Anzom Sky's learning education and skills
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Anzom Sky's learning education and skills, Health/Beauty, Dhaka.
Everyone & Kids , Love, Technical , Sport ,Games, Reality ,war ship's, TV,video, news, drama, movie, religion, buy, sell, trade , religion education,war ship's all time & all of things attacking, food,car, buy, fighter,any, into all sky's, human.
20/03/2026
Eid Mubarak everyone" 1st, Read, Translation, sending) আজ ঈদের দিন টাকে মনের খাতায় লিখে রাখ* পড়বে মনে দূরে কিংবা কাছে**
মধ্য প্রাচ্য আজ শক্তবার ঈদ উৎসব চলছে একটানা
চার দিন, পড়বে মনে তোমাদের হৃদয় ছায়ায় পবিত্রায়।
*ঈদের দিন ইবাদতে ব্যস্ত থাকলেন—এটা ঠিক নয়। আল্লাহ আপনাকে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে বলেছেন। কিন্তু আপনি ইবাদত করে সময় পার করলেন বা ঈদের নামাজ যেখানে সর্বোচ্চ ২০ মিনিট লাগার কথা, সেখানে আপনি এক ঘণ্টার অধিক সময় নিলেন। অর্থাৎ আল্লাহর নির্দেশ অবমূল্যায়ন করলেন, যা প্রত্যেক উম্মতের জন্য নিষিদ্ধ। ফেরাউনও আল্লাহর আদেশ এইভাবে অবমাননা করেছিলেন। তাই সাবধান থাকবেন, সারা উম্মতবাসী। **@$₹৳৳$₹@**
ঈদের দিন একটি ছোট্ট ফুলের গাছ, একটি ফলের গাছ রোপণ করা ফরজ। যা আগামী প্রজন্ম আপনাদের মনে রাখবে। আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর নামে গাছ লাগানো উচিত। পারলে ঈদের দুই দিন আগে লাগান।
**🌿 আরবি উদ্ধৃতি ও বাংলা অনুবাদ
الْعِيدُ يَوْمُ فَرَحٍ وَسُرُورٍ
বাংলা অনুবাদ: ঈদ হলো আনন্দ ও খুশির দিন।
وَزَرْعُ شَجَرَةٍ صَدَقَةٌ جَارِيَةٌ
বাংলা অনুবাদ: একটি গাছ রোপণ করা হলো চলমান সদকা।
**ঈদের দিন ইবাদতে ব্যাস্ত থাকলেন এটা ঠিক নয়, আল্লাহ আপনাকে ঈদের আনন্দ উপভোগ, করতে বলেছেন, কিন্তু আপনি ইবাদত করে সময় পার করলেন বা ঈদের নামাজ যেখানে উর্ধ্বে ২০ মিনিট লাগার কথা, সেখানে আপনি একঘন্টার অধিক লাগিয়ে ফেললেন, অর্থাৎ আল্লাহর নির্দেশ অবমূল্যায়ন করলেন যা প্রত্যেক উম্মতের জন্য নিষিদ্ধ। ফেরায়োন আল্লাহর আদেশ এই ভাবে অবমাননা করেছেন। তাই সাবধান থাকবেন সারা উমমত বাসি। ঈদের দিন একটি ছোট্ট ফুলের গাছ, একটি ফলের গাছ রোপণ করা ফরজ। যা আগামী প্রজন্মের আপনাদের মনে রাখবে আর প্রকৃতিক দূরজোক, আল্লাহর নামে করবেন পারলে ঈদের দুই দিন আগে।
পারলে ঐ দীর্ঘ রাস্তায় দুটি গাছ রোপণ করবেন তবে ঈদের দুই দিন আগে অবশ্যই,, ঈদের দিন লাগলেও হবে।।
এই কথাগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে ঈদের দিন শুধু ইবাদত নয়, বরং আনন্দ ভাগাভাগি করা, প্রকৃতিকে রক্ষা করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছু রেখে যাওয়া জরুরি। আল্লাহ চান তাঁর বান্দারা যেন ঈদের দিনে হাসি-খুশি থাকে, একে অপরকে ভালোবাসে এবং পৃথিবীকে সুন্দর করে তোলে।
শিশুরা যেন ফুলের গাছ দেখে আনন্দ পায়, তরুণরা যেন ফলের গাছ থেকে উপকার পায়, আর প্রবীণরা যেন শান্তি অনুভব করেন—এই হলো ঈদের প্রকৃত শিক্ষা। তাই ঈদের দিনে অতিরিক্ত ইবাদতে সময় নষ্ট না করে, আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী আনন্দ উপভোগ করুন, গাছ লাগান, প্রকৃতিকে রক্ষা করুন। এতে আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন এবং আগামী প্রজন্ম আপনাদের দোয়া করবে।
**👉 ঈদের দিন ইবাদতে অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকা আল্লাহর নির্দেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেছেন:
وَمَا جَعَلَ عَلَيْكُمْ فِي الدِّينِ مِنْ حَرَجٍ (সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ৭৮)
বাংলা অনুবাদ: “আল্লাহ তোমাদের জন্য দ্বীনে কোনো কষ্ট রাখেননি।”
অর্থাৎ ঈদের দিন অতিরিক্ত সময় ইবাদতে ব্যয় করে আনন্দ উপভোগ না করা আল্লাহর নির্দেশের অবমূল্যায়ন। ঈদের নামাজ যেখানে সর্বোচ্চ ২০ মিনিটে শেষ হওয়ার কথা, সেখানে এক ঘণ্টার বেশি সময় নেওয়া সঠিক নয়। ফেরাউনও আল্লাহর আদেশকে অবমাননা করেছিল, তাই উম্মতের উচিত সাবধান থাকা।
🌿 ঈদের দিন একটি ফুলের গাছ বা ফলের গাছ রোপণ করা ফরজ বলা হয়েছে। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সদকা জারিয়া হয়ে থাকবে। আল্লাহ বলেন:
وَجَعَلْنَا لَكُمْ فِيهَا مَعَايِشَ (সূরা কালাম, আয়াত ৩২)
বাংলা অনুবাদ: “আমি তোমাদের জন্য তাতে জীবিকার ব্যবস্থা করেছি।”
**এই আয়াত আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে গাছ লাগানো মানুষের জীবিকা ও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার জন্য অপরিহার্য। ঈদের দিনে আনন্দ উপভোগের পাশাপাশি গাছ রোপণ করলে তা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথ খুলে দেয়।
**শিশুরা ফুলের সৌন্দর্যে আনন্দ পাবে, তরুণরা ফলের গাছ থেকে উপকার পাবে, আর প্রবীণরা শান্তি অনুভব করবেন। তাই ঈদের দিনে অতিরিক্ত ইবাদতে সময় নষ্ট না করে আনন্দ ভাগাভাগি করুন, গাছ লাগান এবং প্রকৃতিকে রক্ষা করুন। এতে আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন এবং আগামী প্রজন্ম আপনাদের দোয়া করবে।
ঈদের দিনকে বিজ্ঞানভিত্তিকভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অতিরিক্ত ইবাদতে সময় ব্যয় করা মানুষের শারীরিক সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ((আগের দিন ঈদের,,ঈদের দিন বেশি ইবাদত মানসিক ঠিক থাকবে কিন্তু**ইহা এক সৃষ্টিকর্তর আদেশকে অবমাননা করা)))) । আল্লাহ মানুষকে আনন্দ উপভোগ করতে বলেছেন, কারণ আনন্দ ও সামাজিক মিলন মানুষের শরীর ও মনের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, হাসি-খুশি থাকা এবং সামাজিকভাবে একত্রিত হওয়া শরীরে এন্ডরফিন ও ডোপামিন নামক হরমোন নিঃসরণ করে, যা মানসিক চাপ কমায় এবং সুস্থতা বাড়ায়।
ঈদের নামাজ সাধারণত ২০ মিনিটে শেষ হওয়ার কথা, কিন্তু এক ঘণ্টার বেশি সময় নিলে শরীরের ক্লান্তি বাড়ে এবং মনোযোগ কমে যায়। বিজ্ঞান বলে, অতিরিক্ত চাপ বা দীর্ঘ সময় একই কাজে ব্যস্ত থাকা মানুষের মস্তিষ্কে কর্টিসল হরমোন বাড়িয়ে দেয়, যা মানসিক অশান্তি সৃষ্টি করে। তাই আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী আনন্দ উপভোগ করা মানুষের স্বাভাবিক জীবনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
🌱 গাছ রোপণের বিষয়টি বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ। একটি ফুলের গাছ বা ফলের গাছ রোপণ করলে তা শুধু পরিবেশকে সুন্দর করে না, বরং বাতাসে অক্সিজেন বৃদ্ধি করে, কার্বন ডাই অক্সাইড কমায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি হ্রাস করে। গবেষণায় দেখা গেছে, একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ বছরে প্রায় ২২ কেজি কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করতে পারে। ফলে ঈদের দিনে গাছ লাগানো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করে।
শিশুরা গাছের ছায়ায় খেলবে, তরুণরা ফলের উপকার পাবে, আর প্রবীণরা শান্তি অনুভব করবেন। তাই ঈদের দিনে আনন্দ, সামাজিক মিলন এবং গাছ রোপণ—সবই বিজ্ঞান ও ধর্মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
👉*"" নিচের পোস্ট গুলো ছবির খবর গুলো বিস্তারিত জানতে, পড়তে খবরের কাগজগুলোতে পড়ুন !! বিভিন্ন app ব্যবহার করতে Google play store থেকে download করে ব্যবহার করুন**
**ঈদের দিন সব চেয়ে বড়ো সদকা হলো গাছ লাগানো। আর অর্থ কম বা স্বাবলম্বী কম এমন মানুষদেরকে প্রথমে দুটি গাছ দিতে হবে রোপণের জন্য। শুধু গাছ দিলেই হবে না; কীভাবে রোপণ করতে হয়, কীভাবে যত্ন নিতে হয়—তা নিজে দেখিয়ে দিতে হবে। এতে তারা স্বাবলম্বী হবে এবং ভবিষ্যতে নিজেরাও গাছ লাগাতে পারবে। এরপর তাকে স্বাভাবিকভাবে এক দিনের জন্য যতটুকু খাবার লাগে, তা দিতে হবে। কীভাবে পরিমিতভাবে খেতে হয় তাও শেখাতে হবে—বেশি নয়।
কারণ, যেমন তুমি একজনকে এক বা দুই কেজি গরুর মাংস বা আধা কেজি খাসির মাংস খাওয়ালে, অতিরিক্ত মাংস বা চর্বি খাওয়ার কারণে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে, এমনকি সে মারা যেতে পারে বা স্ট্রোক করতে পারে। আজকের দিনে অনেক যুবক ছেলে-মেয়েও এই ঝুঁকিতে থাকে। তাহলে তো আর দান-সদকা হলো না; বরং ক্ষতির কারণ হলো। আবার কাউকে বেশি টাকা দিলে, সে যদি পাঁচ কেজি গরু, ছাগল বা পাঁঠার মাংস কিনে অতিরিক্ত খেয়ে অসুস্থ হয়ে মারা যায়, তাহলে সেটি পরোক্ষ ক্ষতি হিসেবে ধরা যায়। সকল ধর্মেই অন্যের ক্ষতি করা বড় অপরাধ, এবং দেশের আইন অনুযায়ীও তা দায়বদ্ধতার মধ্যে পড়ে।
একইভাবে, মিষ্টি খাওয়া সুন্নত হলেও যদি কাউকে এক কেজি বা পাঁচ কেজি চিনি বা মিষ্টি দেওয়া হয় এবং সে অতিরিক্ত খেয়ে অসুস্থ হয় বা মারা যায়, তাহলে সেটি সঠিক দান নয়। দানের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত কল্যাণ, ক্ষতি নয়।
চারটি ছোট আয়াত:
Arabic: وَلَا تُلْقُوا بِأَيْدِيكُمْ إِلَى التَّهْلُكَةِ
English: Do not throw yourselves into destruction.
বাংলা: নিজেদেরকে ধ্বংসের দিকে নিক্ষেপ করো না।
Arabic: وَكُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا
English: Eat and drink, but do not be excessive.
বাংলা: খাও ও পান করো, কিন্তু অপচয় করো না।
Arabic: لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا
English: Allah does not burden a soul beyond its capacity.
বাংলা: আল্লাহ কাউকে তার সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না।
Arabic: وَأَحْسِنُوا إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ
English: Do good; Allah loves the doers of good.
বাংলা: সৎকাজ করো; নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।
তাই ঈদের দান হতে হবে পরিমিত, উপকারী ও সচেতন। এতে বৃদ্ধ থেকে শিশু—সবাই উপকৃত হবে এবং সমাজে কল্যাণ ছড়িয়ে পড়বে।
****ঈদের দিন সব চেয়ে সদকা হলো গাছ লাগানো। আর অর্থ কম বা স্বাবলম্বী কম তাদেরকে প্রথমে দুটি গাছ দিতে হবে, রোপণ করার জন্য। তা কীভাবে রোপণ করতে হয় দেখাতে হবে। এর পর তাকে স্বাভাবিক খাবার একদিন যা লাগে তা দিতে হবে। কীভাবে খেতে হয় তা শেখাতে হবে, বেশি নয়। কারণ বা যেমন তুমি একজনকে এক বা দুই কেজি গরুর মাংস বা আধা কেজি খাসির মাংস খাওয়ালে, অতিরিক্ত মাংস বা চর্বি খাওয়ার কারণে রক্তচাপ বৃদ্ধি হয়ে মারা যেতে পারে, বা স্ট্রোক করতে পারে। এমনকি যুবক ছেলে মেয়েও।
তাহলে তো আর দান সদকা হলো না। তাকে হত্যা করলে, বা বেশি টাকা দিলে পাঁচ কেজি গরুর, ছাগলের, পাঁঠার মাংস খেয়ে মারা গেল। indirect হত্যা করলে, ইসলাম দৃষ্টিতে যেমন তুমি হত্যা করো, সকল ধর্ম অনুসারী তুমি হত্যাকারী, সকল দেশের আইন অনুযায়ী হত্যাকারী, বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী তুমি হত্যাকারী। মিষ্টি খাওয়া সুন্নত বলে পাঁচ কেজি বা এক কেজি চিনি বা মিষ্টি কিনে দিলে খেয়ে মারা গেল।
ঈদের দিন সব চেয়ে বড়ো সদকা হলো গাছ লাগানো—এই কথার মধ্যে শিক্ষা আছে। আর অর্থ কম বা স্বাবলম্বী কম তাদেরকে প্রথমে দুটি গাছ দিতে হবে, রোপণ করার জন্য—এর মধ্যেও দায়িত্ব আছে। তা কীভাবে রোপণ করতে হয় দেখাতে হবে—এতে জ্ঞান আছে। এর পর তাকে স্বাভাবিক খাবার একদিন যা লাগে তা দিতে হবে—এতে মানবতা আছে। কীভাবে খেতে হয় তা শেখাতে হবে, বেশি নয়—এতে সংযম আছে।**ঈদের দিন সব চেয়ে বড়ো ছদকা হলো গাছ লাগানো,আর অর্থ কম বা সাবলম্বী কম তাদেরকে প্রথমে দুটি গাছ দিতে হবে, রোপণ করার জন্য,তা কিভাবে রোপণ করতে হয় দেখাতে হবে,এর পর তাকে স্বভাবিক খাবার একদিন যা লাগে তা দিতে হবে,কি ভাবে খেতে হয় তা শেখাতে হবে বেশি নয়,, কারণ বা যেমন তুমি এক জনকে এক বা দুই কেজি গরুর মাংস বা আধা কেজি খাসির মাংস খাওয়ালে অতিরিক্ত মাংস বা চর্বি খাওয়ার কারণে রক্ত চাপ বৃদ্ধি হয়ে মারা যেতে পারে,বা স্টোক করতে পারে এমনকি যুবক ছেলে মেয়ে তাহলে তো আর দান ছদকা হলো না তাকে হত্যা করলে বা বেশি টাকা দিলে পাঁচ কেজি গরুর, ছাগলের,পাটার মাংস খেয়ে মারা গেল, indirect হত্যা করলে ইসলাম দৃষ্টিতে যেমন তুমি হত্যা করি সকল ধর্ম অনুসারী তুমি হত্যাকারি সকল দেশের আইন অনুযায়ী হত্যাকারী বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী তুমি হত্যা
কারি। মিষ্টি খাওয়া সুন্নত বলে পাঁচ কেজি বা এক কেজি চিনি বা মিষ্টি কিনে দিলে খেয়ে মারা গেল ।
***
কারণ বা যেমন তুমি একজনকে এক বা দুই কেজি গরুর মাংস বা আধা কেজি খাসির মাংস খাওয়ালে—এই উদাহরণে সতর্কতা আছে। অতিরিক্ত মাংস বা চর্বি খাওয়ার কারণে রক্তচাপ বৃদ্ধি হয়ে মারা যেতে পারে, বা স্ট্রোক করতে পারে—এতে বাস্তবতা আছে। এমনকি যুবক ছেলে মেয়েও—এতে বর্তমানের সত্য আছে।
তাহলে তো আর দান সদকা হলো না—এতে বিচার আছে। তাকে হত্যা করলে, বা বেশি টাকা দিলে পাঁচ কেজি গরুর, ছাগলের, পাঁঠার মাংস খেয়ে মারা গেল—এতে দায় আছে। indirect হত্যা করলে, ইসলাম দৃষ্টিতে যেমন তুমি হত্যা করো—এতে সতর্কতা আছে। সকল ধর্ম অনুসারী তুমি হত্যাকারী—এতে মানবতা আছে। সকল দেশের আইন অনুযায়ী হত্যাকারী—এতে আইন আছে। বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী তুমি হত্যাকারী—এতে দায়বদ্ধতা আছে।
মিষ্টি খাওয়া সুন্নত বলে পাঁচ কেজি বা এক কেজি চিনি বা মিষ্টি কিনে দিলে খেয়ে মারা গেল—এতে সীমা শেখানো আছে।
**ঈদের দিন সব চেয়ে বড়ো সদকা হলো গাছ লাগানো, আর অর্থ কম বা স্বাবলম্বী কম তাদেরকে প্রথমে দুটি গাছ দিতে হবে রোপণের জন্য। তা কিভাবে রোপণ করতে হয় দেখাতে হবে। এর পর তাকে স্বাভাবিক খাবার একদিন যা লাগে তা দিতে হবে। কীভাবে খেতে হয় তা শেখাতে হবে, বেশি নয়। কারণ বা যেমন তুমি একজনকে এক বা দুই কেজি গরুর মাংস বা আধা কেজি খাসির মাংস খাওয়ালে, অতিরিক্ত মাংস বা চর্বি খাওয়ার কারণে রক্তচাপ বৃদ্ধি হয়ে মারা যেতে পারে, বা স্ট্রোক করতে পারে। এমনকি যুবক ছেলে-মেয়েও। তাহলে তো আর দান সদকা হলো না। তাকে হত্যা করলে বা বেশি টাকা দিলে পাঁচ কেজি গরুর, ছাগলের, পাঁঠার মাংস খেয়ে মারা গেল। indirect হত্যা করলে ইসলাম দৃষ্টিতে যেমন তুমি হত্যা করি, সকল ধর্ম অনুসারী তুমি হত্যাকারী, সকল দেশের আইন অনুযায়ী হত্যাকারী, বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী তুমি হত্যাকারী। মিষ্টি খাওয়া সুন্নত বলে পাঁচ কেজি বা এক কেজি চিনি বা মিষ্টি কিনে দিলে খেয়ে মারা গেল।
বিশ্বের বিভিন্ন মহাদেশের প্রসিদ্ধ ধর্মীয় স্কলাররা উপরোক্ত বিষয়ের সাথে একমত পোষণ করেছেন। আফ্রিকা (Africa) থেকে আহমদ দিদাত, যিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বাসিন্দা, ইসলাম প্রচার ও অন্যান্য ধর্মের সাথে যুক্তি-তর্কমূলক আলোচনার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ইউরোপ (Europe) থেকে তারিক রমাদান, সুইজারল্যান্ডের শিক্ষক, আধুনিক ইউরোপে ইসলামের চিন্তা, শিক্ষা ও সমাজ নিয়ে গবেষণা ও শিক্ষা প্রদান করেন। উত্তর আমেরিকা (North America) থেকে ইয়াসির কাদি, যুক্তরাষ্ট্রের একজন শিক্ষক, লেখক ও ইসলামিক গবেষক, যিনি অনলাইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান করেন। অস্ট্রেলিয়া (Australia) থেকে বিলাল ড্যানফোর্থ, ইসলামিক শিক্ষা, দাওয়াহ ও সামাজিক কাজের মাধ্যমে শিক্ষাদান করেন। এই স্কলাররা বিশ্বের বিভিন্ন মহাদেশে ধর্মীয় জ্ঞান ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তারা শুধু ধর্মীয় শিক্ষক নন, বরং সমাজে নৈতিকতা, সহনশীলতা ও মানবতার শিক্ষাও প্রদান করেন।
মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচজন প্রসিদ্ধ ধর্মীয় স্কলার (শিক্ষক) উল্লেখ করা হলো। আবদুল আজিজ ইবনে বাজ সৌদি আরবের প্রধান মুফতি এবং ইসলামি শরিয়াহ ও ফিকহ শিক্ষার অন্যতম বড় শিক্ষক ছিলেন। মুহাম্মদ ইবনে সালিহ আল-উসাইমিন, সৌদি আরব, কুরআন, হাদিস ও ফিকহ বিষয়ে গভীর জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। সালেহ আল-ফাওযান, সৌদি আরব, সৌদি আরবের সিনিয়র আলেমদের একজন এবং বিভিন্ন ইসলামি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন। ইউসুফ আল-কারদাভি, কাতার, আধুনিক ইসলামী চিন্তাবিদ ও শিক্ষক, বহু বই ও গবেষণার মাধ্যমে বিশ্বে প্রভাব ফেলেছেন। আলী আল-সিস্তানি, ইরাক, শিয়া মুসলিমদের অন্যতম শীর্ষ ধর্মীয় নেতা ও শিক্ষক, ইসলামী শিক্ষা ও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচজন পরিচিত ধর্মীয় স্কলার (শিক্ষক) হলো সালেহ আল-ফাওযান (সৌদি আরব), তিনি বর্তমান সময়ে সৌদি আরবের সিনিয়র আলেমদের একজন এবং শরিয়াহ ও ফিকহ বিষয়ে শিক্ষা দেন। আবদুল্লাহ আল-মুতলাক, সৌদি আরব, উচ্চপর্যায়ের আলেম ও উপদেষ্টা, বিভিন্ন ইসলামি বিষয়ে শিক্ষকতা ও দিকনির্দেশনা দেন। সাদ আল-শাথরি, সৌদি আরব, ইসলামি আইন ও গবেষণায় সক্রিয়। হাবিব আলি আল-জিফরি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুপরিচিত দাঈ ও শিক্ষক, আধ্যাত্মিক ও নৈতিক শিক্ষা প্রদান করেন। ওমর আবদেল কাফি, মিশর, কুরআন ও হাদিসভিত্তিক বক্তা ও শিক্ষক। এই স্কলাররা মধ্যপ্রাচ্যে ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা ও সমাজ সচেতনতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
((so important : যেহেতু ঈদের দিন শনিবার, সেহেতু মধ্য প্রাচ্য থাকা ভালো বাংলাদেশ জন্য))
বর্তমানে বাংলাদেশের পাঁচজন পরিচিত ধর্মীয় স্কলার (শিক্ষক) হলো—মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল হামিদ, ইসলামী শিক্ষা ও ফিকহ বিষয়ে শিক্ষক এবং বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিক্ষাদান করছেন। মাওলানা শফীউল্লাহ, কুরআন ও হাদিস শিক্ষা প্রচারে সক্রিয় এবং দেশব্যাপী বক্তৃতা দান করেন। মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল, যুবসমাজকে ইসলামী নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিক শিক্ষার মাধ্যমে গড়ে তুলছেন। মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, ফিকহ, তাফসির এবং ধর্মীয় শিক্ষা ক্ষেত্রে বহু বছরের শিক্ষকতা করছেন। মাওলানা মুহাম্মদ জাকারিয়া, দাওয়াহ ও ইসলামিক লেকচারিং এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষাদান করছেন। এই পাঁচজন স্কলার বাংলাদেশের ধর্মীয় শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন এবং দেশজুড়ে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
*** তাছাড়া ভারত এর ডক্টর জাকের নায়েক/চিকিৎসক এক মোত পোষোন করেছেন।
তাছাড়া পাকিস্তান বিশিষ্ট মোওলানা হাসমি ইমরান এক মত প্রকাশ করেছেন**
**বহু আগে বিভিন্ন নবী বিভিন্ন ভাবে বলছেন*"
উপরের বিষয়গুলো,একইভাবে বিশ্বের বিভিন্ন মহাদেশ ও দেশের স্কলাররা ঈদ এবং দান-সদকার ক্ষেত্রে সচেতনতা, পরিমিততা ও নৈতিকতার গুরুত্বে একমত পোষণ করেছেন।
👉 @
Researcher in Past and Future Technologies | Legal & Social Thinker .law .Ethical–Social Analyst . people health Researcher.Author of Life Philosophies and Visions : MD. Nur Hossain (Opu) (opu fure)
@@@
Please don’t misuse my writings, ideas, or shared materials. They should not be given to my family or anyone else without my permission. I’ve been with you for a long time, so I ask for respect and fairness.
Remember: taking or giving without humility is what I call the “Pharaoh Theory.”
Work, skill, and results matter — and money is needed in exchange for real expertise and analysis.Helping and working global intelligence organization & students and so many force...Helping and working..Ai some organization and library and teachers.. student.. different jobs people.((Of course money is needed. Work or work or skill counts as results. sending but money)) , 💰 $$ # ,, analysis,, so also: MD.Nur Hossain (Opu)!!!!read and see--sending)
@@📸@@@@@ #@@@@ #
@** a serious warning and ethical lesson for society. Crime today is organized, silent, and destructive, damaging children, families, dignity, education, business, and the state itself. Pickpocketing, snatching, mobile theft, data theft, SIM misuse, blackmail, and online fraud are increasing in crowds, transport, markets, hotels, religious programs, and all types of social, family, and state events.
Every person must stay alert. Verify people and claims. Protect phones, money, documents, and personal data. Never trust unknown individuals blindly. Any medical or mental health claim must be handled only through district or divisional government hospitals. Immediately block SIMs, apps, and bank services if fraud occurs, and report crimes to authorities. Fake medical tests, forged certificates, and fake healing centers are powerful tools of financial and mental exploitation. Labeling religious or educated individuals as “mentally ill” is not ignorance alone—it can be part of organized crime.
Crime spreads like a disease; silence helps criminals. Awareness, discipline, and community responsibility are essential. Health must be respected—medicine must be taken on time. Respect the dead, console families, value rest, and maintain discipline. After 11:48 PM, do not disturb. Responsibility saves lives.
13/03/2026
Big news,Read,Translation,sending,ভালোবাসা প্রেম, জীবন এর উন্নয়ন ভালো মানুষ বা ভালো মানুষদের হাতে**ভৌত জগতে যা কিছু পরিমাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়। যেমন—দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, বেগ, বল ইত্যাদি। এসব জিনিস আমরা সংখ্যা ও এককের মাধ্যমে মাপতে পারি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কাজে রাশি খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমে প্রকৃতির ঘটনা সহজে বোঝা যায়। উদাহরণ হিসেবে একটি গাড়ির কথা ধরা যায়। যখন গাড়ি চলে, তখন তার চাকা ঘুরতে থাকে এবং রাস্তার উপর বল প্রয়োগ করে। এই বলের কারণে গাড়ি সামনে এগিয়ে যায়। এখানে গতি, বল ও সময়—সবই ভৌত রাশি। তাই বলা যায়, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক কাজই বিভিন্ন ভৌত রাশির সাথে জড়িত এবং এগুলো বোঝা বিজ্ঞান শেখার মূল ভিত্তি। ⚙️🚗📏**ভৌত জগতে যে সব বিষয় সংখ্যা ও এককের মাধ্যমে মাপা যায়, সেগুলোকে রাশি বলা হয়। যেমন—দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, বেগ বা বল। কিন্তু কিছু বিষয় আছে যেগুলো অনুভব করা যায়, তবু মিটার বা কেজি দিয়ে মাপা যায় না। এগুলোকে অপরিমেয় বা অমাপযোগ্য বিষয় বলা যায়।
যেমন ভালোবাসা একটি অনুভূতি। যখন কেউ ভালোবাসা দেখায়, তখন অন্য মানুষের হৃদয়েও ভালোবাসা জাগ্রত হয়ে ওঠে। কিন্তু এই ভালোবাসাকে কোনো যন্ত্র দিয়ে মাপা সম্ভব নয়। একইভাবে দয়া, মায়া, সম্মান বা বিশ্বাসও মানুষের অনুভূতির বিষয়। তাই বলা যায়, বিজ্ঞানে যা মাপা যায় তা রাশি, আর যা শুধু অনুভব করা যায় তা অমাপযোগ্য বা অনুভূতিমূলক বিষয়। ❤️ভৌত জগতে কিছু বিষয় সরাসরি মাপা যায়, আবার কিছু বিষয় সরাসরি মাপা যায় না। যেমন ভালোবাসা নিজে একটি অনুভূতি, তাই এটিকে সরাসরি মিটার বা কেজি দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। কিন্তু ভালোবাসা বা গভীর অনুভূতির কারণে মানুষের শরীরে কিছু পরিবর্তন দেখা যায়।
যেমন কাউকে খুব প্রিয় দৃশ্য দেখলে বা ভালোবাসার মানুষকে দেখলে হৃদয়ের কম্পন বা হৃদস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে, রক্তচাপ পরিবর্তন হতে পারে, শরীর উত্তেজিত বা আনন্দিত অনুভব করতে পারে। এগুলো চিকিৎসা যন্ত্র দিয়ে মাপা সম্ভব।
অর্থাৎ ভালোবাসা নিজে অমাপযোগ্য অনুভূতি, কিন্তু তার প্রভাবে শরীরের যে পরিবর্তন ঘটে—যেমন হৃদস্পন্দন বা রক্তচাপ—সেগুলো পরিমাপ করা যায়। তাই অনুভূতি অমাপযোগ্য হলেও তার প্রভাব অনেক সময় মাপা যায়। ❤️**অনেক অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের ধারাবাহিকতায় ঈদ কখনোই পুরোনো হয় না। তেমনি সত্যিকারের ভালো মানুষও সময়ের সাথে বদলে যায় না—এটাই চিরন্তন বাস্তবতা। আগামীকাল থেকে ঈদ যাত্রা শুরু হচ্ছে, তাই সবার জন্য রইলো আন্তরিক শুভকামনা। আর লুঙ্গির তলে থাকা ভাইটির জন্যও সমবেদনা জানানো হলো। ঈদের সময় থেকে শুরু করে সারা বছরই বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক যাত্রী বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করে। বিশেষ করে ঈদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে বিপুল সংখ্যক মানুষ রেলপথে ও অন্যান্য পরিবহনে ভ্রমণ করে। তখন স্বাভাবিকভাবেই জনমনে প্রশ্ন জাগে—**অনেক অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ ঈদ কখনোই পুরাতন হয় না, তেমনি ভালো মানুষগুলো পরিবর্তন হয় না,এটা চির বাস্তব!!আগামীকাল থেকে ঈদ যাত্রা শুরু সবার জন্য শুভ কামনা রইলো আর লুঙ্গির তলে থাকা ভাইটির জন্য সমবেদনা !! ঈদ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রচুর যাত্রী উঠে , তাছাড়া বিভিন্ন ধর্মীয় ফেষটোবলে প্রচুর লোক পরিবহন হয় তাহলে জনমনে প্রশ্ন আসে, রেলওয়ে খাত কেন এতো লস হয়। আসলেই কি ভূতের কাসজি,নাকি দেশের মানুষ সাথে রেলপরিবন বেইমানী করছে দেশের মানুষ এর কষ্টে রক্তের ঘামে অর্জিত অর্থ আসলে কি বিষয়,আবার গেলে বলে সীট বিক্রয় হয়েগেছে, যদি তা হয় তবে profit দাঁড়াবে ৪০ থেকে ৫০ persent !! আমাদের টেরেন পরিবহন ব্যবস্থায় কেন loss ,, নাকি ভূত পৈত সব অর্থ লুণ্ঠন করে,, আসলে আমাদের টেরেনে পরিবহন সিষ্টেম অনেক আগে থেকেই অনেক উন্নত কিন্তু যেহেতু সরকারি অনেকে ভাল চাকুরির পারফর্মেস জন্য এই পরিবহন তারা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চাকুরী করে ফলে এই রকম সিষ্টেম এর তুলনায় বর্তমান এ চাকুরি করে এই সরকারি এই পরিবহনে বরাবড়ি unskilled তেমন মেধা নাই এই পরিবহন ব্যবস্থায়। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে মহামারী চল্লিশ বছর থেকে বর্তমান লোক বল যা আছে তাতে সঠিক হিসাব নাই ফলে দেখা যায় কে বা কারা বেতন উটাচ্ছে তার সঠিক হিসাব নাই, কিছু খরচ বার বার ডাটা বেইজে দেখায়, লোক বল খুবই সমীতো কিন্তু দেখায় অনেক আসলে যারা মারা গেছে বা চাকুরি অব্যাহত হয়েছে তার হিসাব নাই,, আসলে ডাটা বেইজ চলনা করাল মতো কনো কর্মী নেই। তাছাড়া টেরেন ব্যাবস্থা উন্নতি হলে,, বেসরকারি বাস পরিবহন আরো গতিশীল, আরো উন্নয়ন হবে!! তবে অনেকে মনে করেন টেরেন পরিবহন উন্নয়ন হলে,, বেসরকারি বাস পরিবহন থেকে অনন্যা পরিবহন কম লাভ হবে এটা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা।**যেখানে এত যাত্রী ওঠানামা করে, সেখানে রেলওয়ে খাত কেন এত লোকসানের মুখে পড়ে?-অনেকে প্রশ্ন করেন, এটি কি সত্যিই কোনো অদৃশ্য শক্তির কাজ, নাকি দেশের মানুষের সঙ্গে রেল পরিবহন ব্যবস্থার কোনো ধরনের বেইমানি ঘটছে? দেশের মানুষের কষ্টার্জিত রক্ত ও ঘামের টাকায় পরিচালিত এই খাতের প্রকৃত অবস্থা কী—সেটা বোঝা জরুরি। অনেক সময় দেখা যায়, টিকিট কাউন্টারে গেলে বলা হয় সিট বিক্রি হয়ে গেছে। যদি সত্যিই সব সিট বিক্রি হয়ে থাকে, তবে হিসাব অনুযায়ী ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত লাভ হওয়ার কথা। তাহলে প্রশ্ন আসে—আমাদের ট্রেন পরিবহন ব্যবস্থায় লোকসান কেন? তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—যদি ট্রেন পরিবহন ব্যবস্থা আরও উন্নত হয়, তাহলে বেসরকারি বাস পরিবহনও আরও গতিশীল ও উন্নত হতে পারে। অনেকের ধারণা, রেল পরিবহন উন্নত হলে বাস পরিবহন কম লাভ করবে। কিন্তু বাস্তবে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা পুরো দেশের অর্থনীতি ও যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে। 🚆
****$₹৳৳** বক্তব্যের উপর —শিক্ষামূলক, গাণিতিক, বৈজ্ঞানিক, সমাধানমূলক এবং অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে।১️⃣ শিক্ষামূলক বিশ্লেষণ (Educational Analysis)১. নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক দায়িত্ব
ঈদ বা ধর্মীয় উৎসব মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। কিন্তু একই সাথে রাষ্ট্রের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সততা ও দায়িত্ববোধ থাকা জরুরি। যদি সরকারি পরিবহন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা না থাকে, তবে জনগণের আস্থা কমে যায়।--২. প্রশাসনিক দক্ষতার শিক্ষা,,যে কোনো বড় পরিবহন ব্যবস্থায় দক্ষ প্রশাসন ও প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষ জনবল না থাকলে উন্নত অবকাঠামোও কার্যকর হয় না।
৩. সামাজিক সচেতনতা:: জনগণের করের টাকায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতন থাকা দরকার। প্রশ্ন করা এবং সঠিক জবাব দাবি করা গণতান্ত্রিক সমাজের একটি অংশ।
২️⃣ গাণিতিক মূলক বিশ্লেষণ (Mathematical Analysis)১. টিকিট বিক্রয় বনাম লাভ
ধরা যাক একটি ট্রেনে ৮০০টি সিট আছে।
যদি প্রতিটি টিকিট গড়ে ৫০০ টাকা হয়:
৮০০ × ৫০০ = ৪,০০,০০০ টাকা আয়। যদি পরিচালন ব্যয় ২,৫০,০০০ টাকা হয়, তাহলে লাভ: ৪,০০,০০০ − ২,৫০,০০০ = ১,৫০,০০০ টাকা (≈ ৩৭–৪০%)।২. যাত্রী বৃদ্ধির প্রভাব : ঈদের সময় যাত্রী সংখ্যা সাধারণ সময়ের তুলনায় প্রায় ২–৩ গুণ বাড়ে।
যদি সাধারণ দিনে ১০,০০০ যাত্রী থাকে, ঈদে হতে পারে: ১০,০০০ × ৩ = ৩০,০০০ যাত্রী। ৩. অদৃশ্য ব্যয় বা লিকেজ: যদি মোট আয়ের ২০% অনিয়ম বা অদক্ষতার কারণে হারিয়ে যায়: ৪,০০,০০০ × ২০% = ৮০,০০০ টাকা ক্ষতি। ৩️⃣ Science বিশ্লেষণ (Scientific Analysis)১. পরিবহন প্রযুক্তি ও সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং
রেল ব্যবস্থা একটি জটিল প্রযুক্তিগত নেটওয়ার্ক—এতে ট্র্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং, সিগন্যালিং, ডেটা ম্যানেজমেন্ট ও অটোমেশন সিস্টেম থাকে। দক্ষ প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা না থাকলে পুরো সিস্টেম অকার্যকর হতে পারে।
২. মানবসম্পদ ও সিস্টেম দক্ষতা::মানব আচরণ ও প্রযুক্তির সমন্বয়কে বলা হয় Human–System Interaction। যদি দক্ষ কর্মী কম থাকে বা ডাটাবেস সঠিক না হয়, তাহলে পুরো অপারেশনাল দক্ষতা কমে যায়।৪️⃣ এই অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায়
১. ডিজিটাল ডাটাবেস ও অডিট সিস্টেম চালু করা
কর্মচারী, ব্যয় ও আয়ের সম্পূর্ণ ডিজিটাল রেকর্ড রাখতে হবে।২. দক্ষ জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ
রেলওয়ে প্রযুক্তি, ডাটা ম্যানেজমেন্ট ও অপারেশনাল দক্ষতার উপর প্রশিক্ষণ জরুরি।
৩. স্বচ্ছ টিকিটিং সিস্টেম : অনলাইন টিকিট, স্বয়ংক্রিয় সিট ম্যানেজমেন্ট এবং রিয়েল-টাইম মনিটরিং চালু করা। ৪. সরকারি–বেসরকারি সমন্বয় : রেল ও বাস পরিবহন একসাথে কাজ করলে পরিবহন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।৫️⃣ অর্থনৈতিক গুরুত্ব : ১. জাতীয় অর্থনীতির গতি বৃদ্ধি,,দ্রুত ও সস্তা পরিবহন বাণিজ্য ও শ্রম বাজারকে গতিশীল করে।,,২. জ্বালানি সাশ্রয় : রেল পরিবহন বাস বা গাড়ির তুলনায় কম জ্বালানি ব্যবহার করে। ৩. ব্যবসা ও পর্যটন উন্নয়ন : সহজ যোগাযোগ দেশের পর্যটন ও স্থানীয় ব্যবসা বাড়ায়।,,৪. কর্মসংস্থান সৃষ্টি : রেলওয়ে খাত সরাসরি ও পরোক্ষভাবে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করে।-+৫. সামাজিক সংযোগ বৃদ্ধি : দূরবর্তী অঞ্চলকে সংযুক্ত করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য তৈরি করে।✅ সংক্ষেপে বলা যায়, ঈদ যাত্রার মতো বড় সামাজিক ঘটনার সময় রেলওয়ে ব্যবস্থার কার্যকারিতা শুধু পরিবহন নয়—এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান, গণিত, প্রশাসন ও অর্থনীতির একটি সমন্বিত বাস্তব উদাহরণ।
**$₹৳৳**Bangladesh Railway বাংলাদেশের ট্রেন পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত ও সুন্দর রাখতে হলে শুধু সরকার বা একটি প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভর করলে হবে না; বরং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ববোধ প্রয়োজন। ট্রেনে ভ্রমণের সময় প্রত্যেক যাত্রীর উচিত সঠিক ভাড়া প্রদান করা—না কম, না বেশি। কারণ এই ভাড়াই রেলওয়ের রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়ন, কর্মচারীদের বেতন এবং নতুন প্রযুক্তি যুক্ত করার অন্যতম প্রধান উৎস। যদি সবাই নিয়ম মেনে টিকিট সংগ্রহ করে এবং বিনা টিকিটে ভ্রমণ না করে, তাহলে এই পরিবহন খাত আরও শক্তিশালী হবে।
**চালাতে হলে সুন্দর রাখতে হলে সবাইকেই নিজ দায়িত্বে সঠিক ভাড়া দিয়ে কম নয় বেশি নয়, দিয়ে তাছাড়া আরো উন্নয়ন, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে বৃদ্ধ থেকে শিশু, সকল দলের রাজনৈতিক গনতান্ত্রিক দল নেতা কর্মী, বিভিন্ন পেশাজীবী, বিভিন্ন ধর্মের যাজক, ইমাম সকলকে এগিয়ে আসতে হবে**$₹$€**একই সঙ্গে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রেন, স্টেশন এবং প্ল্যাটফর্ম পরিষ্কার রাখা শুধু রেলওয়ের কর্মীদের কাজ নয়; যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে। বৃদ্ধ থেকে শিশু—সবাই যদি নিজের দায়িত্ব বুঝে আবর্জনা না ফেলে এবং অন্যকেও সচেতন করে, তাহলে পরিবেশ অনেক সুন্দর থাকবে। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক দলের নেতা-কর্মী, বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এবং বিভিন্ন ধর্মের যাজক ও ইমামদেরও সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে এগিয়ে আসা দরকার। তারা যদি মানুষকে সঠিক আচরণ ও দায়িত্ববোধের শিক্ষা দেন, তাহলে রেল পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দুটোই বৃদ্ধি পাবে।সর্বোপরি, ট্রেন পরিবহন একটি জাতীয় সম্পদ। সবাই যদি নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে, তাহলে বাংলাদেশের রেলওয়ে আরও উন্নত, নিরাপদ এবং সবার জন্য উপকারী একটি পরিবহন ব্যবস্থায় পরিণত হবে। 🚆তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—যদি ট্রেন পরিবহন ব্যবস্থা আরও উন্নত হয়, তাহলে বেসরকারি বাস পরিবহনও আরও গতিশীল ও উন্নত হতে পারে। অনেকের ধারণা, রেল পরিবহন উন্নত হলে বাস পরিবহন কম লাভ করবে। কিন্তু বাস্তবে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা পুরো দেশের অর্থনীতি ও যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে। ধারাবাহিকতায় ঈদ কখনোই পুরোনো হয় না। তেমনি সত্যিকারের ভালো মানুষও সময়ের সাথে বদলে যায় না—এটাই চিরন্তন বাস্তবতা। আগামীকাল থেকে ঈদ যাত্রা শুরু হচ্ছে, তাই সবার জন্য রইলো আন্তরিক শুভকামনা। আর লুঙ্গির তলে থাকা ভাইটির জন্যও সমবেদনা জানানো হলো। ঈদের সময় থেকে শুরু করে সারা বছরই বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক যাত্রী বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করে। বিশেষ করে ঈদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে বিপুল সংখ্যক মানুষ রেলপথে ও অন্যান্য পরিবহনে ভ্রমণ করে। তখন স্বাভাবিকভাবেই জনমনে প্রশ্ন জাগে—যেখানে এত যাত্রী ওঠানামা করে, সেখানে রেলওয়ে খাত কেন এত লোকসানের মুখে পড়ে? অনেক অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ ঈদ কখনোই পুরাতন হয় না, তেমনি ভালো মানুষগুলো পরিবর্তন হয় না,এটা চির বাস্তব!!আগামীকাল থেকে ঈদ যাত্রা শুরু সবার জন্য শুভ কামনা রইলো আর লুঙ্গির তলে থাকা ভাইটির জন্য সমবেদনা !! ঈদ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রচুর-যাত্রী উঠে , তাছাড়া বিভিন্ন ধর্মীয় ফেষটোবলে প্রচুর লোক পরিবহন হয় তাহলে জনমনে প্রশ্ন আসে, রেলওয়ে খাত কেন এতো লস হয়। আসলেই কি ভূতের কাসজি,নাকি দেশের মানুষ সাথে রেলপরিবন বেইমানী করছে দেশের মানুষ এর কষ্টে রক্তের ঘামে অর্জিত অর্থ আসলে কি বিষয়,আবার গেলে বলে সীট বিক্রয় হয়েগেছে, যদি তা হয় তবে profit দাঁড়াবে ৪০ থেকে ৫০ persent !! আমাদের টেরেন পরিবহন ব্যবস্থায় কেন loss ,, আসলে আমাদের টেরেনে পরিবহন সিষ্টেম অনেক আগে থেকেই অনেক উন্নত কিন্তু যেহেতু সরকারি অনেকে ভাল চাকুরির পারফর্মেস জন্য এই পরিবহন তারা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চাকুরী করে ফলে এই রকম সিষ্টেম এর তুলনায় বর্তমান এ চাকুরি করে এই সরকারি এই পরিবহনে বরাবড়ি unskilled তেমন মেধা নাই এই পরিবহন ব্যবস্থায়। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে মহামারী চল্লিশ বছর থেকে বর্তমান লোক বল যা আছে তাতে সঠিক হিসাব নাই ফলে দেখা যায় কে বা কারা বেতন উটাচ্ছে তার সঠিক হিসাব নাই, কিছু খরচ বার বার ডাটা বেইজে দেখায়, লোক বল খুবই সমীতো কিন্তু দেখায় অনেক আসলে যারা মারা গেছে বা চাকুরি অব্যাহত হয়েছে তার হিসাব নাই,, আসলে ডাটা বেইজ চলনা করাল মতো কনো কর্মী নেই। তাছাড়া টেরেন ব্যাবস্থা উন্নতি হলে,, বেসরকারি বাস পরিবহন আরো গতিশীল, আরো উন্নয়ন হবে!! তবে অনেকে মনে করেন টেরেন পরিবহন উন্নয়ন হলে,, বেসরকারি বাস পরিবহন থেকে অনন্যা পরিবহন কম লাভ হবে এটা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা।-+অনেকে প্রশ্ন করেন, এটি কি সত্যিই কোনো অদৃশ্য শক্তির কাজ, নাকি দেশের মানুষের সঙ্গে রেল পরিবহন ব্যবস্থার কোনো ধরনের বেইমানি ঘটছে? দেশের মানুষের কষ্টার্জিত রক্ত ও ঘামের টাকায় পরিচালিত এই খাতের প্রকৃত অবস্থা কী—সেটা বোঝা জরুরি। অনেক সময় দেখা যায়, টিকিট কাউন্টারে গেলে বলা হয় সিট বিক্রি হয়ে গেছে। যদি সত্যিই সব সিট বিক্রি হয়ে থাকে, তবে হিসাব অনুযায়ী ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত লাভ হওয়ার কথা। তাহলে প্রশ্ন আসে—আমাদের ট্রেন পরিবহন ব্যবস্থায় লোকসান কেন?আসলে আমাদের ট্রেন পরিবহন ব্যবস্থা অনেক আগে থেকেই উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। কিন্তু যেহেতু সরকারি অনেক দক্ষ কর্মী ভালো চাকরির সুযোগে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চলে যান, ফলে বর্তমান ব্যবস্থায় অনেক ক্ষেত্রে দক্ষতার ঘাটতি দেখা যায়। অনেকেই মনে করেন, সরকারি এই পরিবহন খাতে বর্তমানে যে কর্মীরা কাজ করছেন, তাদের মধ্যে অনেকেই যথেষ্ট প্রশিক্ষিত বা দক্ষ নন। এর ফলে পুরো ব্যবস্থার কার্যকারিতা কমে যায়।-এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন মহামারি ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে কর্মীবাহিনীর সঠিক হিসাব-নিকাশও অনেক ক্ষেত্রে অস্বচ্ছ হয়ে পড়েছে। অনেক সময় দেখা যায়, প্রকৃত কর্মীর সংখ্যা কম হলেও ডাটাবেইজে বেশি দেখানো হয়। এমনকি কেউ মারা গেছে বা চাকরি ছেড়ে দিয়েছে—তার সঠিক তথ্যও অনেক সময় আপডেট হয় না। ফলে কে বেতন তুলছে আর কে তুলছে না, সেই হিসাবও সবসময় স্পষ্ট থাকে না। এর পেছনে বড় একটি কারণ হলো—ডাটাবেইজ সঠিকভাবে পরিচালনা করার মতো দক্ষ কর্মীর অভাব।**$₹$**এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন মহামারি ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে কর্মীবাহিনীর সঠিক হিসাব-নিকাশও অনেক ক্ষেত্রে অস্বচ্ছ হয়ে পড়েছে। অনেক সময় দেখা যায়, প্রকৃত কর্মীর সংখ্যা কম হলেও ডাটাবেইজে বেশি দেখানো হয়। এমনকি কেউ মারা গেছে বা চাকরি ছেড়ে দিয়েছে—তার সঠিক তথ্যও অনেক সময় আপডেট হয় না। ফলে কে বেতন তুলছে আর কে তুলছে না, সেই হিসাবও সবসময় স্পষ্ট থাকে না। এর পেছনে বড় একটি কারণ হলো—ডাটাবেইজ সঠিকভাবে পরিচালনা করার মতো দক্ষ কর্মীর অভাব।কাটিয়া উঠিতে হবে!!
**এক সৃষ্টিকর্তা শয়তানকে বা শয়তান জাত, শয়তান অনুসারীদের এক বার ও মুক্তি করে বেহেস্তে ,,আদম আঃ থেকে মূসা আঃ , ইব্রাহিম আঃ, সোলায়মান আ : , ঈসা আঃ পর্যন্ত মোহাম্মদ সা : , সব চেয়ে বেশি ,বিশেষ করে যে মানব জাতি কষ্টের শিকার, ধ্বংস হয়েছে সব প্রানী কূল ,তাই শয়তান জাত, অনুসারীদের খমা করে লাভ নেই। বাস্তব,১৯৪৫ সালের বিশ্ব যুদ্ধ, বৈষম্য আন্দোলন বাংলাদেশ!!--এই কথাগুলোর মধ্যে মানব ইতিহাস, নৈতিক শিক্ষা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার গভীর একটি বার্তা রয়েছে। পৃথিবীর শুরু থেকে মানুষ ভালো ও মন্দ—এই দুই শক্তির লড়াইয়ের মধ্যে বসবাস করছে। ধর্মীয় দৃষ্টিতে বলা হয়, মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তা বিভিন্ন সময়ে নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। হযরত আদম আঃ থেকে শুরু করে মূসা আঃ, ইব্রাহিম আঃ, সোলায়মান আ :, ঈসা আঃ পর্যন্ত এবং সর্বশেষ মহানবী মোহাম্মদ সা : মানুষের জীবনে ন্যায়, সত্য, ধৈর্য, করুণা ও নৈতিকতার শিক্ষা দিয়েছেন।--কিন্তু ইতিহাসে বারবার দেখা গেছে, শয়তানি প্রবৃত্তি বা অন্যায়ের শক্তি মানুষের মনকে বিভ্রান্ত করেছে। শয়তান মানুষের মধ্যে অহংকার, লোভ, হিংসা, প্রতারণা এবং অন্যায়ের বীজ বপন করে। এর ফলে সমাজে অশান্তি, সংঘাত ও ধ্বংস সৃষ্টি হয়। এই কারণেই বলা হয়, যখন কেউ বারবার অন্যায়ের পথে চলে এবং মানবতার ক্ষতি করে, তখন শুধু ক্ষমা নয়, বরং সতর্কতা ও ন্যায়বিচারও জরুরি।1971 সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ,, তাছাড়াও,,মানব ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা এর অনেক বাস্তব উদাহরণ দেখতে পাই। বাস্তব,১৯৪৫ সালের বিশ্ব যুদ্ধ মানবজাতির জন্য ছিল এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ বছর ১৯৪৫ সালে পৃথিবী দেখেছিল ভয়ংকর ধ্বংস, লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু, শহর ধ্বংস এবং অসংখ্য প্রাণীর বিলুপ্তি। যুদ্ধের আগুনে শুধু সৈন্য নয়, সাধারণ মানুষ, নারী, শিশু ও বৃদ্ধ সবাই কষ্টের শিকার হয়েছিল। হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা মানব ইতিহাসে এক নির্মম অধ্যায় হয়ে আছে। এই ঘটনাগুলো মানুষকে মনে করিয়ে দেয় যে যখন অন্যায়, ক্ষমতার লোভ ও শয়তানি প্রবৃত্তি মানুষের উপর প্রভাব ফেলে, তখন তার ফলাফল হয় ধ্বংস ও অমানবিকতা। এ ধরনের ধ্বংস শুধু যুদ্ধেই নয়, সমাজের ভেতরেও দেখা যায়। যখন সমাজে বৈষম্য, অবিচার ও অন্যায় বাড়ে, তখন মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জন্ম নেয়। বাংলাদেশেও বিভিন্ন সময়ে বৈষম্য আন্দোলন বাংলাদেশ নামে পরিচিত বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন দেখা গেছে। এসব আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, মানুষের অধিকার রক্ষা করা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। কারণ যখন মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়ের শিকার হয়, তখন তারা ন্যায় ও সমতার জন্য সংগ্রাম করতে বাধ্য হয়। এই সব ঘটনা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। মানুষের জীবনে সত্য ও ন্যায়ের পথ অনুসরণ করা খুবই জরুরি। কারণ অন্যায়, লোভ ও হিংসা শেষ পর্যন্ত মানুষকেই ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। যখন মানুষ শয়তানি প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, তখন শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো সমাজ ও পৃথিবী ক্ষতির মুখে পড়ে। মানব জাতি কষ্টের শিকার হয়, অসংখ্য প্রাণী ও প্রকৃতি ধ্বংস হয়ে যায়। ধর্মীয় শিক্ষা ও ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে। পরিবার, সমাজ ও শিক্ষার মাধ্যমে যদি মানুষকে নৈতিকতা, সততা ও মানবতার শিক্ষা দেওয়া হয়, তাহলে অনেক বিপদ থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করা সম্ভব। নবী-রাসূলদের জীবন আমাদের দেখায় কিভাবে ধৈর্য, ন্যায় ও করুণার মাধ্যমে মানুষের জীবন পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং এই কথাগুলোর মূল শিক্ষা হলো—মানুষকে শয়তানের পথ থেকে দূরে থাকতে হবে এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে হবে। কারণ ইতিহাস প্রমাণ করে, যখন মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায় এবং নৈতিকতার পথে ফিরে আসে, তখন সমাজে শান্তি ও উন্নতি আসে। আর যখন মানুষ শয়তানি প্রবৃত্তির কাছে হার মানে, তখন পৃথিবীতে ধ্বংস, কষ্ট ও অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। এই উপলব্ধি থেকেই বলা হয়, মানুষকে সব সময় সচেতন থাকতে হবে—যেন মানবতা, ন্যায়বিচার ও সত্যের আলো পৃথিবীতে অটুট থাকে।
**₹$৳৳$₹**ইংল্যান্ড যেমন রাজতন্ত্র, গণতন্ত্র গিলে ফেলেছিল—ইংরেজি ১৭০০ শতক থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত যা ছিল। এই দীর্ঘ সময়জুড়ে ইংল্যান্ডের রাজত্ব ও গণতান্ত্রিক কাঠামো কার্যত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাধীন ছিল। তখন রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ জনগণের হাতে নয়, বরং একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রভাবের অধীনে চলে যায়।
এই সময়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি শুধু ব্যবসা করেনি, তারা রাজনীতি, অর্থনীতি ও শাসনব্যবস্থার উপর প্রভাব বিস্তার করেছে। ফলে রাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র—দুটোই নিজের স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার এবং রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। রাষ্ট্রের চেয়ে কোম্পানির স্বার্থ বড় হয়ে ওঠে, আর জনগণ হয়ে পড়ে উপেক্ষিত।
এই বাস্তবতা ইংল্যান্ডের জন্য ছিল অত্যন্ত লজ্জাজনক। কারণ একটি দেশের রাজত্ব ও গণতন্ত্র যখন একটি কোম্পানির হাতে বন্দি থাকে, তখন সেই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা কেবল নামেই থাকে।
শেষ পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে ইংল্যান্ড ১৯৪০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। এই ইতিহাস আমাদের সহজ ভাষায় একটি কথা শেখায়—রাষ্ট্র যদি নিজের ক্ষমতা ও দায়িত্ব অন্যের হাতে তুলে দেয়, তবে রাজতন্ত্র হোক বা গণতন্ত্র—কোনোটাই মানুষকে রক্ষা করতে পারে না। এই শিক্ষা শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ ও মনে রাখার মতো।
*** মনে রাখতে হবে ইংল্যান্ড এবং আমেরিকা দুটি আলাদা দেশ বা রাষ্ট্র**
in Past and Future Technologies | Legal & Social Thinker .law .Ethical–Social Analyst . people health Researcher.Author of Life Philosophies and Visions : MD. Nur Hossain (Opu) (opu fure)
@@@
A family was taken to a fake healing centre. They were charged 20–50 thousand taka in the first week and extorted lakhs within a month. The patient was mentally controlled and family contact was restricted.
Please don’t misuse my writings, ideas, or shared materials. They should not be given to my family or anyone else without my permission. I’ve been with you for a long time, so I ask for respect and fairness.
**Remember: taking or giving without humility is what I call the “Pharaoh Theory.”
Work, skill, and results matter — and money is needed in exchange for real expertise and analysis.Helping and working global intelligence organization & students and so many force...Helping and working..Ai some organization and library and teachers.. student.. different jobs people.((Of course money is needed. Work or work or skill counts as results. sending but money)) , 💰 $$ # ,, analysis,, so also: MD.Nur Hossain (Opu)!!!!read and see--sending)
@@📸@@@@@ #@@@@ #
Problems and Impacts
During travel, an unknown person gained trust, took a couple to a hotel, distracted them, stole phone, money, and documents, and later used them for blackmail.
Legal and Ethical Remedies
Report crimes to the police immediately. Do not take vigilante action.
Block SIMs, apps, and bank services at once.
Increase awareness with educational and religious institutions.
Where found criminal,,hand to mouth teach..
These frauds happen to people of all professions, students, and followers of all religions—especially good, honest people who work, earn, and do good for society, whether rich or poor, from children to the elderly.At any event, one must stay cautious, whether it is a social event, a family event, or any state event, because many times mobile phones are stolen, money is snatched, valuable items are taken, and even important documents are stolen. Therefore, everyone should remain careful.Today, I extend birthday wishes to those who are celebrating their birthday.
All those people, children, and teenagers who need to take medicine should take their medicine before going to sleep. And those good people who passed away today, may they be kept well, and condolences to their bereaved families!
Verify unknown vehicles or people, or anyone claiming to be “known,” without proof.
In crowds and traffic jams, keep bags, pockets, and phones secure; avoid showing phone passwords in public.If someone tries to admit a person using false physical or mental illness claims, take them only to a district or divisional government hospital.Double-check online and bKash transactions; never share personal data.
Build a community habit: inform at least 8–1000 nearby people.Use intelligence and awareness to defeat criminals.If you see a crime, inform local administration, media, and SIM/telecom helplines.On a train, Roshan left his phone on the seat. Someone pushed him and stole it. Later, a private video of a friend
Do not disturb after 11:48 PM!!! at night..
Children, families, society, and crime together destroy a person’s dignity.
Professional pickpocketing and data theft happen in crowds, trains, markets, and hotels. Opening bags and stealing money and mobile phones is very common.Online and mobile data selling, SIM misuse, and blackmail have taken new forms, especially through apps like Telegram.Fake medical tests and forged certificates in healthcare, especially in some private centres, are major causes of financial fraud.If someone spends more time on religious practice or education, some people wrongly label them as “mentally ill.” This false idea itself can be part of organized crime.
Fake healing centres and the networks behind them deceive families, causing long-term financial, mental, and social damage.
These crimes affect families, society, business, education, and the state. Crime spreads like a disease and is dangerous for everyone.
How to Stay Alert (Brief Instructions)
was posted online and used for blackmail.
*"
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
1800
