All I Want To Talk About

All I Want To Talk About

Share

Its a page of art of living and mental peace! This is a personal blog page to share my thoughts. Hope you all will enjoy the contents.

My experience of life, food, stories, photohraphies, crafts, plants, tea, books, movies and more.

Photos from All I Want To Talk About's post 08/05/2026

আল গনির কোকোনাট আইসক্রিম। মজাআআআআ.... 🤤

08/05/2026

রবিনের বিয়েতে গিয়ে অন্যরকম এক রিচুয়াল দেখলাম। যেটি আমাদের অঞ্চলে, মানে আমার দাদু-নানুবাড়ি কিংবা আমার শ্বশুরবাড়িতেও দেখিনি। নতুন বরকে বরণ করার পর মুরুব্বি মহিলারা কিছু শোলাতে আগুন ধরিয়ে এনে মাটিতে রাখলেন। আর বরের হাতে পানির পাত্র দেওয়া হলো। এবার নতুন বর সেই আগুনে পানি ঢাললেন।

পরে শুনলাম, এই রিচুয়ালের মাধ্যমে মুলত এটা বোঝানো হলো- ঘরে যদি বউ রেগে থাকে তখন স্বামী পানি নিয়ে ঢুকে সেই রাগে পানি ঢেলে পরিস্থিতি ঠান্ডা করবেন।

ব্যাপারটা সাধারন এক গ্রাম্য আচার হলেও সংসারের ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকর একটা রিমাইন্ডার। একজন রেগে আগুন হলে আরেকজন যদি পানি হয়ে মাথা ঠান্ডা রাখে এবং ব্যাপারটা সামলানোর চেষ্টা করে তাহলে সংসার সুন্দর। আর, দুজনেই আগুন হলে সমস্ত ঘর পুড়ে অঙ্গার!

Photos from All I Want To Talk About's post 07/05/2026

🌼🌿🥭🍍

29/04/2026

Private Tesla🤣

😂 🤣😂

23/04/2026

বাঙ্গু হুজুরদের মন ও মস্তিষ্কে দিনরাত একটাই টপিক থাকে- নারী।
এরা নারীর শিক্ষা, বিবাহ, ঋতুস্রাব, গর্ভধারণ, জন্মনিয়ন্ত্রণ, পর্দা এসবের বাইরে আর কোনো কিছু নিয়েই চিন্তা-ভাবনা কিংবা কথা বলতে জানে না।

এদের মাথা ভর্তি যৌনতা ও নারী। এরা নারীকে সন্তান জন্মদানের যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারে না। তাই নারী ও গাভীর মধ্যে তাদের চোখে কোনো পার্থক্য নেই। তারা দিনরাত এইসব চিন্তায়ই মশগুল থাকে কীভাবে কিশোরী মেয়ে বিয়ে করা যায়। একের অধিক বিবাহ করা যায়। জন্মনিয়ন্ত্রণ না করে নারীকে দিয়ে বছর বছর বাচ্চা জন্ম দেওয়ানো যায়। নারীর সুরক্ষার জন্য টিকা ও অন্যান্য চিকিৎসাসেবা বন্ধ করানো যায়।

বিশ্বসংসারের অন্য কোনো বিষয়ই তাদের আগ্রহ জাগায় না। তাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু শুধুই নারী।

20/04/2026

তখন ইউনিভার্সিটিতে পড়ি। তো একবার শাহরুখ খান আসবে আমাদের ক্যাম্পাসে। সেইটা আবার ফর্মাল কোনো আয়োজন হবে না। সারাদিন ক্যাম্পাসে ঘুরবে, উনাকে সঙ্গ দেবে একজন শিক্ষক ও ছাত্রী। ছাত্রীদের মধ্যে কীভাবে যেন আমি সিলেক্ট হয়ে গেলাম। এরপর সেই দিন এলো। শাহরুখ অ্যাজ ইউজুয়াল খুব চিল হয়ে আমাদের সঙ্গে পরিচিত হয়ে ঘুরতে লাগলো।

আমাদের সঙ্গে যে স্যার ছিলেন উনার বয়স বেশি, খুব হাঁটতেও পারেন না। অগত্যা বারবার বসতে হচ্ছিলো। এদিকে শাহরুখ আমাকে প্রচুর অ্যাটেনশান দিচ্ছিলো। আমার মুখ থেকে খই ফোটার মতো কথা বের হচ্ছে। আর শাহরুখ সেসব গিলে যাচ্ছে।

একপর্যায়ে স্যার বসে রইলেন আমরা দুজনে ঘুরতে বেরিয়ে গেলাম। একবার তাকিয়ে কেউ আমাদের খেয়ালই করছে না, প্রতিদিন কতো স্টার-সেলেব আসে সেসব দেখে এদের চোখ সয়ে গেছে। ফার্স্ট ইয়ারের দুয়েকজন এসে অটোগ্রাফ-ফটোগ্রাফ নিয়ে গেলো।

আমরা একসাথে ফুচকা, ঝালমুড়ি খেলাম। সিনেমা নিয়ে অনেক কথা বললাম। সে খুবই ইম্প্রেস হলো আমার সিনেমা সম্পর্কিত জ্ঞান দেখে। হাঁটতে হাঁটতে আমরা একটা লেকের পাড়ে এলাম। আমি রেলিং এর উঁচু ধার দিয়ে হাঁটছি, হঠাৎ আমার জুতা স্লিপ করলো, আমি পড়ে যাওয়ার আগেই শাহরুখ তার নায়কোচিত ভঙ্গিতে আমাকে ধরে ফেললো। স্লো-মোশনে দৃষ্টি বিনিময় হলো।

এরপর আমরা আবারও হাঁটতে শুরু করলাম। অনেকক্ষণ পর খেয়াল করলাম আমরা তখনো হাত ধরাধরি করে হাঁটছি। জনসম্মুখে যেতেই আমি হাত ছেড়ে দিলাম। শাহরুখ কিছুটা মন খারাপ করলো। কিছু করার নেই। এরপর হঠাৎই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি শুরু হলো। দৌঁড়ে গিয়ে দাঁড়ালাম একটা চায়ের ঝুপড়িতে। বৃষ্টি দেখতে দেখতে চা খেলাম। আরো অনেক অনেক কথা বললাম। ততক্ষণে বলিউডের দ্যা লাস্ট অফ দ্যা স্টারস আমার উপর ক্রাশ খেয়ে ফেলেছে। কিন্তু আমি অতোটা পাত্তা দিচ্ছি না।

বৃষ্টি থেমে গেলো। আমরা বেরিয়ে এসে আবার লেকের পাড়ে দাঁড়ালাম। আমার দুয়েকজন বন্ধু ও অপু ক্লাস শেষ করে এলো। অপু এসে আমার পাশে দাঁড়ালো। আমি ব্যাগ থেকে একটা লাল রঙের স্ট্রাইপ তোয়ালে বের করে ওকে দিয়ে বললাম মাথা মুছো ভাল করে। নইলে ঠান্ডা লাগবে। আমাদেরকে দেখে শাহরুখ জ্বলেপুড়ে যাচ্ছে। অপু একটু দূরে যেতেই আমাকে জিজ্ঞেস করছে, এই ছেলেটা কে? সে কি তোমার বয়ফ্রেন্ড? আমি হ্যাঁ বলতেই শাহরুখের চেহারা সাদাকালো হয়ে গেলো। বেচারা ভীষণ কষ্ট পেয়েছে।

পরক্ষণেই ব্যাপারটা সামলে নিয়ে অপু সম্পর্কে আমাকে প্রশ্ন করতে লাগলো। পরখ করতে চাইছে বিষয়টা সিরিয়াস কি না। আমিও হেলেদুলে উত্তর দিচ্ছি। কিন্তু আমার উত্তর তার মনপূত হচ্ছে না। এবার আমি অকারণ অভিমান করে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে বসে পড়লাম। কিন্তু শাহরুখ কিছুতেই আমাকে প্রশ্ন করা বন্ধ করছে না।

এবার আমার হাত ধরে রীতিমতো আমাকে ঝাঁকি দিচ্ছে। বলো বলো, তোমাকে বলতেই হবে। একপর্যায়ে আমি বিরক্ত হয়ে তাকাতেই দেখি অপু আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমাকে চোখ মেলতে দেখে জিজ্ঞেস করছে, তোয়ালে কই রাখছো গোসল করব। আমার কলেজে দেরী হয়ে যাচ্ছে। উঠো আমারে চা দাও।

কীসের কলেজ, কীসের তোয়ালে, কীসের চা!! আমি কই আছি!! আমি না শাহরুখ খানের সঙ্গে প্রেম প্রেম পাগলামি করতেছি। এই ব্যাডা কইত্থে আসলো! স্বপ্ন দেখতেছিলাম বোঝার পর এমন মেজাজ খারাপ হইছে! ব্যাডার চায়ে চিনিই দেইনাই। বাসায় আসার পরে হুদাই গ্যাঞ্জাম করছি, ছ্যানছ্যান করছি। এদিকে ব্যাডা সারাদিন ভেবেও বুঝতেছে না ওর দোষটা কই!

14/04/2026

শুভ নববর্ষ 🌸

13/04/2026

Cliché, but somehow it still hits every single time! 🤣🤦‍♀️

😂

🤣😂

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka
Dhaka