EVER GREEN UNANI
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from EVER GREEN UNANI, Health/Beauty, Syed villa medel kaundia Near Mirpur 1, Dhaka.
পায়ুপথে রক্ত যাওয়া মানেই অর্শ্ব পাইলস নয়! এনালফিসার,ফিষ্টুলা, মলদার বের হয়ে আসা ও ক্লোন ক্যান্সারের কারনেও হতে পারে তাই অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন!
★ ব্যাথার ওষুধ এন্টিবায়োটিকে এ রোগ সারবে না!
04/10/2025
মুখরোচক খাবার সুটকি মাছ: স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সচেতনতার বার্তা
বাংলাদেশের মানুষ সুটকি মাছকে বেশ পছন্দ করে। গরম ভাতের সাথে এক টুকরো ঝাল-ঝাল সুটকি ভুনা – রসনাবিলাসে এক অনন্য স্বাদ। কিন্তু এই সুস্বাদু খাবারটির আড়ালে লুকিয়ে আছে ভয়ংকর স্বাস্থ্যঝুঁকি। বাজারে যে শুকনা মাছ পাওয়া যায়, তার অনেকাংশই টাটকা রাখার নামে বিষাক্ত রাসায়নিক মিশিয়ে বিক্রি করা হয়। এসব রাসায়নিক মানুষের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
সুটকি মাছের সাথে যে বিষ/রাসায়নিক দেওয়া হয়
১. কীটনাশক (ডাইকলোরভস, ম্যালাথিয়ন, ডিডিটি ইত্যাদি)
শুকানোর সময় মাছি ও পোকামাকড় দূরে রাখতে এসব স্প্রে ব্যবহার করা হয়। এগুলো মূলত কৃষি বা গুদামজাত শস্যে ব্যবহারের জন্য তৈরি, মানুষের খাবারে নয়।
২. ফরমালিন
দীর্ঘদিন মাছকে টাটকা রাখার জন্য ফরমালিন দেওয়া হয়। এটি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ও অতি বিষাক্ত।
৩. কার্বাইড ও অন্যান্য প্রিজারভেটিভ
দ্রুত শুকানো বা মাছের রঙ সুন্দর রাখার জন্য এসব রাসায়নিক ব্যবহার হয়।
৪. অতিরিক্ত লবণ ও কৃত্রিম ডাই
সুটকিকে চকচকে ও আকর্ষণীয় দেখাতে ক্ষতিকর রঙ ও অতিরিক্ত লবণ ব্যবহার করা হয়।
সুটকি মাছের ক্ষতিকর দিক
লিভার ও কিডনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
স্নায়ুতন্ত্রে সমস্যা দেখা দেয় – মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, হাত-পা অবশ হওয়া।
হজমে সমস্যা হয় – পেট ব্যথা, গ্যাস্ট্রিক, ডায়রিয়া।
দীর্ঘদিন খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
শিশু ও গর্ভবতী নারীর জন্য এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক।
নিরাপদ উপায়
✅ সুটকি মাছ কেনার পর অবশ্যই গরম পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে রান্না করতে হবে।
✅ সম্ভব হলে গ্রামের ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি সুটকি খাওয়া সবচেয়ে ভালো।
✅ বাজার থেকে কিনলে ঝাঁঝালো কীটনাশকের মতো গন্ধ আছে কিনা খেয়াল করতে হবে।
✅ সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত, বেশি খাওয়া এড়িয়ে চলা ভালো।
পরিশেষে এটাই বলছি যে
সুটকি মাছ নিঃসন্দেহে সুস্বাদু একটি খাবার, তবে এর সাথে ব্যবহৃত বিষাক্ত রাসায়নিক আমাদের শরীরে ধীরে ধীরে মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। তাই সচেতন হতে হবে এবং সবাইকে সচেতন করতে হবে। সঠিকভাবে পরিষ্কার করে সীমিত পরিমাণে খেলে এর স্বাদ উপভোগ করা সম্ভব, আবার শরীরও সুরক্ষিত রাখা যায়।
👉 স্বাস্থ্যই সম্পদ – তাই সুস্বাদু খাবারের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথাও আমাদের মনে রাখতে হবে।
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
Heart Block (হৃদ-ব্লক)
সংজ্ঞাঃ
হার্ট ব্লক হলো হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সংকেত পরিবাহী ব্যবস্থায় বাধা বা বিলম্ব সৃষ্টি হওয়া, যার ফলে হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের স্বাভাবিক ধারা ব্যাহত হয়। এটি সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড, অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার নোড বা কন্ডাকশন সিস্টেমের অন্য কোনো স্থানে ঘটতে পারে।
শ্রেণীবিভাগ
1. SA Block – Sino-atrial block
2. AV Block – Atrio-ventricular block
3. Bundle Branch Block
4. Purkinje / Arborisation Block
কারণ
বৈদ্যুতিক সংকেতের ত্রুটি – কন্ডাকশন সিস্টেমে বাধা বা ক্ষতি
ভাল্ব রোগ – বিশেষ করে মাইট্রাল বা অ্যাওর্টিক ভাল্বের ক্ষতি
হার্ট মাংসপেশীর দুর্বলতা – মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা কার্ডিওমায়োপ্যাথি
অন্যান্য রোগ – উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড সমস্যা
ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – বিটা ব্লকার, ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার, কিছু অ্যান্টিঅ্যারিদমিক ওষুধ
জন্মগত ত্রুটি – জন্ম থেকেই কন্ডাকশন সিস্টেমে সমস্যা
লক্ষণ
শ্বাসকষ্ট
বুকে ব্যথা বা চাপ
মাথা ঘোরা
অজ্ঞান হয়ে যাওয়া (Syncope)
বুক ধড়ফড় করা
অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন
ক্লান্তি
তদন্ত
1. ECG/EKG – হার্ট ব্লকের ধরন ও তীব্রতা নির্ণয়
2. Chest X-ray (P/A View) – হার্ট সাইজ ও ফুসফুসের অবস্থা
3. Echocardiography – গঠনগত ত্রুটি বা ভাল্ব রোগ যাচাই
4. Troponin-I – মায়োকার্ডিয়াল ইনজুরি আছে কিনা
5. CCTA – করোনারি আর্টারি ব্লক মূল্যায়ন
Hypertension (উচ্চ রক্তচাপ)
সংজ্ঞা
যখন ধমনীর রক্তচাপ দীর্ঘস্থায়ীভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা Hypertension বলা হয়। এটি ‘নীরব ঘাতক’ নামে পরিচিত, কারণ প্রাথমিক অবস্থায় কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ থাকে না।
ধরন
1. Essential / Primary Hypertension – কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই, অধিকাংশ ক্ষেত্রে (৮০–৯০%)
2. Secondary Hypertension – কোনো রোগ বা অবস্থা থেকে সৃষ্ট (১০–২০%)
Renal causes – Nephritis, Polycystic kidney, Renal artery stenosis
Endocrine causes – Cushing’s syndrome, Hyperthyroidism, Hypothyroidism
Metabolic causes – Diabetes, Atherosclerosis
Drugs – Contraceptive pill, Steroid
প্রধান কারণ
অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ
স্থূলতা
ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন
শারীরিক পরিশ্রমের অভাব
বয়স বৃদ্ধি
পারিবারিক ইতিহাস
মানসিক চাপ ও অপর্যাপ্ত ঘুম
ডায়াবেটিস বা কিডনি রোগ
কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
লক্ষণ
মাথা ও ঘাড়ে ব্যথা
শ্বাসকষ্ট
বুকে চাপ লাগা বা ব্যথা
চোখে ঝাপসা দেখা
মাথা ঘোরা
ক্লান্তি
নাক দিয়ে রক্ত পড়া
প্রতিরোধ
নিয়মিত ব্যায়াম
কম লবণযুক্ত খাদ্য গ্রহণ
প্রচুর ফল ও সবজি খাওয়া
ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন
পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা
তদন্ত
1. CBC
2. ECG
3. Chest X-ray (P/A View)
4. Serum Lipid Profile
5. Urine R/M/E
6. RBS
7. Whole Abdomen USG
সারাংশ
Heart block হলো হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সংকেত পরিবাহনে বাধা, আর Hypertension হলো রক্তচাপের স্থায়ী বৃদ্ধি। উভয় অবস্থাই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় এবং সময়মতো সনাক্ত ও চিকিৎসা না করলে প্রাণঘাতী হতে পারে। সঠিক জীবনযাত্রা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলাই এসব রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি।
السلام عليكم ورحمة الله★ وبركاته
গণস্বাস্থ্য হোমিওতে স্বাগতম ৷
imo & Whats App
01615-00 22 00
12/08/2025
Welwitschia mirabilis (যা সাধারণত “নামিবিয়ার মরুভূমির ১,৫০০ বছর বয়সী নগ্নবীজী উদ্ভিদ”)–এর ভেষজ বা ঐতিহ্যগত ব্যবহার ও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগুণ সম্বন্ধে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো:
Welwitschia mirabilis: ভেষজ গুণ ও ঐতিহাসিক ব্যবহার
১. ঐতিহ্যগত মানব ব্যবহার
সীড কোর (ভেতরের অংশ)—প্রাচীন কাল থেকে খাবার হিসেবে ব্যবহৃত, বিশেষ করে Herero জনগণের মধ্যে; এটি “onn yanga”—অর্থাৎ মরুভূমির পিঁয়াজ নামে পরিচিত, যা কাঁচা বা আগুনে বেক করে খাওয়া হয় ।
জৈবানি (কর্কি অংশ)—আগুনে জ্বালানীর মতো ব্যবহৃত ।
২. চিকিৎসাগত বা ভেষজ ব্যবহারে সম্ভাবনা
গবেষণাগতভাবে বলা হয়েছে, কিছু মানুষ আনেকডোটালভাবে ডিউরেটিক (প্রস্রাব বর্ধনকারী) গুণ উল্লেখ করেছেন; তবে ঐতিহ্যগত বা বৈজ্ঞানিক ভিত্তিক ব্যবহারের কোন নির্ভরযোগ্য রেকর্ড পাওয়া যায় না ।
কিছু অনলাইন উৎস এবং খাবারের-সম্পর্কিত ব্লগ বা ফোরামে Welwitschia-কে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, হজম সহায়তা, জীবাণুনাশক, বিরোধী অক্সিডেন্ট, এমনকি রেসপিরেটরি সংক্রান্ত সমস্যা নিরাময়–সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যগুণে উদাহৃত করা হয়েছে ।
তবে গুরুত্বপূর্ণ: এসব দাবি প্রায়শই গবেষণামূলক ভিত্তিহীন এবং বাণিজ্যিক বা জনপ্রিয় স্বাস্থ্যের ভাঁড়ার উদাহরণ; এগুলোর বৈজ্ঞানিক মান যাচাই করা প্রয়োজন।
সারসংক্ষেপ
ব্যবহার ক্ষেত্র তথ্যসূত্র ও মন্তব্য
খাদ্য হিসেবে সীড কোর কাঁচা বা বেক করে খাওয়া, ঐতিহ্যগত ব্যবহার আছে ।
জ্বালানি বা উপকরণ হিসেবে কর্কি অংশ আগুনে ব্যবহৃত ।
ঐতিহাসিক ভেষজ গুণ অ্যানেকডোটাল ডিউরেটিক বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে, তবে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই ।
আধুনিক/অনলাইন স্বাস্থ্য দাবি নানা স্বাস্থ্যগুণ আলোচিত আছে (অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, হজম, ইমিউনিটি ইত্যাদি), কিন্তু প্রায়শই ভিত্তিহীন ।
উপসংহার
Welwitschia mirabilis একটি অত্যন্ত বিরল ও প্রাচীনতম উদ্ভিদ—যার জীববৈচিত্র্য, প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার সক্ষমতা ও ঐতিহ্যগত ব্যবহারের কারণে বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তবে, এর স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট ভেষজ গুণ সম্পর্কিত আধুনিক দাবিগুলো বেশিরভাগই গঠনমূলক প্রমাণের অভাবে অবস্থান করে; সেক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য গবেষণা ও evidential ভিত্তি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এগুলোকে “সতর্কভাবে বিবেচনা” করা উত্তম।
12/07/2025
🌿 লজ্জাবতী গাছের ভেষজ গুণ
(প্রাকৃতিক চিকিৎসার এক নীরব নিরাময়)
🔰 ভূমিকা:
লজ্জাবতী গাছ (Mimosa pudica) — নামের মধ্যেই তার স্বভাব। স্পর্শ করলেই লজ্জাবতীর পাতাগুলি মুহূর্তেই গুটিয়ে যায়। তবে শুধু এই ‘লজ্জাবনত আচরণ’ নয়, এই গাছের আছে অসংখ্য ঔষধি গুণ। ইউনানি, আয়ুর্বেদ ও লোকজ চিকিৎসায় লজ্জাবতী বহু যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
🌱 গাছের বৈজ্ঞানিক পরিচয়:
বৈজ্ঞানিক নাম: Mimosa pudica
গোত্র: Fabaceae
বাংলা নাম: লজ্জাবতী / লাজুক লতা
প্রকৃতি: গুল্মজাতীয়, লতা স্বভাবের, ছোট কাঁটা ও গোলাপি ফুলবিশিষ্ট।
🩺 ভেষজ গুণ ও ব্যবহার:
🔹 ১. রক্তপাত বন্ধে:
লজ্জাবতীর পাতা ও শিকড় চূর্ণ করে ক্ষতস্থানে লাগালে রক্তপাত বন্ধ হয় ও দ্রুত আরোগ্য হয়।
🔹 ২. অর্শ্ব রোগে উপকারী:
এর শিকড় শুকিয়ে গুঁড়া করে সকালে খালি পেটে গ্রহণ করলে পাইলস বা অর্শ্বের ব্যথা ও রক্তপাত কমে।
🔹 ৩. ডায়রিয়া ও আমাশয়:
পাতার রস বা পেস্ট শিশুদের পাতলা পায়খানা বা আমাশয়ে খুব উপকারী। এটি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে।
🔹 ৪. শারীরিক দুর্বলতা:
শিকড় সিদ্ধ করে খেলে শারীরিক বল বৃদ্ধি পায়, মানসিক প্রশান্তি আসে।
🔹 ৫. প্রদাহ ও ফোঁড়া:
পাতা বেটে গরম করে ফোঁড়ায় লাগালে তা দ্রুত পরিপক্ব হয় ও ব্যথা উপশম হয়।
🔹 ৬. বিষক্রিয়ায় প্রতিষেধক:
বিচ্ছু, পোকামাকড় কামড় বা বিষক্রিয়ায় পাতার রস উপকারী হিসেবে কাজ করে।
🔹 ৭. অনিদ্রা ও নার্ভের দুর্বলতা:
পাতার রস অল্প পরিমাণে খেলে স্নায়ুবৈকল্য ও অনিদ্রায় উপকার পাওয়া যায়।
⚠️ সতর্কতা:
অতিমাত্রায় গ্রহণ বিপজ্জনক হতে পারে।
গর্ভবতী ও শিশুর ক্ষেত্রে ব্যবহারে অভিজ্ঞ ভেষজ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
🌼 উপসংহার:
লজ্জাবতী গাছ, যার আচরণ যেমন মধুর, তেমনি তার ভেষজ গুণও বিস্ময়কর। প্রাকৃতিক এই গাছ আমাদের আশেপাশে অযত্নে জন্মায়, কিন্তু এর মাঝে লুকিয়ে আছে বহু রোগের নিরাময়। প্রাচীন চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই মণিমুক্তোকে অবহেলা নয়, বরং যত্ন করে ব্যবহারই হতে পারে স্বাস্থ্য সচেতনতার এক নতুন দিগন্ত।
✍️ লিখেছেন:
হাকীম সৈয়দ সফিউজ্জামান পাপেল
(ইউনানি ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ)
25/05/2025
মধু ও মৌমাছির জীবনের গল্পঃ
"মৌমাছি ছোট তবে কর্মে মহীয়ান,
তার মধু শৃষ্টিকর্তার অনন্য দান।
এক ফোঁটা রসে রহমতের ছোঁয়া,
স্রষ্টার কুদরত প্রকৃতির মোহনা।”
- সৈয়দ পাপেল মাহমুদ
তুমি কি জানো, প্রাকৃতিক জগতের ক্ষুদ্র অথচ বিস্ময়কর এক প্রকৌশলী হলো মৌমাছি? এই ছোট্ট প্রাণীটির রয়েছে এমন সব গুণ ও ত্যাগ, যা জানলে অবাক হতে হয়, নত হতে হয়।
মৌমাছির শরীরে থাকে দুটি পেট। একটি তার নিজস্ব খাদ্য হজমের জন্য, আর অন্যটি একান্তই অমৃতভাণ্ড—যেখানে ফুল থেকে সংগৃহীত মধুরস জমা রাখে মধু তৈরির জন্য। এই বিশেষ পেটকে বলা হয় ‘বীক’, একটি জীবন্ত মধুকূপ, যা সে নিজের জন্য নয়, সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পূর্ণ করে তোলে।
একটি মৌমাছি গড়ে বাঁচে মাত্র ৪০ দিন। এই অল্প সময়ে সে পরিশ্রম করে কমপক্ষে এক হাজার ফুলে যায়, প্রতিটি ফুল থেকে সংগ্রহ করে অমৃত। দিনের পর দিন, সূর্যের তাপে, বাতাসের ঘূর্ণিতে, বৃষ্টির ছাটে ভিজে সে ফেরে মৌচাকে, মুখে অমৃত নিয়ে। সেই অমৃত ধীরে ধীরে রূপ নেয় সোনালি তরল মধুতে।
শুধু কি আহরণ? সে শুধু মধু জমা দেয় না, তার প্রতিটি ফোঁটায় মেশায় নিজের শ্রম, ধৈর্য ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। আর এই সমস্ত মিলিয়ে সে যা তৈরি করে—তা আমাদের কাছে হয়তো এক চামচ মধু,
কিন্তু মৌমাছির কাছে তা তার সারাজীবনের গল্প।
আমরা যখন এক চামচ মধু চায়ে মিশিয়ে নিই, শরবতে ঢালি বা রুটি ছোঁয়াই, তখন একবার হলেও ভাবা উচিত—এই সোনালি রসের পেছনে একটি প্রাণের পূর্ণ জীবন লুকানো রয়েছে। মৌমাছি শিখিয়ে যায়, কীভাবে ক্ষুদ্র হয়ে থেকেও মহান কিছু সৃষ্টি করা যায়।
পরিশেষে বলতে হয় প্রকৃতি আমাদের শুধু খাদ্য দেয় না, দেয় উপলব্ধির শক্তি। এক চামচ মধু—একটি জীবন, একটুকরো ত্যাগ, এক অপূর্ব কাব্য!
21/05/2025
ফুল এবং গাছ পছন্দ করেনা এমন লোক খুজেঁ পাওয়া দুস্কর!
ঘরের সৌন্দর্য বাড়ায় এমন উপকৃত ৬টি ইনডোর গাছের নাম দেওয়া হলো, যেগুলো কম আলোতে বেঁচে থাকতে পারে এবং ঘরের বাতাসকে করে তোলে বিশুদ্ধ ও সতেজ:
🌿 ১. স্নেক প্ল্যান্ট (Sansevieria trifasciata)
অসাধারণ এয়ার পিউরিফায়ার। খুবই কম আলোতেও বেঁচে থাকতে পারে।
🌿 ২. পিস লিলি (Spathiphyllum)
ফর্মালডিহাইড ও বেনজিনের মতো ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে। কম আলোতেও দিব্যি টিকে থাকে।
🌿 ৩. স্পাইডার প্ল্যান্ট (Chlorophytum comosum)
সহজে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়, এবং বায়ুদূষণকারী পদার্থ শোষণ করে।
🌿 ৪. পাথোস (Epipremnum aureum)
নিম্ন আলোয় সহজেই বেড়ে ওঠে। বাতাসকে করে তোলে পরিষ্কার।
🌿 ৫. জিজি প্ল্যান্ট (Zamioculcas zamiifolia)
ছায়া সহ্য করতে পারে এবং ইনডোর এয়ার কোয়ালিটি উন্নত করে।
🌿 ৬. চাইনিজ এভারগ্রিন (Aglaonema)
কম আলোতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে এবং ক্ষতিকর বায়ুদূষণ দূর করে।
🌱 প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ছোঁয়ায় ঘর হোক সতেজ আর স্বাস্থ্যকর!
30/04/2025
অতিরিক্ত জিদ মানেই অটিজম নয়!
🌐 আমরা অনেকেই একটা সাধারণ ভুল বলিলে ঠিক হবেনা মারাত্বক ভুল করে থাকি যা চড়ম অজ্ঞতা, একটি পরিবার হয় হতাশাগ্রস্থ!
একটি মাসুম বাচ্চার উপর ভুল সিদ্ধান্ত তার জীবনে শুরু হয় অপচিকিৎসা আর চিকিৎসক যদি যেনে বুঝে করে থাকেন তা হলে প্রতারণামূলক চিকিৎসার শিকার।
আপনার বাচ্চা জিদি হয় বিশেষ করে বয়স যখন ৩-৬ বছরের মধ্যে থাকে। এসময় অনেকেই
* নিজের চাওয়া প্রকাশ করতে শেখে,
আবেগ নিয়ন্ত্রণ শেখে না,
* অভিমান, কান্না, রাগ দিয়ে দাবি আদায় করতে চায়।
তবে যদি জিদের সঙ্গে নিন্মোক্ত কিছু লক্ষণ একসাথে দেখা যায়, তখন অটিজম নিয়ে ভাবা যায়।
অটিজমের (Autism Spectrum Disorder) সাধারণ লক্ষণ:
১. ভাষা ও যোগাযোগের সমস্যা
২-৩ বছরেও স্পষ্টভাবে কথা না বলা বা কথার বিকাশ খুব ধীর।
নাম ধরে ডাকলে সাড়া না দেওয়া।
চোখে চোখ রেখে কথা না বলা।
একই কথা বা শব্দ বারবার বলা (Echolalia)।
২. সামাজিক সম্পর্কের সমস্যা
অন্য বাচ্চার সঙ্গে খেলতে চায় না।
একা খেলতে বেশি পছন্দ করে।
অন্যের আবেগ বোঝে না বা প্রতিক্রিয়া দেয় না।
হাসি বা চোখের অভিব্যক্তি খুব সীমিত।
৩. আচরণগত বৈশিষ্ট্য
একই কাজ বারবার করে (ঘুরতে থাকা, হাত নাড়ানো ইত্যাদি)।
নতুন পরিবেশে গিয়ে খুব অস্থির বা অস্বস্তিতে পড়ে।
একঘেয়ে রুটিনে অভ্যস্ত; সামান্য পরিবর্তনে রেগে যায় বা কান্নাকাটি করে।
৪. সংবেদনশীলতা
শব্দ, আলো, গন্ধ বা স্পর্শে অতিসংবেদনশীল বা একেবারেই প্রতিক্রিয়া না দেখা।
অতএব:
শুধু জিদ বা আবেগপ্রবণতা মানেই অটিজম না।
অটিজম হলে আরও অনেক দিক একসাথে প্রভাবিত হয়।
ধরুন আপনার বাচ্চার মধ্যে যেগুলো আছে:
আবেগপ্রবণতা,জিদ, অতিরিক্ত খটখিটে মেজাজ, যা একবার চায় তা সহজে ভুলে না,
এটাকে emotionally intense child
বলে।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিশুর হাত পায়ের তালু গরম দেখা যায়।
এইগুলো হাই সেনসিটিভ (Highly sensitive) বা emotional-intense শিশুর লক্ষণ, যা স্বাভাবিকও হতে পারে।
এক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ও সঠিক Parenting এর মাধ্যমে শিশুর সুস্থতা আসবে ইনশাআল্লাহ!
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
গণস্বাস্থ্য হোমিওতে স্বাগতম ৷
imo & Whats App
01615-00 22 00
বিঃদ্রঃ অটিজম না জিদ সেটা ভালো ভাবে জানুন তারপরে আপনার শিশুর চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নিবেন।
খারকোল/ওল (Amorphophallus paeoniifolius) গাছটি থেকে ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ও লোকজ চিকিৎসায় বিভিন্ন ধরনের ভেষজ ওষুধ তৈরি হয়। সাধারণত এর কন্দ (মূল) অংশটাই প্রধানত ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। নিচে কিছু পরিচিত ভেষজ ব্যবহার ও ওষুধের ধরন তুলে ধরা হলোঃ
১. অরুচি ও হজমের সমস্যা
ঔষধি রূপ: ওল চূর্ণ বা ওল ভুনা করে গুঁড়ো।
উপকারিতা: হজম শক্তি বাড়ায়, অম্বল ও গ্যাস্ট্রিক দূর করে।
২. কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাস্ট্রিক
ঔষধি রূপ: শুকনো কন্দ গুঁড়ো করে তৈরি ক্বাথ বা চূর্ণ।
উপকারিতা: গ্যাস, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৩. গেঁটে বাত ও স্নায়বিক ব্যথা
ঔষধি রূপ: কন্দ থেকে তৈরি পেস্ট বা মালিশ তেল।
উপকারিতা: প্রদাহ ও ব্যথা উপশমে কার্যকর।
৪. পাইলস (অর্শ) ও বেমলত্যাগ
ঔষধি রূপ: ওল চূর্ণ, হরীতকী, সোনাথ, ইসবগুল ইত্যাদির সাথে মিশিয়ে সেব্য ওষুধ তৈরি হয়।
উপকারিতা: মল ত্যাগ সহজ করে, অর্শ উপশমে সহায়তা করে।
৫. স্ত্রীরোগে (পিরিয়ড অনিয়ম ইত্যাদি)
আয়ুর্বেদে এটি কিছু নারীকেন্দ্রিক রোগে ব্যবহৃত হয়।
৬. ওজন কমানো ও রক্তে চর্বি কমানো
৭. মূত্রবর্ধক
কিডনি ও মূত্রনালীর সমস্যায় মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে, যা টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে।
★ দক্ষিন এশিয়ায় এটি খাদ্য হিসেবে রান্না করে খায় ও কালোজিরা রসুন সহ সুস্বাদু ভর্তার বেশ প্রচলন রয়েছে৷
সতর্কতা: কাঁচা খেলে চুলকানি বা গলা জ্বালাপোড়া হতে পারে, তাই ভালোভাবে রান্না করে খেতে হয়।
উপসংহারঃ এর ফাইবার ও আয়রন সমৃদ্ধ অংশ থেকে তৈরি কিছু হালকা সেব্য পাউডার ওষুধ হালকা মেটাবলিজম বাড়াতে সহায়তা করে।
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
লিউকোরিয়া (সাদা স্রাব): কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার উপায়ঃ
লিউকোরিয়া বা সাদা স্রাব নারীদের একটি সাধারণ সমস্যা, যা যেকোনো বয়সে হতে পারে। এটি মূলত যোনিপথ থেকে সাদা বা হালকা হলুদ রঙের তরল নিঃসরণ হিসেবে দেখা দেয়। স্বাভাবিক স্রাব সাধারণত দুর্গন্ধহীন এবং ব্যথাবিহীন হয়, তবে অস্বাভাবিক স্রাব সংক্রমণ বা অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
https://www.facebook.com/share/p/15dVYaZXQy/
লিউকোরিয়ার প্রকারভেদ
লিউকোরিয়া প্রধানত দুই ধরনের হতে পারে:
1. শারীরবৃত্তীয় লিউকোরিয়া (স্বাভাবিক)
ঋতুস্রাবের আগে-পরে বা ডিম্বস্ফোটনের সময় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে হয়।
দুধের মতো সাদা, পাতলা ও গন্ধহীন।
চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।
2. প্যাথলজিক্যাল লিউকোরিয়া (অস্বাভাবিক)
সংক্রমণ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য রোগের কারণে হয়।
স্রাবের রং হলুদ, সবুজ বা বাদামি হতে পারে এবং দুর্গন্ধযুক্ত হতে পারে।
চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা থাকতে পারে।
লিউকোরিয়ার
* যৌন সংক্রমণ (STIs):ক্যান্ডিডিয়াসিস, ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস, ট্রাইকোমোনিয়াসিস।
* হরমোনাল পরিবর্তন:গর্ভাবস্থা, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি।
* ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি অবহেলা:অতিরিক্ত সাবান বা ডouche ব্যবহার।
* ডায়াবেটিস বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।
* জরায়ু বা যোনির সংক্রমণ।
লক্ষণসমূহ
* যোনিপথে অতিরিক্ত সাদা, হলুদ বা সবুজ স্রাব।
* দুর্গন্ধ বা ফেনাযুক্ত স্রাব।
* যৌনাঙ্গে চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা লালভাব।
* প্রস্রাব বা সহবাসের সময় ব্যথা।
প্রতিকার ও চিকিৎসা
প্রাকৃতিক উপায়ে প্রতিকার:
* দই:প্রোবায়োটিকস যুক্ত দই খান বা প্রয়োগ করুন (বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য)।
* নিম পাতা:অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ আছে, নিমের পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
*:লেবু ও জল: হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে যোনিপথ পরিষ্কার করুন (সতর্কতার সাথে)।
* আদা ও মধু: আদার রস ও মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
চিকিৎসা:
* অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম বা ওষুধ:ক্যান্ডিডা সংক্রমণের জন্য (যেমন: ক্লোট্রিমাজল)।
* অ্যান্টিবায়োটিক: ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের জন্য (মেট্রোনিডাজল)।
* হরমোনাল থেরাপি: ইস্ট্রোজেন লেভেল ঠিক করতে।
* প্রতিরোধের উপায়
সুতি অন্তর্বাস ব্যবহার করুন ও নিয়মিত পরিবর্তন করুন।
* যৌনাঙ্গ পরিষ্কার রাখুন, কিন্তু অতিরিক্ত সাবান বা স্প্রে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
* ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
* নিরাপদ যৌন সম্পর্ক বজায় রাখুন।
* আপনি কখন ডাক্তার দেখাবেন?
প্রথমত স্রাবের রং, গন্ধ বা পরিমাণ অস্বাভাবিক হলে। দ্বিতীচুলকানিয়ত , জ্বালাপোড়া বা ব্যথা থাকলে।
তৃতীয়ত গর্ভাবস্থায় লিউকোরিয়া বেশি দেখা দিলে।
* সর্বোপরি, লিউকোরিয়া সাধারণ হলেও অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। স্বাস্থ্য সচেতনতাই হলো এই সমস্যা থেকে মুক্তির মূলমন্ত্র।
বিঃদ্রঃ চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
গণস্বাস্থ্য হোমিওতে স্বাগতম ৷
imo & Whats App
01615-00 22 00
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
UNANIMEDICINE
