নুসাইবা ফ্যাশন

নুসাইবা ফ্যাশন

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from নুসাইবা ফ্যাশন, Gazipur.

26/02/2023

#মধুর উপকারিতা
একে সর্বরোগের মহৌষধ বলা হয়ে থাকে। নিয়মিত মধু খেলে বহু রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এর রয়েছে একাধিক রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা। আর শীতে মধুর উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। শরীরের উষ্ণতা বাড়াতে সহায়তা করে। আসুন দেখে নেয়া যাক মাত্র এক চামচ মধু কি কি অসাধারণ উপকারে লাগতে পারে আপনার।

১) মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু রঙ চা কিংবা দুধের সাথে খেতে পারেন। সেই সাথে আপনার রোজকার ফেস প্যাকেও ব্যবহার করতে পারেন মাত্র এক চামচ মধু। মধু ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে ও মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়া রোধ করে।

২) মধু শরীরের ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। মধুতে মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুরে, কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও দ্রুত নিরাময় হবে। মধুতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা ক্ষত পরিষ্কার হতে সাহায্য করে ও ব্যথা, ঘ্রাণ, পূঁজ ইত্যাদি হ্রাস করে দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে।

৩) মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান যা ছত্রাক ও অন্যান্য কারনে ক্ষতিগ্রস্থ ত্বককে ঠিক করতে সাহায্য করে ও নতুন ত্বক গঠনে ভূমিকা রাখে। চর্মরোগ হলে নিয়মিত আক্রান্ত স্থানে মধু লাগান। এক চামচ মধুর সাথে অল্প পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
৪) মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরের চামড়াকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। অনেকটা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে মধু। রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এক চামচ মধুর সাথে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে ফেস প্যাকের মতন লাগান। রোদে পোড়া জনিত কালো দাগ দূর হয়ে চেহারা হবে ঝলমলে।

৫) মধুতে বিদ্যমান গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং শর্করা শরীরে শক্তি সবরাহের কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ১ চামচ মধু সারাদিনের জন্য দেহের পেশীর ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে ও আপনাকে রাখে এনার্জিতে ভরপুর।

৬) প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে। এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।

৭) মধু ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক ও কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটকে নরম ও গোলাপি করে তুলতে সহায়তা করে। রাতে ঘুমের পূর্বে নিয়মিত ঠোঁটে মধু লাগান। ঠোঁট হয়ে উঠবে নজর কাড়া সুন্দর।

৮) মধুর ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, সি কপার , আয়োডিন ও জিংক দেহে এইচডিএল (ভালো) কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে মধু কোলেস্টেরল সংক্রান্ত রোগ থকে দেহকে মুক্ত রাখে। দিনে অন্তত এক চামচ মধু খেয়ে নিন,যেভাবে আপনার ভালো লাগে।

৯) সাইনাসের কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসের যে কোন সমস্যা থেকে মধুর প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ দেহকে মুক্ত রাখে। চা কিংবা উষ্ণ পানির সাথে মধু মিশিয়ে প্রতিদিন পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।

১০) প্রতিদিন মধু খাওয়া হলে দেহের ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি হয়। ফলে আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সহজে অসুখ বিসুখ ও জীবাণুর সংক্রমণ হয় না।

১১) মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আমাদের হজম শক্তি বাড়ে ও ফলে খাবারের ক্যালোরি দ্রুত ক্ষয় হয়। এতে ওজন কমে যায়। চিনির বদলে মধুর ব্যবহার মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।

১২) যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। দ্রুত আরোগ্য হবে।

26/02/2023

#আনারসের উপকারিতা
১। পুষ্টির অভাব পূরণে:
পুষ্টিগুণে ভরপুর ফলের নাম আনারস। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এসব অপরিহার্য উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
২। হজমশক্তিকে উন্নত করতে:
আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতেও আনারসের জুড়ি নেই। আনারসে ব্রোমেলিন নামক এনজাইম থাকে যা হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। তাই বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আনারস খাওয়া যেতে পারে।
৩। ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা ও কাশি প্রতিরোধে:
আনারসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় তা ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা ও কাশি প্রতিরোধে ভুমিকা রাখে। তাছাড়া জ্বর ও জন্ডিস প্রতিরোধে আনারস বেশ উপকারী। এছাড়া নাক দিয়ে পানি পড়া, গলাব্যথা এবং ব্রংকাইটিসের বিকল্প ওষুধ হিসাবে আনারসের রস খেতে পারেন।
৪। শরীরের ওজন কমাতে সহায়তা:
আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ থাকে। এছাড়া এতে কোন ফ্যাট না থাকায় পরিমিত পরিমানে আনারস খেলে বা আনারসের জুস পান করলে তা শরীরের ওজন কমাতে সহায়ক হতে পারে। আনারস তাই আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণের পথ্য হতে পারে। দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির মধ্য দিয়ে সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে।
৫। দাঁত ও মাড়ি সুরক্ষায়:
আনারসে ক্যালসিয়াম থাকায় তা দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করে। নিয়মিত আনারস খেলে দাঁতে জীবাণুর সংক্রমণ কম হয় ফলে দাঁত ঠিক থাকে। এছাড়া মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধান করতে আনারস বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
৬। চোখের যত্নে আনারস:
আনারস চোখের রেটিনা নষ্ট হয়ে ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে যাওয়া রোগ “ম্যাক্যুলার ডিগ্রেডেশন”রোগটি হওয়া থেকে আমাদের রক্ষা করে। আনারসে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন। প্রতিদিন আনারস খেলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। ফলে সুস্থ থাকে আমাদের চোখ।
৭। ত্বকের যত্নে আনারস:
আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকে যা আমাদের শক্তির যোগান দেয়। এতে থাকা প্রোটিন ত্বকের মৃত কোষ দূর করে, ত্বককে কুঁচকে যাওয়া থেকে বাঁচায়। এছাড়া দেহের তৈলাক্ত ত্বক, ব্রণসহ সব রূপলাবণ্যে আনারসের যথেষ্ট কদর রয়েছে।
৮। হাড়ের সমস্যাজনিত রোগ প্রতিরোধ:
আনারসে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে যা হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। তাই খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমাণ আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
৯। ক্রিমিনাশক হিসেবে:
ক্রিমিনাশক হিসেবে আনারসের রস ভালো কাজ করে। নিয়মিত আনারসের রস খেলে কয়েকদিনের মধ্যেই কৃমির উৎপাত বন্ধ হয়ে যায়। কৃমি দূর করতে সকালবেলায় ঘুম থেকে জেগে খালি পেটে আনারস খাওয়া উচিত।
১০। ক্যান্সার প্রতিরোধী:
ফ্রি-রেডিকেল বা মুক্ত মুলক মানবদেহের কোষের উপর বিরূপ ক্রিয়ার সৃষ্টি করে ফলে ক্যান্সার এবং হৃদরোগের মত মারাত্মক রোগ দেখা দিতে পারে। দেশী আনারসে আছে উচ্চ মাত্রায় পানিতে দ্রবনীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন-সি এবং পানিতে দ্রবনীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহকে ফ্রি-রেডিকেল বা (মুক্ত মুলক) থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। ফলে ক্যান্সার এবং হৃদরোগের মত মারাত্মক রোগ দেহে বাসা বাঁধতে বাধাগ্রস্থ হয়।

26/02/2023

#আপেলের উপকারিতা
খিদে পেলেই তো হাতে তুলে নিচ্ছি বার্গার অথবা পিৎজা। পেট ভরলেই ভেবে নেই শরীরও ভরলো। যদিও, এটি খুবই ভুল ধারণা। আসলে এই ধরনের খাবারগুলো আমাদের শরীরকে আরও খারাপের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই, শরীরে বাসা বাঁধছে হাজারো সমস্যা। ২০০৪ সালে আমেরিকায় ১০০-এরও বেশি খাবারের ওপর গবেষণা করে হয়।

মূলত, খাদ্যগুলোর মধ্যে কতটা পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে, তা জানতেই এই গবেষণা করা হয়েছিল। এর মধ্যে লাল এবং সবুজ আপেল যথাক্রমে ১২ এবং ১৩তম স্থানে রয়েছে। তো দেখে নেওয়া যাক, আপেলের কোন কোন গুণ আমাদের কিভাবে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

১.সাদা ঝকঝকে দাঁত আপেল খেলে দাঁতের দারুণ উপকার হয়। তার কারণ, আপেলে কামড় দিয়ে যখন আমরা চিবোতে শুরু করিই, তখন আমাদের মুখের ভিতর লালার সৃষ্টি হয়। এই পদ্ধতিতে দাঁতের কোণা থেকে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বেরিয়ে আসে। এর ফলে সেই ব্যাকটেরিয়া আর দাঁতের কোনও ক্ষতি করতে পারেনা। তাই বলে, শুধু আপেল খেয়ে দাঁতের যত্ন নিতে যাবেন না যেন! মনে করে, পেস্ট ব্রাশ ব্যবহার করে দাঁতের যত্ন নেবেন।

২.ক্যান্সার দূর করে: আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপেল খেলে অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সারের সম্ভাবনা প্রায় ২৩% হারে কমে। কারণ আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনল থাকে। এছাড়াও কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা আপেলের মধ্যে এমন কিছু উপাদানের সন্ধান পেয়েছেন, যা ট্রিটারপেনয়েডস নামে পরিচিত। এই উপাদানটি লিভার, স্তন এবং কোলোনের মধ্যে ক্যান্সারের কোষ বেড়ে উঠতে বাঁধা দেয়। ন্যাশানাল ক্যান্সার ইন্সটিটিউট ইন দ্য ইউ এস- এর গবেষণা থেকে জানা যায় যে, আপেলের মধ্যে যে পরিমাণে ফাইবার থাকে, তা মলাশয়ের ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে।

৩.ডায়াবেটিসের সমস্যা কমায় যে সকল মেয়েরা প্রতিদিন আপেল খান, তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা ২৮% কমে যায়। তার কারণ, আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা রক্তে শর্করার পরিমাণ সঠিক রাখতে সাহায্য করে।

৪.কোলেস্টেরল কমায় আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা অন্ত্রের ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। যার ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে। আর একবার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করলে হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে।

৫.হার্ট ভালো রাখে আগেই বলা হয়েছে যে, আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও, আপেলের খোসার মধ্যে যে ফেনলিক উপাদান থাকে, তা রক্তনালিকার থেকে কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে। এর ফলে হার্টে রক্তচলাচলা স্বাভাবিক থাকতে। ফলে হৃদযন্ত্রের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে।

৬.গলস্টোন সারাতে সাহায্য করে পিত্তথলির মধ্যে অতি পরিমাণে কোলেস্টেরল জমে গেলে তখন গলস্টোন হয়। গলস্টোন কমানোর জন্য ডাক্তাররা সব সময় ফাইবার সমৃদ্ধ ফল বা খাদ্য খাওয়ার উপদেশ দেন। সেই সঙ্গে গলস্টোন সারাতে ওজন এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, এই সবকটি কাজ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে আপেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

৭.ডায়ারিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে আপনি কি সারাদিনে বারে বারে বাথরুমেই যেতে থাকেন? কোনও কিছু খেলেই বাথরুমে দৌড়াতে হয়? আবার এমনও কি হয়, যখন বাথরুমে গেলেন তখন দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়? অথচ কিছুতেই পেট পরিষ্কার হয় না। তাহলে এই দুই সমস্যারই একটাই ওষুধ। তা হল, আপেল, যা প্রয়োজন অনুযায়ী বর্জ্য থেকে অতিরিক্ত জল টেনে রাখতে পারে। ফলে একদিকে যেমন অতিরিক্ত বার বাথরুমে যেতে হয় না, তেমনিই হজম শক্তি বৃদ্ধি করে, সেই সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করে।

৮.ওজন কমাতে সাহায্য করে কত মানুষই তো আছেন, যারা অতিরিক্ত ওজনের কারণে জর্জরিত। আবার শুধুমাত্র এই কারণে, নানারকম রোগও শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে। এমনকি, ডায়াবেটিস, হাড়ের রোগ কত কিছুই না হয়। তাই সেই সমস্ত রোগকে যদি বিদায় জানাতে চান, তাহলে নিয়ম করে আপেল খান। ফলটিতে উপস্থিত ফাইবার আপনার পেট ভরাতে সাহায্য করে কোনও ক্যালরি ছাড়াই। এর ফলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

৯.লিভার সুস্থ থাকে আমরা যা কিছু খাই, তার মধ্যে কিছু না কিছু ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। ফলে আমাদের লিভারের ক্ষতি হতে শুরু করে। যে কারণে লিভারকে সুস্থ রাখাটা খুবই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তবে লিভারকে ১০০ শতাংশ সুস্থ রাখতে পারে আপেল। এটি খুব সহজেই লিভারে জমা হওয়া ক্ষতিকারক উপাদানদের বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে।

১০.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আপেলের মধ্যে এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা কুয়েরসেটিন নামে পরিচিত। এটি আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং আমাদের শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে।

26/02/2023

তরমুজের উপকারিতা : সকলের কাছে প্রিয় ফল তরমুজ খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি এর উপকারিতাও অনেক। গ্রীষ্মকালে নিয়মিত তরমুজ খেলে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পায়। নিম্নে তরমুজের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হলো।

১. শক্তি বৃদ্ধি করে : যারা শারীরিকভাবে দুর্বল তাদের জন্য তরমুজ প্রাকৃতিক ওষুধ হিসাবে খুব ভাল কাজ করে। এই ফল শারীরিক শক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। নিয়মিত তরমুজ খেলে শরীরের শক্তি দিন দিন বৃদ্ধি পায়। বয়স বাড়লে শরীরের শক্তি হ্রাস পায়, তাই মৌসুমে বেশী করে তরমুজ খেলে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

২. পানিশূন্যতা দূর করে : তরমুজে প্রচুর পরিমাণ পানি আছে। গরমের সময় যখন ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায়, তখন তরমুজ খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়। ফলে শরীর সুস্থ ও সতেজ থাকে।

৩. ত্বক সজীব রাখে : তরমুজে বিদ্যমান ভিটামিন সি ত্বককে সজীব রাখে। পাশাপাশি ত্বকের যে কোন সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায্য করে। লাইকোপিনসহ বিভিন্ন উপাদানে সমৃদ্ধ তরমুজ খাওয়ার অভ্যাসে মুখে সহজে ভাঁজ বা বলিরেখা পড়ে না।

৪. চোখ ভাল রাখে : তরমুজে রয়েছে প্রচুর ক্যারোটিনয়েড। তাই নিয়মিত তরমুজ খেলে চোখ ভাল থাকে এবং চোখের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ক্যারোটিনয়েড রাতকানা প্রতিরোধেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। যারা রাতকানা রোগে ভুগছেন তারা নিয়মিত তরমুজ খাওয়ার অভ্যাস করলে মূল্যবান চোখ দীর্ঘদিন ভাল থাকবে।

৫. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ : তরমুজে থাকা ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে।

৬. কিডনি সুস্থ রাখে : তরমুজের রস কিডনির বর্জ্য মুক্ত করে। তাই কিডনিতে পাথর হ’লে চিকিৎসকগণ ডাবের পানির পাশাপাশি নিয়মিত তরমুজ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাছাড়া তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় কিডনি সচল রাখতে তরমুজ ভাল ভূমিকা পালন করে।

৭. শরীরের চর্বি কমায় : তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এমাইনো এসিড, যা শরীরের কোলেস্টরেল ও চর্বি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া তরমুজে রয়েছে এন্টি অক্সিডেন্ট, যা শরীরের জমে থাকা কোলেস্টরেল কমাতে সহায়তা করে।

৮. ব্যথা নিরাময় ও শরীরের টিস্যু সুরক্ষা : ব্যথা নিরাময় ও শরীরের টিস্যু সুরক্ষায় তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিনি সি, যা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত, ব্যথা নিরাময়ে এবং ত্বক, দাঁত ও মাংসপেশীর সুরক্ষায় প্রতিষেধক। ভিটামিন সি শরীরের জন্য খুব প্রয়োজন। এই ভিটামিন মানব দেহে জমা থাকে না। তাই নিয়মিত তরমুজ খেয়ে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করা যায়।

৯. স্নায়ু ও মাংসপেশী সুরক্ষায় : তরমুজে আছে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম। এটি প্রাকৃতিকভাবে শরীরে ইলেকট্রো পাওয়ার তৈরি করে, যা শরীরের মাংসপেশী ও স্নায়ু সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকর।

১০. হৃদযন্ত্রে রক্ত সঞ্চালন : সঠিকভাবে হৃদযন্ত্রে রক্তপ্রবাহ মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরমুজ হৃদযন্ত্রে সঠিকভাবে রক্তপ্রবাহে সহায়তা করে। ফলে হৃদযন্ত্রে ব্লক হওয়ার প্রবণতা অনেকটা হ্রাস পেয়ে থাকে।

১১. হাড় মযবূত করে : তরমুজ লাইকোপিনো নামক লাল উপাদান যাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। তাই তরমুজ হাড় গঠন ও মযবূত করতে অত্যন্ত সহায়ক।

26/02/2023

প্রতিটি মাছেই কম বেশি আমিষ রয়েছে। আমিষ দেহ সুস্থ রাখতে সাহায্য় করে। তাছাড়া এই মাছে রয়েছে ক্যালসিয়াম ,পটাসিয়াম,ও প্রচুর পরিমানে আয়রন। ক্যালসিয়াম ও পটাসিয়াম আমাদের শরীরের জন্য অনেক গুরুত্বপুর্ণ। এই দুইটি উপাদান দেহের দাঁত ও হাঁড় গঠনে কার্যকরী ভুমিকা পালন করে। এছাড়া ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাঁড় দৃঢ় ও মজবুত করতে ভালো অবদান রাখে। তাই নিয়মিত বাটা মাছ খেলে আমাদের দাঁত ও হাড় সুস্থ থাকবে। এই মাছে রয়েছে প্রোটিন। প্রোটিনের প্রধান কাজ হল মানবদেহের বৃদ্ধি, কোষগঠন ও ক্ষয়পূরণ। তাছাড়া শরীরে নতুন কোষ সৃষ্টিতে প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেহে ১ গ্রাম প্রোটিন থেকে ৪.০ ক্যালরি তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। আর একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষে জন্য যতেষ্ট প্রোটিনের প্রয়োজন রয়েছে। প্রতিদিন একজন মানুষের ওজন অনুপাতে প্রোটিন দরকার। কোন ব্যক্তির ওজন ৬০ কেজি হলে তার প্রতিদিন ৬০ গ্রাম প্রোটিনের প্রয়োজন। বাটা মাছের পুষ্টিগুণ অন্যান্য মাছের তুলনায় কোন অংশে কম নয়। এই মাছের দাম অন্যান্য মাছের তুলনায় অনেক কম। বর্তমানে অনেক মাছ চাষিরা বাটা মাছ চাষ করে অনেক লাভবান হচ্ছে। তাছাড়া বাটা মাছ চাষ করা অনেক সহজ। এবং খরচের তুলনায় লাভ বেশি পাওয়া যায়। অনেক বেকার ভাইয়েরা এই মাছ চাষ করার প্রতি আগ্রহ সৃস্টি করছে। এবং অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে তারা সফল ভাবে এই মাছ চাষ করছে। এবং যতেষ্ট মুনাফা অর্জন করছে।

26/02/2023

১। শরীরের বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়তা করে
মানব শরীরের বৃদ্ধির জন্য প্রাণীজ প্রোটিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ, কোষ, কলা, ঝিল্লি ও পেশীর সঠিক বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিন ও এমাইনো এসিড প্রয়োজন।তেলাপিয়া মাছে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন ও প্রায় সকল ধরনের এমাইনো এসিড আছে। এক টুকরো তেলাপিয়া মাছে ২৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে।

২। ওজন কমাতে সহায়তা করে
তেলাপিয়া মাছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন থাকলেও চর্বি ও ক্যালোরি কম থাকে। যারা ওজন কমাতে ডায়েট করছেন তাই ক্যালোরি গ্রহন কমাতে চান তাদের জন্য তেলাপিয়া আদর্শ খাবার হতে পারে।

৩। হাড়ের গঠনে সাহায্য করে
তেলাপিয়া মাছে ফসফরাস নামের খনিজ উপাদান আছে। এটি হাড়, নখ ও দাঁতের গঠনের জন্য অপরিহার্য । ফসফরাস এই অঙ্গ গুলোকে মজবুত ও টেকসই করে। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে হাড়ের ঘনত্ব কমতে থাকে ফলে অস্টিওপোরোসিস হতে পারে। ফসফরাস অস্টিওপোরোসিস এর বৃদ্ধিকে ব্যাহত করে।

৪। প্রোস্টেট ক্যান্সার নিবারণ করে
অন্যান্য মাছের মতো তেলাপিয়াতেও প্রচুর সেলেনিয়াম নামক খনিজ উপাদানটি আছে যা প্রোস্টেট ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমায়। সেলেনিয়াম এ এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করতে পারে।

৫। হৃদপিণ্ডের সুস্থতা নিশ্চিত করে
তেলাপিয়া মাছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে যা মানুষের কারডিওভাস্কুলার সিস্টেম থেকে কোলেস্টেরল ও ট্রাই গ্লিসারাইড লেভেল কে কম করে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও বিভিন্ন ক্রনিক অসুখ সৃষ্টিতে বাধা প্রদান করে। তেলাপিয়ার পটাশিয়াম রক্তচাপ কমিয়ে হৃদপিণ্ড কে সুস্থ রাখে।

৬। অকালবার্ধক্য রোধে সহায়তা করে
তেলাপিয়া মাছের সেলেনিয়াম ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই কে উদ্দীপিত করে যা ত্বকের গুণগত মান উন্নত করে ও বলিরেখা দূর করে।

৭। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও থাইরয়েড গ্রন্থির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে

26/02/2023

১. পুষ্টির ঘাটতি দূর করে
রুই মাছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা শরীরের প্রতিদিনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। তাই তো এক কথায় বলা যেতে পারে যে রুই মাছ হল সেই ব্রহ্মাস্ত্র, যা দিয়ে ছোট-বড় যে কোন রোগকেই কুপোকাত করা সম্ভব। প্রসঙ্গত, রুই মাছে উপস্থিত সেলেনিয়াম এমন কিছু এনজাইমের জন্ম দেয়, যা ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়
পড়াশোনা কিংবা অফিস যেটাই হোক না কেন, দিনের বেশিরভাগ সময় আমাদের কম্পিউটার নিয়েই ব্যস্ত থাকি। এতে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় চোখ। তাই শরীরের মূল্যবান এই অঙ্গটির খেয়াল রাখা জরুরী। কিভাবে করবেন এই কাজটি? খুব সহজ! রুই মাছকে বন্ধু বানিয়ে ফেলুন। তাহলেই আর চোখ নিয়ে চিন্তা থাকবে না। আসলে এতে বিদ্যমান ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড দারুণ কাজে আসে। এই উপাদানটি শুধু দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায় না, একইসঙ্গে ম্যাকুলার ডিজেনারেশনকেও প্রতিরোধ করে।

৩. রক্ত প্রবাহের উন্নতি ঘটায়
বেশ কিছু কেস স্টাডি অনুসারে, সপ্তাহে কম করে ২-৩ দিন রুইমাছ খেলে শরীরে “ই পি এ” এবং “ডি এইচ এ” এর মাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এটি শরীরের প্রতিটি অংশে রক্তের প্রবাহ এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে ইকোসোনোয়েড নামক একটি হরমোনের প্রভাব কমতে শুরু করে। যে কারণে ব্লাড ক্লট করার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৪. জয়েন্টের কর্মচঞ্চলতা বৃদ্ধি করে
ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অস্টোওপোরোসিস রোগের মধ্যে যে গভীর একটা সম্পর্ক রয়েছে সে বিষয়টি নজরে এসেছে বিজ্ঞানীদের। তাদের মতে, এই প্রকৃতিক উপাদানটির মধ্যে এমন কিছু শক্তি রয়েছে, যা এই ধরনের হাড়ের রোগের প্রকোপ কমাতে দারুণ উপকারে লাগে।

৫. হার্ট চাঙ্গা থাকে
রুই মাছে উপস্থিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড হল হার্টের জন্য মহৌষধি। তাই তো এই প্রাকৃতিক উপাদনটি যত বেশি করে শরীরে প্রবেশ করবে, তত হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমবে। সেইসঙ্গে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও হ্রাস পাবে। অনিয়ন্ত্রিত জীবন, বেহিসেবি খাওয়া-দওয়া এবং আরও নানা কারণে কম বয়সিদের মধ্যে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা। শুধু তাই নয়, প্রতি বছর আমাদের দেশে যতজন হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশেরই বয়স ৪০-এর কম। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন, সুস্থ জীবন পেতে রুই মাছ খাওয়াটা কতটা জরুরি।

৬. দূষণের হাত থেকে বাঁচায়
রুই মাছে থাকা বিশেষ কিছু উপাদান ফুসফুসের কর্মক্ষমতা এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে বায়ু দূষণের কুপ্রভাব শরীরের উপর পরতেই পারে না। সেই সঙ্গে অ্যাস্থেমার প্রকোপও হ্রাস পায়।

৭. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
বৈজ্ঞানিক নথি অনুসারে, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির হাত থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে। সেইসঙ্গে একজিমা এবং সোরিয়াসিসের মতো রোগের চিকিৎসাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, মাছে উপস্থিত প্রোটিন কোলাজেনের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বক উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

26/02/2023

পাঙাশের মতো রুই ও তেলাপিয়াতেও উচ্চমানের আমিষ আছে।
পুষ্টিবিদেরা জানিয়েছেন, অ্যামাইনো অ্যাসিড আমিষ তৈরির মৌলিক উপাদান। অ্যামাইনো অ্যাসিড কোষের দেয়াল তৈরি, দেহের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। জন্ম থেকে ৬ মাস, ৬ মাস থেকে ৩ বছর এবং ৩ থেকে ১০ বছর—এই বয়সী শিশুর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অ্যামাইনো অ্যাসিডের ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা আছে। পুষ্টিনীতি নির্ধারণ ও পুষ্টি পরিকল্পনা প্রণয়নে এই গবেষণা বড় ভূমিকা রাখবে বলে পুষ্টিবিদেরা মন্তব্য করেছেন। গবেষকেরা চাল, গম, মসুর, রুই, তেলাপিয়া ও পাঙাশের আমিষের পরিমাণ নির্ণয় করেছেন। গবেষণা ফলাফল বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ হিসেবে প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসিভিয়ার, তাদের ফুড কেমিস্ট্রি সাময়িকীতে। প্রধান গবেষক ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক নাজমা শাহিন প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত এই ছয়টি খাদ্যে আমিষের পরিমাণ এবং কোন অ্যামাইনো অ্যাসিড কতটুকু আছে, তা চিহ্নিত করা ছিল এই গবেষণার লক্ষ্য। তাঁরা দাবি করেছেন, ডায়াস (ডাইজেস্টেবল ইনডিসপেন্সেবল অ্যামাইনো অ্যাসিড স্কোর) পদ্ধতি ব্যবহার করে পুষ্টিগুণ নির্ণয়ে এ ধরনের গবেষণা সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে এটাই প্রথম।
নাজমা শাহিন বলেন, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সহায়তায় ইনস্টিটিউটের গবেষকেরা ন্যাশনাল ফুড কম্পোজিশন টেবিল তৈরি করেছেন। দেশে পাওয়া যায় এমন ৩৮১টি খাদ্যের পুষ্টিগুণের বর্ণনা তাতে আছে। সেই পুষ্টিতথ্যকে আরও সমৃদ্ধ করার জন্য এই ছয়টি খাদ্যের আমিষ ও অ্যামাইনো অ্যাসিডের উপাত্ত তাঁরা পৃথকভাবে বের করেছেন।
গবেষকেরা বলছেন, দেশের মানুষের দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় শস্য দানার মধ্যে চাল, গম, মসুর এবং মাছের মধ্যে রুই, তেলাপিয়া, পাঙাশ গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে। দেশের ৩০টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনের ১৭টি থেকে চালের ১৭টি, গমের ২৫টি, মসুরের ২৪টি নমুনা এবং দেশের প্রধান ১১টি মাছের বাজার থেকে রুই, তেলাপিয়া ও পাঙাশের ১১টি করে নমুনা সংগ্রহ করেন। এসব নমুনা বিশ্লেষণ করা হয় ভারতের হায়দরাবাদের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউট্রিশনে। গবেষকেরা প্রতিটি নমুনার আর্দ্রতা, শর্করা, আঁশ, লিপিড ও আমিষের পরিমাণ বের করেন। আমিষে ২০ ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে, এর মধ্যে কিছু অত্যাবশ্যকীয়। অধ্যাপক নাজমা শাহিন বলেন, কোন অ্যামাইনো অ্যাসিড কতটুকু আছে, তার ওপর নির্ভর করে আমিষের গুণমান। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মসুরে আমিষ বেশি, তবে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড কম। অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে পাঙাশের নমুনায়। এরপর তেলাপিয়া ও রুই মাছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সুপারিশে বলা হয়েছে, এক গ্রাম আমিষে ২৭৭ মিলিগ্রাম অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকা উচিত। পাঙাশের প্রতি গ্রামে আছে ৪৩০ মিলিগ্রাম।
জানার পর গবেষণার তথ্যকে নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন পুষ্টিবিদ অধ্যাপক এম কিউ কে তালুকদার। কিছুটা সতর্ক অবস্থানে থেকে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘পাঙাশ অ্যামাইনো অ্যাসিডের চাহিদা পূরণ করে, এটা ভালো কথা। এই তথ্য যেমন জানা দরকার, তেমনি পাঙাশে চর্বি বেশি, সেই সতর্কতাও থাকা দরকার।’ বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধের শুরুতে বলা হয়েছে, সমৃদ্ধ জৈব ও কৃষিবৈচিত্র্য থাকার পরও অপুষ্টি দেশের জন্য বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে আছে। প্রবন্ধের শেষ দিকে বলা হয়েছে, ডায়াস পদ্ধতি ব্যবহার করে তিনটি মাছের আমিষের মান নিয়ে যে তথ্য পাওয়া গেছে, তা অজানা ছিল।

18/02/2023

লিচুর ১৪ টি পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
১. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য লিচু খাওয়া অনেক ভালো কারণ এতে ক্যালরির পরিমাণটা বেশি।
২. লিচু দেহের শক্তি বাড়ায়, কারণ এটি শরীরে ফ্লুইডের পরিমাণ বাড়ায়।
৩. লিচুতে ভিটামিন 'সি'-এর পরিমাণ কমলালেবুর তুলনায় ৪০ শতাংশ বেশি।
৪. এই ফলটিতে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড রয়েছে।
৫. লিচু বিটা ক্যারোটিনসহ প্রয়োজনীয় ভিটামিন শোষণে সহায়তা করে।
৬. এটি হজমে সহায়তা করে,কারণ লিচুতে আছে কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার।
৭. লিচুতে বিটা ক্যারোটিনও পরিমাণ গাজরের তুলনায় তুলনায় বেশি।
৮. লিচুতে থাকা ক্যালসিয়াম হাড়, দাঁত, চুল, ত্বক, নখ ভালো রাখতে সাহায্য করে।
৯. এটি ত্বক ও চুলের পুষ্টি জোগায়।
১০. এতে রয়েছে নিয়াসিন ও রিবোফ্লাভিন নামক ভিটামিন 'বি' কমপ্লেক্স।
১১. লিচুর ভিটামিন 'এ' রাতকানা কর্নিয়ার অসুখ, চোখ ওঠা, চোখের কোনা ফুলে লাল হয়ে যাওয়া দূর করে।
১২. লিচুতে থাকা পটাসিয়াম এবং খনিজের মতো উপাদান হূদরোগের ঝুঁকি কমায়। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
১৩.এটি মস্তিষ্ক বিকাশেও সহায়তা করে। এছাড়া আমাদের হার্ট সুরা করে, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
১৪. এছাড়াও লিচু ক্যান্সার থেকে মানবদেহকে দেয় সুরক্ষা। এটি ক্যান্সার তৈরিকারী কোষ ধ্বংস করে। এতে অবস্থিত ফ্ল্যাভনয়িডস বা ভিটামিন 'পি' স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

18/02/2023

আমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ক্যারোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও সামান্য পরিমাণে প্রোটিন, পেকটিন জাতীয় ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। এক কথায় আমড়া পুষ্টিগুণে ভরপুর। তবে এর ভেতরের অংশের চেয়ে খোসায় পুষ্টিগুণটাই বেশি। চলুন জেনে নিই আমড়ার
১.প্রতিটি আমড়ায় তিনটি আপেলের সমান পুষ্টি রয়েছে। কাঁচা অবস্থায় এটি টক থাকে, পেকে গেলে টকভাব খানিকটা চলে যায়। এই ফলটি কাঁচা-পাকা, রান্না করে কিংবা আচার বানিয়ে খাওয়া হয়।
২. আমড়া রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে স্ট্রোক ও হৃদরোগের হাত থেকে রক্ষা করে। ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে এবং শরীরের পেশী গঠনে সহায়তা করে।
৩. এ ফলটিতে বিদ্যমান পেকটিন জাতীয় ফাইবার বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সারসহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ করে শরীরকে সুস্থ রাখে।
৪. আমড়া ত্বক, নখ ও চুল সুন্দর রাখতে সহায়তা করে। বিশেষ করে ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। যারা রক্ত স্বল্পতায় ভুগছেন তাদের জন্য আমড়া খুবই উপকারী। কারণ আমড়াতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় শরীরের রক্তের চাহিদা পূরণ হয় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সহয়তা করে।
৫. আমড়া খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হয় এবং ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়।

18/02/2023

#কাঁঠালের উপকারিতা
১. বয়সের ছাপ দূর করতে: কাঁঠাল বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করবে। মুখে বলিরেখা পড়তে দেয় না। শরীরের ত্বককে রাখে মসৃনা। এর মধ্যকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ সৃষ্টিকারী মুক্ত উপাদানের (ফ্রি র‌্যাডিক্যালস) বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
২. হজমশক্তি বাড়াতে: কাঁঠাল দেখতে মানুষের পেটের মত। তাই পেটের নানা রকম রোগ সারাতে কাঁঠাল উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং অন্ত্রের নড়াচড়া বাড়াতে সাহায্য করে। এতে যে আঁশ থাকে, তা কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে। অম্লতা ও আলসার ঠেকাতে কাঁঠাল উপকারী।

৩. ওজন কমায়: কাঁঠালে চর্বির পরিমাণ খুব কম। তাই বেশি খেলেও ওজন বাড়ার শঙ্কা নেই। পেট ভরে খেলে ওজন কমাতে সাহায্য করে কাঁঠাল।

৪. উচ্চ রক্তচাপে: ১০০ গ্রাম কাঁঠালে পটাশিয়াম ৪৪৮ মিঃগ্রাম। পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এ জন্যে কাঁঠাল উচ্চ রক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে। ষ্ট্রোক ও হৃদ রোগের ঝুকি কমায়।
৫. মানসিক চাপ কমাতে: কাঁঠাল খেলে মানসিক চাপ তথা টেনশন এবং নার্ভাসনেস কমে মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।
৬. শর্করা নিয়ন্ত্রণে: কাঁঠালে বিপুল পরিমাণে খনিজ উপাদান ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে যা রক্তের চিনির পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
৭. শ্বেতকনিকার কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে: কাঁঠালে থাকা ভিটামিন সি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে দেহকে সুরক্ষা দেয়, রক্তের শ্বেতকনিকার কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
৮. রাত কানা রোগে: কাঁঠালে থাকা ভিটামিন এ রাতকানা রোগ সারাতে সাহায্য করে।
৯. হাড়কে শক্তিশালী করতে: কাঁঠালে বিদ্যমান ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠন ও হাড়কে শক্তিশালী করতে ভূমিকা পালন করে।
১০. দেহের শক্তি বৃদ্ধিতে: কাঁঠালে থাকা ফুক্টোজ ও সুকোজ রক্তে সুগারের মাত্রা না বাড়িয়েই চমৎকারভাবে দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে।

১১. দাঁতের মাড়ির শক্তি বৃদ্ধিতে: কাঁঠালে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে মানবদেহে ভিটামিন সি তৈরি হয় না। বিভিন্ন ফল মূল, শাক সবজি খাওয়ার মাধ্যমে এ ঘাটতি পূরণ হয়। কাঁঠাল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দাঁতের মাড়িকে শক্তিশালী করে।

১২. শিশু স্বাস্থে: ছয় মাস বয়সের পর থেকে শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি কাঁঠালের রস খাওয়ালেলে শিশুর ক্ষুধা নিবারণ হয় অন্যদিকে শিশুর প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়।

১৩. ক্লান্তি নাশে: অত্যধিক পরিশ্রমের পর ৩-৪ চামচ কাঁঠালের রস আধা কাপ দুধে মিশিয়ে খেলে ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।

১৪. বার্ধক্যজনিত দুর্বলতা: বার্ধক্য জনিত ক্ষয়হেতু দুর্বলতায় ৫-৬ চামচ কাঁঠালের রস সকাল বিকাল দু বেলা কয়েকদিন খেলে দুর্বলতা দূর হয়ে যাবে।
১৫. অরুচি দূর করতে: ২-৩ চামচ কাঁঠালের রসের সাথে সামান্য দুধ মিশিয়ে খেলে রুচি ফিরে আসবে। তবে শ্লেষ্মাজনিত অরুচিতে এতে কাজ হবে না।

১৬. সর্দি কাশি: এই সময়ে গরম আবার বৃষ্টি। খুব গরম আবার ঠান্ডায় অনেকেরই জ্বর কাশি সর্দি হয়ে থাকে। মৌসুমি এই সর্দি কাশি ও জ্বর সারাতে কাঁঠাল বেশ উপকারী।
১৭. মায়ের পুষ্টিতে: প্রতিদিন ২০০ গ্রাম পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভবতী মা ও তার গর্ভধারণকৃত শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয়ে যায়।

১৭. হৃদরোগের ঝুকিতে: কাঁঠালে থাকা ভিটামিন বি৬ হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।
১৮. মায়ের দুগ্ধ বৃদ্ধিতে: দুগ্ধদানকারী মা পাকা কাঁঠাল খেলে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
১৯. গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়: গর্ববতী মহিলারা কাঁঠাল খেলে তার স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকে এবং গর্ভস্থীত সন্তানের বৃদ্ধিও স্বাভাবিক হয়।
২০. রক্ত স্বল্পতায়: কাঁঠালে থাকা খনিজ উপাদান আয়রন দেহের রক্তাল্পতা দূর করতে সাহায্য করে
২১ হাঁপানী তাড়াতে: কাঁঠালের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতার মাঝে এটিও রয়েছে যে অ্যাজমা প্রতিরোধের গুণাবলী। কাঁঠালের শিকড় ছেঁচে একে ফুটিয়ে পানিটা খাওয়ালে হাঁপানী তথা অ্যাজমার জন্য উপকারী হয়।

২২. দৃষ্টি শক্তি ভাল রাখতে: কাঁঠালে থাকা ভিটামিন এ ও অন্যান্য উপাদান দৃষ্টি শক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে।
২৩. ত্বকের মসৃনতায়: ত্বক সুন্দর মসৃণ রাখতে নিয়মিত কাঁঠাল খাওয়া চাই। কাঁঠাল দেখতে যেমন আকর্ষণীয় তেমনি সে ত্বককেও আকর্ষনীয় করে তোলে। কাঁঠাল ত্বকের বলিরেখা দূর করে দেয়। চেহারায় লাবণ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করে দেয় কাঁঠাল।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Gazipur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Gazipur