HashibulRoni

HashibulRoni

Share

physician

03/12/2025

মানুষের কথাকে গুরুত্ব দেওয়া বন্ধ করুন। আপনার মূল্য নির্ধারণ করবে মানুষ নয়, বরং আল্লাহ। মানুষের কাছে কী গ্রহণযোগ্য, তার চেয়ে আল্লাহর কাছে কী গ্রহণযোগ্য, সেদিকে মনোযোগ দিন।"

নোমান আলী খান।

20/11/2025

শরীর যে পরিমান ক্যালরি খরচ করবে, তার থেকে কম পরিমান ক্যালরি খেতে হবে। তাহলেই ওজন কমবে। ক্যালরি ইন, ক্যালরি আউট।
চিয়া সিডস খেয়ে ওজন কমেনা। শসা, মধু, লেবু খেয়ে ওজন কমে না। মধুতে প্রচুর পরিমান সুগার আর ক্যালরি। ওটস খেয়েও ওজন কমেনা। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীগুলা ওটস খাওয়াচ্ছে। শত/হাজার টাকা খরচ করে ওটস খাচ্ছেন। জাস্ট ওটস এর গুনে কোনদিন ও ওজন কমবে না।
ইউটিউবার বা বিভিন্ন পেজ নিজের প্রোডাক্ট সেল করতে আপনাকে ওটস বা চিয়া সিডস এর অনেক গল্পই শোনাবে, দেখবেন সেই ইউটিউবারের নিজের ও পেট মোটা।
ডিসিপ্লিন আনেন, কম ক্যালরি খান।
ওজন কমবেই।
(Collected)

18/11/2025

প্রতিদিন ১% উন্নতি করুন: ৩০ দিনে নতুন আপনি

বড় পরিবর্তনের শুরু হয় ছোট পদক্ষেপে। প্রতিদিন মাত্র ১% উন্নতি করলেই ১ বছরে আপনি হয়ে উঠবেন সম্পূর্ণ আলাদা মানুষ!

১। প্রতিদিন সকালে ১০ মিনিট আগে উঠুন
২। এক গ্লাস পানি পান করুন
৩। বইয়ের ৫ পৃষ্ঠা পড়ুন
৪। সোশ্যাল মিডিয়া ১৫ মিনিট কমান
৫। এক ভালো কাজ করুন
৬। নতুন কিছু শিখুন
৭। প্রতিদিন কিছু লিখুন
৮। নিজের অর্জন নোট করুন
৯। নেতিবাচকতা কমান
১০। নিয়মিত ব্যায়াম করুন
১১। স্বাস্থ্যকর খাবার খান
১২। হালকা হাঁটুন
১৩। নিজের সময় দিন
১৪। নিজের প্রতি দয়া করুন
১৫। লক্ষ্য নির্ধারণ করুন
১৬। ধ্যান করুন
১৭। স্ক্রিন টাইম কমান
১৮। পর্যাপ্ত ঘুমান
১৯। ধৈর্য ধরুন
২০। প্রতিদিন কৃতজ্ঞ থাকুন
২১। অন্যকে উৎসাহ দিন
২২। বই বা পডকাস্ট শুনুন
২৩। আত্মনিয়ন্ত্রণ চর্চা করুন
২৪। নিজের ভুল থেকে শিখুন
২৫। পরিবারকে সময় দিন
২৬। নেতিবাচক কথা বলা বন্ধ করুন
২৭। ভয়কে মোকাবিলা করুন
২৮। নিজের কাজ উপভোগ করুন
২৯। সাফল্যের কল্পনা করুন
৩০। প্রতিদিন এক ধাপ এগিয়ে যান।।

16/11/2025

*”আপনিই তো আপনার পুরুষকে খুন করেছেন। চলুন আজ একটা খেলা খেলি। খেলাটার নাম 'পুরুষের শব ব্যবচ্ছেদ'। ছুরি-কাঁচি আপনার হাতে; দেখুন তো, হাসির আড়ালে লুকিয়ে রাখা পচন ধরা ক্ষতগুলো দেখতে পান কি না। পারবেন না! কারণ সমাজ আপনাকে শিখিয়েছে, পুরুষ মানেই পাথর, পুরুষ মানেই শক্ত পাহাড়। কিন্তু আজ সেই পাহাড়ের ভেতরের লাভা উদগীরণের সময় এসেছে।*”...............
*”পুরুষের প্রথম খুনটা হয় তার শৈশবে, তার নিজেরই বাড়িতে। যখন ছোট্ট ছেলেটা হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়ে কাঁদে, তখন তার মা এসে বলে, "ছি! ছেলেরা কাঁদে না, লোকে হাসবে।" ব্যস! সেই প্রথম তার আবেগকে গলা টিপে হত্যা করা হলো। তাকে শিখিয়ে দেওয়া হলো, ব্যথা হলেও দাঁত কামড়ে সহ্য করতে হবে, কষ্ট হলেও হাসিমুখে থাকতে হবে। সেই থেকে শুরু হয় তার জীবন্ত লাশ হয়ে ওঠার ট্রেনিং।*”.............
*”একটু বড় হওয়ার পর যখন সে ভালোবাসতে শেখে, তখন তার প্রেমিকা এসে কানে কানে বলে, "একটা ভালো চাকরি জোগাড় করো, নইলে বাবা মেনে নেবে না।" ভালোবাসা নয়, তার যোগ্যতা মাপা হয় তার ব্যাংক ব্যালেন্স দিয়ে। তার ভালোবাসার দাম নির্ধারিত হয় তার উপার্জনের অঙ্কে। হন্যে হয়ে চাকরির পেছনে ছুটতে ছুটতে যখন সে ফেরে, তখন দেখে তার প্রেমিকা অন্য কারো ঘরের লক্ষ্মী। আর পুরুষটা? তাকে আবারও সেই পাথর হতে হয়, চোখের জল লুকিয়ে ফেলতে হয়। কারণ, পুরুষের ভাঙা হৃদয়ের কোনো বাজারদর নেই।”*.............
”*আপনারা নারীরা তো খুব ভাগ্যবান! স্বামীর সাথে সামান্য ঝগড়া হলেই বাপের বাড়ি যাওয়ার হুমকি দেন, চলেও যান। কিন্তু পুরুষের জন্য কোনো "বাপের বাড়ি" নেই। স্ত্রীর সাথে তুমুল ঝগড়ার পর, অপমানের বোঝা মাথায় নিয়ে সে যখন ঘর থেকে বের হয়, তার যাওয়ার কোনো জায়গা থাকে না। পার্কের বেঞ্চ, ফাঁকা রাস্তা বা বন্ধুদের আড্ডাই তার সাময়িক আশ্রয়। সে একবেলা না খেয়ে অভিমান করে, কিন্তু তার অভিমান ভাঙানোর জন্য কেউ ছুটে আসে না। কারণ সে পুরুষ, তার অভিমান থাকতে নেই।*”.............
”*কখনো ভেবে দেখেছেন, পুরুষকে কি আদৌ কেউ ভালোবাসে? না! পুরুষকে ভালোবাসা হয় না, পুরুষকে ব্যবহার করা হয়। সে হলো এক চাহিদার মেশিন। বাবা-মায়ের চাহিদার মেশিন, ভাই-বোনের চাহিদার মেশিন, স্ত্রী-প্রেমিকার চাহিদার মেশিন, আর সবশেষে সন্তানের চাহিদার মেশিন। টাকা আয় করতে না পারলে বাবা-মা বলে, "কুলাঙ্গার"। স্ত্রীর শখ পূরণ করতে না পারলে স্ত্রী বলে, "অপদার্থ"। সন্তানের দামী আবদার মেটাতে না পারলে সন্তানরাও মুখ ঘুরিয়ে নেয়। চাহিদা মেটাতে পারলে সে 'রাজা', আর না পারলে সে সমাজের সবচেয়ে ঘৃণ্য 'ফকির'। ভালোবাসা? ওটা পুরুষের জন্য এক নিষিদ্ধ শব্দ।*”..........
*”দেশে নারী নির্যাতনের আইন আছে, সংগঠন আছে, মোমবাতি মিছিল আছে। কিন্তু পুরুষ নির্যাতনের কথা বললে লোকে হাসে। কারণ নারী নির্যাতন হয় দেহে, যা চোখে দেখা যায়। আর পুরুষ নির্যাতন হয় মনে, তার আত্মায়, যা অদৃশ্য। এই মানসিক নির্যাতনের ক্ষত শরীরী ক্ষতের চেয়েও হাজার গুণ বেশি যন্ত্রণাদায়ক। এই নির্যাতন তাকে ভেতর থেকে কুরে কুরে খায়, তাকে জীবন্ত লাশে পরিণত করে। কিন্তু তার জন্য কোনো আইন নেই, কোনো সহানুভূতি নেই। যে পুরুষ ঘর বানানোর জন্য নিজের ঘর ছেড়ে বছরের পর বছর বাইরে পড়ে থাকে, মৃত্যুর আগে যার হয়তো নিজের ঘরে ফেরা হয় না, তার আত্মত্যাগের কোনো স্বীকৃতি নেই। সে পরিবারের জন্য এক নির্বাক সৈনিক, যে শুধু যুদ্ধ করে যায়, কিন্তু তার কষ্টের কথা শোনার মতো কেউ থাকে না।*”.........
*”এই সমাজ পুরুষের কাঁধে পুরো সংসারের বোঝা চাপিয়ে দিয়ে বলে, "তোমাকে শক্তিশালী হতে হবে।" আবার সেই পুরুষই যখন একটু আবেগ প্রকাশ করে, তখন সেই সমাজই তাকে "দুর্বল" বলে উপহাস করে। এই ভণ্ডামি আর কতদিন?*”...........
*”আপনি কি একজন খুনী?
একটু ভেবে দেখুন তো! আপনার বাবা, ভাই, স্বামী বা প্রেমিকের হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কষ্টগুলোর জন্য আপনি নিজে কতটা দায়ী? আপনার চাহিদার বোঝা চাপিয়ে, তার আবেগকে উপেক্ষা করে, আপনি কি তাকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন না? আপনার ঘরের পুরুষটি পরেরবার যখন হাসবে, একবার তার চোখের দিকে তাকাবেন কি? পারবেন তো সেই হাসির আড়ালের মৃত আত্মাটাকে দেখতে? নাকি দেখেও না দেখার ভান করে নিজের চাহিদার তালিকাটা তার দিকে এগিয়ে দেবেন?
সিদ্ধান্ত আপনার। কারণ প্রতিটি পুরুষ আজ এক জীবন্ত লাশ, আর তার শব ব্যবচ্ছেদ করলে দেখা যাবে, তার খুনি আর কেউ নয়, তার সবচেয়ে কাছের মানুষগুলোই।*”.......... সংগৃহীত।

15/11/2025

Mount Everest

07/11/2025
30/09/2025

সঞ্চয় করবেন নাকি জীবন উপভোগ করবেন?

🌿 মানুষের জীবনের বড় এক দ্বন্দ্ব হলো—সঞ্চয় করবেন, নাকি জীবন উপভোগ করবেন? অনেকেই মনে করেন জীবনের আনন্দ উপভোগ না করলে জীবন বৃথা, আবার কেউ কেউ বলেন সঞ্চয় ছাড়া ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। আসলে দুটি বিষয়ই মানুষের জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। চলুন বিষয়টি বিশদভাবে দেখি।

জীবন উপভোগ করা কেন দরকার 🎉

১. মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি: আনন্দময় জীবন যাপন মানসিক চাপ কমায়। ভ্রমণ, পরিবারকে সময় দেওয়া বা শখ পূরণ করা মনকে সতেজ রাখে।
২. জীবন ক্ষণস্থায়ী: আমরা জানি না কতদিন বাঁচব। তাই শুধু ভবিষ্যতের চিন্তায় বর্তমানকে ফেলে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
৩. সম্পর্ক রক্ষায় সাহায্য করে: পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাদের নিয়ে ছোটখাটো আনন্দ ভাগাভাগি করা সম্পর্ককে দৃঢ় করে।
৪. কর্মক্ষমতা বাড়ায়: আনন্দময় মুহূর্ত মানুষকে কর্মক্ষেত্রে আরও উদ্যমী করে তোলে।

সঞ্চয় করা কেন দরকার 💰

১. ভবিষ্যতের নিরাপত্তা: অনিশ্চিত জীবনে অসুস্থতা, চাকরি হারানো বা জরুরি পরিস্থিতির জন্য অর্থ প্রয়োজন হয়।
২. স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করে: বাড়ি কেনা, সন্তানের পড়াশোনা, ব্যবসা শুরু করা—এসব বড় লক্ষ্য অর্জনে সঞ্চয়ের বিকল্প নেই।
৩. অবসরের নিশ্চয়তা: কর্মজীবন শেষে যেন কষ্ট না করতে হয়, তার জন্য আগেই সঞ্চয় প্রয়োজন।
৪. মানসিক শান্তি: হাতে সঞ্চয় থাকলে মানুষ আত্মবিশ্বাসী হয় এবং ভয় কমে যায়।

বিশ্লেষণ 🧐

এখন প্রশ্ন আসে—শুধু উপভোগ করলে কেমন হবে? উত্তর হলো, আপনি হয়তো অল্প কিছু সময় আনন্দ পাবেন, কিন্তু হঠাৎ সংকটে পড়লে সেই আনন্দ ধুলায় মিশে যাবে। আবার শুধুই সঞ্চয় করলে? আপনি হয়তো নিরাপদ থাকবেন, কিন্তু জীবনের আসল আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন।

👉 তাই প্রয়োজন ভারসাম্য।

উপভোগ করবেন, তবে আয় অনুযায়ী।

সঞ্চয় করবেন, তবে কৃপণতা নয়।

এক গবেষণায় (American Psychological Association, ২০২০) বলা হয়েছে, যারা নিয়মিত সঞ্চয় করেন এবং মাঝে মাঝে নিজেদের জন্য খরচ করেন, তারা সবচেয়ে বেশি মানসিকভাবে সুস্থ থাকেন।

🌟 সঞ্চয় আর উপভোগ—একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং পরিপূরক। জীবন উপভোগ করতে গিয়ে অপচয় করলে সেটা বোকামি, আবার সঞ্চয় করতে গিয়ে জীবনের আনন্দ হারালেও সেটা অন্যায় নিজের প্রতি। সঠিক সমাধান হলো “সঞ্চয় ঠিক রেখে উপভোগ করা, কিন্তু কৃপণতা নয়।”

অর্থাৎ, অর্থকে বাঁচানোর জন্য নয়, বরং জীবনকে সুন্দর করার জন্য ব্যবহার করতে হবে। তাই আয় থেকে নির্দিষ্ট অংশ সঞ্চয়ে রাখুন, আর বাকিটা দিয়ে উপভোগ করুন জীবনকে। এভাবেই আপনি হবেন দায়িত্বশীল, একইসঙ্গে সুখী। 💖

22/09/2025

এই পোস্ট দেখে আপনার গা জ্বলে যাবে৷ তবু কিছু করার নেই৷ এটাই সত্যি৷ আপনি যে রঙ বেরঙের জামাকপড় পরেন, বিভিন্ন কালার বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক কিনতে থাকেন৷ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আলাদা আলাদা ডিজাইনের পোশাক পরে যান, এই কাজ করতে নিরুৎসাহিত করছি৷ আগে লেখাটা পড়েন৷ তারপর আপনার চিন্তাধারা অনুযায়ী মন্তব্য করবেন।

যখন আমাদের অনেক ধরনের পোশাক থাকে, তখন আমরা সহজেই বিভ্রান্ত হয়ে যাই।কোন পোশাকটি পরবো তা বেছে নিতে সময় লাগে। কিন্তু যদি আপনার পোশাক শুধুমাত্র একই ডিজাইন এবং একই কালারের থাকে, ধরা যাক কালো শার্ট এবং ধূসর রঙের প্যান্ট, তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিছু নেই। ড্রেস কোড তো একই৷ রঙ এবং ডিজাইন বাছাই করতে সময় খরচ হবে না। আপনি সময় বাঁচাতে পারবেন এবং আরও প্রোডাকটিভ হয়ে উঠতে পারবেন। একবারে দর্জির দোকান থেকে একই সেটআপে বেশ কিছু পোশাক বানিয়ে নিন৷ আপনার প্রিয় যে রঙ, সেই রঙেই বানান৷ সবাই মনে করবে ওই ডিজাইন এবং ওই পোশাকই আপনার সিগনেচার স্টাইল৷ এটা একটা দারুণ ব্যাপার হয়। বিশ্বের সফল মানুষগুলোর দিকে তাকান৷ তাদের ড্রেস কোড একই ধরনের। পোশাক নিয়ে চিন্তাভাবনা করে তারা অহেতুক সময় খরচ করে না।

নানা ধরনের পোশাক কিনলে অর্থ অপচয় বেশি হবে। একই ধরনের পোশাক পরার সিদ্ধান্ত নিলে আপনাকে খুব বেশি পোশাক কিনতে হবে না। আর এই পোশাকের দাম যেহেতু আপনার জানা, তাই কিনতে গিয়ে ঠকে যাওয়ারও ভয় নেই। অযথা খরচ কমানো গেলে তা আপনাকে আরও অনেক বিষয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার পথ বাতলে দেবে।

মূল কথা হলো আপনার নিজের জন্য একটি ড্রেসকোড ঠিক করুন৷ পাঞ্জাবি ভালো লাগলে পাঞ্জাবি, শার্ট ভালো লাগলে শার্ট, মানে আপনার রুচি এবং স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী। এবং যা পরবেন, একই জিনিস৷ তাহলে আপনার সময় বাঁচবে অনেক, বিভ্রান্ত হবেন না৷ কেনাকাটায় ঠকবেন না৷ নিজের জন্য সিগনেচার স্টাইল সৃষ্টি করতে পারবেন।

আপনি বলতে পারেন- একই ধরনের পোশাক পরলে লোকে বলবে- একটাই জামা পরে৷ আর নেই৷ ফকিন্নি।
তা লোকে বললে তাতে আপনার সমস্যা কী? লোকের কথামতোই যদি চলবেন, লোকের পছন্দের জামাকাপড় পরবেন, লোকের রুচি অনুযায়ী নিজের জীবন চালাবেন, তাহলে আপনার নিজের আর কী থাকলো?
যতদিন লোকে কী বলবে ভাববেন, সমাজের লোকের কথায় গুরুত্ব দেবেন, ততদিন সফলতা কী জিনিস দেখা লাগবে না৷ যখন ব্যতিক্রমী চিন্তা করবেন, নিজের বিশ্বাস, নিজের আইডিয়া, নিজের পথে হাঁটবেন, তখন সফলতা হেঁটে আপনার কাছে আসবে। লিখে রাখেন।

এবার এই লেখার সাথে দ্বিমত পোষণ করে আপনার নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করুন।

20/09/2025

- ✔ আপনি যদি দিনের প্রায় ১১ ঘণ্টা বসে কাটান তাহলে আপনার আগামী ৩ বছরের মধ্যে মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০%।

- ✔ বালিশ ছাড়া ঘুমানোর অভ্যাস আপনার ঘাড় ও গলার ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে। এবং এর পাশাপাশি মেরুদণ্ড সুস্থ রাখে।

- ✔ একজন মানুষের উচ্চতা নির্ধারিত হয় তার বাবা ও তার ওজন নির্ধারিত হয় মায়ের মাধ্যমে।

- ✔ মানুষের মস্তিষ্ক ৩ টি জিনিসের দিক থেকে নজর ফেরাতে পারে না তা চোখের নজর হোক বা মনের নজর হোক। আর সে ৩ টি জিনিস হচ্ছে খাবার, আকর্ষণীয় মানুষ ও বিপদ।

- ✔ ডানহাতি মানুষেরা খাবার চিবোনোর সময় ডান চোয়াল ব্যবহার করেন।

- ✔ অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের মতে, ‘যদি পৃথিবীতে মৌমাছি না থাকে তাহলে পৃথিবীর সব মানুষ ৪ বছরের মধ্যে মারা যাবে’।

- ✔ পৃথিবীতে এতো বেশি প্রজাতির আপেল রয়েছে যে, আপনি যদি প্রতিদিন ভিন্ন প্রজাতির ১ টি করে আপেল খান তারপরও সবপ্রজাতির আপেল খেতে আপনার ২০ বছর সময় লাগবে।

- ✔ আপনি খাবার ছাড়া প্রায় ৪ সপ্তাহ অর্থাৎ ২৮ দিন বেঁচে থাকতে পারলেও ১১ দিন না ঘুমালে আপনার মৃত্যু অনিবার্য।

- ✔ যারা অনেক বেশি হাসেন তারা অন্যান্য মানুষের তুলনায় অনেক বেশি সুস্থ এবং ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী। বলা হয় হাসি বিষণ্ণতা রোগের সবচাইতে বড় ঔষধ।

- ✔ ধূমপানের কারণে যতো মানুষ মারা যায় ঠিক ততো মানুষই অলসতা এবং পরিশ্রমবিহীন জীবনের জন্যও মারা যান।

- ✔ মানুষের মস্তিষ্ক উইকিপিডিয়াতে যতো তথ্য রয়েছে তার ৫ গুণ তথ্য ধারণ ধারণ ক্ষমতা রাখে।

- ✔ আমাদের দেহ ৩০ মিনিটে যতোটা তাপমাত্রা নির্গত করে তা দিয়ে দেড় লিটার পানি ফুটানো সম্ভব।

- ✔ আমাদের পাকস্থলীতে যে অ্যাসিড রয়েছে তা রেজর ব্লেড গলিয়ে ফেলতে সক্ষম।

- ✔ মানুষ আনমনে আপনার জুতোর দিকে নজর দেবেন এটি মানুষের প্রাকৃতিক একটি ব্যাপার। তাই সুন্দর জুতো পড়ুন। কারণ মানুষ অনেক সময় জুতো দেখেই ব্যক্তিত্ব নির্ধারণ করে ফেলেন।

18/09/2025

যখন আপনার মেয়েকে বিয়ে দিবেন...

♦️ তাকে শেখান, তার ঘরের গোপনীয়তা শুধু তার এবং তার স্বামীর মধ্যেই থাকবে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর সঙ্গে কথায় জেদ না করতে, কারণ জেদ তাকেই প্রথমে ধ্বংস করবে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর পরিবারের প্রতি যত্নশীল হতে এবং তাদের সম্মান করতে।

♦️ তাকে শেখান, উচ্চস্বরে হাসি বা চিৎকার তার নারীত্ব নষ্ট করে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর কাছে একবারও মিথ্যা বললে তার প্রতি স্বামীর আস্থা চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।

♦️ তাকে শেখান, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং ঘরের পরিচ্ছন্নতা স্বামীকে ইতিবাচক আচরণে উৎসাহিত করে এবং ঘরের প্রতি ভালোবাসা বাড়ায়।

♦️ তাকে শেখান, গীবতকারী না হতে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর সামনেও লজ্জাশীল থাকতে।

♦️ তাকে শেখান, নারীত্ব এবং পৌরষ দুটো ভূমিকাই না নিতে; সে নারী, নারীই থাকবে এবং লজ্জাশীল নারী হিসেবে তার ভূমিকা পালন করবে, পুরুষের মতো নয়।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর ঈর্ষা ভালোবাসা, সন্দেহ নয়; এবং তার সমস্যার পেছনে আপনারা দাঁড়াবেন না।

♦️ তাকে শেখান, বাবার বাড়ি ভুলে যেতে; বাবার বাড়ি শুধু স্নেহ ও সাক্ষাতের জন্য, কিন্তু তার আসল বাড়ি হলো স্বামীর ঘর।

♦️ তাকে শেখান, তার স্বামী ছাড়া কেউ তাকে সহ্য করবে না।

♦️ তাকে শেখান, চিৎকার না করতে এবং সবসময় নরম কণ্ঠে কথা বলতে।

♦️ তাকে শেখান, আল্লাহর নির্দেশে স্বামীর উপর কর্তৃত্ব; নিজের মতামত বা কথা জোর করে চাপিয়ে না দিতে।

♦️ তাকে শেখান, প্রতিটি ঝগড়ায় “তালাক” শব্দটি মুখে না আনতে।

♦️ তাকে শেখান, যত বড় ঝগড়াই হোক, স্বামীর শয্যা ত্যাগ না করতে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর মুখোমুখি হাসিমুখে থাকতে এবং বিরক্ত না করতে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামী কাজ থেকে ফিরলে চুমু, এক গ্লাস পানি এবং হাসি দিয়ে স্বাগত জানাতে।

♦️ তাকে শেখান, স্বামীর অসুস্থতা বা বিপদের সময় তাকে ছেড়ে না যেতে।

♦️ তাকে শেখান, আপনারা সবসময় তার পাশে আছেন, কিন্তু প্রতিটি ঝগড়ায় রাগ করে স্বামীর ঘর ছেড়ে যাওয়া যাবে না।

♦️ তাকে শেখান, তার নারীত্ব দিয়ে সে একটি হিংস্র সিংহকেও বশ করতে পারে, কিন্তু জেদ করে নিজেকেই ভাঙবে।

♦️ তাকে শেখান, কথিত নারীমুক্তি শয়তানের ফাঁদ, এবং রাস্তায় সাজগোজ করে বের হওয়া তাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।

✅ তাকে শেখান, সে যেন নারী হয়, তার ঘরের রানী হয়, পরিবার পরিচালনা করে, তাদের মধ্যে ভালোবাসা, স্নেহ এবং দয়া বপন করে।

Courtesy of Iqra Online Academy, Member of Alhamdulillah Page.
Posted on Mohammad Hanif
এখানে দেয়া হলো ১৭/০৯/২৫

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka
1209