POP CRON
সপ্নে দেখা দিলা তুমি আর দোষ হইলো আমার.... ���
26/08/2025
26/08/2025
চুম্বনহীন সম্ভোগ
‐----------------------
সম্ভোগ আসে ভালোবাসার টান থেকে নয়তো নিছক শরীরের চাহিদা থেকে।
যে মিলন প্রেম থেকে উঠে আসে সেখানে নানারকম ত্রুটি বিচ্যুতি দুজনে খুশি মনে সারিয়ে নেয়।
সেখানে চুম্বন ফুটে ওঠে তারার মতো।
অজস্র তারা ঢাকা আকাশের মত অসংখ্য চুম্বনে সেজে ওঠে সম্ভোগ।
কিন্তু যেখানে মন নেই,সেই সম্ভোগে চুম্বন থাকে না,থাকতে নেই।
চুম্বন বড় মায়ার জিনিস।
অনেকখানি ভালোবাসা থেকে জন্ম নিতে থাকে চুম্বন।
শরীর সমুদ্র মন্হন করে উঠে আসতে থাকে পবিত্র চুম্বন।
যে মেয়েটি পেটের জন্য,যে মেয়েটি বড় সুযোগের জন্য,সম্ভোগে ঢুকে পড়ে সে মায়াবী নিস্পাপ চুম্বন দিতে পারে না।
একটি দীর্ঘ,গাঢ়,মনোযোগী চুম্বনের জন্য অনেকখানি প্রেম লাগে।,,,,,,,
20/06/2025
আমরা অবৈধ সম্পর্ক গুলো নিয়ে বেশি মাতামাতি করি। ছি ছি করি, নিন্দা করি! কিন্তু ভালোবাসা বিহীন বৈধ সম্পর্কের মাঝেই যে অবৈধ সম্পর্কের বীজ লুকিয়ে থাকে, সে দিকে আমরা দৃষ্টিপাত করিনা।
একটা কাগজ, একটু রং, আর কিছু মানুষ ঠিক করে দেয় দুটো আত্মার বৈধতা।
কাগজ জানেনা তাতে কি লেখা আছে, রং জানেনা কেন সে ব্যবহৃত হচ্ছে আর যে মানুষ গুলো বৈধতার সাক্ষী সেই মানুষ গুলোর মধ্যে বেশিরভাগ মানুষ নিজেই ভালবাসা বিহীন বৈধতার সম্পর্কে জড়িয়ে ক্ষত বিক্ষত। কি অদ্ভুত না!
আমার প্রশ্ন এখানেই??
আমার আত্মা, আমার শরীর, আমি কি ভাবে পরিচালিত করবো সে নিতান্তই আমার সিদ্ধান্ত।
কাউকে না ঠকিয়ে, কাউকে প্রতারিত না করে, মিথ্যে কে হাতিয়ার না করে যদি কোনো কাজ- সত্যের উপরে দাড়িয়ে, সম্মতিক্রমে করা হয় সে কাজ কি ভাবে অবৈধ হতে পারে।
আমি এ রকম অনেক বৈধ সম্পর্ক দেখেছি যেখানে ভালবাসা, সম্মান, বিশ্বাস থাকে না!
আবার এ রকম অনেক সম্পর্ক দেখেছি যে খানে- স্ট্যাম্প পেপার নেই, রঙ নেই, নেই কোন সাক্ষী তার পরেও সেই সম্পর্কে জড়িয়ে থাকা দুটো মানুষের মধ্যে যথেষ্ট বিশ্বাস, সম্মান ,ভালবাসা আছে।
আমার মনে হয় ভালবাসা বিহীন, চ্ক্ষু লজ্জার কারনে জড়িয়ে থাকা বৈধ সম্পর্ক গুলোই অবৈধ।।
14/06/2025
ভিক্টর নোয়ার একজন তরুণ ফরাসি সাংবাদিক, যিনি ১৮৭০ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার জীবনের চেয়েও আজ বেশি আলোচিত তার কবর।
প্যারিসের বিখ্যাত Père Lachaise Cemetery-তে তাঁর কবরের উপর ১৮৯০ সালের দিকে ভাস্কর জুলস দালু একটি ব্রোঞ্জের মূর্তি নির্মাণ করেন। কিন্তু এই মূর্তি সময়ের সাথে হয়ে ওঠে প্রজনন ক্ষমতা ও প্রেমের সৌভাগ্যের প্রতীক।
মূর্তিটির প্যান্টের একটি ভাঁজকে অনেকেই দেখে থাকেন যৌন-উত্তেজনার ইঙ্গিত হিসেবে। এরপর থেকে স্থানীয় লোককথা ছড়িয়ে পড়ে- যদি কোনো নারী ভিক্টরের টপ হ্যাটে ফুল রাখে, ঠোঁটে চুমু দেয় এবং প্যান্টের নির্দিষ্ট অংশে স্পর্শ করে, তবে তিনি নাকি সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা পাবেন, ভালোবাসায় সফল হবেন বা এক বছরের মধ্যেই বিয়ে হবে তার।
এই বিশ্বাস এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে, ঐ অংশে ঘষাঘষির কারণে ব্রোঞ্জের রং উঠে গিয়ে আলাদা রং ধারণ করে। ২০০৪ সালে কর্তৃপক্ষ একবার প্রাচীর দিয়ে এসব ঠেকানোর চেষ্টা করলেও জনতার প্রবল প্রতিবাদে তা সরিয়ে নেওয়া হয়।
28/05/2025
পুরুষ মানুষ সুযোগ পেলে; কেবল মাত্র শারীরিক উত্তেজনা ও কামবোধ থেকে যেকোন নারী দেহের কাছে যেতে পারে!
নারীদের একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। নারী তার কামবোধকে সংযত করতে পারে। মানসিক আগ্রহ ও কোনরকম আবেগের জায়গা সৃষ্টি না হলে, নারীরা সাধারনত দেহের বিনিময় করেনা।
পুরুষের ভেতরও এক শ্রেণীর পুরুষ আছেন, যারা তার তীব্র কামবোধকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে। সুযোগ থাকার পরও নারীরা যার তার সাথে নিজেকে ভাগ করেনা; এমন পুরুষের সন্ধান পাওয়া বিরল, তবে শূণ্য নয়।
যে পুরুষ সুযোগ থাকার পরও তার কাছের মানুষটির কথা ভেবে,
নিজের কামনা ও বাসনাকে নিয়ন্ত্রন করে এবং সকল সুযোগ উপেক্ষা করে ঘরে ফিরে আসে, সে কেবল পুরুষ নয়; মহাপুরুষ!
তাকে ভালোবেসো!
22/05/2025
"ফার্মগেট"
এই জায়গাটা হচ্ছে ভাই শেখার জায়গা..! মহাভারতে যা নেই তা যেমন ভারতে নেই, তেমনি ফার্মগেটে যা নেই তা সমস্ত ঢাকাতে নেই ! রাস্তার ধারের ২ টাকার সিংগাড়া থেকে কাচ্চি, ৫টাকার আদা চা থেকে টং ঘর, ইসলাম মিশন থেকে চার্চ, ৮০টাকার পতিতা থেকে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, রেলগেটের ৬০ টাকার গাঁজা থেকে বার, ট্রেন থেকে বাস, স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, রাস্তার ধারের ২০টাকায় বাইচ্ছা লন দেইখ্যা লন কাপড়ের ভ্যান থেকে বসুন্ধরা সিটি, রাস্তায় ঘুমানো বিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত কি নেই ফার্মগেটে!
কলেজ, রাসেল চত্ত্বর, হলে আড্ডা দেয়া, খামার বাড়ির সামনের অপেক্ষা, স্টেশন এ লোকাল ট্রেনের ফ্রি রাইড, রেলগেইট পার করে আনিসুল হক সড়ক ধরে সাতরাস্তা-হাতিরঝিল, তেজগাঁও বয়েস এর মসজিদ, ফুট ওভার ব্রিজের ২০টাকার মোজা, ইসলাম মিশনে জুম্মা, ফার্মগেটের কোনায় ১০টাকায় সো কলড দুধ চা, ২টাকায় ওজন মেপে নেয়া, ইন্দিরা রোডে তেজগাঁও কলেজ এর সামনে বোবা মামাটার ভেলপুরি, আনোয়ারা পার্কের সেই মারামারি/আড্ডা,সেজান পয়েন্টে এসির হাওয়া খেতে খেতে আড্ডা,খামার বাড়ি(টিএনটি মাঠের কোণায়) মিজান মামার দোকানের সেই রঙ চা,ঘরোয়া হোটেলের ৫০ টাকার খাবার,অনেক রাতের বেলায় সেজান পয়েন্টের সামনে সুবাসের বিরিয়ানি, আইবিএ এর খালার দোকানের ডিম-পরটা ।এশিয়া প্যাসিফিকের এর সামনে ঘাস লতাপাতা দিয়ে অতিরিক্ত চিনির চা, মানিক মিয়া এভিনিউ, সংসদ ভবন এর সামনের সারিসারি বকুল গাছ, কলেজ পালিয়ে বসুন্ধরা, ক্রিসেন্ট লেক রোডের কৃষ্ণচূড়া, কাওরান বাজারের রাতের ব্যস্ততা, রাতে ভ্যানের সারি-টুপরিতে দিনমজুরদের ঘোর ঘুমে দেখে কেমন লাগা, রাস্তায় ভুখা শিশু-বৃদ্ধর আহাজারি, আনন্দ সিনেমা হলের সামনে বিশাল জমায়েতে ব্রাজিল/আর্জেন্টিনার খেলা দেখা, জনৈক পতিতার কিছু লাগবেনি উত্তরে দর কষা, পান্থপথ পার হয়ে ধানমন্ডি লেকে আড্ডা দেয়া, ১৫ টাকার প্রাণ খেয়ে টাকা তুই দিবি তুই দিবি যুদ্ধ করা, স্ট্রিট লাইট সোডিয়াম থেকে ক্যান এলইডি করা হলো তারজন্য গালমন্দ করা, ভিআইপি যাওয়ার আগের ৪০মিনিট দাঁতে-দাঁত কামড়ে দাঁড়িয়ে থাকা, ফুট ওভারে চুপ দাড়িয়ে ভিড়ের ব্যস্ততা দেখা একটা হাসিমুখ খোঁজে, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, হাফ পাস না নেয়ার বাস নিয়ে কলেজে ঢুকায় রাখা, বাস ভাংচুর, পুলিশের লাঠি! শত মন খারাপ, শত মন ভালো! কি সুন্দর! এই শহর কতো রঙিন, এই শহর কতো কালো!
আহ ফার্মগেটের দিনগুলি!
প্রিয় ফার্মগেট ১২ বছরে অনেক কিছুই দিয়েছ তুমি, অনেক কিছুই শিখিয়েছো,আবার অনেক কিছুই কেড়ে নিয়েছো। তাইতো সুযোগ পেলেই ছুটে যাই তোমার কাছে............
ভালোবাসি তোমাকে ফার্মগেট!💙
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
