Raufun jannat
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Raufun jannat, Health/Beauty, Dinajpur.
তুমি কাউকে অন্যায়ভাবে কষ্ট দিলে একদিন না একদিন তুমি সমপরিমাণ কষ্ট ফেরত পাবাই! য়তো ভিন্ন কারণে, ভিন্ন সময়ে, ভিন্ন কোন মানুষের কাছ থেকে ভিন্ন রকমের কষ্ট পাবা! কিন্তু পাবা!! এই ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই !!
তুমি হয়তো বেমালুম ভুলে যাবা যে অনেক বছর আগে তুমি কারো সাথে একটা অন্যায় করেছিলে! কিন্তু উপরে একজন আছে, তিনি ভুলবেন না! তিনি কিচ্ছু ভুলেন না !!
এটা কোন অভিশাপ না! এটা সরল অংক! একদম সোজাসাপ্টা হিসাব! তোমার দেয়া কষ্ট আর তোমার ফেরত পাওয়া কষ্ট - এই দুই কষ্টে কষ্টে কাটাকাটি হয়ে যাবে! হতেই হবে! যতদিন না কাটাকাটি হবে, ততদিন হিসেব মিলবে না !!
সব হিসেব না মিলিয়ে কাউকে যেতে দেয়া হবে না! হিসেব মেলানোর আগ পর্যন্ত কারো কোন ছুটি নেই !!"
14/10/2024
চলেন এখানে যেয়ে এক কাপ চা খাই।☕🌸🥀
গণিত তুই কবে বড় হবি
কবে তুই নিজের স'ম'স্যা নিজে স'মা'ধা'ন করবি..!
আজকের করণীয় -
জা'মা'ত শি'বি'র, হে'ফা'জত, ইসলামী আন্দোলন,মজলিস সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে যান রাজপথে৷
ইখতেলাফ থাকতে পারে। তারপরও ইসলামপন্থীদের একটা ভিশন আছে। লিডারশীপ আছে। দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা আছে।
কিন্তু আন্দোলনে থাকা ছাত্রসমাজের লিডারশীপ নেই। ভিশন নেই। ওদের ফসল হাইজ্যাক করবে বা'ম সে'কুরা।
তাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে ঐক্য না থেকে৷ নিজেদের ভাইরা এক হয়ে যাই।
পরবর্তী যে কোনো রাষ্ট্রীয় বিষয়ে ইসলামন্থীদের মতামত ছাড়া হবে না। সিদ্ধান্ত ছাড়া হবে না। আমরা এই দেশের বৃহত্তর ছাত্র জনতার অংশ।
আমাদের ফেলে কেউ রাষ্ট্র গঠনের দু:সাহস যেনো না দেখায় ।
বাঁচলেও এক সাথে ইসলাম নিয়ে মাথা উচু করে বাঁচবো। মরলেও মাথা উচু করে বাঁচবো।
যেহেতু মাঠে নেমেই গেছে সমস্ত ইসলামপন্থী। আপনাদের ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে৷ যাতে বিজয় পরবর্তী শিক্ষার্থীদের জাতীয়তাবাদ সেন্টিমেন্টাল কাজে লাগিয়ে আরেক প্রগতিশীল না আসতে পারে।
আমাদের টার্নিং পয়েন্ট চলছে। এই মূহুর্তে একটা সিদ্ধান্ত এক যুগ আগিয়ে দিতে পারে। আবার একটা সিদ্ধান্তহীনতা এক যুগ পিছিয়ে দিতে পারে৷
আর বিজয় না আসলেও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে৷ কারণ সে এ যাত্রায় বেঁচে গেলে। কাউকে ছেড়ে দিবে না। তখন ঐক্যবদ্ধ থাকলে। ওরা টাচ করার সাহস দেখাবে না।
আশরাফ আলী থানভী রাহিমাহুল্লাহ উত্তরাধিকার সূত্রে অনেক সম্পদ লাভ করেন। কিন্তু, তাঁর মনে সন্দেহ দেখা দিলো যে, বাবার পুরো উপার্জন হালাল কিনা।
এমন না যে তাঁর বাবা হারাম উপার্জন করতেন। তিনি বৈধ উপার্জনই করতেন। তবুও কোনো কারণে থানভী রাহিমাহুল্লাহর মনে সন্দেহ দেখা দিলো। সম্পদ গ্রহণ করলে তাঁর মনে সন্দেহ কাজ করবে। সম্পদ গ্রহণ না করলে পরবর্তীতে আফসোস কাজ করতে পারে।
তিনি চিঠি লিখলেন রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী রাহিমাহুল্লাহর কাছে। জানতে চাইলে এখন পিতারে সম্পদের ভাগ নিবেন কিনা।
রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী রাহিমাহুল্লাহ চিঠির জবাবে জানালেন যে,
• সম্পদে নিজের অংশ গ্রহণ করা তাঁর জন্য জায়েজ
• সম্পদ গ্রহণ না করা তাকওয়া
• সম্পদ গ্রহণ না করলে তাঁর মধ্যে আফসোস কাজ করবে না, ইনশা আল্লাহ।
চিঠির জবাব পেয়ে আশরাফ আলী থানভী রাহিমাহুল্লাহ সিদ্ধান্ত নিলেন যে, তিনি তাকওয়ার ওপর আমল করবেন।
যার কারণে তিনি বাবার সম্পত্তিতে নিজের উত্তরাধিকারের অংশ ছেড়ে দেন।
রাহিমাহুল্লাহ।
২০০৯ থেকে রক্ত ঝড়ানো সব খু'নীদে বিচার জনতা করে ফেলেন৷।
আ'দা'লতের উপর ছেড়ে দিয়ে খু'নীদের পালাতে দিয়েন না।
যু'দ্ধাপরা'ধী নামে জুডিশিয়াল কিলিং করে যারা ইসলামপন্থী নেতাদের খু'ন করেছে। সাথে রায় পরবর্তী রাজপথে লা'শের মিছিল বইয়ে দিয়েছে৷
যারা ৫ মে রক্তের উপর উল্লাসে মেতে উঠেছে।
কোনো খু'নীদের ক্ষমা নেই।
এখন প্রতিশোধ নিতে না পারলে। বিজয় হলেও তেমন আশার আলো নেই। বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা। খু'নীদের নিরাপদ প্রস্থান করে দিবে।
এমন একটা প্রতিশোধ নেওয়া দিন পেয়েও হাতছাড়া করলে। চরম মূল্য দিতে হবে।
২৮ শে অক্টোবর ২০০৬।
লগি,বৈঠা,পি'স্তল দিয়ে খুন করা হয় অসংখ্য যুবক কে। লা'শের উপর নৃত্য করে আওয়ামীলীগ৷
আজ প্রতিশোধ নিয়ে ফেলেন৷।
১৬ বছর ধরে তারা আমাদের প্রতি বিন্দুমাত্র করুণা দেখায়নি।
যারা আপডেট পাচ্ছেন না। তাদের আপডেট বলে দেই। প্রথম পহর থেকেই রাজপথ মাদ্রাসা ছাত্র ও ইসলামপন্থীদের দখলে।
আপনারা মাঠে ইসলামপন্থীদের মিছিলেই থাকবেন। এটা একটা টার্নিং পয়েন্ট এই দেশের ইসলামের জন্য৷
পা ধরে সালাম বা কদমবুসি করা শরী‘আত সম্মত নয়। আনাস (রাঃ) বলেন, জনৈক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যখন তার কোন ভাই বা বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাত করবে, তখন সে কি মাথা ঝুঁকাবে বা তাকে জড়িয়ে ধরবে বা চুমু খাবে? তিনি বললেন, না। লোকটি বলল, তাহ’লে কি কেবল হাত ধরবে ও মুছাফাহা করবে? রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, হ্যাঁ’।
আমাদের সমাজে অনেকেই মুখে সালাম দেওয়ার চেয়ে কদমবুসীকে বেশি গুরুত্ব প্রদান করেন। অনেকে আবার কদমবুসীকে সালাম করা বলি। অনেকে মুখে সালাম করি-না শুধু কদমবুসী করি। অথচ একজন মুসলমানের সাথে অন্যের দেখা হলে মুখে সালাম দেওয়া ও উত্তর প্রদান করা ইসলামী সুন্নাত। রসূলুল্লাহ (সা.) -এর দরবারে তাঁর ২৩ বৎসরের নবুয়াতী জীবনে তাঁর লক্ষাধিক সাহাবীর কেউ কেউ দুই একবার এসেছেন। কেউ কেউ সহস্রাধিকবার এসেছেন। এ সকল ক্ষেত্রে তাঁদের সুন্নাত ছিল সালাম প্রদান।
কখনো কখনো দেখা হলে তাঁরা সালামের পরে হাত মিলিয়েছেন বা মুসাফাহা করেছেন। দু’ একটি ক্ষেত্রে তাঁরা একজন আরেকজনের হাতে বা কপালে চুমু খেয়েছেন বা কোলাকুলি করেছেন। আবু বাকার, উমার, উসমান, আলী, ফাতিমা, বিলাল (রা.) ও তাঁদের মত অগণিত প্রথম কাতারের শত শত সাহাবী প্রত্যেকে ২৩ বছরে কমপক্ষে ১০ হাজার বার রসূলুল্লাহ (সা.)-এর দরাবারে প্রবেশ করেছেন। কিন্তু কেউ কখনো একবারও রসূলুল্লাহ (সা.) কদম মুবারক চুমু খাননি বা সেখানে হাত রেখে সেই হাতে চুমু খাননি।
পা ছুয়ে সালাম করা অমুসলিমদের কাজ। আর তা সালাম নয়, তা আসলে প্রনাম। সুতরাং তা মুসলিমদের জন্য বৈধ নয়। আল্লাহ ছাড়া কারও জন্য মাথা নত করা বৈধ নয়। সালাম ও মুসাফাহাহ করার সময় মাথা নত করা বৈধ নয়। সালামের পর বিশেষ শ্রদ্ধাভাজনের দুই চোখের মাঝে কপালে চুম্বন করা বৈধ। জাফর (রাঃ) হাবশা থেকে ফিরে এলে রাসুল (সাঃ) তার সাথে মুআনাকা করে তার দুই চোখের মাঝে কপালে চুম্বন দিয়েছিলেন। [ইবনে উসাইমিন; সিলসিলাহ সহিহাহঃ ৬/১/৩৩৮।]
পা ধরে সালাম বা কদমবুসি করা শরী‘আত সম্মত নয়। আনাস (রাঃ) বলেন, জনৈক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যখন তার কোন ভাই বা বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাত করবে, তখন সে কি মাথা ঝুঁকাবে বা তাকে জড়িয়ে ধরবে বা চুমু খাবে? তিনি বললেন, না। লোকটি বলল, তাহ’লে কি কেবল হাত ধরবে ও মুছাফাহা করবে? রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, হ্যাঁ’। [তিরমিযী, মিশকাত হা/৪৬৮০ ‘শিষ্টাচার’ অধ্যায়, মুছাফাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
