Yeah Tataaa
...
...
coming soon... lodging...
পেইজটি ফলো দিয়ে সাথে থাকুন
বাংলাদেশ vs আর্জেন্টিনা u20 Live
📹.. Yeah Tataaa
📍 Dhaka National stadium
25/09/2025
একটা ভুলেই জীবনের সফলতা সব শেষ
আমার নাম মো: রিপন আলী। জেলা: নওগাঁ। আমি ১০২ ব্যাচ থেকে মাঠ করছি স্বপ্নের বাহিনী বিজিবিতে। ১০২ ব্যাচ এ প্রাথমিকে বাদ দিয়েছে। মেনে নিলাম যে শারিরিক ফিটনেস এ সমস্যা থাকায় বাদ পড়েছি। আবার ১০৩ এ মাঠ করলাম, তিনদিন ই টিকলাম কিন্তু ম্যাসেজ আসলো নাহ। মানলাম যে জেলা কোটা কম থাকায় মার্কিং কম পাওয়ায় ব্লাড টেস্টের ম্যাসেজ আসলো নাহ। এবার বলা যাক ১০৪ ব্যাচের কথা। ১০৪ ব্যাচে শারিরিক কোনো সমস্যা না থাকার পরও প্রাথমিকে বাদ দিলো কিন্তু ১০৪ এর অতিরিক্ত ব্যাচে মাঠ করলাম রাজশাহী ব্যটালিয়নে। তিনদিন টিকলাম, তারপর ড্রপ আর ইউরিন টেস্টের ও ম্যাসেজ আসলো, সেদিন ভাবলাম যে হয়তো বাবার কষ্টটা একটু কমাতে পারলাম । কিন্তু তারপরো চাকরি হলো নাহ। সমস্যা নাকি পেয়েছে ড্রপ টেস্টে। পরবর্তীতে বাইরে মেডিকেল টেস্টগুলো করালাম কিন্তু সমস্যা পেলাম নাহ। আমার ভুল ছিলো একটাই যে ড্রপটেস্টের আগের দিন সর্দির ঔষুধ খেয়েছিলাম। তাই পরবর্তী ব্যাচের সবার প্রতি অনুরোধ ড্রপ টেস্ট পর্যন্ত যেতে পারলে কেউ টেস্টের ৪৮ ঘন্টা আগ মুহুর্ত পর্যন্ত কোনো প্রকার ঔষুধ আর এলকোহল জাতীয় খাবার খাবেন নাহ।
এবার বলা যাক গ্রামের পরিস্থিতির কথা। চাকরি হবার আগ মুহুর্ত পর্যন্ত আমি ছিলাম গ্রামের অবহেলিত এক ছেলে। কিন্তু যেদিন ম্যাসেজ আসলো দিয়ে গ্রামে জানাজানি হলো চাকরি হয়েছে সেদিন থেকে বাদ পড়ার আগ মুহুর্ত পর্যন্ত ৪-৫ দিন সময় পেয়েছিলাম গ্রামে থাকতে। যাদের কাছে অবহেলিত ছিলাম তাদের কাছে সোনার পুতুল হয়ে গেলাম। এমনকি গ্রামের ধনসম্পদ ব্যাক্তি, চাকরিজীবি ব্যাক্তি ফোন দেয় কথা বলে চা খেতে ডাকে, বাসায় দাওয়াত দেই। কিন্তু যেদিন বাদ পরলাম সেদিন থেকে সেই ব্যাক্তিদের আর কোনো খোজ খবর নাই। যে কেমন আছি এটারো খোজ নেই নাহ। আসলেই কি মানুষ প্রতিষ্ঠিত হতে না পারলে সমাজের বোঝা হয়ে যায়।। চাকরি যাবার পর থেকে কোনো কিছু ভালো লাগে নাহ, টেনশানে খেতে পারিনাহ,চাকরি যাবার ৭ দিনের মধ্যে ৫ কেজি ঔজন কমে গেছে এতোটাই খারাপ অবস্থা আমার। সকলের কাছে দোয়া চাই আমার জন্য, আল্লাহ যেন আমার প্রতি একটু সহায় হোন
তারপরো স্যালুট জানাই এই বাহিনীকে। বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বাহিনীর প্রতি ভালোবাসা অবিরাম থাকবে।
রিপন আলী
21/09/2025
২৩ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড.
বিস্তারিত কমেন্টে...
15/09/2025
৩ বছরে সমাপ্ত হলো আমার সৈনিক জীবন 😅
২০২২ ট্রেনিং শেষ করেই ভালোবাসার প্রমাণ দিতে গিয়ে বিয়ের পারমিশন হওয়ার আগেই বিয়ে করেছিলাম এক ধ্বংসবতীকে।
বিয়ের পর সে তার মায়ের বুদ্ধিতে সরকারি কোয়ার্টারে আসতে চাইলো, তাকে হাজার বার বললাম বিয়ের পারমিশন হওয়া পর্যন্ত কখনো কোয়ার্টার পাওয়া যায় না। সে আমার কথা বিশ্বাস করলো না মায়ের সাথে আমার ইউনিটে গিয়ে রিপোর্ট দিলো আমি তাকে বিয়ে করে বাড়িতে ফেলে রেখেছি সাথে রাখতে চাইনা ভরণ পোষণ দিতে চাই না ইত্যাদি...
অতঃপর আমার বিরুদ্ধে কোর্ট মার্শাল করে আমাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো..
আমি শশুর বাড়িতে গিয়ে বললাম তোমাকে ভালোবাসি এটার প্রমাণ দিতে গিয়ে পারমিশন হওয়ার আগেই বিয়ে করলাম আর সেই তুমি মায়ের কথা শুনে আমার চাকরিটা নষ্ট করলে! এখন আমার চাকরিটা নেই তোমাকে খাওয়াবো কি আমার পরিবারের কি হবে...? সে কিছু না বলেই আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করলো এবং বললো ভুল হয়ে গেছে।
তার কান্নার শব্দ শুনে আমার শাশুড়ি ঘরে ঢুকে বললো কি ব্যাপার তুমি কি বলেছো আমার মেয়েকে আমার মেয়েকে কি বলেছো...
আমি বললাম, শাশুড়ি আম্মা আজ যার তলোয়ারের আঘাতে আমি খুন হয়েছি...s 😊
আমি মূলত তাকে বাঁচাতে যুদ্ধে গিয়েছিলাম 😅s
আফসোস হয় কি করলাম কার জন্যই বা করলাম 🙂💔
— গল্পটি ইমেইলে পাঠিয়েছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভাই
#করুন
৪ বছর রিলেশনের পর যখন জানলাম সে কখনোই মা হতে পারবে না। তবুও তার হাত ছাড়িনি। পুরো পরিবারের বিপক্ষে যেয়ে বিয়ে করছিলাম। কারন তাকে যথেষ্ট পরিমাণ ভালোবাসতম যেটা বুঝানোর মতো ভাষা নেই। সংসারও তিন বছর রানিং ছিলো আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক সুখে ছিলাম। সারারাত অফিস করে সকালে বাসায় ফিরে নাস্তা রেডি করে তাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে নাস্তা করিয়ে একসাথে ঘুমাতাম।
বিয়ের তিন বছরের মধ্যে আমার মনে হয় না সে কখনো নিজ হাতে খাবার খেয়েছে। আমিই তাকে খাইয়ে দিতাম তিনবেলা। স্বামী হিসাবে আমার মনে হয় না আমি তার কোন চাওয়া পাওয়ার অপূর্ণতা রেখেছিলাম। তার মুখ দেখেই বুঝতাম কখন কি লাগবে।
হঠাৎ আমি অনেক অ!সুস্থ হয়ে পড়ি,পরে পরিক্ষায় ধরা পড়ে আমার ক্যান্সা! র হয়েছে। এক কথায় না বাঁ! চার মতো অবস্থা।
তার কিছুদিন পর থেকেই সে আমার সাথে ছোটখাটো যেকোনো ব্যাপার নিয়ে খুব ঝামেলা করতো। এবং আমি ঘুমিয়ে পড়লে সে পাশের রুমে যেয়ে সারারাত ফোনে কথা বলতো। আমি শুনলেই উল্টাপাল্টা ব্যবহার করতো আমার সাথে। আমি তার আম্মুকে জানাই ব্যাপারটা। তিনি তখন তাকে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে বলে,আমিও রাজি হয়ে যায়।
যদিও তখন তাকে আমার পাশে রাখার অনেক প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু সে ও বাবার বাড়ি চলে যাওয়ার জন্য মন খারাপ করে থাকতো। বাবার বাড়িতে যাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই সম্পর্কের ইতি টানল।
আমি রোজা থাকা অবস্থায় কক্সবাজার থেকে ফরিদপুর প্রাই ৩০০ কিঃ মিঃ + জার্নি করে তার বাসায় যাই এবং অনেক চেষ্টা করে তার সাথে দেখা করি।
এমনকি স্বামী হয়ে স্ত্রীর পায়ে ধরে ঘন্টার পর ঘন্টা কা! ন্না করছিলাম তাকে ফেরানোর জন্য ।
কিন্তু তাকে ফেরাতে পারিনি।
আজ প্রায় ৯ মাস হয়ে গেছে তার সাথে আমার কোন যোগাযোগ নেই।
হাসপাতালে শুয়ে থেকে লিখলাম ডাক্তার বলছে বাহিরে গিয়ে চিকি!!ৎসা করাতে, সেই সামর্থ ও নেই।
এখন প্রতিটা দিন প্রতিটা রাত তাকে ছাড়া কোন কিছু ভাবতে পারি না। তার জন্য কান্না করতে করতে বে! হুঁশ হয়ে যায়।
আমি মনে হয় বেশি দিন বাঁচ!! বো না, অথচ এই শেষ সময়ে মানুষটা আমার পাশে নেই।🥺
পাঠালেনঃ ইমন ইসলাম রনি
18/01/2025
আলহামদুলিল্লাহ আগামীকাল থেকে পেইজে ছোট ছোট ভিডিও ছাড়া হবে,,।
20/12/2024
তারপর আপনাকে ছাড়াও কাটিয়
দিতে হবে আমার বহু বছর..!!😅💔💫
যদি ভালোবাসার মানুষকে পেতে চাও। তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভালো একটা ক্যারিয়ার তৈরি কর । কারণ শুধু ভালোবাসা দিয়ে বেশিরভাগ মেয়েরা পাশে থাকে না। তোমার যদি ভালো ক্যারিয়ার হয় । তাহলে তোমার ভালবাসা সবাই গলায় মালা পরিয়ে বরণ করে নিবে । আর ভালো ক্যারিয়ার তৈরি করতে না পারলে । ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে , চোখের পানি মুছে চলে আসতে হবে । এটা চরম সত্য ।
17/11/2024
২৪ সাল যে বাঁশ দিছে সেইটা নিয়ে খুশি থাকেন...
২৫ সালে সুখের আশা কইরেন না...
তাহলে বাঁশ প্রো ম্যাক্স দিয়ে দিবে...😫
"সে আমার না হোক" তবুও সে জানুক পৃথিবীর কোন এক প্রান্তে ক্ষুদ্র একটি মানুষ তাকে এক আকাশ সমান ভালোবাসে!সে জানুক তাকে এক পলক দেখার জন্য কেউ আজও অপেক্ষা করে বসে থাকে, সে জানে তাকে আর কোনোদিন পাওয়া সম্ভব নয়,তবুও সে ভালো থাকুক দুনিয়ার সকল সুখ তার হোক।
ওর আইডি দেখতে গিয়েছিলাম। নতুন প্রোফাইল পিক আপলোড করেছে। অনেকক্ষন যাবত তাকিয়ে ছিলাম চেহারাটার দিকে। আমার দৈনন্দিন জীবনের মানুষটাকে আজ কেন যেন খুব দূরের একজন মনে হচ্ছিলো। ধরাছোঁয়ার বাইরে কেউ। ধীরে ধীরে হয়ত কোনো একদিন কল্পনার বাইরেও চলে যাবে। কিন্তু সে দিন টা না আসুক
....মায়াবতী.....
Click here to claim your Sponsored Listing.
