খুব সহজেই কমে যাবে।
৩) গভীর শ্বাস নিন যখনই অভিমান বা রাগ উঠতে শুরু করে। এভাবে ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নেয়ার মাধ্যমে মন শান্ত করুন। এটি আপনার মানসিক অবস্থাকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে।
4. ইতিপূর্বে হাদীসের বিষয়ে যেমনটা আগেই বলেছি রাগ দমনের জন্য মেডিটেশন বা নামাজ ভালো একটা মাধ্যম। মেডিটেশন বা প্রার্থনা করে মনকে প্রশান্ত করুন। এটি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
৫) মনো সংযোগ ডাইভার্ট করতে তাৎক্ষণিক ভাবে শরীর চর্চা তথা ব্যায়াম শুরু করুন। এটি অভিমান ও রাগের শক্তি মুক্ত করতে ও মনকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
৬) রাগ বৃদ্ধিতে আপনার যে সমস্ত আবেগগুলি ইন্ধন যোগায় তা লিখুন। এটি আপনাকে আপনার অনুভূতি সম্পর্কে স্পষ্টতা দিতে পারে।
৭) সময় নিন যখন রাগ আসে তাহলে চিন্তা করতে পারবেন কেনো রাগ বা অভিমান এর শুরুটা কিসের জন্য। তখন একটু সময় নিয়ে কিছুক্ষণ একা থাকলে পরিস্থিতি নিয়ে ভাবার সুযোগ পাবেন এবং সহজেই রাগ দমন করতে পারবেন
৮) এতো কিছুর পরেও যদি ভালো ফলাফল না পান তাহলে যথোপযুক্ত ব্যক্তির নিকট পরামর্শ নিতে ভুলবেন না। যদি প্রয়োজন মনে করেন, একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।
এসবে আপনার রাগ ও অভিমান নিয়ন্ত্রণে সাহায্য পাবেন। ধৈর্য্য এবং সময়ের সাথে এই পরিবর্তনগুলি আসবে।
20/12/2024
জুম্মা মোবারক
15/12/2024
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে জনতার ভাবনা।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবা আমজনতার চিকিৎসা বিষয়ক মনোবৈকল্য তথা চিকিৎসা বিষয়ে তাদের চাহিদা ও প্রাপ্তি এর সাথে যুক্ত হচ্ছে জাতি হিসেবে আমাদের অতি আবেগ প্রবণতা। অসুস্থতার সময় চিকিৎসার সেবার পরিবেশ পরিস্থিতি আমাদেরকে দারুন ভাবে প্রভাবিত করে। একটা মূল সমস্যা হচ্ছে চাহিদা যোগান ও প্রাপ্তির বিষয়ে আমরা খুব সুস্পষ্ট ধারণা পোষণ করতে পারি না। এছাড়া চিকিৎসার বিষয়ে সবার সরকারি ব্যবস্থাপনা ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে একটা তথ্যগত ঘাটতি থেকে যায়। সরকারি চিকিৎসা মূলত জেলা পর্যায়ের হাসপাতাল সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত কিছু চিকিৎসা ইনস্টিটিউট চিকিৎসক কতজন রোগী তার কর্ম পরিবেশে হ্যান্ডেল করতে পারবে তার থেকে অনেক বেশি থাকে দেখতে হয় রোগীর ভর্তির পরিমাণ অনেক বেশি কিন্তু আসন ব্যবস্থা অপ্রতুল অপরদিকে হাসপাতাল মূলত একটি ব্যবস্থাপনা নির্ভর প্রতিষ্ঠান এখানে একক ভাবে ডাক্তারের রোগীর চাহিদা মিটিয়ে দেওয়ার অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। হাসপাতাল চালায় মূলত এর পরিচালক এর নার্সিং স্টাফ পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও অন্যান্য সহযোগী কর্মচারী কর্মকর্তা বৃন্দ। সরকারি হাসপাতালে তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী স্থানীয়ভাবে এবং বলতে গেলে আজীবন একই জায়গায় কর্ম সম্পাদন করে থাকে তাতে করে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে একটা কোটারি ব্যবস্থা তৈরি হয়ে যায়। অপরদিকে আরও একটা চলমান সমস্যা রোগীকে দেখাশোনার জন্য একাধিক মানুষ সার্বক্ষণিকভাবে হাসপাতালে আসা-যাওয়া করে এতে করে হাইজিন এবং পরিবেশগত প্রচন্ড রকমের প্রভাব সৃষ্টি হয়। এটা সম্ভবত কিছুটা অস্থায়ী স্বতঃস্ফূর্তভাবে না পাওয়া অথবা প্রাইওরিটি সবাই মনে করে তার টাই বেশি। একটা সাধারণ ধারণা হচ্ছে সরকারি চিকিৎসা মানে বিনামূল্যে চিকিৎসা ভর্তি হওয়া রোগীর সব ধরনের চিকিৎসা দেয় আদৌ বেসরকারি কোথাকার থেকে আসে কিনা অথবা ধরুন একটা এক হাজার বেডের হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছে ৪ হাজার যদি ১০০০ রুগীর বাজেট থাকে তাইলে ৪০০০ রুগীরা কিভাবে পরিপূর্ণভাবে সেবা পাবে। এগুলো চিন্তার বিষয় হাসপাতালে চিকিৎসা রুগীর সম্পর্ক এটা নির্ভর করবে ডাক্তার রোগ নির্ণয় কতটুকু আন্তরিক ছিলেন সেটা রোগী বুঝতে পেরেছে কিনা অথবা অনেক সময় রোগটা এমনিতেই ভালো হয়ে যাওয়ার কথা অথবা রোগ নির্ণয়ের জন্য অনেকগুলো ধাপ পার হতে হবে অনেকগুলো ইনভেস্টিগেশনের দরকার আছে এমত অবস্থায় সেগুলোকে হাসপাতাল সহায়তা করতে পারবে অথবা তার সেই ব্যাপারে পরিপূর্ণ ধারণা আছে কিনা।
09/11/2024
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
