TalkativE SciencE
I am happy
28/09/2024
পৃথিবী নাকি দ্বিতীয় চাঁদ পেতে যাচ্ছে চলুন জেনে নেই কি তার রহস্য!!!
অসম্ভব, দুর্লভকে পেয়ে গিয়ে হামেশাই ব্যবহৃত হয় হাতে চাঁদ পাওয়ার প্রসঙ্গ। পৃথিবী চাঁদ পেয়েছে আগেই, তবে এবার পেতে চলেছে দ্বিতীয় চাঁদকেও। ভাবতে অবাক লাগলেও, গবেষণা বলছে তেমনটাই। আর পৃথিবীর এই চন্দ্রপ্রাপ্তি হতে বেশি দেরিও নেই।
বলা হচ্ছে ২০২৪ পিটিফাইভ হল এই দ্বিতীয় চাঁদ। বস্তুত সেটি একটি ক্ষুদ্র গ্রহাণু। এটিই হবে পৃথিবীর টেম্পোরারি অর্থাৎ অস্থায়ী 'মিনি মুন'। প্রথম এর অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা যায় নাসার অ্যাস্টরিয়ড টেরেস্ট্রিয়াল ইম্প্যাক্ট লাস্ট অ্যালার্ট সিস্টেমের মাধ্যমে। মনে করা হচ্ছে আয়তনে এটি মাত্র ৩৩ ফুট প্রশস্ত।
আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির গবেষণা বলছে, মধ্যাকর্ষণ থেকে বেরিয়ে আসার আগে, সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত পৃথিবী গ্রহকে প্রদক্ষিণ করবে এই গ্রহাণু। ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ নভেম্বর ওই সময়কাল।
যদিও গবেষণা বলছে, আয়তনে এই গ্রহাণু এতটাই ক্ষুদ্র এবং ধূসর পাথরে তৈরি যে, খালি চোখে দেখা যাবে না তাকে। এমনকি বাড়ি থেকে দূরবীন বা হোম টেলিস্কোপে দেখাও সামান্য সমস্যার। তবে পেশাদার সরঞ্জামে চোখ রাখলে চোখে পড়তে পারে মিনি-মুন।
এই প্রসঙ্গে জ্যোতির্বিজ্ঞানী জেনিফার মিলার্ড আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থায় জানান, যেহেতু প্রফেশনাল টেলিস্কোপে এই অস্থায়ী দ্বিতীয় চাঁদ দেখা যাবে, তাই সকলে খালি চোখে একে দেখতে না পেলেও, সমাজমধ্যমে এর অনেক সুন্দর ছবি দেখতে পাবে।
এটাই কি প্রথম, যে পৃথিবীর আকাশে দেখা মিলবে মিনি মুন এর? গবেষণা বলছে একেবারেই না। এর আগেও বারবার ক্ষুদ্র গ্রহাণুরা এসেছে, কেউ কেউ বারবার এসেছে। যেমন এনএক্স ওয়ান, ১৯৮১ এবং ২০২২- এ সাময়িক ভাবে পৃথিবীর আকাশে ছিল। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ২০২৪ পিটিফাইভ আবার ২০৫৫ সালে পৃথিবীর আকাশে ফিরে আসবে।
18/09/2024
কোন দেশ চাঁদের সবচেয়ে কাছে জানেন কি???
দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূলের দেশ ইকুয়েডর। স্প্যানিশে ইকুয়েডরের মানে বিষুবরেখা। বিষুবরেখা হলো একটি কাল্পনিক রেখা, যা পৃথিবীকে উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরুতে ভাগ করেছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই ইকুয়েডরের এমন নাম দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের ১৩টি দেশ পুরোপুরি বিষুবরেখার ওপর অবস্থিত, এর মধ্যে অন্যতম ইকুয়েডর।
আমরা জানি, পৃথিবী কমলালেবুর মতো চ্যাপ্টা। পৃথিবীর অন্যান্য এলাকার তুলনায় কেন্দ্র থেকে বিষুবরেখার দূরত্ব সবচেয়ে বেশি। এ কারণে বিষুবরেখায় মাধ্যাকর্ষণ বল তুলনামূলকভাবে সামান্য কম। এই দেশটি অন্যান্য এলাকা থেকে উঁচু। ইকুয়েডরের রাজধানী কুইটো শহর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার ৮৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এই উচ্চতার কারণে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উচ্চতার রাজধানী এটি। এই ভৌগোলিক অবস্থার কারণে এখানে জীবন কিছুটা কঠিন।
ইকুয়েডর থেকে চাঁদকে সবচেয়ে কাছে দেখা যায়। আশ্চর্যজনক মনে হলেও এটি সত্য। একটি এলাকা মহাকাশের কত কাছে, তা নির্ভর করে এলাকাটি কত উঁচু। পৃথিবীর কোনো স্থান যদি সবচেয়ে উঁচু হয়, তবে সেটা এভারেস্ট। তাহলে তো মাউন্ট এভারেস্টের চূড়া থেকে মহাকাশ সবচেয়ে কাছে হওয়ার কথা। এখান থেকেই চাঁদকে সবচেয়ে কাছে মনে হবে। কিন্তু ইকুয়েডর চিম্বোরাজো পর্বত থেকে চাঁদকে সবচেয়ে কাছ থেকে দেখা যায়।চিম্বোরাজো ও এভারেস্ট দুটিই বিশ্বের বিখ্যাত পর্বত। চিম্বোরাজো পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে এভারেস্টের তুলনায় দূরে অবস্থিত। তবে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার দিক দিয়ে এভারেস্টই বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। এভারেস্টের উচ্চতা প্রায় ৮ হাজার ৮৪৮ মিটার। আর চিম্বোরাজোর উচ্চতা প্রায় ৬ হাজার ২৬৩ মিটার। চিম্বোরাজো পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত না হয়েও এর অবস্থান এমন যেখান থেকে চাঁদকে অনেক কাছ থেকে দেখা যায়।
ইকুয়েডর থেকে শুধু চাঁদকে সবচেয়ে কাছে দেখা যায়, এমন নয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে সূর্যের তাপও খুব প্রখর। বিষুবরেখার ওপর অবস্থিত হওয়ায় সারা বছর এখানে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান থাকে। সূর্য সরাসরি মাথার ওপরে অবস্থান করে। মিডল অব দ্য ওয়ার্ল্ড সিটি নামক স্থানে দুপুর ১২টা বাজে কোনো ছায়া দেখা যায় না।
মঙ্গলে পাওয়া গেছে তরল পানির মহাসাগর !!!
বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই মঙ্গলে জীবনের অস্তিত্বের সন্ধান করে চলেছেন। আর সেই সন্ধানে বিজ্ঞানীরা আরও একটি ধাপ এগিয়েছেন। সম্প্রতি মঙ্গলে তরল পানির সাগরের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই আবিষ্কার মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে আমাদের ধারণা পুরোপুরি বদলে দিতে পারে। এই আবিষ্কারের ফলে মঙ্গলে জীবনের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা আরও বেড়ে গেছে। এই গবেষণার ফলাফল ১২ আগস্ট প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস (পিএনএএস) জার্নালে প্রকাশিত হয়। এই গবেষণাপত্রে বিজ্ঞানীরা উল্লেখ করেছেন যে মঙ্গল গ্রহে প্রচুর তরল পানি রয়েছে। তাঁদের মতে, এই পানি মঙ্গল গ্রহের পুরো পৃষ্ঠতলকে প্রায় এক মাইল গভীর পানিতে ডুবিয়ে দিতে পারে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই তরল পানির সাগরে পাওয়া যেতে পারে মঙ্গলে জীবনের অস্তিত্ব।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে ও সান দিয়েগোর বিজ্ঞানীরা এক যৌথ গবেষণায় মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠতলের নিচে এই বিপুল পরিমাণ তরল পানির অস্তিত্বের প্রমাণ পেয়েছেন। কিন্তু কীভাবে তাঁরা এই লাল গ্রহের পাথুরে পৃষ্ঠতলের নিচে এই খোঁজ চালালেন? তাঁরা মূলত এই গবেষণার জন্য মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ইনসাইট ল্যান্ডারের সংগৃহীত সিসমিক ডেটা থেকে মঙ্গল গ্রহের ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরি ও উল্কার প্রভাবের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই গভীর জলাশয়ের অস্তিত্বের প্রমাণ পেয়েছেন। তাঁরা পৃথিবীর ভূগর্ভস্থ জলাধার ও তেলক্ষেত্র খুঁজে বের করতে যে শিলা পদার্থবিজ্ঞানের গাণিতিক মডেল ব্যবহার করেন, সেই একই ধরনের মডেল ব্যবহার করে মঙ্গল গ্রহের ভূত্বকের ক্ষুদ্র ফাটল ও ছিদ্রগুলোয় এই গভীর জলাশয়ের অস্তিত্ব নিশ্চিত করেছেন।
গবেষকেরা মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১১ দশমিক ৫ থেকে শুরু করে ২০ কিলোমিটার নিচে পানি আছে বলে ধারণা করছেন।
বিড়াল ও কুকুরের লালা কতটুকু ক্ষতিকর???
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Gazipur
1702
