Trust Care BD
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Trust Care BD, Health/Beauty, Motijheel, Dhaka.
আমরা আপনার স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করি। আমাদের লক্ষ্য হল আপনার স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা সহজ এবং সাশ্রয়ীভাবে। আমরা অনলাইনে সুস্থতার সেরা পণ্য এবং সেবা সরবরাহ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
As we step into 2025, may your heart be full and your goals within reach.....
Happy new year
Trustcarebd.com
যে ১০টি লক্ষণ দেখলে ডায়াবেটিস রোগের পরীক্ষা করাতে হবে
ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া ও পিপাসা লাগা
দুর্বল লাগা' ঘোর ঘোর ভাব আসা
ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া
সময়মতো খাওয়া-দাওয়া না হলে রক্তের শর্করা কমে হাইপো হওয়া
মিষ্টি জাতীয় জিনিসের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যাওয়া
কোন কারণ ছাড়াই অনেক ওজন কমে যাওয়া
শরীরে ক্ষত বা কাটাছেঁড়া হলেও দীর্ঘদিনেও সেটা না সারা
চামড়ায় শুষ্ক, খসখসে ও চুলকানি ভাব
বিরক্তি ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে ওঠা
চোখে কম দেখতে শুরু করা
ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে কী হয়
ইউরিক অ্যাসিড বেশি মানেই বড় রকমের শারীরিক সমস্যা আছে এমন নয়। অনেকের ক্ষেত্রেই জিনগত কারণে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ইউরিক অ্যাসিড শরীরে কোনো সমস্যা তৈরি করে না।
তবে কিছু ক্ষেত্রে ইউরিক অ্যাসিড শরীরের বিভিন্ন অস্থিসন্ধিতে (হাড়ের জোড়া) ক্রিস্টাল হিসেবে জমা হয়ে প্রদাহ তৈরি করতে পারে। এর ফলে অস্থিসন্ধি লাল হয়ে ফুলে যায় এবং প্রচণ্ড ব্যথার সৃষ্টি করে বলে জানান ডা. আবেদ হোসেন। এই অবস্থাকে গাউট বা গেঁটে বাত বলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে গেঁটে বাতে পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলির গোঁড়ার অস্থিসন্ধি আক্রান্ত হয়।
এ ছাড়াও দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড কিডনিতে পাথর বা অন্যান্য সমস্যা তৈরি করতে পারে .
ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে কী করবেন ?
অস্থিসন্ধিতে ব্যথা, কিডনির সমস্যা বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা না থাকলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানান ডা. আবেদ হোসেন।
সব ওষুধের কিছু পার্শ্বঃপ্রতিক্রিয়া থাকে তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজ থেকে কোনো ওষুধ সেবন না করা এবং বন্ধ না করার পরামর্শ দেন তিনি। নিজ থেকে কোন পরীক্ষা করা বা কোনো ওষুধ সেবন করার প্রয়োজন নেই।
ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। স্বাস্থ্যসম্মত জীবন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে ।
সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?
জুম্মা মোবারক
সপ্তাহের একদিন শুক্রবার মুসলমানের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ একটি দিন। এদিনের ইবাদত মহান আল্লাহ তাআলা অনেক কবুল করে থাকেন এবং পছন্দনীয়। জানা যায় জুমার নামাজের দোয়া আল্লাহ তায়ালা কবুল করে থাকেন। তাই এই পবিত্র দিনে আপনি চাইলে আল্লাহর কাছে বিশেষ ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন।
ইউরিক অ্যাসিড হলো কার্বন, হাইড্রোজেন নাইট্রোজেনের হেয়ারোসাইক্লিক যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত C5H4N4O3। এটি আয়ন ও লবণ তৈরি করে যা ইউরেট ও অ্যাসিড ইউরেট নামে পরিচিত, যেমন-অ্যামোনিয়াম অ্যাসিড ইউরেট। ইউরিক অ্যাসিড হলো পিউরিন নিওক্লিওটাইডের বিপাকীয় ভাঙ্গনের ফলে তৈরি দ্রব্য এবং এটি মূত্রের এক্টি সাধারণ উপাদান।
ইউরিক এসিড বেশি হলে কি হয়?
আপনার শরীরে খুব বেশি ইউরিক অ্যাসিড থাকলে হাইপারুরিসেমিয়া হয়। হাইপারইউরিসেমিয়া ইউরিক অ্যাসিডকে ধারালো স্ফটিকগুলিতে একত্রিত করে। এই স্ফটিকগুলি আপনার জয়েন্টগুলিতে বসতি স্থাপন করতে পারে এবং গাউট সৃষ্টি করতে পারে, বাতের একটি বেদনাদায়ক রূপ। এগুলি আপনার কিডনিতেও জমা হতে পারে এবং কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে
আলহামদুলিল্লাহ
জুম্মা মুবারক
সুস্থতা আমাদের কাছে আল্লাহর দেয়া সবথেকে বড় নিয়ামত। এই নিয়ামতের একটু কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেন না?
Alhamdulillah for everything
23/10/2024
* কতদিন অন্তর বদলে ফেলা উচিত টুথব্রাশ ?
আমরা প্রত্যেকেই সকালে ঘুম ভেঙে ওঠার পর ব্রাশ করতে অভ্যস্ত। এই কাজটা রোজ করা হয় বলেই সুস্থ থাকে দাঁত। এড়িয়ে চলা যায় মুখগহ্বরের একাধিক জটিল রোগ।
তবে এহেন রোজের ব্যবহারের ব্রাশ নিয়েও আমাদের মনে রয়েছে হাজার প্রশ্ন। আর তেমনই একটি প্রশ্ন হলো, কতদিন অন্তর ব্রাশ বদলে ফেলা উচিত?
কেন ব্রাশ করা জরুরি?
রাতের বেলায় আমাদের মুখের অন্দরে উপস্থিত লালা বা স্যালাইভা অনেকক্ষণ নড়াচড়া করার তেমন একটা সুযোগ পায় না। আর এই স্যালাইভার মধ্যে থাকে প্রোটিন সহ একাধিক নিউট্রিয়েন্ট। যার ফলে মুখের ভিতরে উপস্থিত প্রায় ৭০০ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া দ্রুত গতিতে বংশবিস্তার করে। দেখা গিয়েছে, রাতে মুখে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়ার তুলনায় সকালে প্রায় ১০০ গুণ বেশি সংখ্যায় জীবাণু মেলে। আর এ সব জীবাণুর ভবলীলা সাঙ্গ করতেই ব্রাশ করা জরুরি। এ ছাড়া স্যালাইভা জমে থাকার কারণে দু’টি দাঁত বা দাঁত এবং মাড়ির মাঝের ফাঁকা জায়গায় প্লাক জমে। সেটা বের করতেও সাহায্য করে ব্রাশ।
কতদিন অন্তর ব্রাশ বদলাবেন?
এই প্রশ্নের উত্তরে ডা: জানালেন, ব্রাশের আগা যতদিন সোজা রয়েছে, ততদিনই সেই ব্রাশ ব্যবহার করা উচিত। আগা একবার বেঁকে গেলে তা আর কাজে লাগে না। তখন দাঁতের মাঝে জমে থাকা প্লাক পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। এমন পরিস্থিতিতে যত দ্রুত সম্ভব ব্রাশ বদলে ফেলা জরুরি। অন্যথায় দাঁতের ফাঁকে প্লাক জমতে থাকবে। এমনকী মুখে ব্যাকটেরিয়ার বাড়বাড়ন্ত হওয়ার আশঙ্কাও প্রবল হবে। তাই ব্রাশের আগা বেঁকে গেলেই বদলে ফেলুন।
22/10/2024
রাতের যে অভ্যাস আপনার ঘুম নষ্ট করে ......
১) ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভারি খাবার খাওয়া
রাতের খাবার ঘুমাতে যাওয়ার ২/৩ ঘন্টা আগে খাওয়া উচিত। সাধারণত বিশেষজ্ঞরা রাতের খাবার রাত ৮টার মধ্যে শেষ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে হেভি মিল নিলে অ্যাসিডিটি, গ্যাস্ট্রোসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স, বুকে ব্যথা, পেটে ব্যথা হতে পারে। এটি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।
২) অ্যালকোহল অথবা ক্যাফিনেটেড পানি পান করা
ঘুমাতে যাওয়ার আগে অনেকেই আছেন চা বা কফি পান করতে পছন্দ করেন। এটি হলো আরেকটি বদ অভ্যাস যা আপনার রাতের ঘুমকে হারাম করে। এমনকি অ্যালকোহল পান করা উচিত না।
৩) বিছানায় কাজ করা
অনেকেই ঘুমাতে যাওয়ার আগে ল্যাপটপে পরের দিনের কাজ গুছিয়ে রাখেন কিংবা অফিসের অসমাপ্ত কাজ শেষ করেন। ল্যাপটপের আলো আপনার মস্তিষ্ককে মেলাটোনিন নিঃসরণ করতে বাধা দেয় এবং মস্তিষ্ককে সংকেত দেয় যে এখনো ঘুমানোর অনেক সময় বাকি রয়েছে, আপনি জেগে থাকুন। এই প্রক্রিয়া আপনার ঘুমের রুটিনকে বাধাগ্রস্ত করে।
৪) ফোন ব্যবহার করা
সবার হাতে হাতে স্মার্ট ফোন। বিছানায় শুয়ে সবার আগে আমরা মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে থাকি। এ সব ডিজিটাল ডিভাইস থেকে নির্গত নীল আলো মেলাটোনিন হরমোনের (ঘুমের হরমোন) নিঃসরণ বাধা দেয় যা স্লিপ সাইকেলে নেতিবাচকভাবে প্রভাব ফেলে।
৫) ছুটির দিনে অতিরিক্ত ঘুমানো
যদি আপনার ছুটির দিনের ঘুমানোর শিডিউল আর ওয়ার্কিং ডে তে ঘুমানোর শিডিউলের মধ্যে অনেক বেশি পার্থক্য থাকে তাহলে আপনি সোস্যাল জেট লেগ এর সম্মুখীন হবেন। এই দুই সময়ের পার্থক্য আপনার ঘুমের সার্কেলে ব্যাঘাত ঘটাবে।
৬) অতিরিক্ত গরম বা শব্দময় স্থানে ঘুমানো
অতিরিক্ত গরম কিংবা ঠান্ডা স্থান ঘুমানোর জন্য উপযোগী নয়। আবার শব্দময় স্থানও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। শোবার ঘরটি শব্দমুক্ত রাখার চেষ্টা করুন। পরিবেশ অনেক বড় একটি বিষয়। আরামদায়ক বিছানা আর পরিবেশ আপনাকে কোয়ালিটিফুল ঘুম দিবে।
৭) কঠোর ব্যায়াম করা
নিয়মিত ব্যায়াম করা শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু ঘুমাতে যাওয়ার আগে কঠোর ব্যায়াম করা একদম উচিত নয়। ঘুমানোর আগে এই ধরনের ব্যায়াম ঘন ঘন ঘুম ভেঙে যাওয়ার কারণ হতে পারে। এটি আপনার হার্ট রেট, ব্লাড প্রেশার আর শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে।
৮) অযথা বিছানায় শুয়ে থাকা
ঘুম না আসলে আমরা মনে করি যে বিছানায় শুয়ে থাকলে ঘুম চলে আসবে! ডিনার করেই সাথে সাথে বেডে বিশ্রাম নিতে চলে যায়। তবে, বিছানায় শুয়ে বার বার এপাশ ওপাশ ফিরলে নানা চিন্তা এসে মাথায় উঁকি দিবে। তাই এই কাজটি করা উচিত নয়। ঘুম না আসলে রিল্যাক্সিং কাজ করুন যেমন বই পড়ুন। তাও যদি ঘুম না আসে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করুন। তবে ভুলেও মোবাইল ফোন হাতে নিবেন না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1223
