Mokter Hussain 2.0
আপনাদের উপকারি ও দরকারি সকল পোষ্ট নিয়ে পাশে আছি সর্বদা
04/06/2026
ছবিটা বুঝতে পারলে মাশা আল্লাহ না বলে যাবেন না কেউ
30/03/2026
বিদ্যুৎ গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অভিযোগ ও অসন্তোষের অবসান ঘটিয়ে প্রিপেইড মিটারের মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহারের সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত
22/03/2026
আল্লাহ কেনো সবাই কে ধনী বানান না?
একবার মুসা (আঃ) রাস্তার পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন।তিনি দেখলেন, অত্যন্ত দরিদ্র ব্যক্তি বালির ভিতর শরীর ডুবিয়ে বসে আছে।তাঁর গায়ে কোনো কাপড় নেই,লজ্জায় সে বালু দিয়ে শরীর ঢেকে রেখেছে।
লোকটি হযরত মুসা (আঃ)-দেখে আর্তনাদ করে বলল,"হে আল্লাহর নবী।আমার জন্য একটু দোয়া করুন।আল্লাহ যেন অন্তত আমাকে বেঁচে থাকার জন্য সামান্য কিছু রিজিক দান করেন।অভাবের তাড়নায় আমি আর বাঁচতে পারছিনা।"
ফকিরের করুণ অবস্থা দেখে মুসা (আঃ)-এর দয়া হল।তিনি আল্লাহর কাছে লোকটির সচ্ছলতার জন্য দোয়া করলেন এবং চলে গেলেন।পরর্বতীতে আল্লাহর নবীর দোয়া কবুল হলো।
কিছুদিন পর নবীর মুসা (আঃ) ওই পথ দিয়ে ফিরছিলেন।তিনি দেখলেন রাস্তায় বিশাল জটলা।এখানে অনেক মানুষ ভীর করে আছে।তিনি জিজ্ঞেস করলেন,এখানে কি হয়েছে? এত ভীর কেনো?
লোকেরা জানাল,"কিছুদিন আগে যে ভিক্ষুক বালির নিচে শরীর ঢেকে পরে থাকত,সে হঠাৎ কিছু সম্পদ পেয়ে ছিল।টাকা পেয়ে সে মদ খেয়ে মাতাল হয়েছে।এরপর মাতলামি করতে গিয়ে ঝগড়া করে এক ব্যক্তি কে হত্যা করেছে।এখন তার 'কিসাস' বা মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার প্রস্ততি চলছে।
হযরত মুসা (আঃ) আল্লাহর প্রজ্ঞার স্বীকারোক্তি দিলেন এবং নিজের আবদারের জন্য ইস্তেগফার পড়লেন।
ঘটনাটি উল্লেখ করে আল্লামা শেখ সাদী (রহ.) কিছু চমৎকার প্রবাদও উপমা ব্যবহার করেছেনঃ-
বেচারা বিড়ালের যদি ডানা থাকত,তবে সে দুনিয়া থেকে সব চড়ুই পাখির বংশ শেষ করে দিত। অর্থাৎ, দূর্বলরা শক্তি পেলে অত্যাচারী হয়ে উঠে।
প্লাটো (আফলাতুন) বলেছেন,"পিঁপড়ার পাখা না থাকাই ভালো।কারণ পাখা গজালে সে উড়ে বেড়াবে এবং নিজের ধ্বংস ডেকে আনবে।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন,যদি আল্লাহ তার সব বান্দাকে অঢেল রিজিক দিতেন,তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত। (সূরা-শুরা:২৭)
বাবার কাছে অনেক মধু আছে,কিন্তু তিনি জ্বরে আক্রান্ত ছেলে কে খেতে দেন না।কারণ তিনি জানেন মধু মিষ্টি হলেও জ্বরের রোগীর জন্য (শরীরে গরমের তাপমাত্রা বেশি থাকলে) তা ক্ষতিকর।
অতএব, যিনি তোমাকে ধনী করেননি,তিনি তোমার ভালো-মন্দ তোমার চেয়ে বেশি জানেন।
আল্লামা শেখ সাদী (রা.)
09/03/2026
ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদকে সভাপতি করে বায়তুল মাকারামের খতিব মুফতি আবদুল মালেক ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আহমাদুল্লাহকে প্রধান সমন্বয়ক করে ৭সদস্যের যাকাত ম্যানেজমেন্ট একটি কমিটি করা হচ্ছে।
এরজন্য গতকাল রাতে প্রধানমন্ত্রী দাপ্তরিক কাজকর্ম শেষ করে আলোচনা করতে বসেছিলেন শায়েখ আহমাদুল্লাহ’র সঙ্গে। কারা কারা এই কমিটিতে থাকবেন তা ঠিক করবেন মুফতি আবদুল মালেক ও শায়েখ আহমাদুল্লাহ।
মূলত গত পরশু আলেম-ওলামাদের সম্মানে ইফতার করার সময় তাদের সঙ্গে আলাপকালে প্রাথমিকভাবে এই বিষয়টি নিয়ে ভাবেন তারেক রহমান। যেটি তিনি নাতিদীর্ঘ বক্তৃতায় উল্লেখও করেছিলেন।
আমরা বছরে যে পরিমাণ টাকা যাকাত হিসেবে প্রদান করি সেটা যদি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে হতদরিদ্র থেকে লিস্ট করে পরিকল্পনামাফিক অন্তত ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকাও যদি একেকটি পরিবারকে প্রদান করা হয়, কিংবা তাদের স্বনির্ভর হয়ে ওঠতে কিছু করে দেওয়া হয়, তাহলে প্রতি বছর অন্তত ৪ থেকে ৫ লাখ হতদরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব।
এভাবে এক দশক চেইন চলতে থাকলে এক পর্যায়ে দেশে হতদরিদ্র পরিবার কমে যাবে।
শায়েখ আহমাদুল্লাহ দারিদ্র্য বিমোচনে নানাবিধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। একারণে উনাকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। উনি প্র্যাক্টিক্যালি এই ফিল্ডে কাজ করছেন, অবস্থা কী, জানেন ভালো করে। তার রিসার্চ আছে।
গত এক বছরের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয় করে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন থেকে আহমাদুল্লাহ ২১০০ বেকার তরুণ-তরুণীকে বিভিন্ন ধরনের দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। প্রশিক্ষণ নেয়া ওই তরুণরা বছরে প্রায় ৪২ কোটি টাকা আয় করছে।
যাকাত মডেল বাস্তবায়ন করে এক বছরেই কয়েক হাজার পরিবারকে স্থায়ীভাবে দারিদ্র্য বিমোচন করে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠতে সহায়তা করেছেন।
যাকাতের অর্থ কীভাবে আরও কার্যকরভাবে বণ্টন করা যায় এবং দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে তা কীভাবে প্রত্যক্ষভাবে কাজে লাগানো সম্ভব—এসব বিষয়ে গতকাল খোলামেলা আলোচনা করেছেন। একটা মডেল দাঁড় করানোর জন্য আলোচনা হয়েছে।
শুধু ওআইসিভুক্ত দেশগুলোতেই বছরে প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ যাকাত আদায় হয়। সেই টাকা থেকে একটা বড় অংশ বাংলাদেশে এনে পরিকল্পনামাফিক সুষ্ঠু বণ্টন করে প্রতি বছরেই স্থায়ীভাবে কয়েক লাখ পরিবারে দারিদ্রতা দূর করা সম্ভব হবে।
তারেক রহমানের এই সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ সাধুবাদ জানাই।
06/03/2026
আমাদের এলাকা..!
06/03/2026
মাশা আল্লাহ
17/02/2026
বর্তমান সরকারের মন্ত্রী পরিষদ:
রাষ্ট্রপতি - ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যার
স্পিকার - এডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী
১। প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা - তারেক রহমান
২। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন - মির্জা ফখরুল
২। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- সালাউদ্দিন আহমেদ
প্রতিমন্ত্রী - শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি
৩। পররাষ্ট্র - আমির খসরু
প্রতিমন্ত্রী - ড. হুমায়ুন কবির
৪। অর্থ- ড. রেজা কিবরিয়া
৫। শিক্ষা- আনম এহসানুল হক মিলন
প্রতিমন্ত্রী - সাঈদ আল নোমান
৬। আইন মন্ত্রনালয় - সাবেক এটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান
৭। তথ্য মন্ত্রনালয়- আন্দালিব রহমান পার্থ
প্রতিমন্ত্রী- ড. মাহদী আমিন
৮। পরিকল্পনা - ড. আব্দুল মঈন খান
৯। বানিজ্য মন্ত্রনালয় - আব্দুল মুক্তাদির
১০। শিল্প মন্ত্রণালয়- আব্দুল আউয়াল মিন্টু
১১। নৌ পরিবহন - মেজর হাফিজ
১২। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয় - নজরুল ইসলাম খান
১৩। পানি সম্পদ - আসাদুল হাবিব দুলু
১৪। মুক্তিযুদ্ধ - ফজলুর রহমান
১৫। সড়ক পরিবহন ও সেতু- আমান উল্লাহ আমান
১৬। সংস্কৃতি - জোনায়েদ সাকি
১৭। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় - ডা: এ জেড এম জাহিদ
১৮। যুব ও ক্রীড়া- আলি আজগর লবি
১৯। ধর্ম মন্ত্রনালয় - শামীম কায়সার লিংকন
২০। বিমান পরিবহন ও পর্যটন - আলতাফ হোসেন চৌধুরী
২১। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি - ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
২২। কৃষিমন্ত্রী - শামসুজ্জামান দুদু
২৩। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত - মির্জা আব্বাস
২৪। ডাক ও টেলিযোগাযোগ - নুরুল হক নূর
২৫। রেলপথ - গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
২৬ জনপ্রশাসন - ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ
২৭। সমাজকল্যান - রুহুল কবির রিজভী
২৮। পার্বত্য চট্টগ্রাম- দীপেন দেওয়ান
11/02/2026
🔸ইউনূস আসলেন, দেখলেন, জয় করলেন, চলে যাচ্ছেন।
🔸এইযে সুদিইউনূস, ইউনূইচ্ছা, কত সুন্দর করে মনের মাধুরী মিশিয়ে বলে ফেললেন, এমন নির্ভয়ে কোনো সরকার প্রধানকে আগে বলতে পেরেছেন কি ? পারেননি। ভবিষ্যতেও পারবেন না। এমন বাকস্বাধীনতা হয়তো আর পাবেন না।
🔸এই দেশের মানুষ ইউনূসকে ভালোবেসেছে। এবং ইউনূসও এই দেশের মানুষকে ভালোবেসেছে। তাই তিনি মানুষকে মুক্তির পথ দেখাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কতিপয় রাজনৈতিক দল, ফ্যাসিবাদি চরিত্র এবং আমলাতান্ত্রিক বাধার কারণে পুরোপুরি পারেননি।
🔸তারপরেও তিনি শেষ বলটা বানিয়ে তুলে দিয়েছেন আপনার আমার হাতে। এখন সিদ্ধান্ত আপনার আমার। যদি আমরা আমাদের মঙ্গল চাই তাহলে “হ্যাঁ” ভোট দিন।
🔸ইউনূসের বিরোধী হচ্ছে কায়েমি স্বার্থবাদী গুটিকয়েক ব্যক্তি, লুটেরা দলকানা, আমলাতন্ত্র এবং কিছু সিন্ডিকেট। এর বাইরে ইউনূসের কোন শত্রু নাই। দেশ এবং সাধারণ জনগণের ভালো চাইতে গিয়েই ইউনূস লুটেরাদের শত্রু হয়েছেন। ডানে-বামে তিনি শত্রু নিয়ে প্রতিনিয়ত দেশ ও জনগণের জন্য লড়ে গেছেন।
🔸এই দেশের মানুষ ইউনূসকে ভালোবাসে। ভালোবাসবে। এবং ইউনূসকে আজীবন মনে রাখবে। এই ইউনূস বাংলাদেশে আর হয়তো জন্মাবে কিনা আল্লাহই ভালো জানেন।
🔸আপনি ভালো থাকুন স্যার।
একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে গণভোটে হ্যাঁ দিন।
Say ‘YES’ for Future Bangladesh.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
1742
