Pushpita Mily
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Pushpita Mily, Health/Beauty, Dhaka.
বয়সের সাথে সাথে
সবকিছুই বদলে যায়!
আগে জেদ, রাগ, ধরতাম,
আর এখন ধৈর্য্য ধরি।
যোগ্যতা থাক বা না থাক, কারো সাথে কারোর Compare আমার একদমই পছন্দ নয়! সবাই সবার মতো করে সেরা রে ভাই!🖤🫶
“কেউ আমাকে অন্যের সাথে তুলনা করলে, আমি তাকে ভ'য়ংক'র রকমের ঘৃ'ণা করি”
মাঝেমধ্যে 'খারাপ সময়' আসা দরকার! কে আপনার ভালো চায়,কে খারাপ চায়,কে আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী,কে আসলে 'মুখোশ' পড়ে ছিলো তার সবই টের পাওয়া যায়!❤️
___জীবন তখনই সুন্দর হবে;যখন আপনি না পাওয়ার অভিযোগ গুলো বাদ দিয়ে, আল্লাহ যতোটুকু দিয়েছেন ততটুকু নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারবেন।🤍✨
--আলহামদুলিল্লাহ🌸
জীবনে সবচেয়ে বড় সফলতা হলো নিজের অবস্থানে সর্বদা সন্তুষ্ট থাকা।🤍🌸
একটি শিক্ষামূলক পোস্ট ::
১. কাউকে একসঙ্গে তিনবারের বেশি ফোন কল করবেন না। যেহেতু আপনার কল রিসিভ হচ্ছে না তার মানে ব্যক্তিটি আপনার ফোন কলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজে ব্যস্ত আছে।
১০/১৫ মিনিট পর আবার চেষ্টা করতে পারেন।
২. কারো কাছ থেকে টাকা ধার/ঋণ করলে সেটা অবশ্যই ফেরত দিন। যদি ঋণদাতার মনে নাও থাকে তারপরও তাকে সময়মতো ফেরত দিন বা তাকে এমন ভাবে তা পুষিয়ে দিবেন যাতে তার মনে প্রশান্তি আসে। তার সাথে নমনীয় আচরন করুন।
৩. এখনো বিয়ে করোনি কেন কিংবা তুমি নতুন বাড়ি কিনছো না কেন? কাউকে এই ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা থেকে বিরত থাকুন।
৪. যদি কোন বন্ধু বা সহকর্মীর সঙ্গে রাইড শেয়ার করেন সেক্ষেত্রে আপনার বন্ধু বা সহকর্মী আজকে বিল পরিশোধ করলে কালকে আপনি বিল পরিশোধ করুন।
৫. অন্যের মতামতকে সম্মান জানাতে শিখুন। কারো কথার মাঝখানে কথা বলবেন না। তার কথা শেষ হলে তারপর আপনি কথা বলা শুরু করুন।
৬. কারো সঙ্গে আপনি মজা করতেছেন কিন্তু সে যদি সেটা উপভোগ না করে তাহলে আপনার অবশ্যই থামা উচিত এবং কখনো এরকম আর করবেন না।
৭. কেউ যদি কোনো ছবি দেখানোর জন্য তার ফোন আপনার হাতে দেয় তাহলে নির্দিষ্ট ছবিটি দেখুন গ্যালারির এপাশ-ওপাশ করবেন না।
৮. কারো সঙ্গে কথা বলার সময় স্মার্ট ফোন টিপাটিপি করবেন না।
৯. যতক্ষণ পর্যন্ত কোন বিষয় আপনার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি নিজের চরকায় তেল দিতে থাকুন।
১০. কারো ব্যক্তিগত ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবেন না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার কাছে উপদেশ চাওয়া হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত উপদেশ দিতে যাবেন না। নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে যাবেন না।
১১. সবাইকে সম্মান দিতে শিখুন হোক সে রিক্সাওয়ালা কিংবা আপনার অফিসের বস।
১২. কারো বেতন - চাকরি - ব্যবসা এসব নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করবেন না।
১৩. কেউ পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় ভদ্রতার সাথে চোখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে ফেলুন।
১৪. কেউ ন্যূনতম সাহায্য করলে তাকে ধন্যবাদ দিতে শিখুন।
১৫. কারো কাছ থেকে কোনো কিছুতে উপকৃত হলে তার যথাযথ মূল্যায়ন করুন।
১৬. বন্ধুত্বের উপর সবসময় বড় আবদারের আশা করে থাকবেন না।
১৭. সবসময় কোনো কিছু ফ্রি - তে পাওয়ার আশায় থাকবেন না।
১৮. কারো দোষ জানা থাকলে তা গোপন রাখুন। অপপ্রচার করবেন না।
১৯. কারো কোনো কিছু নিয়ে হিংসা করবেন না। নিজে চেষ্টা করুন। হয়তো আপনিও পারবেন।
২০. ছোট-বড় সবার সাথে মা
টমাস আলভা এডিসন -------
পৃথিবীর সেরা সফল মানুষের ব্যর্থতার গল্প -------
আজকের পৃথিবীতে এমন কোনও শিক্ষিত মানুষ নেই যে টমাস আলভা এডিসন এর নাম জানে না। বৈদ্যুতিক বাতি,চলচ্চিত্র, অডিও রেকর্ডিং, এনক্রিপটেড টেলিগ্রাফ সিস্টেম,আধুনিক ব্যাটারী,
এধরনের হাজারের ওপর আবিষ্কার করে তিনি পৃথিবীকে ঋণী করে গেছেন।
১৮৪৭ সালে আমেরিকার ওহাইওতে জন্ম নেয়া এই জিনিয়াসের ছোটবেলায় "স্কারলেট ফিভার" নামে একটি জটিল অসুখ হয়,যার ফলে তিনি কানে প্রায় শুনতেনই না। তাঁর স্কুল জীবন ছিল মাত্র ১২ সপ্তাহের। কারণ তাঁর পড়াশুনার পারফরমেন্স এতই খারাপ ছিল যে স্কুলে আর তাঁকে রাখতে চাইছিল না। স্কুল থেকে দেয়া চিঠিতে লেখা ছিল যে টমাস পড়াশুনায় খুবই অমনযোগী ও তার মেধাও ভালো নয়,এই ধরনের দুর্বল ছাত্রকে স্কুলে রাখা যাবে না।
কিন্তু টমাসের মা চিঠি খুলে ছেলেকে শুনিয়ে পড়েছিলেন যে,টমাসের মেধা সাধারণ ছাত্রদের চেয়ে অনেক বেশি,এত বেশি মেধাবী ছাত্রকে পড়ানোর ক্ষমতা সাধারণ স্কুলের নেই। কাজেই তাকে যেন বাসায় রেখে পড়ানো হয়। মায়ের থেকে পাওয়া এই আত্মবিশ্বাস থেকেই টমাস পরে জটিল জটিল সব বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করতে থাকেন। এবং এই আত্মবিশ্বাসের কারণেই তিনি কোনও কিছুতেই ব্যর্থতাকে মেনে নিতেন না।
বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কারের সময়ে ১০ হাজার বার তাঁর এক্সপেরিমেন্ট ব্যর্থ হয়েছিল। কিন্তু তিনি তবুও চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। কারণ ছোটবেলায় তাঁর মা তাঁর মনে এই বিশ্বাস ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন যে,কিছুই অসম্ভব নয়।
কটু ভাষায় লেখা সেই চিঠিটি এডিসন অনেক বছর পরে খুঁজে পেয়েছিলেন,তাঁর মা সেটি লুকিয়ে রেখেছিলেন। ততদিনে মা মারা গেছেন। টমাস হয়ে উঠেছেন বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও ধনী উদ্যোক্তা। চিঠিটি পড়ে টমাস সব বুঝতে পারেন। এবং নিজের ডায়েরীতে লেখেন - টমাস আলভা এডিসন একজন ছিল এক মেধাহীন শিশু। একজন অসাধারণ মায়ের প্রেরণায় সে হয়ে উঠে যুগের সেরা মেধাবী।
শেষ কথা -------
প্রতিটি মানুষের জীবনেই ব্যর্থতা আসে। কোনও বড় স্বপ্নই একবারে পূরণ হয় না। এটা জীবনেরই একটা অংশ। পৃথিবীতে অসাধারণ সাফল্য সেইসব মানুষই অর্জন করতে পারেন,যাঁরা বার বার ব্যর্থ হয়েও চেষ্টা করে যান।
একবার ব্যর্থ হলে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে তাঁরা আবার শুরু করেন। তারপর আবার ভুল করেন,
আবার শিক্ষা নিয়ে কাজ শুরু করেন। এভাবে শত শত বা হাজার হাজার বার ব্যর্থ হতে হতে একটা সময়ে গিয়ে তাঁরা সফল হন। বদলে দেন পৃথিবীর ইতিহাস।
আজ সফল মানুষের ব্যর্থত
জীবনের এই তিনটি ধাপে দুঃ/খ করবেন না:
(১) প্রথম ক্যাম্প: ৫৮ থেকে ৬৫ বছর
কর্মক্ষেত্র থেকে আপনি দূরে সরে যান, আপনার ক্যারিয়ারে যত সফল বা ক্ষম/তাবানই হোন না কেন, এই সময় আপনাকে একজন সাধারণ ব্যক্তি হিসেবেই দেখা হবে, তাই পুরোনো চাকরি বা ব্যবসার মানসিকতা এবং শ্রেষ্ঠত্বের অনু/ভূতি আঁ/কড়ে ধরে রাখবেন না।
(২) দ্বিতীয় ক্যাম্প: ৬৫ থেকে ৭২ বছর
এই সময় সমাজ ধীরে ধীরে আপনাকে দূরে সরিয়ে দেয়, বন্ধু-বান্ধব এবং সহকর্মীদের সংখ্যা কমতে শুরু করবে। আগের কর্মস্থলে হয়তো খুব কম মানুষই আপনাকে চিনবে, "আমি আগে ছিলাম..." বা "আমার এক সময় ছিল..." এই কথাগুলি বলার প্রয়োজন নেই, কারণ তরুণ প্রজন্ম আপনাকে চেনার প্রয়োজন মনে করবে না। এতে দুঃখ করবেন না।
(৩) তৃতীয় ক্যাম্প: ৭২ থেকে ৭৭ বছর
এই পর্যায়ে, পরিবারও আপনাকে ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে দেয়, আপনার সন্তান-সন্ততি বা নাতি-নাতনি যতই থাকুক, বেশিরভাগ সময় আপনি হয়তো সঙ্গীর সাথে বা একাই থাকবেন, যখন তারা মাঝে মাঝে দেখা করতে আসে, সেটিকে স্নেহের প্রকাশ হিসেবে দেখুন, তারা কম দেখা করার জন্য তাদের দোষারোপ করবেন না, কারণ তারা তাদের জীবনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত।
এবং ৭৭-এর পর থেকে, পৃথিবী আপনাকে ধ্বং/স করতে চায়, এই সময়ে মন খা/রাপ বা দুঃ/খ করবেন না, কারণ এটি জী/ব/নের শে/ষ ধা/প, এবং সবাই একদিন এই পথেই যাবে
তাই যতদিন শরীর সুস্থ থাকে, জীবনটাকে আনন্দে পূর্ণ করে তুলুন।
আপনার যা ভালো লাগে তা খান,
পান করুন, খেলুন, এবং যা ইচ্ছে তাই করুন।
সুখে থাকুন, আনন্দে জীবন কাটান।
প্রিয় প্রবীণ নাগরিক বন্ধু ও বোনেরা,
উপরের লেখা লেখক অত্যন্ত সুন্দরভাবে লিখেছেন।
লেখকের জন্য অনেক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন
সংগৃহীত
একদিন পাশে বসে দেখো, জানতে পারবে আমি কেমন আছি! দূর থেকে ফোনে বা মেসেঞ্জারে এ জিজ্ঞেস করলে তো এটাই শুনবে "ভালোই আছি বেশ"। 🙂🖤
ভুল জায়গায় সেক্রিফাইস আর ভুল মানুষের সাথে কম্প্রোমাইজ, আমাদের ভালো না থাকার কারণ💔
আমার জীবনের যেখানে নিশ্চয়তা নাই, তখন কী দিয়ে অহংকার করব?
-আর্থার গুইটারম্যান
Click here to claim your Sponsored Listing.
