Roza
রোমান্টিক মুভি ট্রেলার
19/11/2025
রাত ১২ টার পর কে জানি। আমার হিসু করার জায়গায় ব্যাথা দিয়ে থাকে।
কিন্তু কিছু বুজতে পারি না। কারন আমার রাত 12 টার পর এতটাই ঘুম ধরে যে কখন কি হয় জানি না।
সকাল বেলায় উঠতেই পারি না ব্যথার কারনে?
তবে হাসিব আমাদের বাসায় এসেছে থেকে এমন হচ্ছে।
তবে কি হাসিব আমার সাথে রাতে ওই সব কাজ করে?
এই ভাবতেছে রুমি। কিন্তু কাউকে কিছুই বলতেছে না।
আর হাসিব কেই বা কি বলবে। সে তো আমার মামাতো ভাই হয়।
আর 1 বছরের ছোট?
তাকে এই সব বলা কি ঠিক হবে।
এই ভবতে ভাবতে?
হাসিব আপু কেমন আছো?
রুমি হ্যা ভালো আছি তুই কেমন আছিস?
হাসিব হ্যা আমি ও ভালো আছি। কিন্তু তোমার শরির খারাপ নাকি এখনো শুয়ে আছো।
রুমি না এমনি শুয়ে আছি।
এই পর্যন্ত যখন এসেছো, নিজেকে একটা চা-বিস্কুট অফার করো!
রুমি কথা গুল গোপন রাখতেছে। বলতেছেনা কিছুই হাসিবের সামনে।
চলেন পরিচয় দেই একটু আমার নাম রুমি কলেজে পরি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে। যার কথা বললাম আমার মামাতো ভাই হাসিব। সে পরে ফাস্ট ইয়ারে। আমাদের বাসায় ঘুরতে এসেছে।
হাসিব আপু চলো ঘুরতে যাবো একটু।
রুমি কোথাই যাবি ঘুরতে হ্যা। আমি যাইতে পারবোনা রে।
হাসিব কেনো পারবা না শুনি কি হয়েছে তোমার।
রুমি এমনি আমি একটু অসুস্থ মনে হচ্ছে।
হাসিব কি হয়েছে বলবে তো তুমি ।
রুমি এই সব ছেলে দের বলা যায় না। আর তুই এখন যা তো পরে আসিস আমার রুমে।
হাসিব ঠিক আছে আপু যাচ্ছি আমি ।
এই বলেই হাসিব যায়।
কিন্তু রুমির মনে এখনো ওই কথাই মনে হচ্ছে যে কেমন এমন করলো।
ভাবতেছে ভাবতেছে এমন সময় মনে পরলো।
হাসিব যে আমাকে প্রতিদিন আমার রুমে দুধ নিয়ে আসে আমাকে দেওয়ার জন্যে।
ওই কি কিছু মেশায় নাকি।
না আজ দেখবো কি হয় বলেই রুমি ফ্রেশ হয়েই সারা দিন শুয়ে থাকে রুমে।
রাত্রে খাওয়া দাওয়া শেষে আজো আবার হাসিব আসলো?.
হাসিব আপু আসবো রুমে।
রুমি হুম আয়।
হাসিব এই নাও দুধ টুকু খেয়ে নাও তোমার অনেক ভালো লাগবে।
রুমি হুম রাখ পরে খাবো আমি
হাসিব এখনি খেয়ে নাও না হলে ঠান্ডা হবে।
এইকথা বলে খুব জোর করে কিন্তু রুমি বলে পরে খাবে।
রুমি এখানেই রেখে যা বলছি না আমি পরে খাবো?
হাসিব ঠিক আছে খেয়ে নিও। বলেই চলে যায়।
যখনি হাসিব চলে যায়। এ ফাকেই আবার রুমি করে কি সব দুধ জানালা দিয়ে বাইরে ফেলাই দেয়।
আবার 20 মিনিট পর হাসিব আসে।
হাসিব আপু খাইছো দুধ।
রুমি হ্যা রে খাইছি।
চলবে.....
📌গল্পটা সম্পূর্ণ নাটক আকারে দেখুন আমাদের অফিসিয়াল youtube চ্যানেলে ভিডিওর লিংক কমেন্টবক্সে দেওয়া আছে
04/08/2025
শারিটা খুলে লাল টুক টুকে ব্লা /উ /জ আর শা / য়াটা পরে শুয়ে আছি খদ্দেরে জন্যে!
--ঠিক একটু পরে সুন্দর একটি ছেলে আমার রুমে আসে। জিঙ্গেস করলাম তোর বয়স কতো।
--আমার বয়স যতোই হোক সেটা বলাটা প্রোয়োজন মনে করি না।
--ওহ কিন্তু আমি যে আমার বয়সে ছোট ছেলেদের সাথে শারী-রিক সম্পর্কে যাইনা।
--কেনো টাকা কম হয়েছে নাকি!
--না টাকা কম হয়নি। কিন্তু তুই তো এখনো ছোট্ট কতো আর বয়স হবে এই ২১ বছর? আমার বয়স জানিস কতো ২৫ বছর!
--সমস্যা নেই। কাজ শেষে আরো টাকা দিবো?
--কথাটি বলেই আমার উপরে ঝাপিয়ে পরে। পাগলের মতো কিস করতে থাকে। আমার শারা শরীরে। ওর এমন পাগলামি দেখে ভালো লাগেছিলো। তাই আর বাধা দিলাম না।
--প্রায় সময়ের থেকে অধিক সময় নিয়ে আমার সাথে শারী-রিক সম্পর্ক করলো আমি বাধা দিলাম না। কাজ শেষে ২ হাজার টাকা উপহার দিয়ে বলে গেলো।
--তোরে আমার খুব ভালো লাগছে আবার আসবো রেডি থাকিস কিন্তু তুই।
--ওর কথায় শুধুমাত্র আমি একটু হাসলাম। আর কিচ্ছুটি বলিনাই।
(যাই হোক এখন একট পরিচয় দেই ছেলেটির নাম হলো কাব্য আর যার সাথে শারী-রিক মেলা মেশা করলো তার নাম হলো পরি? বতর্মান এই টুকুই জানুন শুধুমাত্র গল্পে সব খুলে বলবো )
--তো কাব্য পতিতালয় থেকে সোজা বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে শুয়ে আছে ঠিক সেই সময় তার মা রুমে উপস্থিত হয়।
কাব্য : মা কিছু বলবা!
মা : হুম বলার জন্যে এসেছি। আজ তোর বিয়ে সেটাও আবার একটু পরে।
কাব্য : What? কি বলছো এই সব তুমি ।
মা : হুম যা বলছি তাই। এই সব হঠাৎ করেই হয়ে গেছে। মেয়ের বাবা কাল বিদেশ যাবে তাই আজকেই বিয়েটা হবে।
কাব্য : এটা আবার কেমন বিয়ে মা?
মা : আরে বাবা সব তোকে পরে বুজিয়ে বলবো আমি ।
কাব্য : এখনি বলো।
মা : আমরা চাইতেছি আজ তোদের বিয়েটা কোন রকমে হোক। সামনের মাসে ধুম ধাম করে আবার অনুষ্ঠান করে বিয়ে দিবো।
কাব্য : ওহ আচ্ছা । কিন্তু মে দেখতে কেমন।
মা : হুম মেয়ে মাশ আল্লাহ্ অনেক সুন্দর আছে। তুই এখন রেডি হয়ে নে।
কাব্য : আচ্ছা ঠিক আছে মা।
--এর পরে কাব্য মায়ের কথা মতো রেডি হয়ে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে রহনা হয় মেয়ের বাড়িতে।
--তো মেয়ের বাড়িতে এসে দেখে তেমন কোন লোক নেই। যার সাথে বলতে যে মেয়েটার সাথে বিয়ে হবে ও বিশাল একটি ঘোমটা মুখে দিয়ে বসে আছে। এর পরে কাব্যকে সেখান বসিয়ে। কাজি তারা হুরা করেই বিয়েটা সম্পুর্ণ হয়।
--বিয়ে শেষে বউকে নিয়ে কাব্য সব ওর বাবা মা বাড়িতে নিয়ে আসে।
--কাব্য ভাবতেই পারতেছে না এই ২/৩ ঘন্টার মাঝে কি থেকে কি হয়ে গেলো। সব জেনো মাথার উপর দিয়ে চলে গেলো।
--তো বাসায় আসার পরে বউকে কাব্যের রুমে নিয়ে যাওয়া হয়।
--বেশ কিচ্ছুক্ষন পরে!
মা: কিরে কাব্য তুই এখনো বাহিরে কি করিশ? ভিতরে যা বউ মা অপেক্ষায় আছে।
কাব্য : হু যাচ্ছি মা।
--এটা বলেই কাব্য রুমের ভিতরে চলে আসে। কাব্যের মনে শুধুমাত্র একটাই প্রশ্ন আল্লাহ্ বউ যানি কেমন।
--রুমের ভিতরে আসার সাথে সাথেই কাব্যের বউ এসে কাব্যের পায়ে সালাম করে? এতে কাব্য ও খুশি হয়।
--এর পরে যখন কাব্য বউয়ের ঘোমটা টা তুলার সাথে সাথেই কাব্য খুব বড় একটি শর্ট খায়।
কাব্য : এইইইইই এইইই তুমি এখানে। তুমি তো দেহ ব্যবসা করো।
--এটা বলেই কাব্য ওর মা বাবা কে ডাকতে থাকে। বাবা মা ওর ডক শুনে তৎখানাত সেখানে চলে আসে।
মা : কি হয়েছে এমন চিৎকার করছিস কেনো?
কাব্য : মা এই মেয়ে তো.......????
""এর পরে কি হলো যানতে হলে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ?
প্রতিটা পর্ব পেতে পেইজ টা ফলো করুন 👉 Roza
#অপরূপা
#সহিত্য_ডাইরি
#পর্ব --১
⭕ ২য় পর্ব লিংক কমেন্ট বক্সের দেওয়া আছে
04/08/2025
#রাত_গভীর
#পর্ব_২
#সহিত্য_ডাইরি
তখন রাবেয়া দেখলো, উজ্জ্বল একটা লালচে বৃত্তা কার কি যেন রিনির রুমে প্রবেশ করেছে জানালার ছিদ্র দিয়ে । এই লালচে বৃত্তটির উজ্জ্বলতা আসতে আসতে বেশি হতে লাগলো।আর বৃত্তের আকার ও বড়ো হতে লাগলো। আর এটা যেন লালচে রংয়ের কোন বৃত্ত নয়।এই যেন আগুনের তৈরি একটা বৃত্ত । রাবেয়া স্পষ্ট দেখতে পেল না।তবু মেয়ের জন্য তার কষ্ট হলেও দেখার চেষ্টা করছে। আসলে সন্তান এর জন্য মা বাবা সব কিছু করতে পারে। অবশেষে অস্পষ্ট ভাবে দেখলো লালচে বৃত্তাকার জিনিসটা একটা সুদর্শন যুবকে রুপান্তর হয়ে যাই।
রাবেয়ার চোখ জ্বলে উঠে।আর সম্ভব হচ্ছে না তাকিয়ে থাকা।আর চোখ বন্ধ হয়ে আসে। আর সাথে সাথে ঘুম চলে আসে। রাবেয়া গভীর ঘুমে মগ্ন। বেশ কিছু সময় পর রাবেয়ার ঘুম ভেঙ্গে গেলো। আর দেখে ঘুমন্ত অবস্থায় রিনি বাথরুমে গিয়ে গোসল করে। তবে পানি কখন বালতিতে পুরাই ?
শব্দ হয়নি কেন পানি পড়ার?
আর ও অবাক হয়ে যাই, যখন দেখে ঘুমন্ত অবস্থায় রিনি বাথরুম থেকে বেরিয়ে পড়ে। আর সেইম কাপড় পড়ে বেরিয়ে আসে। যে কাপড় পড়ে ঘুমিয়ে ছিল এই কাপড় পড়ে আবার বাথরুম থেকে বেরিয়ে পড়ে তাহলে ভেজা কাপড় গুলো কই?
আর চুল ও শুকণো কেন?
রাবেয়ার মাথা আর কাজ করছে না।
একসময় সেন্স লেস হয়ে পড়ে। সকাল এ সূর্যের প্রথম কিরণে তার ঘুম ভেঙ্গে গেলো। আর দেখে রিনি ঘুমাচ্ছে। খুব সাবধানে লুকিয়ে রিনি র রুম থেকে বেরিয়ে আসে।
রিনি র বাবা কামাল কে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলে। আর বলে অফিসে যাবে না?
রেডি হয়ে নাও।কিন্তু রাবেয়া কাল রাতে কি হলো কিছু ত বলো?
রাবেয়া বলে বলবো আগে অফিস থেকে আসো।
রাবেয়া রিনি কে ডেকে দেয়। রিনিঃ মা উঠ?
রিনিঃ মা আরেক টু ঘুমায়। কেন জানি সমস্ত শরীর ব্যথা করছে!
রাবেয়া কিছু না বলে রুম থেকে বেরিয়ে আসে। রান্না করে। আর নাস্তা করতে রিনি আর কামাল কে ডাকে। কামাল নাস্তা করে অফিসে চলে গেল।
আর রিনি নাস্তা করে কলেজ যাবে বলে রেডি হতে লাগলো। রাবেয়া বলে কলেজে আজ যেতে হবে না।
রিনি বলে ঃ কেন?
তখন হঠাৎ রাবেয়া,, ,,,,,
হঠাৎ রাবেয়া তার মেয়ে রিনিকে দুইটা ওষুধ খেতে দিল।রিনি বলে মা এগুলো কিসের ওষুধ, রাবেয়া বলে,একটা pain Killer, আর অন্য টা জ্বর না হয় মতো।রিনি বলেঃ আমার তো শুধু শরীর ব্যথা। এগুলো কি অবশ্যই খেতে হবে।
রাবেয়া বলেঃ must be খেতে হবে!!! রাবেয়া মনে মনে বলছে সরি মা।তোকে মিথ্যা বললাম। একটা pain killer কিন্তু অন্য টা প্রেগন্যান্ট না হওয়ার।আর মা তুই জানিসই না,কিন্তু আমি তো জানি তুর সাথে প্রতিদিন কেউ শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে।কিন্তু কে সে?আর তাই চাইনা কোন অঘটন ঘটুক।আর অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে তুই প্রেগন্যান্ট হয়ে যাস,বাচ্চার বাবা কে হবে? কি পরিচয়ে বড় হবে বাচ্চা টা।অবশ্য নিজের মেয়ে মা হওয়ার ছেয়ে খুশির খবর আর কোন কিছু হয়তো পৃথিবীতে হয়না।কিন্তু মা তুই নিজে ও জানিস না তুর সাথে কি হয়।আর আমি ও বুঝতে পারছি না এগুলো কেমনে সম্ভব? তাই মিথ্যা বললাম।রাবেয়া এগুলো ভাবতে ভাবতে রিনির রুম থেকে বেরিয়ে আসে। আর রিনি ওষুধ খেয়ে গাঁ টা এলিয়ে দেয়। আর রাজ্যের ঘুম তার চোখে চলে আসে।
বিকালে কামাল সাহেব বাসায় ফিরে ফ্রেশ হয়ে যাই। আর কফি খেতে বসে বেলকনিতে। আর রাবেয়া সব বলছে কাল রাতে তাদের মেয়ের সাথে কি হয়ে ছিল। কামাল বেশ কিছুক্ষণ চিন্তা করে। বলে চলো।তোমাদের নিয়ে একটু দেশের বাড়ি যাবো। রাবেয়া বলে ঃ রিনির কলেজ?
কামাল বলে ঃ মেয়ে থাকলেই তো কলেজ যাবে। মেয়ের ভালো চাও তো ওকে রাজি করিয়ে রেডি হয়ে যাও as soon as.
রাবেয়া অনেক কষ্টে রিনিকে রাজি করিয়ে পেলে।বিনিময়ে রিনি ৩০০০ টাকা বকশিস নেই। রিনি অনেক খুশি টাকা পেল আর ঘুরতে যাবে।
রাত ৮ টায় গ্রামে পৌঁছে যায়। তবে কামাল এক মূহুর্ত দেরি না করে রিনি আর তার মাকে নিয়ে গেল অর্ক এর কাছে। অর্ক কামালের কলেজ ফ্রেন্ড। প্যারানরমাল ব্যাপারে কাজ করে।গ্রামে থাকে বলে তার কাছে গ্রামে আসা।আর তার সহকারী হচ্ছে রাহাত হুজুর। খুব নাম করা একজন হুজুর। কামালের সাথে রাহাত হুজুরের পরিচয় অর্ক এর মাধ্যমে।কামাল রাবেয়ার কাছ থেকে যা শুনলো তা থেকে বুঝে গেছে অর্ক আর রাহাত হুজুর ছাড়া কেউ এই সমস্যার সমাধান করতে পারবেনা। কামাল, রাবেয়া, রিনি বসে আছে অর্কের সামনে।
অর্ক বলেঃ মা,রিনি কেমন আছো?তুমি বাসার ভিতরে যাও।আমি তোমার আম্মু আব্বুর সাথে কিছু জরুরি কথা আছে ওগুলো নিয়ে আলোচনা করবো। আর হা,বাসার ভিতরে তোমার লাবু আন্টি আছে। কি যেনো রান্না করছে!যাও গিয়ে তোমার লাবু আন্টির সাথে গল্প কর।
অর্ক তাদের পাশের ফ্ল্যাট থেকে রাহাত হুজুরকে ডেকে আনে।
অবশ্য কামাল অর্ক কে আগে বলে রেখেছে। তার পুরো পরিবার অর্ক এর বাসায় রাতে আসছে।
অর্ক জানে কোন জরুরি ব্যাপারে কামাল আসছে।কারণ এখন অফিসে কামাল এর কোন ছুটি নেই। বেড়াতে আসলে ছুটি পেলে আসতো। আর গ্রামে এসে তড়িঘড়ি করে তার বাসায় চলে আসে। তাই অর্কের মনে হচ্ছে ব্যাপারটা মারাত্মক কিছু হবে। তাই অর্ক সময় নষ্ট না করে মূল কথার প্রসঙ্গে ছলে আসে।
অবশেষে রাবেয়া, কামাল,অর্ক আর রাহাত হুজুর মিলে বসে আছে। আর রাবেয়া সব বলছে।অর্ক আর হুজুর সব মনোযোগ দিয়ে শুনেছে সবকিছু । হঠাৎ করে,
বেশ কিছুক্ষণ পর!!
লাবু এসে বলেঃ বাহ রে! রাবেয়া ভাবি আমার সাথে একটু দেখা ও করেননি অভিমানী কন্ঠে। হুহ্ চলেন।চলেন।ডিনার করে নি।
অর্ক বলেঃ লাবু তুমি রেডি কর খাবার আমরা আসছি। আর রিনি মাকে নিয়ে আসো।একসাথে সবাই বসে ডিনার টা করে ফেলি।
সবাই ডিনার শেষে। অর্ক বলে,রাবেয়া ভাবি আপনি আর লাবু ঘুমিয়ে পড়েন।
লাবু বলেঃ একদম না।আমি ও দেখতে চাই।রিনি মা কে কোন বান্দর এইভাবে ডিস্টার্ব করে!!!
অর্ক বলে ঃ যাও। বেশি কথা বলিও না।ভাবিকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়।
রাবেয়া কিছু বলছে না।কিন্তু তার ও ইচ্ছে মেয়ের কাছাকাছি থাকার। কামাল আগেই বলে দিয়ে ছিল অর্ক যেমন বলবে তেমন ই করবে।তাই রাবেয়া চুপচাপ থেকে লাবুর সাথে ঘুমাতে যাই।
কিন্তু লাবু বা রাবেয়া কারোর চোখে ঘুম ছিল না।রিনির চিন্তায় মন অস্থির হয়ে আছে।
অর্ক,কামাল,রাহাত হুজুর আর রিনি একটা রুমে গেলো।
রিনি বলেঃ বাবা আমি ঘুমাবাে।
কামাল বলেঃ অর্ক রাবেয়া আর লাবু ভাবিকে ও ডাক।তুই বকা দিয়ে ভুল করেছিস। আর ওদের দোয়া পড়ে রাহাত হুজুর ফুঁ দিয়ে দিলে কিছু হবেনা।
অর্ক লাবু কে বলেঃ সরি।রাগ করিও না।তোমাদের কিছু হবে এই ভয়ে আসতে নিষেধ করেছিলাম।
লাবু আর রাবেয়া আসলো। রাহাত হুজুর ফুঁ দিয়ে দিলেন দোয়া পড়ে। অন্য দিকে রিনি ঘুমিয়ে পড়লো।রাত তখন আস্তে আস্তে গভীর হতে থাকে ।সবাই বসে আছে। রিনি কে একটা বৃত্তের ভেতরে আবধ্য করে রাখে ঘুমন্ত অবস্থায়। অবশ্য রিনি ঘুমিয়ে পড়াতে অর্কের কাজ আরও কমে যায়।সব ভাল কিন্তু ভালো নই।কিছু করতে গেলে বাধা আসবেনা এমনকি হয় নাকি!!! ঠিকতখনই..................
ঠিক তখনই লালচে বৃত্তটির প্রবেশ ঘটে রুমে। অর্কের মুখে যেন হাসি ফুটে উঠে।সে মনে করেছি যে সে নিমিষেই লালচে বৃত্তটিকে নিজের অধীনে আনতে পারবে। কিন্ত একটু পর, হাসি মুখটা যেন নিমিষেই কালো হয়ে গেছে। লালচে বৃত্তটির তীব্রতা অনেক বেশি যার ফলে অর্ক,লাবু,রাবেয়া, রাহাত হুজুর, কামাল সবারই তাকিয়ে থাকতে কষ্ট হচ্ছে। এক পর্যায়ে তাদের সবার চোখ জোড়া জ্বলতে শুরু করে ।আর যার ফলে সবাই চোখের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে সেন্সলেস হয়ে যাই।
রাত যখন শেষের পথে সবার প্রথমে অর্কের চোখ খোলে।তখনই দেখে রিনি ঘুমাচ্ছে তবে তারা যে বৃত্তের ভেতরে রিনিকে আবদ্ধ করে রেখেছিল সেই বৃত্তের অস্তিত্ব আর নেই। তাহলে তাদের সবার চোখের আড়ালে আবার সেই এসে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছে।অথচ রিনি বেচারি কিছুই জানেনা।কিন্তু রিনিকে দেখে একদম বুঝা সম্ভব হচ্ছে না যে তার সাথে কেউ কাল রাতে অবিশ্বাস্য কিছু করেছে।অথচ মেয়ে টি যেভাবে ঘুমিয়ে ছিল ঠিক একইভাবে এখনো শুয়ে আছে। অর্ক যেন আর কিছু ভাবতেই পারছে না।
এর কিছু সময় পর সবাই জেগে ওঠে। অর্ক লাবুকে নাস্তা রেডি করতে বলে। আর কামাল আর রাবেয়া কে রেস্ট নিতে বলে। আর রিনি কে ঘুম থেকে না জাগাতে বলে।
আর অর্ক বলেঃ রাহাত হুজুর আসেন।আমাদের ওয়ার্কিং রুমে যাই।খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হবে।
অর্ক আর রাহাত হুজুর এখন বসে আছে। একটা অন্ধকার রুমে।যেটা তাদের কাজ করার রুম।
তারা ধ্যান করছে।অর্ক বিড়বিড় করে মন্ত্র উচ্চারণ করেছে। আর রাহাত হুজুর কুরআন শরীফ পড়ে।তার অনুগত জীনকে ডাক দিচ্ছে।
অর্ক তার শক্তি দিয়ে বুঝার চেষ্টা করছে কি হয়েছে।
আর রাহাত হুজুর জীনকে উপস্থিত করার চেষ্টা করছে। অতঃপর রাহাত হুজুরের জীন হাজির হয়।
আর রাহাত হুজুর জিগ্যেস করলো ঃ রিনির সাথে এমন কেন হচ্ছে? আর কি হচ্ছে?
আর আমরা কিছু করতে পারছিনা কেন?এই এত বছর হলো এই পেশাতে যুক্ত আছি ।এমন কখনো হয়নি বরং সব কেইস আমি আর অর্ক খুব ভালো ভাবে সমাধান করতে পেরেছি ।তাহলে রিনির কেইসের ক্ষেত্রে এমন হচ্ছে কেন?
জীন বলেঃ হুজুর মাপ চাই।আমি কিছু বলতে পারবোনা। তবে আমি জানি কি হয়! কে করছে এসব।তবুও বলতে পারবোনা।
যদি আমি মুখ খুলে ফেলি।জীন রাজ্যে প্রবেশ বন্ধ হয়ে যাবে আমার জন্য।
রাহাত হুজুর বলেঃ তুই ও এমন করলে।আমরা রিনি কে কেমনে বাঁচাবো?
জীন বলে ঃ হুজুর গোস্তাকি মাফ করবেন। আমি আজ আসি।
রাহাত হুজুর জীন যাওয়ার পর আরো বেশ কয়েক বার ডাকলো তাকে কিন্তু জীন কোন সারা দিলো না।
রাহাত হুজুর চিন্তায় পড়ে যায়। কি করবে তারা এখন? কামাল অনেক আশা নিয়ে সাহায্য চাইলো! কিন্তু তারা কি না কিছুই করতে পারছে না।
অর্ক বলেঃ রাহাত হুজুর আমি কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছি! আমি কিছু দেখতে পাচ্ছি।
অর্ক চোখ জোড়া বন্ধ অবস্থাই এসব বলছে।
রাহাত হুজুরের মুখে যেন হাসি ফুটে উঠেছে।
অর্ক বলেঃ যে রিনির সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে। সে খুব শক্তি শালী।আর সে হচ্ছে জীন রাজ্যের রাজার একমাত্র ছেলে ইনতিয়াজ।আর তার কাছে জীন রাজা আর রানীর উভয়ের শক্তি আছে। যার ফলে সে সব কিছু করতে পারে। রাহাত হুজুর আমি আর কিছু তথ্য দেখতে পাচ্ছি কিন্তু মুখ খুলে বলতে পাচ্ছি না।এমন কেন হচ্ছে!!!আর আমার শরীর অবস হয়ে যাচ্ছে।
তখনই অর্ক সেন্সলেস হয়ে পড়ে যাই। রাহাত হুজুর অর্ককে কোলে করে ড্রইং রুমে নিয়ে গেল। আর সবাইকে ডাক দিলো। এভাবে অর্কের নিথর শরীরটা বেশ কিছুক্ষণ পড়ে ছিলো।গ্রামে ডাক্তার ও তেমন নেই। কিন্তু আরও কিছু সময় পর অর্ক একটু সুস্থ হয়ে উঠলো ।
রাহাত হুজুর এখন বুঝতে পারছে। এই কারণে তার জীন তাকে কিছু বলতে নারাজ ছিল। অর্কের এই অবস্থা না জানি জীনের কি হতো!!
আর এই জন্য হয়তো পরে বেশ কয়েক বার ডেকে ও সারা দিলো না জীনটা।
অর্ক বলেঃ রাহাত হুজুর একাজে সাহায্য লাগবে। খুব জটিল একটা কাজ।আমি আর আপনি একা কিছু করতে গেলে প্রাণ যাবে নিশ্চিত।
রাহাত হুজুর বলেঃ কার থেকে সাহায্য নিবে? কে করবে সাহায্য???
অর্ক বলেঃ মনে আছে। আমার ২ টা বান্ধুবীর কথা বলছিলাম। সুমি আর জান্নাত!!!!
আর একটা বন্ধু হাবিব!!!
রাহাত হুজুর বলেঃ আরে মনে আছে। কিন্তু ওদের এমন কি power's আছে যে আমাদের সাহায্য করতে পারবে?
অর্ক বলেঃ ওদের Powers আছে শুধু আমি জানি। তবে কেউ কে না বলতে বলেছিলো।এখন এই পরিস্থিতিতে না বলে পারলাম না।
শুনেন তাহলে ওদের ৩ জনের মধ্যে কি power's আছে।১.সুমির কাছে প্যারানরমাল জিনিসের অবস্থান কোথায় তা চোখ জোড়া বন্ধ করতেই দেখার ক্ষমতা আছে। ২.জান্নাত এর কাছে জীন রাজ্যের সাথে যোগাযোগ করার ক্ষমতা আছে। আর জীন রাজার বিশেষ অতিথি।
৩.হাবিব এর কাছে একটা স্ফটিক আছে। যার দ্বারা অতীত দেখা যাই।
কামাল রিতিমত আশ্চর্য। একসাথে তাদের সাথে ভার্সিটি শেষ করেও এই বিষয়ে একদম অবগত ছিলোনা। আর লাবু তো একদম নিরব হয়ে আছে। এটা শুনে।।
রাহাত হুজুর বলেঃ আর দেরি না করে ওদের ডেকে আনো।কালকে সেই প্রিন্স অনেক রেগে ছিলো। তাই লালচে বৃত্তটির রশ্মি বেশি ছিল আমি যতোটুকু বুঝতে পারলাম । সে রাগের মাথায় রিনি মার ক্ষতি করতে পারে।
অর্ক বলেঃ আমি ওদের সকাল ৮ টার দিকে কল দিবো।তার আগে চলো সবাই কিছু খেয়ে নি।আর লাবু রিনি কে একটু ডেকে আনো। একসাথে নাস্তা করে একটু গল্প করি সবাই মনটা একটু ভালো হবে।
বিকাল ৪ টার দিকে দরজার মধ্যে কে যেন কড়া নাড়ে?
অর্ক দরজা খুলে দেখে হাবিব, জান্নাত, সুমি হাজির
সবাই মিলে রাতের খাবার শেষ করে। কাজে নেমে যাই।
তবে আজ রিনিকে আবদ্ধ করে রাখা হয়।রাহাত হুজুরের নামাজ আদায় করার ঘরে। আর সামনের জায়গায় ৩ টি বৃত্ত। একটাতে আছে কামাল,রাবেয়া, লাবু।অন্যটিতে আছে অর্ক,রাহাত হুজুর, জান্নাত, হাবিব, সুমি।আর অন্য টি খালি রাখা হয়েছে। ঘরের প্রত্যেক কোনায় কোনায় দোয়ার পানি দিয়ে সুরক্ষিত করা হলো যাতে কাউকে কোনভাবে ক্ষতি করতে না পারে।আর ঘরের কোন কোনায় যাতে লুকিয়ে না থাকে।
কিন্তু খালি বৃত্ত টিতে দোয়ার পানি দেয় নি।কারণ প্যারানরমাল যে কোন কিছু এসে ওইটাতে অবস্থান করতে পারে মতো ।
হাবিব বলেঃ আগে একটু অতীতে গিয়ে দেখে আসি প্রিন্সের(ইনতিয়
াজের) দূর্বলতা কি?না হয়।ইনতিয়াজকে(প্রিন্সকে) এখানে আনা সম্ভব হবে না।
তখই দেখে,,,,,,,,
চলবে,,,,,,,
⭕৩য় পর্ব লিংক কমেন্ট বক্সের দেওয়া আছে
31/07/2025
প্রতিদিন রাতে রিনি অদ্ভুত শব্দ করে। শব্দগুলো ব্য"থা পেয়ে করে আবার আনন্দে করে ওর শব্দগুলো শুনলেই বুঝতে পারা যায় । আবার কাকে যেন বলে খুব লাগছে। উ'ফ!!!!ছাড়াও না প্লিজ।।।
আসলে অদ্ভুত শব্দটি আর কথা গুলো রিনি বিবাহিত হলে চিন্তার বিষয় ছিলো না তার মা বাবার জন্য। রিনি অবিবাহিত মেয়ে।কলেজ পড়ে। মা বাবার রুমের থেকে একটু দূরত্বে রিনির রুম। তবে একটু জোরে কথা বললে বা শব্দ করলে রিনির মা বাবার রুমে শুনতে পাওয়া যায়। রিনির মা খুব চিন্তিত। কারণ রিনি কি তাদের চোখের আড়ালে বাসায় ছেলে নিয়ে শা'রীরিক সম্পর্কে লি,প্ত হচ্ছে। তা ও বাসায়?
রিনির মা আজ রাতে না ঘুমিয়ে রিনির রুমের সামনে পাহারা দিচ্ছে। কিন্তু রাত গভীর হতেই কোন এক অজানা খেলায় মেতে উঠলো রিনি।রিনির মা রাবেয়া খুব চিন্তায় পড়ে যায়।
রিনি কে শারী'রিক সম্পর্কে লি,প্ত হওয়া নিয়ে জিজ্ঞেস করে কোন লাভ হয়নি।রাবেয়া বলেছিল : রিনি তুই কি আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাসায় তোর বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আসিস?
আর ন*ষ্টামি খেলাতে মেতে থাকিস প্রতি রাতে?
রিনি বলেঃ মা তুমি এসব কি বলছো?আমি কারোর সাথে প্রেম অবধি করিনি। আর শারী'রিক সম্পর্কে লি*প্ত হওয়া তো দূরের কথা। আর যদি এমন কিছু হতো তাহলে সহস্র হো'টেল আছে ওইখানে যেতাম। তোমাদের সাথে এক ঘরে থেকে এমন কিছু কল্পনাই করতে পারিনা।
রাবেয়া মেয়ে কে অবিশ্বাস করেনি।কারণ সে যা বলছে সব ঠিক কথাই।মেয়ে তো এমন কিছু চাইলে ঘরের বাইরে অনায়াসে করতে পারতো। তাহলে কি হয় প্রতি রাতে রিনির ঘরে।মেয়ের উপর বিশ্বাস থাকলেও
সন্দেহ যেন একটু রয়েই যায়।।। তাই
রাবেয়া আজ রাতে মেয়ের রুমে লুকিয়ে থাকবে।সন্তানের ভালো মন্দ দেখা মা বাবার কর্তব্য।আর খারাপ কিছু করে থাকলে শাস্তি দিতে হয়। না হয় জীবনে এমন ভুল বারবার করার সম্ভাবনা থাকে। তাই রাবেয়া আজ কে
ঠিক রাতে চুরি করে রিমির খাটের নিচে লুকিয়ে পরে । আজ রাতে দেখবে কি হয় এই রুমে তার মেয়ের সাথে।তাদের চোখের আড়ালে। এগুলো ভাবতে থাকে আর অপেক্ষা করতে থাকে। এইভাবে অনেক সময় চলে গেল। আর
রাত গভীর হতে থাকে। তখন রাবেয়া দেখলো........ পরের পর্ব গুলো পোস্ট করার সাথে সাথে পেতে
এই পেইজে ফলো দিয়ে রাখুন 👉 Roza
চলবে....
#রাত_গভীর
#পর্ব_১
#সাহিত্য_ডাইরি
📌২য় পর্ব লিংক কমেন্ট বক্সের দেওয়া আছে
26/07/2025
"আমি তোমাকে কিনছি, পুরো এক মাসের জন্য, আজ থেকে পুরো একমাস তুমি শুধু আমার বিছানায় থাকবে, এই এক মাসে তোমাকে শুধু আমাকে খুশি করতে হবে, এই সময়ের মধ্যে অন্য কারো দিকে তাকাতেও পারবে না তুমি। তাই আমি যা বলবো চুপচাপ শুনবে" আরমান শাহরিয়ার, মায়ার কানের কাছে এসে খুব লোভনীয় কণ্ঠে কথা গুলো বললেন, যার কারণে মায়ার লোমকূপ দাঁড়িয়ে গেল।
কিছুক্ষণ আগে...
একটা বড় ঘরে একটা সিঙ্গেল সোফায় একজন হ্যান্ডসাম ব্যাক্তি বসে আছে, আর তার সামনে অনেক গুলো মেয়ে একটা লাইন করে দাঁড়িয়ে আছে, সব মেয়েই একে অপরের থেকে অনেক বেশি সুন্দরী, তাদের মুখে লেগে আছে খুব লোভনীয় হাসি।
এখানে তাদেরকে চোখের সামনে বসে থাকা একজন বিশেষ ব্যাক্তির সামনে হাজির করা হয়েছে, তিনি দেখতে খুবই সুদর্শন এবং শহরের একজন বড় ব্যবসায়ী।
পুরো শহরে এই লোকটির অনেক মর্যাদা আছে, তার নাম আরমান শাহরিয়ার, 28 বছরের একজন খুব সুদর্শন যুবক, তার চেহারা এবং তার পেশীবহুল শরীর এমন ছিল যে সে যে কোনও মেয়েকে তার প্রেমে পড়তে বাধ্য করবে। কিন্তু আরমান শাহরিয়ার প্রেম শব্দটি পছন্দ করেন না। সে তার জীবনের প্রতিটি সম্পর্ককে কেবল নিজের মতলবের জন্য বানিয়েছে।
আর ভালবাসা?? ভালবাসা কি, কেমন তার অনুভূতি সে বিষয়ে তার কোনো ধারণা ছিল না,
আরমান শুধু মনে করে যে, আবেগ, অনুভূতি শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে অসহায় করে তোলে।
তাই তার কাছে অনুভূতি, আবেগ এসবের কোনো মূল্য ছিল না, যদি কোনো কিছুর মূল্য থাকে তাহলে তা হলো সম্পদ, খ্যাতি, মর্যাদা এবং তার নিজস্ব মনোভাব।
আরমান শাহরিয়ার তার ঠান্ডা চোখে দূর থেকে মেয়েদের স্ক্যান করছিল, আর পাশে বসে তার নতুন ব্যবসায়িক অংশীদার আরমানকে বলছে, "এরা আমাদের ক্লাবের কিছু সুন্দরী নৃত্যশিল্পী, আপনি আজ রাতে বিনোদনের জন্য তাদের মধ্যে থেকে যেকোনো একজনকে বেছে নিতে পারেন। আমাদের নতুন ব্যবসায়িক চুক্তির জন্য এটি আমার পক্ষ থেকে একটি ছোট উপহার।"
লোকটির ঠোঁটে ছিল নির্লজ্জ হাসি, আরমান শাহরিয়ার হাতে ওয়াইনের গ্লাস ধরে ওই সব মেয়ের দিকে তাকায়, সব মেয়েই খুব ভালোভাবে তৈরি হয়ে এসেছিল, যখনই তারা জানতে পারল যে তারা মিস্টার আরমান শাহরিয়ারের সামনে হাজির হতে চলেছে, প্রত্যেক মেয়ের চোখেই একটা আলাদা উত্তেজনা আর নার্ভাসনেস ছিল, প্রতিটি মেয়েই চাই সে জেনো শুধু তাকে নিতে চায়।
এই সমস্ত মেয়েরা আরমান শাহরিয়ার এর জন্য পাগল ছিল, সবাই শুধু মনে মনে দোওয়া করছিল যে, আরমান শাহরিয়ার যেনো তাকে লক্ষ্য করে। প্রতিটি মেয়ে তার মুখে একটি প্রলোভনসঙ্কুল হাসি দিয়ে আরমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছিল।
আরমান সবার দিকে তাকায় কিন্তু তার মুখে কোন বিশেষ ভাব নেই। যেন এইসব মেয়ের প্রতি তার কোনো আগ্রহ নেই। সে তার ওয়াইনের গ্লাস থেকে একটা চুমুক নিয়ে বলে, "ননসেন্স, সবই ফালতু, যদি নতুন কিছু থাকে তাহলে দেখাও, এইরকম পুরানো এবং ইউস করা জিনিসগুলিতে আমার কোন আগ্রহ নেই।"
আরমানের এমন উদাসীন উত্তর শুনে, সমস্ত মেয়েরা একেবারে আঁতকে ওঠে, আরমান শাহরিয়ার সত্যিই একজন পাথর-হৃদয় ব্যক্তি। যে তিনি যা চান তা পেতে যে কোনও প্রান্তে যেতে পারেন। কিন্তু এত সহজে তার চোখে কোন কিছুই ভালো লাগেনা, তিনি খুব নির্বাচনী ব্যক্তি এবং তার পছন্দগুলিও খুব বিরল।
আরমানের কথা শুনে পাশে বসা লোকটি তৎক্ষণাৎ বলল, "আরে, তুমি চিন্তা করো না, আমরা আমাদের ক্লাবের সবচেয়ে তাজা, এবং অস্পর্শিত মেয়ে তোমার সামনে তুলে ধরছি।"
এই বলে লোকটি ঐ সব মেয়েগুলোকে ওখান থেকে চলে যাওয়ার ইশারা দেয়। সেই সব মেয়েরা হতাশা আর মুখে বিষাদ নিয়ে সেখান থেকে চলে যায়, তখন লোকটি তার এক গার্ডকে বলে, "যে সব নতুন মেয়ে ক্লাবে প্রবেশ করেছে তাদের ৫ মিনিটের মধ্যে হাজির করো।”
ওই গার্ড মাথা নেড়ে সাথে সাথে সেখান থেকে চলে যায়।
________________________
একটা ঘরে অনেক মেয়ে রেডি হচ্ছিল, তখন ওখানে একজন গার্ড এসে বলে, "আরে, চলো, এবার তোমাদের পালা, আজ তোমরা যার সামনে যাচ্ছ সে এই শহরের একজন বড় ব্যবসায়ী, তাকে মুগ্ধ করলেই জীবন সেট হয়ে যাবে, তার নাম আরমান শাহরিয়ার, তবে মনে রাখবে তাকে মুগ্ধ করা এত সহজ নয়।"
আরমান শাহরিয়ার নামটা শুনে সব মেয়েদের চোখ জ্বলে উঠল, কিন্তু ওখানে থাকা একটা মেয়ের চোখ বড়ো বড়ো হয়ে গেল। সেই মেয়েটা বাকি সব মেয়েগুলোর থেকে এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে, মেয়েটা অবাক হয়ে গেল, এই নামটা সে কখনো আশা করেনি।
🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹🔸🔹
কিছুক্ষণ পর…. কিছু নতুন মেয়ে রুমে প্রবেশ করে, সেই নতুন মেয়েদের মধ্যে আরমানের চোখ পড়তেই তার চোখ যায় একটা বিশেষ মেয়ের দিকে।
লাল রঙের গাউন পরা একটি খুব সুন্দরী মেয়ে সেই মেয়েদের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিল। তার মুখে শূন্য অভিব্যক্তি। মেয়েটিকে দেখে আরমান ভ্রু কুঁচকে নেয়, ওই মেয়েটি আর কেউ নয়। মায়া তালুকদার।
মায়া হলো আরমান এর প্রাক্তন স্ত্রী। দুনিয়ার কেউ এ বিষয়ে জানে না, নির্দিষ্ট কিছু মানুষ ছাড়া। আরমান মায়াকে ডিভোর্স দিয়েছিল কারণ মায়ার সাথে তার বিয়ে হয়েছিল তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
আরমান মায়াকে ওখানে দেখে বেশ অবাক হয়ে যায়। আরমানের সামনে বসা লোকটি আরমানের উদ্দেশ্যে বলে, " এরা আমাদের ক্লাবের একদম তাজা তাজা মাল। এরা আজকেই জয়েন করেছে এই কাজে। এটা ওদের সৌভাগ্য যে আপনার মতো একজন অসাধারণ ব্যক্তির দ্বারা তারা তাদের ক্যারিয়ার শুরু করতে চলেছে।"
এই কথার কোনো উত্তর আরমান দেয় না। কারণ তার চোখ তো এক জায়গাতেই আটকে আছে। সব মেয়েরা এসে আরমানের সামনে লাইন দিয়ে দাঁড়ায়, মায়া মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল। আরমানের দিকে সে একবারও তাকায়নি। আরমান উঠে দাঁড়ায়, ওয়াইনের গ্লাস টেবিলে রেখে সেই মেয়েদের কাছে যায়।
সোফায় বসা লোকটি খুশি হয়ে ভাবছিল যে আরমান এই মেয়েদের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে। আরমান সেই মেয়েদের চারদিক থেকে দেখেছিল। কিন্তু বাস্তবে তার চোখ ছিল কেবল মায়ার দিকে, প্রতিটি মেয়ে তাদের স্টাইল, কাতিলআনা হাসি, এবং আবেদনময়ী শরীর দিয়ে আরমানকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছিল। তাকে ছুঁয়ে তাকে প্ররোচিত করছিল। কিন্তু আরমানের ওখান কার কোনো মেয়ের প্রতিই আগ্রহ ছিল না।
সে শুধু মায়ার দিকে মনোযোগ দিয়ে তাকিয়ে ছিল। ওকে দেখেই মনে হচ্ছে অন্য মেয়েদের থেকে একদম আলাদা। খুব স্বাভাবিক ভাবে একজায়গায় দাঁড়িয়ে ছিল। এখনো পর্যন্ত একবারো চোখ তুলে তাকায়নি। যেন সে তার প্রতি মোটেই আগ্রহ দেখাচ্ছে না, মায়া আরমানকে গুরুত্ব দিচ্ছে না, তার দিকেও তাকাচ্ছে না, এই বিষয়টা আরমানকে আরো রাগিয়ে দিচ্ছিল।
আরমান মায়ার সামনে গিয়ে ওর হাত ধরে লাইন থেকে টেনে নেয়। এবং তার অন্য হাত দিয়ে মায়ার কোমর শক্ত করে ধরে রাখে। মায়া আরমানের বুকের উপড় হুমরি খেয়ে পড়ে এবং শক্ত করে আরমানের শার্ট আঁকড়ে ধরে। কিন্তু তখনও আরমানের দিকে তাকাচ্ছিল না, আরমান মুখে বাঁকা হাসি নিয়ে বলে, "আমি শুধু একে চাই...।"
আরমানের উত্তর শুনে লোকটা খুশি হয়ে যায়, কিন্তু অন্য সব মেয়েরা হতবাক হয়ে যায়, এই সাধারণ মেয়েটির মধ্যে এমন কী ছিল যে আরমান তার জন্য সেই সব সেক্সি হট মেয়েদের উপেক্ষা করল।
আরমানের শেষ পর্যন্ত কাউকে পছন্দ হয়েছে দেখে লোকটি খুব খুশি হয়ে যায়। ওনি বলেন, "অবশ্যই মিস্টার আরমান, আপনার পছন্দের দাম আছে বলতে হবে। ও সাধারণ হলেও সব মেয়েদের থেকে সুন্দরী। ও এইমাত্র যোগ দিয়েছে এই কাজে, আপনি যে মেয়েটির গায়ে হাত দিয়েছেন, এই মেয়েটি আপনার সেবায় উপস্থিত থাকবে, ও আজ রাতে আপনাকে বিনোদন দেবে।"
আরামান খুব মনোযোগ দিয়ে মায়ার দিকে তাকায়, এক বছরের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে এই প্রথম সে মায়াকে এত কাছ থেকে সামনাসামনি দেখেছে, নইলে বিয়ের পর সে, না মায়াকে তার বাড়িতে থাকতে দিয়েছে আর না কখনো তার সামনে আসার অধিকার দিয়েছে।
বিয়ের পরও মায়া তার বাবার বাড়িতে থাকত, আরমান এবং মায়ার পরিবার ছাড়া পৃথিবীর আর কেউ তাদের বিয়ের কথা জানত না। আরমান মায়াকে খুব ঘৃণা করত। সে কখনো মায়ার মুখও দেখেতে চাইনি নিজে থেকে, মায়া বিয়ের পর 1 বছর তার বাবার বাড়িতে থাকে এবং একদিন আরমান তার বাড়িতে ডিভোর্সের কাগজও পাঠায়। কখন তাদের সম্পর্ক শুরু হয়েছিল এবং কখন শেষ হয়েছিল, কেউ সে সম্পর্কে কোনও খবর পায়নি।
আরমান তাদের সবাইকে রুম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়, কারণ তার এখন আর কাউকে সহ্য হচ্ছিল না। তার চোখ তখনও নিচু হয়ে থাকা মায়ার মুখের দিকে, সে চোখের পাপড়ি তুলেও আরমানের দিকে তাকাচ্ছে না।
আরমান ইশারা করার সাথে সাথে লোকটি, সব মেয়ে এবং গার্ডগুলোকে নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেল।
ওরা সবাই চলে যেতেই আরমানের অভিব্যক্তি আরও কঠোর হয়ে উঠল। আরমান মায়ার কোমরটা আরো একটু শক্ত করে ধরল যাতে মায়ার ব্যাথা করতে শুরু হল,
আরমান:- "তাহলে এই ব্যবসা কবে থেকে শুরু করলে?"
আরমানের কথাগুলো খুবই কড়া ছিল যা মায়ার হৃদয়কে ব্যথিত করছিল। এই বিয়ে তাদের দুজনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও মায়া আরমানকে অনেক পছন্দ করতে শুরু করেছিল।
যে মুহুর্তে সে আরমানকে প্রথমবার দেখেছিল, তার হৃদয় আরমানের উপর পড়েছিল। আরমান বিয়েতে খুশি ছিল না। কিন্তু মায়া সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে আজ না হলে কাল সে আরমানের হৃদয়ে ঠিকই জায়গা করে নেবে। কিন্তু আরমান তাকে এই সুযোগ কখনো দেয়নি। মায়া বিয়ে টা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আরমানের কাছ থেকে সে যা পেয়েছে তা ছিল শুধুই অবজ্ঞা আর অবহেলা।
হঠাৎ একদিন যখন ডিভোর্স পেপার তার বাড়িতে আসে, তখন মায়ার সব আশা ও স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়। ও খুব খারাপ ভাবে ভেঙ্গে পড়ে। আরমান তাকে ডিভোর্স পেপার সহ কিছু টাকা পাঠিয়েছিল ভরণপোষণ হিসাবে। যা মায়া স্পষ্টতই নিতে অস্বীকার করেছিল এবং ডিভোর্স পেপারে সই করেছিল। এবং সেই টাকা ফেরত পাঠিয়েছিল।
বিবাহ বিচ্ছেদের পর দুজনেই আর কখনো একে অপরের মুখোমুখি হয়নি। কিন্তু মায়া স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি যে তাদের এমন ভাবে দেখা হবে। মায়া সাহস সঞ্চয় করে আরমানের চোখের দিকে তাকিয়ে খুব ঠাণ্ডা গলায় বলল, "দারিদ্র্যের মধ্যে দিয়ে বাঁচার কোনো ইচ্ছে নেই, আমার কিছু শখ আছে যা পূরণ করার জন্য আমার টাকার প্রয়োজন। এখন আমার স্বামী আমাকে ছেড়ে চলে গেছে, আমাকে কোথাও না কোথাও থেকে তো আমার শখ পূরণের উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আমার অনেক টাকার দরকার।"
মায়ার কথা শুনে আরমানের গম্ভীর মুখটা আরো গম্ভীর হয়ে যাই। গম্ভীর গলাতেই বলে ওঠে আরমান, "ওহ, তাহলে আমার প্রাক্তন স্ত্রীরও শখ আছে বুঝি? টাকার জন্য শরীর বিক্রি করার জন্য এই বাজারে নেমেছো? বাহ, শখ মানুষকে কত কি কিনা করতে শিখাই। আমি তোমায় ডিভোর্স দিয়ে একদম ভালো করেছি, তোমার মতো মেয়েদের দিয়ে শুধু শরীরের আগুন নিভানো যাই, বউ করে সংসার করা যাই না। তোমার মতো মেয়ের কোনো যোগ্যতাই নেই আমার বউ হওয়ার।"
আরমান দাঁত কিড়মিড় করে কথা গুলো বলল। কেন জানে না, কিন্তু হঠাৎ করেই খুব রাগ লাগছে তার।
যদিও আরমানের কথাগুলো মায়াকে অনেক কষ্ট দিচ্ছিল। কিন্তু সে তার সমস্যাগুলো আরমানকে দেখাতে চায়না। আর কেনই বা সে দেখাবে, যে ব্যক্তি বিয়ের আগেও চিন্তাও করেনি, ডিভোর্স দেওয়ার আগেও ভাবেনি, তার মুখের দিকেও তাকায়নি, তার ফিলিংস নিয়েও ভাবেনি, তাকে কেন তার সমস্যা গুলো দেখাবে?
মায়া মুখে একটা প্রলোভনসঙ্কুল হাসি দিয়ে আরমানের গলায় হাত রেখে বলল,"যদি এমনই হয় তাহলে চলুন, আমি আপনার ইচ্ছা পূরণ করব আর আপনি আমার ইচ্ছা পূরণ করবে। যাই হোক, গত কয়েকদিন ধরে আমার ইনকাম টা একটু ধীরগতিতে চলছে, আপনার মতো কোনো ধনী লোক পায়নি না, তার জন্য। আজ যখন আপনার মতো ধনী কাউকে পেয়েছি তখন আমি কোনো কমতি রাখতে চাই না। আপনি যেমন চাইবেন আপনাকে আমি তেমন সার্ভিস দেবো। আর আমাকে বিশ্বাস করুন, আমি আপনাকে একটুও অভিযোগ করার সুযোগ দেব না, আজ পর্যন্ত আমি আমার গ্রাহকদের কাউকে খুশি না করে যেতে দেইনি।
আরমান অবাক হয়ে বলল, "গ্রাহকদের? কতজন গ্রাহক আছে তোমার?"
আরমানের মুখে বিস্ময়ের ছাপ। আর গলার আওয়াজে রাগের আভাস স্পষ্ট। আরমানকে অবাক হতে দেখে মায়া বাঁকা হেসে বললো, “আমার কতজন গ্রাহক আছে এতে আপনার কি যায় আসে মিস্টার আরমান শাহরিয়ার? এটা তো আমাদের নিত্যদিনের কাজ, এত লোকের কথা কিভাবে মনে রাখি বলুন।"
মায়ার এমন নির্লজ্জ কথা শুনে আরমানের মুখ রাগে লাল হয়ে গেলো, চোখ দিয়ে যেনো আগুন ঝরছে। রাগে আরমান তার হাত দিয়ে মায়ার চিবুক শক্ত করে ধরলো। মায়া প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করছিল কিন্তু ও ওর ব্যাথা আরমানকে দেখাতে চাইছিল না। মুখে ঝুলিয়ে রেখেছিল গা জ্বালানো হাসি।
আরমান:- "আমি ভেবেছিলাম তুমি ভালো মেয়ে, তাই তোমাকে ডিভোর্সের সাথে কিছু টাকাও পাঠিয়েছিলাম। তুমি যখন টাকাটা আমাকে ফেরত দিয়েছিলে, তখন আমি ভেবেছিলাম তুমি হয়তো একজন আত্মসম্মানী মেয়ে, কোথাও না কোথাও আমার একটু অপরাধবোধ কাজ করেছিল। যে আমি কারো জীবন নষ্ট করেছি, কিন্তু আজ তোমাকে এইভাবে দেখার পর আমার সেই মায়া এবং সেই অপরাধবোধটাও চলে গেল। এখন মনে হচ্ছে যা করেছি একদম ঠিক করেছি। যাই হোক, তা তুমি আজ পর্যন্ত কত মানুষের বিছানা গরম করেছ? হ্যাঁ? কত মানুষ এই শরীর ছুঁয়েছ? কত মানুষের তৃষ্ণা নিবারণ করেছ তুমি? কি হলো বলো? উত্তর দাও।
আরমান উত্তেজিত হয়ে মায়াকে কথা গুলো জিজ্ঞাসা করল। আরমানের কথা শুনে মায়া হাল্কা হেসে বলল, "বললাম না, আমার মনে হয় না এগুলো জেনে আপনার কোনো লাভ হবে। আমি অনেকের সাথে খেলেছি। বিশ্বাস করুন, আমার অনেক অভিজ্ঞতা আছে, আমি আপনাকে খুব খুশি করতে পারবো, একবার শুরু করে তো দেখুন, আপনার পুরো টাকা উসুল হয়ে যাবে।"
মায়ার কথাগুলো আরমানের রক্তকে আরও গরম করে দিচ্ছিল, ও মায়াকে বিছানার কাছে নিয়ে যায় এবং জোর করে তাকে বিছানায় ছুড়ে ফেলে দেয়, তখনো প্রলোভনসঙ্কুল হাসি মায়ার মুখে রয়ে যায়, আরমান রেগে গিয়ে নিজের সমস্ত পোশাক খুলতে শুরু করে। মায়াও আস্তে আস্তে তার শরীর থেকে জামাকাপড় সরিয়ে নেয়, আরমানের চোখের সামনে মায়া বিবস্ত্র অবস্থায় ছিল। মায়ার কাছাকাছি এসে আরমান বলল, "তোমার কতটা অভিজ্ঞতা আছে দেখাও আমায়, আমি চাই তুমি আমাকে সন্তুষ্ট করো।"
মায়া তার মুখে একটি ধূর্ত হাসি দিয়ে আরমানকে কাছে টেনে নেয় এবং আবেগের সাথে কিস করতে শুরু করে।
চলবে..??
#আমার_নিষ্ঠুর_ভালবাসা
#পর্ব_1
✨গল্পের জগতে আমি সম্পূর্ণ নতুন তাই ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন…. আর গল্পটি ভালো লাগলে লাইক দিয়ে কমেন্টে জানাবেন……♥️
🔴 পরবর্তী পর্ব পড়তে পেজটিকে ফলো করে রাখুন….
(গল্পটি কল্পনা দিয়ে লেখা তাই বাস্তবের সাথে মেলাবেন না।)
🚫কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ🚫
26/07/2025
শশুরের যত্ন বৌমার প্রতি – পর্ব ১
লেখক shawon
আমি একজন ৫০বছরের বৃদ্ধ।
আমি হলাম হাসান.. আমার স্ত্রী এখনও জীবিত.. আমার একমাত্র ছেলে ! ছেলে প্রবাসী! নাম হলো ফারুক.. বর্তমান এ ও ইতালি তে আছে.. আমার ছেলের বিয়ে দিয়েছি ১ বছর হয়েছে.. বৌমার নাম লিজা… বয়স ২৩ বছর… ছেলের সাথে বেশি দিন সংসার করতে পারেনি কারন বিয়ের ৩ মাস পর ওর ভিসা হয়.. তাই বাচ্চাও হয়নি।
*.*.*.*.
বৌমা আমাদের সাথে থাকে.. আমরা মিরপুর এলাকায় থাকি ৩ রুমের ফ্লাট নিয়ে.. বৌমা সব সময় বাসায় থাকলে শাড়ী নাহলে ঢোলা টিশার্ট আর পালাজো পরে থাকে..
📌পুরো গল্পটা পেতে কমেন্ট বক্সের দেওয়া আছে
26/07/2025
#সেই_রাতের
পর্ব--২
-উনি আমাকে ধর্ষন করেছে? এই বাচ্ছাটি ওনার।
-মেঘার কথাটি শুনেই সবাই আমার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। তখন সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললাম।
-দেখেছেন বাচ্ছাটি আমার কোলে আসা মাত্রই কান্না থামিয়ে দিলো' এখন সেই বাচ্ছার বাবা নাকি আমি। মানুষ ভালো করতেই নেই।
'মেঘা আমার কথা শুনা মাত্রই বলে উঠে'
-কেনো সেই রাতের কথা ভূলে গেলেন নাকি? যেই রাতে আমাকে নষ্ট করেছেন।
-ছিইই...কি বলেন এই সব আপনি।
-কেনো আমি কোন মিথ্যা বললাম বুঝি। কতোই না আকুতি মিনতি করেছি।
-আশ্চর্য আপনার মুখে যা আসতেছে তাই বলতেছেন দেখি। আমার কিন্তু মান সন্মান আছে। এইভাবে মিথ্যা অপোবাদ দিতে পারোনা আমাকে।
-প্লিজজ সাহেব আমাকে বিয়ে করে আপনার ঘড়ে তুলুন। এই সন্তান নিয়ে বাহিরে কিভাবে থাকবো।
'মেঘার কথা শুনে সবাই বেশ আশ্চর্য হয়। কারন যেই পাগলিটা ভালো ভাবে কথাই বলতে পারতোনা সে আজ এতো সুন্দর করে কিভাবে কথা বলতেছে। তার কথা শুনে সবাই বলতেছে মেঘা কখনোই পাগল হতে পারেনা। যদি পাগল হতো তাহলে এতো সুন্দর ভাবে গুছিয়ে কথা বলতে পারতোনা। নিশ্চিত সে পাগল সাজার অভিনয় করতেছে।
'একজন লোক মেঘাকে বলে'
-কিরে মেঘা তুই এতো সুন্দর ভাবে কথা বলতে পারিস! আগে তো জানতাম না।
-হ্যা আমি কথা বলতে পারি।
-তাহলে পাগলি সেজে থাকিস কেনো।
-জানি না।
-আচ্ছা তুই যে বলতেছিস এই সাহেব তোকে ধর্ষন করেছে তার কোন প্রমান আছে কি।
-না প্রমান নেই।
-তাহলে এমন মিথ্যা অপোবাদ দিচ্ছিস কেনো লোকটাকে হ্যা।
-বিশ্বাস করেন উনি আমার সন্তানের বাবা। উনি আমাকে রাতের আধারে একা পেয়ে ধর্ষন করেছে।
'ঠিক সেই মুহূর্তে আমি বলে উঠলাম'
-আচ্ছা আমি যদি তোমাকে এই সব করে থাকি তাহলে এতোদিন বললেনা কেনো। আজ হঠাৎ করেই বলতেছো।
-আমি ভাবছিলাম আপনি আমাকে নিয়ে যাবেন। আমাকে বিয়ে করে বউয়ের সম্মান দিবেন। যখন দেখলাম বাচ্ছা হবার পরেও আপনি আসতেছেনা তখন সব প্রকাশ করলাম।
'এইবার রাগান্বিত হয়ে মেঘাকে সবার সামনে কশে একটি থাপ্পড় দিলাম।
-ঠাসসস!ঠাসসস! লজ্জা করেনা একটি ভালো মানুষের নামে এমন মিথ্যা অপোবাদ দিতে। তুই রাস্তার পাগলি তোর মান সম্মান নেই বলে কি আমার ও মান সম্মান নেই। ভূল করেছি তোর সন্তানটিকে কোলে নিয়ে।
'বলেই সন্তানটি অন্য একজনের কোলে দিলাম।
এবং পিছন ফিরে হাটতে ধরলাম। এমন সময় মেঘা আমার দুটি পা জরিয়ে ধরে বলতে থাকে আমাকে বউ হিসেবে মানতে হবেনা।
'কিন্তু সন্তানটিকে যেনো আমি পিতার পরিচয় দেই। ( বলেই কান্না শুরু করে দেয় )
'মেঘার এমন আচারনে ওর চুলের মুঠি ধরে একটি ধাক্কা মেরে সেখানে থেকে হন হন করে বাসায় চলে আসি। এবং ভাবতে থাকি এর হাত থেকে বাছার উপায়।
'সারা দিন ভেবে চিন্তে একটি উপায় বের করলাম। উপায়টি হলো সন্তানটিকে মেরে ফেলতে হবে' মেরে ফেল্লেই কাহিনী শেষ'' যেই ভাবা সেই কাজ"
"রাত যখন ২ টা বাজে এমন সময় ঘুম থেকে উঠলাম এবং হাতে একটি ছুরি নিয়ে রহনা দিলাম মেঘার উদ্দেশ্যে।
'প্রায় ১০মিনিট পরে গন্তব্য স্থানে এসে দেখতে পাই মেঘা তার সন্তানকে বুকে জরিয়ে ধরে বিভোর ঘুমে আসক্ত হয়ে আছে। যা দেখে আমার মনে একটু মায়া হলো। পরক্ষনে ভাবলাম এখন তো মায়া দেখালে কাজ হবেনা। যা কারার এখনি করতে হবে।
'এইটা ভেবে ছুরিটা বের করে যেইনা মারতে যাবো এমন সমম পিছন থেকে'''
-পরবর্তী পর্ব পেতে আমার ফলো করে রাখুন 👉 Roza
Click here to claim your Sponsored Listing.
