Al-Haya Accessories

Al-Haya Accessories

Share

"সৎ ও আমানতদার ব্যবসায়ী কিয়ামতের দিন নবী, সত্যবাদী ও শহীদদের সঙ্গে থাকবে।”
— (তিরমিজি, হাদিস: ১২০৯)

24/01/2026

Hello

Photos from Al-Haya Accessories's post 18/06/2025

🌱 অবিশ্বাস্য দামে ক্যামেলিয়া টব (ট্রে সহ) !!!

ছবিতে মুল্য দেওয়া আছে।

Fisrt pic for attention 🥲

16/05/2025
14/05/2025

২০২৪ সালে বাংলাদেশের মানুষের অনেক আশা ছিল। যখন এক যুব-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলো, তখন সাধারণ মানুষ ভেবেছিল, এবার বুঝি মুক্তি আসবে। দুর্নীতি, স্বৈরতন্ত্র, অন্যায়-অবিচারের দিন শেষ হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, যা হলো, তা কোনো মুক্তি নয়। বরং আরেকটি আরও স্মার্ট, আরও সুপরিকল্পিত দাসত্বের নতুন সংস্করণ প্রতিষ্ঠিত হলো।

দেশের নিয়ন্ত্রণ এখন আর আমাদের হাতে নেই (যদিও বাংলাদেশের ভৌগলিক স্বাধীনতা ১৯৭১ সালে এলেও প্রকৃত শাসনক্ষমতা কোনোদিনই এদেশের জনগণের হাতে ছিল না)। ২০২৫ এক ধরনের ‘ডিজিটাল ঔপনিবেশিক শাসন’। যারা শাসন করছে তারা কোনো রাজনৈতিক দল নয়। তারা হলো:

✅ USAID
✅ Open Society (George Soros)
✅ UNDP
✅ World Bank
✅ IMF
✅ Microsoft, Meta, Google এর ডেটা সিস্টেম
✅ ইসরায়েলি সাইবার কোম্পানি
✅ ভারতীয় RAW/IB
✅ পশ্চিমা GEO-STRATEGIC Think Tank

অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, এতদিন তো ভারত আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতো, এখন হঠাৎ করে পশ্চিমারা ওদের সরিয়ে ডিরেক্ট নিয়ন্ত্রণ নিলো কেন? এই প্রশ্নটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আসলে ভারত এতদিন বাংলাদেশের ভৌগলিক, সামরিক ও রাজনৈতিক কিছু এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতো। কিন্তু ভবিষ্যতের যুদ্ধ হবে তথ্য, সাইবার এবং সেমান্টিক ন্যারেটিভের উপর। তাই ভারতকে সাইডে রেখে, পশ্চিমা এবং ইসরায়েলি ব্লক সরাসরি বাংলাদেশের শাসন কাঠামোয় ঢুকে পড়েছে। কারণ তারা জানে, ভবিষ্যতে যাদের ‘ডেটা’, ‘অ্যালগরিদম’ এবং ‘মাইন্ড প্রোগ্রামিং সিস্টেম’ থাকবে, তারাই বিশ্বের পরবর্তী ক্ষমতা।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর কথাই ধরুন। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি প্রত্যেকে আলাদা আদর্শের কথা বলে। কিন্তু বাস্তবে সবাই একই জায়গা থেকে অর্থায়ন পায়, একই ধরনের নজরদারির আওতায় থাকে এবং একই AI-এর ‘রেড ফ্ল্যাগ’ লিস্টের অধীনে চলে। আপনি যতই আলাদা আলাদা মতবাদ দেখুন, ভেতরে সবাই একই সুতোয় বাঁধা। এটা বোঝার জন্য দুটি বই পড়তে হবেঃ এডওয়ার্ড বার্নেইজ-এর Propaganda এবং নোয়াম চমস্কির Manufacturing Consent।

এই বইগুলোতে দেখানো হয়েছে, কীভাবে মানুষের মতামত তৈরি করা হয়, কীভাবে স্বৈরতান্ত্রিক শাসনকেও “মরাল দায়বদ্ধতা” নামে বিক্রি করা যায়। আজকের বাংলাদেশে একে বলা যায় Algorithmic Obedience। কেউ স্বেচ্ছায় দাসত্ব করতে করতে এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যেখানে সে প্রতিবাদ করাকেই অপরাধ ভাবতে শুরু করে। আপনার নাগরিক স্বাধীনতা নির্ভর করছে আপনি কতটা অ্যালগরিদম মেনে চলেন তার ওপর। উদাহরণ দেই। ধরুন, আপনি ফেসবুকে কুরআনের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার কথা লিখলেন। সাথে সাথে সেটাকে ‘চরমপন্থা’ হিসেবে ট্যাগ করা হবে। আপনি একটা সিক্রেট লিস্টে চলে যাবেন। আর এই সিস্টেমটা রিয়েল টাইমে কন্ট্রোল করছে দেশের বাইরে বসা এজেন্সিগুলো।

এটাই এখনকার ডিজিটাল দাসত্ব। আপনি যত বেশি তাদের ভাষা, তাদের ডেটা সিস্টেমে ঢুকে যাবেন, আপনি তত ‘ভদ্র নাগরিক’। আর যে একটু বের হতে চাইবে, সে 'উগ্রপন্থী'। আপনি ভাবতেও পারবেন না, এখন এই দেশে কারা নেতা হবে, কার ছেলে চাকরি পাবে, কে মসজিদের ইমাম হবে, কোন এলাকায় বিদ্রোহ হতে পারে, এসব আগে থেকেই AI-ডেটার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর চেয়েও ভয়াবহ হচ্ছে, এই শাসনব্যবস্থার এনজিও অংশ, যেটা আগে শুধু রোহিঙ্গা বা দরিদ্রের ত্রাণ বিতরণে সীমাবদ্ধ ছিল। এখন তারা ভবিষ্যৎ নেতৃত্বও ঠিক করে দিচ্ছে।

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এর সাবেক এজেন্টদের নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘ব্ল্যাক কিউব’ নামে একটি প্রাইভেট গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক (বলা যায় মোসাদেরই অঘোষিত প্রজেক্ট)। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মুসলিম দেশের উঠতি নেতা, বক্তা, ধর্মীয় স্কলার এমনকি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট পর্যন্ত ট্র্যাক করা হচ্ছে। এনজিও অফিসাররা শুধু চাকরি করে না, তারা নজরদারিও করে। আপনি জাতিসংঘ বা ইউএনডিপি-এর নির্ধারিত ভাষার বাইরে কিছু বললে, সঙ্গে সঙ্গে সেই নাম চলে যাবে তাদের লিস্টে। এরপর দেখা যাবে আপনার পোস্ট কেউ দেখতে পাচ্ছে না। আপনি ডিজিটালভাবে নিশ্চিহ্ন।

আল্লাহ ভালো জানেন, তবে সম্ভবত ২০২৯-২০৩০ সালের মধ্যে ওরা ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোকে দেশের শাসনতন্ত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু আসন দেবে। যেন ‘ইনক্লুসিভ ডেমোক্রেসি’র একটা লেবেল দেখানো যায়। এর মাঝে তৈরি করা হবে কিছু symbolic আন্দোলন, যাতে মূল নেটওয়ার্কের শিকড় অক্ষুণ্ণ থাকে আবার মুসলিমরাও controlled protest এর মাধ্যমে তৃপ্ত থাকে। সামরিকভাবে এর পেছনে আছে Elbit Systems ( ইসরায়েলের ড্রোন ও AI-নজরদারি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান) । এদের ড্রোন ফিলিস্তিনের গাজায় গণহত্যার কাজে বহুল ব্যবহৃত। এখন বাংলাদেশ সীমান্তে এবং কক্সবাজারের উপরেও তারা নজর রাখছে। বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক ডেটা নিয়ন্ত্রণ করছে Pegasus এর পরবর্তী প্রজন্মের স্পাইওয়্যার। যারা ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ব্যাংক অ্যাপ, লোকেশন, সব ট্র্যাক করছে। AI অ্যালগরিদমের মাধ্যমে তারা জানে, কোন এলাকায় কে বিদ্রোহী হতে পারে, কে ধর্মীয় পোস্ট বেশি দেয়, কার ধর্মীয় অনুভূতি প্রবল, কে সরকারের বিরোধিতা করতে পারে।

অনেকদিন যাবত বাংলাদেশের ভেতরে ডিজিটাল উন্নয়ন, স্মার্ট কার্ড, স্মার্ট সিটি এসবের কথা শোনানো হচ্ছে। আমরা ভাবছি এগুলো বুঝি দেশের ভালোর জন্য করা হবে। কিন্তু আসলে এগুলোর আড়ালে কী হচ্ছে জানেন? দেশের ভৌগোলিক সীমানা একে একে আলগা করে ফেলা হচ্ছে। মানে, বাংলাদেশের যে পুরো মানচিত্র একসময় এক ছিল, এখন সেটাকে ভেতরে ভেতরে ভাগ করার কাজ চলছে।

অনেকে ভাবেন, রোহিঙ্গা সমস্যা তো মানবিক ব্যাপার। কিন্তু এই রোহিঙ্গা ইস্যু হুট করে হয়নি। এটা বহু বছর আগে থেকেই পরিকল্পনা করা একটা রাজনৈতিক অস্ত্র। ঠিক যেমন অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ হয়, তেমনি কিছু ‘সংকট’ তৈরি করেও কোনো দেশ বা জায়গাকে দুর্বল করা যায়। রোহিঙ্গা ইস্যুও তেমন। এখন যে অবস্থা, টেকনাফ-উখিয়া-কক্সবাজার-দক্ষিণ চট্টগ্রাম এলাকাকে ঘিরে গোপনে আলাদা একটা ‘বাফার স্টেট’ বানানোর আলাপ চলছে। অর্থাৎ এই জায়গাটা থাকবে বাংলাদেশের ভেতরে, কিন্তু চালাবে জাতিসংঘ, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা আর আমেরিকান-অর্থায়নে চলা কিছু এনজিও।

এই এলাকায় কী হবে জানেন?
🔴 সেনাবাহিনী থাকবে শুধু লোক দেখানোর জন্য। মানে ওরা বড় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না।
🔴 পুলিশের অভিযান চালাবে আমেরিকান বা ইসরায়েলি কন্ট্রাক্টর।
🔴 সেখানকার মানুষের সব তথ্য, পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন সব ডেটা যাবে দেশের বাইরে।
🔴 এনজিও যেসব ডিজিটাল আইডি দেবে, সেটাই হবে আসল পরিচয়পত্র। মানে, সরকারের আইডি দিয়ে কিছু হবে না।

এদিকে ভারতের ভূমিকাও খুব চালাকির। তারা বলবে, আমরা কিছু জায়গা ছেড়ে দিচ্ছি। আসলে তারা এর বদলে বেশি কিছু পাবে। যেমন:
✅ কালাদান করিডর + চট্টগ্রাম-আরাকান করিডোর = দুটোর কম্বিনেশন
✅ মানে ভারতের জন্য একটা সরাসরি রুট খুলে যাবে বঙ্গোপসাগরে।
✅ চীনের বঙ্গোপসাগরের প্রবেশপথ তারা আটকে দিতে পারবে।
✅ পার্বত্য চট্টগ্রাম আর মিজোরাম-অরুণাচলের বিদ্রোহীদের মাঝখানে এক বিশাল ‘নিরাপত্তা বেল্ট’ বানাবে।
✅ যেন কেউ সহজে বিদ্রোহ করতে না পারে।

অনেকে জানেন না, ১৯৯০ সাল থেকে ভারত-মিয়ানমার-ইসরায়েল মিলে একটা গোপন ডকট্রিন চালাচ্ছে। নাম “বর্ডারলেস কাউন্টার-ইনসারজেন্সি”। মানে, সীমান্তের ভেতর-বাইরে মিলিয়ে বিদ্রোহী দমন। এর অংশ হিসেবে অপারেশন সানরাইজ চালানো হয়। সেখানে ভারত-মিয়ানমার যৌথভাবে অভিযান চালায়। আর ইসরায়েল সরবরাহ করে সারভেইলেন্স ড্রোন ও স্পাই ক্যামেরা। বর্তমানে এই বাফার স্টেট বানানোর জন্য ইসরায়েলি কোম্পানি ইলবিট সিস্টেমস ড্রোন দিয়ে আগেই প্রতিটা জায়গা ম্যাপ করে রেখেছে। প্রশ্ন আসতে পারে, ইলবিট সিস্টেমস আবার কী? এটা হল ইসরায়েলের সামরিক প্রযুক্তি কোম্পানি। যাদের ড্রোন, স্পাই টেকনোলজি ফিলিস্তিনিদের ওপর বহুবার ব্যবহার করা হয়েছে। এইসব ড্রোন দিয়ে আগে রোহিঙ্গা ক্যাম্পও নজরদারি করা হয়েছে।

ভারত চায় উত্তর-পূর্ব বিচ্ছিন্নতাবাদ ঠেকাতে। ইসরায়েল চায় বঙ্গোপসাগরে সামরিক উপস্থিতি এবং মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ভৌগলিক ফাটল তৈরি করতে। আর আমেরিকা চায় চীনকে ঠেকাতে এবং ইন্ডো-প্যাসিফিক অঞ্চলে তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে। এই তিনের মিলিত স্বার্থেই বাংলাদেশ এখন তিনদিক থেকে ক্লিপের মতো চেপে ধরা হচ্ছে।

ফলাফল কী হবে?
→ ভারত ভূমি দখলে রাখবে।
→ জাতিসংঘ প্রশাসন চালাবে।
→ ইসরায়েল সব তথ্যের নিয়ন্ত্রণ নেবে।

অর্থাৎ পুরো সিস্টেম হবে ফিলিস্তিনের মতো। আকাশে সাহায্যের প্লেন আসবে, মাঠে ত্রাণ বিতরণ হবে, আর ক্যাম্পে থাকবে ‘শান্তি’ রক্ষা বাহিনী। বাইরে স্লোগান হবে ‘মানবতা রক্ষা’ আর ভেতরে হবে এক বিশাল কারাগার। শুধু পার্থক্য এই যে, এটা বাংলাদেশের টেরিটরির ভেতরেই হবে। আর আমরা তখন ভাবব, সবকিছু ঠিকঠাকই চলছে।

একটু উদাহরণ দিলে আরও ভালো বোঝা যাবে:
ধরুন, আপনি একটা গ্রামে থাকেন। হঠাৎ একদিন আপনার এলাকায় কিছু বিদেশি গাড়ি ঢুকলো। গাড়ি থেকে যারা নামলো, সবার গায়ে সুন্দর শার্ট-প্যান্ট, হাতে ফাইল। তারা এসে জানালো, “ভাই, আপনার পাড়ার উন্নয়ন হবে। নতুন রাস্তা হবে, হাসপাতাল হবে, স্কুল হবে। আপনার জীবনই বদলে যাবে।” আপনি খুশি। গ্রামের লোক খুশি। কেউ তো এতদিন এসবের খবরই রাখে নাই। এবার রাস্তাঘাট হবে, সুপারমার্কেট হবে। সবার মন ভালো।

তারপর একদিন তারা সবাইকে ডেকে বললো, “উন্নয়নের কাজ করতে হলে আপনারা কারা, কার কোথায় বাড়ি, কয়জন ছেলে-মেয়ে, কে কোথায় যাতায়াত করে, এগুলা জানতে হইবো। চিন্তা নাই ভাই, আমরা তো আর খারাপের জন্য করছি না। উন্নয়নের স্বার্থে এগুলা লাগবে।” এভাবে আপনার মোবাইলের লোকেশন, মোবাইল নম্বর, কার সঙ্গে মেলামেশা করেন, কোথায় যাতায়াত করেন এই সব ডেটা তারা নিতে শুরু করলো। আপনি ভাবলেন, “আরে নিলেই বা কী! রাস্তা তো হচ্ছে, হাসপাতাল তো বানাচ্ছে।”

কিন্তু এখানেই খেলা শুরু। তারপর ওরা আস্তে আস্তে আশেপাশের জমিগুলো কিনতে লাগলো। কাউকে ৩ গুন, কাউকে ৫ গুণ দাম দিলো। কেউ দিতে না চাইলে, তার নামে ‘অবৈধ দখল’ কেস দিয়ে দিলো। এরপর একদিন ঘোষণা এলো, “এই এলাকা একটি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাভুক্ত করা হয়েছে। এখন থেকে এই রাস্তা শুধু স্পেশাল পারমিশন ওয়ালা গাড়ির জন্য। এই জায়গায় আর আপনি বাজার করতে পারবেন না।”

আপনারা একটু বিরক্ত হলেন। কিন্তু পাশেই একটা হাসপাতাল হচ্ছে, নতুন রাস্তা হচ্ছে। উন্নয়নের নেশায় কেউ কথা বললো না। এরপর একদিন ওরা বললো, “নতুন নাগরিক পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। এনজিও ইস্যু করবে। এই আইডি না থাকলে আপনি কিছু করতে পারবেন না। পুরান জাতীয় পরিচয়পত্র বাতিল।” লোকজন লাইনে দাঁড়িয়ে নতুন আইডি নিলো। এবার থেকে আপনি বাজারে যাবেন এই কার্ড নিয়ে। হাসপাতালে যাবেন এই কার্ড নিয়ে। ব্যাংকে টাকা তুলতে লাগবে এই কার্ড। আপনি ভাবলেন, আরে ভাই, এক কার্ডে সব, ভালোই তো সুবিধা। একদিন দেখলেন, গ্রামের যারা জায়গা বিক্রি করে নাই, তাদের জায়গায় ‘ডেভেলপমেন্ট জোন’ ঘোষণা হলো। আপনি বুঝতেই পারলেন না কবে আপনার নিজের জমি ‘স্পেশাল জোন’ হয়ে গেল। এখন এই জমির মালিক আপনি হলেও, কোনো অধিকার নাই।

এরপর তাদের সার্ভার থেকে আসবে সিদ্ধান্তঃ
✅ আপনি কোথায় যেতে পারবেন
✅ আপনার মোবাইল কোথায় যাবে
✅ কার সঙ্গে কথা বলবেন
✅ আপনার এলাকায় বাজার কখন খুলবে
✅ আপনি কী কাজ করতে পারবেন
✅ কার জমি অধিগ্রহণ হবে
✅ কে কয়টা গরু রাখতে পারবে

এমনকি আপনার সন্তান কোন স্কুলে পড়বে, কোন সিলেবাস ফলো করবে, কি শিখবে, কারা শেখাবে, কে কোন চাকরি করতে পারবে, সেটাও নির্ধারিত হবে বাইরে থেকে। আপনি কোনো প্রশ্ন করলে বলবে, “ঐ মিয়া, কেন হুদাই টেনশন করতেছেন? উন্নয়ন হইতেছে দেখেন না?” আপনার মোবাইল, ফেসবুক, বিকাশ, এনজিও আইডি, স্মার্ট কার্ড সব মিলিয়ে আপনার একটা পূর্ণাঙ্গ “সোশিও-ডিজিটাল” প্রোফাইল বানানো আছে। সেই ডেটাগুলো জমা আছে সিঙ্গাপুর, দুবাই আর তেলআবিবের ডেটা সেন্টারে। সেখান থেকে ঠিক করা হচ্ছে, আপনি 'ভদ্র' নাগরিক না 'ঝুঁকিপূর্ণ'। যখন তাদের প্রয়োজন হবে, তখন ডেটা দেখে বলবেঃ “এই লোকের আচরণ ঠিক না। এরে এলাকা ছাড়াও।” অথবা আপনার কার্ড ব্লক। কোনো কেনাকাটা, কাজ কিছুই করতে পারবেন না।

আপনার এলাকার পুলিশ থাকবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্বে, অপারেশন চালাবে বিদেশি কন্ট্রাক্টর। আপনি কিছু বলতে পারবেন না। পুরো প্রশাসন হবে জাতিসংঘের হাতে। নজরদারি করবে ইসরায়েলি কোম্পানি। সেনাবাহিনী থাকবে আনুষ্ঠানিক, পুলিশ থাকবে আমেরিকান কন্ট্রাক্টরের হাতে। এই সিস্টেম শুধু আপনার গ্রাম না, এটা অলরেডি কক্সবাজার-টেকনাফ, মংলা, বরিশাল-সাতক্ষীরা এবং চট্টগ্রামের কিছু জায়গায় চলছে। ঢুকছে পার্বত্য চট্টগ্রাম, বান্দরবান, মেঘালয় সীমান্তে।

ভারত তার মতো ‘ডেপথ ডকট্রিন’ চালাবে। একদিকে জমি ছেড়ে দেওয়ার নাটক, আরেকদিকে বঙ্গোপসাগরের প্রবেশপথ, বিদ্রোহী অঞ্চল আর নিরাপত্তা বলয় কন্ট্রোল। শেষ পর্যন্ত, আপনি দেশের মাটিতে থাকবেন। কিন্তু সব কিছু পরিচালনা করবে বিদেশি সংস্থা। ডেটা থাকবে বিদেশে। আপনার নিজের এলাকায় আপনি কী করবেন, কোথায় যাবেন, কেমন জীবনযাপন করবেন, সেটাও নির্ধারিত হবে বিদেশি সার্ভার থেকে। এটাই হবে এক ধরনের ‘ফিলিস্তিন ২.০’। ফারাক একটাইঃ এখানে মর্টার-শেল নাই। এখানে আছে উন্নয়নের ট্রাক এবং এনজিওর হাসিমুখ। আপনি যখন বুঝতে পারবেন, তখন দেরি হয়ে যাবে। কারণ আপনি তো এতদিন রাস্তাঘাট-হাসপাতাল বানানোর খুশিতে আত্মহারা ছিলেন। ডেটা দিচ্ছেন। জমি হারাচ্ছেন। আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ ঠিক করে দিচ্ছে অন্য কেউ। আর আপনি বসে আছেন ‘উন্নয়ন তো হইতেছে’ বলে।

এবার শুনেন। এটা কোনো কাল্পনিক গল্প না ভাই। এই পরিকল্পনা অনেক আগে শুরু হয়েছে। অনেকে ভাববেন, কে শুরু করেছে, ইউনূস? হা হা হা। না ভাই। এই পরিকল্পনার মূল কাঠামো শুরু হয়েছিল ১৯৯০ এর দশকের মাঝামাঝি থেকে। আরেকটু পেছনে গেলে ১৯৭৪ সালের বিশ্ব জনসংখ্যা কনফারেন্স (Bucharest) এবং ১৯৭৪ সালের “Kissinger Report” (NSSM 200) এ স্পষ্ট বলা হয়, “তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে জনসংখ্যা, জমি, প্রাকৃতিক সম্পদ আর তরুণদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ভবিষ্যতে পশ্চিমা অর্থনীতি ও সামরিক প্রভাব টিকবে না। এইজন্য এনজিও, পরিবার পরিকল্পনা, উন্নয়ন প্রকল্প আর স্থানীয় বিচ্ছিন্নতা তৈরি করার মাধ্যমে দেশগুলোকে ধীরে ধীরে ভেতর থেকে আলাদা করে ফেলা হবে।” বাংলাদেশ সেই টার্গেট লিস্টের অন্যতম। পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছিল মূলতঃ ২০০১ সালের পর থেকে। বিশ্বজুড়ে ‘War on Terror’ ঘোষণার পর ‘ডেটা সিকিউরিটি’, ‘সন্ত্রাসী শনাক্তকরণ’, ‘উন্নয়ন সহযোগিতা’ নামে এই খেলা গোপনে শুরু হয়। বাংলাদেশে ২০০৮ সালের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রজেক্টের মধ্য দিয়ে সরকারিভাবে ঢোকে। এরপরঃ

✅ NID স্মার্টকার্ড
✅ মোবাইল রেজিস্ট্রেশন
✅ বায়োমেট্রিক
✅ ব্যাংক KYC
✅ ডিজিটাল লেনদেন
✅ অনলাইন শিক্ষা-স্বাস্থ্য
✅ স্মার্ট সিটি প্রকল্প
✅ উন্নয়ন জোন

আরও পরিষ্কার করে বলি—

👉 ১৯৭৪: NSSM 200 বললো, Third World এর জনসংখ্যা কমাতে হবে
👉 ১৯৯০: Borderless Counter-Insurgency Doctrine
👉 ২০০১: War on Terror এর মাধ্যমে surveillance বৈধ করা হলো
👉 ২০০৮: ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার মধ্য দিয়ে ডেটা সংগ্রহ শুরু
👉 ২০১২: USAID এর প্রথম biometric pilot
👉 ২০১৫: বিশ্বব্যাপী UBI + UBS প্রচার শুরু
👉 ২০১৮: Rohingya crisis → facial recognition pilot শুরু
👉 ২০২৩: UBS কে ID4D program-এর সাথে যুক্ত করা হয়
👉 ২০২৪–২৫: এখন শুধু লঞ্চ ফেইজ চলছে

এই সবই সেই বৈশ্বিক অপারেটিং সিস্টেমের গ্র্যান্ড পরিকল্পনার অংশ। আরও বিস্তারিত আলোচনা ইনশা’আল্লাহ আরেক পোস্টে হবে।

আসসালামু আলাইকুম।

Photos from Al-Haya Accessories's post 11/05/2025

ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে চান? 💡
তাহলে এই স্টাইলিশ ওয়াল শেল্ফ আপনার জন্যই। যার 2 পিস মাত্র 249 টাকা!!!

✅ 2 টি কালারের শেলফ পাচ্ছেন। সাদা ও কাঠ রঙ। চাইলে mix করেও নিতে পারেন।
✅ গাছ, বই, শো-পিস – যেকোনো কিছু রাখতে পারেন এই মজবুত শেলফ এ।
✅ সারা দেশে কুরিয়ার সার্ভিস ও হোম ডেলিভারি।

অফার ও স্টক সীমিত। শেষ হওয়ায় আগেই দ্রুত অর্ডার করুন। ইনবক্স করুণ এখনই।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Dhaka