Diet Theory by Sabrina Badhon
Your daily dose of healthy living. Discover the secrets to sustainable weight loss and a healthier lifestyle. Follow us for daily inspiration.
Welcome to Diet Theory by Sabrina Badhon! This page is all about debunking diet myths and replacing them with science backed strategies that actually works. Join for expert nutrition tips, easy and healthy meal plans and the motivation to make it a lifestyle.
29/11/2024
আসসালামু আলাইকুম। শুভ সকাল 🌞 সেই সাথে উইকএণ্ড এর শুভেচ্ছা 🥰
চলুন সকালের ৬ টি ডায়েট টিপস জেনে দিনটি শুরু করা যাক ☺️
Diet Theory by Sabrina Badhon
#শুভসকাল #স্বাস্থ্য #সুস্বাস্থ্য #হেলথ #হেলথটিপস #ডায়েট_টিপস #ডায়েটটিপস #ব্রেকফাস্ট #সুস্থতা
28/11/2024
খাওয়ার পর বেশিরভাগ সময় ই আমরা একদমই নড়াচড়া করতে চাই না। বিশেষ করে, রাতে খাবারের পর তো বেশিরভাগ বাঙ্গালী ই আয়েশে গা এলিয়ে শুয়ে থাকি। এটা পরিবর্তন অতি জরুরী। খাবার গ্রহণের পর বিশ্রাম না নিয়ে হাঁটাহাঁটি করলে তা আপনাকে সুস্থ জীবনযাপনের দিকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। আপনি কি জানেন, খাবার খাওয়ার পর একটু হাঁটলে শরীরের জন্য কত উপকার হয়? এই ছোট্ট অভ্যাসটি আপনার স্বাস্থ্যকে নতুন মাত্রা দিতে পারে। আসুন জেনে নিই কেন খাবার খাওয়ার পর হাঁটা এত গুরুত্বপূর্ণ:
১) রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে : ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খাওয়ার পর হাঁটা খুবই উপকারী। এটি রক্তের শর্করা কমাতে সাহায্য করে।
২) হজম শক্তি বাড়ায় : হাঁটাহাঁটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, ফলে খাবার দ্রুত হজম হয়।
৩) গ্যাস্ট্রিক সমস্যা কমায়: খাওয়ার পর বসে থাকলে গ্যাস্ট্রিক রস ধীরে কাজ করে। হাঁটলে এই সমস্যা কমে।
সেই সাথে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
৪) হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় : হাঁটা আপনার হৃদয়কে সুস্থ রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
৫) ওজন কমাতে সাহায্য করে: খাওয়ার পর হাঁটলে অতিরিক্ত ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলা হয়, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৬) ঘুম ভালো করে: নিয়মিত হাঁটলে ঘুম ভালো হয়।
অন্যান্য সুবিধা:
মেজাজ ভালো রাখে : হাঁটাহাঁটি মনকে প্রফুল্ল রাখে এবং মানসিক চাপ কমায়।
শরীরের নমনীয়তা বাড়ায় : হাঁটলে শরীরের নানা অংশের নমনীয়তা বাড়ে।
খাওয়ার পর কতক্ষণ হাঁটা উচিত?
প্রতি বেলা খাবারের পর ১০-১৫ মিনিট হাঁটলেই অনেক উপকার পাওয়া যায়।
তবে মনে রাখবেন:
খাওয়ার সাথে সাথেই জোরে জোরে দৌড়াদৌড়ি করা উচিত নয়।
কোনো রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাঁটাহাঁটি শুরু করা উচিত।
সুতরাং, আজ থেকেই খাবার খাওয়ার পর হাঁটার অভ্যাস শুরু করুন। নিজেকে সুস্থ রাখুন এবং সুন্দর একটি জীবন উপভোগ করুন!
পোস্ট টি ভালো লাগলে সকলের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না 😊
Diet Theory by Sabrina Badhon
#স্বাস্থ্য #হাঁটাচলা #খাবার #সুস্থ_জীবন #সুস্বাস্থ্য #ডায়েট_টিপস #হেলথ_টিপস
28/11/2024
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন।
আজ একটি মোস্ট ভাইরাল ও হাইপড ইমিউন বুস্টার শটস নিয়ে কথা বলবো। অনেকেই হয়তো ইতোমধ্যে বুঝে গিয়েছেন। জ্বি, আজকে কথা হবে "জিঞ্জার শটস" নিয়ে!
জিঞ্জার শটস বা আদা শটস হল এমন একটি ঘনীভূত পানীয় যা পরিমাণে অল্প কিন্তু তীব্র স্বাদযুক্ত ও প্রচণ্ড শক্তিশালী। এটি মূলত আদা, লেবুর রস, মধু এবং কালো গোলমরিচ দিয়ে তৈরি করা হয়। এটিতে ব্যবহার করা উপাদান সমূহের শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তাই এই পানীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, গ্যাসের সমস্যা দূর করে, বমি বমি ভাব এবং হজমের সমস্যাগুলিকে প্রশমিত করে। এজন্য, এটি ইমিউন বুস্টার নামে বিশেষভাবে পরিচিত।
আসুন জেনে নিই কিভাবে এটি তৈরী করতে কি কি উপকরণ কি পরিমাণে লাগবেঃ
উপকরণ (ইউএস কাপ = 240 মিলি)
□ ১ ইঞ্চি (৫ গ্রাম) আদা (তাজা খোসা ছাড়ানো, ১ টেবিল চামচ রস)
□ ১ টেবিল চামচ লেবুর রস
□ ১ চা চামচ মধু (ঐচ্ছিক)
□ সামান্য কালো গোল মরিচ গুঁড়ো (ঐচ্ছিক)
আদা শট কিভাবে তৈরি করবেন?
একটি ছোট টুকরো আদা কুঁচিয়ে আদার রস বের করে নিন। ১ টেবিল চামচ আদার রসে সমান পরিমাণে লেবুর রস এবং ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। স্বাদ অনুযায়ী কালো মরিচের গুঁড়ো যোগ করুন। সব উপাদান ভালো করে মিশিয়ে নিন। ব্যাস তৈরী হয়ে গেল ইমিউন বুস্টার জিঞ্জার শট!
পরামর্শ:
প্রতিটি শটে 15 মিলিলিটারের বেশি আদা ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই পরিমাপ অবশ্যই ভিন্ন হবে। আপনি চাইলে এই শটে আরও লেবুর রস যোগ করতে পারেন তবে আদার রস বেশি যোগ করা যাবেনা কারণ এটি অ্যাসিডিটির কারণ হতে পারে। খালি পেটে আদার শট খান। এটি বানানোর সাথে সাথে পান করুন এবং বানানোর সময় অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন সবগুলো উপকরণ যেন তাজা হয় ও রুম টেম্পারেচারে থাকে।
এটি পান করার পরে কমপক্ষে 30 মিনিটের জন্য কোনকিছু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। শীতকালে সুস্থ থাকতে এটি টানা খেলে উপকার পাবেন। তবে বিভিন্ন অসুস্থতায় যারা ভুগছেন তারা অবশ্যই আপনার চিকিৎসক ও ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ অনুযায়ী খাবেন।
ধন্যবাদ। পোস্ট টি শেয়ার করে অন্যদেরও জানাতে পারেন ভালো লাগলে😊
Diet Theory by Sabrina Badhon
28/11/2024
Good Morning Everyone😊
Have a great day!
23/11/2024
শুভ সকাল! ☀️
আজকের টিপস: সকালের নাস্তা করতে ভুলবেন না! 🍳🍞 এটি দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার। সুস্থ ও পুষ্টিকর নাস্তা আপনাকে সারাদিনের জন্য শক্তি যোগায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
#সুস্থনাস্তা #সকালেরটিপস #স্বাস্থ্যকরজীবন #সুস্বাস্থ
22/11/2024
আসসালামু আলাইকুম। ☺️
সুস্থ থাকতে সঠিক সময়ে ডিনার করা খুবই জরুরি। রাতের খাবার শেষ করার সময় এবং ঘুমাতে যাওয়ার সময়ের মধ্যে অন্তত ২-৩ ঘণ্টা ব্যবধান রাখা উচিত। এতে হজম প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন হবে এবং ঘুমের গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে। তাই, রাত ১০টার আগেই ডিনার শেষ করার চেষ্টা করুন।
ধন্যবাদ।
Diet Theory by Sabrina Badhon
#ডিনার #রাতেরখাবার #স্বাস্থ্যসচেনতা #সুস্বাস্থ্য
22/11/2024
সুপ্রভাত ☀️☀️☀️
টমেটো শীতকালীন সবজি হলেও সারা বছর ই পাওয়া যায়। কিন্তু, শীতকালীন টমেটোর মজাই যেন আলাদা। দেখতে আকর্ষনীয় ও অত্যান্ত সুস্বাদু এই সবজি শুধু রূপে ও স্বাদে নয় বরং গুণেও অনন্য 🍅🍅🍅
কাঁচা ,পাকা দুধরনের টমেটো ই নানা ভাবে রান্না করে কিংবা সালাদ হিসেবে খাওয়া হয়। আজকের খাদ্যতালিকায় এটি রাখছেন তো? উইকেণ্ডের হেভি খাবার এর মাঝেও আপনার ডায়েট কে হেলদি করে তুলতে খাদ্যতালিকায় টমেটো রাখতে ভুলবেন না। তাছাড়াও যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য তো এটি অত্যন্ত উপকারী।
আর যারা সারা সপ্তাহের ক্লান্তির পর নিজের ত্বক নিয়ে চিন্তিত, তারা আজ টমেটো নিয়ে রূপচর্চা করতে বসে পরুন। ত্বকের জন্য এটি একটি ম্যাজিকাল উপাদান।
চলুন চট করে এক নজরে আজ টমেটোর বেনিফিট গুলো জেনে নিই 😊
#শুভসকাল #স্বাস্থ্য #স্বাস্থ্যসচেনতা #সুস্থজীবন #ডায়েট #সুস্বাস্থ্য
21/11/2024
I've received 100 reactions to my posts in only 18 days!! Thanks everyone for your support. I truly am grateful. 🙏🤗🎉
21/11/2024
সবাইকে শীত শীত সকালের উষ্ণ শুভেচ্ছা 🌥🌼🌞
মধুর উপকারিতা সম্পর্কে চলুন আজ সংক্ষেপে জেনে নিই 😊
সকল হেলথ্ টিপস, ডায়েট, হেলদি রেসিপি, বিভিন্ন খাবারের উপকারিতা এবং অপকারিতা ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে চোখ রাখুন পেজে।
Diet Theory by Sabrina Badhon
#শুভসকাল #স্বাস্থ্য #স্বাস্থ্যসচেনতা #মধু #উপকারিতা #ডায়েট #সুস্বাস্থ্য
15/11/2024
শুভ সকাল 😊
হ্যাপি হলিডে 😊😊
আজকে সবার বাসায় ই কম বেশি ভারী খাবারের আয়োজন হচ্ছে অথবা অনেকের ই দাওয়াত আছে। চলুন জেনে নেই কিভাবে এই উচ্চ ক্যালরি ও অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার কেও একটু বুদ্ধি করে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গ্রহণ করে সুস্থ থাকবেন:
১) যে বেলায় ভারী খাবার খেতে হবে সে বেলায় যেন ভালোমতন জমিয়ে খেতে পারেন এজন্য একবেলার খাবার স্কিপ করবেন - এমন টা ভুলেও করা যাবে না। চেষ্টা করুন আপনার দু'টি বেলার খাবারের মধ্যে যেন অন্ততপক্ষে ৪ ঘন্টা গ্যাপ থাকে।
২) প্রথমেই চেষ্টা করুন খেতে বসার আধা ঘন্টা আগে ১ গ্লাস পানি পান করার। এতে আপনার পেট ভরার অনুভূতি হবে, হজমেও সহায়তা করবে।
৩) খাবার খাওয়ার সময় আপনার প্লেটটি কে এমন ভাবে সাজান যেন সেখানে ভেজিটেবল, সালাদ একটা বড় অংশ জুরে থাকে।
এরপর ই গুরুত্ব দিন প্রোটিন জাতীয় খাবারে। ডিম, মাংস, মাছ, কাবাব ইত্যাদি তুলনামূলক বেশি নিন কিন্তু তাই বলে অতিরিক্ত নয়। হাই-প্রোটিন খাদ্য আমাদের শরীরে তৃপ্তি হরমোন তৈরি করে যেমন কোলেসিস্টোকিনিন এবং পেপটাইড YY, যা পেট কে সিগনাল দেয় যে পেট ভরে গিয়েছে। প্রোটিন গ্রহণ করলে তা আমাদের খাবার খাওয়ার সময় কম ক্ষুধার্ত বোধ করতে সাহায্য করতে পারে, যা আমাদের ক্যালরি গ্রহণকে হ্রাস করে। তাছাড়াও আমাদের শরীরের বেশিরভাগ এনজাইম প্রোটিন দিয়ে তৈরি। পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন থাকা এনজাইম তৈরিতে সাহায্য করে যা হজমে সাহায্য করে।
খাবার প্লেটে সবচেয়ে কম যেটি রাখবেন তা হল কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার। পোলাও, বিরিয়ানি, ফ্রাইড রাইস, সাদা ভাত বা যেটাই সামনে থাকুক না কেন, চেষ্টা করুন প্রথমে অল্প তুলে নেয়ার এবং পরে আর না নেয়ার। এই জাতীয় খাবার আপনাকে মুটিয়ে তুলবে খুব দ্রুত।
৪) খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেতে হবে। তাড়াহুড়া করবেন না। ধীরে সময় নিয়ে খাবার খেলে হজম ভালো হয়, খাবার ভালো করে চূর্ণ হয় এবং এনজাইমের সঙ্গে মেশে। খাবারের স্বাদ, গন্ধ ও গঠন উপভোগ করে তবেই খান। দ্রুততার সঙ্গে খাবার খেলে বদহজমের সমস্যা বাড়ে।
৫) ডেজার্ট যতটা পারুন কম তুলে নিন। প্রথমেই বেশি করে না খেয়ে সময় নিয়ে অল্প করে খান।
৬) কার্বনেটেড বেভারেজ বা কোমল পানীয় গুলো একদম ই এরিয়ে চলুন। খাবার খাওয়ার পর কার্বনেটেড বেভারেজ আপনার শরীরকে ডিহাইড্রেশনের দিকে নিয়ে যাবে। আপাতদৃষ্টি তে মনে হবে আপনার খাবারটি আপনার হজম হয়েছে, আপনি সাময়িক আরাম বোধ করবেন হয়তো কিন্তু কিছুক্ষণ পর আপনি নানা ধরনের অসুবিধা বোধ করবেন। পেট ফুলে যাওয়া, গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ নানা ধরনের সমস্যা হবে।
৭) চেষ্টা করুন ভারী খাবার খাওয়ার পর ১ বাটি টক দই খাওয়ার। টক দইয়ের ‘ফারমেন্টেড এনজাইম’ খাবার হজমের জন্য কার্যকর। বদহজম দূর করতেও সমান ভাবে কার্যকর এই দই। ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএলের মাত্রা বাড়াতে দইয়ের ভূমিকা অপরিসীম। মূত্রাশয়ের সংক্রমণের আশঙ্কা কমাতেও দইয়ের ভূমিকা যথেষ্ট।
৮) খাবার পর সাথে সাথে পানি খাবেন না। ভারী, তেল ও মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার পর বার বার তৃষ্ণা পেতে পারে। এমন অবস্থায় খাবার খাওয়ার আধা ঘন্টা পর থেকে অল্প অল্প করে পানি খান। একবারে বেশি পরিমাণে পানি পান করা হতে বিরত থাকুন।
৯) যেই বেলায় ই ভারী খাবার খান না কেন খাবার খাওয়া শেষে বিশ্রাম না নিয়ে হাঁটুন। আপনার খাবার হজমে এটি সহায়তা করবে। আপনি হাল্কা বোধ করবেন, এসিডিটি হবে না।
১০) দুপুরে এজাতীয় খাবার খেলে পরের বেলা অর্থাৎ রাতে ভারী খাবার এভয়েড করার চেষ্টা করুন।
উপরের টিপস্ গুলো ভালো লাগলে জানাতে ভুলবেন না। সবার ছুটির দিন গুলো সুস্থতায়, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ও পছন্দের মানুষগুলোর সাথে আনন্দে কাটুক।
Diet Theory by Sabrina Badhon
#সুস্বাস্থ্য #ডায়েট #স্বাস্থ্যসচেনতা
14/11/2024
আজ ১৪ ই নভেম্বর, ২০২৪ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও জনসচেতনতার লক্ষ্যে দিবসটি পালিত হচ্ছে। দিবসটিতে এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডায়াবেটিস : সুস্বাস্থ্যই হোক আমাদের অঙ্গীকার’।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিক ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীতে প্রতি ১০ সেকেন্ডে একজন ডায়াবেটিস রোগীর মৃত্যু হয় এবং দুই জন নতুন ডায়াবেটিস রোগী শনাক্ত হয়! বিশ্বে প্রায় ৪২ কোটি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ডায়াবেটিস রোগী উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের চিত্র আরও ভয়ংকর। সারা বিশ্বে প্রতি ১০ জনে ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। বর্তমান বাংলাদেশে প্রতি ১০০ জনে প্রায় ১৪ জন প্রাপ্ত বয়স্ক (২০-৭৯ বছর) ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। তাই ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি অতি জরুরি।
চলুন জেনে নেই ডায়াবেটিস কি এবং এর প্রকারভেদ সম্পর্কে :
ডায়াবেটিস একধরনের মেটাবলিক ডিজঅর্ডার। শরীরে ইনসুলিন আছে, কিন্তু কাজ করতে পারছে না। কিংবা ইনসুলিন একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে, যার কারণে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে শর্করার মাত্রা অনেক বেশি বেড়ে যায়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অর্ধেকের বেশি মানুষ জানেনই না যে তারা এই রোগে আক্রান্ত।
সাধারণত চার ধরনের ডায়াবেটিস রয়েছে। টাইপ-১, টাইপ-২, জেস্টেশনাল এবং অন্যান্য।
টাইপ-১ হলো, যেভাবেই হোক, যাঁদের শরীরে ইনসুলিন নষ্ট হয়ে গেছে, তাঁদের যদি আলাদা করে ইনসুলিন দেওয়া না হয়, তাহলে তাঁরা মারা যেতে পারেন।
আমরা যখন অতিরিক্ত শর্করা বহুল নানা খাবার খাই, তখন শরীরে একধরনের পরিবর্তন আসে। দেখা যায়, শরীরে ইনসুলিন আছে, কিন্তু সেটা কাজ করতে পারছে না। তখন আমরা যে খাবারই খাই, সেটার গ্লুকোজ জমে যায়। এটা টাইপ-২ ডায়াবেটিস।
জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস হল গর্ভকালীন ডায়াবেটিস। গর্ভকালীন ডায়াবেটিস গর্ভাবস্থায় বিকশিত হয় এবং প্রসবের পরে সমাধান হয়ে যায়, যদিও এটি পরবর্তী জীবনে টাইপ 2 ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
আরেকটি সাধারণ প্রকারের মধ্যে রয়েছে ম্যাচিউরিটি-অনসেট ডায়াবেটিস অফ দ্য ইয়াং (MODY), একটি বিরল জেনেটিক ফর্ম, এবং ল্যাটেন্ট অটোইমিউন ডায়াবেটিস ইন অ্যাডাল্টস (LADA), যা টাইপ 1 এবং টাইপ 2 ডায়াবেটিসের বৈশিষ্ট্যগুলিকে ভাগ করে। অন্যান্য বিরল ফর্মগুলির মধ্যে রয়েছে নবজাতক ডায়াবেটিস, ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে নির্ণয় করা হয় এবং টাইপ 3c ডায়াবেটিস, প্যানক্রিয়াটাইটিস বা সিস্টিক ফাইব্রোসিসের মতো অবস্থার কারণে অগ্ন্যাশয়ের ক্ষতির কারণে ঘটে।
বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগছেন এবং সারা বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। দেশের চারটি অসংক্রামক রোগের মধ্যে অন্যতম এই ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা ২০২৫ সালের মধ্যে দেড় কোটি ছাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
খাদ্যাভাসে পরিবর্তন ও নিয়মিত শরীরচর্চা করলে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে এ ধরনের ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব।
ডায়াবেটিস নিরাময়যোগ্য না। কিন্তু, ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত ব্যক্তি তার লাইফ স্টাইল মডিফিকেশন, খাদ্যাভ্যাস এর পরিবর্তন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এর মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন।
আমাদের সকলের বাসায় ই কম বেশি ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত রোগী রয়েছে। ডায়াবেটিস এর লক্ষণ, ডায়াবেটিস এ কি ধরনের খাবার খাবেন এবং কোন ধরনের খাবার পরিহার করবেন সে সম্পর্কিত তথ্য পেতে চোখ রাখুন Diet Theory by Sabrina Badhon পেইজ টি তে।
#ডায়াবেটিস #বিশ্বডায়াবেটিসদিবস #ডায়াবেটিসচেতনতা #সুস্বাস্থ্য #স্বাস্থ্য #সুস্থতা #ডায়েট #সচেতনতা #স্বাস্থ্যসচেনতা
14/11/2024
Today 14 November,2024 is World Diabetes Day! Let's join hands to and in diabetes care. This year's theme emphasizes the importance of equitable access to diabetes treatment and care for everyone. Let's raise awareness, promote healthy lifestyles, and support those living with diabetes. Together, we can make a difference! 💙
Diet Theory by Sabrina Badhon
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1206
