Saira's Mom Creation

Saira's Mom Creation

Share

Hi people!

I am my own person and I am loving vloging,cooking,mekup-tutorial,dress-makeing & stitching,writing,traveling,food revew,,low cost budget tour etc.Because i just love to share the small incidents.

23/09/2024

I've received 100 reactions to my posts in the past 30 days. Thanks for your support. 🙏🤗🎉

19/09/2024

এই প্রথমবার হলুদ রঙের তরমুজ দেখলাম ও খেলাম।
সেই স্বাদ 😆😆

゚ ゚ ゚viralシ

15/09/2024

কারো জীবনকে সুন্দর করে তোলার জন্য একটা হাসিই যথেষ্ট!

জীবন আপনাকে কাঁদার জন্য অসংখ্য কারণ দেখাবে তার মধ্যে থেকেই আপনি হাসার জন্য কয়েকটি কারণ খুঁজে নিন!!

পৃথিবীতে সকল রোগের মহা ঔষধ হচ্ছে হাসি!!!

পৃথিবীতে যে মন খুলে হাসতে পারে না তার মত অসুখী কেউ নেই!!!!

আমাদের জীবন হচ্ছে একটি আয়নার মত আপনি যদি তার দিকে তাকিয়ে হাসেন তাহলে সে অবশ্যই আপনার দিকে তাকিয়ে হাসবে!!!!!!

আপনার সুন্দর হাসি আপনাকে মানুষের কাছে ইতিবাচক করে তুলতে পারে যার কারনে আপনার চারপাশে থাকা মানুষগুলো স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে!!!!!!!

আপনি চাইলে হাসির হাত ধরে অনেক দূর অব্দি যেতে পারবেন!!!!!!!

যে লোকেরা আপনাকে দেখে খুবই হাসি খুশি হয় তারাই হচ্ছে আপনার প্রকৃত প্রিয় মানুষ!!!!!!!!!

একটা সাধারণ হাসি আপনার হৃদয়ে সুখের জোয়ার বয়ে আনতে পারে!!!!!!!!!!

পৃথিবীতে যত কিছুই থাকুক না কেন হাসির চেয়ে মূল্যবান কোন কিছু রয়েছে বলে আমার মনে হয় না!!!!!!!!!

13/09/2024

একজন মা তার ছেলেকে জন্ম দেন নাড়ী থেকে,
একজন স্ত্রী সেই ছেলেকেই স্বামী হিসেবে জন্ম দেন হৃদয় থেকে।

একজন মা তার অদেখা ছেলেকে অনুভব করেন পেটে হাত রেখে দশ মাস,
একজন স্ত্রী সেই অচেনা ছেলেকেই অনুভব করেন বুকে হাত রেখে সারাটাজীবন।

একজন মা জন্ম দেন একজন শিশু পুত্রকে,
একজন স্ত্রী জন্ম দেন একজন পরিণত পুরুষকে।

একজন মা তার সন্তানকে হাত ধরে হাঁটতে শেখান,
একজন স্ত্রী সেই সন্তানের হাত ধরেই জীবনের সমস্ত পথটা হাটেন।

একজন মা তার সন্তানকে কথা বলতে শেখান,
একজন স্ত্রী প্রিয় বন্ধু হয়ে সারাজীবন তার কথা বলার সঙ্গী হয়ে ওঠেন।

সন্তানের দায়িত্ব কাঁধে আসতেই মা তার সমস্ত পৃথিবী ভুলে যান,
আবার স্ত্রী সেই সন্তানের দায়িত্ব নেবেন বলেই তার সমস্ত পৃথিবীটা ছেড়ে একদিন চলে আসেন।

সন্তান না খেতে পারলে পাতের সেই উচ্ছিষ্ট খাবার মা এবং স্ত্রী উভয়েই খান, আবার সন্তান এবং স্বামীর মঙ্গল কামনায় উপবাস মা এবং স্ত্রী দুজনেই করে থাকেন।

সন্তানকে বড় করেও সন্তানের থেকে প্রতিটা মাকেই আঘাত পেতে হয়।
আবার স্বামীকে বিয়ে করেও প্রত্যেকটি স্ত্রীকে এক না একদিন নির্যাতিত হতেই হয়।

মায়ের কাছে সন্তানের জীবনে দায়িত্ব নেওয়ার শুরু প্রায় কুড়ি বছর।
স্ত্রীর কাছে স্বামীর জীবনের দায়িত্ব নেভানোর শেষ বাকি ষাটটি বছর(কখনো কখনো সেটি আশি বছরেও যেতে পারে যদি আয়ু একশো বছর হয়)।

সন্তানের শৈশবে তার মল মুত্র মা-ই পরিস্কার করেন।
সন্তান যখন বৃদ্ধ হন তখন তার এই একই দায়িত্ব স্ত্রীর কাঁধেই বর্তায়।

মায়ের কোল হল সেই কোল যেখানে সন্তানের জন্ম হয় অর্থাৎ প্রথম বিছানা।
স্ত্রীর কোল হল সেই কোল যেখানে আমাদের মৃত্যু হয় অর্থাৎ শেষ বিছানা।

কিন্তু সমাজ এবং পরিস্থিতি আজ এমনই যে ছেলেটির বিয়ের পর মায়ের সাথে স্ত্রীর তুলনা করে প্রতিটা মুহূর্তে মাকেই শীর্ষস্থানে রাখেন, যেখানে দুজনের ভূমিকাই সমান সেখানে সামাজিক নজরে কেন মা আর স্ত্রীর মাঝে তুলনামূলক দ্বন্দ্বে বারবার পাঁচিল উঠবে বলতে পারেন।
গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়াটাই মা ও স্ত্রীর মধ্যে যদি সবচেয়ে বড় পার্থক্য হয়ে থাকে তাহলে শেষ কথা একটাই বলব-
"একজন আপনাকে গর্ভে ধারণ করেছেন,
অন্যজন আপনার জন্য গর্ভধারণ করবেন।"
"একজন আপনাকে জন্ম দিয়ে মা হয়েছেন,
অন্যজন আপনার জন্য আরেক জনকে জন্ম দিয়ে মা হবেন।"

゚viralシ ゚

09/09/2024

একলা হলে বুঝতে পারি ভালোবাসি কত!!!
একটা তুমি আছো বলে ভালো আছি এত ❤️

゚ ゚viralシ ゚viralvideo

09/09/2024

সম্পর্কে সবসময় ৩য় ব্যক্তিই জিতে যায়, কারণ সে আসে না তাকে দাওয়াত করে আনা হয়। 💔
:
পরকীয়া একটা দীর্ঘ মেয়াদি প্রসেস। হুট করে প্রথম দেখায় ভালবাসা হলেও, পরকীয়া কিন্তু হুট করে হয় না। যখন দেখবেন হায় হ্যালো থেকে আপনার কনভারসেশন মিড নাইট অব্দি চলে যাচ্চে, তখন আপনাকে বুঝতে হবে আপনি ভুল। যখন দেখবেন দরকারের বাইরেই কাউকে অযথা নক দিচ্ছেন, কল দিচ্ছেন বা কেয়ার করছেন তখন আপনাকে বুঝতে হবে শয়তান আপনার উপর ভর করেছে।

কিন্তু ভুল জানার পরেও ,বুঝার পরেও আপনি যখন সেটা কন্টিনিউ করবেন, তখন সেটা কে ঠান্ডা মাথার সিদ্ধান্ত বলে যেতে পারে। পরকীয়া যারা করে তারা ঠান্ডা মাথায় বুঝে শুনেই করে।

একজন সমাজ পরিবার তোয়াক্কা না করে পরকীয়া করে আবার অপর জন সমাজ এবং পরিবারের স্বার্থে সব জেনে বুঝেও মেনে নেয়। তার মানে দায়ভার আপনাদের উভয়ের।

ফেসবুক কখনো পরকীয়া, ডিভোর্স সমাধানের প্ল্যাটফর্ম হতে পারে না। ফেসবুকে মানুষ আপনাকে জাজ করবে, কয়েকদিন সমালোচনা করবে, আলোচনা করবে এবং একটা মুখ ররোচক টপিক হিসেবে দেখবে। তার পর যে যার মত ব্যস্ত হয়ে যাবে। আপনার জীবন আপনাকেই মেইনটেইন করতে হবে। তাই এই ধরনের বিষয় গুলা পরিবার কে সাথে নিয়ে সমাধান করুন বা করা উচিত।

চারদিকে যেভাবে পরকীয়া , চিটিং এসব হচ্ছে এতে করে ইয়াং জেনারেশন এর ছেলে মেয়েদের বিয়ের ভীতি ঢুকে গেছে। এটার দায়ভার আমরা এড়াতে পারি না। এই ইয়াং জেনারেশন এর ছেলে মেয়েরা বিশ্বাস করতে চেয়েও পারে না যে বিয়ে সবচেয়ে সুন্দরতম বিষয়। এর থেকে সুন্দর এবং পবিত্র কোন সম্পর্ক হতেই পারে না। কিন্তু এই সব পরকীয়া ,চিটিং করা এসবের জন্য তারা এখন বিয়েকে নেগেটিভ ভাবে দেখা শুরু করেছে।

তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ , পরকীয়ার মতো এতো নোংরা বিষয় নিয়ে ফেসবুকে না লিখে পারিবারিক এবং আইনী ভাবে সমাধানে আসুন।

ছেলে মেয়ে গুলা কে বুঝতে দিন, সবাই পরকীয়া করে না। সবাই এমন চরিত্রহীন/হীনা না। যারা এসবের বাইরে ,তারা বিবাহিত জীবনে অনেক বেশী ভালো আছে। তারা একটা পজেটিভ ভাইব পাক ভালো কাপল দের থেকে। তাদের জীবন থেকে এই বিয়ে ভীতি দূর হোক। আর কতো!

মতামতের ভিন্নতা থাকলে পারে যেহেতু আমরা আলাদা মানুষ। তাই মত ভিন্ন হলেও আমি আপনার মতামত কে সম্মান জানাই।

゚ ゚viralシ ゚viralvideo

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka