LikE For Me
লাইক কমেন্ট share করে সাথে থাকুন ধন্যবাদ।
29/05/2025
23/04/2025
একদম!😌❤️🩹
কেউ একজন আমাকে কিছুটা সময় দিয়েছিলো,
আমি তা ভালোবাসা ভেবে আজও যত্নে রেখেছি"!💔😊
মাত্র ১ মাসের রিলেশন! এর আগে শুধু মেসেন্জ্ঞারে টুকটাক কথা হতো। তারপর ০১/০১/২০২৩ ইং তারিখে তার সাথে প্রথম সরাসরি দেখা। তারপর থেকে তার প্রতি আলাদা একটা ভালোবাসা তৈরি হয়। ১৩/০১/২০২৩ ইং তারিখ থেকে আমাদের প্রেমের সম্পর্ক শুরু। আমি 'মধ্যবিত্ত' পরিবারের সন্তান 'আর্থিক' অবস্থা অতটা স্বচ্ছল ছিলো না,রিলেশনের শুরুতেই তাকে বলেছিলাম অন্যান্য প্রেমিকের মতো কিন্তু দামী গিফ্ট দিতে পারবো না সে তাতেও রাজী! আমার কাছে এখন পর্যন্ত কিচ্ছু চায় নি, উল্টে তখন থেকে এখন পর্যন্ত তার মা-বাবা তাকে যা টাকা দিতো প্রায় সবটাই আমাকে দিতো আমার হাত খরচের জন্য। আলহামদুলিল্লাহ্, ২৭/০২/২০২৩ ইং তারিখে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়েছে আমাদের। বিয়ের পর প্রায় ৫ মাসের উপরে আমি বেকার। তখনও সে মোটামুটি আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। তার সাপোর্ট পাশাপাশি পারিবারিক সাপোর্টে গত ০৭/০৮/২০২৩ ইং তারিখে নিজে ব্যবসা শুরু করি। আজ আমি 'প্রতিষ্ঠিত' সেই মেয়েটি আজ আমার সহধর্মিনী! দোয়া করবেন তাকে যেনো খুউউব সুখে রাখতে পারি!'
আজ আমি বিশ্বাস করি~ "নারীদের সত্যিকারের ভালোবাসা গুলো ভ'য়ংকর সুন্দর হয়!"🖤🌼
আমার বিবাহ খাইতে অনেকে হা কইরা বইসা আছে, দুঃখের বিষয় হইতাছে চুপচাপ বিয়ে করে ফেলবো।
আমি: চাচা, হেনা কোথায়? বাড়িঘর সব উল্টাপাল্টা ক্যানো!
চাচা: আরে রাখ তোর হেনার কথা। তোর চাচী পালিয়ে গেছে বাপ😭
আপনার সাথে সব থেকে বেশি অন্যায় করা মানুষটার দিকে তাকিয়ে দেখবেন, তার মধ্যে কোনো অপরাধ বোধের ছিটেফোঁটাও নেই!💔😅
সুতা ছিঁড়ে চইলা যাওয়া ঘুড়ি, কখনোই জানতে পারে না নাটাই হাতে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটার মনের অবস্থা।😊💔
©ফারাবী আহমেদ রাকিব
৪ বছর রিলেশনের পর বিয়ে করে যখন জানলাম সে কখনোই মা হতে পারবে না। তবুও তার হাত ছাড়িনি। পুরো পরিবারের বিপক্ষে যেয়ে বিয়ে করছিলাম। কারন তাকে যথেষ্ট পরিমাণ ভালোবাসতম যেটা বুঝানোর মতো ভাষা নেই। সংসারও তিন বছর রানিং ছিলো আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক সুখে ছিলাম। সারারাত অফিস করে সকালে বাসায় ফিরে নাস্তা রেডি করে তাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে নাস্তা করিয়ে একসাথে ঘুমাতাম।
বিয়ের তিন বছরের মধ্যে আমার মনে হয় না সে কখনো নিজ হাতে খাবার খেয়েছে। আমিই তাকে খাইয়ে দিতাম তিনবেলা। স্বামী হিসাবে আমার মনে হয় না আমি তার কোন চাওয়া পাওয়ার অপূর্ণতা রেখেছিলাম। তার মুখ দেখেই বুঝতাম কখন কি লাগবে।
হঠাৎ আমি অনেক অ!সুস্থ হয়ে পড়ি,পরে পরিক্ষায় ধরা পড়ে আমার ক্যান্সা! র হয়েছে। এক কথায় না বাঁ! চার মতো অবস্থা।
তার কিছুদিন পর থেকেই সে আমার সাথে ছোটখাটো যেকোনো ব্যাপার নিয়ে খুব ঝামেলা করতো। এবং আমি ঘুমিয়ে পড়লে সে পাশের রুমে যেয়ে সারারাত ফোনে কথা বলতো। আমি শুনলেই উল্টাপাল্টা ব্যবহার করতো আমার সাথে। আমি তার আম্মুকে জানাই ব্যাপারটা। তিনি তখন তাকে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে বলে,আমিও রাজি হয়ে যায়।
যদিও তখন তাকে আমার পাশে রাখার অনেক প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু সে ও বাবার বাড়ি চলে যাওয়ার জন্য মন খারাপ করে থাকতো। বাবার বাড়িতে যাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই সম্পর্কের ইতি টানল।
আমি রোজা থাকা অবস্থায় কক্সবাজার থেকে ফরিদপুর প্রাই ৩০০ কিঃ মিঃ + জার্নি করে তার বাসায় যাই এবং অনেক চেষ্টা করে তার সাথে দেখা করি।
এমনকি স্বামী হয়ে স্ত্রীর পায়ে ধরে ঘন্টার পর ঘন্টা কা! ন্না করছিলাম তাকে ফেরানোর জন্য ।
কিন্তু তাকে ফেরাতে পারিনি।
আজ প্রায় ৯ মাস হয়ে গেছে তার সাথে আমার কোন যোগাযোগ নেই।
হাসপাতালে শুয়ে থেকে লিখলাম ডাক্তার বলছে বাহিরে গিয়ে চিকি!!ৎসা করাতে, সেই সামর্থ ও নেই।
এখন প্রতিটা দিন প্রতিটা রাত তাকে ছাড়া কোন কিছু ভাবতে পারি না। তার জন্য কান্না করতে করতে বে! হুঁশ হয়ে যায়।
আমি মনে হয় বেশি দিন বাঁচ!! বো না, অথচ এই শেষ সময়ে মানুষটা আমার পাশে নেই।🥺
পাঠালেনঃ ইমন ইসলাম
Click here to claim your Sponsored Listing.
