Doct.Care

Doct.Care

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Doct.Care, Health/Beauty, Cha/120, Uttar Badda, Gulshan-1, Dhaka, Dhaka.

05/11/2025

কিডনিতে পাথর হওয়ার কারন:
১. কম পানি খাওয়া – শরীরে পানি কম থাকলে প্রস্রাবে খনিজ জমে পাথর তৈরি হয়।

২. অতিরিক্ত লবণ খাওয়া – বেশি লবণ (সোডিয়াম) প্রস্রাবে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়ায়, যা পাথর সৃষ্টি করে।

৩. অতিরিক্ত লাল মাংস খাওয়া – মাংস থেকে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়, যা কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি বাড়ায়।

৪. বারবার সফট ড্রিংক পান করা – বিশেষত কোলা ও ফসফরিক এসিডযুক্ত পানীয় পাথর গঠনের ঝুঁকি বাড়ায়।

৫. ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্টের অপব্যবহার – ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া বেশি ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খেলে পাথরের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

৬. শাকসবজি ও আঁশ কম খাওয়া – আঁশ ও কিছু সবজি খনিজের ভারসাম্য ঠিক রাখে, না খেলে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৭. অতিরিক্ত চা-কফি খাওয়া – এগুলোতে থাকা অক্সালেট অতিরিক্ত হলে পাথর তৈরি হতে সাহায্য করে।

02/11/2025

Fibroid Uterus (জরায়ুর ফাইব্রয়েড)

゚viralシ ゚

জরায়ুর ভেতরে বা বাইরে বাড়তে থাকা অস্বাভাবিক মাংসপিণ্ডকে Fibroid বা Myoma বা Leiomyoma বলা হয়। এটি ক্যান্সার নয়, এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে জীবন-ঝুঁকির কারণও নয়। তবে আকার, সংখ্যা ও অবস্থান অনুযায়ী সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

কেন ফাইব্রয়েড হয়?

ফাইব্রয়েডের সঠিক কারণ পুরোপুরি জানা নেই, তবে নিচের বিষয়গুলো যুক্ত:

শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের প্রভাব

বংশগত কারণ (মা বা বোনের থাকলে ঝুঁকি বেশি)

মোটা হওয়া / ওজন বৃদ্ধি

২০–৪৫ বছর বয়সে বেশি দেখা যায়

লক্ষণ (Symptoms)

সবসময় লক্ষণ নাও থাকতে পারে। তবে থাকলে দেখা যেতে পারে:

অত্যধিক মাসিক রক্তপাত

মাসিক দীর্ঘস্থায়ী হওয়া

পেট বা তলপেটে ভার অনুভব

পেট ফুলে যাওয়ার অনুভূতি

Back pain / কোমর ব্যথা

ঘন ঘন প্রস্রাব (ফাইব্রয়েড মূত্রাশয় চাপলে)

বন্ধ্যাত্ব বা গর্ভধারণে সমস্যা (কিছু ক্ষেত্রে)

ফাইব্রয়েডের ধরন

ধরন অবস্থান

Submucosal জরায়ুর ভেতরের লাইনিং এ
Intramural জরায়ুর দেয়ালের ভেতরে (সবচেয়ে সাধারণ)
Subserosal জরায়ুর বাইরের দিকে

ডায়াগনোসিস (কীভাবে ধরা পড়ে)

Ultrasound (USG) → সহজ ও প্রথম পরীক্ষা

MRI (বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে)

ডাক্তার পেলভিক পরীক্ষা করেন

চিকিৎসা

চিকিৎসা নির্ভর করে:

আকার (Fibroid Size)

সংখ্যা

লক্ষণ আছে কি না

রোগীর বয়স

ভবিষ্যতে গর্ভধারণের ইচ্ছা

1) ওষুধে নিয়ন্ত্রণ (ছোট ও উপসর্গ কম হলে):

Painkiller

Hormonal medicines

Injection (GnRH Analog) → কিছু সময়ের জন্য সাইজ কমায়

2) সার্জারি

পদ্ধতি উপযুক্ত পরিস্থিতি

Myomectomy (Fibroid কেটে বাদ, জরায়ু রাখা) গর্ভধারণ করতে চাইলে
Hysterectomy (জরায়ু তুলে ফেলা) বয়স বেশি/সন্তান আছে/লক্ষণ বেশি এবং সাইজ বড়
Uterine Artery Embolization রক্তনালী ব্লক করে ফাইব্রয়েড শুকানো

ফাইব্রয়েড কি ক্যান্সারে রূপ নেয়?

খুবই বিরল (কম ১% ক্ষেত্রে)।
প্রায় সব ফাইব্রয়েড benign (non-cancerous)।

কখন অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে

মাসিক রক্তপাত খুব বেশি ও অ্যানিমিয়া হচ্ছে

পেট দ্রুত বড় হচ্ছে

গর্ভধারণে সমস্যা হচ্ছে

ব্যথা সহ্য করা যাচ্ছে না

জীবনযাপন পরামর্শ

ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন

নিয়মিত হাঁটাচলা

Vitamin D ও Iron সমৃদ্ধ খাবার

Fast food ও উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার কমান

যদি চান, আমি ফাইব্রয়েডের চিকিৎসা প্ল্যান আপনার বয়স, সাইজ ও উপসর্গ অনুযায়ী ঠিক করে দিতে পারি।
শুধু বলুন:

1. আপনার বয়স

2. USG-তে ফাইব্রয়েডের Size ও সংখ্যা

3. সন্তান নেওয়ার ইচ্ছা আছে কি না

02/10/2025

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় নিউট্রাসিউটিক্যালস।

অ্যান্টিবায়োটিক হার মানছে? কিন্তু নিউট্রাসিউটিক্যালস দিতে পারে নতুন আশার আলো।
আমরা যে প্রায়শই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সামান্য পেটে ব্যথা, জ্বর, সর্দির জন্য মাত্রাতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করি ভবিষ্যতে এর পরিনতি কি হতে পারে কখনো ভেবে দেখেছেন❓
আসুন বিস্তারিত জানি এবং আমাদের তথাকথিত ভুল ধারণা দূর করি।

অ্যান্টিবায়োটিককে একসময় বলা হতো ‘মিরাকল ড্রাগ' — কারণ এর হাত ধরেই চিকিৎসা বিজ্ঞানে মৃত্যুহার নাটকীয়ভাবে কমে যাওয়া শুরু করে। পেনিসিলিন ছিল মানব ইতিহাসের প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক।এর আবিষ্কার মানব ইতিহাসের চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক বিপ্লব। এই অ্যান্টিবায়োটিকই একসময় কোটি কোটি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে এবং আধুনিক অ্যান্টিবায়োটিক যুগের সূচনা করেছে। তবে এর সাথেই শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স এর গল্পও, যা আজকের পৃথিবীর বড় একটা চ্যালেঞ্জ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সকে ২১শ শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে ঘোষণা করেছে। কারণ, অ্যান্টিবায়োটিক যেগুলো একসময় মৃত্যুর হাত থেকে কোটি কোটি মানুষকে বাঁচিয়েছে, আজ সেগুলোই অনেক ক্ষেত্রে কার্যকারিতা হারাচ্ছে। এর ফল? সাধারণ সংক্রমণ যেমন সর্দি–কাশি, মূত্রনালি সংক্রমণ (UTI), নিউমোনিয়া অথবা অস্ত্রোপচারের পরবর্তী ইনফেকশনও ভবিষ্যতে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, 2050 সালের মধ্যে প্রতিবছর প্রায় ১ কোটি মানুষের মৃত্যু হতে পারে শুধু অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের কারণে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে কেন অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করা বন্ধ করে দেয়?
মূল সমস্যা হলো—আমরা প্রায়ই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত ও অযথা অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করি, আবার মাঝপথে কোর্স বন্ধ করে দেই, পশুপালনেও নির্বিচারে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। আসুন একটু সহজভাবে বুঝিয়ে বলি -

ধরা যাক, আমাদের শরীরে কোনো সংক্রমণে প্রায় ৫০ হাজার ব্যাকটেরিয়া ঢুকে পড়েছে। ডাক্তার একটা নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক দিলেন এবং বললেন ৭ দিন কোর্স করতে হবে। কিন্তু আমরা যদি ৩–৪ দিন খেয়ে কোর্স অর্ধেকেই বন্ধ করে দিই, তখন কী হয়?

প্রথম কয়েক দিনে হয়তো ২৫ হাজার ব্যাকটেরিয়া মারা গেলো, তাই আমরা ভালো বোধ করি। কিন্তু বাকি যে ২৫ হাজার বেঁচে থাকে, তারা কিন্তু সবচেয়ে শক্তিশালী। কারণ ওষুধের প্রাথমিক আঘাতেও তারা টিকে গেছে।

এখন এরা শরীরের ভেতরে নতুন কৌশল শিখে নেয়—ওষুধ ভেঙে ফেলা, ঢুকতে না দেওয়া, বা নিজেদের গঠন পাল্টে ফেলা।ফলে তারা আবার দ্রুত বংশবিস্তার করে।
পরেরবার এই একই অ্যান্টিবায়োটিক খেলে আর কাজ করে না, কারণ ব্যাকটেরিয়া এর মধ্যেই রেজিস্ট্যান্ট (প্রতিরোধী) হয়ে গেছে। এভাবে ব্যাকটেরিয়া ধীরে ধীরে এমন এক অতিমানবীয় ক্ষমতা (superpower) অর্জন করছে, যাতে সবচেয়ে শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকও তাদের আর থামাতে পারছে না।

চলুন কিছু সাধারণ ও অতিপরিচিত অ্যান্টিবায়োটিক এবং তাদের ব্যবহার ও হারিয়ে যাওয়া কার্যকারীতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক


১. অ্যামোক্সিসিলিন
সর্দি, কাশি, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট সংক্রমণে ব্যবহার হয়, কিন্তু E. coli বা স্যালমোনেলায় কার্যকরতা হারিয়ে যাচ্ছে।

২. অ্যাজিথ্রোমাইসিন
ফ্লু বা শ্বাসনালী সংক্রমণে ব্যবহার হয়, কিন্তু অনেক সময় স্ট্রেপটোকক্কাস বা মাইকোপ্লাজমায় আর কাজ করছে না।

৩. ডক্সিসাইক্লিন
অ্যাকনে, শ্বাসনালীর সংক্রমণ বা লাইম ডিজিজে ব্যবহার হয়, কিন্তু কিছু ব্যাকটেরিয়ার ত্বকে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ায় আর পুরোপুরি কার্যকর নয়।

৪.সিফালেক্সিন
ত্বক সংক্রমণ ও হাড় সংক্রমণে ব্যবহার হয়, কিন্তু MRSA স্ট্রেইনে কার্যকারিতা হারিয়ে গেছে।

৫. সিপ্রোফ্লোক্সাসিন
ইউরিনারি ট্র্যাক্ট এবং পেটের সংক্রমণে ব্যবহার হয়, কিন্তু অনেক E. coli স্ট্রেইনে রেজিস্ট্যান্স তৈরি হওয়ায় কার্যকারিতা কমে গেছে।

৬. মেট্রোনিডাজল
পেটের সংক্রমণ বা যৌন সংক্রমণে ব্যবহার হয়, কিন্তু কিছু anaerobic ব্যাকটেরিয়ার ওপর কার্যক্ষমতা কমে গেছে।

৭. ট্রিমেথোপ্রিম-সালফামেথোক্সাজল
ইউরিনারি ট্র্যাক্ট সংক্রমণ ও ব্রংকাইটিসের জন্য ব্যবহার হয়, কিন্তু অনেক E. coli স্ট্রেইনে রেজিস্ট্যান্স তৈরি হওয়ায় আর পুরোপুরি কাজ করে না।

৮. ভ্যানকোমাইসিন
গুরুতর ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ ও MRSA ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, কিন্তু কিছু Enterococcus বা Staphylococcus ভ্যানকোমাইসিন-রেজিস্ট্যান্ট (VRE/VRSA) হয়ে গেছে।

এবার নিশ্চয়ই ধারণা করতে পারছেন, অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা হারালে পুরো পৃথিবী কতটা ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে —এখন অবশ্যই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এর কি কোনো সমাধান আছে, নাকি সব শেষ❓

আধুনিক গবেষণা দেখাচ্ছে, নিউট্রাসিউটিক্যালস (nutraceuticals) আমাদের শরীরকে ভেতর থেকে এতটাই শক্তিশালী করে তুলতে পারে, যা সংক্রমণ প্রতিরোধে অ্যান্টিবায়োটিকের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সাহায্য করে। অর্থাৎ, খাবারই হতে পারে আগামী দিনের ‘সুপার পাওয়ার'—অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষাবর্ম।

নিউট্রাসিউটিক্যালস হলো এমন খাবার বা খাবার-ভিত্তিক উপাদান, যা শুধুমাত্র পুষ্টি প্রদান করে না, বরং শরীরের স্বাস্থ্য রক্ষা, রোগ প্রতিরোধ, শারীরিক কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নির্দিষ্ট রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। সহজভাবে বলা যায়, এটি Nutrition এবং Pharmaceutical— মধ্যবর্তী সংমিশ্রণ।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ,মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (FDA) এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি Antibiotic resistance এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রাকৃতিক উপাদানগুলির ব্যবহারকে সমর্থন করছে।

১. প্রোবায়োটিকস এবং প্রোবায়োটিকস সাপ্লিমেন্টস (Probiotics supplements)
প্রোবায়োটিকের সবচেয়ে পরিচিত উৎস হচ্ছে দুধ এবং দুধ থেকে তৈরি ফুড প্রোডাক্টস যেমন দই,পনির ।প্রোবায়োটিক সাপ্লিমেন্ট হলো উপকারী অণুজীব (যেমন ব্যাকটেরিয়া বা ইষ্ট) যা ক্যাপসুল বা পাউডার আকারে পাওয়া যায়।এগুলির মধ্যে প্রধানত ল্যাক্টোব্যাসিলাস (Lactobacillus) এবং বিফিডোব্যাকটেরিয়াম (Bifidobacterium) স্ট্রেনগুলি ব্যবহৃত হয়।

২.প্রিবায়োটিকস ( Prebiotics)
এগুলো হলো প্রোবায়োটিকস বা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়ার( Gut bacteria) খাবার । আলু,কাঁচা কলা ,ওটস ,মসুর, ছোলা, রাজমা খুব ভালো উৎস প্রিবায়োটিকসের।

৩. ক্যারোটিনয়েডস ( Carotinoids)
ক্যারোটিনয়েডস হলো প্রাকৃতিক ফাইটোকেমিক্যাল, যা প্রধানত ফল, সবজি ও কিছু মাইক্রোঅর্গানিজমে পাওয়া যায়। গাজর, মিষ্টি আলু, কুমড়া, পালং শাক,তরমুজ
কাঁচা সবজিতে ক্যারোটিনয়েডস পাওয়া যায় ।

৪. ডায়টারি এনজাইম (Dietary Enzymes)
পেঁপে (Papain) আনারস (Bromelain), আম ( অ্যামাইলেজ) , কেফির ( ল্যাকটেজ, লাইপেজ )- এগুলোতে পর্যাপ্ত ডায়টারি এনজাইম থাকে।

৫. হাইড্রোলাইজড প্রোটিন(Hydrolyzed Proteins)
হাইড্রোলাইজড প্রোটিনের সাধারণ উদাহরণগুলোর মধ্যে রয়েছে হাইড্রোলাইজড উদ্ভিজ্জ প্রোটিন (HVP), যা সয়া, ভুট্টা বা গম থেকে তৈরি হয়। এছাড়াও দুধ, মাছ, মাংস থেকে পাওয়া যায় হাইড্রোলাইজড প্রোটিন।

৬.মিনারেল এবং মিনারেল সাপ্লিমেন্টস (Mineral Supplements )
লাল মাংস, ডাল, বিনস, পালং শাক, শুকনো ফল এবং ব্রোকলির মতো পাতাযুক্ত সবুজ শাকসবজি থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ মিনারেলস পাওয়া যায়।

৭.ভিটামিন এবং ভিটামিন সাপ্লিমেন্টস (Vitamin Supplements)
মিষ্টি আলু, পালং শাক ,কলাতে ভিটামিন এ
ডাল, ডিম, লাল মাংস ও বাদামে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
আমলকী, লেবু, কমলা, স্ট্রবেরি ও ক্যাপসিকামে ভিটামিন সি
তৈলাক্ত মাছ, ডিমের কুসুম ও ফর্টিফাইড দুধে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

৮.ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস (Phytonutrients)
ব্লুবেরি, আঙ্গুর , ব্রকলি, ব্রাসেলস স্প্রাউট, ফুলকপি
সয়াবিন, বিভিন্ন ধরনের বিনস,ক্যাপসাইসিন (মরিচ) ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস সমৃদ্ধ।

৯.হারবাল প্রোডাক্ট ( Herbal products)
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন হারবাল প্রোডাক্ট রেজিস্ট্যান্ট স্ট্রেইনের কার্যকারিতা হ্রাস করে ।
• আদা (Ginger)
• তুলসী (Holy Basil)
• রসুন (Garlic)
• হলুদ (Turmeric)
• নীম (Neem)
• দারচিনি (Cinnamon)
• কালো তেঁতুল (Black Cumin) ইত্যাদি ।

📌 সতর্কতা
নিউট্রাসিউটিক্যালস অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় সহায়ক । নিউট্রাসিউটিক্যালস সাধারণত ক্যাপসুল, ট্যাবলেট, পাউডার, সিরাপ ফর্মে পাওয়া যায় ।তবে, এগুলির ব্যবহার শুরু করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারন সবার শারীরিক অবস্থা একরকম নয়। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিউট্রাসিউটিক্যালস এলার্জি, ওষুধের সাথে পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া (drug interaction), বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

📌 Reference
1. Evaluating the health risk of probiotic supplements — Tian et al. (2025)

2.Inhibition, resistance development, and increased — Ward et al. (2002)

3.Effects of nutraceuticals on antibiotic efficacy — Kusuma, IY et al. (2024)

- Collected

21/08/2025

🫀হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ কেমন হয়?
এই বিষয়ে অনেকেই জানতে চেয়েছেন।
১. বুকে ব্যথা বা চাপ:
বুকের মাঝখানে ব্যথা, চাপ,
ভারী ভাব বা জ্বালাপোড়া অনুভূত হওয়া।
অনেক সময় এটি “ভারী ওজন চাপা পড়ার মতো”
অনুভূত হয়।
২. ব্যথা শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়া যেমন
ব্যথা বা অস্বস্তি ঘাড়ে, গলায়,চোয়ালে, কাঁধ, হাত বিশেষ করে
বাম হাত, পিঠে, বা পেটের উপরিভাগে ছড়াতে পারে।
৩. শ্বাসকষ্ট:
৪. প্রচুর পরিমাণে ঘাম হওয়া
৫. বমি বমি ভাব বা বমি।
৬. অত্যন্ত দুর্বলতা, মাথা ঘোরা বা হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
৭. চিন্তিত বা আতঙ্কিত অনুভব: অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের
সময় মানুষ মৃত্যুভয় বা ভীষণ দুশ্চিন্তা হয়।
৮. অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা বুক ধড়ফড় করা।
৯. হঠাৎ রক্তচাপ কমে যাওয়া।
১০. শরীর ফ‍্যাকাসে হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
১১. অনেকে কিছু বলা বা বোঝার আগেই মৃত্যু বরণ করেন।
উল্লেখ্য সবার সব উপসর্গ হবে এমন নয়। আবার কোন উপসর্গ নাও হতে পারে।
** বুকের মাঝে কোন অস্বস্তি বোধ হলে অবহেলা করবেন না।

27/07/2025

"বিয়ে হয়নি, কিন্তু প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ?"
(চলুন ঘটনাটি পড়ি)

অনেক সময় দেখা যায়, একজন অবিবাহিত মেয়ের হঠাৎ মাসিক বন্ধ হয়ে গেছে। ডাক্তার দেখাতে গেলে প্রথমেই বলা হয়, “প্রেগনেন্সি টেস্ট করে আসেন।”

পরিবারের কেউ হয়তো বলে বসে-
“এখনও তো মেয়ের বিয়ে হয়নি, প্রেগনেন্সি কীভাবে?”
ডাক্তার তখন স্পষ্ট জানিয়ে দেন -
“প্রেগনেন্সি টেস্ট ছাড়া দেখবো না।”

যাই হোক, টেস্ট হয়। রিপোর্ট পজিটিভ!!
পরিবার হতবাক। মেয়ে অজ্ঞান।

এবার শুরু হয় প্রশ্ন, কাঁন্না, অস্বীকার-
রোগী বলছে, “আমি কিছু করিনি।”
পরিবার বলছে, “তাহলে পজিটিভ টেস্ট আসলো কীভাবে?”

কেউ কেউ বলে - “জীনের ব্যাপার!”
তবে ডাক্তার তখন আসল কাজ শুরু করেন - “চলুন, আলট্রাসনোগ্রাফি করা যাক।”

আলট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টে দেখা যায় — গর্ভে কোনো বাচ্চা নেই।

তাহলে? প্রেগনেন্সি টেস্ট পজিটিভ হলো কেন?

এই যে স্ট্রিপ দিয়ে টেস্ট করা হয়, ওটা আসলে “বাচ্চা শনাক্ত করার যন্ত্র” না।
এই টেস্টে চেক করা হয় শরীরে HCG (human chorionic gonadotropin) হরমোনের উপস্থিতি।

এই হরমোন গর্ভাবস্থায় শরীরে তৈরি হয় ঠিকই, কিন্তু একই হরমোন কিছু টিউমারের ক্ষেত্রেও নিঃসৃত হতে পারে,পুরুষের ও অন্ডকোষে টিউমার হলে পজিটিভ আসতে পারে।
যেমন:

Choriocarcinoma
Germ cell tumor
Hydatidiform mole
Teratoma (with choriocarcinoma)
Seminoma
Islet cell tumor ইত্যাদি।

অর্থাৎ, হরমোন বাড়লেই আপনি গর্ভবতী বিষয়টি এমন নয়। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, এই ধরণের ভুল বোঝাবুঝি থেকে অনেক মেয়ে চরম মানসিক আঘাত পায়। অনেকে হতাশ হয়ে আত্মহত্যার কথা ভাবে। কারও চরিত্র নিয়ে চলে অযথা বিচার সমালোচনা।

একটা রিপোর্ট আসার পর সবকিছু ভেঙে পড়ার আগে একটু ভাবুন, ডাক্তার দেখান, পুরো ঘটনা বোঝার চেষ্টা করুন। আপনি সচেতন থাকলে, হয়তো কোনো একদিন কাউকে একটা বড় বিপদ থেকে বাঁচাতে পারবেন।

26/07/2025

🧒 শিশুর হঠাৎ প্রচণ্ড জ্বর? কী করবেন?

শিশুর হঠাৎ জ্বর হলে আতঙ্কিত না হয়ে সঠিক পদক্ষেপ নিন।

✅ প্রাথমিক করণীয়ঃ

✔ তাপমাত্রা মাপুন – 38°C (100.4°F) বা তার বেশি হলে জ্বর ধরা হবে।
✔ হালকা পোশাক পরান – ভারী কাপড় বা কম্বল এড়িয়ে চলুন।
✔ পানি ও তরল বেশি দিন – পানি, স্যুপ, লেবুর শরবত
✔ প্যারাসিটামল দিন

সহজ নিয়ম: প্রতি ৮ কেজি ওজনের জন্য ১ চামচ (৫ মি.লি.) সিরাপ, ৬ ঘণ্টা পর পর।
যেমন আপনার শিশুর ওজন যদি ৮ কেজি হয়ে থাকে তাহলে এক চামচ প্যারাসিটামল সিরাপ ৬ ঘণ্টা পর করতে হবেন ১২ কেজি হয়ে থাকলে দেড় চামচ প্যারাসিটামল সিরাপ ৬ ঘন্টা পর পর খাওয়াবেন এবং জ্বরের তাপমাত্রা যদি ১০২° ফারেনহাইট বা এর বেশি হয় তাহলে প্যারাসিটামল সাপোজিটরি পায়খানার রাস্তায় দিবেন।
✔ লুকো গরম পানিতে স্পঞ্জ করুন – ঠান্ডা পানি বা বরফ ব্যবহার করবেন না।

⚠️ বিপদ সংকেত (জরুরি হাসপাতালে নিন):

❗ শ্বাসকষ্ট
❗ খিঁচুনি
❗ বাচ্চা খেতে না পারা
❗ অজ্ঞান বা অতিরিক্ত দুর্বলতা

❌ যা করবেন না:
✖ নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করবেন না
✖ অতিরিক্ত কাপড় দিয়ে গরম রাখবেন না।

👨‍⚕️ ডা. মোঃ শাহিনুল ইসলাম

24/07/2025
22/07/2025

শরীরে কত % পোড়া গেছে, এইটা হিসাব করা হয় Rule of 9 দিয়ে, ধরুন,
এক হাতের দুই পাশে পোড়া যাওয়া মানে ৯% বার্ণ

একটা পা পুড়ে যাওয়া মানে ১৮%, প্রতিপাশে ৯% করে।
practical approach হিসাব করলে দেখা যায়, কারো যদি ৪০% পুড়ে যায়, তাহলে তার মৃত্যুর রিস্ক ৯০% হয়ে যায়, প্রথম কয়েকদিন সুস্থ সাবলীল ভাবে কথা বললেও পরে dehydration +sepsis হয়ে মারা যায় , এই হিসাবে গতকালকে যারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, এদের মধ্যে প্রায় ৯০% মৃত্যু পথের যাত্রী-- চিকিৎসা দিয়ে হয়তো ৪-৫ দিন সাময়ীক সান্ত্বনা দেওয়া হবে, কিন্ত প্রতিদিন নিউজে ২-৩ জনের মৃত্যুর খবর আসবে, মহান আল্লাহ প্রতিটি পরিবারকে ওনার কুদরতি ভাবে মনোবল শক্ত করার তাওফিক দান করুন--আমিন।🤲🤲

19/07/2025

🌺🤰 #গর্ভাবস্থায়_চুলকানি: কতটা স্বাভাবিক, কতটা বিপজ্জনক❓❓🤰🧠

✅🤰গর্ভকালীন সময়টায় শরীরে অনেক পরিবর্তন আসে, তার মধ্যে অন্যতম এক বিব্রতকর সমস্যা হলো চুলকানি।

🌻কারো জন্য এটি সাময়িক ও সাধারণ হলেও, কারো ক্ষেত্রে হতে পারে ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকির পূর্বাভাস❗

💢💢🔍 চুলকানি কেন হয়❓❓

👉☑️গর্ভাবস্থায় শরীরের ভিতরে নানা রকম হরমোনাল ও শারীরিক পরিবর্তন ঘটে, যেমন:

🌻✔️ এস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যাওয়া

🌻✔️ ত্বক প্রসারণ (পেট ও স্তনের চারপাশে চামড়া টান পড়া)

🌻✔️ রক্তে পিত্তরস বা বিলিরুবিন বেড়ে যাওয়া (Intrahepatic Cholestasis of Pregnancy - ICP)

🌻✔️ হিট র‍্যাশ বা অ্যালার্জি

💢💢📌 চুলকানি সাধারণত যেসব জায়গায় হয়:💢👇

🌻🔸 পেট ও স্তনের আশেপাশে
🌻🔸 হাত ও পায়ের তালু
🌻🔸 উরু, কোমর ও পিঠ
🌻🔸 অনেকের ক্ষেত্রে পুরো শরীরেও হতে পারে
🌻🌙 রাতে চুলকানির মাত্রা অনেক বেশি হয় — যা ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়।

💢💢🚨 কখন চুলকানিকে সিরিয়াসলি নেবেন❓❓👇

🌻🔺 হাত-পায়ের তালুতে অস্বাভাবিক ও তীব্র চুলকানি
🌻🔺 ঘুমে সমস্যা হওয়া
🌻🔺 চুলকানির স্থানে লালচে ফুসকুড়ি বা ক্ষত
🌻🔺 বমি বমি ভাব, ক্ষুধামন্দা বা প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হওয়া

💢💢🛡️ কী করণীয়❓❓👇

🌻💧 প্রচুর পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করুন

🌻🧴 ডাক্তার অনুমোদিত ময়েশ্চারাইজার বা ঠাণ্ডা লোশন ব্যবহার করুন

🌻👗 হালকা ও ঢিলেঢালা সুতির কাপড় পরুন

🌻❄️ ঠাণ্ডা পানিতে ভেজানো তোয়ালে বা আইস প্যাক
ব্যবহার করতে পারেন

🌻🥗 স্বাস্থ্যকর খাবার খান ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন

🌻🚫 চুলকানির ওষুধ নিজে থেকে খাবেন না

🌻👩‍⚕️ লক্ষণ গুরুতর মনে হলে দেরি না করে গাইনোকলজিস্টের পরামর্শ নিন

17/07/2025

যে খাবার কোলেস্টেরল বাড়ায়।

👉 চকলেটঃ
চকোলেটৈ প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। দুধ এবং সাদা চকোলেটেও উচ্চ মাত্রার স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা আপনার শরীরে কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দিতে পারে।

👉 পনিরঃ
পনিরে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ খুব বেশি। বিশেষ করে পনির ফুল ফ্যাট মিল থেকে তৈরি হয়। তাই বেশি পরিমানে পনির খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

👉 ডিপ ফ্রায়েড ফাস্ট ফুডঃ
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা ফ্রাইড চিকেনের মতো গভীর ভাজা ফাস্ট ফুডে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, লবণ এবং উচ্চ ক্যালোরি থাকে। এগুলি আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

👉 মাখনঃ
মাখনে উচ্চ পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট পাওয়া যায়, যা আপনার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। খাবারে মাখনের পরিবর্তে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

👉 ক্রিমঃ
ফুল ফ্যাট দুধ দিয়ে তৈরি ভারী ক্রিমে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ খুব বেশি থাকে। বাজারে পাওয়া হুইপড ক্রিমও আপনার জন্য ক্ষতিকর ক্যালরি বাড়ানোর পাশাপাশি এটি কোলেস্টেরলের মাত্রাও বাড়ায়।

👉 প্যাকেটজাত খাবারঃ
প্যাকেটজাত স্ন্যাকস এবং চিপস, ডোনাট, কেক, বিস্কুট এবং কুকির মতো মিষ্টিতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ক্যালোরি বেশি থাকে। আপনি যদি এই জিনিসগুলির যে কোনও একটিও নিয়মিত খান, তাহলে কোলেস্টেরলের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।

12/07/2025

এই গুলো হলো অ্যাফথাস আলসার (Aphthous ulcers).অ্যাফথাস আলসার হল এক ধরনের মুখের ঘা যা সাধারণত মুখের নরম টিস্যু যেমন- ঠোঁট, গাল, জিহ্বা বা মাড়ির গোড়ায় দেখা যায়। এটিকে অনেক সময় "ক্যানকার sores" বা "লবণের ঘা" ও বলা হয়। এটি সংক্রামক নয় এবং সাধারণত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়।
লক্ষণ:
ছোট, গোলাকার বা ডিম্বাকৃতির ঘা, যা সাদা বা হলুদ রঙের হতে পারে।
ঘাগুলির চারপাশে লাল রঙের একটি বৃত্ত থাকে।
কথা বলতে, খেতে বা পান করতে গেলে ব্যথা হতে পারে।
কারণ:
অ্যাফথাস আলসারের সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি, তবে কিছু কারণের জন্য এটি হতে পারে, যেমন-
মানসিক চাপ
হরমোনজনিত পরিবর্তন
কিছু খাবার (যেমন- সাইট্রাস ফল, মশলাদার খাবার)
দাঁতের ধারালো অংশ বা মুখের আঘাত
অ্যালার্জি পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের অভাব
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া
চিকিৎসা:
বেশিরভাগ অ্যাফথাস আলসার কয়েক দিনের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত চিকিৎসা সহায়ক হতে পারে:
ব্যথা কমাতে ব্যথানাশক ওষুধ (যেমন - আইবুপ্রোফেন বা প্যারাসিটামল)
অ্যান্টিসেপটিক মাউথওয়াশ ব্যবহার করা
ক্ষেত্রবিশেষে, স্টেরয়েড ক্রিম বা মলম ব্যবহার করা যেতে পারে।
যদি ঘাটি বড় হয় বা সেরে না যায়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Apsol নামে oral paste পাওয়া যায় ফার্মেসিতে যা খুব ভালো কাজ করে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Cha/120, Uttar Badda, Gulshan-1, Dhaka
Dhaka
1212