Dr.Md.Ahasanul Haque

Dr.Md.Ahasanul Haque

Share

এম.বি.বি.এস( এস.বি.এম.সি)
বি.সি এস( স্বাস্থ্য)
এম.এস (কোর্স)
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়,
( এক্স -পিজি হাসপাতাল)

01/02/2026

চোখ ভালো রাখতে চাইলে কিছু ছোট কিন্তু নিয়মিত অভ্যাসই সবচেয়ে কাজের 👁️✨
👀 চোখ ভালো রাখার সহজ উপায়
২০–২০–২০ নিয়ম
১.স্ক্রিনে কাজ করলে প্রতি ২০ মিনিটে ২০ সেকেন্ড, ২০ ফুট দূরে তাকান।
২.অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম এড়িয়ে চলুন
মোবাইল/ল্যাপটপ কম ব্যবহার করুন, বিশেষ করে অন্ধকারে।
৩.চোখে হাত দেওয়ার আগে হাত ধুয়ে নিন
এতে ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি কমে।
৪.পুষ্টিকর খাবার খান
ভিটামিন A: গাজর, কুমড়া, পালং শাক
ওমেগা-৩: মাছ
ভিটামিন C ও E: কমলা, লেবু, বাদাম
৫.পর্যাপ্ত ঘুম (৭–৮ ঘণ্টা)
৬.ঘুম কম হলে চোখ শুকায় ও জ্বালা করে।
৭.রোদে বের হলে সানগ্লাস ব্যবহার করুন
৮.UV রশ্মি চোখের জন্য ক্ষতিকর।
ধুলো-বালিতে চোখ রক্ষা করুন
প্রয়োজনে প্রটেক্টিভ চশমা ব্যবহার করুন।
চোখে সমস্যা হলে দেরি না করে ডাক্তার দেখান
ঝাপসা দেখা, চোখ ব্যথা, লাল হওয়া—এসব অবহেলা করবেন না।

30/01/2026
18/01/2026

ইসলাম ধর্ম মানার দাবি করলে ভর পেট না খাবার চেষ্টা করবেন। আর মিথ্যা কথা, অলসতা পরিহার করবেন। নিজের বিবেক বুদ্ধি সচল রাখতে প্রতিদিন অল্প হলেও ৩০ মিনিট শরীর চর্চা করুন।

না হলে ফিলিস্তিনের জন্য আবেগের চোটে কোমল পানীয়র কোম্পানি আর অমুক ফাউন্ডেশন কে টাকা দিবেন কিন্তু সেটা যে আদৌ ফিলিস্তিনদের কাছে পৌঁছাবে না সেটা নিয়ে আপনার বুদ্ধি কাজ করবে না।

পারলে ৩০ থেকে ৫০ টি বুকডাউন দিন, না হলে ৩০ মিনিট নিয়মিত হাটাহাটি করুন।

তাহলে দেখবেন অযথা আর ভেনিজুয়েলা, লিবিয়া আর ইরানের জন্য আপনার মন কাঁদবে না, কারন এ দেশের মুসলমানগন বা যারা শান্তি প্রিয় মানুষ তারা যে কতটা নিপিড়ীত তা আপনি বুঝতে পারবেন।

এজন্য পরিমিত খাবার খান। ভাজাপোড়া সয়াবিন তেল ও মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।

17/01/2026

দান করা বা সদকা করা ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত। প্রচলিত জাগতিক দৃষ্টিতে দান করলে পকেট থেকে টাকা কমে যাচ্ছে মনে হলেও, আধ্যাত্মিক এবং বরকতের বিচারে তা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। আপনার জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে বিষয়টি কোরআন ও হাদিসের আলোকে নিচে বিস্তারিতভাবে সাজিয়ে দেওয়া হলো:

​১. পবিত্র কোরআনের আলোক: শস্যদানার উপমা
​আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে অত্যন্ত চমৎকার একটি উদাহরণের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে দান করলে তা কীভাবে বৃদ্ধি পায়।
​"যারা আল্লাহর রাস্তায় নিজেদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি বীজের মতো, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায় এবং প্রতিটি শীষে থাকে ১০০টি দানা। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেন।" (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৬১)
​অর্থাৎ, একটি দানা থেকে যেমন ৭০০ দানা হওয়া সম্ভব, আল্লাহর রাস্তায় দান করলে তিনি চাইলে সেটাকে ৭০০ গুণ বা তার চেয়েও বেশি সওয়াব ও বরকতে পরিণত করতে পারেন।

​২. সম্পদ না কমার গ্যারান্টি (হাদিস)
​রাসূলুল্লাহ (সা.) স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে দান করলে সম্পদ আসলে কমে না।
​হাদিস: আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "সদকা করলে সম্পদ কমে না।" (সহিহ মুসলিম: ২৫৮৮)
​এটি আল্লাহর একটি বিশেষ প্রতিশ্রুতি। দানের ফলে বাহ্যিক সংখ্যা কমলেও আল্লাহ অবশিষ্ট সম্পদে এমন 'বরকত' দান করেন, যা দিয়ে অল্প সম্পদেও অনেক বড় বড় প্রয়োজন পূরণ হয়ে যায়।

​৩. ফেরেশতাদের দোয়া
​প্রতিদিন সকালে ফেরেশতারা দানকারীর জন্য বিশেষ দোয়া করেন, যা সম্পদ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
​হাদিস: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "প্রতিদিন সকালে দুইজন ফেরেশতা অবতরণ করেন। একজন বলেন, 'হে আল্লাহ! দাতা ব্যক্তিকে তার দানের প্রতিদান (বিনিময়) দিন।' আর অন্যজন বলেন, 'হে আল্লাহ! কৃপণ ব্যক্তিকে ধ্বংস করে দিন'।" (সহিহ বুখারি: ১৪৪২)

​৪. সম্পদ কীভাবে বৃদ্ধি পায়?
​দান করলে সম্পদ প্রধানত দুটি উপায়ে বৃদ্ধি পায়:

✅ ​জাগতিক বরকত: আল্লাহ দানকারীর উপার্জনে বরকত দেন, বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করেন (যা অন্যথায় বড় খরচের কারণ হতো) এবং রিজিকে প্রশস্ততা দান করেন।

✅ ​পরকালীন প্রতিদান: পরকালে এই সামান্য দান পাহাড়সম সওয়াব হয়ে ফিরে আসবে। হাদিসে এসেছে, আল্লাহ বান্দার সদকাকে লালন-পালন করেন যেমন কেউ তার ঘোড়ার বাচ্চাকে লালন-পালন করে বড় করে, একসময় তা পাহাড়ের সমান হয়ে যায়। (সহিহ বুখারি)

​৫. আল্লাহর দেওয়া বিশেষ প্রতিশ্রুতি (সুদ বনাম সদকা)
​পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা সুদ এবং সদকার মধ্যে একটি বিশাল পার্থক্য রেখা টেনে দিয়েছেন। মানুষ মনে করে সুদে সম্পদ বাড়ে আর দানে কমে, কিন্তু বাস্তবতা এর বিপরীত।
​"আল্লাহ সুদকে ধ্বংস করেন এবং সদকাকে (দান) বাড়িয়ে দেন।" (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৭৬)
​এখানে 'বাড়িয়ে দেওয়া' বলতে একদিকে যেমন সওয়াব বৃদ্ধিকে বোঝানো হয়েছে, তেমনি সম্পদে বরকত এবং মানসিক প্রশান্তিকেও বোঝানো হয়েছে।

​৬. বিপদ থেকে সুরক্ষা ও দীর্ঘায়ু লাভ
​দান করলে সম্পদ যে শুধু সংখ্যায় বাড়ে তা নয়, বরং দান আপনার বিদ্যমান সম্পদকে নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে। একে বলা হয় 'আপদকালীন বীমা'।

✅ ​বিপদ মুক্তি: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "দান-সদকা বিপদ-আপদ দূর করে।"

✅ ​রোগ মুক্তি: তিনি আরও বলেছেন, "তোমরা সদকার মাধ্যমে তোমাদের অসুস্থদের চিকিৎসা করো।" (সহিহুল জামে: ৩৩৫৮)

✅ ​মৃ'ত্যুর কষ্ট লাঘব: দান মানুষের খারাপ মৃ'ত্যু রোধ করে এবং হায়াত বা আয়ু বৃদ্ধি করে।

​৭. অভাব দূর হওয়ার মাধ্যম
​আমরা মনে করি সঞ্চয় করলে অভাব দূর হয়, কিন্তু ইসলামের দর্শন হলো দান করলে অভাব দূর হয়।
​হাদিসে কুদসি: আল্লাহ তায়ালা বলেন, "হে আদম সন্তান! তুমি ব্যয় করো (দান করো), আমিও তোমার ওপর ব্যয় করবো (তোমাকে রিজিক দেবো)।" (সহিহ বুখারি: ৫৩৫২)
​এর অর্থ হলো, আপনি যখন আল্লাহর সৃষ্টির সেবা করবেন, আল্লাহ স্বয়ং আপনার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। আল্লাহর ভাণ্ডার তো অসীম, তাই তাঁর পক্ষ থেকে প্রতিদান এলে তা বহুগুণ হয়েই ফিরে আসে।

​৮. সদকায়ে জারিয়া: মৃ'ত্যুর পরও সম্পদ বৃদ্ধি
​এমন কিছু দান আছে যার প্রতিদান মৃ'ত্যুর পরও কবরে পৌঁছাতে থাকে। একে বলা হয় 'সদকায়ে জারিয়া' বা চলমান দান।

✅ ​একটি মসজিদ তৈরি করা।

✅ ​কূপ বা পানির ব্যবস্থা করা।

✅ ​কাউকে দ্বীনি শিক্ষা দেওয়া বা জনকল্যাণমূলক কাজ।

​এই কাজের সওয়াব চক্রবৃদ্ধি হারে (Compound Interest-এর মতো) কিয়ামত পর্যন্ত আপনার আমলনামায় যোগ হতে থাকবে।

​৯. কৃপণতার কুফল বনাম দানের সুফল
​দান করলে সম্পদ বাড়ে, আর কৃপণতা করলে সম্পদ থাকার পরও মানুষ অভাবী থাকে। আল্লাহ তায়ালা বলেন:

​"তোমরা যা ব্যয় করো, তিনি তার প্রতিদান দেন। তিনি শ্রেষ্ঠ রিজিকদাতা।" (সূরা সাবা, আয়াত: ৩৯)
​দানের ক্ষেত্রে বিশেষ পরামর্শ:

​✅ গোপন দান: লোকচক্ষুর অন্তরালে দান করা আল্লাহর ক্রোধ প্রশমিত করে।

✅ আত্মীয়স্বজনকে প্রাধান্য: আগে নিজের দরিদ্র আত্মীয়-স্বজনকে দান করা উচিত, এতে দানের সওয়াব এবং আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষার সওয়াব—উভয়ই পাওয়া যায়।

✅ সামর্থ্য অনুযায়ী: দান বড় অংকের হতে হবে এমন নয়; আন্তরিকতার সাথে দেওয়া এক টাকাও আল্লাহর কাছে পাহাড়ের সমান হতে পারে।
(সংগৃহীত)

17/01/2026

কেন হঠাৎ ৩৫–৪০ বছরের মানুষ Stroke বা Heart attack করে মারা যাচ্ছে?

সাম্প্রতিক সময়ে আমরা ভয়ংকর একটা ট্রেন্ড দেখছি।

অনেক কম বয়সী (৩৫–৪০ বছর) মানুষ Hemorrhagic stroke বা Heart attack করে হঠাৎ মারা যাচ্ছেন।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়—

তাদের অনেকের ডায়াবেটিস নেই

প্রেশার নেই

কোলেস্টেরলও নাকি স্বাভাবিক

তাহলে সমস্যা কোথায়?

সমস্যাটা লুকিয়ে আছে অন্য জায়গায়

আজকের দিনে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের কারণ শুধু

ডায়াবেটিস–প্রেশার–কোলেস্টেরল নয়।

আসল নীরব ঘাতকগুলো হলো

চরম মানসিক চাপ (Stress)

ঘুমের ঘাটতি

হঠাৎ BP spike (যা নিয়মিত মাপলে ধরা পড়ে না)

Smoking / V**e / Jarda / Gutkha

হঠাৎ ভারী ব্যায়াম বা heavy lifting

Alcohol binge

Genetic দুর্বলতা

শরীরের ভেতরের নীরব inflammation ও clot tendency

অনেকে মনে করেন রিপোর্ট “Normal” থাকলেই ঝুঁকি নেই এই ধারণা এখন ভুল।

একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার

“আমি তো ডায়াবেটিস বা প্রেশারের রোগী নই”

এই বাক্যটাতে আর কোনো সুরক্ষা থাকার নয়।

আজকের Stroke ও Heart attack হচ্ছে

Stress + Inflammation + Lifestyle + Genetics এর সম্মিলিত ফল।

তাহলে আমরা কী করবো?

পর্যাপ্ত ঘুম (৭–৮ ঘণ্টা)

Stress control — এটা luxury না, এটা চিকিৎসা

হঠাৎ করে ভারী ব্যায়াম নয়

Smoking/V**e/Smokeless tobacco—Zero tolerance

Family history থাকলে আগেই screening

“ভালো আছি” ভাবার আগে শরীরের কথা শোনা

নিয়মিত রুটিন চেক আপ করা

মুল কথা হল

আজকের দিনে Heart attack ও Stroke আর শুধু বয়স্কদের রোগ না।

এগুলো হচ্ছে—অব্যবস্থাপিত এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের নীরব ফলাফল।

নিজের যত্ন নিন।

আপনি না থাকলে আপনার জায়গা কেউ পূরণ করতে পারবে না।

একটু সচেতনতা পারে প্রাণ বাঁচাতে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka