Nusrat Jahan Chowdhury
Turning passion into influence.
Lifestyle | Beauty | Travel | Wellness
Inspired by the beauty in simplicity ,I think Simplicity with sophistication never goes out of style.
08/12/2025
শাকসবজিতে পচুর ভিটামিন —এই প্রচারটা পুরাই মিথ্যা!
কিভাবে?
আপনি যেকোনো ভিটামিনের টপ ১০ সোর্স লিস্ট বের করে দেখেন, আমার কথার সত্যতার প্রমাণ পাবেন!
শাকসবজিতে ভিটামিন আছে, কিন্তু শাকসবজি ভিটামিনের সবচেয়ে উত্তম উৎস নয়। শাকসবজিতে ভিটামিন ডেন্সিটি কম।
এই কারণে মানুষ শাকসবজি বেশি বেশি খেয়ে অপুষ্টিতে ভুগছে! এটাই ফ্যাক্ট!
খাবারে ভিটামিন-মিনারেল আছে, কিন্তু শরীর যদি তা শোষণই না করতে পারে, তাহলে ঐ খাবারের পুষ্টি শূন্য!
তাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে কনভার্সন ও অ্যাবজর্পশন। মানে বায়োএভেইলেবিলিটি!
ঠিক এটাই শাকসবজির সবচেয়ে বড় সমস্যা!
এগুলোয় পুষ্টি আছে ঠিক , কিন্তু শোষণ কম। অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্টস শোষণ আরও কমিয়ে দেয়! ফলে শাকসবজি বেশি বেশি খেলে উলটা ক্ষতিগ্রস্থ হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়!
অন্যদিকে, প্রাণিজ খাবারে সরাসরি শোষণযোগ্য পুষ্টি থাকে!
মাংস, ডিম, মাছের ভিটামিন-মিনারেলগুলো রেডি টু ইউজ ফর্মে থাকে।
এগুলো শরীরে একটুও রূপান্তর ছাড়া সরাসরি ঢুকে যায়! মানে হাইলি বায়োএভেইলেবল!
তাই ভিটামিনের সবচেয়ে উত্তম উৎস হচ্ছে প্রানীর কলিজা, মগজ, ডিমের কুসুম, মাছের তেল ইত্যাদি।
এইজন্যই প্রাণীজ খাদ্য খেলে পেশী বাড়ে, শক্তি বাড়ে, হরমোন ঠিক হয়, চুল-ত্বক ভালো হয়, মন সুস্থ থাকে, মস্তিষ্ক পাওয়ারফুল হয়!
আপনার সবরকম অপুষ্টি ও বেশিরভাগ দৈহিক সমস্যাই ঠিক হয়ে যাবে যদি আপনি প্রতিদিন ২০০-২৫০ গ্রাম লাল মাংস খান। (একেকজনের শরীর অনুযায়ী পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।)
কারণ লাল মাংস হলো সেই বিরল খাবারগুলোর একটি, যেখানে মানুষের প্রায় সব মূল পুষ্টি একসাথে পাওয়া যায়!
লাল মাংসে আছে—
- কমপ্লিট প্রোটিন
- পুষ্টিসমৃদ্ধ প্রাণিজ ফ্যাট
- হেম আয়রন (সবচেয়ে শক্তিশালী আয়রন)
- ভিটামিন + মিনারেল + এনজাইম
কাজেই পুষ্টির চাহিদা মেটাতে শাকসবজি বেশি বেশি খাও এটা হলো স্ক্যাম! শাকসবজি গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু বেশি বেশি না। শাকসবজি খেতে হবে হালকা একটু।
শাকসবজি বেশি বেশি খাও এই স্ক্যামের চর্চা করার কারণে এখনকার সব মানুষ অপুষ্টিতে ভুগছে!
আর ব্যাপক বি/ষ মেরে এই শাকসবজি উৎপাদন হয় ফলে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়ে গেছে!
শুধু শাকসবজি খেয়ে পুষ্টিসম্পন্ন হওয়া অসম্ভব। কেউ যদি শুধু সালাদ, শুধু সবজি খেয়ে থাকে তাহলে সে কিছুদিনের মধ্যেই:
- শারীরিক দুর্বলতা
- হরমোন সমস্যা
- ভিটামিন ঘাটতি
- আয়রন ঘাটতি
- ত্বক ও চুলের সমস্যা
এসবের শিকার হয়ে যাবে!
শাকসবজি অতিরিক্ত খাওয়ার উৎসাহ দেওয়া আধুনিক হেলথ ইন্ডাস্ট্রিরই একটি ডিসেপটিভ ট্রেন্ড!
পুষ্টি পেতে শাকসবজি বেশি বেশি খাও এটা কঞ্জিউমার ক্যাপিটালিজমেরই একটা ন্যারেটিভ!
শাকসবজি আধুনিক কৃষি কর্পোরেশনগুলোর জন্য খুব সস্তা ও সহজে উৎপাদনযোগ্য পণ্য। তাই তারা চায় মানুষ বেশি বেশি খাক!
মানুষের শরীর মূলত প্রাণিজ পুষ্টির জন্যই ডিজাইন করা রয়েছে!
তা না হলে উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে ভিটামিন কনভার্ট ও এবজর্ব করায় জটিলতা কেন?
বায়োঅ্যাভেইলেবিলিটিই প্রমাণ করে মানুষ অ্যানিমাল-প্রিডমিন্যান্ট ইটার। মানে মূল খাদ্য হলো প্রাণিজ, আর সহায়ক খাদ্য হলো ফল, মূল, সামান্য শাকসবজি।
যেসব প্রানী কাঁচা শাক-সবজি খেয়ে বেঁচে ঘাকে, তাদের পেটের আকার বিশাল হয় (যেমন গরিলা, শিম্প্যাঞ্জি, গরু, ঘোড়া ইত্যাদি)৷ অথচ আমাদের পেট বড় না!
আমাদের পূর্বপুরুষরা কখনোই বেশি বেশি শাকসবজি খেত না!
উনাদের খাদ্য ছিল:
- মাংস
- মাছ
- ডিম
- ফল
- মূল
- বাদাম-বীজ
- সামান্য মৌসুমি শাকসবজি
উনাদের কালে শাকসবজিও ছিল সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, যা হতো তিতা, শক্ত, ছোট, পুষ্টিসম্পন্ন এবং মৌসুমি।
আর আজকের শাকসবজি হলো কৃত্রিম হাইব্রিড, যাতে চিনি বেশি, পলিফেনল কম, পুষ্টি ঘনত্ব কম, বি/ষা/ক্ত রাসায়নিক ভর্তি!
আমাদের পূর্বপুরুষরা যেখানে প্রাকৃতিকটাই অল্প খেত, আমরা আজ সেটাকে বি/ষা/ক্ত বানিয়ে কেজি কেজি খাচ্ছি!
এই বৃহৎ পরিমাণে শাকসবজি উৎপাদন করতে গিয়ে আধুনিক কৃষি পৃথিবীর ভয়ানক ক্ষতি করে ফেলছে!
শাকসবজির জায়গাটা পুষ্টির উৎস নয়, বরং সাপ্লিমেন্টারী হিসেবে রাখতে হবে। মূল পুষ্টি আসতে হবে প্রাণিজ খাদ্য থেকেই!
শাকসবজির ফাইটোকেমিক্যাল/পলিফেনলস (অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট) শরীরের প্রদাহ কমাতে, কোষ সুরক্ষায়, ক্রনিক রোগপ্রতিরোধে উত্তম কাজ করে।
তাই অল্প, নিয়মিত খেতে পারেন।
কিন্তু আধুনিক শাকসবজি এখন মডিফাইড ও কীটনাশকে ভরা!
যা শাকসবজি খাবেন তা হতে হবে মৌসুমি, দেশি ও যথাসম্ভব নিরাপদ।
ঘাস পৃথিবীর সবচেয়ে প্রচুর ও দ্রুত জন্মানো উদ্ভিদ!
এদেশে দেখবেন প্রচুর ঘাস জন্মায়। এটির কম পানি লাগে, কম পুষ্টিতে জন্মে, হরমোন লাগে না, রাসায়নিক লাগেনা, অথচ সারাবছর থাকে, পোকায় ধরেনা, রোগেও ধরেনা!
আবার দেখবেন জনমের বি/ষ মেরেও এই ঘাস দমন করতে পারেনা কেউ! জমিতে বি/ষ মারে, কয়দিন পর আবার ঘাস গজায় যায়!
অবশ্যই এর কারণ আছে।
কারণ ঘাস হচ্ছে আল্লাহর বানানো প্রাকৃতিক পশুখাদ্য!
গরু-ছাগল-ভেড়া-মহিষ এরা ঘাস খেয়ে বাড়ে।
আল্লাহ প্রকৃতিতে এত ঘাস দিচ্ছেন এর কারণ যাতে আমরা সহজে পশুপালন করতে পারি!
এভাবে আমরা প্রাকৃতিকভাবেই সবচেয়ে উত্তম খাদ্য মাংস ও চর্বি পেয়ে যেতাম। মাংস খেয়ে জাতির সব অপুষ্টি দূর হয়ে যেত!
অথচ জাতিকে শেখানো হয়েছে লাল মাংস খাইয়োনা, অ্যানিম্যাল ফ্যাট খাইয়োনা!
বেশি বেশি শাকসবজি খাও!
ফলে দেখা দিয়েছে অপুষ্টি, হরমোন সমস্যা, দুর্বলতা, রোগপ্রতিরোধ কম, চুল-ত্বক সমস্যা ইত্যাদি!
01/08/2025
Don’t blame ppl for disappointing u,blame yourself 😝😝😝
31/07/2025
Luxury, they say, is silk and gold,
But I’ve found warmth in fingers I hold.
In silent smiles and morning light,
Where love is slow, and hearts feel right. 🤍
27/07/2025
Mood: living my best chapter🥰
23/07/2025
Dear Students, do IELTS, get a visa, fly out, and never return !!
😭😭😭
একটু সাবধানে থাকবেন..!
আপনাকে ডুবিয়ে দেয়ার জন্য এমন কিছু লোক বসে আছে,যাদেরকে সাঁতারটা আপনিই শিখিয়েছিলেন 😊🖤
14/06/2025
"চা বেচে অমুক দিনে ১০ হাজার কামাচ্ছে"
"বেগুনের খেত করে মাসে ২ লাখ টাকা ইনকাম"
"চাকরি ছেড়ে গোবর ছেনে কোটিপতি"
এসব গল্প এখন অনেকেই শোনায়।
তরুণদের জন্য পরামর্শ, এই ফাঁদে পড়বেন না। একদম নিজের চোখে দেখা অভিজ্ঞতা — আমাদের বয়সী একজন — ওয়েল পেইড জব ছেড়ে এইসব কুইক ক্যাশের নেশায় পড়ে গেল, এখন হাউমাউ করে মরছে।
আপনি যাই করেন, সেটার এক্সপান্ডিবিলিটি থাকতে হবে। ধরুন, একজন রিকশাওয়ালা, সে ডিসেন্ট আয় করে, এন্ট্রি লেভেল চাকরিজীবীর চেয়ে বেশি। রিকশাওয়ালারা মাসে ৩০ হাজার কামায় আর জবে নতুন হলে স্যালারি মাত্র ১৫ হাজার — ভিউ শিকারীরা আপনাকে এটুকুই বলবে।
এবার পরের হিসাবটা! ভাবুন, ওই রিকশাওয়ালা তার ইনকাম ডাবল করতে চায় বা নিদেনপক্ষে আর একটু বাড়াতে চায়। তার জন্য একমাত্র অপশন রিকশা চালানোর সময় বাড়িয়ে দেওয়া। ডাবল করতে চাইলে তাকে ১০ ঘন্টার জায়গায় ২০ ঘণ্টা রিকশা চালাতে হবে। এটা কী ফিজিক্যালি পসিবল? রোদ, বৃষ্টি তো আছেই, ছুটির দিনে কাজে না গেলে আয় নেই।
কিন্তু এন্ট্রি লেভেলের জবে ৪/৫ বছরে বেতন ডাবল হয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক, কোনো অতিরিক্ত ঘন্টা না বাড়িয়েই।
আপনি যে কাজটা করতে চান সেটা তো আগে ভালো লাগতে হবে। ফেসবুকের এক লাইকখোরের লেখা পড়ে আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন বাজারে বসে চা বেচবেন, চাকরির ডাবল ইনকাম। ভেবে দেখুন, আগামী ৩০ বছর আপনি কাপ পিরিচ আর চুলা নিয়ে চা বানাতে রাজি আছেন কিনা।
লাইফস্টাইলের ব্যাপার তো আছেই। আপনার যখন তেমন ইনকাম ছিল না, তখন আপনি বাইক চালাতেন। সামনে টাকা হবে, গাড়ি কিনবেন। কিন্তু এসব কাজে গাড়ির ভূমিকা কি? গাড়ি চালিয়ে কি আপনি ঝালমুড়ি বেচতে যাবেন?
চাকরিজীবি বা ডিসেন্ট লেভেলের উদ্যোক্তা হলে আপনি তার সাথে একটা লাইফস্টাইল আর নেটওয়ার্ক বাই ডিফল্ট পাবেন। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ধরুন, আপনি একটা স্টেশনারি কোম্পানির মার্কেটিংয়ে জব করেন। আপনি আজ এই ভার্সিটিতে, কাল ওই ঝকঝকে অফিসে বি-টু-বি ডিল করতে যাবেন। কত হাই স্কিল লোকের সাথে পরিচিতি হবে, কন্টাক্ট বিনিময় হবে।
কিন্তু আপনি টাকা দেখে রাস্তায় বাদামের ঝুড়ি নিয়ে দাঁড়ালেন। আপনার নেটওয়ার্ক হবে পাশের ফুচকাওয়ালা, আইসক্রিম বিক্রেতা ইত্যাদি। ওই ফুচকাওয়ালার ওই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় চিন্তা সে কতক্ষণে তার সব মাল বিক্রি করে ঘরে যাবে। আগামীকালও সে একই কাজ করবে। আপনার মতো তার অ্যাম্বিশন নেই, বড় কিছু করার ইচ্ছে নেই, দেশের মানুষের উপকারে আসার খায়েশ নেই।
মনে রাখবেন, Your network is your net-worth. আর ওই সমস্ত পেশায় যে খুব বেশি ইনকাম হয় তাও কিন্তু না। খবরের শিরোনামে লেখা "চাকরি ছেড়ে বেগুন চাষে লাখপতি", ভিতরে থাকে ১ বছরে আয় সর্বসাকুল্যে ৩ লাখ টাকা। মানে ওই লোক মাসে মাত্র ২৫ হাজার টাকা কামায়, এটা নিয়ে আবার নিউজও হয়!
তাই এইসব ভুয়া মোটিভেশনের ফাঁদে পড়বেন না। প্রতি বছর মিডিয়াগুলো নিজেদের স্বার্থেই এসব নিউজ করে। গত ৫ বছরে নিউজ তো কম দেখেননি, আইফোন হাতে চানাচুরওয়ালা, ডিএসএলআর হাতে চটপটি বিক্রেতা, আরো কত কি! প্রশ্ন হলো তারা এখন কোথায়? তারা এখনও কেন সেই রাস্তায় বসছে না আর ওরকম আয় করছে না? তাহলে এগুলো রিলায়েবল পেশা হয় কিভাবে?
কোনো কাজই ছোট নয়। কিন্তু সব কাজই যে আপনার ফিল্ড, তা-ও নয়। আপনার কাছে খুব ভালো একটা প্ল্যান আছে, কিন্তু পঞ্চাশ হাজার টাকার জন্য আপনি এগোতে পারছেন না। এখন আপনি যদি মাছ কুটে, চানাচুর বেচে ওই ৫০ হাজার টাকা জোগাড় করে ফেলতে পারেন, তাহলে সেটা ঠিক আছে। কিন্তু যেভাবে এসব পেশাকে সরাসরি একটা ওয়েল পেইড জবের বিকল্প হিসেবে দেখানো হচ্ছে, তা মোটেও রিয়েলিস্টিক নয়।
13/06/2025
খাওয়া-দাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়া একটি ভুল প্রথা।
দাওয়াত হবে ঘুমের জন্য💕
রুম টেম্পারেচার হবে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাউন্ডপ্রুফ রুমে থাকবে আধো আলো আধো অন্ধকারাছন্ন পরিবেশ! সাথে আরামদায়ক বিছানা, বালিশ আর কম্বল।
টেবিলে কয়েক রকম বালিশ আর কম্বল সাজানো থাকবে। দাওয়াতী লজ্জা লজ্জা কন্ঠে বলবেন, 'কিছুই আয়োজন করতে পারিনি। কম্বল কোনটা নেবেন বলেন!' পাশ থেকে অন্য কেউ অনুরোধের সুরে বলবেন,
'আরেক পিস বালিশ দেই?'
ঘন্টা কয়েক ঘুমিয়ে বিদায় নেয়ার সময় দাওয়াতী মন খারাপ করে বলবে, ''আপনি তো দেখি কিছুই ঘুমালেন না। পরের বার আসলে কিন্তু অবশ্যই নাক ডাকতে হবে😌
💕
06/06/2025
This Eid, may we learn the true meaning of sacrifice and embrace it with love and humility 🐫 🐪
Click here to claim your Sponsored Listing.
