সুলতান রাজা

সুলতান রাজা

Share

01968409191

15/01/2026

Shovo ratri

15/01/2026

☪️🍁 শেরে খোদা মাওলা আলী পাক (আঃ) এর - উক্তি উপদেশ ও প্রবাদ।
☪️১২১। দুটি আমলের মধ্যে কতই না পার্থক্য— একটি আমল হলো, যার আনন্দ গত হয়ে গেছে কিন্তুু কুফল এখনো বিরাজমান; অপরটি হলো, যার দু:খ-দুর্দশা গত হয়ে গেছে কিন্তুু পুরস্কার বহমান।
☪️১২২। একজন মৃত লোকের লাশ দাফন করতে গিয়ে কাউকে হাসতে দেখে আমিরুল মোমেনিন বললেন:
ব্যাপারটি কি এমন যে, মৃত্যু শুধুমাত্র অন্যের জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে? বিষয়টি কি এমন যে, ন্যায়। শুধুমাত্র অন্যের জন্য বাধ্যতামূলক? এটা কি এমন যে, যাদের আমরা মৃত্যু-ভ্রমণে প্রস্থান করতে দেখি তারা কখনো আমাদের মাঝে আবার ফিরে আসবে? আমি বা তাদেরকে কবরে শায়িত করে তাদের পরিত্যক্ত সম্পাক্তি উপভোগ করি। আমরা সকল উপদেশদানকারীকে (মৃত ব্যক্তিগণ) অবজ্ঞা করছি এবং নিজেদরকে মারাত্বক ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছি।
☪️১২৩। যে নিজকে বিনম্র করে সে আশির্বাদ পুষ্ট। তার জীবিকা পবিত্র, হৃদয় পবিত্র ও আভ্যাসাবলী ধার্মিকতাপূর্ণ। সে তার সঞ্চয়কে আল্লাহর নামে খরচ করে। সে খারাপ কথা বলা থেকে তার জিহ্বা বিরত রাখে। সে মানুষকে পাপ থেকে নিরাপদে রাখে। সে রাসুলের (স:) সুন্নাহতে সন্তুষ্ট এবং দ্বীনের কোন বেদাতের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই।
☪️১২৪। নারীর মাৎসর্য হলো উৎপথগামিতা আর পুরুষের মাৎসর্য বিশ্বাসের অঙ্গ।
☪️১২৫। আমি ইসলামকে এমনভাবে সজ্ঞায়িত করছি যা পূর্বে আর কেউ করে নি; ইসলাম হলো সমর্পণ, সমর্পণ হলো প্রত্যয়-উৎপাদন, প্রত্যয় হলো সত্যতা সমর্থন, সত্যতা সমর্থন হলো স্বীকৃতি প্রদান, স্বীকৃতি প্রদান হলে! দায়িত্বপালন এবং দায়িত্বপালন হলো আমল।
☪️১২৬। কৃপণদের দেখে আমার আশ্চর্য লাগে যারা দুর্দশার দিকে বেগে ধাবিত হচ্ছে; অথচ তারা দুর্দশা থেকে দৌড়ে পালাতে চায়। জীবনের আরাম-আয়েশ হারিয়ে ফেলছে; অথচ তারা ব্যাকুলভাবে তা কামনা করে । অহংকারী লোকদের দেখে আমার আশ্চর্য লাগে, যে কদিন আগেও বীর্যের ফোটা ছিল এবং আগামীকাল লাশে পরিণত হবে। যে লোক আল্লাহতে সন্দেহ করে তাকে দেখে আমার আশ্চর্য লাগে, কারণ সে তাকে আল্লাহর সৃষ্টি দেখেছে। মানুষকে মরতে দেখেও যেসব লোক মৃত্যুকে ভুলে থাকে তাদের কথা ভেবে আমার আশ্চর্য লাগে। সেসব লোকের কথা ভেবে আমার আশ্চর্য লাগে যারা দ্বিতীয় জীবনকে অস্বীকার করে, যদিও তারা প্রথম জীবন দেখেছে। তাদের কথা ভেবেও আশ্চর্য লাগে যারা চিরস্থায়ী আবাসকে ভুলে ক্ষণস্থায়ী আবাস নিয়ে ব্যস্ত।
☪️১২৭। কর্মবিমুখ লোক দু:খে নিপতিত হয়। যে আল্লাহর নামে তার সম্পদ থেকে কিছুই ব্যয় করে না। তার বিষয়ে আল্লাহর করণীয় কিছু নেই।
☪️১২৮। শীতের প্রারম্ভে সাবধান থেকে এবং শীতের শেষ দিককে অভিনন্দন জানিয়ো কারণ এটা বৃক্ষকে যেরূপ প্রভাবিত করে শরীরকে তদ্রুপ প্রভাবিত করে। প্রারম্ভে এটা বৃক্ষকে পত্রবিহীন করে এবং শেষ দিকে নতুন পাতা গজায়।
☪️১২৯। স্রষ্টার মহত্ত্বের প্রশংসা সৃষ্টিকে ক্ষুদ্র করে দেয়।
☪️১৩০। আমিরুল মোমেনিন। সিফফিনের যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে কুফার বাইরে কতগুলো কবর দেখতে পেয়ে বললেন: হে জনবসতিশূন্য এলাকার একাকীত্বের ঘরের বাসিন্দাগণ; হে ধুলি কণার মানুষ সকল, হে অদ্ভূত অবস্থার শিকারগণ, হে একাকীত্বের মানুষ সকল, হে নি:সঙ্গ মানুষ সকল! তোমরা আগে গিয়ে আমাদের অগ্রবর্তী হয়েছো। আমরা তোমাদের অনুসরণ করছি এবং তোমাদের সাথে সাক্ষাৎ হবে তোমরা যে ঘর ছেড়ে গেছে। তাতে অন্যরা বসবাস করছে। তোমরা যেসব স্ত্রী রেখে গেছে। তাদেরকে অন্যরা বিয়ে করছে এবং যে সম্পদ রেখে গেছে তা ওয়ারিশগণ বন্টন করে নিয়েছে। আমাদের চারদিকে যারা আছে তাদের সংবাদ হলো এটাই এখন তোমাদের চারদিকে যারা আছে তাদের সংবাদ কী?
তারপর আমিরুল মোমেনিন সাথিদের দিকে ফিরে বললেন:যদি তাদের কথা বলার ক্ষমতা থাকতো তাহলে তারা বলতো, “নিশ্চয়ই, আল্লাহর ভয় উত্তম। রসদ” (কুরআন-২:১৯৭)
☪️১৩১। একজন লোক দুনিয়াকে গালিগালাজ করছিল। আমিরুল মোমেনিন তা শুনে বললেন:
হে ব্যক্তি যে দুনিয়াকে গালিগালাজ করছে, হে ব্যক্তি যে দুনিয়ার ছলনায় পড়ে। প্রতারিত হয়েছে, তুমি কি দুনিয়াকে ব্যগ্রভাবে কামনা করে তারপর গালিগালাজ করছো? তুমি কি দুনিয়াকে দোষারোপ করছে, নাকি দুনিয়ার উচিত তোমাকে দোষারোপ করা? কখন দুনিয়া তোমাকে হতবিহ্বল বা প্রতারণা করেছিল? তোমার পূর্বপুরুষদের পতন ও ধ্বংসের পর? নাকি মাটির নিচে তোমাদের মায়েরা ঘুমিয়ে পড়ার পর? পীড়ার সময় তোমরা তাদেরকে কতই না দেখাশুনা করেছে এবং অসুস্থতার সময় তাদের কতই না সেবা যত্ন করেছো। তোমরা আশা করেছিলে তারা যেন আরোগ্য লাভ করে। তাদের জন্য চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করেছো। তোমাদের ঔষধ তাদের কোন কাজে আসেনি। তোমাদের দু:খ প্রকাশ তাদের কোন উপকারে আসেনি। তোমাদের শোকের কান্না বৃথা হয়ে গেছে এবং তোমরা লক্ষ্য অর্জন করতে পারনি। তোমাদের সর্বশক্তি দিয়েও তাদের মৃত্যুকে দাবিয়ে রাখতে পার নি। বস্তুৃত মৃত ব্যক্তির মাধ্যমে দুনিয়া একটা উদাহরণ দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, কিভাবে পতন ঘটে এবং একইভাবে তোমাদেরও পতন ঘটবে।
নিশ্চয়ই এ পৃথিবী তার জন্য সত্যাগার যে সত্যের পূজারী, তার জন্য নিরাপদ স্থল যে বুঝতে পারে, তার জন্য ধনাগার যে (পরকালের জন্য) তা সংগ্রহ করতে পারে, তার জন্য শিক্ষালয় যে তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে। আল্লাহ প্রেমিকদের জন্য এটা ইবাদতের স্থান, আল্লাহর ফেরেশতাদের জন্য এটা প্রার্থনার স্থান, এটা আল্লাহর প্রত্যাদেশ নাজেলের স্থান এবং যারা আল্লাহতে আসক্ত তাদের জন্য কেনাকাটার স্থান। এখানে তারা রহমত অর্জন করে এবং লাভ হিসাবে বেহেশত পায়।
সুতরাং যেখানে দুনিয়া তার প্রস্থান ঘোষণা করছে এবং স্পষ্টভাবে জানান দিচ্ছে যে, সে সব কিছু ত্যাগ করবে। সেখানে তাকে গালিগালাজ করা অর্থহীন। দুনিয়া পূর্বাহ্নেই নিজের ধ্বংসের সংবাদ দিয়েছে এবং সকলকে মৃত্যুর সংবাদও দিয়েছে। নিজের দুর্দশা দ্বারা দুনিযা অন্যের দুর্দশার একটা উদাহরণ স্থাপন করেছে। এর আনন্দ দ্বারা আবার প্রাতে প্ররোচনা ও প্রতারণা করে শোকাহত করে।
মানুষ তওবা করে রোদন করার সময় একে গালমন্দ করে, কিন্তুু কিছুক্ষণ পরেই এতে প্ৰলুব্ধ হয়ে এর প্রশংসা শুরু করে। দুনিয়া প্রতিনিয়ত যে শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছে তা স্মরণ রাখা, স্বীকার করা ও মেনে চলা উচিত।
☪️১৩২। আল্লাহর একজন ফেরেশতা আছে যে প্রতিদিন ডেকে বলছে “মৃত্যুর জন্য সন্তান-সন্ততি জন্ম দাও এবং ধন-সম্পদ ও দালান-কোঠা ধ্বংসের জন্য কর।”
☪️১৩৩। এ পৃথিবী থাকার জন্য নয়—যাত্রাপথের বিশ্রাম স্থল। এখানে দুধরনের মানুষ আছে। এক হলো, যারা কামনা-বাসনায় দাস হয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে; আর হলো যারা কামান-বাসনাকে নিয়ন্ত্রণ করে মুক্তিপ্রাপ্ত হয়েছে।
☪️১৩৪। যে ব্যক্তি বন্ধুদের তিন সময়ে রক্ষা করার চেষ্টা করে না সে বন্ধু নয়। এ সময়গুলি হলো – তার অভাবের সময়, তার অনুপস্থিতিতে এবং তার মৃত্যুকালে।
☪️১৩৫। যাকে চারটি জিনিস দান করা হয় সে চারটি জিনিস হতে বঞ্চিত হয় না। যাকে প্রার্থনা করতে দেয়া হয় তাকে সাড়া থেকে বঞ্চিত করা হয় না। যাকে তওবা করার সুযোগ দেয়া হয় তাকে কবুল থেকে বঞ্চিত করা হয় না। যাকে ক্ষমা চাইতে দেয়া হয় তাকে ক্ষমা থেকে বঞ্চিত করা হয় না। যাকে শোকবিয়া আদায় করতে দেয়া হয় তাকে অধিক আনুকূল্য থেকে বঞ্চিত করা হয় না (এ চারটি বিষয় কুরতান সমর্থিত যথা- ৪:৬০, ৪:১১০, ১৪:৭ ও ৪:১৭)।
☪️১৩৬। খোদাভীরুদের জন্য সালাত হলো আল্লাহর নৈকট্য পাওয়ার একটা উপায়, দুর্বলদের জন্য হজ জিহাদ সমতুল্য। সব কিছুরই খাজনা আছে; দেহের খাজনা হলো সিয়াম। স্বামীকে আনন্দদায়ক সঙ্গ দেয়াই নারীর জিহাদ।
☪️১৩৭। ভিক্ষা দিয়ে জীবিকার আন্বেষণ করো।
☪️১৩৮। যে উত্তম প্রতিদান পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত সে দানে উদার।
☪️১৩৯। প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দেয়া হয়।
☪️১৪০। যে মধ্যপন্থাবলম্বী সে কখনো দুর্দশাগ্রস্থ হয় না।
☪️🍁 চলমান ---------------------------

08/01/2026

এই সে-ই ব্যক্তি, যিনি কাবা শরিফে জন্ম গ্রহন করেন। রাসুল (সাঃ) এর চাচাতো ভাই, বেলায়েতের সম্রাট, আসাদুল গালেব, শেরে খোদা হযরত মাওলা আলী কারামুল্লাহু ওয়াজহু (আঃ)।🙏

রাসুল (সাঃ) বলেছেন, প্রত্যেক নবীরই একজন উত্তরসুরী থাকে, আর আমার উত্তরসুরী হচ্ছে, আলী ইবনে আবু তালিব।
সুত্রঃ আরজাহুল মাতালেব, পৃঃ-৪৬, তারিখে বাগদাদ, খঃ-১১, পৃঃ-১৭৩, মুয়াদ্দাতুল কুরবা, পৃঃ-৫০, কানজুল উম্মাল, খঃ-৬, পৃঃ-১৫৮, ইয়ানাবীউল মুয়াদ্দাত, পৃঃ-১৩৩, তারিখে ইবনে আশাকীর শাফায়ী, খঃ-৩, পৃঃ-৫, শাওয়াহেদুত তানজিল, খঃ-২, পৃঃ-২২৩।

হযরত আবু হুরাইরা, হযরত সালমান ফারসী থেকে বর্ণনা করেছেন, হযরত সালমান ফারসী বলেন, "ইয়া রাসুল (সাঃ) আল্লাহ্‌ যে নবীকেই প্রেরন করেছেন, তাঁকেই বলে দিয়েছেন যে, কে তাঁর উত্তরসুরী হবে। তবে কি আল্লাহ্‌ আপনাকেও বলেছেন যে, কে আপনার উত্তরসুরী হবে ?
নবী করিম (সাঃ) বললেন, 'আমার উত্তরসুরী, আলী ইবন আবু তালিব হবে।'
সুত্রঃ শারহে বোখারী ইবনে হাজার আসকালানী, খঃ ১৮, পৃঃ-১০৫।

08/01/2026

“আমি মুখ বন্ধ রেখেছিলাম, কিন্তু তোমার সঙ্গে শত নিরবতায় কথা বলেছি।” —
👉 মাওলানা জালাল উদ্দীন রুমি রহঃ 🙏 #হুজরাবাড়ি #চিশতিয়া #দরবার #ওমাজার #শরিফ

Photos from সুলতান রাজা's post 07/01/2026
07/01/2026

হযরত মোহাম্মদ সাঃ বলেছেন,আমার কিছু উম্মত হবে যারা দেখত পাগলের মতো,যাদের বড় বড় চুল থাকবে,জামা কাপড়ে ময়লা থাকবে,শরীরে হাড় দেখা যাবে কিন্তু আসলে তারা পাগল নই,,,যদি তোমাদের সাথে দেখা হই তাহলে তাকে দিয়ে দোয়া করিয়ে নিও,,কারণ তাদের দোয়া আল্লাহ ফেরান না।❤️

#সুফিজম #সুফিবাদ

02/01/2026
30/05/2025

"ছেলেদের দেহে নূর, মেয়েদের শরীরে নীড়" — এই বাক্যটি মূলত আধ্যাত্মিক ও প্রতীকী দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণযোগ্য। এটি তাসাওউফ বা সুফি দর্শনের আলোকে ব্যাখ্যা করলে আমরা গভীরতর অর্থ খুঁজে পাই। তাসাউফের আলোকে এর ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

নূর (আলোক) ও নীড় (আশ্রয়/আবাস) – প্রতীকী ব্যাখ্যা:

১. ছেলেদের দেহে নূর:

"নূর" অর্থে আলোক বা আধ্যাত্মিক জ্যোতি। সুফিবাদে বিশ্বাস করা হয়, একজন সত্য অনুসন্ধানী পুরুষ তার আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে হৃদয়ে নূরের বিকাশ ঘটায়। এই নূর আসলে আল্লাহর দিকে ধাবিত হওয়ার ইচ্ছা, হৃদয়ের পবিত্রতা, ও আধ্যাত্মিক দৃষ্টির প্রতীক।

ছেলেদের এখানে বোঝানো হয়েছে সেই আত্মা বা ব্যক্তি যারা বাহ্যিক জগতে ন্যায় ও সত্যের জন্য সংগ্রামী ভূমিকা পালন করে, যে নূরকে ধারণ করে এবং তা ছড়িয়ে দিতে চায়।

২. মেয়েদের শরীরে নীড়:

"নীড়" অর্থ আশ্রয় বা বাসস্থান। নারীকে এখানে প্রতীক করা হয়েছে গ্রহণশীলতা, লালন-পালন ও আশ্রয়ের কেন্দ্র হিসেবে।

সুফি চিন্তায় নারী শরীরকে কখনো কখনো "রহমত" বা করুণা এবং আত্মিক প্রশান্তির আধার হিসেবে দেখা হয়। ঠিক যেমন গর্ভে নতুন প্রাণের উৎপত্তি হয়, তেমনি হৃদয়ের প্রশান্তি ও আত্মার আশ্রয় নারীর কোমলতায় পাওয়া যায়।

তাসাওউফের দৃষ্টিতে সম্পর্ক:

এই বাক্যটি আধ্যাত্মিক স্তরে নর ও নারীর পূর্ণতাকে ব্যাখ্যা করে। নূর মানে আলোকিত সত্তা, যা আল্লাহর কাছ থেকে আসে। আর নীড় মানে সেই স্থান বা পরিবেশ যেখানে এই নূরের বিকাশ ও স্থিতি ঘটে।

একদিক থেকে, নূর যদি হয় আল্লাহর সত্তার প্রকাশ, তাহলে নীড় তা ধারণ করার স্থান—যেখানে সেই নূর প্রোথিত হয়, অর্থাৎ নারীর হৃদয় ও কোমলতা।

উপসংহার:

এই বাক্যটি প্রকৃতপক্ষে আত্মিক ও আধ্যাত্মিক ভারসাম্যের প্রতীক। ছেলেদের দেহে নূরের প্রতিফলন ঘটে যখন তারা আত্মশুদ্ধি ও সৎ পথে চলতে থাকে, আর নারীর দেহ ও হৃদয় হয়ে ওঠে সেই নূরের আশ্রয়, যেখানে ভালোবাসা, দয়া ও আত্মিক প্রশান্তি বিরাজ করে। এটি দেহ ও আত্মার, পুরুষ ও নারীর এক ধরণের ঈশ্বরীয় সহাবস্থানের প্রতীকী ব্যাখ্যা।

24/04/2025

.এর ইতিহাস🌹
তিনি দুটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি আবিষ্কার করে শুরু করেছিলেন: প্রথমটি হল ক্যামেরার গাঢ় চিত্র ড্রপ করা, এবং দ্বিতীয়টি হল আবিষ্কার করা যে হালকা এক্সপোজার কারণে কিছু উপাদান দৃশ্যমানভাবে পরিবর্তিত হয়েছে[২]। 18 তম শতাব্দীর পূর্বে আলোকসংবেদনশীল পদার্থের ছবি তোলার কোন প্রচেষ্টা বা বর্ণনাই নির্দেশ করে না।
লে গ্রাসে ১৮২৬ বা ১৮২৭ এর জানালা থেকে দেখা দৃশ্য, মনে করা হয় সবচেয়ে পুরনো জীবন্ত ক্যামেরা ছবি। [১] আসল (বাম) এবং রঙিন (ডান) পুনর্নির্দেশনার উন্নতি।
১৭১৭ সালের দিকে, জোহান হেনরিচ স্কলজি একটি বোতলের উপর কাটা অক্ষরগুলির ছবি তুলতে হালকা সংবেদনশীল কাদামাটি ব্যবহার করেছিলেন। তবে, তিনি এই ফলাফলগুলো স্থায়ী করতে চাননি। 1800 এর কাছাকাছি, থমাস ওয়েডগউড প্রথম নির্ভরযোগ্য নথি তৈরি করেন, স্থায়ী আকৃতিতে ক্যামেরার ছবি তোলার ব্যর্থ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও। তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিস্তারিত ছবি তুলেছে, কিন্তু উডগউড এবং তার সহকারী হামফ্রে ডেভি এই ছবিগুলিকে সংশোধন করার কোন উপায় খুঁজে পাননি।
1826 সালে, নাইচেপস প্রথম একটি ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবি মেরামত করতে সক্ষম হয়েছিল, কিন্তু ক্যামেরার এক্সপোজার জন্য কমপক্ষে আট ঘন্টা বা এমনকি কয়েক দিনের প্রয়োজন ছিল এবং প্রাথমিক ফলাফলগুলি বেশ ভয়ঙ্কর ছিল। নিপসির সহযোগী লুই ড্যাগুইয়েরি ড্যাগুইয়েরিওটাইপ বিকাশের দিকে অগ্রসর হয়েছেন, যা প্রথম বাণিজ্যিকভাবে বিজ্ঞাপনিত ফটোগ্রাফি অপারেশন। ডাগোরিয়টি মডেলটি শুধুমাত্র ক্যামেরার এক্সপোজার থেকে কয়েক মিনিট সময় নিয়েছিল, যা পরিষ্কার এবং নির্ভুলভাবে বিস্তারিত ফলাফল তৈরি করেছিল। ২ আগস্ট ১৮৩৯ তারিখে, ড্যাগুইরে প্যারিসে পিয়ার রুম অপারেশন বিবরণ প্রদর্শন করেন। ১৯ আগস্ট, ইনস্টিটিউট প্যালেসে অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স এবং অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস এর একটি সভায় শৈল্পিক বিবরণ প্রকাশিত হয়। (জনসাধারণকে আবিষ্কারের অধিকার প্রদানের জন্য, ড্যাগুরি এবং নিবসকে একটি বার্ষিক উদার জীবনের উপহার দেওয়া হয়েছিল। )[3][4][5] যখন মেটাল প্যাটার্ন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে জনসাধারণের কাছে দেখানো হয়, নেতিবাচক কাগজের প্যাটার্ন এবং লবণ ছাপের প্রতি প্রতিযোগীর দৃষ্টিভঙ্গি

22/02/2025

নিত্য গঙ্গায় সান করিবো যাব কঠিন পারাপারে আমি সাদে কি জাত বেঁচেছি সাধুর পণ্য রে!

আছে যাদের নদীর ভরা যাবে সেথা আয়রে তোরা ডাকে দয়াল বিষ্ণু ভরা সাঁই বসে নিতাই পুরে আমি সাধে কি জাত বেঁচেছি সাধুর পুন্য রে!

গুরু নিরিখ সঙ্গ নিয়ে বসবে অষ্ট অঙ্গ দিয়ে
নাচাও চালাও কল কলিয়ে দয়াল নামটি সার করে আমি সাধে কি জাত বেঁচেছি সাধুর পুন্য রে!

16 কলা গোপন নীতি পঞ্চবানে হয় পিরিতি জগৎ গুরুকে করিলে পতি যেতে সেজন পারে আমি সাধে কি জাত বেঁচেছি সাধুর পুন্য রে!

বলন কয় জাতির দোকায় কত জনে চুবানি খায় শেষে করে হায়রে হায় বাপে পুতে এক ঘাটে মরে আমি সাধে কি জাত বেঁচেছি সাধুর পুন্য রে!

নিত্য গঙ্গায় সান করিবো যাব কঠিন পারাপারে আমি সাধে কি জাত বেঁসেছি সাধুর পুন্য রে!

পরম সাধনার আত্মা

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Sonargaon
Dhaka