GlamBox
Exploring the world of beauty and skincare secrets to empower everyone to feel their best. Let’s embrace our unique beauty together!
11/10/2024
”লোফার” জুতার উৎপত্তি কবে এবং কোথায়??
১৯৩০ এর দশকে স্লিপ-অন বা ফিতাবিহীন জুতার বর্ণনা দিতে ‘লোফার’ শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয়েছিল। এই স্টাইলের জুতায় ফিতা বা অন্য কোনো বাঁধন থাকে না। লোফার জুতায় হিল পাতলা বা নেই বললেই চলে। পাতলা সোল্ড হওয়ায় এটি আরামদায়ক এবং হালকা ভাব এনে দেয়। জুতার ওপরের অংশটি সাধারণত নরম।
লোফারের উৎপত্তি কিছুটা বিতর্কিত। পোর্ট ম্যাগাজিন ডট কমের তথ্য অনুযায়ী, লোফার জুতার গোড়াপত্তনের পেছনে নরওয়েজিয়ান কৃষকদের ভূমিকার কথা বলেন কেউ কেউ। কাজের জন্য উপযোগী হিসেবে স্লিপ-অন জুতা পরতেন নরওয়েজিয়ানরা। আবার কেউ কেউ বলেন, নেটিভ আমেরিকান মোকাসিন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই জুতার নকশা করা হয়।
#লোফার #জুতা #কেডস
10/10/2024
আসুন নাম জানি না এমন একটি জুতার ইতিহাস জেনে নেই!🤔
ব্রৌগেস
পুরুষদের জন্য সবচেয়ে আইকনিক জুতার নকশাগুলোর মধ্যে অন্যতম ব্রৌগেস জুতা। এ জুতার উপরিভাগ দেখে সহজেই শনাক্ত করা যায়। অনন্য শৈলীর এ জুতা পুরুষদের অন্যান্য জুতার চেয়ে ব্যতিক্রম। ‘ব্রোগ’ শব্দটি চামড়ার মধ্যে খোঁচা ছিদ্রকে বোঝায়। মূলত ছিদ্রযুক্ত জুতাই ব্রৌগেস। সকল ব্রৌগস অক্সফোর্ড, তবে সকল অক্সফোর্ড ব্রৌগস নয়।
এ জুতার উৎস নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না। ১৬ শতকের মাঝ সময় শেষের দিকের কোনো এক সময়ে আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডে এই জুতার উৎপত্তি হয়েছে বলে ফ্যাশন ওয়েবসাইট ট্রিকার্সে উল্লেখ করা হয়। জলাবদ্ধ বা স্যাঁতসেঁতে ভূখণ্ড পার হওয়ার উপযোগী জুতা হিসেবে এই নকশা করা হয়েছিল, যাতে জুতার মধ্যে পানি ঢুকলে তা দ্রুত সরতে ও শুকাতে পারে।
#জুতা #লোফার #কেডস
10/10/2024
ডার্বি
আমেরিকান ইংরেজিতে ডার্বি জুতাকে ‘ব্লুচার’ও বলা হয়। আকারে অক্সফোর্ড ও মংক জুতার সঙ্গে এর মিল আছে। পেছনে হালকা উঁচু হিল, সামনের দিকে সরু। তবে এটির বৈশিষ্ট্য ওপেন লেস অর্থাৎ জুতার দুই দিক ফিতা দিয়ে বাঁধলেও মাঝে ফাঁকা থাকবে। এই জুতার উপরিভাগে সেলাই থাকে। এটি জুতাকে মজবুত চেহারা দেয়। একই সঙ্গে অক্সফোর্ড থেকে আলাদা করে। ডার্বি জুতার গোড়াপত্তন স্পষ্ট নয়। ১৮৫০ এর দশকে জনপ্রিয় খেলা ডার্বি। শিকারের বুট হিসেবে ২০ শতকের শুরুতে ডার্বি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে বলে বডিলিস ডটকম ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়।
বোল্ড ডার্বি
ডার্বির আধুনিকতম ধরন বোল্ড ডার্বি। ডার্বি জুতার আদলে তৈরি হলেও এতে অনেক নতুনত্ব আছে। ডার্বির মতো এটির বৈশিষ্ট্যও ওপেন লেসিং এবং উপরিভাগে সেলাই। তবে এর বিশেষত্ব হল-পুরু ও বাড়তি উচ্চতার সোল্ড।
#জুতা #লোফার #কেডস
09/10/2024
"মংক"
মংক শুর সামনের দিকটা সরু অক্সফোর্ড শুর মতোই। কিন্তু এতে কোনো ফিতার ব্যবহার নেই। ফিতার পরিবর্তে এক বা একাধিক স্ট্র্যাপ থাকে। নান্দনিক নকশার কারণে এই জুতা অন্য সব ধরনের চেয়ে করেছে ব্যতিক্রমী। মোনক জুতোর উৎপত্তি নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না। তবে ফ্যাশন ওয়েবসাইট হেরিং সুজ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় সন্ন্যাসীদের থেকে এর উৎপত্তি।
গল্পটি হলো-ইউরোপীয় সন্ন্যাসীরা ফিতাওয়ালা স্যান্ডেল পরে মাঠে কাজ করতেন। কিন্তু সেটা পুরো উপযুক্ত না হওয়ায় নিজেরা পায়ের পাতা ঢাকা এক ধরনের স্যান্ডেল তৈরি করেন। তাঁদের সঙ্গে ব্যবসা করতেন এক ইংরেজ ভদ্রলোক। তিনি ওই স্যান্ডেল দেখে এতই মোহিত হন, সঙ্গে করে এক জোড়া বাড়িতে নিয়ে যান। পায়ের পাতা ঢাকা সেই স্যান্ডেল থেকে আধুনিক মংক জুতার জন্ম। এই গল্প সত্য কিনা তা প্রমাণের বিষয়। তবে মংক জুতার আধুনিক সংস্করণটি ১৯ শতকের শেষের দিকে ও ২০ শতকের শুরুর দিকে এসেছে।
#লোফার #কেডস #জুতা
08/10/2024
#জুতা #লোফার #কেডস
"অক্সফোর্ড"
পুরুষদের জনপ্রিয় জুতার নাম অক্সফোর্ড। ফর্মালওয়্যারে সবচেয়ে মার্জিত ধরনের জুতার অন্যতম এটি। এ জুতার বৈশিষ্ট্য হলো-এটিতে থাকে ক্লোজিং লেসিং (বন্ধ ফিতা) অর্থাৎ জুতার ওপরের অংশে সাধারণ স্লিট থাকে; উভয় পাশে ফিতার সঙ্গে আইলেট যুক্ত থাকে। পাতলা সোল্ডের সামান্য উঁচু টো-ক্যাপ, সামনের দিকে সরু গড়নের কারণে এই জুতা পেয়েছে নান্দনিক রূপ। প্লেন কাট বা সাধা সিধা গড়নের এই জুতায় বৈচিত্র্যময় নকশাতেও তৈরি হয়।
08/10/2024
#জুতা #লোফার #কেডস
পুরুষদের কোন জুতার কী নাম, এল কীভাবে?
পায়ের সুরক্ষায় জুতার ব্যবহার সেই আদি কাল থেকে। সুরক্ষার জন্য হলেও অন্যান্য পরিধেয়ের মতো জুতাও এখন ফ্যাশন। কালের বিবর্তনের জুতার স্টাইলে এসেছে পরিবর্তন। পরনের পোশাকের মতো জুতাও মানানসই হওয়া চাই। ফ্যাশনসচেতন মানুষেরা জুতা নির্বাচনে গুরুত্ব দেন। কারণ, উপযুক্ত জুতার মধ্যে ব্যক্তিত্ব প্রতিফলিত হয়। মানানসই জুতা মানুষকে আকর্ষণীয় ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলে।
ফ্যাশনের ক্ষেত্রে নারীদের জুতা নিয়ে যতটা চর্চা হয়, পুরুষদের ক্ষেত্রে ততটা হয় না। অফিসে হোক বা যে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে হোক-মানুষ পায়ের জুতাজোড়ার দিকেই তাকাবেই। পোশাকের সঙ্গে জুতা কতটা মানাচ্ছে তা বড় বিবেচনার বিষয়। কিন্তু পছন্দের জুতা নির্বাচনে অনেকে বিপাকে পড়েন। কোন স্টাইল আর রঙের জুতা মানাবে তা নিয়ে ছেলেরা দ্বিধায় থাকেন। জেনেশুনে জুতা বাছাই এনে দেবে ফ্যাশনেবল আউটলুক। সে জন্য গঠন ও নকশাভেদে জুতার ধরন জানা জরুরি। অনেক জুতাই পরা হলেও তার নাম হয়তো অজানা।
চলবে....
30/09/2024
#চুলপড়া #চুলেরযত্ন #চুল
কিশোর বয়সে অত্যধিক চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকারঃ
সাধারণত একজন মানুষের দৈনিক ১০০টির মতো চুল পড়তে পারে।
আজকাল কিশোর-কিশোরীদের একটি অতি সাধারণ সমস্যা হচ্ছে অতিরিক্ত চুল পড়া। এটা কিশোরদের কাছে তো বটেই, কিশোরীদের কাছে বেশ উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
সাধারণত একজন মানুষের দৈনিক ১০০টির মতো চুল পড়তে পারে। সেগুলো আবার গজিয়েও যায়। কিন্তু, চুল পড়ার সংখ্যা যদি এরচেয়েও বেশি হয়, তাহলে তার কারণ জানা জরুরি।
বিভিন্ন কারণেই অতিরিক্ত চুল পড়তে পারে। এর একটি কারণ হতে পারে পর্যাপ্ত পুষ্টির ঘাটতি। তরুণ বয়সী ছেলেমেয়েরা অনেক সময় ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে অল্প খাবার খায়। এতে করে সুষম খাদ্যের ঘাটতি হতে পারে। চুলের জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন (এ, বি, বিশেষ করে বায়োটিন, সি, ডি ও ই) এবং বেশকিছু খনিজ (আয়রন, জিঙ্ক) নিয়মিত গ্রহণ করা অপরিহার্য। এসব উপাদান সমৃদ্ধ খাবার হচ্ছে ডিমের কুসুম, কলিজা, বাদাম, বীজ, কলা, মিষ্টি আলু, মাশরুম, ব্রকলি ইত্যাদি।
অতিরিক্ত চুল পড়ার আরেকটি কারণ হতে পারে থাইরয়েডের সমস্যা। এই সমস্যার কারণে চুল তৈরি বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং চুল বেশি পড়তে পারে।
অত্যধিক চুল পড়া পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমের (পিসিওএস) একটি বৈশিষ্ট্য হতে পারে। ডিম্বাশয় ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন উত্পাদন করে। সেইসঙ্গে পুরুষ হরমোন অ্যান্ড্রোজেনের একটি অংশও উৎপাদন হয় ডিম্বাশয় থেকে। পিসিওএস-এ আক্রান্ত হলে ডিম্বাশয় অতিরিক্ত পরিমাণে অ্যান্ড্রোজেন তৈরি করে, যার ফলে অতিরিক্ত চুল পড়ে।
মাথার ত্বকে কিছু ছত্রাকের সংক্রমণের কারণেও চুল পড়তে পারে। দীর্ঘ সময় স্যাঁতসেঁতে চুল ঢেকে রাখার ফলে এই ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে। মাথায় চুলকানো বা মাখার ত্বক লাল হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখলে বুঝতে হবে ছত্রাকের সংক্রমণ হয়েছে।
চুলে রং করার মতো কারণেও অনেক সময় চুল পড়তে পারে। রাসায়নিক পদার্থ বারবার করে চুলে রং করা বা ব্লিচ করা, চুল স্ট্রেট করার মতো কারণে চুলের ক্ষতি হতে পারে। এরর ফলে চুল ভেঙে যায় বা পড়ে যায়। আয়রন বা গরম ব্লো-ড্রাইং থেকে অতিরিক্ত তাপ দেওয়ার ফলেও চুলের ক্ষতি হয়।
শ্যাম্পুতে অনেক সময় সালফারযুক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই রাসায়নিকের কারণে মাথার ত্বক থেকে তেল ধুয়ে যায়। এর ফলে চুল শুকিয়ে যায়, চুলের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন ভেঙে যায়, চুলে বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং চুল ভেঙে যায়। সোডিয়াম ক্লোরাইডও শ্যাম্পুতে ব্যবহার করা হয়, যার কারণে ত্বক শুষ্ক হতে পারে বা চুলকাতে পারে এবং চুল পড়া বৃদ্ধি করতে পারে।
চুলকে খুব বেশি টানটান করে, এমন হেয়ারস্টাইল করা হলে চুলের ফলিকল স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ভেজা অবস্থায় স্টাইল করলেও চুল ভেঙে যেতে পারে।
এ ছাড়া, ট্রাইকোটিলোম্যানিয়ার মতো রোগও চুল পড়ার কারণ। এটি এমন একটি মনস্তাত্ত্বিক রোগ, যার ফলে মানুষ বারবার চুল টেনে ধরে। এমন ক্ষেত্রে প্রায়শই তাদের টাক পড়ে যায়। ট্রাইকোটিলোম্যানিয়ায় আক্রান্তদের ক্ষেত্রে চুল টানা বন্ধ করার জন্য একজন থেরাপিস্ট বা মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদারের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।
হঠাৎ কোনো মানসিক চাপ, যেমন: অস্ত্রোপচার, কোনো আঘাতজনিত ঘটনার মধ্য দিয়ে যাওয়া, গুরুতর অসুস্থতা বা উচ্চ জ্বরের মতো কারণেও সাময়িকভাবে প্রচুর চুল পড়ে যেতে পারে।
চুল পড়া বন্ধ করতে নিয়মিত সুষম খাবার খাওয়া উচিত। এ ছাড়া, স্বাভাবিকভাবে চুল শুকানো, উচ্চ তাপে ব্লো-ড্রায়ার ব্যবহার কমানো বা ব্যবহার না করা, খুব টাইট হেয়ারস্টাইল এড়িয়ে চলা, নিয়মিত চুল আঁচড়ানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চুল ধোয়া বা আঁচড়ানোর সময় খুবই যত্নশীল হওয়া উচিত।
চুলে যেকোনো ধরনের রাসায়নিক ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে। শ্যাম্পু ও হেয়ার জেল ব্যবহার করলে তা সঠিকভাবে ধুয়ে ফেলার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এগুলো দীর্ঘ সময় মাথায় থাকলে তা ত্বকের ছিদ্রগুলো আটকে দিতে পারে, যা মাথার ত্বকে অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে।
28/09/2024
#চুল #চুলপড়া #চুলেরযত্ন
যে ৫ অভ্যাসের কারণে চুল পড়ে
চুল পড়া গুরুতর কোনো সমস্যা নয়। কারণ চুল পড়বে এবং নতুন চুল গজাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই চুল পড়ার পরিমাণ হতে হবে স্বাভাবিক। হঠাৎ যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চুল পড়তে শুরু করে তবে সতর্ক হতে হবে। চুল পড়ার পেছনে অনেকগুলো কারণ দায়ী হতে পারে। এর মধ্যে একটি হলো আমাদের অভ্যাস। আমাদের প্রতিদিনের জীবনযাপনে এমনকিছু অভ্যাস রয়েছে, যার কারণে চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে-
১.সঠিক শ্যাম্পু নির্বাচন না করা
২.চুল দীর্ঘ সময় ভেজা রাখা
৩.ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি
৪.শরীরে আয়রনের অভাব হলে
৫.চুল অপরিষ্কার রাখা
#চুলপড়া #চুলেরযত্ন #চুল
চুল পড়া রোগ নির্ণয়:
চুল পড়া নির্ণয়ের জন্য, চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা মাথার ত্বক, চুলের ধরণ, চিকিৎসা ইতিহাস, জীবনধারা এবং মানসিক চাপের মাত্রাগুলি মূল্যায়ন করেন। তারা হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, পুষ্টির ঘাটতি, বা চুল পড়ায় অবদান রাখে এমন অন্তর্নিহিত চিকিৎসা পরিস্থিতি পরীক্ষা করার জন্য পরীক্ষাগার পরীক্ষা করতে পারে। একটি টান পরীক্ষা প্রতিদিনের চুল পড়ার পরিমাপ করে, যখন স্ক্যাল্প বায়োপসি বা ট্রাইকোস্কোপি মাইক্রোস্কোপিক অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে। কখনও কখনও, আপনার ডাক্তার মূল কারণ নির্ধারণ করতে ইমেজিং পরীক্ষা লিখতে পারেন।
চুল পড়ার চিকিৎসা:
চুল পড়া মোকাবেলা করার সময়, সবাই প্রাকৃতিকভাবে চুল পড়া এড়ানোর উপায়গুলি অনুসন্ধান করতে আগ্রহী। চুল পড়া প্রতিরোধ এবং চিকিত্সা চুল পড়ার ধরন এবং কারণের উপর নির্ভর করে বহুমুখী পদ্ধতির সাথে জড়িত। পুরুষ এবং মহিলাদের চুল পড়া নিয়ন্ত্রণের কিছু সাধারণ উপায় হল:
একটি স্বাস্থ্যকর চুলের যত্নের রুটিন গ্রহণ করুন।
তাপ এবং রাসায়নিক এক্সপোজার কমিয়ে দিন।
চাপ কে সামলাও
অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়ার জন্য, আপনার ডাক্তার চুলের বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করতে এবং আরও ক্ষতি রোধ করতে মিনোক্সিডিল এবং ফিনাস্টেরাইডের মতো ওষুধগুলি লিখে দিতে পারেন।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতার জন্য বা পুষ্টির ঘাটতি, আপনি জীবনযাত্রার পরিবর্তনগুলি গ্রহণ করতে পারেন এবং আপনার ডাক্তারের সুপারিশ অনুযায়ী সম্পূরক গ্রহণ করতে পারেন।
প্লেটলেট সমৃদ্ধ প্লাজমা (পিআরপি) থেরাপি এবং লেজার চিকিত্সা চুলের ফলিকলগুলিকে উদ্দীপিত করতে পারে।
অন্তর্নিহিত চিকিৎসা অবস্থার কারণে চুল পড়ার জন্য লক্ষ্যযুক্ত থেরাপি অপরিহার্য।
#চুল #চুলপড়া #চুলেরযত্ন
চুল পড়ার কারণ
জেনেটিক্স (এন্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া): বংশগত কারণগুলি চুল পড়ার সবচেয়ে প্রচলিত কারণগুলির মধ্যে একটি। এটি পুরুষদের (পুরুষ-প্যাটার্ন টাক) এবং মহিলাদের (মহিলা-প্যাটার্ন টাক) উভয়কেই প্রভাবিত করতে পারে।
হরমোনের পরিবর্তন: গর্ভাবস্থা, প্রসব, মেনোপজ বা এর মতো অবস্থার কারণে হরমোনের মাত্রার ওঠানামা পলিসিস্টিক ডিম্বাশয় সিন্ড্রোম (PCOS) চুল পড়ার ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে।
চিকিৎসা শর্ত: বিভিন্ন শর্ত, সহ থাইরয়েড রোগ, অটোইমিউন রোগ, এবং কিছু সংক্রমণ, চুল ক্ষতি হতে পারে.
ওষুধ এবং চিকিত্সা: বাত, বিষণ্নতা, হার্টের সমস্যা, গেঁটেবাত, উচ্চ রক্তচাপ, রেডিয়েশন থেরাপি এবং কেমোথেরাপির ওষুধ সহ কিছু ওষুধ চুল পড়ার কারণ হতে পারে।
অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টির অপর্যাপ্ত গ্রহণ: আয়রন, জিঙ্ক, ভিটামিন এবং প্রোটিনের মতো প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি চুলের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং চুলের ক্ষতিতে অবদান রাখতে পারে।
অন্যান্য কারণসমূহ:
মানসিক চাপ এবং মানসিক অবস্থা, যেমন ট্রাইকোটিলোম্যানিয়া (চুল টানার ব্যাধি) চুল পড়ার কারণ হতে পারে।
আঁটসাঁট চুলের স্টাইল, যেমন আঁটসাঁট বান, পনিটেল বা বিনুনি পরলে চুলে অযথা চাপ পড়তে পারে, যার ফলে চুল পড়ে যায়।
ঘন ঘন রঙ করা, পার্মিং বা সোজা করার মতো কঠোর চুলের চিকিত্সার অত্যধিক ব্যবহার চুলের খাদকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে এবং চুলের ক্ষতিতে অবদান রাখতে পারে।
চুল পড়ার লক্ষণঃ
চুল পড়া বিভিন্ন উপায়ে প্রকাশ পেতে পারে, হঠাৎ বা ধীরে ধীরে প্রদর্শিত হতে পারে বা আপনার পুরো শরীর বা শুধুমাত্র আপনার মাথার ত্বককে প্রভাবিত করে।
দৃশ্যমান হেয়ার স্ট্র্যান্ড: বালিশ, ব্রাশ, মেঝে বা ঝরনা ড্রেনে চুল বেড়ে যাওয়া
চুলের ক্রমান্বয়ে পাতলা হওয়া: অ্যালোপেসিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য, চুলের ঘনত্ব ধীরে ধীরে হ্রাস সময়ের সাথে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যার ফলে গঠন আরও সূক্ষ্ম হয়ে ওঠে। পুরুষদের ক্ষেত্রে, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া প্রায়শই হেয়ারলাইন বা ক্রাউন টাক পড়া দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, যখন মহিলারা তাদের চুল বিভাজন প্রসারিত হতে পারে।
টাকের দাগ: লোমহীনতার স্থানীয় স্থানগুলি হঠাৎ দেখা দিতে পারে বা ধীরে ধীরে বিকাশ করতে পারে এবং সেগুলি আকারে পরিবর্তিত হতে পারে। টাক দাগের উপস্থিতি প্রায়শই চুল পড়ার আরও উন্নত পর্যায়ে নির্দেশ করে।
চুলকানি বা খিটখিটে মাথার ত্বক: ক্রমাগত চুলকানি চুল পড়াকে বাড়িয়ে তুলতে পারে যার ফলে ব্যক্তিরা তাদের মাথার ত্বকে আঁচড় দেয়, চুলের ফলিকলগুলিকে আরও ক্ষতি করে।
মানসিক যন্ত্রণা: চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিরা এর উচ্চ মাত্রা অনুভব করতে পারেন জোর, উদ্বেগ, বা এমনকি বিষণ্নতা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1219
