Sahir's Diary
Baby video creator, Model
hello Everyone.
আমাদের এই আয়োজনে আপনাদের সহোযোগিতা
একান্ত কামনা করি ❤️
08/07/2025
আপনাদের বাবু কার মত হয়েছে কমেন্টে জানাবেন প্লিজ 😊
゚
07/07/2025
বাবা — নীরব এক ছায়া, যার অস্তিত্বই আশ্রয়
মা আমাদের পৃথিবীতে এনেছেন,
তাঁর কোলে মাথা রেখে আমরা শিখেছি কেমন করে ভালোবাসতে হয়।
আর বাবা?
তিনি আমাদের হাতে ধরেছেন পথ চলার সময়,
আমরা হাঁটতে শেখার আগেই তিনিই ভরসা হয়েছেন।
মা প্রতিদিন চুলার পাশে দাঁড়িয়ে খিদে মেটান,
আর বাবা—দূরে কোথাও, হয়ত অফিসের ধুলোমলিন ঘরে,
নীরবে সেই খাবারের খরচ জোগান।
মায়ের আদর গাঢ় রঙে আঁকা ছবির মতো,
যা চোখে পড়ে, মুগ্ধ করে।
আর বাবার স্নেহ?
সেটা হয়ত গভীর জমিনের শিকড়—
না দেখা গেলেও গাছটা দাঁড়িয়ে থাকে শুধু তার কারণেই।
আমরা ফোনে মায়ের খোঁজ নিই,
তাঁর মন খারাপ হলে বুঝতে পারি সহজেই।
কিন্তু বাবা?
তাঁর চোখে হয়ত অনেক প্রশ্ন,
তবুও তিনি বলেন না কিছুই, যেন নীরবতাই তাঁর ভাষা।
মায়ের সাজগোজে মুগ্ধ হই, ছবি তুলি।
আর বাবা?
তাঁর হয়তো একটা পুরনো শার্ট, তবুও মুখে হাসি—
কারণ তার গর্ব, সন্তানদের হাসিমুখ।
বাবার আঙুলে সেই পুরনো বিয়ের আংটি এখনো ঝলমল করে,
আর মুখে কোনো অভিযোগ নেই,
শুধু যেন একটা প্রার্থনা—
"তারা যেন সুখে থাকে…"
বাবা বয়সে নুয়ে পড়লে কেউ আর খোঁজ রাখে না,
বলেও ফেলে, “উনি আর কী করবেন এখন?”
কিন্তু ভুলে যাই—
তিনি ছিলেন বলেই আজ এই ঘর, এই জীবন।
বাবা সামনে আসেন না,
কারণ তিনি জানেন,
ভালোবাসা কখনো বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রকাশ পায় না।
ভালোবাসা অনুভবের জিনিস—
যা একান্তই নীরব, গভীর, অথচ সবচেয়ে দৃঢ়।
(رَبِّ ٱرْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِى صَغِيرًا)
"হে আমার প্রভু! আমার মা-বাবার প্রতি দয়া করো, যেভাবে তাঁরা আমাকে ছোটবেলায় লালন-পালন করেছেন।"
#সংগৃহীত
゚
07/07/2025
আসসালামু আলাইকুম 🤲🤲 শুভ সকাল 🌿🌿🌿
Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.
Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!
03/07/2025
শিশুকে বই কখন থেকে দেওয়া উচিত –🤷♀️ নিউরোসায়েন্সের আলোকে ব্যাখ্যা:
নিউরোসায়েন্স বলছে, শিশুর ব্রেইন জন্মের পর থেকেই শেখার জন্য প্রস্তুত। জন্মের প্রথম ৩ বছর শিশু মস্তিষ্কের সর্বোচ্চ নিউরাল কানেকশন তৈরি করে — এই সময়টা শিশু শেখে দেখে, শুনে, অনুভব করে, ছুঁয়ে। আর বই এই শেখার সবকিছু একসাথে এনে দেয়।
🧠 নিউরোসায়েন্স কী বলছে?🤷♀️
জন্মের পর শিশু প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ নিউরাল কানেকশন তৈরি করে।
📖 বইয়ের ছবি, রং, শব্দ, স্পর্শ এগুলো সব শিশুর ব্রেইনে সেন্সরি ইনপুট দেয়, যা ভাষা, আবেগ, মনোযোগ ও কল্পনাশক্তি গঠনে সাহায্য করে।
বই দেখানো শিশুদের ব্রেইনে ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোসেসিং এরিয়া বেশি সক্রিয় থাকে।
শিশুর মুখে শব্দ বের হওয়ার আগে সে হাজার হাজার শব্দ শুনে ও দেখে। তাই বই ভাষা উন্নয়নের অন্যতম শক্তিশালী উপায়।
বইয়ের উপকার আমি নিজে পেয়েছি সানায়ার ক্ষেত্রে, ৬মাস থেকেই বই, ওর বইয়ের কালেকশন অনেক বেশি, আর তার শব্দ ভান্ডারো তাই অনেকটাই সমৃদ্ধ।
🍼 শিশুকে বই কখন থেকে দেওয়া উচিত?
বয়স বইয়ের ধরন কেন উপকারী
০–৩ মাস 👉কনট্রাস্ট রঙের বই (কালো-সাদা, সাদা-লাল)
👉দৃষ্টিশক্তির উন্নয়ন, ফোকাস বাড়ায়।
৩–৬ মাস👉 সফট কাপড়ের বই, শব্দ করে এমন টেক্সচার বই
👉স্পর্শ, শব্দে সাড়া, হাতের সমন্বয়।
৬–১২ মাস 👉বড় ছবি, প্রাণীর বই, শব্দসহ বই(ইনটেলিজেন্স বুক) শব্দ-চিত্র সংযোগ,
👉 বাচ্চা শব্দ অনুকরণ শুরু করে।
১–২ বছর 👉বোর্ড বই, নাম শেখার বই, রাইম বই
👉শব্দভান্ডার গঠনে দারুণ ভূমিকা রাখে।
২–৩ বছর 👉ছোট গল্পের বই, প্রশ্ন-উত্তর টাইপ বই
👉 ভাষার কাঠামো শেখা, চিন্তা করা, গল্প বলার ক্ষমতা বাড়ে।
📘 শিশুর বই পড়ার উপকারিতা (বৈজ্ঞানিক ভিত্তি):
✅ ভাষা উন্নয়ন: শিশু যত শব্দ শোনে, মস্তিষ্ক তত বেশি কানেকশন তৈরি করে (Harvard Center on the Developing Child)।
✅ Parent-child bonding: বই পড়া সময় মস্তিষ্কে Oxytocin (ভালোবাসা হরমোন) বাড়ায়, সন্তান বাবা-মার কাছ থেকে কোয়ালিটি টাইম পায়।
✅ স্মৃতি ও মনোযোগ: বইয়ের মাধ্যমে Working memory ও Attention span বাড়ে।
✅কল্পনাশক্তি: ছবির বই শিশুকে নতুন চিন্তা করতে শেখায়।
✅ভবিষ্যৎ একাডেমিক সাফল্য: যেসব শিশু নিয়মিত বই দেখে ও পড়ে, তারা স্কুলে পড়ালেখায় অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকে।
🧩 বই দেখানোর কিছু টিপস:
শিশুর চোখের সামনে ধরে আলতো করে পৃষ্ঠা উল্টান
পড়ুন ধীরে, আবেগ দিয়ে, খুব মজা করে— যেমন করে গল্প বলা হয়
শিশুর প্রতিক্রিয়া দেখুন — সে তাকায়, হাসে, হাত দেয় = ভালোভাবে শিখছে
একই বই বারবার দেখানো দারুণ উপকারী — শিশু পরিচিত শব্দ শিখে ফেলে
যখনই সময় পান, বই নিয়ে বসে যান, এমনকি ঘুমানোর আগেও(গোল্ডেন আওয়ার একদম মিস করবেন না)
যা বোঝাতে চাচ্ছি 💁♀️
👉 শিশু যত ছোট, বই তত বড় ও রঙিন হওয়া উচিত
👉 বই শিশুর জন্য খেলার মতোই হওয়া উচিত,এমন না যে নিয়ম করে পড়তে হবে— কেবল দেখা, শোনা ও অনুভব করাই যথেষ্ট, এটা হবে তার একটা খেলার অংশ, খেলতে খেলতেই শিখবে।
👉 শিশুর সামনে বই থাকলে সে নিজেই বইয়ে আগ্রহী হয়ে ওঠে। তবে তাকে বই দিয়ে নিজে ফোন নিয়ে ব্যাস্ত থাকলে, মোটেও চলবেনা।
➡️ জন্ম থেকেই বই দেওয়া যায়, তবে বইয়ের ধরন হবে বয়স উপযোগী। ৩ মাস থেকে শিশু বই চিনতে শুরু করে। নিউরোসায়েন্স অনুযায়ী, যত আগে বইয়ের সঙ্গে পরিচয় করানো যায়, তত ভালো।
বিদ্র: এটা বলবেন না যে এতো অল্প বয়সে বই!, আমি কেবল ভালো দিকগুলো শেয়ার করলাম, মোবাইল বা বন্দুক এসব ভ*য়ানক জিনিস না দিয়ে যত পারেন বই দিন।
নিজে জানুন, জানান।
ধন্যবাদ 🙏
©️
゚
23/06/2025
"শিশুর সামনে আচরণ:
আগামী প্রজন্ম গঠনের ২০টি দায়িত্বশীল অভ্যাস"
১. অপমান নয়
শিশুর সামনে কাউকে অপমানজনক বা গালিভরা ভাষায় কিছু বলবেন না। এতে শিশু শিখে যায় রূঢ়ভাবে কথা বলাটাই স্বাভাবিক। সে নিজেও পরবর্তীতে সেই রকম ভাষা ব্যবহার করতে পারে।
২. তর্ক নয়
পরিবারের কোনো দ্বন্দ্ব বা ঝগড়া শিশুর সামনে করা উচিত নয়। শিশুর মনে এতে অস্থিরতা ও ভয় ঢুকে পড়ে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং সম্পর্ক নিয়ে নেতিবাচক ধারণা গড়ে তোলে।
৩. সত্য বলুন
শিশুদের সামনে মিথ্যা বললে তারা মনে করে মিথ্যা বলা স্বাভাবিক। ফলে তাদের চারিত্রিক গঠনে সততার অভাব দেখা দিতে পারে। সত্য বলা শিখিয়ে দিন ছোটবেলা থেকেই।
৪. সমালোচনা নয়
অন্যের দোষ বা খারাপ দিকগুলো শিশুদের সামনে বেশি বলা উচিত নয়। এতে শিশুদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব গড়ে ওঠে এবং তারা অন্যকে মূল্যায়নের বদলে দোষ ধরতে শেখে।
৫. ভয় দেখাবেন না
শিশুদের ভুল করলে ভয় দেখিয়ে নয়, বরং ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে বলা উচিত। ভয় দেখালে তারা আত্মবিশ্বাস হারায় এবং নিজের ভুল স্বীকার করতে ভয় পায়।
৬. অর্থকথা নয়
পরিবারের অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ে শিশুর সামনে আলোচনা না করাই ভালো। এতে তাদের মনে দুশ্চিন্তা বা অনিরাপত্তার অনুভব তৈরি হয়, যা মনঃসংযোগ ও বিকাশে বাধা দেয়।
৭. তুলনা নয়
শিশুকে অন্য কারো সঙ্গে তুলনা করা তাদের আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসে আঘাত করে। প্রত্যেক শিশু আলাদা, তাদের নিজের মতো গড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া উচিত।
৮. গঠনমূলক প্রশংসা
শিশুকে প্রশংসা করুন, তবে সেটা হোক গঠনমূলক ও উৎসাহমূলক। অকারণে বাড়াবাড়ি প্রশংসা করলে তা তাদের বাস্তববোধ কমিয়ে দিতে পারে।
৯. ব্যক্তিগত কথা নয়
দাম্পত্য কলহ বা ব্যক্তিগত গোপন কোনো বিষয় শিশুর সামনে আলোচনা করা ঠিক নয়। এতে তারা মানসিকভাবে চাপ অনুভব করে এবং অপ্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে বিভ্রান্ত হয়।
১০. ভদ্র ভাষা ব্যবহার করুন
আপনার ব্যবহৃত ভাষা যেন সবসময় ভদ্র ও পরিশীলিত হয়। শিশুরা যা শুনে, তাই শেখে। তাই অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করলে তারাও তা অনুসরণ করতে পারে।
১১. ধর্ম নিয়ে নেতিবাচকতা নয়
শিশুর মনে সব ধর্মের প্রতি সম্মানবোধ গড়ে তুলুন। কোনো ধর্ম নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করলে তারা অসহিষ্ণু হয়ে উঠতে পারে।
১২. নেগেটিভ খবর নয়
খুন, ধর্ষণ বা ভয়ংকর কোনো ঘটনা শিশুকে বলা উচিত নয়। এতে তারা আতঙ্কিত হয় ও রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
১৩. রূপ নিয়ে কটুক্তি নয়
কাউকে কালো, মোটা বা অন্য কোনো বাহ্যিক বিষয় নিয়ে উপহাস করবেন না। এতে শিশুর মনেও একই ধরণের বিচারবোধ জন্মায়, যা পরবর্তীতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
১৪. ভুলে রাগ নয়
শিশু ভুল করলে তার ওপর চিৎকার বা শাস্তি না দিয়ে ধৈর্য ধরে বোঝান। এতে তারা নিজের ভুল বুঝতে ও সংশোধন করতে শেখে।
১৫. নিন্দা নয়
অন্য কারো পেছনে সমালোচনা বা নিন্দা করবেন না। শিশুরা মনে করে এটি স্বাভাবিক আচরণ এবং তারা অন্যদের সম্মান করতে শেখে না।
১৬. উপেক্ষা নয়
শিশুর কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। এতে তারা বুঝতে পারে যে তাদের কথা মূল্যবান, যা আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
১৭. ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ নয়
শিশুকে শাসনের পরিবর্তে যুক্তি দিয়ে বোঝান। ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ করলে তারা শুধু সাময়িকভাবে কথা শুনবে, মনের ভেতর বিদ্রোহ জমবে।
১৮. উপহাস নয়
শিশুর কাজ বা কথা নিয়ে হাসাহাসি করা উচিত নয়। এতে তারা আত্মমর্যাদা হারায় ও নিজেদের প্রকাশে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।
১৯. সম্মান শেখান
শিশুকে শেখান, সব শ্রেণি-পেশার মানুষই সম্মানের যোগ্য। গৃহকর্মী, রিকশাওয়ালা বা অন্য যেকোনো মানুষকে সম্মান করলে শিশুর মূল্যবোধ উন্নত হয়।
২০. ভালোবাসা থাকুক
আপনার প্রতিটি কথায় যেন মমতা ও সহানুভূতি থাকে। শিশুরা ভালোবাসা থেকেই শেখে এবং মানবিক গুণাবলি অর্জন করে।
শিশুদের সামনে কথাবার্তায় সচেতনতা শুধু একটি অভ্যাস নয়, এটি একটি দায়িত্ব। তারা আমাদের প্রতিচ্ছবি। তাদের সামনে সদাচরণ মানেই আগামী প্রজন্মকে ইতিবাচক ও মানবিক করে গড়ে তোলা। আপনার প্রতিটি ভালো কথা, কোমল আচরণই শিশুর ভবিষ্যতের ভিত্তি মজবুত করে।
__ @ফয়েজ আহমাদ
Click here to claim your Sponsored Listing.
