Natural Health Treat
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Natural Health Treat, Health/Beauty, BOT-TOLA, POOLPER, MOHAMMADPUR, DHAKA, Dhaka.
গ্যাস্ট্রিক কোস্ট কাঠিন্য থেকে বাচতে প্রতিদিন মেথি খান
🛑গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খেতে খেতে কি ক্লান্ত হয়ে গেছেন ?
👉দামী দামী ঔষধ খেয়েও কোনো উপকার পাচ্ছেন না?
গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থাকলে এই মেথি পাউডারটি এখনই অর্ডার করা উচিত🥰
👉কেন আপনি মেথি পাউডারটি খাবেন?
✅গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দূর হবে।
✅খাওয়াই রুচি বাড়বে।
✅বুকে জ্বালাপোড়া বন্ধ হবে।
✅বদহজম উঠবে না।
✅পেট ফাঁপা সমস্যা হবে না।
🛑যে কারণে মেথি পাউডারটি কিনবেন?
✅সম্পূর্ণ ন্যাচারাল প্রায় ১৮ টি ভেষজ উপাদান দিয়ে তৈরি।
✅হাজার হাজার মানুষ উপকার পেয়েছে।
✅অভিজ্ঞ হাকিম দ্বারা প্রস্তুতকৃত আমাদের এই ভেষজ রেমিডি।
👉অর্ডার করতে কল করুন 01905813095
আমাদের কাছে অর্ডার করতে অগ্রীম এক টাকাও দিতে হবেনা, সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি পাবেন
✅ IBS/গ্যাস্ট্রিকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া-বিহীন ন্যাচারাল সমাধান পেতে এখনই অর্ডার করুন 👉
মেথির উপকারিতা
মেথি বিভিন্ন রোগের মহা ঔষধ হিসেবে কাজ করে। মেথি রয়েছে অনেক উপকারী গুণ। মেথির কিছু উপকারিতা হলো:
১) যে কোনো গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দূর করে।
২) খাদ্য হজম শক্তি বাড়ায়।
৩) চুল পড়া কমায়।
৪) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৬) ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণ করে।
৭) ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
৮) শরীরের ফোলা ফোলা ভাব দূর করে।
৯) মেথি ওজন কমাতে সাহায্য করে।
১০) মেথি কিডনির কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
১১) শরীরকে ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।
১২) মেয়েদের পিরিয়ডকালীন ব্যথা দূর করে।
১৩) বুক জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে।
১৪) পেটের কৃমি দূর করে।
22/04/2024
গ্যাস্ট্রিক দূর করতে মেথি
অনিয়মিত জীবনযাপন খাদ্য প্রণালী গ্যাস্ট্রিকের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অনেকেই দীর্ঘদিন এই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধান দেবে মেথি পাউডার । মেথি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় কার্যকারী একটি উপাদান যার নিয়ম মেনে খেলে আপনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। নিয়ম মেনে মেথি খেলে গ্যাস্ট্রিক দূর হয়। মেথি এমন একটি ঔষধ যা শুধুমাত্র গ্যাস্ট্রিক নয় গ্যাস্ট্রিক ছাড়া ও অন্যান্য জটিল রোগের ঔষধি হিসেবে কাজ করে। মেথিতে রয়েছেন নানারকম গুনাগুন যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
নিয়মিত মেথি পাউডার খেলে, ভয়াবহ গ্যাস্ট্রিক, অথবা গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে চিরো স্থায়ীভাবে মুক্তি পাবেন ইনশাআল্লাহ।
Natural Health Treat
আপনি কী নিয়মিত হাই-প্রেশারের ওষুধ খাচ্ছেন? এর ফলে কী ক্ষতি হচ্ছে জানেন। উচ্চ রক্তচাপ কমাতে হাই প্রেশারের ওষুধ অনেকেই খান। কিন্তু সেই ওষুধের মারাত্মক ক্ষতিকারক প্রভাব ধরা পড়েছে সাম্প্রতিক গবেষণায়।
দীর্ঘ দিন ঔষোধ খাওয়ার ফলে আপনার কিডনি ডেমেজ, লিভার হার্ট অ্যাটাক স্ট্রোক, ও ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের দেখা দিতে পারে, তাই আগে থেকেই সতর্ক হোন, প্রতিদিন এক গ্লাস বিটরুট জুস আপনাকে এসব রোগ থেকে সুরক্ষা দিবে, রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে ফ্যাটি লিভার কমাতে বিটরুট জুস অত্যান্ত কার্যকরী।
আমাদের বিটরুট পাউডার BSTI PCR সার্টিফাইড কর্তৃক অনুমদিত। বিটরুটে রয়েছে ৩০০ টিরও বেসি রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা যা ১০ হাজার গবেষনায় প্রমানিত।
“বিটরুট জুস পাউডার যেহেতু কোন মে"ডি"সিন না তাই এটা যে কোন ভাবে খাওয়া যায়।
যেমন-” রাতে খালি পেটে ১ গ্লাস পানির সাথে ১ চামচ বা ৪ গ্রাম বিটরুট পাউডার মিশিয়ে খেলে সব থেকে ভাল উপকার পাওয়া যায়। স্যুপের সাথে খাওয়া যায় ।
অফারে অর্ডার করতে এখনি নিচের Order Now বাটনে ক্লিক করুন ।
অথবা ভিজিট করুন
https://bdfoods.xyz
অথবা কল করুন
01793538008
বিটরুট গুড়া
সুন্দর লালচে বেগুনী রং এর বিটরুট আমরা অনেকেই চিনি এবং আমাদের অনেকেরই পছন্দও। কিন্তু বিটরুট যে আমাদের স্বাস্থ্য, ত্বক ও চুলের যত্নে যে কতটা কার্যকরী তা হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা।চলুন তাহলে আজ প্রথমেই জানবো বিটরুট এর উপকারিতার ব্যপারে। বিটরুট কেটে শুকিয়ে গুড়ো করে নিয়ে বিটরুট গুড়া তৈরী হয়ে থাকে।
স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে বিটরুট এর উপকারিতা
(১)প্রচুর এন্টিঅক্সিডেন্ট প্রপারটিজ রয়েছে:
বিটরুটে বেটালেইনস ও বিটাসায়ানিন নামক এন্টিঅক্সিডেন্টস রয়েছে যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের
ক্ষয়ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে,ত্বকের জ্বালাপোড়া দূর করে,কোষের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে
সাহায্য করে,ক্যান্সার আক্রমণের হার কমিয়ে আনে।
(২)ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক:
বিটরুটে রয়েছে প্রাকৃতিক নাইট্রেট যা নাইট্রিক অক্সাইডে পরিবর্তিত হয়ে শরীরে একটা সতেজ
অনুভূতি দেয়,রক্তের শিরাগুলোকে পরিশুদ্ধ করে,রক্ত প্রবাহ উন্নত করে এবং এভাবে সার্বিক
ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে দূর্দান্ত ভূমিকা রাখে।
(৩) বিবিধ পুস্টিগুণ সমৃদ্ধ:
বিটরুটে রয়েছে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম,প্রটিন,আয়রন,ফাইবার,ম্যাঙ্গানিজ,ভিটামিন বি ৬ বা
পাইরোডক্সিন,ফোলেট ইত্যাদি।এতকিছু মিলে বিটরুট আমাদের শরীরে ওভারঅল উপকারীতা দেয়।
(৪)হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে:
নিয়মিত বিটরুট গুড়া সেবন করতে থাকলে শরীরে HDL(High density Lipoprotein) বা গুড
কোলেস্টরল লেভেল বাড়িয়ে তোলে এবং
LDL(Low density Lipoprotein) বা ব্যাড কোলেস্টরল লেভেল কমিয়ে আনে।এতে করে
এথেরোস্কেলেসিস বা ধমনি সংকুচিত হয়ে যাওয়ার সমস্যা ও হার্ট এটাকের প্রবণতা কমে আসে
আশানুরূপভাবে।
(৫)হজম প্রক্রিয়া উন্নতকরণ:
বিটরুটে রয়েছে প্রচুর মাত্রার প্রবায়োটিক ফাইবার যা পরিপাক সমন্ধীয় ব্যাপার,বাওয়েল
মুভমেন্টস বা (Defecation) বা মলত্যাগ,অন্ত্রের স্বাস্থ্য,লিভার পরিশুদ্ধকরণ জাতীয়
সমস্যাগুলোর ওপর ভালো কাজ করে এবং আস্তে আস্তে এগুলো সমাধান করে আনে।
বিটরুট খাওয়ার নিয়ম
বলা হয়ে থাকে যে এক চা চামচ বিটরুট গুড়া সম্পূর্ণ একটি বিটরুটের সমান পুস্টি দিয়ে
থাকে।প্রতিদিনকার পুস্টির ৩% -১৬% পুস্টি কাভার হয়ে যায় এই এক চা চামচ বিটরুট গুড়া
থেকে।বিটরুট গুড়া স্যালাড,স্মুদি(বিশেষ করে আঙ্গুর, কলা,ভিটামিন সি জাতীয় ফলের স্মুদিগুলোর
সাথে),বেকিং প্রডাক্টস যেমন কেক,বিস্কিট,মাফিন ইত্যাদির সাথে),স্যুপ ,পাস্তা বা নুডুলস,বাসায়
তৈরীকৃত কোন এনার্জি বল বা পিনাট বারের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।এছাড়া কফি বা হট চকোলেটের
সাথে মিশিয়েও আপনি এনজয় করতে পারেন বিটরুটের অসাম টেস্ট ও এনার্জি।এতে করে আপনি
প্রতি চুমুকেই বিটরুটের ইউনিক ফ্লেভার ও কালার পেয়ে যাবেন ।
প্রডাক্টের ধরণ:বিটরুট স্লাইস করে কেটে শুকিয়ে গুড়ো করে নেওয়া।
ন্যাচার:প্রাকৃতিক,অর্গানিক,হালাল ও কীটনাশকমুক্ত
Natural Health Treat #বিটরুট
✅বাংলাদেশে প্রায় ৩৪ শতাংশ মৃত্যুর কারন হচ্ছে হৃদরোগ । বাংলাদেশে প্রাপ্ত বয়স্ক প্রতি চারজনে একজন উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার নামক মারাত্মক মরন ব্যাধি সমস্যায় ভুগছেন⚠️
যা স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি বাড়াচ্ছে বহুগুন
এতে প্রতি বছর সারা বিশ্বে প্রায় ৭০ লক্ষ মানুস মারা যাচ্ছে
ভয়াবহ এই সমস্যায় ভুগছেন বিশ্বের প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ। তাই সময় থাকতে সচেতন হোন।
✅ অনেকে প্রেশার কমাতে নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় ধরা পড়েছে
প্রেশারের ওষুধের মারাত্মক ক্ষতিকারক প্রভাব।
প্রতিদিন ১গ্লাস বিট রুট জুস সেবন আপনারঃ
১. উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ।
২ স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কমায় ।
৩. বিটে আছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এমাইনো এসিড গ্লুটামিন যা পরিপাকতন্ত্রের ফিটনেস বাড়ায়। হজমের সমস্যায় ভুগলে বিট খাওয়া উপকারী। বিট আঁশ জাতীয় খাবার। বিটে থাকা ফাইবার বা আশঁ খাবার হজমে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য, ডাইভার্টিকুলাইটিস এমনকি কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।
৩. দীর্ঘ-মেয়াদী চোঁখের যত্নে কাজ করে ।
৪. জ্বালা পোড়া বা প্রদাহ কমায় ।
৫. বিট জুস শরীরের টক্সিন দূর করে শরীরকে ডিটক্সিফাই করে
৬. শারীরিক শক্তি বাড়ায় ।
৭. মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায় ।
৮. ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় ।
“বিটরুট জুস পাউডার যেহেতু কোন মে"ডি"সিন না তাই এটা যে কোন ভাবে খাওয়া যায়।
যেমন-” সকালে খালি পেটে ১ গ্লাস পানির সাথে ১ চামচ বা ৪ গ্রাম বিটরুট পাউডার মিশিয়ে খেলে সব থেকে ভাল উপকার পাওয়া যায়। স্যুপের সাথে খাওয়া যায় ।
12/04/2024
বিটরুট গুড়া
সুন্দর লালচে বেগুনী রং এর বিটরুট আমরা অনেকেই চিনি এবং আমাদের অনেকেরই পছন্দও। কিন্তু বিটরুট যে আমাদের স্বাস্থ্য, ত্বক ও চুলের যত্নে যে কতটা কার্যকরী তা হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা।চলুন তাহলে আজ প্রথমেই জানবো বিটরুট এর উপকারিতার ব্যপারে। বিটরুট কেটে শুকিয়ে গুড়ো করে নিয়ে বিটরুট গুড়া তৈরী হয়ে থাকে।
স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে বিটরুট এর উপকারিতা
(১)প্রচুর এন্টিঅক্সিডেন্ট প্রপারটিজ রয়েছে:
বিটরুটে বেটালেইনস ও বিটাসায়ানিন নামক এন্টিঅক্সিডেন্টস রয়েছে যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের
ক্ষয়ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে,ত্বকের জ্বালাপোড়া দূর করে,কোষের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে
সাহায্য করে,ক্যান্সার আক্রমণের হার কমিয়ে আনে।
(২)ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক:
বিটরুটে রয়েছে প্রাকৃতিক নাইট্রেট যা নাইট্রিক অক্সাইডে পরিবর্তিত হয়ে শরীরে একটা সতেজ
অনুভূতি দেয়,রক্তের শিরাগুলোকে পরিশুদ্ধ করে,রক্ত প্রবাহ উন্নত করে এবং এভাবে সার্বিক
ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে দূর্দান্ত ভূমিকা রাখে।
(৩) বিবিধ পুস্টিগুণ সমৃদ্ধ:
বিটরুটে রয়েছে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম,প্রটিন,আয়রন,ফাইবার,ম্যাঙ্গানিজ,ভিটামিন বি ৬ বা
পাইরোডক্সিন,ফোলেট ইত্যাদি।এতকিছু মিলে বিটরুট আমাদের শরীরে ওভারঅল উপকারীতা দেয়।
(৪)হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে:
নিয়মিত বিটরুট গুড়া সেবন করতে থাকলে শরীরে HDL(High density Lipoprotein) বা গুড
কোলেস্টরল লেভেল বাড়িয়ে তোলে এবং
LDL(Low density Lipoprotein) বা ব্যাড কোলেস্টরল লেভেল কমিয়ে আনে।এতে করে
এথেরোস্কেলেসিস বা ধমনি সংকুচিত হয়ে যাওয়ার সমস্যা ও হার্ট এটাকের প্রবণতা কমে আসে
আশানুরূপভাবে।
(৫)হজম প্রক্রিয়া উন্নতকরণ:
বিটরুটে রয়েছে প্রচুর মাত্রার প্রবায়োটিক ফাইবার যা পরিপাক সমন্ধীয় ব্যাপার,বাওয়েল
মুভমেন্টস বা (Defecation) বা মলত্যাগ,অন্ত্রের স্বাস্থ্য,লিভার পরিশুদ্ধকরণ জাতীয়
সমস্যাগুলোর ওপর ভালো কাজ করে এবং আস্তে আস্তে এগুলো সমাধান করে আনে।
বিটরুট খাওয়ার নিয়ম
বলা হয়ে থাকে যে এক চা চামচ বিটরুট গুড়া সম্পূর্ণ একটি বিটরুটের সমান পুস্টি দিয়ে
থাকে।প্রতিদিনকার পুস্টির ৩% -১৬% পুস্টি কাভার হয়ে যায় এই এক চা চামচ বিটরুট গুড়া
থেকে।বিটরুট গুড়া স্যালাড,স্মুদি(বিশেষ করে আঙ্গুর, কলা,ভিটামিন সি জাতীয় ফলের স্মুদিগুলোর
সাথে),বেকিং প্রডাক্টস যেমন কেক,বিস্কিট,মাফিন ইত্যাদির সাথে),স্যুপ ,পাস্তা বা নুডুলস,বাসায়
তৈরীকৃত কোন এনার্জি বল বা পিনাট বারের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।এছাড়া কফি বা হট চকোলেটের
সাথে মিশিয়েও আপনি এনজয় করতে পারেন বিটরুটের অসাম টেস্ট ও এনার্জি।এতে করে আপনি
প্রতি চুমুকেই বিটরুটের ইউনিক ফ্লেভার ও কালার পেয়ে যাবেন ।
প্রডাক্টের ধরণ:বিটরুট স্লাইস করে কেটে শুকিয়ে গুড়ো করে নেওয়া।
ন্যাচার:প্রাকৃতিক,অর্গানিক,হালাল ও কীটনাশকমুক্ত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
