Mitu & Twins
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mitu & Twins, Bashundhara, Dhaka.
কোরবানির সময় আমার ভাই স্টেকের পিস দুইটা করছে,সেই থেকে আর শান্তি দিলোনা আমারে😁
অবশেষে বানাই খাওয়াইলাম 🤦🏻♀️
06/06/2026
She is literally me😑
মানে তার ভিডিও গুলা দেখলে খিদায় মাথা ভোন ভোন শুরু করে 😬একটু আগে ভিডিও টা দেখে সাথে সাথে রান্না করে খেতে বসে গেছি 🍱
তারা নামাজে যাওয়া পর্যন্ত আমার শান্তি নাই 😁
এটা আবার জিজ্ঞেস করা লাগে নাকি 💁
Slow morning 🌅🪴
25/04/2026
টমাস আলভা এডিসন ও তার মায়ের গল্পটা আবার একটু রিভাইজ দেই?
টমাস আলভা এডিসন ছোটবেলায় অন্য বাচ্চাদের মতো ছিল না। স্কুলে সে খুব চুপচাপ থাকত, আবার অনেক প্রশ্ন করত। কিন্তু তার এই কৌতূহলকে অনেক সময় শিক্ষকরা “অমনোযোগী” বা “ধীর” হিসেবে দেখতেন। একদিন স্কুল থেকে তাকে একটি চিঠি দিয়ে বাড়ি পাঠানো হলো, বলা হলো এই চিঠি তার মাকে দিতে।
এডিসন বাড়িতে এসে মাকে চিঠিটা দিল। তার মা ন্যান্সি এডিসন চিঠিটা পড়লেন। কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেন, তারপর চোখে পানি নিয়ে ছেলেকে জড়িয়ে ধরলেন। তিনি উচ্চস্বরে পড়ে শোনালেন, “আপনার ছেলে খুব মেধাবী। এই স্কুল তার জন্য যথেষ্ট নয়। আমরা তাকে আর পড়াতে পারছি না। আপনি নিজেই তাকে পড়ান।” ছোট্ট এডিসন তখন বুঝল, সে বিশেষ কিছু। তার মা-ই তার সবচেয়ে বড় শিক্ষক হয়ে গেলেন।
এরপর থেকে তার মা নিজেই তাকে পড়াতে শুরু করলেন। শুধু বইয়ের পড়া না, বরং শেখালেন কীভাবে ভাবতে হয়, কীভাবে প্রশ্ন করতে হয়, কীভাবে হাল না ছেড়ে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। তার প্রতি বিশ্বাস কখনোই হারাননি। সেই বিশ্বাসটাই ধীরে ধীরে এডিসনের ভেতরে আত্মবিশ্বাস হয়ে গড়ে উঠল।
বছরের পর বছর কেটে গেল। সেই ছোট্ট ছেলেটাই একসময় বিশ্বের অন্যতম বড় আবিষ্কারক হয়ে উঠল। একদিন পুরনো কিছু জিনিস ঘাঁটতে গিয়ে এডিসন সেই স্কুলের চিঠিটা আবার খুঁজে পেল। এবার সে নিজে পড়ল। সেখানে লেখা ছিল, “আপনার ছেলে মানসিকভাবে দুর্বল। আমরা তাকে এই স্কুলে রাখতে পারব না।”
চিঠিটা পড়ে এডিসনের চোখে পানি এসে গেল। সে বুঝল, তার মা সত্যিটা জানতেন, কিন্তু তাকে কখনোই সেইভাবে ভাঙতে দেননি। বরং নিজের বিশ্বাস আর ভালোবাসা দিয়ে তাকে গড়ে তুলেছেন।
এই গল্পটা আমাদের কি শিক্ষা দেয়?
বাচ্চারা যেমন হয়, তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আমরা তাদের কীভাবে দেখি। যদি আমরা তাদের দুর্বলতা দেখি, তারা সেটাই বিশ্বাস করতে শুরু করে। আর যদি আমরা তাদের সম্ভাবনা দেখি, তারা ধীরে ধীরে সেটাই হয়ে ওঠে।
মা-বাবা হিসেবে আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব শুধু ভুল ধরিয়ে দেওয়া না, বরং তাদের ভেতরের শক্তিটাকে চিনতে সাহায্য করা। সব বাচ্চা একই রকম হবে না, সবার শেখার ধরন আলাদা। কিন্তু যদি আমরা তাদের পাশে থাকি, তাদের উপর বিশ্বাস রাখি, আর ভালোবাসা দিয়ে গাইড করি, তাহলে তারা নিজের পথ খুঁজে নিতে পারবে।
একটা বাচ্চার জীবনে একজন বিশ্বাসী মানুষের প্রভাব কতটা বড় হতে পারে, এডিসনের গল্প তারই একটা সুন্দর উদাহরণ।
25/04/2026
তিনটা টিশার্ট তিন দেশ থেকে কিনছিলাম কিন্তু এগুলো এতো সুন্দর যে পড়তে ইচ্ছা করে না 😑
স্টকে অনেক সুন্দর আর ইউনিক জিনিস আছে যেগুলো বের করিনা শুধু নষ্ট হয়ে যাবে সেই ভয়ে 😁
দশ দিন আগে পাঁচশো টাকা দিছিলাম এখনো ফেরত দেয়ার নাম নাই 😒
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Dhaka
