JAMIL AHMED
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ
এটাই আমাদের জীবনের সব চাইতে বড় সত্য।
যখন মানুষ প্রতারিত হয় তখন সেই প্রতারিত মানুষের জীবন এমন এক অবস্থায় এসে দাঁড়ায় যে সে নিজেকে আর নতুন করে তৈরি করার অবস্থায় থাকে না
শুধু একটা জীবন
------------------------জুলাই ১১ সাল ২০২৬
জামিল আহমেদ
আমি যখন আমাকে খুঁজি
আমার নিজের যত্ন না
নেওয়া জীবনের শেষ অপেক্ষার
বিকেলে- তখন দেখি;
সব কিছু ছেড়ে দেওয়া বা কোন
কিছু না পাওয়ার আকাঙ্খা আমার
জীবন আমার ধ্বংস হয়ে যাওয়া সমস্তই
আমার এক শূন্যতাকে ঘিরে রেখেছে।
আমি সেখানে নিজেকে আর পাইনা!
হতে পারতো এক রঙ্গিন প্রজাতির
মত আমার জীবন।
অথবা হতে পারতো কোকিল কন্ঠ
কোন সুন্দর পাখির মত আমার জীবন
গানের সুর ধরে মানুষকে মুগ্ধ করতে
করতে আমি কাটিয়ে দিতাম
আমার জীবন।
কিন্তু আমি মানুষ হয়ে কিছুই না
দিয়ে শুধু নিজের কাছে নিজের একটা
জগৎ তৈরি করে কাটিয়ে দিলাম,
কিন্তু এখানে কিছু নেই; না নেই কোন
দেওয়া বা না নেওয়ার কথা।
শুধু একটা জীবন পার করে দিলাম
শুধুই বেঁচে থাকার প্রয়োজন বলে।
একটা বসন্ত ছিল আমার ......................................
জামিল আহমেদ
৯/৭/২০২৬
আমার একটা বসন্ত ছিল
রবিঠাকুরের গান দিয়ে যাকে
আমি সাজিয়ে ছিলাম তোমার জন্য।
আমার একটা গল্প ছিল
যে গল্পের শেষ ভাগে তোমার কথা
ছিল ভালবাসার সংজ্ঞায়।
আমি অবাক হয়ে গেছি
আমি বিমূর্ত রূপের আঁধারে তোমার
পায়ের নূপুরের ধ্বনি শুনে -
চমকে উঠে জেগে দেখি তুমি অন্য কারো!
আমার স্বপ্ন আমার গান ও যত গল্প গুলি
তোমার জন্য জমে ছিল
এক নিমেষে তার মৃত্যু হয়ে গেল।
আমি ভবঘুরে শুয়োপোকার মত আছি,
পৃথিবী যেন থমকে পরে আছে
আমার জীবনের শূন্যতা নিয়ে।
আমি হতাশা আমি রিক্ত আমি প্রাণহীন
মাংস, আমি আমার মনের সৌন্দর্য
লুটিয়ে নিজেকে করেছি মুক্ত।
আমি ভালবাসা নিয়ে জীবন শুরু করে
ভালবাসাকে করেছি বঞ্চিত -
আমি সেই সাধক সেই গায়েন
যে নিজের জন্য গান গেয়ে যায়,
নিজের কন্ঠ বিদ্ধ.....
মানব দৃষ্টিতে রঙের প্রতিনিধিত্ব
---------------------------------------------
জামিল আহমেদ
💥 বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রঙ হলো মূলত আলোর একধরনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য (wavelength) এবং আমাদের মস্তিষ্ক ও চোখের যৌথ অনুভূতির খেলা। বাইরে থেকে কোনো বস্তুর নিজস্ব রঙ বলে কিছু থাকে না, বস্তুর ওপর আলো পড়লে তা থেকে নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে ধরা পড়ে, যা মস্তিষ্ক রঙ হিসেবে ব্যাখ্যা করে। রঙের অস্তিত্ব ও এর কার্যকারিতা সম্পর্কে বিজ্ঞান বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়:
১. বাহ্যিক বিশ্বে রঙের অনুপস্থিতিপ্রকৃতিতে বা ভৌত জগতে রঙের কোনো স্থায়ী অস্তিত্ব নেই। সূর্য বা অন্য কোনো উৎস থেকে আসা আলোতে থাকে সাতটি রঙের সংমিশ্রণ। যখন এই আলো কোনো বস্তুর ওপর পড়ে, তখন বস্তুটি নিজের ধর্ম অনুযায়ী কিছু আলোর তরঙ্গ শোষণ করে এবং কিছু তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রতিফলিত করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি আপেল লাল দেখায় কারণ এটি লাল রঙের আলো প্রতিফলিত করে বাকি সব আলো শোষণ করে নেয়।
২. রঙের সৃষ্টি মানুষের মস্তিষ্কেবস্তু থেকে প্রতিফলিত হয়ে আসা আলোর এই তরঙ্গগুলো যখন আমাদের চোখে প্রবেশ করে, তখন চোখের রেটিনায় থাকা 'কোণ' (Cone) নামক বিশেষ কোষগুলো উদ্দীপ্ত হয়। এই কোষগুলো তখন স্নায়ুর সংকেত মস্তিষ্কের ভিজ্যুয়াল কর্টেক্সে পাঠায়। মস্তিষ্ক এই সংকেতগুলোকে বিশ্লেষণ করে আমাদের দেখার অনুভূতি তৈরি করে, যা আমরা রঙ হিসেবে চিহ্নিত করি। অর্থাৎ, রঙ হলো একটি মানসিক বিভ্রম বা অনুভূতি, যা আলোর উপস্থিতিতে আমাদের মস্তিষ্কে তৈরি হয়।
৩. প্রাণীর জগতে রঙের ভিন্নতা সব প্রাণী একই রকম রঙ দেখে না। মানুষের চোখের কোণ কোষগুলো মূলত লাল, সবুজ ও নীল রঙের প্রতি সংবেদনশীল। কিন্তু অনেক প্রাণীর চোখে ভিন্ন ধরনের কোষ থাকে, যার কারণে তারা এমন অনেক রঙ দেখতে পায় যা মানুষের চোখে ধরা পড়ে না। আবার কিছু প্রাণী, যেমন কুকুর বা বিড়াল, রঙ ভালোভাবে বুঝতেই পারে না।
৪. রঙ বোঝার ক্ষেত্রে ভিন্নতা যেহেতু রঙ সম্পূর্ণভাবে মানুষের দেখার প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল, তাই বিভিন্ন মানুষের ক্ষেত্রে রঙের অনুভূতির সামান্য পার্থক্য থাকা খুব স্বাভাবিক। এমনকি জন্মগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ কোণ কোষের কারণে অনেক মানুষ নির্দিষ্ট কিছু রঙের পার্থক্য করতে পারে না, যাকে কালার ব্লাইন্ডনেস বা বর্ণান্ধতা বলা হয়। বিজ্ঞান এবং গবেষণার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে, রঙ মূলত আলো ও মস্তিষ্কের একটি চমৎকার সমন্বয়। আপনি এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন বিশ্লেষণ পড়তে পারেন। অথবা রঙের সূক্ষ্মতা নিয়ে বিভিন্ন আর্টিকেল দেখতে পারেন।
(বিষয়টি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত)
ধন্যবাদ
জামিল আহমেদ
02/06/2026
Click here to claim your Sponsored Listing.
