Nutri talk ē Etisha

Nutri talk ē Etisha

Share

Ignore myth, focus on fact.

I’m excited to start this new journey in this profession.Check out my profile to learn more about me and follow me to stay connected.

18/12/2025

আলসার রোগীদের জন্য অনুসরনীয়ঃ
১. মশলাযুক্ত ও ঝাল খাবারঃ সকল ধরনের মরিচ, গোলমরিচ সম্পূর্ণভাবে বাদ দিতে হবে, গরম মসলা সম্ভব হলে এড়িয়ে চলতে হবে।
২. ক্যাফেইন ও কার্বনেটেড পানীয়ঃ কফি, চা, কোলা এবং অন্যান্য ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় , কার্বনেটেড পানীয় (সফট ড্রিংকস) পাকস্থলীতে অ্যাসিড নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে, গ্যাসের সৃষ্টি করে এবং পেটে অস্বস্তি বাড়াতে পারে।
৩. অ্যালকোহল, চকলেটঃ আলসারকে আরও গুরুতর করে তোলে।
৪. উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবারঃ ভাজাপোড়া, ফাস্ট ফুড, চর্বিযুক্ত মাংস (যেমন: গরু, খাসির মাংস) এবং প্রক্রিয়াজাত মাংস (সসেজ, সালামি) হজম হতে বেশি সময় লাগে।
৫.ননিযুক্ত দুধ, পনির, ক্রিম এড়িয়ে চলাঃ সম্পূর্ণ ননিযুক্ত বা ফুল ফ্যাট দুধ,ভারী ক্রিম, হুইপিং ক্রিম,ক্রিমযুক্ত সস,আইস্ক্রিম এবং মাখন ,বিশেষ করে উচ্চ চর্বিযুক্ত পনির যেমন চেডার, মোৎজারেলা, এবং ক্রিম পনির এড়িয়ে চলা উচিত।
৬. লবণাক্ত খাবারঃ প্রক্রিয়াজাত খাবার (চিপস, সসেজ, সালামি, প্রক্রিয়াজাত মাংস, নুডলস, এবং প্যাকেটজাত স্যুপ) ,ফাস্ট ফুড (বার্গার, ফ্রাইস), আচার এবং সস (সয়া সস, টমেটো সস এবং মেয়োনেজ), ভাজা বা নুনযুক্ত বাদাম এড়িয়ে চলা উচিত।
৭.ফলঃটক বা অ্যাসিডিক ফল,কাঁচা বা অপরিপক্ক ফল ,আঁশযুক্ত ফল পরিহার করতে হবে।
🍎নিষেধ: কমলা,জাম্বুরা,আঙুর ,আনারস,স্ট্রবেরি,ব্ল্যাকবেরি,রাস্পবেরি ।

🍏উপকারী: কলা,আপেল (খোসা সহ),তরমুজ,পেঁপে,নাশপাতি ।

৮। সবজিঃ কাঁচা সবজি খাওয়া যাবে না। সবজি রান্নায় অতিরিক্ত তেল,মশলা পরিহার করতে হবে। রান্নার সময় সবজি সুসিদ্ধ হয়েছে কি না লক্ষ্য রাখতে হবে।
🍎নিষেধঃটমেটো,কাঁচা পেঁয়াজ ও রসুন,বাঁধাকপি ,ফুলকপি,কাঁচামরিচ,ব্রকোলি,ক্যাপসিকাম।

🍏উপকারীঃপেঁপে , চিচিঙ্গা,পটল,ঝিঙা,চালকুমড়ো, কুমড়ো,লাউ , শসা,আলু ,মিষ্টি আলু,বেগুন ,সবুজ মটরশুঁটি ।

16/11/2025

🍏আলসার রোগীদের রান্নায় বিকল্প কী হতে পারে ?

১। স্বাদের জন্য হালকা ও উপকারী মসলা ব্যবহার করতে পারেন। যেমনঃ হলুদ,জিরা,ধনে গুঁড়ো, লবণ (খুবই সীমিত)।
২। লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে তার পরিবর্তে তাজা সবজি ও ফল খেতে পারেন। খাবার রান্নায় লবণের বিকল্প হিসেবে সামান্য আদা বা লেবুর রস (যদি আপনার পেটে সহ্য হয়) ব্যবহার করতে পারেন।
৩। কম চর্বিযুক্ত বা ননিমুক্ত দুধ,সয়া দুধ, বাদামের দুধ বা ওট দুধ (আলসারের রোগীদের জন্য ভালো বিকল্প হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, পাতলা এবং চিনিমুক্ত দই হজমের জন্য উপকারী হতে পারে।

01/11/2025

আলসার পেশেন্টদের জন্য অনুসরণীয়
১। খাদ্য প্রস্তুতপ্রণালীঃ
ব্ল্যান্ড ফুডঃ ব্ল্যান্ড বা কম মশলার স্বাদযুক্ত খাবার বলতে সাধারণত এমন খাবার বোঝানো হয় যার নিজস্ব স্বাদ কম বা স্বতন্ত্র নয়, যেমন - সেদ্ধ আলু, সেদ্ধ ডিম, বা সাধারণ সেদ্ধ করা চিকেন,আপেলসস।
সুসেদ্ধ খাবার বা নরম খাবারঃসুসেদ্ধ খাবার বলতে এমন খাবারকে বোঝানো হয় যা ভালোভাবে সেদ্ধ করা হয়েছে, সহজে হজম হয় এবং পেটের জন্য সহনীয়। এই ধরনের খাবার প্রস্তুত করার জন্য কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চলা হয়।যেমন-সেদ্ধ করা ,ভাপানো ,প্রেসার কুকিং ইত্যাদি।

২। খাদ্য গ্রহণের সময়ঃ
• নিয়মিত খাবার খাওয়া এবং দীর্ঘ সময় খালি পেটে না থাকা।
• প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খাওয়া।
• একসাথে বেশী না খেয়ে,অল্প অল্প করে বারে বারে খাওয়া।
• দিনে ৬ বার খাবার খাওয়া। ৩ বার (সকাল,দুপুর এবং রাত) দিনের প্রধান খাবারের পাশাপাশি নাস্তা (মধ্যসকাল,বিকাল,রাতে ঘুমানোর আগে) খাওয়া।
• ঘুমানোর ১-২ ঘন্টা আগে খাবার খাওয়া।

৩। জীবনযাত্রার পরিবর্তনও জরুরিঃ
• খাবার ভালো করে চিবিয়ে খাওয়া (যতক্ষন পর্যন্ত খাবার তরলে পরিনত না হয় )।
• তরল এবং নরম খাবার খাওয়ার সময় মুখে একটু সময় রাখা,লালার সাথে মিশ্রিত হতে সময় দেয়া।
• ধূমপান, তামাক, পান ত্যাগ করা।
• খাওয়ার পর সাথে সাথে শুয়ে না পড়া।
• মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করা।
• আলসার রোগীদের জন্য ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমিতি বজায় রাখা খুবই জরুরি।
• কোনো নির্দিষ্ট সবজি খাওয়ার পর যদি পেটে অস্বস্তি বা ব্যথা হয়, তাহলে তা এড়িয়ে চলা উচিত।

15/10/2025

so called diet....

08/10/2025

বাংলাদেশে, প্রতি বছর ৮ থেকে ১০ লাখ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হন, যার মধ্যে প্রায় ৩ লাখ মারা যান হার্ট অ্যাটাক বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে। এর মধ্যে অনেকেই দাওয়াতে অংশগ্রহণ করে হার্ট এটাক বা স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়।দাওয়াতের বিশেষ ধরনের খাবার এবং অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া এই ঝুঁকিগুলোকে বাড়িয়ে দিতে পারে।

১. দাওয়াতের খাবারে উচ্চ চর্বি, লবণ ও শর্করাঃ
🌱অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল:গরু ও খাসির মাংস, ঘি বা তেলে রান্না করা খাবার, এবং দুগ্ধজাত ডেজার্টে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরল প্রচুর পরিমাণে থাকে। এই সকল খাবার খেলে রক্তনালীতে জমে থাকা চর্বির দলা (Plaque) হঠাৎ ফেটে যেতে পারে এবং রক্ত জমাট বাঁধিয়ে করোনারি রক্তনালী (Coronary Artery) সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিতে পারে। এই অবস্থাকেই হার্ট অ্যাটাক (Myocardial Infarction) বলা হয়।
🌱অতিরিক্ত লবণ (সোডিয়াম): দাওয়াতের খাবারে লবণের পরিমাণ বেশি থাকলে তা রক্তচাপ (High Blood Pressure) তাৎক্ষণিকভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে।
🌱পোলাও, বিরিয়ানি, মিষ্টি ও কোমল পানীয়ের অতিরিক্ত শর্করা (Carbohydrate) এবং চিনি রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দিতে পারে। যাদের আগে থেকেই ডায়াবেটিস আছে, তাদের জন্য এটি বিশেষভাবে বিপজ্জনক। এটি রক্তনালীর স্থিতিশীলতা নষ্ট করে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

২. অতিরিক্ত খাওয়া ও হজমের চাপ
দাওয়াতগুলোতে প্রায়শই মানুষ পেট ভরে বা পরিমাণের চেয়ে বেশি খেয়ে ফেলে। অতিরিক্ত ভোজন শরীরের ওপর তাৎক্ষণিক চাপ ফেলে:
🌱 হজম প্রক্রিয়ায় রক্ত সরবরাহ বৃদ্ধি: অতিরিক্ত খাবার হজম করার জন্য পাকস্থলীর দিকে বেশি রক্ত সরবরাহ হয়। এর ফলে হার্ট এবং মস্তিষ্কের রক্তনালীগুলোতে (বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই সরু বা ব্লক আছে) রক্তের চাপ কমে যেতে পারে।

🌱বুকের ব্যথা বৃদ্ধি: হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ভরপেটে খাওয়ার কারণে বুকের ব্যথা (Angina) বাড়তে পারে, যা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে।

🌱রক্তচাপের উঠানামা: অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে শারীরিক সিস্টেমে পরিবর্তন আসে, যা রক্তচাপের অস্বাভাবিক উঠানামা ঘটিয়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

৩. পূর্ববর্তী স্বাস্থ্য ঝুঁকি (Pre-existing Conditions)
দাওয়াত খাওয়ার পর হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঘটনাগুলো সাধারণত হঠাৎ ঘটে না। এর পেছনে বহু বছর ধরে বিদ্যমান থাকা স্বাস্থ্য ঝুঁকিগুলো প্রধান ভূমিকা পালন করে। দাওয়াতের খাবার সেই ঝুঁকিকে ট্রিগার করে। যেমনঃ উচ্চ রক্তচাপ ,ডায়াবেটিস, স্থূলতা ,ধূমপান ও মদ্যপান ,অলস জীবনযাপন ব্যায়ামের অভাব ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

তাই দাওয়াতের আয়োজকের উচিৎ কম চর্বিযুক্ত,হালকা মশলা যুক্ত খাবার তৈরি করা।এবং যারা দাওয়াতে যাবেন,তারা পরিমিত পরিমানে খাবার খাবেন।

04/10/2025

হার্টের সুস্থতায় কিছু সাধারণ পরামর্শঃ
• চাল এবং গম থেকে তৈরি সকল ধরনের খাবার বাদ দিতে হবে।বেকারি এবং যেকোন কারখানায় তৈরি খাবার পরিহার করতে হবে।পরিশোধিত চাল,আটা বাদ দেয়া উচিত।
• অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার এবং সাদা চিনি খাওয়া বাদ দিতে হবে।
• ট্রান্স ফ্যাট এমন একটি উপাদান যা হৃদরোগের জন্য দায়ী।ট্রান্স ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার যেমন: বেকারীর তৈরী খাবার- কেক বিস্কুট, পাউরুটি, চানাচুর, পেস্ট্রি এবং রান্না করা তেল পুনরায় ব্যবহার করে তৈরীকৃত খাবার বর্জন করতে হবে।
• খাবারের সময় অতিরিক্ত লবণ বা পাতে আলগা লবণ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। যদি প্রয়োজন হয়,পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করুন কারণ খুব বেশি পরিমাণে লবনের হ্রাস সোডিয়ামের ঘাটতি হতে পারে।। অতিরিক্ত লবণ সমৃদ্ধ খাবার যেমন প্রক্রিয়াজাত খাবার, মাংস, আচার, পনির, সস, সয়াসস, লবণ মাখানো চানাচুর, টিনজাত খাবার, বেকিং পাউডার, চাটনি, চিপস, নোনতা বিস্কুট, টেস্টিং সল্ট,ফ্রোজেন খাবার পরিহার হবে।

21/09/2025

খাদ্যতালিকায় কাঁচা খাবার যুক্ত করার সহজ উপায়:

• সকালের স্মুদিঃ প্রতিদিন সকালে পালং শাক, কলা, বেরি জাতীয় ফল এবং কিছু চিয়া বীজ দিয়ে একটি স্মুদি তৈরি করুন।
• সালাদ: দুপুরের খাবারে এক বাটি তাজা সবজির সালাদ অথবা রেইনবো সালাদ রাখুন।
• নাস্তায় বাদাম ও ফলঃ স্ন্যাকস হিসেবে ভাজাভুজি বা প্যাকেটজাত খাবারের বদলে কাঠবাদাম, আখরোট বা ফল বেছে নিন।
• সবজির স্টিক ও ডিপঃ গাজর, শসা, বা বেল পেপারের স্টিক কেটে নিন এবং এটি টক দই দিয়ে তৈরি স্বাস্থ্যকর ডিপের সাথে খেতে পারেন। এটি সহজ এবং স্বাস্থ্যকর একটি নাস্তা।
• রান্না করা খাবারের সাথে কাঁচা সবজিঃ আপনি যদি রান্না করা খাবার খেতে পছন্দ করেন, তাহলে খাবারের সাথে অতিরিক্ত কাঁচা সবজি যোগ করুন। যেমন: ডাল বা খিচুড়ির উপরে তাজা টমেটো বা পেঁয়াজ পাতা কুচি ছড়িয়ে দিন, অথবা স্টূ (stew) বা কারির সাথে এক বাটি সালাদ পরিবেশন করুন।

15/09/2025

খাবারের স্বাদে, হার্ট থাকুক আনন্দে;
হৃদরোগ যাবে দূরে, খাবার হোক স্বাস্থ্য-ভরে।

13/09/2025

কাঁচা খাদ্য: হৃদয়ের জন্য এক নতুন বার্তা

কাঁচা সবজি ও ফল হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী।এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ নিচে তুলে ধরা হলো:
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: কাঁচা ফল ও সবজিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যেমন - ভিটামিন সি, ভিটামিন ই এবং বিটা-ক্যারোটিন থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো শরীরের ফ্রি রেডিক্যালের কারণে হওয়া ক্ষতি প্রতিরোধ করে, যা হার্টের রোগ, প্রদাহ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে।

খাদ্য আঁশ: কাঁচা ফল ও সবজিতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকে। এই আঁশ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খুব সহায়ক। এটি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের(LDL) মাত্রা কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরলের (HDL) মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

ভিটামিন ও খনিজ: কাঁচা খাবার রান্না করলে কিছু ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই কাঁচা ফল ও সবজি খেলে শরীর সর্বোচ্চ পরিমাণে পুষ্টি পায়। এগুলো হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহ করে।

12/08/2025

মোমো - হতে পারে আপনার বিকেলের নাস্তা

বাড়িতে বানিয়ে মোমো খাওয়াই সবচেয়ে পুষ্টিকর। কারণ এক্ষেত্রে ফ্রেশ মাংস, টাটকা সবজি ব্যবহার করছেন। গাজর থেকে বাধাকপি সবই প্রায় খাটে মোমোর পুরে। ফ্রেশ মোমো (Momo) বানিয়ে খান, পান অনেক উপকারিতা।

☘️মোমো খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

☘️এখানে খুব বেশি মশলার ব্যবহার করা হয় না। যে কারণে মোমো খুব সহজে হজম করা যায়।

☘️চিকেন মোমো যারা ওজন কমাতে বা স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখার চেষ্টা করছেন তাদের জন্য একটি ভাল খাবার। চিকেন মোমোর স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক এবং বৈচিত্র্যময়। চিকেন মোমো প্রোটিনের একটি ভাল উৎস।

⭕ফ্রায়েড মোমো দেখতে ভাল এবং খেতে সুস্বাদু হলেও তার মধ্যে স্বাস্থ্যগুণ খুব বেশি নেই।

⭕মোমোর খোলটি তৈরি করা হয় ময়দা দিয়ে। ময়দার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি। ফলে, সুগারের রোগীদের জন্য তা মোটও ভাল নয়। বদলে মাল্টি গ্রেট আটা বা গমের আটা বেছে নিতে পারেন খোল তৈরির জন্য।

❌মোমো খেয়ে ওজন বশে রাখতে হলে খাবারের পরিমাণও বুঝতে হবে। কোনও খাবারই বেশি খাওয়া ঠিক নয়। স্বাস্থ্যকর হলেও নয়। তাই মোমো কতগুলি খেয়ে হাত গুটিয়ে নেবেন, সেটা নিজেকে বুঝতে হবে।♦️

03/08/2025

আমি আজ পর্যন্ত কোন ডায়েটিশিয়ান বা পুষ্টিবিদ দেখি নি ,যারা বিশেষ কারণ ছাড়া শুধু মাত্র ওজন কমানোর জন্য শর্করা বা কার্ব জাতীয় খাবার বাদ দিয়ে থাকেন।

কিন্তু এমন অনেক পেশেন্ট দেখেছি যারা বলে আপু আমাকে ভাত দিবেন না। আমি ভাত/ রুটি ছাড়া ডায়েট করতে পারি।
🙃🙃

ভাত-রুটি কি পুরোপুরি বাদ দেয়া উচিত?

একেবারেই না। লক্ষ্য হওয়া উচিত বুঝে খাওয়া। কার্বোহাইড্রেট আমাদের শক্তি, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা, হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় প্রয়োজনীয়। কিন্তু পরিশোধিত (refined) কার্ব বাদ দিয়ে পুরো শস্য (whole grains) বেছে নেওয়া উচিত:

* সাদা চালের বদলে ব্রাউন রাইস, আতপ চাল, হাতের কুটা চাল

* সাধারণ আটার বদলে মাল্টিগ্রেইন, রাগি বা জোয়ারের আটা

* সঙ্গে প্রোটিন (ডাল, পনির, ডিম, মাছ) ও সবজি রাখুন

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Lalmatia
Dhaka
1207