Islamic Vives
হালাল ইসলামিক বিনোদন
14/11/2025
ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলার।
সর্বমোট পদ: ৪১৬৬
#প্রাইমারি #প্রাথমিকশিক্ষক
14/11/2025
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যাল্প্যে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল
আমাদের কত অভিযোগ কত অজুহাত আল্লাহর প্রতি…
…. চোখে পানি চলে আসে
একটা মাত্র পোশাক ছিল তালহা (রা:) এবং তার স্ত্রীর; তারপরও আল্লাহর প্রতি কোন অভিযোগ ছিল না!!
সাহাবী তালহা প্রতিদিন নবী (ﷺ) পেছনে ফজরের নামাজ পড়েন। কিন্তু সালাম ফিরানোর সাথে সাথে তিনি মসজিদে না বসে তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যান।
এভাবে কয়েকদিন চলার পর অন্যান্য সাহাবারা এটা নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন, অথচ নবীজী (ﷺ) ও অন্যান্য সব সাহাবারা ফজর নামাযের পর সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে নবীজীর কাছে বসে থাকেন। এক পর্যায়ে এই বিষয়টি নবী কারিম ﷺ এর কানে পৌঁছালো।
নবীজী ﷺ সাহাবিদের বললেন:-
আগামিকাল ফজরের নামাজ শেষে তালহা যেন আমার সাথে দেখা করে। ফজরের নামাজ শেষ, তালহা বসে আছেন নবীজীর সাথে দেখা করার জন্য।
নবী কারিম (ﷺ) অতি মোলায়েম কন্ঠে তালহাকে বললেন, তালহা!
আমি কি তোমাকে কোন কষ্ট দিয়েছি..?
তোমার কোন হক নষ্ট করেছি..?
একথা শুনে তালহা (রা) কেঁদে ফেললেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (ﷺ) আমার জীবন আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। আপনি আমার কোন হক নষ্ট করেননি। নবীজী (ﷺ) বললেন, তাহলে তালহা ! তুমি প্রতিদিন নামাজ শেষে আমার কাছে না বসে চলে যাও কেন.?
তালহা কেঁদে কেঁদে বললেন, রাসুল (ﷺ) আমার এবং আমার স্ত্রীর সতর ডাকার জন্য একটি মাত্র জামা আছে। যেটা পরে আমি যখন নামাজ পড়ি আমার স্ত্রী তখন গুহায় থাকেন। স্ত্রী যখন নামাজ পড়েন আমি তখন গুহায় থাকি। এক্ষেত্রে ফজরের নামাজের সময় একটু অসুবিধা হয়ে যায়, ইয়া আল্লাহর রাসুল (ﷺ) ফজরের নামাজে আসার সময় আমি আমার স্ত্রীকে একটা গুহায় রেখে আসি।
এমতাবস্থায় আমি যদি নামাজ শেষে এখানে বসে থাকি তাহলে তো আমার স্ত্রীর নামাজটা কাজা হয়ে যাবে। এজন্য আমি নামাজ শেষে দৌঁড়ে চলে যাই।
তালহার কথা শুনে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) দরদর করে কাঁদছেন। নবীজীর দাঁড়ি বেয়ে বেয়ে চোখের পানি পড়তেছে। সাথে সাথে নবীজী তালহাকে জানিয়ে দিলেন, তালহা ! নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতে যাবে।
-(মুসনাদে আহমদ)
—সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত।
16/06/2025
💥৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি💥
16/06/2025
1 টন AC মানে আসলে কী?
অনেকে বলে, “আমার বাসায় 1 টন এসি আছে।” কিন্তু এই “1 টন” মানে কী?
ধরেন আপনার সামনে ১,০০০ কেজি বরফ আছে । ১ টন এসি মানে এমন একটা এসি, যা এক দিনে ১ টন(১০০০ KG) বরফ গলাতে যত তাপ দরকার, ঠিক সেই পরিমাণ তাপ রুম থেকে বের করে দিতে পারে।
★ ১ টন ইনভার্টার এসি দিনে ৮ ঘণ্টা চালালে এক মাসে খরচ কতো হয়?
ধরি এসিটা ঘণ্টায় ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খায় (আসলেও একটু কম খেতে পারে)।
✅ দিনে ৮ ঘণ্টা × ১ ইউনিট = ৮ ইউনিট
✅ ৩০ দিনে = ৮ × ৩০ = ২৪০ ইউনিট
বাংলাদেশে বিদ্যুতের গড় দাম ধরি ৮ টাকা/ইউনিট।
📌 তাহলে মাসে খরচ = ২৪০ × ৮ = প্রায় ১,৯২০ টাকা
তাই, এক মাসে আনুমানিক ১,৯০০–২,০০০ টাকা খরচ হতে পারে ৮ ঘণ্টা করে চালালে।
★ ইনভার্টার আর নন-ইনভার্টার এসির মধ্যে পার্থক্য কী?
AC কে যদি একটি Car ইঞ্জিন মনে করি, তাহলে -
একটি নন-ইনভার্টার AC হলো, এমন একটি Car, যেটি শুধুমাত্র ফুলস্পিডে যেতে পারে অথবা থেমে থাকতে পারে। এটা চালু হলে, ফুল পাওয়ারে চলে, রুম ঠান্ডা হলে আবার বন্ধ হয়। পরে আবার চালু হয়। এভাবে প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হয়।
ইনভার্টার এসি একটা স্মার্ট Car এর মতো যেটা স্পিড কমাতে-বাড়াতে পারে। রুম গরম থাকলে, এটা দ্রুত কাজ করে আর রুম ঠান্ডা হয়ে গেলে ধীর গতিতে চলে - বারবার অন-অফ হওয়া ছাড়াই। তাই বিদ্যুৎ অনেক বিদ্যুৎ খরচ বাচায়।
16/06/2025
নিচের যেকোনো কারণেই পুলিশ সার্জেন্ট মামলা দিতে পারে 👇
1️⃣ ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে 🪪
2️⃣ গাড়ির কাগজপত্র (ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, ইন্স্যুরেন্স) মেয়াদোত্তীর্ণ হলে 📄
3️⃣ ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করলে 🚦
4️⃣ অতিরিক্ত গতিতে চালালে 🏎️
5️⃣ উল্টোপথে গাড়ি চালালে ↩️
6️⃣ হেলমেট ছাড়া বাইক চালানো বা পেছনের যাত্রী না পরলে 🪖
7️⃣ মোবাইলে কথা বলতে বলতে ড্রাইভ করলে 📱
8️⃣ অবৈধ পার্কিং করলে 🅿️
9️⃣ উচ্চ শব্দে হর্ন বা ডিজে বাজালে 🔊
🔟 ফিটনেসবিহীন বা ধোঁয়া ছাড়ে এমন গাড়ি চালালে 🌫️
1️⃣1️⃣ বাসে ছাদে যাত্রী বা অতিরিক্ত যাত্রী বহন করলে 🚌
1️⃣2️⃣ গাড়ির হেডলাইট/ব্যাকলাইট কাজ না করলে 💡
1️⃣3️⃣ পুলিশের সঙ্গে অসহযোগিতা করলে 🚔
🚦এবার দেখুন ট্রাফিক আইনে বিভিন্ন মামলার জরিমানা (বাংলাদেশের আইনে)🇧🇩
(আপডেটেড: ২০২৪ অনুযায়ী)
1️⃣ ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে – ৳৫,০০০
2️⃣ হেলমেট ছাড়া বাইক চালালে/আরোহী হলে – ৳২,০০০
3️⃣ সিগন্যাল অমান্য করলে – ৳১০,০০০
4️⃣ উল্টো পথে গাড়ি চালালে – ৳৫,০০০
5️⃣ গাড়ির বৈধ কাগজপত্র না থাকলে (ফিটনেস/রেজি./ট্যাক্স টোকেন) – প্রতিটিতে ৳৫,০০০
6️⃣ ওভারটেকিং/ঝুঁকিপূর্ণ চালনা – ৳৩,০০০
7️⃣ নিষিদ্ধ স্থানে পার্কিং করলে – ৳৫০০ থেকে ৳২,০০০
8️⃣ বাজে শব্দে হর্ণ বাজালে (হাইড্রোলিক/মডিফাইড) – ৳২,০০০
9️⃣ মোবাইল ফোনে কথা বলে গাড়ি চালালে – ৳৩,০০০
🔟 গতি সীমা অতিক্রম করলে (Over Speed) – ৳৪,০০০
1️⃣1️⃣ ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে না পারলে (সাথে না থাকলে) – ৳১,০০০
1️⃣2️⃣ গাড়িতে অতিরিক্ত যাত্রী/পণ্য বহন করলে – ৳২,০০০
1️⃣3️⃣ নিশ্চিন্তে রাস্তা পার হওয়ার নিয়ম না মানলে (Jaywalking) – ৳৫০০
1️⃣4️⃣ বিআরটিএ অনুমোদনবিহীন যানবাহন চালালে – ৳৫,০০০
⚠️ বি.দ্র.: কিছু ক্ষেত্রে জরিমানার পাশাপাশি মামলা হতে পারে এবং গাড়ি জব্দও হতে পারে।
✅ নিয়ম মানুন, নিরাপদে থাকুন। সড়ক হোক নিরাপদ।
📢 এই তথ্যটি শেয়ার করুন, সচেতনতা ছড়িয়ে দিন!
কোড দিয়ে যেমন কম্পিউটার প্রোগ্রামিং হয়। তেমনি শব্দ/ বাক্য/ কথা দিয়ে ব্রেইন কোড হয়। তাই পজিটিভ ভাববো সবসময় ইনশাআল্লাহ।
প্রতিটা বাবা মা তাদের সন্তানকে মাত্র তিনটা রুলস এ লালন পালন করুন ।
চোখের বদনজর সত্য।
আস্তাগফিরুল্লাহ বলে ইয়া হাফিজু ১১ বার পড়ে বাচ্চাদের গায়ে সবসময় ফু দেওয়ার চেষ্টা করুন।
কনফিডেন্স বা আত্নবিশ্বাস বাড়ানোর ৭ টা সহজ উপায়-
১/ নিজেকে ছোট করে দেখা বন্ধ করুন।
২/ নিয়মিত পড়ুনও শিখুন।
৩/ ছোট ছোট কাজের চ্যালেঞ্জ নিন এবং কাজগুলো শেষ করুন।
৪/ গঠনমূলক আর পজিটিভ মানুষের সাথে বেশি বেশি সময় কাটান।
৫/ নিজেকে অন্যের সাথে নয়, নিজের আগের অবস্থার সাথে তুলনা করুন।
৬/ নিজের শখ ও আগ্রহের কাজগুলোতে সময় দিন।
৭/ বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ভালো করুন। সোজা হয়ে হাঁটুন, চোখে চোখ রাখুন।
মনে রাখবেন, আপনি যদি নিজের উপর ভরসাই না রাখেন, তাহলে কেউই আপনাকে ভরসা করবে না।
13/06/2025
সৌদি আরবের একটি শহর থেকে একবার এক কালো জাদুকরের বাসায় রেইড দিল পুলিশ। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে এলাকার আর ১০ টা সাধারন বাসার মতোই যেন এই বাসা। কিন্তু দরজা খোলার সাথে সাথেই বুঝা যাবে, এই বাসায় স্বাভাবিক বলে কিছু নেই!
ভেতরে ঢুকতেই পুলিশদের গা গুলিয়ে বমি আসলো ভয়ানক দুর্গন্ধে! পুরো বাসাটা যেন একটা আবর্জনা খানা! তান্ত্রিক টাইপের হাবিজাবি জিনিস দিয়ে বাসা ভর্তি — তাবিজ- কবজ, দড়ি, বোতল, মরা প্রাণীর মৃতদেহের অংশবিশেষ, পায়খানা, রক্ত -- এগুলো জায়গায় জায়গায় ছড়িয়ে আছে! এই বাসায় কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ থাকতে পারে??
পুলিশ সেই কালো জাদুকর মহিলাকে গ্রেফতার করল এবং তার বাসা থেকে বাজেয়াপ্ত করা জিনিসগুলোর উপর ইনভেস্টিগেশন শুরু করল। কালো জাদুর সাহায্যে এই মহিলা অনেক মানুষের ক্ষতি করেছে। প্রেগনেন্সি নষ্ট করা, স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ থেকে শুরু করে কারো মৃত্যু! কোন কিছুই বাদ নেই।
ইনভেস্টিগেশন করার সময় পুলিশ অদ্ভুত একটা জিনিস আবিষ্কার করল! একজন পার্টিকুলার মহিলার ওপর অসংখ্য অসংখ্য বার কালোজাদুর চেষ্টা করা হয়েছে! বিভিন্ন বোতলের ভেতর কাগজের ওপর তার নাম লেখা, তার ছবির উপর বিভিন্ন রকমের আঁকা-বুকি করা, এতবার এতবার এই এক মহিলার নাম লেখা উপকরণ খুঁজে পেয়েছে যে, বাধ্য হয়ে পুলিশ কালো জাদুকরকে জিজ্ঞেস করে, "কেন এতগুলো উপকরণে একজন মহিলার নাম লেখা?"
কালো জাদুকর মহিলা তখন বলে,
"আমি এই মেয়েটার উপর কালো জাদু করার জন্য দুনিয়ার কোন চেষ্টা করা বাকি রাখিনি! অথচ কিছুতেই আমি কালো জাদু দিয়ে তাকে কাবু করতে পারিনি। এই মেয়েটির আপন খালা/আত্মীয়া তাকে কালো জাদু করার জন্য আমাকে অনেক টাকা দিয়েছে। অথচ আমি যতবার আমার জিন দেরকে তার বাসায় পাঠিয়েছি ক্ষতি করার জন্য, জিনগুলো ফেরত এসে আমাকে বলেছে, "আমরা তো ঐ বাড়িতে কিছুই দেখতে পারি না! ক্ষতি করার মত কোন মানুষকেই দেখতে পাই না!"
সুবহানআল্লাহ!!
যে মেয়েটার উপর কালো জাদুর এত চেষ্টা করা হয়েছে, সে আদৌ নিরাপদে আছে কিনা ? এটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য এবার পুলিশ মেয়েটিকে সরাসরি ফোন দিল। মেয়েটাকে সব খুলে বলল পুলিশ। সে তো ভীষণ অপ্রস্তুত সব কিছু শুনে! তাকে জিজ্ঞেস করল, "এই যে এতবার আপনার ক্ষতি করার চেষ্টা করা হয়েছে। আপনি কি কিছু টের পেয়েছিলেন?"
উত্তরে ভদ্রমহিলা যা জবাব দিল শুনে যেন হাত পা ঠান্ডা হয়ে যায়! তিনি বললেন, "জি, মাঝে মাঝে সন্ধ্যার পরে আমাদের মনে হতো ঘরের জানালাগুলোর উপর বাইরে থেকে সজোরে বাতাস দিয়ে কোন আঘাত করা হচ্ছে। আমরা ভেবেছি হয়তো এটা কোন ঝড়ের আলামত অথবা আবহাওয়ার সমস্যা! এবং মাঝে মাঝেই রাতে দেখতাম আমাদের ঘরের লাইট গুলো জ্বলছে এবং নিভছে — আবার নিজে নিজে ঠিক হয়ে যেত। তাই আমরা ভাবতাম হয়তো বিদ্যুৎ লাইনের কোন সমস্যা! এর বেশি তো আমি কিছু চিন্তা করিনি। আল্লাহু আকবার! সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমাদেরকে রক্ষা করেছেন!"
তখন পুলিশ অফিসার কৌতূহলী হয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "আচ্ছা বোন, আপনি যদি কিছু মনে না করেন আমাদেরকে একটু বলবেন আপনি কি কি আমল করেন, অথবা দুয়া করেন, যেটার বদৌলেতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনাকে এত বড় ক্ষতি থেকে হেফাজত করেছেন? কালো জাদুকরের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার বিনিময়ে আল্লাহ আপনাকে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিয়েছেন?"
ভদ্রমহিলার উত্তরটা অন্তর নাড়া দেওয়ার মত রিমাইন্ডার!
তিনি তখন শেয়ার করলেন যে, সে কখনও সকাল এবং সন্ধ্যার জিকির- আযকার গুলো বাদ দেন না — অর্থাৎ আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক, নাস, ইখলাস থেকে শুরু করে মাসনুন দুয়ার আমল গুলো! সকালে একবার এবং সন্ধ্যায় একবার — তার কখনোই এটা মিস্ যায় না আলহামদুলিল্লাহ। সেই সাথে তিনি সূরা বাকারাহ পাঠ করেন, কুরআনের সাথে পর্যাপ্ত সময় কাটান। এবং আরো কিছু বিশুদ্ধ সুন্নতি দুয়ার লিস্ট তিনি পুলিশ অফিসারকে দেন, এবং সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করতেন। (সুরা ইয়াসিনের ৯নাম্বার আয়াত তিলোয়াত করলে শয়তান দেখে না।) যেগুলোর উপর তিনি নিয়মিত আমল করেন!
আল্লাহু আকবার! আল্লাহু আকবার! আল্লাহু আকবার!
©
12/06/2025
ফেসবুকে অনেকেই আছেন,,কনটেন্ট মনিটাইজেশন এখোনো পাননি। অনেকেই জানতে চান,,এইটা কিভাবে পাবো??তাদের জন্য বলছি,,,
কনটেন্ট মনিটাইজেশন পাওয়ার জন্য আপনাকে কমপক্ষে ১/৩ মাস ধৈর্য ধরে,,পোস্ট করতে হবে।
পোস্ট গুলো হবে এমন.....
প্রতিদিন ১/২টা করে লেখা পোস্ট করতে হবে,,১/২ টা করে ফটো ছাড়তে হবে,,১ /২টা রিলস,,,এবং ১ টা তিন মিনিটের ভিডিও দিবেন সপ্তাহে ১দিন তাহলেই আপনি ১ থেকে ৩ মাসের মধ্যেই এই কনটেন্ট মনিটাইজেশন পেয়ে যাবেন। ইনশাআল্লাহ!!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
