The Pure Health

The Pure Health

Share

আপনাকে The Pure Health page এর পক্ষ থেকে স্বাগ?

Photos from The Pure Health's post 08/07/2025

মানুষ যখন হয়ে যায় জীবন্ত গাছ! 🌳 করুন এক সত্য ঘটনা

কখনো কি ভেবে দেখেছেন, আপনার হাত-পা যদি গাছের বাকল বা ডালপালার মতো হয়ে যেত? যদি আপনার শরীরটা ধীরে ধীরে পরিণত হতো এক বৃক্ষে? 😥 এটা কোনো কল্পবিজ্ঞানের গল্প নয়, বরং এক ভয়ংকর বাস্তবতার নাম— "ট্রি ম্যান সিন্ড্রোম" (Tree Man Syndrome)।

বিজ্ঞানের ভাষায় এর নাম “এপিডার্মোডিসপ্লাসিয়া ভেরাসিফর্মিস (Epidermodysplasia Verruciformis)”। এটি এমন এক বিরল জেনেটিক রোগ, যেখানে মানুষের ত্বক গাছের মতো হয়ে যায়।

এর পেছনে রয়েছে দুটি প্রধান কারণ:

১. জেনেটিক ত্রুটি:
আমাদের শরীরে “EVER1” এবং “EVER2” নামে দুটি জিন থাকে, যা ত্বককে ভাইরাস থেকে রক্ষা করে। কিন্তু এই রোগে আক্রান্তদের শরীরে এই জিনগুলো ঠিকমতো কাজ করে না। এটি একটি “অটোসোমাল রিসেসিভ (autosomal recessive)” রোগ, অর্থাৎ বাবা-মা উভয়ের কাছ থেকে পাওয়া ত্রুটিপূর্ণ জিনের কারণেই এই রোগ হয়।

২. HPV ভাইরাসের ভয়ংকর রূপ:
“হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (HPV)” আমাদের আশেপাশে থাকা একটি সাধারণ ভাইরাস। সুস্থ মানুষের শরীরে এটি তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারে না, কারণ আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা (Immunity) একে আটকে দেয়। কিন্তু “ট্রি ম্যান সিন্ড্রোম”-এ আক্রান্তদের দুর্বল জেনেটিক গঠনের কারণে তাদের শরীর এই ভাইরাসের সামনে অসহায় হয়ে পড়ে। ভাইরাসটি তাদের ত্বকের কোষকে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বাড়াতে থাকে, যার ফলে জন্ম নেয় গাছের শেকড় বা বাকলের মতো ভয়ংকর আঁচিল (Wart)।

কী কী লক্ষণ দেখা যায়?

❥ হাত-পা ও মুখে গাছের বাকলের মতো
❥ প্রথমে ছোট ছোট আঁচিল হিসেবে শুরু হলেও ধীরে ধীরে এগুলো বড় ও শক্ত হয়ে পুরো হাত-পা এমনকি মুখমণ্ডলকেও ঢেকে ফেলে।

❥ অনেক সময় নখের চারপাশ থেকেও এগুলো গজাতে শুরু করে।

❥ এই আঁচিলগুলো শুধু ত্বকের উপরেই থাকে না, বরং ভেতরের দিকেও গাছের শিকড়ের মতো ছড়িয়ে পড়তে পারে।

❥ আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য দৈনন্দিন কাজ, যেমন—খাওয়া, পোশাক পরা বা হাঁটাচলা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

এই রোগটি শুধু শারীরিক নয়, মানসিক এবং সামাজিকভাবেও একজন মানুষকে পঙ্গু করে দেয়:

● ধীরে ধীরে শরীরের স্বাভাবিক ত্বক এই আঁচিলে ঢেকে যায়, যা দেখতে অত্যন্ত ভয়ংকর।

● সবচেয়ে ভয়ের কথা হলো, এই আঁচিলগুলোর প্রায় ৩০-৬০% ক্ষেত্রেই “স্কিন ক্যান্সারে” রূপান্তরিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে, বিশেষ করে সূর্যের আলো লাগলে।

● হাত-পা বিকৃত হয়ে যাওয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি পুরোপুরি অচল হয়ে যেতে পারে।

● সমাজের চোখে “অদ্ভুত” হয়ে ওঠার কারণে রোগীরা প্রায়ই একাকী ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত জীবন কাটান।

দুর্ভাগ্যবশত, এই রোগের কোনো স্থায়ী নিরাময় এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। তবে কিছু চিকিৎসার মাধ্যমে এটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হয়:

⊙ অপারেশনের মাধ্যমে গাছের মতো গজিয়ে ওঠা অংশগুলো কেটে ফেলা হয়। তবে বারবার ফিরে আসার ঝুঁকি থাকে।

⊙ ভাইরাসের সংক্রমণ কমাতে এবং আঁচিলের বৃদ্ধি ধীর করতে কিছু ওষুধ ব্যবহার করা হয়।

⊙ রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ থেরাপি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের ‘বৃক্ষমানব’—“আবুল বাজানদার”! 🇧🇩

সারা বিশ্ব এই রোগটি সম্পর্কে ব্যাপকভাবে জানতে পারে বাংলাদেশের খুলনার বাসিন্দা “আবুল বাজানদারকে” দেখে। তার হাত-পায়ের ভয়ংকর অবস্থা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার শরীরে ‘২৫ বারেরও বেশি অস্ত্রোপচার’ করা হয়। চিকিৎসার কষ্ট এবং রোগের পুনরাগমনের কারণে তার লড়াই ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। আবুল বাজানদারের মাধ্যমে আমরা এই রোগের ভয়াবহতা খুব কাছ থেকে দেখেছি।

অনুবাদ: AH Abubakkar Siddique

সোর্স:
১. National Center for Biotechnology Information (NCBI) - Epidermodysplasia Verruciformis

২.. The Daily Star - Articles on Abul Bajandar

Follow - BLACK - HOLE

07/07/2025

স্ক্যাবিস এখন মহামারি আকার ধারন করেছে। সবাইকে তাই সচেতন হবার অনুরোধ করছি।

স্ক্যাবিস (Scabies) একটি তীব্র চর্মরোগ, যা Sarcoptes Scabiei নামক এক ধরনের পোকা বা ক্ষুদ্র পরজীবী মাইট (mite) দ্বারা হয়। এটি খুবই সংক্রামক এবং চুলকানির মাধ্যমে এর প্রধান উপসর্গ প্রকাশ পায়।

স্ক্যাবিসের ভয়াবহতা :

১. চরম চুলকানি: স্ক্যাবিস হলে বিশেষ করে রাতে বেশি চুলকানি হয়, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। অনেক বাচ্চারা চুলকাতে চুলকাতে ঘুম ভেঙে যায়, যন্ত্রনায় কান্নাকাটি করে।

২. চামড়ায় ফুসকুড়ি ও ক্ষত: স্ক্যাবিস হলে ঘর্ষণ এবং চুলকানোর ফলে চামড়ায় ঘা ও ইনফেকশন হতে পারে। কখনো কখনো চামড়ার নিচে পুঁজ জমে যায়।

৩. পরিবারে দ্রুত ছড়ায়: স্ক্যাবিস রোগে পরিবারে একজন আক্রান্ত হলে তার সংস্পর্শে এলে পুরো পরিবার এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ এটি।

৪. দীর্ঘমেয়াদে হলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন: স্ক্যাবিসের সঠিক চিকিৎসা না হলে শরীরে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, সেলুলাইটিস, এমনকি শিশু রোগীর কিডনি সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে, তাই সচেতনতা ভীষন ভাবে প্রয়োজন।

৫. মানসিক অস্বস্তি: অতিরিক্ত চুলকানি ও অস্বস্তির কারণে শিশুর মানসিক চাপ ও অস্থিরতা তৈরি হয়।

স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়:

১. চিকিৎসা:

☞ পারমেথ্রিন - ৫% (Permethrin - 5%) ক্রিম: এটি সবচেয়ে কার্যকর। শরীরের গলা থেকে পা পর্যন্ত মেখে রাতভর রেখে সকালে (১০-১২ ঘন্টা শরীরে রাখার পর) ধুয়ে ফেলতে হয়। এই নিয়মে একটু ভুল হলে কোনেভাবেই এউ স্ক্যাবিস রোগ শরীর থেকে যাবেনা। মাসের পর মাস এই রোগের অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে। হাজার হাজার টাকা, ১০-১২টা ডাক্তার যাই করেন, কাজ হবেনা। শরীরের এক ইঞ্চি তো দূরের কথা একসূতা পরিমাণ জায়গাও বাদ রাখবেন না, রাতে ওয়াসরুমে গেলে, ওষুধ ধুয়ে গেলে, আবার প্রয়োগ করুন। মনে রাখবেন, ভীষণ জরুরি। না কমলে ৭ দিন পরপর একই নিয়মে ব্যবহার করুন। আর অবশ্যই পরদিন সকালে গায়ে থাকা পোষাক, বিছানার চাদর, বালিশের কাভার সব কিছু গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন। নিজের ও শিশুর শরীর গরম পানি ও বডি ওয়াস দিয়ে ভালো ভাবে রগরে গোসল করুন ও করান।

☞ আপনার শিশুকে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর পর শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী (Permethrin - 5% + Crotamiton) Combined Cream বা Monosulfuram - 25% Solutions ইত্যাদি ব্যাবহার করতে পারবেন।

☞ আইভারমেকটিন (Ivermectin) ওষুধ: কিছু ক্ষেত্রে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আপনার শিশুর স্ক্যাবিস রোগের চিকিৎসায় খাওয়ার ওষুধ দিতে পারেন, বিশেষ করে জটিল ও পুনঃসংক্রমণের ক্ষেত্রে।

☞ অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট: চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। শিশুদের ক্ষেত্রে Syrup বড়দের ক্ষেত্রে ট্যাবলেট।

২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:

আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর, তোয়ালে গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে ৩ দিন পর্যন্ত দূরে রাখতে হবে (কারণ রোগ সৃষ্টিকারী পোকা বা মাইট ২–৩ দিন বেঁচে থাকে)।

৩. একসাথে চিকিৎসা:

পরিবারের সকল সদস্যকে একসাথে চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি। এমনকি উপসর্গ না থাকলেও। এটা খুবি জরুরি।

৪. নিয়মিত হাত ধোয়া ও শরীর পরিষ্কার রাখাবেন। বাইরে থেকে বাসায় ফিরে সবার আগে ভালো ভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস করবেন। এতে রিইনফেকশন হবার সম্ভাবনা কমে যায়।

বিশেষ সতর্কতা:

শিশুদের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ এবং গর্ভবতীদের নারীদের গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ ঔষধ গুলো শিশু ও নারীদের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:
এই স্ক্যাবিসকে সাধারন ভাবে দেখবেন না। এর ভয়াবহতা অনেক। তাই সচেতন হবেন। যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ তারাও প্রতি মাসে একবার করে পরিবারের সবাই একসাথে পারমিথ্রিন ৫% ব্যবহার করুন এবং পরিধেয় পোষাক, বিছানার চাদর গরম পানিতে ধুয়ে নিন।
নিজে জানুন অন্যকে জানান।

আশা করি আজকের আলোচনা আপনাদের অনেক উপকারে আসবে, আমার জন্য দোয়া রাখবেন, সবাই সুস্থ থাকবেন, সম্ভব হলে এই পোস্টটি শেয়ার করবেন।

দয়া করে আপনারা সবাই সচেতন হবেন।

মনে রাখবেন, আপনার সচেতনতা, আপনার সন্তানের জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ।

ধন্যবাদ।

©

07/07/2025
07/07/2025

একটু থামুন! ✋ আপনার শরীর ভেতর থেকে ঠিক কেমন দেখা যায়, জানতে চান?

ডানে ও বামে যে দুটি ছবি দেখছেন, দুটোই সত্যিকারের মানবদেহ। লম্বালম্বিভাবে কেটে ভেতরটা দেখানো হয়েছে।

বাম পাশের শরীরটি একজন সুস্থ, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের। আর ডান পাশের শরীরটি একজন অতিরিক্ত ওজনের (Obese) মানুষের। পার্থক্যটা কি চোখে পড়ছে? 😱

হলুদ রঙের যে অংশগুলো দেখছেন, সেগুলো হলো চর্বি বা ফ্যাট। এবার ভালো করে খেয়াল করুন...

সুস্থ, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের শরীর (বাম দিকে):

দেখুন, তার ত্বকের নিচে হালকা চর্বির আস্তরণ আছে, যা শরীরকে বাইরের আঘাত থেকে বাঁচায় এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো (যেমন হার্ট, লিভার, কিডনি) একদম পরিষ্কার এবং নিজেদের জায়গায় সুরক্ষিত আছে। তাদের চারপাশে কোনো অতিরিক্ত চর্বি নেই।

অতিরিক্ত ওজনের মানুষের শরীর (ডান দিকে):

এবার ডান পাশের শরীরটির দিকে তাকান। শুধু ত্বকের নিচেই নয়, ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর চারপাশেও হলুদ চর্বির ভয়ঙ্কর স্তর জমে আছে। এই চর্বিকে বলে “ভিসেরাল ফ্যাট” (Visceral Fat)। 😲

এই ভিসেরাল ফ্যাট সাধারণ চর্বির চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক। এটি আপনার হৃৎপিণ্ডকে চাপ দিয়ে সংকুচিত করে রাখছে, লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট করছে এবং কিডনিকে পর্যন্ত ঢেকে ফেলছে। এই চর্বি রক্তে মিশে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও বহুগুণে বাড়িয়ে তোলে।

ছবিটা আমাদের স্পষ্ট দেখিয়ে দিচ্ছে যে, অতিরিক্ত ওজন শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য নষ্ট করে না, বরং আমাদের শরীরের ভেতরে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয়। আমাদের হার্ট, ফুসফুস, লিভারকে ঠিকমতো কাজ করতে দেয় না, তাদের দম বন্ধ করে দেয়। 💔

আপনার শরীর আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ। একে ভালোবাসুন, এর যত্ন নিন।

অনুবাদ: AH Abubakkar Siddique

তথ্যসূত্র:

১. ছবিটি বিশ্বখ্যাত “Body Worlds” প্রদর্শনীর
২. Cleveland Clinic & Mayo Clinic

25/06/2025

অতিরিক্ত আম খেলে কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত পরিমাণে আম খেলে ওজন বৃদ্ধি, রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি, হজমের সমস্যা, এলার্জি, এবং ত্বকে সমস্যা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত কাঁচা আম খেলে কিডনির সমস্যাও হতে পারে।
আম একটি সুস্বাদু ফল, তবে এটি অতিরিক্ত খেলে কিছু সমস্যা হতে পারে। নিচে কিছু সম্ভাব্য সমস্যা আলোচনা করা হলো:

ওজন বৃদ্ধি:
আমে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা থাকে, যা অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে।

রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি:
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আম ক্ষতিকর হতে পারে, কারণ এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

হজমের সমস্যা:
অতিরিক্ত আম খেলে ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো হজমের সমস্যা হতে পারে।

অ্যালার্জি:
কারো কারো আমে অ্যালার্জি হতে পারে, যা ত্বক এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

পেটের সমস্যা:
অতিরিক্ত আম খেলে পেটে ব্যথা, গ্যাস বা অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা হতে পারে।

কিডনির সমস্যা:
কাঁচা আমে কিছু পরিমাণ অক্সালেট ও পটাশিয়াম থাকে যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, বিশেষ করে যাদের কিডনিতে পাথর আছে তাদের জন্য।

ত্বকের সমস্যা:
কারো কারো ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত আম খেলে ব্রণ বা ত্বকে অন্যান্য সমস্যা হতে পারে।

শ্বাসকষ্ট:
কিছু মানুষের আম খেলে শ্বাসকষ্ট হতে পারে, বিশেষ করে যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে।

অতএব, আম একটি সুস্বাদু ফল হলেও এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস, কিডনির সমস্যা বা অ্যালার্জি আছে, তাদের আম খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া উচিত।

#আম

23/06/2025

নাকফুল গাছের পাতা

10/06/2025

জরুরী সতর্কতা:
আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও বিপজ্জনক। এটি সহজে শনাক্তও হয় না, তাই সবার মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি।

১. COVID-Omicron XBB এর নতুন উপসর্গগুলো:

i) কাশি নেই।
ii) জ্বর নেই।
বেশিরভাগ উপসর্গ হলো—
iii) অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
iv) মাথাব্যথা।
v) গলাব্যথা।
vi) পিঠে ব্যথা।
vii) নিউমোনিয়া।
viii) ক্ষুধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া।

২. এই ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং মৃত্যুহারও বেশি।

৩. উপসর্গগুলো খুব অল্প সময়েই মারাত্মক আকার ধারণ করে এবং কখনও কখনও কোনো স্পষ্ট উপসর্গ না দেখিয়েই অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে।

৪. তাই আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

এই ভ্যারিয়েন্টটি নাসোফ্যারেঞ্জিয়াল (নাকের গভীর অংশ) অঞ্চলে পাওয়া যায় না, বরং সরাসরি ফুসফুসের “উইন্ডো” অংশে আঘাত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।

৫. কিছু রোগীর মধ্যে জ্বর বা ব্যথা না থাকলেও এক্স-রে করলে মৃদু নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া নাক দিয়ে নেয়া স্যাম্পলে (সোয়াব) পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল আসছে, যা পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট (ফলস নেগেটিভ) এর সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এ কারণে এই ভাইরাসকে ‘ধূর্ত’ বলা হচ্ছে।

এর মানে হলো— এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। এই কারণে COVID-Omicron XBB এত বেশি ছোঁয়াচে ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।

৬. যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গাতেও অন্তত ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, সঠিকভাবে মাস্ক পরুন, এবং নিয়মিত হাত ধুয়ে ফেলুন—even যদি কাশি বা হাঁচি না থাকে।

এই COVID-Omicron XBB "ওয়েভ" প্রথম COVID-19 মহামারির চেয়েও ভয়াবহ।

সতর্কতা, সচেতনতা ও বৈচিত্র্যময় সুরক্ষা ব্যবস্থাই আমাদের রক্ষা করতে পারে।

✅ দয়া করে এই বার্তাটি বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন।
✅ শুধুমাত্র নিজের কাছে রেখে দেবেন না।
✅ যত বেশি সম্ভব লোককে জানিয়ে দিন।

ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।

Photos from The Pure Health's post 20/04/2025

আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে ওলটকম্বল গাছের শিকড় পুরুষ ও নারীদের যৌ*ন শক্তি দশগুণ বাড়িয়ে তোলে ।

যদি প্রতিদিন সকালে এই ওলটকম্বল গাছের শিকড়,এক কেজি পানি তে সন্ধ্যায় ভিজিয়ে রেখে, সকালে পানি ছেঁকে সেই পানি মধু দিয়ে নিয়ম করে ৭ দিন খেলে সাথে সাথে রেজাল্ট!

15/04/2025

🍹ডিটক্স ওয়াটার বানানোর নিয়ম🍹
৪থেকে ৫ গ্লাস অথবা ৩ গ্লাস পানি নিবেন কাচের জগে,২ চামচ চিয়াসিড ১ চামচ ইসবগুল, আদা কুচি ১ চা চামচ,লেবু পাতলা গোল করে কাটা ৭/৮ পিস,শশা গোল করে কাটা ৭/৮ পিস সব দিয়ে রাত ১১ টায় ফ্রিজে রাখেবেন সকালে খাওয়ার একটু আগে বের করবেন।

খালি পেটে ১ গ্লাস বা আদা গ্লাস খাবেন এর কিছু সময় পর স্লিমিং টি খাবেন।

সারাদিন একটু একটু করে খাবেন,ফ্রিজে রেখেও খেতে পারবেন বা বাহিরে রেখেও খেতে পারবেন রাত পর্যন্ত। পানি শেষ হয়ে গেলে আবার পানি মিশিয়ে রেখে খেতে পারবেন।

যাদের ফ্রিজ নাই তারা সকালে বানাবেন ২ /৩ ঘন্টা রেখে দিবেন পরে আস্তে আস্তে খাবেন সারাদিন।

কাচের জগ না থাকলে যা আছে তাতেই বানান, সমস্যা নেই আপুগন 🙂
এটা খাইলে খুদা কমবে,ওজন কমবে,শক্তি বাড়বে, পেট কমবে,ভালো লাগবে ডায়েটে আর মজা লাগবে আরাম পাবেন 🥰ডিটক্স ওয়াটার খাইলে আলাদা করে চিয়াসিড ও ইসবগুল খেতে হবে না🥰

13/04/2025

আমাদের অনেকেরই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে। যদি কারোর অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়ে থাকে। তাহলে আপনি যদি প্রতিদিন খালি পেটে আনুমানিক এক লিটার পানি নিবেন। এরপর এই আসাম লতার পাঁচ থেকে ছয়টা পাতা গাছ থেকে ছেড়ে নিয়ে আসবেন

আলাদা একটা বাটির মধ্যে ভালো করে এটাকে পিষে নিবেন, আপনার হাত দিয়ে। এবং পাতার বাকি অংশ ফেলে দেবেন। শুধু রস টুকু আপনি পানির মধ্যে মিশিয়ে, সেই পানি আপনি পান করবেন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Faridpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Madhukhali
Faridpur
7850