Obesity management centre
Weight reduction and pcos diet management.
13/05/2025
স্থূলতা ইনসুলিন প্রতিরোধ করে এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের অবস্থা তৈরি করে ডায়াবেটিসের বিকাশে অবদান রাখে। পেশী, পেট এবং লিভারে উপস্থিত স্থূল ব্যক্তিদের মধ্যে অত্যধিক সংখ্যক চর্বি (অ্যাডিপোজ টিস্যু) দ্বারা প্রদাহের সৃষ্টি হয়, যা ইনসুলিন প্রতিরোধের (IR) জন্য দায়ী। একবার Insulin Resistance বিকশিত হয়ে গেলে, ইনসুলিন সমস্ত টিস্যুতে কাজ করতে পারেনা না। যা রক্তে শর্করার উচ্চ মাত্রার দিকে নিয়ে যায় যা প্রি ডায়াবেটিস ও পরবর্তীতে ডায়াবেটিস হিসাবে প্রকাশ পায়।
⭕ প্রি-ডায়বেটিসের কিছু লক্ষনঃ ⭕
🔶১.মোটা ঘাড়:
ঘাড়ের চারপাশে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয়, যা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এর কারণে হতে পারে।
🔶২.পা ফোলা:
পায়ে পানি জমে এবং দুর্বল সঞ্চালন ব্যবস্থার কারণে পানি স্থানান্তর হতে না পেরে পায়ে ফোলাভাব সৃষ্টি করে।
🔶৩.ত্বকে ছোট গোটা:
ত্বকের বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট গোটার মতো দেখা যায় যা রক্তে উচ্চ শর্করার লক্ষণ।
🔶৪.ত্বকে কালো দাগ :
ঘাড় বগল ও কুচকির চারপাশে কালো হয়ে যায় ও মখমলের ন্যায় দেখায়।
🔶৫.অবিরাম ক্ষুধা:
সবসময় মিষ্টি বা শর্করা, জাতীয় খাবার খাওয়ার আগ্রহ রক্তে শর্করার দ্রুত ওঠানামার কারণে হতে পারে।
🔶৬.হাত-পায়ে ঝিমঝিম ভাব :
উচ্চ রক্তে শর্করার কারণে হাত পায়ের অসাড়তা ও ঝিমঝিম ভাব দেখা দেয়।
🔶৭.চরম ক্লান্তি:
সব সময় পানিশুন্য বোধ হয়। শরীরে ইনসুলিন সঠিক ভাবে সঠিক ভাবে ব্যবহার না হওয়ায় প্রচন্ড ক্লান্তিভাব আসে।
মাসে ৫ কেজি ওজন কমানোর সহজ পদ্ধতি.....
https://fb.watch/zv0o81hMLP/
14/03/2025
⭕রোজা রেখে ব্যায়াম করবেন কীভাবে❓
অন্যান্য দিনের তুলনায় রোজা অবস্থায় আমাদের কম ক্যালোরি গ্রহণ করা হয়। তাই যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন তারা অনেকটা দুশ্চিন্তায় পড়ে যান এই ভেবে যে, রোজা থাকা অবস্থায় ব্যায়াম করবেন কীভাবে?
রোজা থাকার কারণে প্রয়োজনের তুলনায় কম ক্যালোরি গ্রহণ করা হয়, সেই সঙ্গে অনেক সময় শরীর ডিহাইড্রেড হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় যে কোনো শারীরিক কসরতও বেশ ক্ষতিকর হতে পারে। আবার শরীরকে ফিট রাখতে এই সময়েও ব্যায়াম করা জরুরি। রোজা থেকে শুধু শুয়ে বসে থাকলে বা বিশ্রামে থাকা ক্ষতিকর।
রোজা থাকা অবস্থায় নিরাপদে ব্যায়াম করার জন্য কিছু টিপস রইল:
◼️আপনার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন
যেকোনো ব্যায়াম শুরু করার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেয়া উচিত। আর সেটা যদি হয় রোজা রাখার সময়, তাহলে পরামর্শ নেয়া আরও বেশি জরুরি। চিকিৎসক আপনার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানেন, তাই তিনি আপনাকে সঠিক নির্দেশিকা দিতে পারবেন।
রোজা রাখার ইচ্ছা এবং ব্যায়ামের পরিকল্পনা সম্পর্কে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। তিনিই আপনাকে বলতে পারবেন যে, একইসঙ্গে এই দুটি কাজ আপনার জন্য নিরাপদ কি না। যদি ব্যায়াম করার সময় আপনার কোনো ব্যথা বা অস্বস্তি হয় কিংবা রোজার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, তাহলে ব্যায়াম বন্ধ করুন এবং আপনার চিকিৎসককে জানান। পুষ্টিবিদদের মতে, আপনি যদি সক্রিয় থাকেন তবে রোজা করার সময় দিনে ১২০০ ক্যালোরির কম গ্রহণ না করাই ভালো।
◼️অপেক্ষাকৃত হালকা ব্যায়াম বেছে নিন
যেহেতু আপনি রোজা আছেন তাই অপেক্ষাকৃত হালকা ব্যায়ামই আপনার জন্য উপকারী। রোজার সময়, আপনার শরীর গ্লাইকোজেন আকারে সঞ্চিত শক্তির ওপর নির্ভর করে। তাই শরীরে সঞ্চিত শক্তি ধীরে ধীরে খরচ করার জন্য দৌঁড়ানোর পরিবর্তে হাঁটার মতো ব্যায়াম বেছে নিন। এ ছাড়া হালকা কিছু ব্যায়ামও করতে পারেন। কারণ ব্যায়াম মনকে শান্ত এবং শরীরকে হালকা করতে পারে। এ ছাড়াও গৃহস্থালির হালকা কাজগুলোও করতে পারেন।
◼️প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান
রোজায় দীর্ঘ সময় খাবার না খাওয়ার কারণে এমনিতেই শরীর কিছুটা দুর্বল হতে পারে। ব্যায়াম করার কারণে অনেক বেশি ক্যালোরিও খরচ হয়। তাই এই সময় প্রোটিন খাওয়া জরুরি। আপনি প্রতিদিনের ইফতার ও সেহরিতে কিছু প্রোটিন রাখুন। যেমন ইফতারে অন্যান্য খাবারের সঙ্গে সেদ্ধ ডিম খেতে পারেন। ভরপেট ইফতার করার পর অনেকেই আর রাতে কিছু খেতে চান না। সেক্ষেত্রে আপনি সর ছাড়া এক কাপ দুধ খেতে পারেন। আর সেহরিতে ভাতের সঙ্গে ডাল, সবজি ও মাছ বা মাংস খেতে পারেন। এভাবে আপনার দৈনন্দিন প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে।
◼️প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন
রোজায় দীর্ঘ সময় পানি পান না করার জন্য শরীর সহজেই ডিহাইড্রেড হয়ে পড়তে পারে। কিন্তু শরীরকে তার কার্যক্রম ঠিকমত চালিয়ে যাওয়ার জন্য এবং ফিট থাকার জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। দৈনিক পানির চাহিদা পূরণের জন্য ইফতারের পর থেকেই অল্প অল্প করে পান করা শুরু করুন। প্রতিদিন ২ থেকে ৩ লিটার পানি পান করুন। তাজা ফলের রস এবং ডাবের পানিও পান করতে পারেন। এতে শরীরে হাইড্রেটেড হওয়ার পাশাপাশি সতেজও থাকবে।
◼️ব্যায়ামের জন্য সময় নির্বাচন করুন
সাধারণ সময়ে আপনি দিনের যেকোনো সময় ব্যায়াম করতে পারেন। বিশেষ করে চাকুরীজীবীরা দিনে সময় না পেলে অনেক সময় সন্ধ্যায় বা রাতেও ব্যায়াম করে থাকেন। কিন্তু রোজা থাকা অবস্থায় আপনার উচিত সকালের দিকেই ব্যায়াম করে নেয়া। কারণ যত সময় গড়াবে তত শরীর ক্লান্ত হওয়া শুরু করবে। ক্লান্ত শরীর নিয়ে ব্যায়াম করলে তেমন কোনো ফল তো পাবেনই না বরং অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।
Obesity management centre Dietitian Amatullah Sharmeen
12/03/2025
🍹🍹রোজায় স্বাস্থ্যকর পানীয়:
রোজা রেখে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। যেহেতু লম্বা সময় ধরে পানি না খেয়ে থাকা হয়, সেহেতু পর্যাপ্ত পানি পান না করলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পানি ও পানীয় গ্রহণের পাশাপাশি পানি জাতীয় সবজিও খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে। এতে সারাদিন শরীর হাইড্রেটেড থাকবে।
♦️সাদা পানি: স্বাস্থ্যকর পানীয়র মধ্যে প্রথমেই থাকবে সাদা পানি। চিনি, লবণ ছাড়া শুধু সাদা পানি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্বাস্থ্যসম্মত পানীয়। ইফতারের শুরুতেই সাদা পানি খান।
♦️ডাবের পানি: রোজার সময় দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থেকে কাজ করার ফলে ঘাম হয়। ফলে ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালান্স হয়। ডাবের পানি প্রাকৃতিকভাবে মিনারেলস সমৃদ্ধ পানীয়। ইফতারে এক গ্লাস ডাবের পানি খেলে শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স হবে।
♦️লেবু পানি: পানি ও লেবুর সঙ্গে এক চিমটি পরিমাণ লবণ, বিট লবণ বা পিংক সল্ট মিশিয়ে পান করতে পারেন। চিনি দেওয়া যাবে না। মনে রাখতে হবে, চিনি শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এই লেবু পানিও চমৎকারভাবে শরীরের ইলোকট্রোলাইট ব্যালান্স করতে সাহায্য করবে। সারাদিনে শরীরে যে ভিটামিন সির ঘাটতি তৈরি হয়, সেটিও পূরণ করবে এটি।
♦️ফলের রস: বাসায় যেকোনো সতেজ ফলের জুস তৈরি করে খেতে পারেন। ফলের রস অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ এবং ভিটামিন ও মিনারেলসে ভরপুর। এই ফলের রসের মধ্যে ইসবগুল, তোকমা, চিয়াসিড যোগ করে খাওয়া হলে তখন সেটি ফাইবার সমৃদ্ধ পানীয় হবে। এ ধরনের পানীয় শরীরকে দীর্ঘক্ষণ হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।
♦️লাচ্ছি ও লাবাং: টক দই দিয়ে তৈরি পানীয় প্রোবায়োটিকের খুব ভালো উৎস। রোজার মাসে প্রোবায়োটিক খুবই প্রয়োজন। কারণ এ সময় অনেক কম সময়ের মধ্যে অনেক খাবার খেয়ে ফেলা হয়। তখন এই প্রোবায়োটিক হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। অর্থাৎ অল্প সময়ের মধ্যে খাবার হজম করতে সাহায্য করে। লাবাংও তৈরি হয় টক দই দিয়ে। এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে। বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য লাবাং খুব ভালো কাজ করে।
♦️গাজরের জুস: বিশেষ করে বাচ্চা ও বয়স্ক যারা রোজা রাখেন তাদের জন্য উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ পানীয় গাজরের জুস। গাজরের জুস বা স্মুদিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ থাকে।
♦️হারবাল টি: ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত এক বা দুই কাপ হারবাল টি খেতে পারেন। গ্রিন টি, তুলসি টি ইত্যাদি হতে পারে। এগুলো খাবার হজম করতে সাহায্য করবে। ফ্যাট জাতীয় খাবার বেশি গ্রহণ করা হলে বিএমআর বাড়িয়ে সেই ফ্যাটকে দ্রুত বার্ন করতে সাহায্য করে এগুলো।
♦️আখের গুড়ের শরবত: পানির সঙ্গে আখের গুড় আর একটু লবণ মিশিয়ে শরবত তৈরি করা হলে এটি স্যালাইনের কাজ করে এবং রক্তের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স করতে সাহায্য করে।
♦️বেলের শরবত: যাদের শরীর বেশি ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হয় তারা বেলের শরবত খাবেন। এটি খুবই উপকারী পানীয়। বেল যদি মিষ্টি না হয় তখন প্রয়োজনে চিনির বিকল্প উপাদান মিছরি, যষ্টিমধু, খেজুরের পাউডার, গুড় ইত্যাদি দিয়ে শরবত তৈরি করা যেতে পারে।
♦️শেক: দুধ দিয়ে তৈরি করা যেকোনো শেক ইফতারে খেতে পারেন। এতে মেশাতে পারেন খেজুর, বাদাম, পেঁপে বা পছন্দের যেকোনো ফল।
মনে রাখবেন, এসব পানীয়তে চিনি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রয়োজনে চিনির বিকল্প উপাদান ব্যবহার করতে হবে। তাহলেই পানীয় স্বাস্থ্যকর হবে।
Obesity management centre Dietitian Amatullah Sharmeen
09/03/2025
⭕রোজায় খাদ্যাভ্যাস⭕
রোজায় ওজন নিয়ন্ত্রণে ব্যায়াম ও সঠিক ডায়েট অতি জরুরি। রোজার মাসের ডায়েট বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেকটাই আলাদা হয়।
যারা বছরের অন্য সময় কোনো একটি ডায়েট প্ল্যান মেনে চলেন, তাদের জন্য রমজান মাসে একই প্ল্যান মেনে চলা সম্ভব হয় না। আবার অনেকে মনে করেন, রোজার মাসে আলাদা ডায়েট প্ল্যান দরকার নেই। সারাদিন না খেয়ে থাকার কারণে এমনিতেই ওজন কমে যাবে। কিন্তু এটি ভুল ধারণা। আমরা সাধারণত ৩ বেলা খাই। রোজার সময়ও ইফতার, রাত আর সেহেরি মিলিয়ে ৩ বেলাই কিন্তু খাচ্ছি।
এ ছাড়া, রোজার সময় সারাদিন না খেয়ে থেকে আমরা সেহেরি ও ইফতারে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলি। ফলে হিসেব করলে অন্য সময়ের চেয়ে খাওয়া আরও বেশি হয়ে যায়। ফলে ওজন কমার বদলে বেড়ে যায় অনেকের।
রোজার মাসে কীভাবে ডায়েট প্ল্যান করলে ওজন কমানো সম্ভব হবে, চলুন সে বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।
🔴সেহেরি
রমজানের গুরুত্বপূর্ণ সময় হচ্ছে সেহেরি। সারাদিন আপনার শরীরে শক্তি যোগান দেওয়ার জন্য কী কী আইটেম সেহেরিতে থাকতে হবে, তা নির্ধারণ করে নিতে হবে। অনেকেই রাতে অনেক বেশি খাবার খেয়ে সেহেরিতে খেতে চান না। আবার অনেকে সারাদিন না খেয়ে থাকতে হবে ভেবে সেহেরিতে অতিরিক্ত খাবার খেয়ে ফেলেন। কিন্তু সুস্থ থাকার জন্য ও ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য এর কোনোটিই সঠিক পদ্ধতি নয়।
সেহেরিতে প্রোটিন, আয়োডিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার, যেমন ফল, সেদ্ধ সবজি, সবজি সালাদ, দুধ বা টক দই, ভাত বা রুটি, মাছ বা মুরগির মাংস বা ডিম ও ডাল খাওয়া যেতে পারে। এগুলো খেতে হবে পরিমিত পরিমাণে।
অতিরিক্ত তেল, মশলা ও লবণযুক্ত খাবার শরীরে পানিস্বল্পতা তৈরি করে। এতে সারাদিন পানি পিপাসা হয়। পানির অভাবে শরীরের কোষ সাধারণ কার্যক্ষমতা হারায়। তাই অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
🔴ইফতার
ইফতারের সময় একবারে সারাদিনের খাবার খেয়ে ফেলা যাবে না। এতে শরীরের উপকারের থেকে অপকার বেশি হয়। সাধারণত শরীর কাজ করে ক্যালরির ওপর নির্ভর করে। পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালরি পেলে শরীর তা থেকেই শক্তি সঞ্চয় করে। যদি অতিরিক্ত পরিমাণ ক্যালরি শরীরে দেওয়া হয়, তাহলে তা শরীর জমা করে রাখে। পরে এই ক্যালরি শরীরে চর্বি আকারে জমা হয়, যা শরীরে বাড়তি ওজন যোগ করে।
তাই ইফতারে কোনোভাবেই পেট ভর্তি করে খাবার খাওয়া যাবে না। লেবুর শরবত, একটি খেজুর, সালাদ, টক দই, মৌসুমি ফলমূল বা জুস দিয়ে ইফতার সেরে ফেলুন। যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা চিনি ছাড়া লেবুর শরবত বানিয়ে খাবেন। ভাজাপোড়া থেকে একদমই দূরে থাকবেন। বেশি ভাজাপোড়া খেলে বদহজম, বমি, গ্যাস হতে পারে।
🔴রাতের খাবার
রোজার মাসে অনেকেই রাতের খাবার খেতে চান না। তবে রাতের খাবার বাদ দেওয়া উচিত না। রাতে খেলে শরীরের পুষ্টির মাত্রা ঠিক থাকে এবং শরীর পরিমিত ক্যালরি পায়। ইফতারে পরিমাণ মত খেলে রাতের খাবার অবশ্যই দরকার হবে।
রাতের খাবারের জন্য হালকা খাবার বেশি উপযুক্ত। এমনিতেও রাতে খুব স্বল্প পরিমাণ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে রমজান মাসে ওজন কমানোর জন্য এ ব্যাপারে আরও সচেতন থাকতে হবে। রাতের খাবারে দুধ, একটি রুটি বা অল্প পরিমাণ ভাত, এক পিস মাছ বা মাংস বা একটি ডিম, লাচ্ছি বা পনির, টক দই, শাকসবজি ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে।
রমজানে সুস্থ থাকতে পানির একটি বড় ভূমিকা আছে। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
Obesity management centre Dietitian Amatullah Sharmeen
20/02/2025
ওজন নিয়ে বিভিন্ন পরামর্শ নিয়ে ডা:মাজহারুল হক তানিম ভাই ও থাকছেন আমাদের সাথে...
https://www.facebook.com/share/v/1C2h3j7z8r/
29/01/2025
🔶 আমাদের শরীর কিভাবে ওজন বাড়ায়
আমরা যখন কার্বোহাইড্রেট খাই তখন আমাদের রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে আমাদের প্যানক্রিয়া বা অগ্নাশয় ইনসুলিন নামের হরমোন নিঃসরণ শুরু করে। ইনসুলিনের কাজ হল আমাদের রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা। ইনসুলিন রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজকে স্বাভাবিক করার জন্য গ্লাইকোজেন রূপে জমা রাখে। প্রথমে লিভারে বা যকৃতে, তারপর মাসেল বা পেশীতে।
জেনে রাখা ভালো আমাদের লিভারে ৬০ থেকে ১২০ গ্রাম গ্লুকোজ এবং মাসেলে প্রায় ৪০০ গ্রাম গ্লুকোজ গ্লাইকোজেন রূপে সংরক্ষিত হতে পারে। লিভার এবং মাসেলের স্টোরেজ পূর্ণ হওয়ার পরেও রক্তে যদি অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকে তবে ইনসুলিন অতিরিক্ত গ্লুকোজ কে ফ্যাট সেলে ( এডিপোস টিস্যু বা এডিপোসাইটস) জমা করে। এ ধারণক্ষমতা অপরিসীম। এভাবেই আমরা weight gain করি।
Obesity management centre Dietitian Amatullah Sharmeen
27/01/2025
🔴আমাদের শরীরে পানির ভূমিকা
🍁 হরমোন ও নিউরোট্রান্সমিটার তৈরি করতে আমাদের মস্তিষ্কের পানির প্রয়োজন হয়।
🍁স্যালাইভা বা লালা তৈরিতে পানি প্রয়োজন, যা আমাদের খাবার হজমের জন্য জরুরি।
🍁ঘাম ও শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে পানি প্রয়োজন।
🍁আমাদের মস্তিস্ক ও স্পাইনাল কর্ডের ঘাত-শোষক বা শক এবসোবার হিসেবে কাজ করে আমাদের শরীরে অক্সিজেন সরবরাহে সাহায্য করে।
🍁আমাদের কোষে এসেন্সিয়াল নিউট্রিয়েন্টগুলো, যেমন মিনারেল, ভিটামিন, গ্লুকোজ ইত্যাদি পৌছে দিতে সাহায্য করে।
🍁আমাদের হাড়ের জোড়ার পিচ্ছিল পদার্থ হিসেবে কাজ করে।
🍁 শরীরের বর্জ্য বের করে দেয়। শরীরের কোষ তৈরি, বৃদ্ধি এবং টিকে থাকতে সাহায্য করে।
🍁আমাদের সব ফিজিক্যাল একটিভিটিকে সাপোর্ট দেয়।
🍁কোমল ও নমনীয় স্কিনের জন্য পানি খুবই জরুরি, ডিহাইড্রেশনের ফলে চামড়া কুঁচকে যায় বা রুক্ষ হয়ে যায়।
ডিহাইড্রেশনের কারণে আমাদের মুডের (আচরণের) ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং সাময়িক স্মৃতি বিভ্রাটও হতে পারে।
যদিও তৃষ্ণা উপকারী নির্দেশক, তবুও শুধু তৃষ্ণার ওপর নির্ভর করে থাকা ঠিক হবে না। গড়পড়তা সবাই যতক্ষণে তৃষ্ণা অনুভব করে, ততক্ষণে শরীর কিছুটা ডিহাইড্রেশনে চলে যায়।
🔴কতটা পানি আমাদের প্রতিদিন প্রয়োজন?
আমাদের শরীর থেকে প্রতিদিন নানা রকম ফিজিক্যাল অ্যাকভিটির মাধ্যমে পানি বের হয়ে যায়। পানি কতটা জরুরি তা ইতিমধ্যেই ধারণা পেয়েছেন। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে গড়পড়তা হিসাবে ছেলেদের ৩ লিটার এবং মেয়েদের ২ দশমিক ২ লিটার পানি খেতে হয়। তবে এটাকে সঠিক ধরে পান করলে চলবে না। সবার পানির চাহিদা আলাদা। আপনার সক্রিয়তার মাত্রা, যেখানে বসবাস করেন সেখানকার আবহাওয়া, স্বাস্থ্যের অবস্থা এবং আপনি গর্ভবতী মা হন বা বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ালে আপনার পানির চাহিদা ভিন্ন হবে।
22/01/2025
Obesity management centre Dietitian Amatullah Sharmeen
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
1217
