Puzzled kids Grow Match SHINE

Puzzled kids Grow Match SHINE

Share

Motivation is the only way to grow best. Every child must get his or her right. Just wanna keep them glowing against all obstacles.

23/04/2026

বিভিন্ন পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার জন্য খুব
জরুরী এই কাজ গুলো করা। তবে অবশ্যই oiling বা অতিরঞ্জিত করে নয়।

19/04/2026
10/04/2026

True colors of life. Sharing is caring. Real happiness matters a lot..

05/04/2026

No need any caption :(

05/04/2026

সন্তান আল্লাহর দেয়া শ্রেষ্ঠ আমানত ও নেয়ামত। তাদের সাথে সময় দেওয়া শুধু দায়িত্ব নয়, এটি ইবাদতও বটে। নিচের ৭টি কাজ আপনাকে সন্তানের সাথে গভীর বন্ধন গড়তে ও স্বার্থপরতা দূর করতে সাহায্য করবে।

১. প্রতিদিন অন্তত একবার সন্তানকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিন

অফিস থেকে ফেরার পর বা স্কুল থেকে আনতে গেলে প্রথমেই সন্তানকে জড়িয়ে ধরুন। এতে সন্তানের মনে ভালোবাসা, নিরাপত্তা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।

রাসূল (ﷺ) শিশুদের খুব স্নেহ করতেন, হাসান-হুসাইন (রা.)-কে চুমু দিতেন এবং কোলে নিতেন।

২. বাড়িতে ফোন ও কাজ থেকে দূরে থাকুন

সন্তানের সাথে সময় কাটানোর সময় মোবাইল দূরে রেখে দিন। সে সময়ে অফিসের কাজ বা সোশ্যাল মিডিয়ায় মন না দিয়ে সন্তানের সাথে কথা বলুন বা খেলুন।

(যদিও বর্তমান সময়ে কর্পোরেট দুনিয়ার চাকরির ব্যস্ততা (কাজ) বাসায় আনতে অনেকে বাধ্য হন।) তারপরও যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে।

৩. সন্তানের কথা মন দিয়ে শুনুন ও চোখে চোখ রাখুন

সন্তান যদি কিছু বলতে আসে, তখন চোখে চোখ রেখে মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এতে সে বুঝবে আপনি তাকে গুরুত্ব দেন।
সন্তান যদি বলে, "আব্বু/আম্মু, আজ স্কুলে..." — তখন ফোন না দেখে তার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করুন, "তারপর কি হলো?"

রাসূল (ﷺ) শিশুদের সাথে নম্রভাবে কথা বলতেন এবং তাদের গুরুত্ব দিতেন।

৪. সন্তানের সাথে খেলার সময় নিজেকে শিশু বানিয়ে নিন

খেলতে গেলে গুরুগম্ভীর বাবা-মা হয়ে না থেকে তার মত করে হাসুন, দৌড়ান, মজা করুন। এতে সন্তান আপনাকে সহজে কাছে পাবে। লুকোচুরি খেলুন, গাড়ি রেস দিন, পুতুল খেলায় অংশ নিন।

৫. সন্তানের জন্য বিশেষ গেম বা এক্টিভিটি বানান

বাড়িতে কাগজের ঘর বানানো, কুকিং খেলনা দিয়ে খেলানো, বা ছবি আঁকা (প্রাণীর ছবি নয়) — এমন কিছু খেলায় তাকে ব্যস্ত রাখুন যাতে সে শিখে এবং মজা পায়। বিভিন্ন কুইজ প্রশ্ন উত্তর গেমের আয়োজন করুন। ইসলামিক বোর্ড গেম খেলুন।

৬. "মি-টাইম" এর নামে সন্তানকে অবহেলা করবেন না

হ্যাঁ, নিজের সময় দরকার, কিন্তু সন্তানের চাওয়া বুঝে তাকে সময় দিন। সন্তানের সামনে কখনো এমন ভাব করবেন না যেন আপনি তার জন্য খুব খুব বিরক্ত।

আপনি ক্লান্ত, কিন্তু সন্তান বলল, "আব্বু, একটা গল্প বলুন!"
—তখন ৫ মিনিট সময় দিন অথবা ৫ মিনিট সময় বিশ্রামের জন্যে চেয়ে নিন।

৭. সন্তানকে নতুন জায়গায় নিয়ে যান (এক্সপ্লোর করান)

পার্ক, লাইব্রেরি, প্লে গ্রাউন্ড, ইসলামিক মিউজিয়াম ইত্যাদি জায়গায় বেড়াতে নিন। সেখানে সে খেলতে খেলতে নতুন কিছু শিখবে ও নতুন বন্ধু পাবে। আপনার সাথেও ভালো বন্ধন তৈরি হবে।

🎯 শেষ কথাঃ

এই ৭টি সহজ অভ্যাস একজন বাবামা’র জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সন্তানের ছোটবেলা আর ফিরে আসবে না। মনে রাখবেন,
"সন্তানের সাথে সময় কাটানো শুধু 'কোয়ালিটি টাইম' নয়, এটি আপনার আখিরাতের ইনভেস্টমেন্টও।"

05/02/2026

To stop bullying kids must follow these steps..

22/01/2026

https://www.facebook.com/share/17rG6MUaLE/

"স্কুলে আজ কেউ মেরেছে বাবা? টিচার বকেছে?" 🎒🥺
স্কুল থেকে ফিরে সন্তান যদি একদম চুপচাপ হয়ে যায়, বা তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখেন তখন বুকটা ধক করে ওঠে না?
আমরা দিনরাত দৌড়াচ্ছি "নামকরা স্কুল" আর "GPA-5" এর পেছনে। কিন্তু গবেষণা বলছে, একটা শিশু যদি স্কুলে নিজেকে নিরাপদ মনে না করে, তবে তার মস্তিষ্কের শেখার ক্ষমতা (Cognitive Ability) প্রায় ৫০% কমে যায়! অর্থাৎ, অনিরাপদ পরিবেশে বাচ্চার মেধা থাকলেও রেজাল্ট ভালো হবে না।
বাংলাদেশে এখন স্কুল সিলেকশন মানে শুধু 'ভালো পড়াশোনা' নয়, বরং 'বাচ্চা দিনশেষে সুস্থভাবে বাড়ি ফিরবে কি না' সেটা নিশ্চিত করা। বুলিং, বাথরুমের অপরিচ্ছন্নতা, অনিরাপদ ইনফ্রাস্ট্রাকচার বা শিক্ষকদের রুক্ষ আচরণ সবই আপনার সন্তানের জন্য সাইলেন্ট কিলার হতে পারে।

অভিভাবক হিসেবে স্কুল সিলেকশনের সময় শুধু বিল্ডিংয়ের রং বা রেজাল্ট শিট দেখবেন না। "সেফটি অডিট" করুন এই ৫টি ধাপে:
🕵️‍♀️ ১. গেট এবং বাউন্ডারি নিরাপত্তা (Physical Security):
স্কুলটি কি রাস্তার একদম ওপরে? গেটে কি সবসময় গার্ড বা 'মামা' থাকেন যিনি বাচ্চাদের চেনেন? অপরিচিত কেউ চাইলেই কি ঢুকে পড়তে পারে? বাংলাদেশে অনেক স্কুল কমার্শিয়াল বিল্ডিংয়ে, যেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। সিসিটিভি ক্যামেরা ক্লাসরুম ও করিডোরে সচল আছে কি না, ভর্তির আগেই চেক করুন।

🕵️‍♀️ ২. ওয়াশরুম ও হাইজিন চেক (The Hygiene Test):
স্কুল ভিজিটে গেলে সবার আগে তাদের ওয়াশরুম দেখুন। অপরিচ্ছন্ন টয়লেট থেকে বাচ্চারা ইউরিন ইনফেকশন (UTI) নিয়ে বাড়ি ফেরে এবং অনেকে ঘৃণায় সারাদিন পানি খায় না। মেয়ে শিশুদের জন্য পিরিয়ড-ফ্রেন্ডলি ব্যবস্থা বা আয়া/মাসিদের সহায়তা পাওয়া যায় কি না এটা মাস্ট চেক করুন।

🕵️‍♀️ ৩. বুলিং পলিসি এবং টিচারদের আচরণ:
সবচেয়ে বড় ভয়ের নাম বুলিং। সিনিয়র ভাইয়া-আপুরা বা সহপাঠীরা টিজ করলে স্কুল কর্তৃপক্ষ কী অ্যাকশন নেয়? নাকি "বাচ্চারা একটু দুষ্টুমি করবেই" বলে উড়িয়ে দেয়?
Tip: টিফিনের সময় বা ছুটির সময় লক্ষ্য করুন, শিক্ষকরা বাচ্চাদের সাথে কেমন আচরণ করছেন। ধমক বা গায়ে হাত তোলার কালচার থাকলে সেই স্কুল যত নামকরাই হোক ওখানে সন্তান নিরাপদ নয়।

🕵️‍♀️ ৪. সিঁড়ি ও ছাদের নিরাপত্তা:
বাংলাদেশের অনেক স্কুলে সরু সিঁড়ি বা নিচু রেলিং থাকে, যা টিফিনের হুড়োহুড়িতে মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। ছাদের গেট তালাবদ্ধ থাকে কি না এবং ইলেকট্রিক সুইচবোর্ডগুলো বাচ্চাদের নাগালের বাইরে কি না দেখে নিন।

🕵️‍♀️ ৫. 'Hidden Review' নিন:
স্কুলের ব্রোশিউর বা রিসিপশনের কথা বিশ্বাস করবেন না। ছুটির সময় গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে অন্য অভিভাবকদের সাথে কথা বলুন। জিজ্ঞেস করুন "এখানে কোনো সমস্যা হলে টিচাররা কি প্যারেন্টসদের কথা শোনেন?" আসল সত্যটা ওখানেই পাবেন।

✅ সন্তানের স্কুল হোক তার দ্বিতীয় বাড়ি, ভয়ের জায়গা নয়।
মনে রাখবেন, একটা সাধারণ মানের স্কুলেও যদি আপনার বাচ্চা মানসিকভাবে ভালো থাকে, হাসিখুশি থাকে তবে জীবনে সে অনেক দূর যাবে। কিন্তু ট্রমা নিয়ে বড় হওয়া বাচ্চা নামকরা স্কুল থেকে পাস করলেও আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগবে।
তাই এবার স্কুল সিলেকশনে প্রশ্ন করুন "আমার সন্তান এখানে কতটা নিরাপদ?" 🛡️

Parenting related আরো পোস্ট পড়তে অথবা আপনার মতামত জানাতে যুক্ত হতে পারেন আমাদের Parenting Guide with Kiddification community তে!

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka