Yeasmin Sajj Ghor
Health Care
Skin care
personal care
Food Supplements
Product
parlor
Ledis Selun
10/05/2026
এক হৃদয়বিদারক ঘটনা?💔😭
বছরখানেক আগে গাজীপুরের কাপাসিয়ার এক প্রবাসীর বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়েছিল ফোরকান মিয়া। তিনটা ছোট ছোট মেয়ে এবং স্ত্রীকে নিয়ে এখানেই থাকতো সে।
ফোরকান প্রাইভেট কার চালাতো। মাঝেমধ্যে সেটা ভাড়াও দিতো। এই টাকা দিয়েই বেশ ভালোই চলছিল সংসারটা।
কিন্তু গাজীপুরে থাকাকালীন সময়ে আশেপাশের কিছু বন্ধুবান্ধবের দেখাদেখি ফোরকান মাদক নেয়া শুরু করে।
মাদক সেবনের প্রথম দিকেও ফোরকান সংসারে টাকাপয়সা দিতো। কিন্তু দিন যতই যাচ্ছিল ফোরকানও মাদকসহ অন্যান্য নেশায় জড়িয়ে পড়তে শুরু করে।
তখন আর সংসারে তেমন একটা টাকাপয়সা দিতো না সে। প্রাইভেট কার চালিয়ে যে টাকা ইনকাম করতো সে টাকায় তার মাদকের খরচেই চলে যেতো।
সে মাদকের প্রতি এতটাই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল যে মাদকের টাকার জন্যে তার বউকে নিয়মিত মারধর করতো। আত্মীয় স্বজন এবং এলাকাবাসীরা মিলে সেগুলো অনেকবার মিটমাটও করে দিয়েছিল কিন্তু ফোরকানের মাদকের নেশা যায়নি।
ফোরকান এর আগেও প্রতিবেশীদের সামনেই তার বউকে বাপের বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা আনতে মারধর করেছে, পিটিয়েছে। কারণ তার মাদক কেনার টাকা লাগবে।
ফোরকানের বউয়ের বাবার বাড়ির আর্থিক অবস্থা খুব বেশি একটা ভালো না। তাই সে যৌতুকের টাকা দিতে পারেনি। এজন্যে ফোরকান নিয়মিতই তার বউকে মারধর করতো, বাচ্চাদেরকে অবজ্ঞা করতো, ঠিকমতো ভরণপোষণ দিতো না।
এভাবেই দিনদিন পারিবারিক কলহ বাড়ছিল শুধু।
গতকাল রাতে ফোরকান তার শালাকে কল দিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি দেয়ার কথা বলে বাসায় নিয়ে আসে। রাতের তার শালা বাসায় চলে আসে।
এরপরই আনুমানিক মধ্য রাতের দিকে ফোরকান তার স্ত্রী, তিন সন্তান এবং শালাকে নির্মমভাবে জ*বাই করে হ*ত্যা করে।
ফোরকান তার স্ত্রীকে জ*বাই করেছে জানালার গ্রীলের পাশে বেঁধে। তবে জ*বাই করার আগে হাত দুটো দড়ি দিয়ে শক্ত করে বেঁধে নিয়েছিল এবং মুখে কাপড়ের পট্টি লাগিয়ে স্কচটেপ দিয়ে শক্ত করে বেঁধেছিল যাতে কোনরকম আওয়াজ করতে না পারে।
ফোরকানের তার শালাকে জ*বাই করেছে বিছানার মধ্যেই। সম্ভবত সে ঘুমিয়ে ছিল। ঘুমের মধ্যেই গলার রগ কেটে জ*বাই করেছে।
আর ছোট ছোট ৩ টা বাচ্চাকে জ*বাই করেছে মেঝেতে ফেলে। বাচ্চা ৩ টার বয়স খুব বেশি না। একটার বয়স ১৪ বছর, একটার ১০ বছর এবং আরেকটার মাত্র ২ বছর।
বাচ্চাগুলোর গলার চারপাশে এখনো র*ক্ত জমাট বেঁধে শক্ত হয়ে আছে,নিথর দেহটা মেঝেতে এলোপাতাড়ি হয়ে পড়ে আছে। জ*বাই করার সময় নিশ্চয়ই প্রচন্ড যন্ত্রণা পাচ্ছিল ওরা।
নিজের বউ এবং বাচ্চাদেরকে জ*বাই করতে যাতে একটুও হাত না কাপে তাই ফোরকান জ*বাই করার আগে অনেকগুলো মাদক খেয়ে নিয়েছিল। সেগুলোও এখনো বিছানার পাশে পড়ে আছে।
ফোরকান এতটাই মাদক খেয়েছিল যে হিতাহিত জ্ঞান ভুলে সে উল্টাপাল্টা কাজ করেছিল। তার স্ত্রীকে জ*বাই করার সময় গয়নাও পড়িয়েছিল।
আর লা*শের পাশে প্রিন্ট করা কিছু কাগজপত্রও পাওয়া গিয়েছে যেগুলো মামলার নথিপত্র ছিল। সম্ভবত তাদের পারিবারিক কলহের মামলার নথিপত্রই।
সবাইকে নির্মমভাবে জ*বাই করার পর ভোরের দিকে ফোরকান নিজেই তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে বাবা-মাকে কল দিয়েছে। কল দিয়ে বলেছে- টাকা দিতে পারে না , তাই সব কয়টারে শেষ কইরা দিছি।💔😭
পরে তার বাবা-মা তড়িঘড়ি করে গাজীপুরে এসে দেখে সবাই জ*বাই করা অবস্থায় মরে পড়ে আছে। আর ফোরকানও ততক্ষণে গা ঢাকা দিয়ে পালিয়ে গেছে।
খবর পেয়ে বউয়ের বাবা-মাও এসেছে। তারা এসে এখন বিলাপ করে কান্নাকাটি করছে এবং চিৎকার করে করে বলছে- কোন জালেমের কাছে মেয়ে বিয়ে দিলাম! আমার ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনি সবাইরে জ*বাই কইরা ফেলছে!
এজন্যেই মেয়ে বিয়ে দেয়ার আগে ছেলের টাকাপয়সার চেয়েও সবচেয়ে বেশি দেখতে হয় ছেলের চরিত্র, পরিবারির শিক্ষা। কেননা- আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনই হচ্ছে বিশ্বস্ত লাইফ পার্টনার। ✊🏽
ভালো রেজাল্ট করলে, টাকা পয়সা হলে, গাড়ি বাড়ি করতে পারলে সেটাকে আমরা জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করি, সেলিব্রেট করি। অথচ জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে ভালো একজন জীবনসঙ্গী।✅
ফোরকানের সংসারটাও বেশ ভালোই চলছিল কিন্তু মাদকের নেশা এবং যৌতুকের লোভ তার পুরো পরিবারটাকে ধ্বংস করে দিল।
ফোরকান নেশায় এতটাই আসক্ত হয়ে পড়েছিল যে ধারালো ছু*রি দিয়ে বউ, বাচ্চাদেরকে নিজ হাতে জ*বাই করতে বিন্দুমাত্রও হাত কাঁপেনি তার!!😭😭
07/05/2026
স্টেশনের শেষ প্রান্তে
একটা ভাঙা বেঞ্চ
রাতারাতি রঙ করা হলো।
সেই বেঞ্চে বসে থাকা মানুষগুলোর
ক্লান্তির দাগ, অপেক্ষার ছাপ—
কেউ মুছে দিল না।
যারা প্রতিদিন সেখানে বসে
নিজেদের ভাঙা স্বপ্ন জোড়া দিতো,
তারা আজও বসে—
কিন্তু কেউ তাদের দেখে না।
যারা দেখেও দেখে না,
তারা ব্যস্ত
নিজেদের নতুন রঙে।
তাদের বিরুদ্ধে
কোনো অভিযোগ ওঠে না—
কারণ তারা নিয়ম মানে।
একদিন
বেঞ্চটা আবার ভাঙবে,
রঙ উঠে যাবে ধীরে ধীরে।
তবুও
অপেক্ষা করবে কেউ—
কারণ
অপেক্ষা করাটাই
মানুষের অভ্যাস।
✍️ সাবিনা ইয়াসমিন
হাজারো ফুল পথের পাশে ফোটেঁ
সব ফুলের কি আর ফুলদানি জোটে ?
এ যেন স্রষ্টার অনবদ্য সৃষ্টি লাল বাজারের গলির মোড়ের রাজ্যহীন রাজার রাজকন্যা
হোসনেয়ারা গুলবাহার।
দোয়া ও শুভ কামনা রইলো বর্ণিল সুন্দর আগামীর জন্য..
মন সবারই থাকে,
কিন্তু মনুষত্ববোধ সবার থাকে না।
সাবধানে থাকিস বোন এটা বাংলাদেশ.....
24/11/2024
যদি একজন নারী নিজে তোমার কাছে আসে
তাহলে তার জন্য
প্রাণ বিসর্জন দেওয়া তোমার দায়িত্ব
কারণ কোন নারীই
একজন পুরুষের প্রতি ততক্ষণ আগ্রহ নয়
যতক্ষণ না সে তার চোখে
পৃথিবীর সব পুরুষের চেয়েও
তোমাকে আলাদা না দেখে
তার এতোটুকু বিশ্বাস জন্মায়
সে তোমার কাছে আসলে ভালো থাকবে
এবং একটু আদর যত্ন পাবে
যখন এতোটুকু বিশ্বাস তার ভিতর জন্মায়
তখনই সে সবকিছু ছেড়ে তোমার কাছে ছুটে আসে
একবারও হিসেব করে না
তুমি হাত ছেড়ে দিলে সে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে
কলঙ্কের আঁচড় লাগবে গায়
জেনেও হাত বাড়ায়
কতটা আত্মবিশ্বাসী হয়ে তোমার কাছে আসে
শুধু একটু ভালোবাসা পাওয়ার জন্য
মায়ার বন্ধনে জড়িয়ে থাকার জন্য
কত মায়া ত্যাগ করে তোমার কাছে ছুটে আসে
কিন্তু তবে এই পথে
কিছু নারী হাসলেও
বেশিরভাগ নারী চোখের জলে ভাসে................🥀
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
1206
