Our islamic knowledge

Our islamic knowledge

Share

I love Islam

31/08/2025
Photos from Taw Haa Zin Nurain Foundation's post 31/08/2025
17/08/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহ।

সম্মানিত দ্বীনী ভাই ও বোনেরা অত্যন্ত দুঃখজনক একটি বিষয় আমরা আপনাদেরকে জানাচ্ছি যে "শেষ কাফেলা" নামক একটি পেইজ আমাদের Taw Haa Zin Nurain Foundation এর নাম ব্যবহার করে আসল পোষ্টার এডিট করে ভিন্ন নাম্বার বসিয়ে গাযা প্রজেক্টের আড়ালে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে এই প্রতারক মহলটি।

তারা আমাদের প্রজেক্টের ছবি/ভিডিওগুলোকেই ব্যবহার করছে যেটা তাদের পেইজ ভিজিট করলে আপনারা খুব সহজেই দেখে বুঝতে পারবেন, তার উপর দিয়ে তারা নিজেদের পোস্ট বুস্ট করে সহজ-সরল মানুষদেরকে খুব সহজেই বোকা বানাচ্ছে। এমতবস্থায় আমরা আমাদের সকল শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দদেরকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি সেই প্রতারক চক্রটি থেকে বেচে থাকতে এবং তাদের পেইজে বেশি করে রিপোর্ট মারতে। ইনশাআল্লাহ, খুব শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে সকল প্রকার ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি আশা করছি আপনাদেরকে পাশেই পাবো।

29/07/2025
26/07/2025

উসমান ইবন মাযউন (রাঃ) ছিলেন একজন মুহাজির। প্রথম হিজরতের পর তিনি আবিসিনিয়া থেকে মক্কায় ফিরে আসতে চান। যেহেতু তিনি মক্কা ছেড়ে হিজরত করেছিলেন, তাই কারো পক্ষ থেকে নিরাপত্তার আশ্বাস ব্যতীত মক্কায় নিরাপদে প্রবেশ করতে পারছিলেন না। ওয়ালীদ ইবন মুগীরা তাঁকে নিরাপত্তা দান করলো। সে ছিল মক্কার বয়স্ক ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের একজন।

ওয়ালিদ ইবন মুগিরার নিরাপত্তায় উসমান ইবন মাযউন মক্কায় প্রবেশ করেন। মক্কায় ফিরে এসে আবিষ্কার করেন যে, তিনি ছাড়া অন্য সব মুসলিমরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে! নিজের নিরাপদ জীবন তাঁকে এতটুকু খুশি করলো না, মজলুম মুসলিমরা তাঁকে ঈর্ষান্বিত করে তুললো! তাঁর কাছে মনে হলো তিনি বাদে অন্য সবার গুনাহ মাফ হয়ে যাচ্ছে আর তিনি কিছুই করতে পারছেন না। তাই তিনি ওয়ালিদের কাছে ফিরে গিয়ে বললেন যে তাঁর নিরাপত্তার কোনো দরকার নাই, তিনি সেটা ফিরিয়ে দিতে এসেছেন।

ওয়ালিদ বললেন,
- তুমি কেন এটা করছো?'
- আমি শুধু আল্লাহর নিরাপত্তা চাই, তোমার নিরাপত্তা চাই না।
- ঠিক আছে, যেহেতু আমি প্রকাশ্যে তোমাকে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছি, সেহেতু এই নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণাও প্রকাশ্যেই দিতে হবে।

তারা কাবাঘরে গেলেন। আল-ওয়ালিদ ইবন মুগীরা বললো, 'উসমান ইবন মাযউন আমার নিরাপত্তা আর চায় না, সে ফিরিয়ে দিয়েছে।' উসমান ইবন মাযউন বললেন,
হ্যাঁ, আমি ওয়ালিদ ইবন মুগীরাকে অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও সৎ লোক হিসেবে পেয়েছি, কিন্তু আমি একমাত্র আল্লাহর নিরাপত্তার মধ্যে আসতে চাই।'

কিছুক্ষণ পর দেখা গেলো উসমান ইবন মাযউন (রাঃ)একটা জনসমাবেশে এসেছেন। সেখানে তখন আরবের বিখ্যাত কবি লাবীদ তার একটা কবিতা আবৃত্তি করছিল, 'আল্লাহ ছাড়া সবকিছুই অসারা" উসমান তাল মেলালেন, বললেন, 'ঠিক! ঠিক।' ওই সমাবেশে অনেক লোক জমা হয়েছিল। কবি বলে চললো, 'আর সব সুখ তো ম্লান হয়ে কারো উসমান তার কবিতার মাঝপথে বাধা দিয়ে বললেন, 'না না, তুমি ভুল বলেছো, জান্নাতের সুখ কখনই ম্লান হবে না।'

কবি লাবীদ একটা ধাক্কা খেল। সে তার নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিল না যে, তার শ্রোতাদের মধ্যে কেউ এভাবে তার ভুল ধরিয়ে দেবে! কুরাইশদের উদ্দেশ্যে বললো, 'কে এই লোক? তোমাদেরকে এভাবে হেয় করার সাহস সে কোথা থেকে পেল?' শ্রোতাদের মধ্যে কেউ একজন বললো, 'বাদ দিন, সে হচ্ছে এক মাথামোটা, মুহাম্মাদের ধর্ম অনুসরণ করে। এর কথায় আপনি কিছু মনে করবেন না।' উসমান ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন। তিনি এই কথার জবাব দিয়ে বসলেন। ব্যস, শুরু হয়ে গেলো তাদের মধ্যে হাতাহাতি-মারামারি। এক পর্যায়ে কুরাইশরা উসমানের চোখে ঘুষি মেরে বসে।

আল-ওয়ালিদ ইবন মুগীরা এই ঘটনা দেখলো। উসমানের কাছে এসে বললো,
- 'কী দরকার ছিল তোমার চোখের বারোটা বাজানোর? তুমি তো আমার নিরাপত্তার মধ্যেই ছিলে, কেন সেটা ফিরিয়ে দিতে গেলে?'
- ঈমানে বলীয়ান উসমান ইবন মাযউন (রাঃ) তেজদীপ্ত গলায় বললেন,
- না, বিষয়টা তেমন না। আল্লাহর শপথ, আমি তো চাই আমার ভালো চোখটিও যদি আঘাত পাওয়া চোখের মতো হতো। সত্যি বলতে কী, আমি এমন একজনের নিরাপত্তায় আছি যিনি তোমার চেয়ে শক্তিশালী এবং ক্ষমতাবান।
- তুমি কি আমার নিরাপত্তার মধ্যে ফিরে আসতে চাও?
- নাহ, আমার প্রয়োজন নেই।

একজন কাফের বা মুশরিক কিছু হারালে সেটা ক্ষতির খাতায় ফেলে দেয়, কষ্ট-ব্যথা-বেদনাকে ক্ষতি বাদে অন্য কোনো নজরে দেখার ক্ষমতা তাদের নেই। কিন্তু একই ঘটনা একজন মুসলিমের জন্য সুসংবাদ। মার খেয়ে, ফোলা চোখ নিয়েও উসমান ইবন মাযউন ভাবছেন, ব্যথার বিনিময়ে কিছু গুনাহ মাফ হলো। এটাই মুসলিমদের দৃষ্টিভঙ্গী, ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গী।

আরও জানুন,
সিরাতুন্নবী (সাঃ) শিক্ষা কোর্স (সিজন ০৫) - এ
বিস্তারিত কমেন্টে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka