Dr. Md. Nazmul Islam
Clinical and Interventional Cardiologist
23/04/2026
উচ্চ রক্তচাপ জনিত যে কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন।
30/03/2026
/হাম Outbreak ও সচেতনতামূলক কিছু কথা
★Measles (মিজেলস) কী?
এটি একটি ভাইরাসজনিত অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা measles virus‑এর মাধ্যমে ছড়ায়। এটি প্রধানত শিশুদের মধ্যে বেশি হয়, যদিও বয়স্করাও আক্রান্ত হতে পারে।
★ কিভাবে ছড়ায়?
আক্রান্ত ব্যক্তি যখন কাশি বা হাঁচি দেয়, ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে; সুস্থ মানুষ এটি শ্বাসের মাধ্যমে নিলেই সংক্রমিত হতে পারে।
ভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তির শ্বাস‑প্রশ্বাস বা থুতুর ফোঁটা দুই ঘন্টা পর্যন্ত বাতাস/পৃষ্ঠে জীবিত থাকতে পারে।
একই ঘরে থাকলে প্রায় ৯০% অকার্যকরী টিকা‑নেওয়া বা ইমিউনিটি নেই/ কম এমন মানুষ সংক্রমিত হবে।
সংক্রমণ ক্ষমতা খুব বেশি, আক্রান্ত ব্যক্তি একাই প্রায় ১০–১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে যদি ভ্যাকসিন না নেয়।
★ উপসর্গ (Symptoms)
সাধারণত সংক্রমণের ৭–১৪ দিনের মধ্যে শুরু হয়।
১) জ্বর
২) কাশি এবং শ্বাসকষ্ট
৩) নাক দিয়ে পানি বের হওয়া
৪) চোখ লাল হওয়া ও চোখ দিয়ে পানি পড়া (conjunctivitis)
৫) মুখের ভিতরে ছোট ছোট সাদা দাগ (Koplik spots)
— এগুলি র্যাশ হওয়ার আগেই দেখা যায়।
র্যাশ — প্রথমে মুখ/ঘাড় থেকে শুরু হয়ে শরীরের ওপর থেকে নিচে ছড়িয়ে পড়ে।
*র্যাশ হওয়ার ৪ দিন আগে থেকেই এবং র্যাশের ৪ দিন পরে পর্যন্ত সংক্রমিত করতে পারে।
★ ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপ
১) টিকা না নেওয়া শিশু
২) শিশুদের মধ্যে ০–৫ বছর
৩) অপুষ্ট শিশু
৪) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন দুর্বল ব্যক্তি
৫) গর্ভবতী নারী
এরা কম‑বেশি জটিলতায় পড়তে পারে।
★ জটিলতা
১) ফুসফুসের সংক্রমণ (Pneumonia)
২) কানের সংক্রমণ
৩) মস্তিষ্কে প্রদাহ (Encephalitis)
৪) দীর্ঘমেয়াদে পুষ্টির অভাব/ইমিউন সিস্টেমে ক্ষতি
৫) খুব বিরল ক্ষেত্রে Subacute Sclerosing Panencephalitis (SSPE) – কয়েক বছর পরে মস্তিষ্কের জটিল রোগ ঘটায়।
★করণীয়
Measles (হাম) হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগীকে বাসায় রেখে সঠিক যত্ন নিলে ভালো হয়ে যায়।তবে সতর্কতা খুব জরুরি, কারণ এটি অত্যন্ত সংক্রামক এবং জটিলতা হতে পারে।
১)আলাদা /Isolate রাখুন
২)জ্বর নিয়ন্ত্রণ করুন- প্যারাসিটামল দিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
৩)পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দিন(পানি, স্যালাইন,সহজপাচ্য খাবার- খিচুড়ি, স্যুপ,ফল হিসেবে কলা, ভাতের সাথে ১ পিস লেবু, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত হলে ডাবের পানি)
৪) Vitamin A ক্যাপসুল Measles চলাকালীন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়াবেন।
*** ৫ বছর পর্যন্ত Measles উপসর্গ না থাকলেও যে সকল শিশু ৬ মাসের মধ্যে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খায় নি তাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করুন।
৫)বিপজ্জনক লক্ষণ দেখলে হাসপাতালে নিয়ে যান, যেমন :
শ্বাসকষ্ট
খিঁচুনি
খুব বেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া
খাওয়া বা পানি পান বন্ধ
কান ব্যথা বা কানে পুঁজ
জ্বর ৪–৫ দিনের বেশি থাকলে
★ প্রতিরোধ
টিকা হলো প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
১) Measles, Mumps & Rubella (MMR) ভ্যাকসিন দেওয়া যায়।
২) বাংলাদেশে জাতীয় সম্প্রসারিত ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি অনুযায়ী- MR (Measles, Rubella) vaccine দেওয়া হয়।
সাধারণত
১) প্রথম ডোজ: ৯ মাস বয়সে
২) দ্বিতীয় ডোজ: ১৫ মাস বয়সে
দুই ডোজ ভ্যাকসিন আনুমানিক ৯৭% কার্যকর। কমপক্ষে ৯৫% মানুষ টিকা নিলে রোগের সম্প্রসারণ রোধ করা যায় — একে বলা হয় Herd Immunity।
*WHO এবং বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, দুই ডোজই নেওয়া বাধ্যতামূলক।
(রেগুলার স্কুল, এক্সট্রা কারিকুলার শিক্ষার জায়গা-- আর্ট, গান, কারাতে ইত্যাদিতে (ভর্তির
সময়) ভ্যাক্সিন কার্ডের কপি দেওয়া বাধ্যতামূলক করার মত ব্যবস্থা সরকার নিতে পারেন)
★ বিশেষ পরিস্থিতি
*Outbreak এর সময় ৬ মাসের শিশুরাও টিকা পেতে পারে (বুস্টার হিসেবে)।
*CATCH UP vaccination- যারা পূর্বে বিভিন্ন কারণে টিকা নিতে পারেন নি- তারা অতিসত্ত্বর ২ ডোজ টিকা ৪ সপ্তাহ ব্যবধানে নিতে পারেন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
★ সতর্কতা জনসাধারণের জন্য :
১) রোগীর কাছ থেকে দূরে থাকা
২) হাত ধোয়া, নাক ও মুখ ঢেকে রাখা- মাস্ক ব্যবহার করুন
৩) ভ্যাকসিন না নেওয়া শিশুদেরকে জনগণের সংস্পর্শ থেকে বিরত রাখা
★স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে নিজেদের সুরক্ষায় করণীয় :
১) ২ ডোজ MR/MMR টিকা নেওয়া আছে কিনা নিশ্চিত করুন।
২) সবসময় মাস্ক ব্যবহার করুন ও হাত ধুবেন (Hand hygiene maintenance)।
৩) Measles রোগী isolate/ আলাদা রাখা জরুরি।
৪) Exposure হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া
- টিকা নেওয়া থাকলে: ২১ দিন পর্যন্ত উপসর্গ পর্যবেক্ষণ করুন
- টিকা না থাকলে: ৭২ ঘন্টার মধ্যে MR/MMR vaccine নিন
৫) উপসর্গ হলে isolate/ আলাদা থাকুন।
------------ collected
20/03/2026
May this Eid bring happiness in everyone's life
06/01/2026
The beautiful 31st
Celebrating a Life Saved
This 31st Night, While the world is celebrating , our team at UHSL was in the Cath Lab performing our first Rescue PCI. After a failed thrombolysis (Tenecteplase) for an Inferior AMI with Posterior extension, the patient developed re-occlusion symptoms. Thanks to the swift activation of cathlab by Dr. Atique sir and the rapid response of our team, the procedure was a success.
Grateful for a team that stays ready 24/7!
29/10/2025
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Mahadi Anwar Patwary, শেখ আবদুল্লাহ হিমেল, Anisuzzaman Apu, Rafiqul Islam, Sumaiya Rob, Sheikh Sohag Ahmed Ashik, Jannatul Ferdaus Hena, Tajul Islam
28/10/2025
এই অনুভূতিগুলো ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব! 😭💔
আজ আবার সেই অমূল্য ভালোবাসার জোয়ার এলো... নিকলী থেকে আবারও এক রোগীর স্বজন চলে এলেন। শুধু দেখতে নয়, নিজের গরুর দুধ আর মায়ের হাতের মতো যত্ন করে বানানো ঘরে তৈরি পিঠা নিয়ে!
এই আন্তরিকতা, এই মায়া— এ তো শুধু আতিথেয়তা নয়, এ হলো গভীরতম এক মানবিক অঙ্গীকার।
হাসপাতালের কঠিন, ক্লান্তিকর পরিবেশে, যখন মনে হয় কেউ নেই, ঠিক তখনই এই নিঃস্বার্থ মমতা এসে দাঁড়ায়। এই সামান্য পিঠার টুকরোতে জড়িয়ে আছে কতখানি মমতা, কতখানি চিন্তা!
এই ভালোবাসা ভয়ঙ্কর সুন্দর! 🥺
এমন নিবিড় বন্ধন, যা পৃথিবীর কোনো সম্পর্ক বা পেশার বাঁধনে বাঁধা নয়— শুধুই মানুষের প্রতি মানুষের টান।
আপনাদের এই নিঃস্বার্থ শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার কাছে আমি নতজানু। আপনাদের এই ভরসাটুকুই আমাদের এগিয়ে চলার শক্তি।
এই বন্ধন যেন কখনও না ভাঙে। 🙏✨
#অমূল্য_ভালোবাসা #নিকলী_থেকে_এলো #মানবিকতা #হৃদয়ের_গভীরতম_অনুভূতি #পিঠার_উষ্ণতা #কৃতজ্ঞ
26/10/2025
আজকে একটা অদ্ভুত, অপ্রত্যাশিত, আর ভীষণ মিষ্টি ঘটনা ঘটলো! 💖
ছবিতে যে এতগুলো মাছ দেখছেন, এগুলো আজ আমাকে হাসপাতাল থেকে আনতে হলো। রোগীর লোকেরা আমার জন্য ভালোবাসা ভরে এই উপহার পাঠিয়েছেন। যখন ফোন করে বললো, "আপনার জন্য মাছ নিয়ে আসছি", তখনো ভাবিনি যে আস্ত বাজারটাই তুলে আনবে! 🥺
সত্যিই, মানুষের এই ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতা দেখে আমি মুগ্ধ। এমন ভয়ঙ্কর সুন্দর আর মিষ্টি মধুর স্মৃতিগুলোই জীবনে পাথেয় হয়ে থাকে। এই স্মৃতিগুলো মনের গভীরে জমা থাক, সারাজীবন মনে রাখার মতো। 💫
#চিকিৎসকজীবন #ভালোবাসা #অপ্রত্যাশিতউপহার #মিষ্টিস্মৃতি #কৃতজ্ঞতা
25/10/2025
💔 হার্টের রোগীদের জন্য দুধের সর কি ক্ষতিকর?
অনেকেই ভাবেন —
“দুধের সর তো প্রাকৃতিক! এতে ক্ষতি কী?”
কিন্তু সত্য হলো, দুধের সরে থাকে অত্যধিক স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরল, যা হার্টের রোগীদের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।
👉 সর নিয়মিত খেলে
রক্তে LDL ("খারাপ") কোলেস্টেরল বাড়ে
ধমনিতে চর্বি জমে ব্লক হতে পারে
হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে
---
✅ কী করবেন?
সর ছাড়া দুধ (লো-ফ্যাট বা স্কিমড মিল্ক) বেছে নিন
চাইলে সয়া, আলমন্ড বা ওট মিল্ক ব্যবহার করুন
প্রতিদিন ১ গ্লাস দুধ যথেষ্ট
নিয়মিত হাঁটুন, স্বাস্থ্যকর খাবার খান ❤️
🥛 হার্ট-ফ্রেন্ডলি দুধ ও বিকল্প
স্কিমড মিল্ক (চর্বিমুক্ত দুধ): প্রায় ০–০.৫% ✅✅✅ খুবই ভালো প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকে, কিন্তু চর্বি নেই। প্রতিদিন ১ কাপ খাওয়া নিরাপদ।
টোনড / লো-ফ্যাট মিল্ক: প্রায় ১–২% ✅✅
ভালো মাঝারি পরিমাণ চর্বি। হার্ট পেশেন্টরা সপ্তাহে ৫–৬ দিন খেতে পারেন।
ফুল ক্রিম মিল্ক: প্রায় ৪–৬% ⚠️ খারাপ এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি। হার্ট রোগীদের এড়ানো উচিত।
দুধের সর (মালাই): ২৫–৩০% ❌ খুব খারাপ কোলেস্টেরল বেশি, নিয়মিত খাওয়া একদমই নিরাপদ নয়।
সয়া মিল্ক (Soy Milk) : প্রায় ২% ✅✅ ভালো উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, কোলেস্টেরল নেই। ল্যাকটোজ ইনটলারেন্টদের জন্যও ভালো।
আলমন্ড মিল্ক (Almond Milk): “হার্টের যত্ন মানে নিজের জীবনের যত্ন।
অল্প ফ্যাট, বেশি ভালোবাসা – এই হোক নিয়ম!”
---
👨⚕️ Dr. Md. Nazmul Islam
Associate Consultant
Department of Cardiology
United Medical College Hospital
18/10/2025
ব্লাড প্রেসার এবং এর ঔষধ গ্রহণ নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, "একবার শুরু করলে কি সারাজীবন খেতে হবে?" এর উত্তরটি কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভরশীল। আসুন, বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জেনে নিই:
প্রথমত, আপনাকে জানতে হবে কেন আপনাকে ব্লাড প্রেসারের ঔষধ দেওয়া হয়েছে এবং আপনার হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপের কারণ কী।
১. প্রাইমারি হাইপারটেনশন (Primary Hypertension):
যদি আপনার উচ্চ রক্তচাপের কোনো নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে না পাওয়া যায়, তবে এটিকে 'প্রাইমারি হাইপারটেনশন' হিসেবে ধরা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এমনটা দেখা যায়। এই ধরনের হাইপারটেনশনের জন্য যদি একবার ঔষধ শুরু করা হয়, তাহলে সাধারণত এটি সারাজীবন চলতে পারে। তবে মনে রাখবেন, সময়ের সাথে সাথে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধের ডোজ কমানো বা বাড়ানো লাগতে পারে। নিয়মিত চেকআপ এবং ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ রাখা এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন (Secondary Hypertension):
যদি আপনার উচ্চ রক্তচাপের একটি নির্দিষ্ট কারণ জানা যায়, যেমন – কিডনি রোগ, থাইরয়েডের সমস্যা, স্লিপ অ্যাপনিয়া, অথবা কিছু নির্দিষ্ট ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – তাহলে এটিকে 'সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন' বলা হয়। এই ক্ষেত্রে, মূল কারণটির চিকিৎসা করালেই আপনার ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং আপনাকে সারাজীবন ব্লাড প্রেসারের ঔষধ খেতে নাও হতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
আপনার ব্লাড প্রেসারের সঠিক কারণ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে আপনার চিকিৎসকের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করুন।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ঔষধ শুরু বা বন্ধ করবেন না।
নিয়মিত ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করুন এবং ফলো-আপে থাকুন।
সুস্থ জীবনযাপন (পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ) ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্ত সহায়ক।
আপনার সুস্থ জীবন কামনায়!
Click here to claim your Sponsored Listing.
