Deen Diaries
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Deen Diaries, Beauty, cosmetic & personal care, Dinajpur.
ইবাদতই জীবনের মূল উদ্দেশ্য!!
হযরত উমর রা. একদিন,নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কামরায় গিয়েছেন। উমর রা. গিয়ে দেখেন আল্লাহর নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি চাটাইয়ের মধ্যে শুয়ে আছেন। মাথার নিচে ছিলো খেজুরের ছাল দিয়ে বানানো ছোট বালিশ। হযরত উমর রা. দেখলেন মাথার উপরে একটা চামড়া ঝুলানো এবং পায়ের নিচে কিছু ছাতু। সে ঘরে এই ৪ টি জিনিসই ছিলো, একটি চাটাই,একটা খেজুরের ছালের বালিশ,একটি চামড়া আর কিছু ছাতু। উমর রা. দেখলেন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দেহে চাটাইয়ের দাগ পড়ে গেছে।
যেহেতু নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবচেয়ে বেশি সুন্দর ছিলেন,কাজেই দাগ তো পড়বেই। এটা দেখে হযরত উমর রা. কান্না করে শুরু দিলেন। আল্লাহর নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন" উমর তোমাকে কে কাঁদালো?" উমর রা. বললেন" ও আল্লাহর নবি, আমি কেন কাঁদবোনা বলেন, আপনার এই হালত, একটা ভালো বিছানা নাই, একটা নরম বালিশ নাই, শুধু চাটাই আর ছাতু। আপনি তো সমস্ত নবী-রাসূলের নির্যাস, সর্বশ্রেষ্ঠ নবী, হাউজে কাউসারের মালিক, এত এত মর্যাদা যার সেই আপনার এই অবস্থা।
রোমের বাদশাহ,পারস্যের বাদশাহ তারা রেশমী কাপড়,রেশমী পোষাক, রেশমের বিছানায় ঘুমায়,খায়,ব্যাবহার করে আর সেখানে আপনার এই সাধারন অবস্থা আমি এটা দেখে কীভাবে মেনে নিবো? আমার চোখ এজন্য বাঁধা মানতেছেনা, তাই আমি কাঁদতেছি। তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুচকি হাসি দিয়ে বললেন" উমর, তুমি কি এতে খুশি হবে না? যে আমরা আখিরাত থেকে নিবো, ওরা দুনিয়া থেকে নিক।হযরত উমর রা. চোখ মুছে বললেন" ইয়া রাসূলুল্লাহ আমি এতেই খুশি, আমরা আখিরাত থেকে নিবো।
[ এজন্য আমরাও বলি আলহামদুলিল্লাহ হারাম ইনকামে লিপ্ত সবাই দুনিয়া নিক, আমরা হালাল ইনকামের মাধ্যমে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে দুনিয়ায় চলবো এবং আখিরাত থেকে নিবো ইনশাআল্লাহ ]
কিয়ামতের ময়দান।
চারদিক নিস্তব্ধ।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বিচার শুরু করেছেন।
আপনি একটু আশাবাদী।
দুনিয়াতে আপনি সময়মত সালাত আদায় করতেন, জামায়াতে।
রমাদানে প্রতিটি রোযা রেখেছেন, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে তারাবীহ পড়েছেন।
দান-সদকা করেছেন, এতিম-দুস্থদের অর্থনৈতিক ভাবে সাহায্যের জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছেন।
ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন। ন্যায়ের পক্ষে আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে সভা সমাবেশ মার্চ করেছেন৷
কুরআন তিলাওয়াত করেছেন, চোখে অশ্রু এনে ইবাদতে ডুবে থেকেছেন।
তাই আজ আপনি আশাবাদী –“ইনশাআল্লাহ, আমার পাল্লা ভারী হবে।”
কিন্তু… হঠাৎ আপনি দেখতে পেলেন—আপনার নেক আমলগুলো ধুলোর মতো উড়ে যাচ্ছে ! চোখের সামনে এক এক করে মুছে যাচ্ছে সওয়াবের পাহাড়। উলটো আপনার উপর এমন অনেক গুনাহ চাপানো হচ্ছে যা আপনি করেন নি৷
আপনি হতভম্ব। কী এক হৃদয় বিদারক দৃশ্য !
“হে আল্লাহ! কেন? কী হচ্ছে আমার সাথে?”
দেখলেন, কিছু লোককে আনা হচ্ছে। তাদের অনেকেই আপনি চিনেন। দুনিয়ার জীবনে তারা আপনার পরিচিত ছিল৷
কারো গীবত করেছিলেন, কাউকে ট্রল করে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। কখনো চ্যাটে, কখনো কমেন্টে, কখনো বন্ধুদের আড্ডায় কটুকথা বলেছিলেন কারো বিরুদ্ধে।
“তাকে তো আমি একবার... আচ্ছা আমি তো শুধু একটু বলেছিলাম... ট্রলটা তো আমি বানাইনি...গীবত তো আমি শুরু করিনি”
হ্যাঁ, আপনি শুরু করেননি।
কিন্তু অংশ নিয়েছিলেন।
হাসেন নি হয়ত বা চুপ থেকে শুনেছিলেন – সেটাও ছিল সম্মতির সমান।
লিখেন নি হয়ত তবে সমর্থন জানিয়ে মন্তব্য করেছিলেন৷
রাসূল ﷺ একবার সাহাবীদের বললেন:
"তোমরা জানো কে দেউলিয়া?"
সাহাবায়ে কিরাম বললেন, “আমাদের মধ্যে দেউলিয়া সে, যার ধন-সম্পদ নেই।”
তিনি বললেন, " না বরং দেউলিয়া সেই ব্যক্তি, যে কিয়ামতের দিন সালাত, রোযা, যাকাত নিয়ে আসবে, কিন্তু কাউকে সে গালি দিয়েছে, কারো ওপর অপবাদ দিয়েছে, কারো সম্পদ খেয়েছে, কাউকে হত্যা করেছে, কাউকে মেরেছে, কাউকে কটু কথা বলেছে।
তার নেক আমল থেকে ওইসব লোকদেরকে দিয়ে দেওয়া হবে। তারপর যখন তার আমল শেষ হয়ে যাবে এবং পাওনাদারের পাওনা তখনো বাকি থাকবে, তখন তাদের গুনাহ নিয়ে তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। তারপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” (সহীহ মুসলিম: ২৫৮১)
আজ সেই হাদীসের বাস্তবতা আপনার চোখের সামনে।
এই মুহুর্তে আপনি নিঃস্ব। আপনি দেউলিয়া। কিছুই করার নেই৷
আপনার পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, রমাদানের রোযা, আপনার তাহাজ্জুদের অশ্রু, সব চলে গেল – শুধু এক চিলতে ব্যঙ্গ, একবারের গীবত, এক ফোঁটা ঘৃণার বদলে।
আপনার মুখে একটাই বাক্য –
"ইশ! যদি আমি সেদিন চুপ থাকতাম!"
"ইশ! যদি আমি দুনিয়াতে নিজের জবানকে বেঁধে রাখতাম!"
"ইশ ! আমি যদি অমুকের আলোচনায় অংশ না নিতাম !"
আজও সময় আছে ভাই!
আজও আপনি বেঁচে আছেন,
আজও আপনার আমলনামা খোলা –আপনি চাইলে তাওবা করতে পারেন।
যাদের গীবত করেছেন তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতে পারেন৷ আখেরাতে দেউলিয়া হবার থেকে দুনিয়ায় ইগো বর্জন করে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া উত্তম নয় কী?
একটা ট্রল, একটা গীবত, একটা কষ্টদায়ক রসিকতা –
কিয়ামতের দিনে পাহাড়সম নেকির বিনিময়ে পড়তে পারে !
ওয়াদা করুন – কাউকে কষ্ট দিবেন না নিজের ব্যবহারে, কথায়।
কাউকে কষ্ট দিবেন না জবান বা কীবোর্ড দিয়ে।
বকর ইবন আব্দুল্লাহ আল-মুযানী (রাহিমাহুল্লাহ) কে প্রশ্ন করা হয়েছিল,
আপনি এত দীর্ঘ সময় চুপ থাকেন কেন?
: আমার জিহ্বা হিংস্র একটা জীবের মত, যদি আমি ছেড়ে দিই; তাহলে এটা আমাকে খেয়ে ফেলবে।
@শাহ্ মুহাম্মদ তন্ময়
আলহামদুলিল্লাহ! ১৪৪৭ হিজরীর সূচনা ঘটলো। উম্মাহর জীবনে আরো একটি নতুন বছরের আগমন হলো।
কিন্তু আমাদের মনে রাখা উচিত, আমরা জাহিলিয়্যাহর মতো নববর্ষ উদযাপন করি না। তবে কেন হিজরী সনের সূচনা নিয়ে লেখালেখি করা? কারণ, এটাই হচ্ছে আমাদের সন গণনার আসল জায়গা। হিজরীতেই আমাদের বছর গণনা করবার কথা। কিন্তু এই ফিতনার যুগে আমরা সেটা থেকে যোজন যোজন দূরে অবস্থান করছি, আমরা বঞ্চিত!
যাইহোক আসুন, নতুন চাঁদের দু'আটা সকলে পড়ে ফেলি এবং হিজরি নতুনবর্ষ শুরুর বার্তা সকলকে পৌছে দিই। নতুন চাঁদ দেখার পর নবী ﷺ বলতেন:
اللهُ أَكْبَرُ، اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ، وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ، وَالتَّوْفِيقِ لِمَا تُحِبُّ رَبَّنَا وَتَرْضَى رَبُّنَا وَرَبُّكَ اللَّهُ
অর্থ: "আল্লাহ সবচেয়ে বড়। হে আল্লাহ! এই নতুন চাঁদকে আমাদের উপর উদিত করুন নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সাথে; আর হে আমাদের রব্ব! যা আপনি পছন্দ করেন এবং যাতে আপনি সন্তুষ্ট হন, তার প্রতি তাওফীক লাভের সাথে। আল্লাহ আমাদের রব্ব এবং তোমার (চাঁদের) রব্ব।'' [জামে আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৩৪৫১]
আলহামদুলিল্লাহ! ১৪৪৭ হিজরীর সূচনা ঘটলো। উম্মাহর জীবনে আরো একটি নতুন বছরের আগমন হলো।
কিন্তু আমাদের মনে রাখা উচিত, আমরা জাহিলিয়্যাহর মতো নববর্ষ উদযাপন করি না। তবে কেন হিজরী সনের সূচনা নিয়ে লেখালেখি করা? কারণ, এটাই হচ্ছে আমাদের সন গণনার আসল জায়গা। হিজরীতেই আমাদের বছর গণনা করবার কথা। কিন্তু এই ফিতনার যুগে আমরা সেটা থেকে যোজন যোজন দূরে অবস্থান করছি, আমরা বঞ্চিত!
যাইহোক আসুন, নতুন চাঁদের দু'আটা সকলে পড়ে ফেলি এবং হিজরি নতুনবর্ষ শুরুর বার্তা সকলকে পৌছে দিই। নতুন চাঁদ দেখার পর নবী ﷺ বলতেন:
اللهُ أَكْبَرُ، اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ، وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ، وَالتَّوْفِيقِ لِمَا تُحِبُّ رَبَّنَا وَتَرْضَى رَبُّنَا وَرَبُّكَ اللَّهُ
অর্থ: "আল্লাহ সবচেয়ে বড়। হে আল্লাহ! এই নতুন চাঁদকে আমাদের উপর উদিত করুন নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সাথে; আর হে আমাদের রব্ব! যা আপনি পছন্দ করেন এবং যাতে আপনি সন্তুষ্ট হন, তার প্রতি তাওফীক লাভের সাথে। আল্লাহ আমাদের রব্ব এবং তোমার (চাঁদের) রব্ব।'' [জামে আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৩৪৫১]
29/05/2025
আল্লাহর সামনে হিসাব দিতে পারবেন?🥺
মহান রব-আল্লাহ আপনি সবাইকে হেফাজত করেন,আমীন🤲
27/05/2025
আফসোস🥺
26/05/2025
দুঃখ কষ্ট কে জীবনের বেদনা নয়,পরীক্ষার চোখে দেখো,আল্লাহ তার প্রিয় বান্দাদেরই বেশি পরীক্ষা করেন♥️
ইসলামে তো ফেসবুক সমর্থন করেনা,তাহলে তুমি ফেসবুক চালাও কেনো
দ্বীনে ফেরার পর দ্বীনি ভাই বোনদের সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটির সম্মুখীন হতে হয় তা হলো - যেহেতু তুমি ধার্মিক হয়ে গেছো তাহলে তুমি ফেসবুক কেনো চালাও?
-আর এমন প্রশ্নের সম্মুখীন আমিও হয়েছি। প্রশ্নটা করেছে আমারই কাছের এক বান্দুবী। আমি দ্বীনের পথে ফিরে আসার পর তার আইডিতে আমার কিছু পিক ডিলিট করতে বলায় সে আমাকে উল্টো প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলো।
এছাড়াও আরো অনেকেই বলে থাকেন যে ফেসবুকের নির্মাতা তো বিধর্মী। তাহলে মুসলিমদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা কি হারাম নাকি হালাম?
প্রথমত তাদের নিকট আমার প্রশ্ন-
১। আপনারা কি ফেসবুককে আল্লাহর হুকুম মনে করেন?
২। নাকি রাসুল (স) এর সুন্নাহ মনে করেন?
এখন আপনার উত্তর যদি এই দুইটির মধ্যে একটির উত্তরও হ্যা হয় তবে নিশ্চিত আপনি ভুল পথে আছেন বা বিদআতে লিপ্ত আছেন।
ফেসবুক, টুইটারসহ সব আবিষ্কার অবশ্যই আল্লাহ তায়া’লার নিয়ামত, যদি তা সঠিক ও সুন্দর কল্যাণের কাজে ব্যবহার করা হয়।
আর মার্ক জাকারবার্গ বিধর্মী হলেও সে আল্লাহর নিয়ামত ভোগ করেই ফেসবুক আবিষ্কার করেছে। আমাদের প্রিয় নবী (স) বিধর্মীদের দেয়া হাদিয়া গ্রহণ করেছেন কারন আল্লাহ তায়া’লাই তাকে সে হাদিয়া দেয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন
তাছাড়া খন্দক যুদ্ধের ইতিহাস যারা জানেন তারা ভালো করেই জানেন ইহুদিরা কিভাবে নগ্নভাবেই প্রকাশ্য ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে যায়। এসময় মহানবী (স) ইহুদিদের টেকনিক দিয়েই ওদের সাথে যুদ্ধ করেছিলেন। এবং আল্লাহ তায়া’লাই শত্রুপক্ষের পরিকল্পনা ভঙ্গুর করে দিয়ে ছিলেন।
অর্থাৎ ফেসবুক শুধুমাত্র একটি মাধ্যম এটি কোনো ইবাদত নয়। তবে হ্যা ফেসবুক ব্যবহার তখনই নাজায়েজ হবে যখন-
এর মাধ্যমে আপনার নামাজ বিলম্বিত হচ্ছে
যখন আপনার প্রোফাইলে অশ্লীল, অনৈতিক, আল্লাহ নারাজ হন এমন কিছু থাকে
যখন ফেসবুক আপনাকে আল্লাহর যিকির ও কুরআনের থেকে দূরে সরিয়ে রাখে
যখন এর মাধ্যমে আপনি গায়রে মুহাররামের সাথে অনর্থক চ্যাট বা হারাম রিলেশনশীপে জড়িয়ে থাকবেন
অর্থাৎ ফেসবুক ব্যবহার করা কোনো বিদআত বা হারাম নয় যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি মনে করেন ফেসবুক ব্যবহার করলে অনেক সওয়াব হবে
কোরআনে আছে-
‘তুমি তোমার রবের পথে প্রজ্ঞা (সম্ভব সব মাধ্যম কাজে লাগিয়ে) ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে আহ্বান কর এবং সুন্দরতম পন্থায় তাদের সাথে বিতর্ক কর। নিশ্চয়ই একমাত্র তোমার রবই জানেন কে পথভ্রষ্ট হয়েছে
হালাল (ভালো) এবং হারাম ( মন্দ) সবকিছু মিলিয়ে আল্লাহ তায়া’লা আমাদের সৃষ্টি করেছেন। আর যদি তা না হতো তবে সৃষ্টিকর্তা জাহান্নাম তৈরি করতেন না।
এখন প্রশ্ন হলো আমরা ফেসবুক থেকে কিভাবে লাভবান হতে পারি?
ফেসবুকের মাধ্যমে হাজারো সত্যের সন্ধানী মানুষ নিজেদের কল্যানকর চিন্তা ও কথা অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন, বিভিন্ন ফেসবুক পেইজ বা গ্রুপের মাধ্যমে।
জরুরি প্রয়োজনে রক্ত দেয়া, মূমুর্ষু রোগীর পাশে দাড়ানো মানবতার সেবায় এগিয়ে যাওয়া ইত্যাদি নিয়ে অসংখ্য ভালো কাজ করে যাচ্ছেন বিভিন্ন ফেসবুক কমিউনিটির লোকেরা।
অনেক বোনরা আছেন যারা ঘর থেকে বের হতে পারেন না তাদের মধ্যে অনেকে আছেন আলেমা হাফেজা। তারা তাদের ইলম ছড়িয়ে দিতে পারবেন মেসেঞ্জার বা বিভিন্ন প্রাইভেট গ্রুপের মাধ্যমে। এক্ষেত্রে সমাজের অধিকাংশ বোনরা যারা জেনারেল লাইনের যাদের ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান খুবই স্বল্প আবার অনেকের তো নেই বললেই চলে তারা ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হবেন এবং বিভিন্ন ভাবে ইসলামিক ইলম অর্জন করতে পারবেন।
অনেক বোনকে দেখি অনলাইনে জামা কাপড়,বোরকাসহ(খিমার,জিলবাব) অনেক কিছু বিক্রি করেন।এতে ঘরে বসে তার যেমন পর্দা রক্ষা হচ্ছে তেমনি তার বাড়তি আয়েরও সুযোগ হচ্ছে।
তবে ফেসবুক ব্যবহারে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।যেমন
বিশ্বস্তদের বন্ধু বানানো- আমাদের ফ্রেন্ডলিস্ট এর তালিকার অবশ্যই দ্বীনি ভাই/ বোনদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
পবিত্র কুরআনে এসেছে-
‘হায় আমার দুর্ভোগ, আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম। অবশ্যই সে তো আমাকে উপদেশবাণী থেকে বিভ্রান্ত করেছিল, আমার কাছে তা আসার পরও। আর শয়তান তো মানুষের জন্য চরম শত্রু।’ (সূরা আল ফুরকান : ২৭-২৮)
দ্বীন প্রচার করা- ফেসবুক হলো দ্বীন প্রচারের অন্যতম একটি হাতিয়ার।
কোরআনে আছে-
15:94
فَاصۡدَعۡ بِمَا تُؤۡمَرُ وَ اَعۡرِضۡ عَنِ الۡمُشۡرِکِیۡنَ ﴿۹۴﴾
সুতরাং তোমাকে যে আদেশ দেয়া হয়েছে, তা ব্যাপক ভাবে প্রচার কর এবং মুশরিকদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও।
এক্ষেত্রে যারা ফেসবুকে অশ্লীলতার প্রসার ঘটায় এবং যারা নানারকম বিদাআতি কথাবার্তা বলে তাদের কোনো পেইজ বা গ্রুপকে ফলো করা যাবেনা, তাদের পোস্ট পড়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
6:68
আর যখন তুমি তাদেরকে দেখ, যারা আমার আয়াত সমূহের ব্যাপারে উপহাসমূলক সমালোচনায় রত আছে, তুমি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, যতক্ষণ না তারা অন্য কথাবার্তায় লিপ্ত হয়। আর যদি শয়তান তোমাকে ভুলিয়ে দেয়, তবে স্মরণের পর যালিম সম্প্রদায়ের সাথে বসো না
গিবত থেকে দূরে থাকা- ফেসবুক হলো বাজারের মতো। এখানে পরস্পরের সাথে ঝগড়া ও গিবত করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
আল্লাহ বলেন-
‘হে মুমিনগণ, তোমরা অধিক অনুমান থেকে দূরে থাক। নিশ্চয় কোনো কোনো অনুমান তো পাপ। আর তোমরা গোপন বিষয় অনুসন্ধান করো না এবং একে অপরের গিবত করো না। তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? তোমরা তো তা অপছন্দই করে থাক। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয় আল্লাহ অধিক তওবা কবুলকারী, অসীম দয়ালু।’ (সূরা আল হুজুরাত : ১২)
সময়ের অপচয় না করা।
অতএব আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে আমাদের ফেসবুকে পার করা সময়টা যেনো নেকী হিসেবে মিজানের পাল্লায় উঠানো যায়। আল্লাহ তায়া’লা আমাদের দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণমূলক কাজের প্রয়োজনে ফেসবুক ব্যবহার করার তৌফিক দান করুন।আমিন
লিখার মধ্যে কোনো ভুলত্রুটি থাকলে অবশ্যই তা ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং আশা করি ভুলগুলো শুধরিয়ে দিবেন।
জাযাকুমুল্লাহু খাইরান ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
